Best of Bangladesh

Best of Bangladesh COMPANY PROFILE:

Best of Bangladesh is one of the suppliers of food and beverage consumer retail products to the Bangladesh markets.

Best of Bangladesh was established as a trading company of Sixty Four District best food/products of Bangladesh .Best of Bangladesh offers series of frozen dessert without preservatives, but also extends its business scope to seafood, ingredients. We use cost-efficient services to provide our customers with a marketplace advantage that is critical in sustaining a point of difference in today’s com

petitive world. Whatever people love about food, we aim to ensure they can trust us to source, make, distribute and market brands in a way that’s beneficial to them and the world we share. At Best of Bangladesh, we maintain stringent systems and processes that assure the quality of our branded and private label products, throughout the supply chain. We utilize quality manufacturers and suppliers who develop innovative and superior products. Best of Bangladesh Foods further provides customers with an intimate knowledge of the market and exclusive product knowledge that adds value to the development process. OUR MISSION:
Best of Bangladesh International is committed to delivering quality food and beverage solutions to our domestic and international customers. OUR VISION:
Our vision is to be at the forefront of the development, distribution and marketing of food brands and private label products. OUR VALUES:
*Passion
*Reliability
*Innovation
*Ethics
*Service
*Dedication

Our values form the core of our organisation. They guide our actions and behavior. They inspire the way we work with each other – and the way we serve our clients. These values influence the way we translate our passion into practice, enabling constant innovation for our customers.

অভিনন্দন 🇧🇩
03/04/2026

অভিনন্দন 🇧🇩

19/02/2021

দোহাটেকের চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা আর নেই।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অন্যতম নারী উদ্যোক্তা দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান লুনা শামসুদ্দোহা আর নেই। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
লুনা শামসুদ্দোহা দোহাটেক নিউ মিডিয়ার চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির (বিডব্লিআইটি) প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক ছিলেন।
বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ও শোকসন্তপ্ত পরিবারটির সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।

বেবি তরমুজে আগ্রহ চাষিদের ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া গ্রামের বর্গাচাষি শাহজল ভাওয়াল ২০ শতাংশ জমিতে সবজি চাষ করে সং...
19/12/2020

বেবি তরমুজে আগ্রহ চাষিদের

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া গ্রামের বর্গাচাষি শাহজল ভাওয়াল ২০ শতাংশ জমিতে সবজি চাষ করে সংসার চালাতেন। এবার সবজির সঙ্গে বারোমাসি ফল বেবি তরমুজের চাষ শুরু করেছেন তিনি। তাঁর তরমুজের খেত দেখতে আসেন আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের চাষিরা। এ সময় তাঁরা শাহজলের কাছ থেকে লাভের কথা শুনে নিজেরাও বেবি তরমুজ চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ভোলার বাজারে প্রথম যখন বেবি তরমুজ ওঠে, তখন তা ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। এখন অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি। তবে শহরের শপিং মলে বিক্রি হলে দাম আরও বেশি হতো বলে মনে করেন স্থানীয় ক্রেতা-বিক্রেতারা।

সরেজমিনে সম্প্রতি শাহজলের খেতে গিয়ে দেখা যায়, মাটি থেকে ১৫-২০ সেন্টিমিটার উঁচু লম্বা মাদা (বেড) তৈরি করে মালচিং পেপার (পলিথিনের মতো) দিয়ে শক্ত করে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। চার হাত অন্তর একটি বেড। এভাবে ৮ শতাংশ জমিতে মোট ছয়টি বেড। এর ওপরে ছাউনির মতো ঘুরিয়ে মাচা দেওয়া হয়েছে। সেই মাচায় ঝুলে আছে ছোট-বড় কয়েক শ কালো তরমুজ। একটি তরমুজ কাটা হলো। বেশ রসাল ও সুমিষ্ট ফল। কচি অবস্থায় এটি তরকারি হিসেবেও রান্না করে খাওয়া যায়।

বিজ্ঞাপন
‘সুইট ব্ল্যাক’ বা কালো জাত ও নতুন ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ বা হলুদ জাতের বারোমাসি বেবি তরমুজের আবাদ ভোলার কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার করছে।
মো. রিয়াজ উদ্দিন, কৃষি কর্মকর্তা, সদর উপজেলা, ভোলা
শাহজল বলেন, গ্রামীণ জন-উন্নয়ন সংস্থার (জিজেইউএস) কৃষিবিদের সহযোগিতা ও পরামর্শে তিনি প্রথমবারের মতো বেবি তরমুজের আবাদ শুরু করেন। এটি চাষে শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া তেমন কোনো খরচ হয়নি। প্রতিদিন এলাকার কৃষকেরা বেবি তরমুজের ফলন দেখতে এসে চাষপদ্ধতি জেনে যান। কেউ কেউ আবার কিনেও নেন। তিনি বাড়িতে বসেই ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এখন তিনি দ্বিতীয়বার তরমুজ লাগানোর কথা ভাবছেন। কারণ, এটি লাভজনক।

সাচড়া গ্রামে শাহজলের মতো চান মিঞা ও মিতিল চৌধুরী ৮ শতাংশ করে জমিতে বেবি তরমুজ আবাদ করেন। মিতিল চৌধুরীর খেতে তরমুজ বিক্রির উপযোগী হয়েছে। চান মিঞার খেতের ফল বিক্রির উপযোগী হয়নি। তবে ব্যাপক ফল এসেছে।

চরফ্যাশন উপজেলার উত্তর মোঙ্গল গ্রামের মো. রুহুল আমিন কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ৮ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে বারোমাসি জাতের বেবি তরমুজের আবাদ করেছেন। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানি ওঠায় দুই দফায় গাছ নষ্ট হয়। তৃতীয় দফায় আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছগুলো টিকেছে এবং ফল এসেছে। এখন ফলন ভালো হওয়ার আশায় আছেন তিনি।

বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ৪৫-৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফল বিক্রি হতে পারে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। কৃষকেরা এখন প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেতে চান।
চাষিরা বলছেন, এই তরমুজ সারা বছর চাষ করা যায়। অল্প জমিতে অধিক ফলন হয়। লাভও ভালো পাওয়া যায়। তাই এটির আবাদ বাড়ানোর আগ্রহ তাঁদের। এ জন্য তাঁরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতা চান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর বলেন, বারোমাসি বেবি তরমুজ কৃষি খাতে এক অনন্য সংযোজন। আগে দেশে এই জাতের তরমুজ বিদেশ থেকে আমদানি হতো। সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে উচ্চমূল্যের এই তরমুজ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে কৃষকেরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বেসরকারি সংস্থা গ্রামীণ জন-উন্নয়ন সংস্থার (জিজেইউএস) উপপরিচালক কৃষিবিদ আনিসুর রহমান বলেন, ১ বিঘা বা ৩৩ শতাংশ জমিতে এই তরমুজের আবাদ করতে সর্বোচ্চ ৪৫-৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। ১ বিঘায় ১ হাজার ২০০ চারা বপন করা যায়। ৯০ থেকে ১০০ দিনে বিঘাপ্রতি সর্বনিম্ন ২ হাজার ৪০০ ফল (ওজনে ৫ থেকে সাড়ে ৫ মেট্রিক টন) উৎপাদন করা সম্ভব। সর্বনিম্ন ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বিক্রি করা সম্ভব।

ভোলার সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, জলাবদ্ধতা হয় না, এমন ধরনের উঁচু জমি এই বারোমাসি তরমুজ চাষের উপযোগী। ‘সুইট ব্ল্যাক’ বা কালো জাত ও নতুন ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ বা হলুদ জাতের বারোমাসি বেবি তরমুজের আবাদ ভোলার কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার করছে।

লাখো উদ্যোক্তাকে বিজনেস ইনকিউবেশন সুবিধা দেবে বিসিকবাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ১ লাখ তরুণ ও নারী উদ্...
17/12/2020

লাখো উদ্যোক্তাকে বিজনেস ইনকিউবেশন সুবিধা দেবে বিসিক

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ১ লাখ তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাকে বিজনেস ইনকিউবেশন সুবিধা প্রদান করবে। এ লক্ষ্যে সংস্থাটি গত সোমবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্টের (বিআইআইডি) সঙ্গে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) করেছে। মতিঝিলে বিসিক সচিব মো. মফিদুল ইসলাম ও বিআইআইডির প্রধান নির্বাহী কমর্কতা মো. শহীদ উদ্দিন আকবর নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন।

বিসিক কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ব্যবসা উন্নয়ন সেবা প্রবর্তনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের আরও উন্নত সেবা প্রদানের অংশ হিসেবে ইনকিউবেশন, প্রোটো-টাইপিং, কো- ওয়ার্কিং স্পেস এবং মেন্টরশিপের মতো ব্যবসা সহায়তা এই চুক্তির আওতায় বিআইআইডির বি-ল্যাব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। বিআইআইডি ইনকিউবেটর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার সব কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে এবং বিসিক যাবতীয় লজিস্টিক ও স্থানীয় সেটআপ ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করবে।

বিজ্ঞাপন

পাইলটভিত্তিতে গোপালগঞ্জ এবং নরসিংদী জেলার আওতাধীন কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের এই সেবা প্রদান করা হলেও বিসিকের সব কার্যালয়ে অনলাইনভিত্তিক ব্যবসা উন্নয়ন সহায়তা পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশে এই প্রথম স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ইনকিউবেশন সুবিধা প্রদানের জন্য বিআইআইডির বি-ল্যাব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিসিকের সব স্থানীয় কার্যালয়ে পর্যায়ক্রমে ইনকিউবেশন সুবিধা প্রদান করা হবে। স্থানীয় উদ্যোক্তারা যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে ভার্চ্যুয়াল ইনকিউবেশন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিসিক চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, পরিচালক খলিলুর রহমান, মুহাম্মদ আতাউর রহমান ছিদ্দিকী, রতন কুমার আইচ সরকার উপস্থিত ছিলেন।

Every war has results that affect millions of people. The Victory day of Bangladesh is a wave of joy that affected every...
15/12/2020

Every war has results that affect millions of people. The Victory day of Bangladesh is a wave of joy that affected every citizen equally.

17/09/2020

গোপাল ভাঁড়ের ভাষ্য : ‘খাবার শুরু তিক্ত দিয়ে, সমাপ্তি মিষ্ট দিয়ে’। এখানে তিক্ততা মানে উচ্ছে বা করলার তিতা। স্বাস্থ্য সচেতন সনাতন প্রথানুসারে কেউ কেউ এখনও সকালে খালি পেটে চিরতা, ত্রিফলাসহ নানা ভেষজের তিক্তকষায় পানীয় অবলীলায় পান করেন। বাঙালি সংস্কৃৃতিতে ‘পহেলা বৈশাখ’ এর নাগরিক ঐতিহ্য ‘পান্তা-ইলিশ’ এখন বেশ সরগরম আইটেম। পান্তা গ্রাম বাংলার আদি ও অকৃত্রিম অনুসঙ্গ। মহার্ঘ্য ইলিশ; তার স্বাদ, জৌলুষ আর সৌরভের চেয়ে, পণ্য হিসেবে বেশি ধন্য। আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় ওঠে এসেছে, ১২ ঘণ্টা পানিতে ভেজানো পান্তা ভাতে পুষ্টি উপাদন আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের মাত্রা সাধারণ ভাতের চেয়ে বহুগুণ বেড়ে যায়। আধুনিক জীবনাচরণের কারণে বেড়ে চলা এসিডিটি, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, নিদ্রাহীনতাসহ নানা রোগ। পক্ষান্তরে ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণ সে হারে কমে আসে। পান্তা যে শতভাগ ভালো, তা নয়। তবে এর দোষ তামাক আর অ্যালকোহলের ক্ষতির মাত্রার তুলনায় গনায় আনাই যায় না।
আমাদের জীবনযাত্রায় তামাকের অবাধ বিচরণ, আর অ্যালকোহল রেখে ঢেকে। বিশ্বে ক্যান্সারের প্রধান কারণ তামকজাত পণ্য। এর মধ্যে আছে ধূমপান এবং জর্দা গুলের মতো তামাক পাতা সরাসরি গ্রহণ। যদিও ক্যান্সারের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও অজানা। তবু যেসব কারণকে ক্যান্সারের জন্য দায়ী করা হয়; তার অন্যতম কারণ তামাক গ্রহণ এবং বদলে যাওয়া জীবনাচরণ। পুরুষদের মুখে ও ফুসফুসে ক্যান্সারের হওয়ার বড় কারণ ধূমপান। তা প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে ধূমপায়ী বা অন্য কোন ধোঁয়ার কাছাকাছি থাকার কারণেও মুখে ও ফুসফুসে ক্যান্সার আক্রমণের শিকার হতে পারে। সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে তিন ভাগের একভাগ ক্যান্সার থেকে নিরাপদে বাঁচা যায়। গ্রামে প্রাচীন বটের মতো যেসব মুরুব্বিজনরা এখনও বেঁচে আছেন, তাদের ঘরে ঢুকতেই যে ঘ্রাণ নাকে ঢুকবে, তা হলো সাদাপাতা তথা শুকনা তামাক পাতা আর পান সুপারির মঁ মঁ মন মাতানো গন্ধ। শতকরা ৮৫ ভাগ ক্যান্সার হয় তামাক পাতা ব্যবহারের জন্য। এর সাথে অ্যালকোহল যোগে বাড়ে আরও ঝুঁকি। যদিও মুখে ও গলার ক্যান্সার রোগ; ক্যান্সার, ভাইরাস, রেডিয়েশন বা বংশগত কারণেও হতে পারে। সম্প্রতি (২০১৬-১৭) দেশের সর্বাধিক করদাতার আয়ের প্রধান উৎস জর্দা ব্যবসায়। যার মূল উপাদান প্রক্রিয়াজাতকরণকৃত তামাক পাতা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষণায় জানা যায়, বিড়ি সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্যে ৪০০০ এর বেশি ক্ষতিকর উপাদান আছে, যার মাঝে ৪৩টি সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টির সাথে জড়িত। ৩০ ভাগ ক্যান্সারের জন্য দায়ী ধূমপানসহ তামাক সেবন। তাই ২০০৬ সাল থেকে ৪ ফ্রেরুয়ারি বিশ্ব ক্যান্সার দিবস হিসাবে পালন করছে। ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বজুড়ে তামাকের ব্যবহার কমানোকে উৎসাহিত করার জন্য ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করে আসছে। জরুরি পদক্ষেপ নেয়া না হলে ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বে তামাকজনিত কারণে প্রতি বছর মারা যাবে। আমাদের দেশের আদিবাসী ও গ্রামাঞ্চলে তামাক এবং তামাক সামগ্রীর ব্যবহার ব্যাপক। পান সুপারিতে মরণব্যাধি ক্যান্সারের উদ্দীপক বিদ্যমান। কারও মতে, পান রুচি বর্ধক, ক্যান্সার প্রতিরোধক। সুপারি স্ট্রোকসহ নানা রোগ প্রতিকারে সহায়ক। চুনে আছে ক্যালসিয়াম। হাঁড় ও দাঁত গঠনে যা অপরিহার্য। শরীরে এসিডিটির ভারসাম্যে তার প্রয়োজন। চা, কফিও উদ্দীপক। কিন্তু অধিক হারে এসব দেহের জন্য খুব একটা সুখকর নয়।
ভেজা বা আর্দ্র বাসি পচা খাবারে মৃতজীবী ছত্রাকের আফলা টক্সিন নামের বিষ অধিক্ষেপের সম্ভাবনা প্রচুর। চাল, গম ভুট্টা ১২ শতাংশ বেশি আর্দ্রতায় বেশ কিছু দিন থাকলে তাতে আফলা টক্সিন অধিক্ষেপ পড়তে পারে। সাধারণভাবে পান যে ভেজা পাত্রে মুড়িয়ে রাখা হয় তাতে দু-একটি পাতা পচে মৃতজীবী ছত্রাকের বাহনের কাজ করে। আর আমাদের মাঝে যারা বেশি পান খান তাদের বেশ একটি অংশ কাঁচা সুপারি পছন্দ করেন। কেউ কেউ আবার বেশ কয়েক দিন পানিতে ভিজিয়ে মজা গন্ধযুক্ত সুপারি পানের সাথে চিবানো পছন্দ করেন। তাছাড়াও পাকা সুপারি কাটার সময় দোকানিরা কাটার সুবিধার জন্য সুপারি নরম রাখতে আর অসাধু বেপারিরা ওজন বাড়াতে সুপারিকে ভিজিয়ে রাখে। তাতে সাদা, মেটে বা সবুজ রঙের আফলা টক্সিন/ফাইটো টক্সিন জন্মানো বিচিত্র কিছু নয়।
আধুনিক জীবনে অতিরিক্ত উচ্চ ক্যালরিযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে মুখরোচক করার জন্য চাইনিজ লবণ, ঘন চিনি ও অতি ভাজা তেলের পরিমাণ থাকে প্রচুর। তাতে ফাইবার থাকে খুবই কম। কোমল পানীয় এবং মিষ্টিজাতীয় খাবারে চিনির বাড়তি ব্যবহার দেহের ওজন ও স্থূলতা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়। রেডমিট বা লাল মাংশ অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়াও স্বাস্থ্যঝুঁকির অন্যতম কারণ। মাছ, হাঁস মুরগির মাংশ বা আমিষ নিরাপদ। তাই গ্রাম বাংলার বিধবা এবং বয়স্করা অধিক তেল-মশলা ও প্রাণিজ আমিষ যথাসম্ভব এড়িয়ে অনেকটা নিরামিষভোজী। যা অধুনা পুষ্টি বিশেষজ্ঞগণের মতাদর্শের সাথে দারুণভাবে মিলে যায়। পুষ্টিকর খাবারও আজকাল নানা দোষে দুষ্ট। ইঙ্গ-পাক আমলের শোষণের পরেও ষাটের দশক অবধি, গ্রামের সাধারণ কৃষকের ছিল গোয়াল ভরা গরু, পুকুর ভরা মাছ। জমিতে যেসব ফসল ফলতো সার বলতে ছিল গোবর, চুলার ছাই, খড় পেড়ানো আর সরিষার খৈল। অর্থকরী ফসল পাটের পাতা ও ধানের নাড়া ‘প্রকৃতির লাঙ্গল’ কেঁচো জমিতে পচিয়ে জমির উর্বরতা বাড়িয়ে দিত। শিয়ালের লোভ ছিল গৃহস্থের খোয়াড়ের হাঁস মুরগি। জমিতে ইঁদুর খেকো পেঁচা বসার জন্য কলা গাছ এবং পোকা দমনে খাদক পাখির বসার জন্য কঞ্চি পুঁতে দেয়া হতো। পশুপাখিদের ভয় দেখাতে বসানো হতো কাকতাড়ুয়া। ফসল তোলার পর নাড়া পুড়িয়ে উফরাসহ নানা রোগজীবাণু ও পোকার বংশ ধংশ করে মাটি শোধন এবং পটাশ সারের জোগান দেয়া হতো। পর্যায়ক্রমিক ফসল আবাদ মাটি ও পরিবেশবান্ধব ছিল। অগ্রহায়ণের নবান্নের চাল কোটা হতো ঢেঁকিতে । ঢেঁকিছাঁটা চালে থেকে যেতো পুষ্টি উপাদন। তা ছিল অরগানিক কৃষির স্বর্ণ যুগ, আর আবাহমান বাংলার প্রকৃত রূপ।

বর্তমানে অরগানিক আবাদের বদলে অধিক ফলন আর মুনাফার আশায় অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডে নির্বিচারে রাসায়নিক সার, বালাইনাশক, হরমোন প্রভৃতি রাসায়নিকের ব্যবহার করে মাটি, পানি, বায়ু ও ফসলকে ক্রমশ বিষাক্ত করে তুলছি। ইউরিয়ার বর্জ্য মিশে যাচ্ছে জলাশয় ও ভূতলের পানিতে। বাড়ছে মিথেনসহ নানা বর্জ্য। পুষ্টি জোগানোর জন্য পয়সা দিয়ে শাকসবজি, মাছ মাংশ, ফলফলাদি কিনছি। খাচ্ছি বিষ। পানির অপর নাম জীবন। আমাদের শরীরের বিপুল অংশ পানি। বেদ, বাইবেল, কোরআন ধর্মগ্রস্থে পানি দিয়ে পবিত্রতার বর্ণনা আছে, আছে পানি নিয়ে নানা বাণী ও কাহিনী। মিথ যুগের ইলিয়ড, ওডিসি, গিলগিমিশ, মহাভারত, রামায়ণ, শাহনামা প্রভৃতি মহাকব্যে এমনকি স্মরণকালের মেঘনাথ বধ, কারাবালা গ্রন্থেও পানির সাথে মানুষের সম্পর্ক এসেছে নানাভাবে। ধর্মীয়ভাবে, মুসলমানের কাছে জমজমের পানি এবং হিন্দুদের কাছে গঙ্গাজল মহাপবিত্র। বাস্তব জীবনে খাদ্য পুষ্টির অন্যতম উপকরণ পানি। পৃথিবীর শতকরা ৭৭ ভাগই পানি। এ পানির অতি, অতি ও অতিখুদে অংশ আমাদের জীবনধারণে অতিব প্রয়োজনীয়। তাও নানা দূষণ আমাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কৃষিতে, শিল্পে ও জীবনযাত্রার কাজে চাহিদার অতিরিক্ত হারে ভূতলের পানি উত্তোলন চলছে। মাটির স্বল্পতলের পানিতে আর্সেনিকসহ বিভিন্ন ভারি ধাতবলবণ মিশে পানিকে বিষাক্ত করে তুলছে। অন্যদিকে কলকারখানার বর্জ্যে মাটি, পানি, বায়ু তথা পরিবেশ হচ্ছে সব প্রাণীর বাসের অযোগ্য। নদী ও জলাশয়ের পানি তলানিতে, সাগরের পানি বাড়ছে। আফ্রিকা ও ভারতে খাবার পানির জন্য মেয়েরা যোজন যোজন পথ পাড়ি দেয়। অনেকের ধারণা, পরবর্তী মহাযুদ্ধ হবে পানির দখলদারিত্ব নিয়ে। পবিত্র কোরআনের ৬৭তম সুরা মুলকের ৩০তম আয়তে বলা আছে, যদি তোমাদের পানি ভূগর্ভের গভীরে চলে যায়, তবে কে তোমাদের সরবরাহ করবে পানির স্রোতধার।
যানবাহন, কলকারখানার ধোঁয়ার সিসা, কার্বন প্রভৃতি গ্যাসবায়ু দূষণ বাড়িয়ে আয়ুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ভূমি ও বন উজার করে বাড়াচ্ছি কার্বন, উষ্ণতা, সাগরের পানির তল। কমাচ্ছি অক্সিজেন, জীব বৈচিত্র্য, খাদ্য শৃঙ্খল, অনবায়নযোগ্য খনিজ। এয়ারকন্ডিশনার ও ফ্রিজার থেকে বেরুচ্ছে সিএফসি গ্যাস। দেয়ালের ও নিত্য ব্যবহার্য্য প্রসাধন থেকেও বিচ্ছুরিত হচ্ছে রেডনসহ কত অজানা বিষাক্ত উপকরণ। অদৃশ্য শত্রুর মতো আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে। মেলা, জনসভা, পর্যটন ও বনভোজন জনসমাগমে এমন কি বনবাঁদারে বা নদীতের পেট্রোকেমিক্যাল সামগ্রীর জঞ্জালে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে চলছে। গবেষকদের তথ্যানুসারে পাখির ডিম পাড়া, মৌমাছির ফুলে পরাগায়ন, প্রাণিদেহে বৈকল্যতে চৌম্বকীয়-তড়িৎ ব্যবস্থাপনা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ই-বর্জ্য সামনের দিনের আরেক আপদ। সব ভেষজ যে নিরাপদ তা নয়। অতিরিক্ত চা, কফি, পান, সুপারি অপকারী ভেষজের মতো সুস্থতাকে দারুণভাবে ব্যহত করতে পারে। ভেজাল খাবার ও ওষুধ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের বদলে রোগ ও যমের দোরগোড়ায় নিয়ে যায়। খাবার আগে হাত ধোয়া, নিরাপদ পানি ব্যবহার, খাবার ঢেকে রাখা, পচা-বাসি খাবার পরিহার, আগে রান্না করা খাবার গরম করে নেয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে, আইসক্রিম বা দই মাঠা এ নিয়মের বাইরে। যা আমাদের রোগ ব্যাধি থেকে দূরে রাখতে সহায়তা করে। এসবের ছোটখাটো অবহেলা পরে অপরিমেয় ক্ষতির দ্বার প্রান্তে নিয়ে যেতে পারে।

চিকন দেহ মোটাতাজাকরণ, ওজন ও স্থূলতা হ্রাস, অনিদ্রা দূরীকরণ, বয়স ও রূপলাবণ্য ধরে রাখা, চুল পাকা পড়া ও পাকা রোধ, যৌবন ধরে রাখা, হজম, গ্যাস্ট্রিক, বিষন্নতা তাড়ন, স্ফূর্তি আনা প্রভৃতির জন্য কুখাদ্য, কুপণ্য মুড়ি-মুড়কির মতন খাদ্যের চেয়েও বেশি দামে বিক্রয় হচ্ছে। যেহেতু এর চাহিদা বের্শি তাই তাতে ভেজালের পরিমাণও বেশি। অনেক সময়ে অসাবধানবশত তেল ভেবে কীটনাশক খাবারের সাথে মেশানো, রোগের ওষুধ মনে করে, তার্পিন, কেরোসিন, কীটনাশক বা অখাদ্য রোগীকে খাওয়ানো বা কোন কারণে জীবনের প্রতি অনীহার বশবর্তী হয়ে তা খেয়ে বিপদ ডেকে আনে। অথচ রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, হলুদ, আদা, দারুচিনি, জিরা, মৌরি, তাজা দেশি শাকসবজি ও ফলমূলে অ্যান্টিঅক্সিডেটসহ অনেক দ্রব্যগুণ বিদ্যমান, যা ক্যান্সারসহ নানা রোগ নিরাময়সহ সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সাধারণ বাদামি ও সিদ্ধ চালে যে পুষ্টি ও স্বাদ; আতপ ও পলিশ করা সাদা চালে সে পুষ্টি ও স্বাদ অনেক কম। পেকে যাওয়া মটরশুঁটিতে সবুজ রঙ, বিস্কিট, মিষ্টি, দই আর ভাতে জর্দায় কৃত্রিম রঙ, মরা মাছের কানকোতে লাল রঙের প্রলপ এখন গা সহা। কিস্তু এ রঙের খেলায় যা ভয়ানক, তা হলো এসব কৃত্রিম রঙ অধিকাংশই কমদামি কাপড়ে রঙ। খাবার চকচকে দেখার জন্য চামড়া রাঙানোর রঙের ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে। যা শরীরের জন্য মারাত্মক বিষ। খাবারে মেশানোর জন্য ফুড গ্রেড নামে রঙ আছে। অবশ্য এর দাম কৃত্রিম রঙের তুলনায় আকাশ ছোঁয়া। চোখের খিদা মেটাতে আর অধিক লাভের জন্য কমদামি কৃত্রিম রঙের মারণানাস্ত্রে নিরাপরাধ মানুষের জীবন বিষিয়ে দিচ্ছে।

ডায়াবেটিক রোগীর যেমন বেশি শর্করা বারণ, তেমনি বাত ব্যথায় ও আর্থাইটিসে শুধু লাল মাংশই নয় আমিষসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে শিমের বিচি, শাকের ডগা; এসপারাগাস/শতমূলী, পুঁই, টমেটো এমনকি শাকের রাজা পালংশাক নিষিদ্ধ। কলেরা, বসন্ত, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মার মতো সংক্রামক এবং আর্সেনিকোসিস, শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ, স্থূলতা, হার্ট ব্লকেজ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার প্রভৃতি অসংক্রামক রোগ থেকে জীবনাচরণ বদলিয়ে সুস্থ থাকা যায়। খাবার ও জীনাচরণ স্বাস্থ্যের ওপর নানাভাবে প্রভাব ফেলে। দুধ প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাদ্য। বাচ্চা দেয়ার পর গবাদি প্রসূতির ওলানের শাল দুধ ফেলে দু-একদিন পরের দুধ বাচ্চাকে খাওয়নো হতো। এখন বলা হচ্ছে নবীন-শাবকের জন্য এ শাল দুধ স্বাস্থ্যকর ও বেশ পুষ্টিকর। মানুষের বেলাতেও তা সমভাবে প্রযোজ্য। পবিত্র কোরআনে পূর্ণ ২ বছর পর্যন্ত শিশুকে স্তন্যদানের কথা বর্ণিত আছে (সুরা : ২, আল বাকারা; আয়াত-২৩৩/ সুরা :৩১, লুকমান; আয়াত :১৪)। গবেষণায় জানা গেছে, স্তন্যদানকারী মাতার সাথে সন্তানের সম্পর্ক যেমন নিবিড় হয়, প্রজাতির পুষ্টি ও বর্ধনও ঘটে আশানুরূপ। স্তন্যদানকারী মায়ের স্তন ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতার হারও এবং গর্ভধানের সম্ভাবনাও কমে।
লাউ, কুমড়া, কাচকলা, পটোল তরিতরকারির খোসা রান্নার জন্য কাটাকুটির সময় ফেলে দেয় হয়। এতে পুষ্টি থাকে বেশি। ছোট করে তরকারি কুটায় এবং শাক ও তরকারি কুটার আগে ধুলে ধোয়া পানির সাথে পুষ্টি চলে যায় না। অধিক হারে অনেকক্ষণ রান্নায় এবং ভাতের মাড় ফেলা ভালো নয়। টমেটো, গাজর, মুলা সালাদ হিসেবে কাঁচা খাওয়াই উত্তম। খোসাসহ আলু সিদ্ধ এবং খোসাসহ আপেল, পেয়ারা খেলে লাভ বেশি। শাক, কাঁচামরিচ প্রভৃতির আগা-ডগার দিকে পুষ্টি অধিক। চা সুস্বাদু করার জন্য চিনি, দুধ মেশানো কতটুকু ভালো তা ভাবা দরকার। লেবু একবার কাটলে অনেকক্ষণ খোলা বা আলোতে রাখলে ভিটামিন সি নষ্ট হয়। ফলের রস করে খাবার বদলে কামড়ে খাওয়া স্বাস্থ্যপ্রদ। গরম খাবার সাথে সাথে মুখবন্ধ পাত্রে ভরলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার; ফুড পয়জনিংজনিত বিষক্রিয়ায় ফলে কারখানায়, মজলিসে বা গণখাবার খেয়ে অনেকে অসুস্থ হওয়া বা মৃত্যুর কারণ। ক্রমাগত শিল্প বর্জ্য ও হেভি মেটাল বা ভারি ধাতু, কৃষি কাজের মাটি, নদী ও বদ্ধ জলাশয়ের পানি এবং নির্মল বায়ুকে বিষাক্ত করে তুলছে। অনেক অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফার লোভে ট্যানারির হেভি মেটালযুক্ত বর্জ্য গবাদি ও পোলট্রি ফিডে মিশিয়ে বিক্রয় করছে। গরু সুস্থ ও মোটাতাজাকরণে মাছ আর হাঁস মুরগিক পুষ্ট রাখতে হরমোন, অ্যান্টিবায়েটিসহ এমনসব রাসায়নিক প্রয়োগ করছে। যার অক্ষয় ও অবশিষ্টাংশ খাদ্যচক্রের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে, জমে জমে অনাকাক্সিক্ষত রোগের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ব্যথানাশক ডাইক্লোফেনাক মানব দেহের জন্য বেশ ক্ষতিকর বিধায় নিষিদ্ধ। গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে ডাইক্লোফেনাক প্রয়োগ করা গবাদির মৃতদেহ খেয়ে শুকুনের ডিম নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ওরা বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় নাম লিখিয়েছে। তাদের জন্মহার বিলুপ্তর অন্যতম কারণ বিধায় এ ওষুধটি গবাধিপশুর জন্যও বর্তমানে নিষিদ্ধ।

মেলা, জনসমাবেশ, রেল, সড়ক নৌপথে যাত্রাপথে ঝাল মুড়ি, চানাচুর, সিদ্ধ ডিম, জিলাপি, কাটা শশা, আচারাদি খাবার ধুম পড়ে। এসব পুরনো পত্রিকা, খাতার কাগজ, বইয়ের পাতার ঠোঙ্গায় পরিবেশন করা হয়। তাতে অখাদ্য ছাপার কালি এবং জীবাণু স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলে দেয়ার সম্ভাবনা প্রচুর। তার সাথে প্রতারক ও ঠকবাজের যুক্তক্রিয়া তাকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলতে পারে। তাই স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে খাবার ও জীবনাচরণে সাবধানতা আবশ্যক। সাবধানের মার নাই।

কৃষিবিদ এ এইচ ইকবাল আহমেদ*

17/09/2020

ঢাকার জনপ্রিয় খাবার

পুরান-ঢাকার বিরিয়ানি যা ঢাকাই লোকদের কাছে অধিক জনপ্রিয়। দেশীয় রান্নার চাইতে ঢাকাই খাবারে মোঘল ও পদের আধিক্যই বেশি। তবুও যুগ যুগ ধরে প্রচলিত এসব খাবার এখন আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। এসব খাবারের মাঝে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাবাব, কোফতা, কালিয়া, রোস্ট, পোলাও, বিরিয়ানিসহ বিভিন্ন রুটি ইত্যাদি।

17/09/2020

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার

চট্টগ্রামের খাবারের কথা ভাবলেই সবার প্রথমে শুঁটকির কথাই মাথায় আসে, তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই এ অঞ্চলের শুঁটকি সবথেকে জনপ্রিয় খাবার। চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষেরা শুধু মাত্র শুঁটকি দিয়ে বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরী করে।

চট্টগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার হলো ‘মেজবানি মাংস’। মরিচ ও মসলা সহযোগে রান্না করা ঝাল গোশত। স্বাদের ভিন্নতার জন্য ব্যবহার করা হয় হাজারো মশলা। সাধারণ মাংস রান্নাতে যেসব মশলা লাগে তার সঙ্গে যোগ করতে হয় আরও বিভিন্ন মশলা। যেমন- আস্ত জিরা, সাদা সরিষা, ধনিয়া, মৌরি, শুকনো মরিচ, মেথি, জয়ত্রী, জয়ফল, রাঁধুনি, পোস্তদানা।

মেজবান মানেই চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম মানেই মেজবান! বিশেষ কোনো উপলক্ষে মেজবানির আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম অঞ্চলের কয়েকজন ইতিহাসবিদের মতে, মেহমান শব্দের অর্থ ‘অতিথি’। আর অতিথিকে যিনি আতিথেয়তা দান করেন, সেটাকে মেজবান বলা হয়। কিন্তু প্রায় শতবর্ষের পরিক্রমায় মেজবান শব্দটার অর্থে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে মেজবান মানে হচ্ছে, বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আপ্যায়নের ব্যবস্থা। অর্থাৎ সামর্থ্য যা-ই থাকুক, ধনী-গরীব যে-ই মেজবানের আয়োজন করবে তার অতিথির সংখ্যা নিরূপণ করা চলবে না। অর্থাৎ অতিথির সংখ্যা গুনে মেজবানের আয়োজন সম্ভব নয়।

17/09/2020

সিলেট অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার

সিলেট যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় অঞ্চল, তেমনি এই অঞ্চলের খাবার দাবারেও আছে নানা বৈচিত্র। ‘আখনী পোলাও’ সিলেট অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় খাবার। চাল, ঘি, গরম মশলা, সবজি এবং মাংস মিশিয়ে রান্না করা এই খাবারটি সিলেটের একটি নিজেস্ব এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসাবে সুপরিচিত।

এছাড়াও সিলেটের আরো কিছু জনপ্রিয় খাবারের মধ্যে ‘হাঁস-বাশ’ ও ‘হিদল শুঁটকি’ উন্নতম। কচিবাশের কুচি ও হাঁসের মাংস দিয়ে তৈরী করা হয় ‘হাঁস-বাশ’ খাবার। আর হিদল বা চ্যাপা শুঁটকি, পাঁচফোড়ন ও মশলা দিয়ে তৈরী করা হয় এই ‘হিদল শুঁটকি’ খাবার। এই শুটকিতে অসম্ভব ঝাল দেওয়া হয়, তাতে খেতে যেন আরও বেশি ভালো লাগে।

এবার আসি সিলেটের আরেকটি জনপ্রিয় খাবারের প্রসঙ্গে। সেটা হলো সাতকরা দিয়ে বিভিন্ন রান্না করা খাবার। সাতকরা একটি লেবু জাতীয় ফল, এটা সিলেটে খুবই জনপ্রিয়। সিলেটে সাতকরা বিভিন্ন বড় মাছ, ছোট মাছ ও মাংস দিয়ে রান্না করা হয়। সাতকরার বুকের টক অংশসহ ছোট মাছ বা বড় মাছ দিয়ে রান্না করা হয় টেংগা বা খাট্টা। এই টেংগা বা খাট্টা সিলেটে খুবই জনপ্রিয়।

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Best of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share