চেপে রাখা ইতিহাস

চেপে রাখা ইতিহাস লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ।

gupto shibir 😃
17/05/2026

gupto shibir 😃

16/03/2026
23/02/2026

১৯৭১ সালে পাঁচ লাখ অবাঙালিকে হত্যা করেছে কে, পাকিস্তানি সৈন্যরা নাকি আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা? ‘৭২—‘৭৫ সালে জাসদের ৩৭ হাজার কর্মীকে হত্যা করেছে, পাকিস্তানি সৈন্যরা নাকি আওয়ামী লীগ? সিরাজ সিকদারকে হত্যা করেছে, পাকিস্তানি সৈন্যরা নাকি আওয়ামী লীগ? নেভাল সিরাজকে হত্যা করেছে কে, পাকিস্তানি সৈন্যরা নাকি আওয়ামী লীগ? ২০২৪ সালের জুলাই—আগস্টে ১৪০০ তরুণ ছাত্রকে হত্যা করেছে কে, পাকিস্তানি সৈন্যরা নাকি আওয়ামী লীগ?

15/02/2026

শপথ নেওয়ার আগেই মাত্র ২৪ ঘণ্টায় বিএনপির আমলনামার কিছু অংশ👇

১, মাত্র কুয়েট ভিসির উপর ছাত্রদলের ক্যাডাররা করছে হামলা!

২, দিনাজপুরে ছেলে জামাতে পুলিং এজেন্ট থাকায় বাবারে মারছে বিএনপির কিছু সন্ত্রাসী! বাড়ি পুড়িয়ে ফেলার হুমকি!

৩, পঞ্চগড়ে বাড়িঘর ,দোকানপাটে বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলা! অনেকে আহত অভিযোগ এনসিপির সার্জিস আলমের।

৪, বাগেরহাট ৪ আসনে আল আমিন নামের এক ছেলেরে পিড়াইয়া হাসপাতালে পাঠাইছে বিএনপির ক্যাডাররা!

৫, ফুলগাজির মুন্সিরহাটের জামাত নেতার দোকানে হামলা ছাত্রদল নেতার!

৬, নোয়াখালী সেনবাগে জামাত নেতার উপর হামলা ছাত্রদল ক্যাডারের!

৭, করম মুহুরি পাড়াতে কয়েকজনরে রক্তাক্ত করে হাসপাতে পাঠাইছে বিএনপির ক্যাডাররা!

৮, ভোট দেয়া নিয়ে তর্কের জেরে কুড়িগ্রামে জামায়াত নেতাকে কু*পিয়ে জখম করছে বিএনপির লোকেরা!

৯, খুলনাতে ঢাবির এক শিক্ষার্থীর বাড়িতে আগুন দিলো, তার মা বোনকে পিডাইয়া হাসপাতালে পাঠাইলো তাকে আবার জবাই করার হুমকি দিলো ছাত্রদল নেতারা!

১০, পাটগ্রামে এক ঘরে হামলা করে ঘরের জিনিসপত্র লুট করে নিয়া গেছে বিএনপির নেতারা!

১১, বরিশালে বাবা জামাত করার কারণে গাড়িতে হামলা করলো ছাত্রদলের ক্যাডাররা!

১২, চট্টগ্রামে সাবেক শিবিরের নেতার বাড়িতে বিএনপির নেতাদের হামলা।

১৩, কক্সবাজার চকরিয়ায় জামাত নেতার বাড়িতে বিএনপির ক্যাডারদের দফায় দফায় হামলা।

১৪, কুষ্টিয়াতে এনসিপির নেতার বাড়িতে বিএনপির ক্যাডারদের হামলা।

১৫, ফেনীতে বিজয়ী ঋণখেলাপী বিএনপির নেতা জামাতের অনেক কর্মীর বাড়িতে করছে হামলা!

১৬, সিরাজগঞ্জে জামাত আমিরের বাড়িতে আগুণ দিলো বিএনপির নেতা।

১৭, সন্দ্বিপে জামাত নেতাদের বাড়িতে হামলা বিএনপির নেতারা

১৮, দিরাই পৌর শহরে জামাত নেতার উপর হামলা!

১৯, বাগেরহাটে জামাত শিবির নেতাদের উপর হামলা করছে স্থানীয় বিএনপির ক্যাডাররা! ২০ জনকে আহত করছে।

২০, গোপালগঞ্জে জামাত নেতার বাড়িতে হামলা। বিএনপির নেতার!এ

নব্য 'মীর জাফর' ও বাংলাদেশের রাজনীতির ক্রান্তিকাল: আলেমদের ভূমিকা ও জাতির বিভীষিকাইতিহাসের চাকা অদ্ভুতভাবে ঘোরে। ১৭৫৭ সা...
13/02/2026

নব্য 'মীর জাফর' ও বাংলাদেশের রাজনীতির ক্রান্তিকাল: আলেমদের ভূমিকা ও জাতির বিভীষিকা
ইতিহাসের চাকা অদ্ভুতভাবে ঘোরে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন কোনো শক্তিশালী বিদেশী শক্তির কাছে হয়নি, বরং হয়েছিল ঘরের শত্রু মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায়। নিজের ক্ষমতার লোভ আর ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য মীর জাফররা ইংরেজদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছিল। ফলাফল? ২০০ বছরের গোলামি, অবর্ণনীয় নির্যাতন আর লুণ্ঠন। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দেখে মনে হচ্ছে, আমরা আবার সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করছি। লেবাসধারী একদল আলেম আর স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নিজেদের তুচ্ছ স্বার্থে যে খেলা খেলছে, তা আমাদের আবার কোনো দীর্ঘমেয়াদী গোলামির দিকে ঠেলে দিচ্ছে কি না—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
১. সফলতার আড়ালে বিভীষিকা: জামায়াতকে ঠেকানোর মিশন
বাংলাদেশের কতিপয় তথাকথিত বড় আলেম—যেমন চরমোনাই পীর, মহিবুল্লাহ বাবুনগরী কিংবা আব্বাসী সাহেবদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলার দিকে তাকালে একটি বিষয় দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়। তাদের প্রধান শত্রু কোনো জালেম বা ইসলামবিদ্বেষী শক্তি ছিল না, বরং তাদের সকল শক্তির কেন্দ্রবিন্দু ছিল জামায়াতে ইসলামীকে ঠেকানো। তারা সফল হয়েছেন। জামায়াতকে ক্ষমতার বাইরে রাখা বা তাদের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করার মিশনে তারা আজ বিজয়ী। কিন্তু এই বিজয় কার জন্য?
পলাশীর যুদ্ধে মীর জাফরও ভেবেছিলেন তিনি সফল, তিনি নবাব হবেন। কিন্তু তিনি হননি, হয়েছিলেন 'ক্লাইভের গাধা'। ঠিক তেমনি, আজ যারা জামায়াতকে ঠেকিয়ে আনন্দিত হচ্ছেন, তারা আসলে কার হাত শক্তিশালী করছেন? তারা কি বুঝতে পারছেন না যে, ইসলামী শক্তিগুলোর এই বিভাজন মূলত সেই শক্তির পথ প্রশস্ত করছে যারা এ দেশ থেকে ইসলামের নাম-নিশানা মুছে দিতে চায়?
২. ফতোয়ার রাজনীতি ও মুনাফেকি
এক সময় এই আলেমরা মঞ্চ কাঁপিয়ে ফতোয়া দিতেন যে, জামায়াত নাকি 'মুনাফেক'। তাদের আকিদা নাকি ভ্রান্ত। কিন্তু আজ জাতির সামনে আয়নার মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে—আসল মুনাফেকি কারা করছে। যারা মুখে ইসলামের কথা বলে কিন্তু কার্যত ইসলামের শত্রু বা স্বৈরাচারী শক্তিকে বৈধতা দেয়, তাদের আমলনামা কী?
মুনাফেকের প্রধান লক্ষণ হলো আমানতের খেয়ানত করা এবং মিথ্যা বলা। এই আলেমরা জাতির আমানত—অর্থাৎ সঠিক নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা—নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন। তারা দ্বীনি ঐক্যের চেয়ে নিজেদের গদি আর প্রভাবকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষ আজ আলেমদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে।
৩. গণতন্ত্রের দ্বিমুখী মানদণ্ড
এদের দ্বিমুখী নীতি সবচেয়ে বেশি হাস্যকর হয়ে ওঠে যখন তারা 'গণতন্ত্র' নিয়ে কথা বলেন। ওয়াজ মাহফিলে তারা গণতন্ত্রকে 'হারাম' ও 'কুফরি' বলে ফতোয়া দেন, সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেন। অথচ নির্বাচনের সময় সেই তথাকথিত 'হারাম' গণতন্ত্রের নামেই তারা অন্য দলগুলোকে বৈধতা দেন, সিট ভাগাভাগি করেন এবং আঁতাত করেন।
নিজেদের স্বার্থে যা হালাল, অন্যের বেলায় তা হারাম—এই নীতিই আজ এ দেশের ইসলামী রাজনীতিকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে এসেছে। তারা আসলে চায় না যে বাংলাদেশে কোনো ন্যায়পরায়ণ শাসক আসুক। কারণ একজন প্রকৃত ন্যায়পরায়ণ শাসক আসলে এই লেবাসধারী আলেমদের "ধর্মের ব্যবসা" বন্ধ হয়ে যাবে।
৪. উপমহাদেশের করুণ ইতিহাস: মীর জাফরের প্রেতাত্মা
ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের পতনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো বাইরের শক্তি আমাদের হারায়নি। আমরা হেরেছি আমাদেরই ঘরের লোক, আমাদেরই মুসলিম ভাইদের হিংসা, মুনাফেকি আর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে। নিজের ক্ষমতার জন্য, সামান্য পদের লোভে তারা ২০০ বছরের জন্য ইংরেজদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছিল।
সেই ২০০ বছর আমরা ইংরেজদের কাছে গোলামি করেছি। আমাদের রক্ত, ঘাম আর সম্পদ লুটে নিয়েছে বিদেশীরা। সেই একই রক্ত আমাদের শরীরে বইছে বলেই হয়তো আমরা আজও চাবুকের ঘা না খেলে সচেতন হই না। আজকের এই তথাকথিত আলেমরা ঠিক একই কাজ করছেন। তারা জামায়াতের বিরুদ্ধে গিয়ে বা ইসলামী ঐক্যের বিরোধিতা করে কার্যত এ দেশকে আবার কোনো নতুন আধিপত্যবাদী শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার পথ পরিষ্কার করছেন।
৫. পরবর্তী প্রজন্মের দায়ভার ও জুলুমের ফিরে আসা
বাংলাদেশে যদি ভবিষ্যতে আবারও কোনো অন্যায়-জুলুম ফিরে আসে, মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়, কিংবা এ দেশ আবার কোনো গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়—তবে তার জন্য সরাসরি দায়ী থাকবেন এই সুযোগসন্ধানী আলেমরা। ইসলামের দোহাই দিয়ে যারা বিভাজন সৃষ্টি করেছেন, যারা জালেমদের পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছেন, তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।
ইতিহাস স্বাক্ষী, যারা ভাইয়ে-ভাইয়ে বিবাদ লাগিয়ে তৃতীয় পক্ষকে সুযোগ করে দেয়, সেই তৃতীয় পক্ষ কাউকেই ছাড় দেয় না। আজ যারা জামায়াতকে দমানোর জন্য কুচক্রী মহলের সাথে হাত মেলাচ্ছেন, কাল সেই একই চক্র তাদেরও পিষে মারবে।
৬. জেগে ওঠার সময় এখনই
আমাদের পূর্বপুরুষরা ২০০ বছর গোলামি করেছিলেন বিশ্বাসঘাতকদের কারণে। আমরা কি আবার সেই একই অন্ধকার যুগে ফিরে যেতে চাই? আলেম সমাজকে বুঝতে হবে, অহংকার আর হিংসা কোনোদিন দ্বীনের বিজয় আনতে পারে না। জামায়াত-বিদ্বেষের যে বিষ তারা ছড়িয়েছেন, তা আজ পুরো জাতিকে নীল করে দিচ্ছে।
যদি বাংলাদেশের মানুষ সত্যিকার অর্থে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার চায়, তবে এই লেবাসধারী চাটুকার আলেমদের বর্জন করতে হবে। মনে রাখবেন, ক্ষমতার মোহে যারা ঘরের লোককে শত্রু বানিয়ে বাইরের লোকের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়, তারা কোনোদিন জাতির কল্যাণ করতে পারে না।

07/02/2026

কর্ণেল অলি ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমানের ডান হাত। জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতা ঘোষণা দেন, কর্ণেল অলি সেখানেই ছিলেন। আমীরে জামায়াত বক্তব্যের পরের অংশেই বলেছেন, কর্ণেল অলি মেজর জিয়ার হাত ধরে এগিয়ে দিলেন।

মেজর জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে অস্বীকার করবে জামায়াত এইটা যেসব ছাপড়িরা ভাবে, তাদের মাথায় সমস্যা আছে। কর্ণেল অলি সাহেবের চট্টগ্রামে সভা ছিলো, তাই তাঁর ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র। আর কিছুই না।

বিএনপির ছাপড়িদেরকে এসব ফাতরামি বাদ দিয়ে এটা জিজ্ঞেস করেন, এই আত্মসমালোচনা তারা করে কীনা যে, কেন কর্ণেল অলির মত মানুষকে তারা ধরে রাখতে পারলো না। কেন কর্ণেল অলি আফসোস করে বলেন, জিয়াউর রহমানের বিএনপি, বেগম জিয়ার বিএনপি আর এই বিএনপি এক না!

বিএনপি গড়ে উঠছিল সব রাজাকারদের নিয়েই হিসাব মিলিয়ে নেন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সাজাপ্রাপ্ত রাজাকার নিয়েই BNP গড়ে উঠে---- (১) শ...
07/02/2026

বিএনপি গড়ে উঠছিল সব রাজাকারদের নিয়েই
হিসাব মিলিয়ে নেন

মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সাজাপ্রাপ্ত রাজাকার নিয়েই BNP গড়ে উঠে----

(১) শাহ আজিজুর রহমান (বাংলাদেশের চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী)

(২) আবদুর রহমান বিশ্বাস (বাংলাদেশের ১১তম রাষ্ট্রপতি)

(৩) মশিউর রহমান (যাদু মিয়া) প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় সিনিয়র মন্ত্রী)

(৪) মোশাররফ হোসেন শাহজাহান (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন)

(৫) আহসানুল হক মোল্লা যিনি পচা মোল্লা নামেও পরিচিত। (সাবেক ডাক ও টেলি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী)

(৬) চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ( সাবেক খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী)

(৭) চৌধুরী আকমল ইবনে ইউসুফ (ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সাংসদ)

(৮) আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা (বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য )

(৯) কাজী ফারুক কাদের (নীলফামারী-৩ আসনের প্রাক্তন সাংসদ )

(১০) মির্জা রুহুল আমিন (প্রাক্তন মন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ। বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বাবা)

(১১) ড. ওসমান ফারুক (বাংলাদেশের সাবেক প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী)

(১২) আব্দলু আলিম (জয়পুরহাট-১ এর সাবেক সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী)

(১৩) মাহমুদুন্নবী চৌধুরী (নবী চৌধুরী) চট্টগ্রামের ডবলমুরিং-সীতাকুন্ড থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। প্রথমে গণ-যোগাযোগ মন্ত্রী এবং পরে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন।

(১৪) সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (সাকা চৌধুরী) চট্টগ্রাম-২, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য।

এরা সবাই ছিলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষে এবং স্বাধীনতার বিপক্ষে। ওনাদেরকে বিএনপি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধান মন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপি এবং কেন্দ্রীয় নেতা বানিয়েছে।

জেনারেল জিয়ার মৃত্যুর পর ১৯৯১ এবং ২০০১ সালে জামাতের সহযোগিতায়ই বিএনপি সরকার গঠন করেছে।

মির্জা ফখরুল ৭১ এর চেতনা নিয়ে মায়াকান্না দেখাচ্ছেন। উনার বাপ চখা মিয়া ওরফে রুহুল আমিন ছিল রাজাকার (নং ৭১০) ১৯৭১ সালে হত্যা ধর্ষন এবং অগ্নিকান্ডের অভিযোগে শেখ মুজিব সরকার ১৯৭২ সালের দালাল আইনে মির্জা চখাকে আটক করে বিচার করে।
সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পরও ১১ হাজারের বেশি ব্যক্তি এ সকল অপরাধের দায়ে কারাগারে আটক ছিল এবং তাদের বিচার কার্যক্রম চলতে ছিল। সেই ১১ হাজার রাজাকারের একজন ছিলেন মির্জা চখা।
১৯৭৫ এর ৩১ ডিসেম্বর জেনারেল জিয়া সামরিক অধ্যাদেশ জারী করে দালাল আইন বাতিল করেন।

দালাল আইন বাতিলের ফলে মির্জা চাখা মুক্তি পান। মুক্তি পেয়ে চখা কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বিএনপিতে যোগ দেয় এবং ১৯৭৯ সালে ঠাকুর গাঁও-২ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়।
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে মির্জা চখা জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয়। এরশাদ সরকারের পতনের আগ পর্যন্ত তিনি জাতীয় পাটির এমপি ছিলেন।

বিএনপি যদি রাজাকার নিয়ে কথা বলে দেখিয়ে দিন সব রাজাকারের আস্তানা বিএনপিতেই ছিল এবং এখনও আহে।

**জামায়েত ইসলাম একটা রাজনৈতিক দল। রাজাকার আলাদা জিনিস। রাজাকাররা সব জামায়েত ইসলাম করতো না।

Old is gold!!
03/12/2025

Old is gold!!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চেপে রাখা ইতিহাস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to চেপে রাখা ইতিহাস:

Share