12/04/2026
#গৃহবধূর_চোদন_লীলা
পর্ব-০২
..তারপর সে আমার কোমরটাকে চৌকির কারায় রেখে পা দুটোকে মাটিতে লাগিয়ে চিত করে শুয়ে দিয়ে তার ঠাটানো ধোনকে আমার ভোদায় ফিট করে এক ঠেলায় সম্পুর্ণ ধোন আমার ভোদার গভীরে ঢুকিয়ে দিয়ে ঠাপ না মেরে আমার দুধ চুষতে লাগল।
আমার মনে হচ্ছিল যেন একটা লোহার রড আমার ভোদায় গেঁথে রেখে সে আমার দুধ চোষছে। কিছুক্ষন দুধ চোষার পরে এবার সে ঠাপানো শুরু করল। হায়রে হায় কি যে ঠাপ! আমার ভোদাটা চৌকির কারায় থাকাতে প্রতি ঠাপে তার ধোনের গোড়া সহ আমার ভোদায় ঢুকে যাচ্ছিল। ঢুকাচ্ছে বের করছে ঢুকাচ্ছে বের করছে, আমার ভোদার কারা দুটি তার ধোনকে চিপে চিপে ধরছিল আর প্রতি ঠাপে আমি আহ উহ আহা মাগো করে আনন্দের ডাক দিচ্ছিলাম।
প্রায় ৫০-৬০ ঠাপের পর শরীরে একটা ঝংকার দিয়ে আমার মাল আউট হয়ে গেল। তারপরও সে ঠাপিয়ে চলেছে, তার মাল যেন আউট হওয়ার নয়। অনেকক্ষন ঠাপ মারার পর সে আহ উহ করে উঠলো, এবং চিরিত চিরিত করে তার ধোন আমার ভোদায় দ্বিতীয় বারের মত বীর্য ছেড়ে দিল। তারপর স্নান করলাম দু'জনে। আমার রান্না করা খাবার খাওয়ালাম তাকে। তারপর দুজনে জড়াজড়ি করে দিবানিদ্রায় মগ্ন হলাম।
বেলা চারটায় উঠলাম। সে আমার বাসা হতে গেলো না, রাত অবদি থেকে গেলো।
৪ টায় আমি তার জন্য চা নাস্তা তৈরি করলাম। তার জন্য তৈরি করেছি ঠিক নয়, আমার জন্য তো তৈরি করতে হবে তাই তার জন্য তৈরি করা। নাস্তা ও রাতের খানা তৈরি করার জন্য কিচেন রুমে গেলে আসাদ আমার পিছে পিছে যেখানে যাই সেখানে সেখানে যেতে লাগল। আমি চা তৈরি করতে গেলে সেখানে আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিতে লাগল।
মাঝে মাঝে আমার দুধ টিপে টিপে আদর করতে লাগল। আমার মনে প্রচন্ড ভয় করছিলো, যদি আমার স্বামী এসে যায়? বিকেলে যাওয়ার কথা! যদিও না গেলে মনে করবে আমি এখনো অসুস্থ আছি। আবার এই ভেবে ভয় করছে যে না গেলে বেশী অসুস্থ মনে করে সত্যি সত্যি যদি চলে আসে? আসাদের প্রতি আমার প্রচন্ড ঘৃনা হচ্ছে। যাচ্ছে না কেন আসাদ, গেলে লেঠা চুকে যেত। সাত পাঁচ ভেবে বললাম, এই শোন? আদর করে জড়িয়ে ধরে বললাম, তোমাকে একটা অনুরোধ করব, শুনবে?
আসাদ বলল, বলো।
সন্ধ্যায় হয়তো আমার স্বামী এসে যাবে, তুমি এখন চলে যাও। তবে তুমি যখন আমায় চাইবে তখন আমি তোমার কাছে যাব।
আসাদ বললো, আমি তোমার সংসার ভাঙ্গতে চাই না, আমি চাই তুমি আমাকে সুখ দেয়ার পাশাপাশি তুমি নিজেও সুখে থাকো। সে জন্য আমি একটা কাজ করতে পারি, তুমি যদি আমার কথা মানো।
বললাম তোমার কি কথা রাখতে হবে?
বললো, আমি তোমার বাসার গেইটে রাত ১২ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করব। ১২ টার ভিতরে যদি তোমার স্বামী না এসে থাকে, তাহলে আমি তোমার কাছে ফিরে আসব। আমি তোমার বাসার গেইট থেকে একটুও নড়ব না, তুমি কথা দাও।
আমি ভাবনায় পড়ে গেলাম, কি জবাব দেবো। আগপিছে ভেবে বললাম ঠিক আছে আমি কথা দিলাম। ১২ টার ভিতরে যদি আমার স্বামী না আসে তুমি ফিরে এসো।
ঠিক আছে বলে আসাদ চলে গেল।
আমি হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম। কিন্তু এখন এ মুহুর্তে পালাতে না পারলে রাতে যে ভয়ানক পরিনতি আছে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমি সব কিছু রেডি করে বাসা হতে বের হলাম। গেটে গিয়ে দেখি আসাদ গেইটে দাঁড়ানো। তাকে দেখে ক্ষমা চেয়ে বললাম, আমায় ক্ষমা করো, আমাকে বাড়ীতে যেতে হচ্ছে, আরেকদিন তোমার সাথে দেখা হবে।
সে দিব্বী খেয়ে বললো, আমি তোমার ভিডিও রাস্তায় প্রদর্শন করাবো। তোমার সংসারকে আমি তছনছ করে দেবো। যাও তোমায় বিদায় দিলাম, আমিও চলে যাচ্ছি। এই বলে আসাদ রাস্তার দিকে হাঁটা দিল।
আমি কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে গেলাম, কি করে তারে ঠেকাবো! পাছে আমাদের কথাবার্তা কেউ শুনে ফেলে সেই ভয়ও হচ্ছে। তাড়াতাড়ি আসাদকে ডাকলাম। ঠিক আছে আমি যাবো না, রাত ১২টা অবদি অপেক্ষা করে তুমি যেও। আমি বাসায় ফিরে যাচ্ছি, এই বলে বাসায় ফিরে এলাম। বর্তমানের মত টেলিফোনের ব্যবস্থা যদি থাকতো তাহলে আমার স্বামী দীপুকে বলতাম চলে আসার জন্য। কিন্তু আমার সেই উপায়ও নাই। বাসায় এসে পেরেশান হয়ে গেলাম। যা হবার হবে, রাত ১২টার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। দেখতে দেখতে ১১টা বেজে গেল। ১২টা যতো কাছে আসতেছে আমার মনের চঞ্চলতা বেড়ে যেতে লাগলো। আমার এ চঞ্চলতা খুশিতে না দুঃখে আমি বুঝতে পারছিলাম না। ১২টা যত ঘনিয়ে আসছে আমার দেহ মনে উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে মনে একটা ভয়ও লাগছিল। রাতটা কিভাবে কাটবে বা আরো বেশি রাতে যদি আমার স্বামী এসে যায়।
ভাবতে ভাবতে ১২টা বেজে গেলো। আরো ২০ মিনিট পর আমার দরজায় বেল বাজল। আমি না খুলে পারব না তাই দেরি না করে খুলেই দিলাম। খুলেই আমার মাথায় যেন বাজ পড়লো। ওমা আসাদ'রা যে দু'জন, সেদিনের সেই দু'জন! আসাদ আর কামাল। আমার মুখের ভাষা বন্ধ হয়ে গেলো। কামালকে কেন নিয়ে এসেছে তার ব্যাখ্যা চাওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেললাম। আমার মাথা টনটন করছে, চোখে যেন আগুনের ফুল্কি বের হচ্ছে। কোন কথা না বলে রুমের দিকে হাঁটা দিলাম, তারাও আমার পিছে পিছে ঘরে ঢুকল। ঘরেই ঢুকেই কামাল আমাকে জড়িয়ে ধরলো আর আসাদ অন্য ঘরে গিয়ে শুয়ে রইলো। আসাদ আমার চরম দুর্বলতাকে পুঁজি করে অন্য একটা পুরুষকে লেলিয়ে দিয়ে অন্য ঘরে শুয়ে অপেক্ষা করছে আর তার শেষ হলে আসাদ আসবে। কামাল আমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় জড়িয়ে ধরে আমার ডান বগলের নিচে ডান হাত ঢুকিয়ে এবং বাম বগলের নিচে বাম হাত ঢুকিয়ে হাতের তালু দিয়ে আমার দুধগুলো আস্তে আস্তে মর্দন করতে লাগলো। আমাদের কারো শরীরে কোন কাপড় নাই। আমার বিবস্ত্র শরীর তার বিবস্ত্র শরীরের সাথে ঠেসে লেগে আছে। কামালে ঠাটানো ধোন আমার পাছায় গুঁতা মেরে যাচ্ছে। আমাকে তার বুকের দিকে ঘুরিয়ে নিলো। আমার একটা দুধ মুখে নিয়ে দারুন ভাবে চুষতে লাগল, আরেকটাকে মর্দন করতে লাগল। আমি চরম উত্তেজিত হয়ে গেলাম। কামালের গলা জড়িয়ে ধরে তার গালে চুমু দিতে লাগলাম, তার ঠোঁট গুলো আমার ঠোঁটে নিয়ে চুষতে লাগলাম। কিছুক্ষন চুষে আমাকে পাঁজা কোলে করে আসাদের রুমে নিয়ে গেল। আমাকে বিছানায় লম্বা ভাবে চিৎ করে শুয়ালি। শুরু হলো গৃহবধূর থ্রীসাম সেক্স গেম। তাদের একজন আমার দুধগুলো চুষতে লাগল আরেকজন আমার ভোদায় মুখ লাগিয়ে চাটতে লাগল। আমি উত্তেজনায় আহ উহ আহা মরে গেলাম, আমাকে আর কষ