10/07/2024
আমি আপনাকে ভালোবাসি রুদ্ধ ভাইয়া।
রাত! এবার কিন্তু সবটা বেশি বেশি হচ্ছে। নিজের পড়াশোনায় মন দাও।মাথা থেকে উল্টোপাল্টা চিন্তা বাদ দিয়ে এটা মাথায় ঢোকাও যে তোমাকে একটা ভালো জায়গায় চান্স পেতে হবে।
---- কিন্তু আমি তো আপনাকে,,
---- আমি হসপিটাল যাচ্ছি। তুমি বাসায় থাকবা।আম্মু একটু পরই চলে আসবে।
---- হুম।
" চলে গেলো রুদ্ধ ভাইয়া।আমি আরাত্রি রহমান।সবাই রাত বলে ডাকে।আমি এবার এডমিশন দিব।আমাদের বাড়ি গ্রামে হওয়ায় আমি ঢাকায় বাবার এক বন্ধু রাহাত আংকেলের বাড়িতে থেকে কোচিং করি।রুদ্ধ ভাইয়া হলো রাহাত আংকেলের বড় ছেলে। তার একটা ভাইও আছে।যদিও তাকে আমি কখনো দেখিনি।
রুদ্ধ ভাইয়ার মাও খুব ভালো।সেই এসে থেকে রুদ্ধ ভাইয়ার পিছনে পড়ে আছি আমি।কেন জানি খুব ভালোলাগে আমার উনাকে কিন্তু উনি আমাকে একদম পাত্তা দেয়না।"
---- আরে রাত,কী ভাবছিস।
---- না কিছু না, মামনি।( মামনি হলো রুদ্ধ ভাইয়ার মা।)
---- ওহ! তুই ফ্রেশ হয়ে আয়, আমি খেতে দিচ্ছি।
---- আচ্ছা।
খাওয়া দাওয়া করে কোচিং এর জন্য বেরিয়ে গেলাম।রুদ্ধ ভাইয়াদের বাড়ি থেকে কোচিং বেশ দূরেই হয়।বেশির ভাগ দিন রুদ্ধ ভাইয়া আমাকে ড্রপ করে দিয়ে যায়। আজ সে একটু আগেই বেরিয়ে গেছে।রুদ্ধ ভাইয়া ঢাকা মেডিকেল থেকে পড়েছেন।আপাতত উনি ইনর্টান করছে।ভাইয়াদের নিজের হাসপাতাল আছে।
আমি এই বাসায় এসেছি তাও মাসখানের কিন্তু রুদ্ধ ভাইয়ার ছোট ভাইকে দেখিনি সেও আমার মতো এডমিশন দিবে এবার।তবে সে নাকি এক্সাম শেষে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গেছে।
আজ হাতে অনেক টাইম আছে তাই রিক্সা না নিয়ে হেঁটেই যাচ্ছিলাম।আর অনমনে এসব ভাবতে ভাবতে কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে গেলাম।প্রচন্ড বিরক্ত নিয়ে সামনে তাকিয়ে দেখি একটা ছেলে।তারর সাথে বিশাল ব্যাগ।চোখে সানগ্লাস।অথচ এখন সকাল সাড়ে আটটা বাজে।রোদ নেই বললেই চলে।তাও সানগ্লাস!
ছেলেটা প্রচন্ড বিরক্তি নিয়ে চোখ মুখ কুচকে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন
---- এই যে রাতপাখি, একটু দেখে চলতে পারো না।
" আজব তো লোকটা আমার নাম জানল কী করে।তাও আবার রাতের সাথে পাখি।"
---- সরি,বাট আপনি আমায় কী নামে ডাকলেন।
---- উফ! সরি,সরি। তুমি আরাত্রি, রাইট।আমি দীপ্ত।
---- আপনি আমাকে চিনতে পারেন কিন্তু আমি তো আপনাকে চিনি না।
---- হোয়াট! তুমি আমাকে চিনো না।এই এলাকার ক্রাশ বয় আমি।
---- সো হোয়াট,,আমি এত ক্রাশ টাসের খবর রাখিনা।বাই দ্যা ওয়ে, আমার লেট হচ্ছে আমায় যেতে হবে।সো সাইড প্লিজ,,,এন্ড সরি ফর এভরিথ