যেভাবে ভোজনরসিকের যাত্রা শুরু...............................................
যুগের আধুনিকতায় বাংলার রসনা-বিলাসের ঐতিহ্য কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে। আর সহজলভ্যতার অভাবে শহুরে বুদ হয়ে থাকা মানুষ আজ ভুলতে বসেছে সুস্বাদু আর ঐতিহ্যবাহী এইসব বিখ্যাত খাবারের স্বাদ। এমতাবস্থায় দেশের ঐতিহ্য রক্ষার্থে আর অঞ্চলভেদে এই সকল খাবার তৈরির সাথে যেসব মানুষ জড়িত তাদেরকে আরো বেশি উৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ।
কে
ন ভোজনরসিক ডট কম ? ?................................................
ভোজনরসিক.কম বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো মূল উৎস থেকে সরাসরি নিয়ে আসছে আপনাদের কাছে।
ভেজালের ভিড়ে আদি ও প্রকৃত উৎস থেকে সংগ্রহীত ভেজালহীন প্রতিটি খাবার।
ঘরে বসে খুব সহজে ঐতিহ্যবাহী এইসব খাবার সমূহ পাচ্ছেন ভোজনরসিক.কম –এর মাধ্যমে।
অর্ডার করতে পারেন মোবাইল, ইমেইল, ওয়েব, ফেসবুক-এর মাধ্যমে অথবা সরাসরি অফিস থেকে।
কোন প্রকার ঝামেলা অথবা অতিরিক্ত চার্জবিহীন আপনার পছন্দের খাবার চলে আসবে আপনার কাছে।
খাবার বুঝে পাওয়ার পর মূল্য পরিশোধ।
নেপথ্যে আছেন যারা ! ! !................................................
তথ্য-প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে আজকের বিশ্ব সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু স্বপ্নবাজ আর উদ্যোমী তরুণ নিজেদের সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ হাতে নেয়। প্রযুক্তির সাথে দেশের ঐতিহ্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধনেই সৃষ্টি হয় ভোজনরসিক ডট কম। যান্ত্রিকতায় ভরপুর এই শহুরে সমাজকে ঘরে বসে বাংলার ঐতিহ্যবাহী এইসব খাবারের স্বাদ উপভোগ করার সুযোগ করে দিতেই এই প্রয়াস।
বহুল প্রচলিত ধারণা, “স্বাদে সমৃদ্ধ, বাঙালির ঐতিহ্য”। আর তাই আমাদের বিশ্বাস, “বাঙালির ঐতিহ্য, বাংলার খাবার”। এই বিশ্বাস থেকেই আমরা আপনাদের জন্য “ঘরে বসে ঐতিহ্যের খাবার” – এর ব্যবস্থা করেছি। তাইতো “ঐতিহ্যের সাথে, সবার পাশে” কথাটি আমরা প্রাণ খুলে দাবি করতে পারি। সর্বোপরি ভোজনপ্রিয় বাঙালী জাতির উদ্দেশ্যে একটাই আবেদন, “খাবেন যখন চেটে-পুটে খান”।
আমাদের এই প্রচেষ্টার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে দেশের অন্যতম দু’টি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠানঃ AceTech Bangladesh এবং comfosys Limited। এদের মাঝে AceTech Bangladesh ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগী প্রচেষ্টা এবং অনলাইন-ভিত্তিক বিভিন্ন কার্যকলাপ ও ব্যবসাতে সুনাম ধরে রেখেছে। অন্যদিকে comfosys Limited দেশের সফটওয়্যার বিনির্মাণে দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের সহযোগীতায় এই মহান উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়। আর এই দুই প্রতিষ্ঠানের কিছু পেশাদার কর্মী এই উদ্যোগকে জনগণের কাছে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।