S Cube Farm

S Cube Farm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from S Cube Farm, Farmers market, Hazaribagh, Dhaka.

 #লেয়ার মুরগি কত দিনে ডিম দেয়?ডিমপারা হাইব্রিড লেয়ার মুরগি সাধারনত ১৮ থেকে ১৯ সপ্তাহ বয়সে ডিমে দেয়া শুরু করে। যা ২৩ থে...
14/08/2024

#লেয়ার মুরগি কত দিনে ডিম দেয়?
ডিমপারা হাইব্রিড লেয়ার মুরগি সাধারনত ১৮ থেকে ১৯ সপ্তাহ বয়সে ডিমে দেয়া শুরু করে। যা ২৩ থেকে ২৪ সপ্তাহ বয়সে সর্বোচ্চ উৎপাদনে আসে। এবং একটানা ৯৫-১০০ সপ্তাহ পর্যন্ত লাভজকভাবে ডিম দিয়ে থাকে। এরপর পর্যায়ক্রমে ডিম দেয়ার হার কমতে থাকে।

#লেয়ার মুরগির ডিম পারা যেসকল বিষয়ের উপর নির্ভর করে
বানিজ্যিক লেয়ার মুরগি সঠিক সময়ে সর্বোচ্চ ডিম পারার সক্ষমতা কতগুলি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। নিচে সেটি বর্নণা করা হলো।

১।১৭ সপ্তাহ শেষে মুরগির কাংখিত ওজন থাকতে হবে। জাতভেদে যা
১.১২৫ থেকে ১.২০০ কেজি হতে হবে।
২।লেয়ার মুরগির লাইটিং শিডিউল সঠিকভাবে মেনে চলতে হবে।
৩।লেয়ার মুরগির খাদ্য তালিকার মান ঠিক রাখতে হবে।
৪।ডিম পারার উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।
৫।সঠিক ব্যাবস্থাপনার মাধ্যমে সুস্থ সবল রাখতে হবে।

07/06/2024

সাধারনত বাচ্চা বয়সে দেশী মুরগির মৃত্যুহার অধিক এবং অপুষ্টিজনিত কারনে সঠিকভাবে বেড়ে উঠেনা। ফলে ডিম ও মাংস উৎপাদন সঠিকমাত...
05/06/2024

সাধারনত বাচ্চা বয়সে দেশী মুরগির মৃত্যুহার অধিক এবং অপুষ্টিজনিত কারনে সঠিকভাবে বেড়ে উঠেনা। ফলে ডিম ও মাংস উৎপাদন সঠিকমাত্রায় আসেনা। বাচ্চা বয়সে সঠিকভাবে যত্ন নিলে দেশি মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে।

পর্ব ৯ : ব্রাহামা পালনের কিছু উপকারিতা এবং অপকারিতা         উপকারিতা:-         ১.এরা খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ, নম্র স্বভাবের। ...
29/05/2024

পর্ব ৯ : ব্রাহামা পালনের কিছু উপকারিতা এবং অপকারিতা

উপকারিতা:-
১.এরা খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ, নম্র স্বভাবের।
২.মা হিসাবে এরা খুবই যত্নবান।
৩.সাধারনের তুলনায় বড় ডিম পারে।
৪.সহজে রোগাক্রান্ত হয় না।
৫.৩-৪ ফুটের বেশী উচু লাফ দিতে পারেনা।
৬.মানুষের আদর পেতে খুব ভালোবাসে।

অপকারিতা:-
১.ছোট জাতের মুরগিত তুলনায় প্রায় দ্বিগুন খাবার খরচ।
২.বেশী বড় পরশমের জন্য সহজেই উকুন দ্বারা আক্রান্ত হয়।
৩.কুচে বসার সম্ভাবনা বেশী।
৪.পা ঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে সহজেই ইনফেকশনে আক্রান্ত হতে পারে।
৫.স্বাভাবিকের তুলনায় বেশী যায়গার প্রয়োজন হয়।
৬.ডিম পারার মত ম্যাচিউরিট আসতে বেশী সময় প্রয়োজন হয়।

শেষ।

পর্ব ৮ : ব্রাহামাদের থাকার স্থান/খোপ তৈরী             ব্রাহামা মুরগির আকারের জন্য এদের প্রয়োজন হয় সাধারনের তুলনায় বেশী য...
28/05/2024

পর্ব ৮ : ব্রাহামাদের থাকার স্থান/খোপ তৈরী

ব্রাহামা মুরগির আকারের জন্য এদের প্রয়োজন হয় সাধারনের তুলনায় বেশী যায়গার।তাই,এদের জন্য ভালো খোপ তৈরী করতে যেসব ব্যাপার গুলো আপনার মাথায় রাখা উচিৎ তা দেওয়া হলোঃ-

ব্রাহামাদের থাকার রুমের যায়গা:-
এক জোড়া প্রাপ্ত বয়ষ্ক ব্রাহামার জন্য কমপক্ষে ৯ বর্গফুট যায়গা প্রয়োজন হয়।যদি তাদের এর থেকে বেশী যায়গা দেওয়া যায় তাহলে তারা আরো সুস্থ-সবল ভাবে চলাচল করতে পারে কারণ তাদের দেহ অনুযায়ী স্বাভাবিকের তুলনায় তাদের বেশী যায়গা লাগে।

ব্রাহামার ডিম পারার জন্য যায়গা:-
তাদের ডিম পারার জন্য তুলনামূলক বড় যায়গার প্রয়োজন হয়।কারণ,তারা অন্যান্য সকল মুরগির চেয়ে বেশী ডিম একসাথে নিয়ে বসতে পারে।পাশাপাশি,বেশী যায়গার কারণে তাদের ডিম পারতে আরাম হয়।

ব্রাহামার ঘড়/খোপের উচ্চতা:-
ব্রাহামাদের জন্য ৩-৪ ফুট উচ্চতার ঘড় হলে বেশী ভালো হয় তাহলে তারা তারা স্বচ্ছল ভাবে লাফ দিতে পারবে।তাদের ঘড় মাটি থেকে সম্ভব হলে একটু উচু করে তৈরী করা উচিৎ যেন নিচে কাদা/ময়লা না জমে।

ব্রাহামাদের জন্য ঘড়ের বাহিরে চলাচলের স্থান:-
ব্রাহামারা ঘুড়ে বেড়াতে বেশী পছন্দ করে তাই সম্ভব হলে তাদের খাচার বাহিরে চলাচলের জন্য যায়গা রাখা।এবং চলাচলের যায়গার পাশে ৬ ফুট উচু বেড়া দেওয়া তাহলে ব্রাহামারা বেড়ার বাহিরে যেতে পারবে না।

সবশেষে লাভজনক ভাবে ব্রাহামা মুরগি পালন করার চিন্তা-ভাবনা থাকলে তাদের জন্য তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ঘড় বানাতে হবে তাহলে তাদের মন ভালো থাকবে,দেহ সুস্থ থাকবে আর তাদের থেকে বেশী পরিমানে ডিম/বাচ্চা পাওয়া যাবে।

চলবে............

পর্ব ৭ :  ব্রাহামা মুরগির খাবার             প্রত্যেকটি  জীবের জীবনের বিভিন্ন পর্যায় থাকে যে পর্যায় অনুযায়ী খাদ্যভ্যাস এব...
27/05/2024

পর্ব ৭ : ব্রাহামা মুরগির খাবার

প্রত্যেকটি জীবের জীবনের বিভিন্ন পর্যায় থাকে যে পর্যায় অনুযায়ী খাদ্যভ্যাস এবং খাদ্যর চাহিদা পরিবর্তন হয়। একই ভাবে এই দুর্দান্ত দৈত্যাকার মুরগিদের যত্ন নেওয়ার জন্যও জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের খাদ্যের চাহিদার দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। নিম্নে তার একটি ধারনা দেওয়া হলোঃ-

স্টার্টার ফিড (০-৮ সপ্তাহ):
ব্রাহামার বাচ্চা জন্মের পর থেকে, তাদের বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য বিশেষ পুষ্টির প্রয়োজন হয়।তাই শুরুর দিকে একটি উচ্চ-মানের স্টার্টার ফিড দিয়ে শুরু করুন যা বিশেষভাবে ছোট বাচ্চাদের চাহিদা মেটাতে তৈরী করা হয়েছে। এই প্রয়োজনীয় ফিড জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক পর্যায়ে বাচ্চার সুস্থ থাকার এবং বৃদ্ধি হওয়ার সকল প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করবে।

গ্রোয়ার ফিড (৮ সপ্তাহ - প্রি লেয়িং স্টেজ):
ব্রাহামার বাচ্চাগুলি ৮ সপ্তাহ হওয়ার সাথে সাথে তাদের খাদ্য স্টার্টার ফিড থেকে গ্রোয়ার ফিডে রূপান্তর করতে হবে। এই ফিড তাদের ক্রমাগত বৃদ্ধি করে এবং ডিম পাড়ার জন্য প্রস্তুত করে। ব্রাহামা মুরগি তাদের দেরী করে ম্যাচিউর হওয়ার জন্য পরিচিত, তাই তাদের অন্যান্য জাতের তুলনায় অধিক সময়ের জন্য গ্রোয়ার ফিড খাওয়ানো হয়।

লেয়ার ফিড (পোস্ট-লেয়িং):
ব্রাহামা মুরগি সাধারনত ছয় থেকে সাত মাস বয়সে পৌঁছালে প্রথম ডিম পাড়ে তখন তাদের লেয়ার ফিড দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ফিড ডিম উৎপাদন এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য পুষ্টির চাহিদা পূরন করে।

ব্রাহামা মুরগিকে খাওয়ানোর পরিমানঃ-
তাদের বড় আকারের কারণে তারা সাধারণত অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশি খাদ্য গ্রহণ করে তাই তাদের পুষ্টির চাহিদা পর্যাপ্তভাবে মেটাতে বেশি পরিমাণে ফিড কেনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

যদিও ব্রাহামা মুরগির নির্দিষ্ট খাদ্যতালিকার প্রয়োজনীয়তা নেই, জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে তাদের সঠিক খাদ্য সরবরাহ করা তাদের স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চলবে..................

পর্ব ৬ : ব্রাহামার মেজাজ এবং ব্যাবহার            ব্রাহামার মেজাজঃ-            ব্রাহামা মুরগিকে কোমল মনের দৈত্য বললেও ভুল...
26/05/2024

পর্ব ৬ : ব্রাহামার মেজাজ এবং ব্যাবহার

ব্রাহামার মেজাজঃ-
ব্রাহামা মুরগিকে কোমল মনের দৈত্য বললেও ভুল হবেনা।কারণ, তারা বন্ধুত্বপূর্ন ও কোমল হওয়ার জন্যই বেশ পরিচিত।বাচ্চা বয়সে যারা তাদের যত্ন নেয় এই মুরগি তাদের খুব ভালোবাসে।এরা মানুষের সাথে মিশে থাকতে খুব বেশী পছন্দ করে।
মিশ্রভাবে বিভিন্ন জাতের সাথে পালন করার জন্য এই মুরগি খুবই উপযোগী।এরা দলের বাকিদের সাথে খুব ভালো আচরন করে এবং কোন সমস্যা সৃষ্টি করেনা।
এরা নিজের ডিম নিজে ফুটাতে খুব বেশী পছন্দ করে।এবং এদের আকারের কারণে এরা অন্য সকল জাতের তুলনায় বেশী ডিম নিয়ে বসতে পারে।
মা-বাবা হিসাবে ব্রাহামা মুরগি খুবই ভালো।তারা নিজেদের বাচ্চার তো যত্ন নেয়ই পাশাপাশি অনেক সময় দেখা যায় এরা দলের অন্যান্য মুরগির বাচ্চাদের নিজের বাচ্চার মত করতে যত্ন নেয়।
ব্রাহামা জাতের মোরগ গুলো খুব শান্ত হয়ে থাকে এরা দেশী বা আসিল মোরগের মত খুব বেশী ডাকাডাকি করেনা।যপদি আপনি চান আপনার প্রতিবেশী যেন আপনার উপর বিরক্ত না হয় তাহলে এই মুরগি আপনার জন্য শতভাগ সঠিক।

ব্রাহামা পালের আধিপত্যঃ-
যেহেতু ব্রাহামা মুরগি নম্র-ভদ্র তাই দলের আধিপত্য নিয়ে তাদের তেমন কোন আগ্রহ থাকে না।যদিও তাদের দেহের আকার অনেক বড় তবুও তারা নিজের অবস্থান নিয়ে সন্তষ্ট থাকে এবং আরামদায়ক অবস্থানে বসবাস করতে চায়।

চলবে..............

পর্ব ৫ : ব্রাহামা মুরগির রোগ,স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা             যদিও ব্রাহামা মুরগি তাদের বিশাল আকার এবং শক্তিশালী দেহের ...
25/05/2024

পর্ব ৫ : ব্রাহামা মুরগির রোগ,স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা

যদিও ব্রাহামা মুরগি তাদের বিশাল আকার এবং শক্তিশালী দেহের জন্য পরিচিত তবুও অন্যান্য সকল মুরগির মত এদেরও সুস্থ সবল রাখার জন্য যত্নের প্রয়োজন রয়েছে।তার জন্য নিম্নে কিছু পয়েন্ট দেওয়া হলো-

১.নিচু বসার স্থানঃ- আকারের কারণে ব্রাহামা মুরগি খুব বেশী উড়তে পারে না তাই তাদের বসার জন্য নিচু যায়গা দিতে হবে যেখানে তারা খুব সহযেই উঠে বসতে পারে।যদি উচু যায়গা দেওয়া হয় তাহলে তারা উপরে উঠতে না পেরে বাধা পেয়ে নিচে পরে যাবে তখন তাদের দেহের যেকোন অংশের ক্ষতি হতে পারে।

২.পা ফোলা রোগঃ- এটি এমন একটি রোগ যার দ্বারা মুরগির পায়ের পাতায় ঘা হয় যদি এমন কোন মুরগি আপনার খামারে থাকে তাহলে তাকে দ্রুত অন্যান্য মুরগিদের থেকে আলাদা করুন এবনগ কোন ভেটের কাছে নিয়ে যান অথবা অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন।

৩.কীট-পতঙ্গ প্রতিরোধঃ- ব্রাহামার গায়ে ঘন পশমের কারণে এদের গায়ে উকুন হতে পারে তাই নিয়মিত এদের পরিষ্কার রাখুন বিশেষ করে ভেজা এবং স্যাতস্যাতে মৌসুমে।

৪.পায়ের যত্নঃ-ব্রাহামার পা হচ্ছে তাদের সৌন্দর্যের বিশেষ অংশ কারন তাদের পায়ে অনেক পালক থাকে।তাই ভেজা বা কাদাযুক্ত স্থানে চলাচলের ফলে এদের ঠান্ডা লাগতে পারে পাশাপাশি অনেক জীবানু আক্রমন করতে পারে।তাই চেষ্টা করতে হবে এদের যথাসম্ভব শুষ্ক স্থানে রাখার এবং মাঝে মাঝে পায়ে হালকা জীবানু-নাশক ব্যাবহার করা।

৫.টিকা এবং কৃমিনাশকঃ-যেকোন রোগ থেকে আপনার মুরগিকে বাচিয়ে রাখতে টিকার কোন বিকল্প নেই।তাই রানীক্ষেত,গাম্বুরা,বার্ডফ্ল এর মত ভয়ানক রোগ থেকে বাচতে চাইলে সময়মত মুরগিকে সকল টিকা দিন।

উপরোক্ত ব্যাপার গুলোর দিকে নজর দিলে আশা করা যায় আপনি দীর্ঘসময় এই মুরগি পালনে সক্ষম হবেন।

রোগের ব্যাপারে আরো বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে

চলবে.................

পর্ব ৪ : ব্রাহামার ডিম এবং মাতৃত্ব              এক সময় শুধু মাংস উৎপাদনের জন্য ব্রাহামা মুরগি পালিত হলেও এখন মাংসের পাশা...
24/05/2024

পর্ব ৪ : ব্রাহামার ডিম এবং মাতৃত্ব

এক সময় শুধু মাংস উৎপাদনের জন্য ব্রাহামা মুরগি পালিত হলেও এখন মাংসের পাশাপাশি ডিমের জন্যও এরা বিখ্যাত।এদের দেহের মত এদের ডিমের আকারও বেশ বড় হয় যার প্রতিটি প্রায় ৫৫-৬০ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে এবং এর রঙ হয় হালকা বাদামী।এই পরিবর্তনের দ্বারা ব্রাহামা প্রজাতিটি প্রমান দেয় যে খামারিরা ইচ্ছা করলে এদের বহুমূখীভাবে পালন করতে পারে।

ব্রাহামার ডিমের পরিমানঃ-
ডিমের জন্য ব্রাহামা নিজের পরিচয় তুলে ধরলেও শীর্ষস্থানে ডিমের জন্য যেসব জাত পরিচিত তাদের ধারে কাছেও নেই ব্রাহামা।বছরে এরা প্রায় ১৫০ টি ডিম পারে যা সপ্তাহে প্রায় ৩ টি ডিমের মত।তবুও আকার এবং ওজনের জন্য এদের ডিম অনেকের কাছে পছন্দনীয়।যদিও এরা খুব বেশী পরিমানে ডিম পারে না তবুও গুনগত মানের ডিক দিয়ে দেখতে গেলে এদের ডিম সেরাদের মধ্যে অন্যতম।

ব্রাহামার কুচে বসাঃ-
অনেকেই মনে করেন যে ব্রাহামা মুরগিরা সাধারনত কুচে(ডিমে তাপ দেওয়া) বসে না।কিন্তু,এমন ধারনা ঠিক নয় তারা অন্যান্য সকল মুরগির মত কুচে বসে এবং নিজের ডিম নিজে ফুটাতে সক্ষম।তবে কিছু মুরগি কুচে নাও বসতে পারে যদিও এমনটি খুবই কম ঘটে কিন্তু এমনটি ঘটলে এর দেখাদেখি অন্যান্য মুরগিরাও কখনো কখনো এমন করতে পারে।এদের বিশেষত্ব হলো এরা মা হিসেবে খুব ভালো।তারা শুধু নিজেদেরই না বরং আশেপাশের অন্য সব মুরগির বাচ্চাদেরও যত্ন নেয়।এরা বাচ্চাদের বেড়ে উঠার জন্য সুন্দর এবং শক্তিশালী পরিবেশ গড়ে তুলে।সবশেষে বলা যায় ব্রাহামা জাতটি, মুরগি সমাজের মধ্যে একটি অনন্য এবং অন্যতম সেরা জাত।

চলবে................

Address

Hazaribagh
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when S Cube Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category