Combo Station

Combo Station "Combo Station" only home delivery also take way

ফুডকার্ট এর ফুডের মজা আর শহরের ফিউশন ভাইব
দুটোকে মিশিয়ে বানিয়েছি Combo Station
প্রতি কামড়ে একটা twist, প্রতি bite happiness! বন্ধুর সাথে আড্ডা, কফির ধোঁয়া আর নতুন কিছু ট্রাই করার vibe Street food এখন ফিউশন flavour এ!

মর্মান্তিম ঘটনা উত্তরার সানবীমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক এ জেড আজিজুল ইসলাম, স্ত্রী লায়লা এবং তাদের সন্তান নাফিসাক...
09/12/2025

মর্মান্তিম ঘটনা

উত্তরার সানবীমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক এ জেড আজিজুল ইসলাম, স্ত্রী লায়লা এবং তাদের সন্তান নাফিসাকে নিয়ে মোহাম্মদপুরে ১৩ বছর ধরে একই ফ্ল্যাটে বাস করেন। লায়লা গৃহবধূ এবং নাফিসা নবম শ্রেনীর ছাত্রী। 🙂গতকাল সোমবার সকাল ৭ টায় প্রতিদিনকার মতো আজিজুল সাহেব স্কুলের উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান। এবং স্কুলে পরীক্ষা থাকায় নিয়মিত সময়ের আগে সকাল ১১ টা নাগাদ বাসায় ফিরে আসেন। বাসায় ফিরে মেইন দরজা খোলা পান। ভিতরে ঢুকে মর্মান্তিক এক দৃশ্য দেখেন। কন্যা নাফিসা আ*হত অবস্থায় পড়ে আছে। তার কিছুদূরে তার মা পড়ে আছে। মেয়ে জীবিত আছে ভেবে তাকে হাসপাতালে পাঠালেও শেষ রক্ষা হয়নি। স্ত্রীকেও বাঁচাতে পারেননি। 😔

হতভম্ব আজিজুল সাহেব জানান, ৪ দিন আগে একজন নতুন গৃহপরিচারিকা নিয়োগ করেছেন তার স্ত্রী। পুলিশের ধারণা, গৃহপরিচারিকা আয়েশা এই কান্ড ঘটিয়েছে। কারন সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার আগে পরে আর কাউকে ঐ ফ্ল্যাটে যাওয়া আসা করতে দেখা যায়নি। 🙂

আয়েশার মূল বাড়ি রংপুরে এবং ঢাকায় সে মোহাম্মদপুরের বিহারি ক্যাম্পে বাস করে। ব্যস! এটুকুই তথ্য আছে গৃহকর্তার কাছে। এর বেশি জানেন না। অথচ গৃহকর্মী নিয়োগ দেওয়ার সময়ে তার জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা জরুরি। বর্তমানে মানুষ এতোটা সাহসী হয়ে উঠেছে যে, যেকোনো কাজে সে বিন্দুমাত্র ইতস্তত করে না। সেখানে গৃহকর্মীর মতো সেনসেটিভ বিষয়ে আরো সচেতন হওয়া দরকার।

FARHANA AHMED

সাধারণত --

* নির্দিষ্ট লোকের মাধ্যমে গৃহকর্মী রাখা উচিত।

* পরিচয়পত্র না থাকলে প্রথমেই না করা উচিত।

* গৃহকর্মীকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তথ্য দেওয়া বন্ধ করুন।

* গৃহকর্মীকে পারিবারিক বিষয়ে কৌতূহলজনিত প্রশ্নের কোনো জবাব দেবেন না।

* বাচ্চাকে কখনো গৃহকর্মীর সাথে একা ছেড়ে দেবেন না। নিজের চোখে দেখেছি এরা কতোটা অমানবিক আচরণ করে বাচ্চার সাথে। কিছু বলতে গেলে উল্টো আপনাকেই দোষারোপ করবে। অথবা কাজ ছেড়ে দেবে। সুতরাং এদের ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমান।

* ব্যক্তিগত রুমগুলোতে যখন তখন প্রবেশ নিষেধ করে দিন।

* প্রথম সাতদিন পর্যবেক্ষণ করলেই বুঝবেন, রাখা যাবে কিনা।

* মোবাইল নাম্বার জরুরি না। জরুরি কোথায় থাকে। বাড়িতে কে কে আছে। কে কি করে। অভাব কতোখানি। কৌশলে এসব জেনে নিন।

* প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনো জিনিস দেবেন না। অনেকের ধারণা, জিনিসপত্র পেলে ওরা থেকে যায়। ধারণা ঠিক নয়। বরং লোভী হয়ে ওঠে।

*পারিবারিক আলাপ কখনো ওদের সামনে করবেন না। আমরা মনে করি, ওরা কাজ নিয়ে ব্যস্ত। আমাদের কথা শুনছে না। বিষয়টি তা নয়। বরং, আমরা যেমন পর্যবেক্ষণ করি, ওরাও তা করে। বিশেষ করে যদি কোনো ব*দ মতলব থাকে।

অনেকে বলে, গৃহকর্মী ছাড়া নাকি বাংলাদেশের মানুষ চলতে পারে না। কথাটা সত্য। এদেশে গৃহকর্মী পাওয়া যায়, তাই রাখি। এটা অন্যায় নয়। তবে তাদের পরিবারের একজন ভেবে অনেক ভুলও করে বসি। 😔

নিজেরা সাবধান থাকলে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব। সাবধানে থাকুন। শুভ হোক দিনটি। ♥️

কপি করেছি

সুফিবাদে প্রেম নিয়ে ঘাটাঘাটি করছিলাম একটু। সাতটি ধাপের শেষ ধাপে মুগ্ধ হলাম। প্রেমের প্রথম ধাপ ইনজিবার। এই ধাপে প্রিয় মান...
08/12/2025

সুফিবাদে প্রেম নিয়ে ঘাটাঘাটি করছিলাম একটু। সাতটি ধাপের শেষ ধাপে মুগ্ধ হলাম। প্রেমের প্রথম ধাপ ইনজিবার। এই ধাপে প্রিয় মানুষের সৌন্দর্য, চরিত্র, বুদ্ধি বা সমাজে তার অবস্থান দেখে আকর্ষণ তৈরি হয়।

'তোমায় দেখে রঙিন হয় সাদাকালো ছবি,
উবু হয়ে চিবুকের কাছে তিল হয়ে নেমে আসে-
নীল আসমান,
তুমি প্রথম চাওয়া, অনুভবে হৃদয়ের প্রথম টান।'

এই ভাবনায় প্রেমের দ্বিতীয় ধাপ হলো আলফত। আলফত মানে কারও প্রতি আসক্ত হওয়া।

'পৃথিবীর কোন নেশাই আমাকে মাতাল করেনা আর,
আমি তোমায় আসক্ত!
চৌপর দিন আমার তোমাকেই দরকার।'

প্রেমের তৃতীয় ধাপ হলো ইশক্। এই ধাপে ভালো লাগার সাথে সাথে বেদনাও প্রবল হয়।

'তুমি অভ্যেস হয়ে যাও,
আমার তোমাতেই সুখ-
বেদনার বেনোজলে ভেসে যেতে যেতে ভাবি তুমিই আমার কঠিন অসুখ!'

প্রেমের চার নাম্বার ধাপে এসে যোগ হয় পারস্পরিক শ্রদ্ধা। প্রেমিক আচমকা অনুভব করে, সে যাকে ভালোবাসে সে তার ধারণার চেয়েও বড়, অদ্ভুত, রহস্যময়!

'প্রেম কখনো হারানোর ভয়,
কখনো অপচয়,
তোমাকে স্পর্শ করি, বোঝার চেষ্টা করি,
টের পাই তুমি এক অপার বিস্ময়!'

পঞ্চম ধাপে এসে প্রেম হয়ে যায় উপাসনার মতন। প্রিয়জনকে ভালোবাসা, তাকে সেবা করার মাঝে টের পাওয়া যায় উপাসনার মত ভক্তি।

'এ কী অবাকপনা!
নাম নেই তোমার সারাক্ষন, ভালোবাসি, করি ধ্যান,
এই আমার উপাসনা।'

প্রেমের ষষ্ঠ ধাপের নাম খুমার। এর মানে উম্মাদনা, পাগলামি। এ সময়ে মানুষ নিজের অস্তিত্ব ভুলে শুধু প্রিয়জনের কথা ভাবে।

'জানিনা কী হয়!
তোমাকে ভেবে ভেবে কোথায় গিয়ে থামি,
তোমাকে ঘিরেই মিলিয়ে যাই এ কোন পাগলামি!'

প্রেমের শেষ সপ্তম ধাপ হচ্ছে ফানাহ। এর মানে নিজের সবকিছু নিয়ে প্রিয়জনের মাঝে বিলীন হয়ে যাওয়া। এই সময়ে অহংকার, রাগ, স্বার্থ এইসব অনুভূতি আর কাজ করেনা।

'তোমার আমার দূরত্ব নেই আর,
হয়েছে মিল এক বিন্দুতে এসে,
তুমি হয়েছো আমি, আমি হয়েছি তুমি,
অপার্থিব অনুভবে এসে, ভালোবেসে!'

ফানাহর এর পর আরেক ধাপের কথা বলেন কেউ কেউ। এর নাম বাকা। মানে হলো স্থায়ী শান্তি। তবে এই ধাপটি তেমন পরিচিত নয়। অনেকেই মানতে নারাজ।

আমার জীবনে আসেনি প্রেম। পাঠেই আনন্দ। আপনি কোন ধাপে আছেন? ইনজিবার নাকি ফানাহ?
কপি করা

কাউকে সত্যিকারভাবে চিনে ফেলার পরআমরা সাধারণত দু’টি পথে হাঁটতে পারি—অথবা তাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি,অথবা নিজেদের ভেঙে ...
06/12/2025

কাউকে সত্যিকারভাবে চিনে ফেলার পর
আমরা সাধারণত দু’টি পথে হাঁটতে পারি—
অথবা তাকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি,
অথবা নিজেদের ভেঙে পড়তে দিই।

কিন্তু সবচেয়ে মূল্যবান তৃতীয় পথটি হলো—
নিজেকে কঠিনভাবে পরিবর্তন করে ফেলা।

এই পরিবর্তন কোনো রাগের প্রতিফলন নয়,
এটা প্রতিশোধও নয়—
এটা নিজের অস্তিত্ব পুনর্গঠনের এক নীরব প্রক্রিয়া।

যখন কেউ আপনাকে কষ্ট দেয়, প্রতারণা করে,
অথবা নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে—
তখন তার উপর প্রতিশোধ নেওয়াটা খুব স্বাভাবিক মনে হয়।
কিন্তু সেটাই কি সত্যিকারের জয়?
না।

সত্যিকারের জয় তখনই আসে,
যখন আপনি সেই মানুষটিকে চিনে ফেলার পর
নিজেকে আগের থেকে আরও শক্ত করেন,
আরও পরিণত করেন,
আরও সচেতন হন।

আপনার নরম জায়গাগুলোকে রক্ষা করতে শিখেন,
বিশ্বাস দেওয়ার আগে একটু থামতে শিখেন,
আর নিজের মূল্য বুঝে
নিজেকে এমনভাবে গড়ে তোলেন
যে আপনাকে আর কেউ সহজে ভাঙতে না পারে।

এটাই সবচেয়ে নীরব কিন্তু সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রতিশোধ—
কারণ এতে আপনি কাউকে হারান না,
বরং নিজেকেই জিতিয়ে আনেন।

আপনার পরিবর্তন তখন একজনের জন্য নয়,
আপনার পুরো জীবনকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখার জন্য।
যে আপনাকে অবমূল্যায়ন করেছে,
সে হয়তো একদিন বুঝবেও না
আপনি কতটা বদলে গেছেন।
কিন্তু আপনি জানবেন—
এই পরিবর্তনটিই ছিল আপনার সত্যিকারের মুক্তি।

নিজেকে বদলে ফেলা—
এটাই মানুষের ওপর প্রতিশোধ নয়,
নিজের প্রতি নেওয়া সর্বোচ্চ সম্মান। ❤️
~ ফরিদ আহমেদ মুন্না।

#বন্ধু

একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম,  আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্...
03/12/2025

একজন মহিলার পুরো হরমোনাল সিস্টেম—যা তার মুড, ঘুম, পিরিয়ড, স্ট্রেস, হজম, আত্মবিশ্বাস, এমনকি তার কথাবার্তার কোমলতা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে—এসবের মূল ভিত্তি হলো তার emotional safety। আর এই emotional safety সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় তার জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ, অর্থাৎ তার স্বামী বা তার প্রেমিকের আচরণে। মেয়েদের শরীর প্রকৃতিগতভাবে খুব সংবেদনশীল। তাদের হরমোনগুলো minute-to-minute পরিবর্তন হয়। পুরুষদের হরমোন স্থির হয়—কিন্তু মেয়েদের estrogen, progesterone, oxytocin, cortisol সারাক্ষণ ওঠানামা করে। তাই একজন পুরুষের বা তার কাছের মানুষগুলোর একটা কথা, একটা আচরণ, একটু রূঢ়তা, কিংবা একটু মমতা তার হরমোনে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলে।

যখন একজন পুরুষ গভীরভাবে সম্মান দেয়, কথা বলার সময় নরম থাকে, তার feelings–কে গুরুত্ব দেয়—তখন মেয়েদের শরীরে oxytocin দ্রুত বাড়ে। এই oxytocin শুধু bonding নয়, শরীর ও মনকে ভিতর থেকে শান্ত করে। এই শান্ত অবস্থাই estrogen–progesterone–thyroid–insulinকে সুন্দরভাবে ব্যালান্স করে রাখে। তার ফলে period regular থাকে, mood stable থাকে, anxiety কমে, ঘুম গভীর হয়, মাথা ব্যথা কমে, হজম শক্তিশালী হয়।

কিন্তু যখন সে harsh কথা শোনে, বারবার অবহেলা পায়, ভালোবাসার অভাব অনুভব করে—তার শরীর তখন সেই পরিস্থিতিকে “threat” হিসেবে নেয়। তখন cortisol বাড়ে। স্ট্রেস হরমোন cortisol বাড়লে খুব অদ্ভুত সব পরিবর্তন হয়: মনের ওঠানামা শুরু হয়, পিরিয়ড গোলমাল হয়, বুকে ভারী লাগে, ঘুম কমে যায়, শরীরে পানি ধরে, ওজন বেড়ে যায়, আবার কারও ক্ষেত্রে হঠাৎ ওজন কমে যায়। কেউ বিরক্ত হয়, কেউ চুপ হয়ে যায়, কেউ খুব emotional হয়ে পড়ে, কেউ আবার hyper-reactive হয়ে যায়।

তার মানে— আপনি যেভাবে তার সাথে কথা বলেন, সে ঠিক সেই অনুযায়ী তার হরমোন behave করে।

একজন পুরুষ যদি ভাবেন, “সে কেন রেগে আছে?”, “সে কেন sensitive?”, “এত emotional কেন?”—তবে তার জানা উচিত যে একজন মহিলার emotional world আসলে তার biological world-এর সাথে সরাসরি যুক্ত। সে যেমন ভাবে, তার শরীরও ঠিক সেভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়।

আপনি যদি বারবার দেরি করে উত্তর দেন, তাকে উপেক্ষা করেন, রূঢ় কথা বলেন—তার শরীর সঙ্গে সঙ্গে cortisol বাড়াবে, estrogen কমাবে, progesterone disturb করবে। এর ফল—bloating, cramps, hair fall, mood swings, anxiety, oversensitivity—এসবই দেখা দেয়।

কিন্তু একজন পুরুষ যদি তার মেয়েটিকে hug করে বলে, “তুমি আছো, সেটাই আমার সুখ”—তখন তার শরীর মুহূর্তেই relax mode-এ চলে যায়। শুধু psychological নয়, biological transformation ঘটে। হৃদস্পন্দন ধীর হয়, শ্বাস গভীর হয়, nervous system শান্ত হয়, হরমোনগুলো আবার ছন্দে ফিরে আসে।

এটাই একজন মেয়ের সত্য। ভালোবাসা তার শরীরের ওষুধ।।সম্মান তার হরমোনের স্থিরতা। নরম আচরণ তার মানসিক শান্তি। আপনার একটুখানি যত্ন তার পুরো endocrine system heal করে।

একজন পুরুষ কখনোই বুঝতে পারেন না, তার একটি মিষ্টি বাক্য বা সামান্য সহায়তা কিভাবে একজন মেয়ের ব্যথা, মানসিক চাপ, hormonal imbalance—এসবকে মুহূর্তে হালকা করে দেয়।

পুরুষেরা ভালোবাসা প্রকাশে একটু পিছিয়ে থাকে, কিন্তু যখন তারা বোঝে যে তাদের আচরণ একজন নারীকে শুধু emotionally নয়, medically সুস্থ করে—তখন ভালোবাসা তাদের কাছেও দায়িত্ব হয়ে ওঠে। আর একজন পুরুষ যখন সত্যিকারের সঙ্গী হয়ে ওঠে, তখন একজন নারী শুধু relationship-এ সুখী হয় না—তার পুরো শরীর, মন, আত্মা সব সুস্থ হয়ে ওঠে।

ভালোবাসা কোনো luxury নয়—
ওটাই একজন নারীর প্রথম চাওয়া তার প্রিয় মানুষের থেকে।

সংগৃহীত

আমি তো সংসারই করি। করছি। বিয়ে করলেই কি শুধু সংসার হয়? আমার দায়িত্ব আছে এত এত, তা সংসারের চেয়ে কম কী! আমি তো এসব করেই সময়...
29/11/2025

আমি তো সংসারই করি। করছি। বিয়ে করলেই কি শুধু সংসার হয়? আমার দায়িত্ব আছে এত এত, তা সংসারের চেয়ে কম কী! আমি তো এসব করেই সময় পাই না। সবাইকে বিশ্বাস করতে হবে, বিয়ে করলেই সংসার হয় না। আমিও তো বিয়ে করে সংসার করেছিলাম। সেটার স্বাদও আমি নিয়েছি। এখন এই সংসারটা করছি। এটাই মন্দ কী। এটা তো ভালো লাগছে আমার। যেহেতু এটায় বেশি ভালো লাগছে, এই সংসারটাতে আমি সাকসেসফুল। আমার চারটা চারপেয়ে বাচ্চা। আমার মা, পরিবারের ভাইবোন, আমার গাছাপালা—সবকিছুই আমার সংসার। এরাই আমার সংসারের সব। বিয়ে করেও তো অনেকের ভেতর যোজন যোজন দূরত্ব থাকে। সেই অর্থে সেটাও কি সংসার তাহলে? যারা বিয়ে করেও যোজন ক্রোশ দূরে থাকে মানসিকভাবে, সেটাই কি সংসার? মানুষকে দেখানোর জন্য ফটোফ্রেম সংসার করে তো লাভ নেই। সংসার সত্যিকারভাবে কেউ যদি করে, সেটা তারা করুক। তার এক্সটেনশন তৈরি করুক। পৃথিবীতে দিয়ে যাওয়ার মতো কিছু করুক। আমি আমার মতো করে এভাবেই সংসার করছি। করব।
--- জয়া আহসান
Jaya Ahsan কপি করলাম

দেখবেন কিছু মেয়েদের জীবন হয় লোহার তৈরি। ওরা বাবার পরী কিংবা মায়ের আল্লাদি হয় না। ওরা হয় সব জায়গায় মানিয়ে নেয়া, সবকিছুই ক...
29/11/2025

দেখবেন কিছু মেয়েদের জীবন হয় লোহার তৈরি। ওরা বাবার পরী কিংবা মায়ের আল্লাদি হয় না। ওরা হয় সব জায়গায় মানিয়ে নেয়া, সবকিছুই করতে পারা শক্তিশালী বেডি মানুষ।
ওরা ছোটবেলা থেকে কম্প্রোমাইজ আর স্যক্রিফাইস শিখে বড় হয়। ওরা মাছের বাজারেও যেতে পারে। বাস,টেম্পোতেও চড়তে পারে।
বিয়ের পরে ওরা আরো চারগুন শক্তিশালী হয়। এই শক্তিশালী জীবনটা যাপন করতে গিয়ে ওদের তেমন কোনো সমস্যাই হয় না।
কেবল একটা অসুবিধা হয়।
যেহেতু ওরা শক্তিশালী বেডি,তাই ওদের গলা হয় চড়া,ভাষা হয় একটু কম মিষ্টি।
আবার দেখবেন কিছু মেয়েদের জীবন হয় 'কিছুই পারিনার' জীবন।
ওরা জার্নী করতে পারে না। বাজারে যেতে পারে না। রাস্তা পার হতে পারে না। একা চলতে পারে না। সবখানে থাকতেও পারে না।
পোস্তগোলার মাস্তুল থেকে উইঠা আসলেও ওরা হয় প্রিন্সেস।
ওরা থাকে নিজের জগত নিয়া।
পারসোনালি প্রিন্সেস হওয়ার কারনে ওরা কথা কয় প্যানপ্যান করে আস্তেধীরে। ভাষা হয় তুলনামূলক মিষ্টি।
ওদের উপর কোনো দায়িত্ব আসে না কারন ওরা তো কিছু পারেই না। বরং ওদেরকে বাকিরা সবাই মিলে আদর আপ্যায়ন করে।
আর আপনি শক্তিশালী বেডি হওয়ার কারনে আপনার চামড়া হয় মোটা। দায়িত্ব হয় চওড়া।
আপনার আদর যত্ন কিছুই লাগে না।
বরং আপনার দোষের শেষ নাই।
তবে একটা বুদ্ধি দেই, যেহেতু আপনি শক্তিশালী বেডীমানুষ, শেষ চেষ্টা হিসেবে আপনি নিজের হাড্ডি গুলো দিয়ে স্যুপ রেঁধে আশেপাশের সকলকে খাওয়ানোর ট্রাই করতে পারেন।
কিন্তু আগেই বলে রাখছি, স্যুপে লবণ কম বা বেশি দিলে কিন্তু আবারো আপনার দোষ হতে পারে।
তাই দোষের কথা না ভেবে, চোখ বুজে যেভাবে আছেন সেভাবেই থাকুন।
রিওয়ার্ড একদিন পাবেন।
কপি করা

জানার আছে অনেক কিছু ভারতীয় মুভি🎬 3 Idiot এ Principle বলেছিলেন যে, নাসা এই Fishar Space Pen🖋️ বানাতে অনেক ডলার💰 খরচ করেছি...
28/11/2025

জানার আছে অনেক কিছু

ভারতীয় মুভি🎬 3 Idiot এ Principle বলেছিলেন যে, নাসা এই Fishar Space Pen🖋️ বানাতে অনেক ডলার💰 খরচ করেছিল কারন মহাকাশে সাধারণ কলম🖋️ দিয়ে লেখা যায় না !

আসুন👣 জেনে🧠 নিই,
তথ্যটি কতটুকু সত্য⁉️

তখন আমির খান প্রশ্ন🤔 করে,
যদি কলম🖋️ দিয়ে লেখা নাই যায় তাহলে পেন্সিল✏️ ব্যবহার করে নি কেন❓
এতো ডলার💰 নষ্ট করার কি মানে ❓
নাসা তাহলে কেন পেন্সিল ব্যবহার করে নি ❓

উওরঃ স্পেসে বলপেন🖋️ দিয়ে লিখা যায়না, কারণ সেখানে গ্র‍্যাভিটি🔗 নেই।

বলপেন🖋️ দিয়ে আপনে ভূপৃষ্ঠের বিপরীত দিকেই সহজে কিছু লিখতে📜 পারবেন না।

কারণ অভিকর্ষ আর লিকুইডের ক্যাপিলারি একশনের কারণে কলমের🖋️ নিব দিয়ে কালি বাইরে বের হয়।

যেখানে গ্র‍্যাভিটি🔗 নেই সেখানে কালিকে বের করার মত প্রেশারও নেই।

এস্ট্রোনাটরা👩‍🚀🧑‍🚀 পেন্সিল ইউজ করতো না এটা ভুল ধারণা।
নাসার হিস্ট্রি অনুযায়ী এক সময় নাসার মহাকাশচারীরা👨‍🚀 ঠিকই পেন্সিল ব্যবহার করতো।
এক রিপোর্টে📊🗂️ নাসা হাটসন টাইক্যাম কোম্পানি থেকে প্রায় ১২৮ ডলার দরে ৩৪টা পেন্সিল✏️ কিনে সেটাও দেখা যায়।

কিন্তু সামান্য পেন্সিল✏️ হিসেবে এই দাম অনেক বেশি আর পেন্সিলের✏️ কিছু সমস্যা আছে যেমনটা 3 ইডিয়টসে বলে,
সেই সমস্যা গুলো অবাস্তব না।
এই সমস্যা সমাধানের জন্যই স্পেস পেনের🖋️ আবিষ্কার।

কিন্তু মজার ব্যাপার হল এরকম একটা কলম🖋️ ডেভেলপ করতে মিলিয়ন ডলার💰 ইনভেস্ট করা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেটা নাসা করেনি,
করেছিল ফিশার পেন কোম্পানি।

কথিত আছে নাসা জানতোও না এমন কোন কলমের অস্তিত্বের ব্যাপারে।

ফিশার পেন তাদের আবিষ্কৃত এন্টি গ্র‍্যাভিটি পেন🖋️ নাসাকে🚀 অফার করে আর তখন নাসা এই কলম বিভিন্নভাবে টেস্ট করে এটা কেনার জন্য আগ্রহী হয়।

এই কলমে প্রেশারাইজ নাইট্রোজেন🧪 থাকে যেটা কলমের কালির ফ্লো সবসময় সচল রাখে।

যার কারণে এই কলম🖋️
✅প্রায় -৪৫° থেকে ২০৫° সেলসিয়াসের🎚️ মধ্যে লিখতে পারে,

✅পানির নিচেও লিখতে পারে,

✅যে কোন গ্র‍্যাভিটিতে যে কোন এঙ্গেলে লিখতে পারে।

নাসার প্রেস রিপোর্টে বলা হয় প্রথমে নাসা এই কলমের🖋️ ৪০০ পিস অর্ডার করে,
যার প্রতিটার দাম প্রায় ৪ ডলার💰 ধরা হলেও 'পাইকারি' কেনার বদৌলতে নাসা প্রতিটা কলম ৪০% ডিসকাউন্টে প্রায় ২.৪ ডলার দিয়ে কেনে।

পরবর্তীতে অবশ্য ফিশার পেন এই কলম আরও উন্নত করে আর কয়েকটা মডেল বাজারে ছাড়ে।

বর্তমানে এই স্পেস পেন🖋️ বাজারে মাত্র ২০-৫০ ডলারের💰 মধ্যেই পাওয়া যায় (মডেলভেদে),
এভেইলেবল যে কারও জন্য।
ইচ্ছে হলে কিনে নিতে পারেন নিজের জন্য একটা।

মতামত-২ঃ
কেন সাধারণ পেন্সিল ব্যবহার করাই হয়নি:

✅লিড বা গ্রাফাইট ভগ্ন হওয়া
পেন্সিলের লিড সহজে ভেঙে যেতে পারে, এবং মহাকাশে ভগ্ন টুকরো ভেসে ঘোরে। এই ধূলো বা ছিদ্র ক্ষণিকের জন্য নয় — সিস্টেম বা যান্ত্রিক উপাদানে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

✅গ্রাফাইট ধুলো ও ধ্রুবক অংশ
গ্রাফাইট ধুলো তড়িৎ পরিবাহী এবং যান্ত্রিক বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের সংস্পর্শে গেলে ছোট সার্কিট ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

✅কাঠ + বের হয় এমন অংশ
পেন্সিলের কাঠ বা শেভিং (চামড়া, কাঠের টুকরো) মহাকাশযানের সংকুচিত পরিবেশে ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে — উদাহরণস্বরূপ বিশুদ্ধ অক্সিজেনে আগুন লাগার ভয়।

মতামত-৩ঃ

NASA পেন্সিল ব্যবহার করে নাই।
কারণ শূন্য মাধ্যাকর্ষণে পেন্সিলের লিড ভেঙে ছোট কণা হয়ে ভেসে বেড়ায়
এই ভাঙা লিড/গ্রাফাইটের✏️ ধুলো যন্ত্রপাতিতে ঢুকে বড় ক্ষতি করতে পারে বলে।

যার কারণে পেন্সিল ব্যবহার করে নাই।
আপনি পুরো মুভি🎬 সুন্দর করে দেখুন বুঝতে পারবেন।
এই মুভির🎬 এক একটা সিন আমার মাথায় গেঁথে আছে।

আপনার মতামত কি❓

26/11/2025
26/11/2025

রাতের ঢাকা

"Food Business" মানেই প্রতিদিন নতুন চ্যালেঞ্জআর প্রতিদিন নতুন সুযোগ। 🚀✨আজকের ছোট্ট কিচেন—আগামী দিনের ব্র্যান্ড! 🍳➡️🏆একটা...
26/11/2025

"Food Business" মানেই প্রতিদিন নতুন চ্যালেঞ্জআর প্রতিদিন নতুন সুযোগ। 🚀✨

আজকের ছোট্ট কিচেন—আগামী দিনের ব্র্যান্ড! 🍳➡️🏆
একটা রেসিপি বানাতে সময় লাগে কয়েক মিনিট,
কিন্তু তাতে জড়িয়ে থাকে অনেক ভালোবাসা ❤️, আবেগ 💛
আর লাগে ধৈর্য আর বিশ্বাস। 🙏🔥

জীবন যেমনই হোক, মন দিলে যা-ই কিছু করা হোক না কেন
সময়ের সাথে সাথে বদলে যাবে! ⏳🌱
কারণ সফলতা কখনো শুধু রেসিপিতে নয়—
সফলতা থাকে ধারাবাহিকতায়। 📈💪

স্বাদে জিতে গেলেও 😋,
ভালো আচরণে ধরে রাখতে পারলে গ্রাহকের আগ্রহ বাড়বে। 🤝😊
আজ একটা ডিশ বিক্রি—কাল অনেক স্বপ্ন পূরণ। 🍽️✨🌟

আর দিনের শেষে,
যে গ্রাহক হাসিমুখে চলে যায়—
সেটাই আসল লাভ, সেটাই আসল জয়! 😇🥰🏅”

কথা কিন্তু খুবই সত্যি
25/11/2025

কথা কিন্তু খুবই সত্যি

এটাই হলো এখনকার বিজনেসের অবস্থা।  কেউ দেখার নেই।  বিজনেস অসম্ভব হয়ে গেছে।❌❌❌হোলসেলাররা লাইভ করে।হোলসেলাররা রিটেল খুচরা স...
25/11/2025

এটাই হলো এখনকার বিজনেসের অবস্থা। কেউ দেখার নেই।

বিজনেস অসম্ভব হয়ে গেছে।❌❌❌হোলসেলাররা লাইভ করে।হোলসেলাররা রিটেল খুচরা সিঙ্গেল বিক্রী করছে।পন্যের উৎস আর কারো কাছে গোপন নেই।যে সব কাস্টমার কেনাকাটা করতো তারা সবাই এখন নিজেরাই ব্যাবসা করছে।হোলসেলাররা সব পন্য চারদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে।সবার আয়ত্তে এখন সব পন্য। একটু বেশী দামে খুচরা বিক্রোতার কাছ থেকে না কিনে সর্বনিন্ম দামে হোলসেলারদের কাছ থেকে কিনছেন ক্রেতারা।আর ঘরে ঘরে তৈরী হচ্ছে উদদোক্তা।এই মার্কেট প্লেইস অলমোস্ট ধ্বংস।কেউ দেখার নেই।

Address

Salimullah Road , Panir Tankir Math , Mohammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+8801533463030

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Combo Station posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Combo Station:

Share