07/03/2026
আপনারা শুধু জানেন ইবির শিক্ষিকা খু'ন হইসে।
কিন্তু এইটা জানেন না যে—তার খু'নে জড়িত উভয়েই ইসকনী হি'ন্দু।
একজন হইলো সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং অপরজন সমাজকল্যাণ বিভাগের রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস।
যারা কিনা ইবিতে প্রকাশ্যে ই$কটী এক্টিভিজম করে বইলা কমবেশি সবাই চিনে।
লীগের পতন হইসে দেড় বছর হয়ে গেসে, মাগার ইবিতে লীগের এই দুই ল্যাসপেন্সারের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এখনো কমে নাই।
ফ্যাক্ট হইতেসে, মেয়াদ শেষ হবার দরুণ বিভাগীয় সভাপতি পদ থেইকা ইসকনী শ্যাম সুন্দর সরকারকে সরাইয়া দেয়া হইসিলো।
এছাড়া বিশ্বজিৎকে স্বাভাবিক নিয়মানুসারে বিভাগের রেজিস্ট্রার পদ থেইকাও বদলি করা হয়।
কিন্তু তারা প্রভাব খাটাইয়া আরো কিছুদিন থেকে যেতে চায়।
ফলে এই দুই ই$কনীর ক্রো'ধ ও ক্ষো'ভে'র শিকার হয়ে পরিকল্পিত খু"নের শিকার হইতে হয় উক্ত শিক্ষিকাকে।
ইতিমধ্যে এই খু'নের সাথে জড়িত তুক্ত দুইজনকে আসামী করার পাশাপাশি তাদের সহায়তাকারী ২ জনসহ মোট ৪ জনকে আসামী করে বিচার চেয়ে মা'ম'লা করেছেন শিক্ষিকার স্বামী।
জানি না, বিচার আদৌ হবে কিনা।
দেখলেন না—যেই দেশে ই'স'লা'মে'র আনুষ্ঠানিক আগমন গরুকে কেন্দ্র কইরা,
যেই ঢাবি মুসলমানদের দানের উপর প্রতিষ্ঠিত,
সেই ঢাবিতেই মাত্র ৭-১০% হে'দুর জন্য মুসলমান শিক্ষার্থীদের গরু গোশত খাওয়া নিষিদ্ধ কইরা দেয়া হইসে?
কারণ এদেশে সংখ্যাগুরুরাই আদতে সংখ্যালঘু।
আর একচুয়াল সংখ্যালঘু হইলে কিনা সাত খু/ন মাফ।
~ সাজিদ আব্দুল্লাহ