Umme Zabir FOOD

Umme Zabir FOOD We offer healthy HOMEMADE foods and grocery items with no added flavour,colour or preservatives.
(261)

Keep your beloved baby & family healthy & happy with fresh homemade foods. Umme Zabir FOOD is a business that specializes in providing organic and homemade food options. We prioritize the use of high-quality, organic ingredients sourced from local farms and suppliers. Our mission is to offer delicious, nutritious, and wholesome meals to our customers while promoting a healthy and sustainable lifestyle. Our food is prepared with care and expertise, ensuring that each dish is packed with flavor and made with love. We believe in the importance of homemade meals, as they are free from preservatives, artificial additives, and excessive sodium or sugar content. By cooking from scratch, we have better control over the ingredients we use, ensuring that our customers receive only the best. At Umme Zabir FOOD, we offer a diverse menu that caters to different dietary preferences and requirements. Whether you follow a vegan, vegetarian, gluten-free, or dairy-free diet, we have options that will satisfy your cravings. We also offer customization options for those with specific dietary restrictions or allergies, ensuring that everyone can enjoy our food. Our commitment to sustainability extends beyond our choice of ingredients. We use eco-friendly packaging materials to minimize our environmental impact, and we strive to reduce food waste by carefully portioning our meals. We believe in supporting local communities, and we actively collaborate with farmers and suppliers who share our values. We take pride in the quality and taste of our food, and we are dedicated to providing exceptional customer service. We value the trust and loyalty of our customers and continuously seek to improve our offerings based on their feedback. If you're looking for delicious, organic, and homemade meals, Umme Zabir FOOD is here to satisfy your culinary needs. Join us on our journey towards a healthier and more sustainable lifestyle.

ডিফেক্ট পিজ্জা ব্রেড আর বেচে যাওয়া চিজ দিয়ে আমাদের স্ন্যাকস টাইম 😃😃পিচ্ছি গল্লু টা আনাউম এর বানানো আল্লাহুম্মা বারিক!
23/09/2026

ডিফেক্ট পিজ্জা ব্রেড আর বেচে যাওয়া চিজ দিয়ে আমাদের স্ন্যাকস টাইম 😃😃

পিচ্ছি গল্লু টা আনাউম এর বানানো

আল্লাহুম্মা বারিক!

সাজুগুজু র আগে আর পরে।কিডস টিফিন এবং ফ্যামিলি স্ন্যাকসের  #চিকেননাগেটস ৭০ পিস #চিকেনকাটলেট ৩০ পিস রেডি 😀😀😜
23/09/2026

সাজুগুজু র আগে আর পরে।
কিডস টিফিন এবং ফ্যামিলি স্ন্যাকসের
#চিকেননাগেটস ৭০ পিস
#চিকেনকাটলেট ৩০ পিস রেডি 😀😀😜

23/09/2026

ফ্রেশ ব্যাচ শামি কাবাব প্রস্তুতি আলহামদুলিল্লাহ

🌿 “বাচ্চারা শুধু ‘Yummy’ বললেই হবে না—মায়ের মনটাও যেন বলে, নিশ্চিন্ত!” 💚পাশাপাশি পরিবারের স্বাস্থ্য টাও গুরুত্বপূর্ণ! তা...
22/09/2026

🌿 “বাচ্চারা শুধু ‘Yummy’ বললেই হবে না—মায়ের মনটাও যেন বলে, নিশ্চিন্ত!” 💚

পাশাপাশি পরিবারের স্বাস্থ্য টাও গুরুত্বপূর্ণ!

তাহলে পরিবার এর প্রোটিন কোয়ালিটি নিয়ে ভাবছেন ত?

বাচ্চাদের জন্য কিছু কিনলে স্বাদের পাশাপাশি একটা প্রশ্ন থেকেই যায়—
“কী দিয়ে তৈরি হচ্ছে?”

এই ভাবনাটা মাথায় রেখেই আমাদের Fresh Chicken Batch তৈরি হচ্ছে। ❤️

🍗 আমাদের চিকেন আইটেমে ব্যবহার করা হয় Safe-feed chicken—
যেখানে অ্যান্টিবায়োটিক রেসিডিউ ও গ্রোথ হরমোন মুক্ত চিকেন ব্যবহারের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আর শুধু চিকেনই নয়—
আমাদের আইটেমের কোটিংয়ে ব্যবহৃত ডিমও Safe-feed chicken-এর egg।

অর্থাৎ, বাচ্চাদের জন্য তৈরি প্রতিটি চিকেন আইটেমে আমরা চেষ্টা করছি quality ingredients + fresh preparation + hygienic processing নিশ্চিত করতে।

✨ Freshly prepared → Frozen → Order অনুযায়ী delivery

আইটেমগুলো আগে থেকেই ফ্রেশভাবে প্রস্তুত করে ফ্রোজেন করা হবে, যাতে অর্ডার পাওয়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী ডেলিভারি দেওয়া যায়—স্বাদ ও মান দুটোই যতটা সম্ভব ভালোভাবে ধরে রেখে।

💚 আর মাসের শেষের এই ৫ দিনের সুযোগটা একটু স্পেশাল!

মাত্র ৫ দিনের জন্য থাকছে আমাদের বিশেষ অফার।
আর যারা আগাম pre-order করে booking confirm করবেন, তাদের জন্য থাকছে FLAT DELIVERY। 🎁

তাই মাসের শেষের ব্যস্ততার মাঝেও বাচ্চাদের টিফিন, বিকেলের নাস্তা কিংবা পরিবারের ছোট্ট gathering—আগে থেকেই নিশ্চিন্তে বুক করে রাখতে পারেন।

Fresh batch আসছে…
আপনার favourite chicken treats-এর জন্য booking শুরু হয়ে গেছে! ❤️

Safe to eat, Hard to resist.

আমার ছেলের বয়স ১৫ বছর। আমি প্যারেন্টিং নিয়ে কিছু কথা দায়িত্ব নিয়ে বলতে চাই। আমার Early Childhood Development নিয়ে একটা ম...
22/09/2026

আমার ছেলের বয়স ১৫ বছর। আমি প্যারেন্টিং নিয়ে কিছু কথা দায়িত্ব নিয়ে বলতে চাই। আমার Early Childhood Development নিয়ে একটা মাস্টার্স আছে,মানে কিছু লেখাপড়া আছে।

ইদানীং আমার বয়সী বন্ধুদের সঙ্গে এই বিষয়ে প্রায়ই ফোনে কথা হচ্ছে। বেশিরভাগেরই সন্তান ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, সবার অভিযোগগুলোও প্রায় একই—

জিদ করে।
চাইলে কিনে দিতেই হবে। না দিলে ব্ল্যাকমেইল করে।
পড়াশোনায় মন নেই, সারাক্ষণ গেম।
রাতে পর্যন্ত বাইরে থাকে।
টাকা চায়, না দিলে রাগারাগি করে, জিনিসপত্র ভাঙে।
কথা শুনতে চায় না।

কথাগুলো শুনতে শুনতে আমার একটা প্রশ্ন বারবার মনে হচ্ছে—আমাদের বাচ্চারা কি হঠাৎ করে খারাপ হয়ে যাচ্ছে? নাকি এই আচরণের পেছনে এমন কিছু আছে, যা আমরা বাবা-মা হিসেবে সময়মতো বুঝতে পারছি না?

গবেষণা বলছে, ১৩–১৭ বছর বয়সটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি developmental stage। এই সময়ে সন্তান একই সঙ্গে দুটো জিনিস চায়—স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা। সে আর ছোট বাচ্চা থাকতে চায় না, আবার নিজের আবেগ, সিদ্ধান্ত এবং impulse পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাও এখনও তৈরি হয়নি।

তাই এই বয়সে জেদ, সীমারেখা না টানা ,বন্ধুদের প্রভাব, ঝুঁকি নেওয়া এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সংঘাত কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু যখন সেই আচরণ নিয়মিতভাবে ভয় দেখানো, টাকা আদায়, জিনিসপত্র ভাঙা, শারীরিক আক্রমণ, স্কুল এড়িয়ে চলা বা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর্যায়ে যায়, তখন সেটাকে শুধু “টিনএজারদের স্বভাব” বলে ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়।

গবেষণায় parenting style-এর সঙ্গে adolescent aggression ও আচরণগত সমস্যার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে অতিরিক্ত কঠোর/নিয়ন্ত্রণমূলক এবং আবার অতিরিক্ত permissive—দুই ধরনের parenting-ই সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সূত্র : PubMed

এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।

আমরা অনেক সময় সন্তানের “জিদ” দেখি, কিন্তু জিদের পেছনের family pattern দেখি না।

ধরুন—

বাচ্চা কিছু চাইল → বাবা-মা না বললেন → বাচ্চা কান্না/রাগ/হুমকি দিল → বাবা-মা শেষ পর্যন্ত কিনে দিলেন।
পরেরবার বাচ্চার মস্তিষ্ক শিখে গেল—
"আমি যথেষ্ট চাপ দিলে শেষ পর্যন্ত আমি যা চাই, তা পাব।”

এটা ইচ্ছাকৃত manipulation-এর চেয়েও বেশি একটি learned behavioural pattern হতে পারে। একইভাবে, বাচ্চা গেম খেলছে। মা বললেন বন্ধ করো। সন্তান রেগে গেল। মা-বাবা ঝগড়া এড়াতে আবার ৩০ মিনিট সময় দিলেন।

তখন অজান্তেই একটা reinforcement তৈরি হয়—রাগ করলে নিয়ম বদলায়। এ কারণেই শুধু “বাচ্চাকে বুঝাও” বললে হবে না। বাবা-মায়ের response pattern-ও বদলাতে হবে।

আরেকটি বড় বিষয় হলো screen ও gaming।

গবেষণাগুলো বলছে, excessive/problematic digital media use ঘুম, পড়াশোনা, শারীরিক কার্যকলাপ ও পারিবারিক সময়কে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। বিশেষ করে রাতে device ব্যবহারের সঙ্গে delayed bedtime ও কম/খারাপ ঘুমের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। সূত্র: (PubMed)

কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে “গেম মানেই খারাপ”।

সমস্যা তখন, যখন গেম বা ফোন জীবনের অন্য গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোকে সরিয়ে দেয়—ঘুম, পড়াশোনা, পরিবার, বন্ধু, physical activity, hobbies এবং দায়িত্ব।

তাহলে বাবা-মা কী করবেন?

প্রথমত, ভালোবাসা আর boundary—দুটো একসঙ্গে রাখতে হবে। শুধু ভালোবাসা দিয়ে parenting হয় না। আবার শুধু শাসন দিয়েও হয় না। বাবা-মায়ের জানা উচিত সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে আছে, কখন ফিরবে; প্রত্যাশা পরিষ্কার থাকা উচিত এবং নিয়ম ভাঙলে আগে থেকে নির্ধারিত, ধারাবাহিক consequence থাকা উচিত।

দ্বিতীয়ত, “না” বলতে শিখতে হবে। কিন্তু “না” মানে চিৎকার নয়।

“আমি জানি তুমি এটা খুব চাও। কিন্তু এই মুহূর্তে আমরা এটা কিনছি না।” এইভাবে তাকে বাজেট বোঝাতে হবে। পরিবারের সব কাজে দায়িত্ব দিতে হবে। তারপর সন্তান রাগ করলে সেই রাগ সামলানোর দায়িত্ব বাবা-মায়ের। সন্তানের রাগ দেখে সিদ্ধান্ত বদলে ফেললে boundary থাকবে না।

আরেকটা জিনিস বুঝতে হবে, consequence এবং punishment এক জিনিস নয়।

“তুমি খারাপ, তাই তোমার ফোন কেড়ে নিলাম”—এটা punishment।

কিন্তু—

“আমাদের নিয়ম ছিল রাত ১০টায় ফোন চার্জে থাকবে। সেটা হয়নি। তাই আগামীকাল gaming time ৩০ মিনিট কমবে।”

এটা predictable consequence। নিয়ম আগে ঠিক হবে। সন্তান জানবে নিয়ম কী, কেন, এবং ভাঙলে কী হবে।

টাকা এবং কেনাকাটার ক্ষেত্রেও পরিষ্কার কাঠামো দরকার।

প্রতিবার চাওয়া মাত্র টাকা দেওয়া যেমন সমস্যা তৈরি করতে পারে, তেমনি হঠাৎ সব টাকা বন্ধ করাও সবসময় সমাধান নয়।

একটা নির্দিষ্ট allowance থাকতে পারে। অতিরিক্ত টাকা চাইলে কারণ বলতে হবে। কিছু অর্থ সঞ্চয় করবে, কিছু নিজের discretionary spending-এর জন্য থাকবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—রাগ, কান্না, হুমকি বা জিনিস ভাঙার মাধ্যমে টাকা পাওয়া যাবে না।

ফোন ও gaming নিয়ে যুদ্ধ না করে family media plan করতে হবে।
"ফোন ধরবে না”—এটা হয়তো বাস্তবসম্মত নিয়ম নয়। বরং বলা যায় "রাত ১০:৩০-এর পর ফোন bedroom-এ থাকবে না।”
"Homework শেষ না হলে gaming নয়।”

শেষ কথা, সন্তানের বন্ধুদের চিনুন। সে কোথায় যায়, কার সঙ্গে যায়, বন্ধুর বাবা-মা কারা—এসব জানা surveillance নয়; adolescent safety-এর অংশ। তবে monitoring যেন spying হয়ে না যায়।

আর একটা কথা খুব পরিষ্কারভাবে বলা দরকার।

সন্তান যদি নিয়মিত বাবা-মাকে ভয় দেখায়, টাকা আদায়ের জন্য হুমকি দেয়, জিনিসপত্র ভাঙে বা শারীরিকভাবে আঘাত করে—এটাকে শুধু “আমার ছেলে একটু জেদি” বা “মেয়ে একটু রাগী” বলে স্বাভাবিক করা উচিত নয়।

তাই এমন পরিস্থিতিতে শুধু শাস্তি না দিয়ে family-based professional help নেওয়াও দরকার হতে পারে।

আমার মনে হয় parenting-এর সবচেয়ে বড় ভুল দুটো—

এক. সন্তানের সব চাহিদা পূরণ করে তাকে শেখানো যে “আমি চাইলে পাব।”

দুই. সন্তানের প্রতিটি আচরণকে অপরাধ হিসেবে দেখে তাকে শেখানো যে “বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বললে শাস্তি পাব।”

দুটোর মাঝখানে একটা জায়গা আছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যালেন্স করা দরকার। ভালোবাসা থাকবে কিন্তু boundary-ও আছে।

স্বাধীনতা আছে, কিন্তু accountability-ও আছে।

বিশ্বাস আছে, কিন্তু monitoring-ও আছে।

কথা বলার সুযোগ আছে, কিন্তু নিয়ম ভাঙার consequence-ও আছে।

১৩ থেকে ১৭ বছরের সন্তানকে শুধু “কন্ট্রোল” করার বয়স নয়।
এটা তাকে ধীরে ধীরে একজন responsible adult হওয়ার জন্য তৈরি করার বয়স। সন্তানকে বদলানোর আগে তাই কখনো কখনো আমাদের parenting-টাকেও একটু নতুন করে দেখতে হয়।

এক্সপার্ট নই কিন্তু একজন মায়ের নিজের শেখার জায়গা থেকে লেখা।

চিয়ার্স।

বিদ্র: শেয়ার করুন, অসুবিধা কপি করে পেস্ট করে নিজের নাম বা সংগৃহীত

গত রাতের তোলা ছবি। ফ্রজেন ফুড এর সেইফ ফিড চিকেন চলে এসেছে। সেইসাথে সেইফ ফিড চিকেন এর এগ। যা বাসায় খাওয়ার পাশাপাশি স্ন্যা...
22/09/2026

গত রাতের তোলা ছবি।
ফ্রজেন ফুড এর সেইফ ফিড চিকেন চলে এসেছে।
সেইসাথে সেইফ ফিড চিকেন এর এগ। যা বাসায় খাওয়ার পাশাপাশি স্ন্যাকসের কাজে লাগবে

পুরো জিনিস যদিও একসাথে ছবি দিতে পারিনি

নতুন স্টক মানেই নতুন অর্ডারের কাজ!
আর সেইসাথে কিছু বাজেট সেভিং প্যাকেজ ইনশাআল্লাহ থাকবে।

এবার বলি! অনলাইন আমি যতটা না বিক্রেতা তারচেয়ে অনেক বেশি ক্রেতা হিসেবে থাকি! তাই মাস শেষ এ কেউ যখন বাজেট সেইভিং কিছু দেয় তাও ফ্রেশ এবং ঘরের জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজের জিনিস তাহলে মন থেকে দুয়া আসে!
নিয়ে আসছি ইনশাআল্লাহ প্যাকেজ অফার বিস্তারিত

যত খাবেন ততই কম দিবেন!

মুন এলার্টের পেইজ ঘাটাঘাটি করে নিখোঁজ হওয়া বাচ্চাদের একটা প্যাটার্ণ খুঁজে পেলাম। এদের সবার বয়স ৬ থেকে ১৬ বছরের ভেতর। সবচ...
21/09/2026

মুন এলার্টের পেইজ ঘাটাঘাটি করে নিখোঁজ হওয়া বাচ্চাদের একটা প্যাটার্ণ খুঁজে পেলাম। এদের সবার বয়স ৬ থেকে ১৬ বছরের ভেতর। সবচাইতে বেশী নিখোঁজ হয়েছে ১১-১৩ বছর বয়সী বাচ্চারা।

অর্থাৎ, বাচ্চাগুলোকে র‌্যানডমলি সিলেক্ট করা হচ্ছে না, বয়সের ডেমোগ্রাফিক অনুযায়ী সিলেক্ট করা হচ্ছে। হয়তো এই কাজটা কোনো গ্রুপ বা দল পরিকল্পনা করে করছে। নাহলে যে কোনো বয়সী বাচ্চাই নিখোঁজ হবার কথা ছিলো!

অবশ্য এর আরেকটা কারণ হতে পারে, ৪-৫ বছর পর্যন্ত একটা বাচ্চাকে তার অভিবাবকরা কম্পারেটিভলি বেশী গার্ড দিয়ে রাখে, এর বেশী বয়সী বাচ্চারা সাধারনত স্কুলে থাকে, বিকেলে খেলার মাঠে থাকে, মানে আউটডোরে থাকার প্রবণতা বেশী থাকে বলে তাদের নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।

(আমি আজ বিকেলে ৩০০ ফিটে একটা ইভেন্টে গিয়েছিলাম, সেখান থেকে বাসায় ফিরতে অনেক রাত হয়েছে, তাই ভীষন ক্লান্ত। নাহলে আমি আরো সময় দিয়ে বয়স ছাড়াও আরো কিছু প্যাটার্ণ খুঁজে বের করার ট্রাই করতাম। যাদের সময় ও আগ্রহ আছে, তারা প্লিজ কাজটা করে কমেন্টের ঘরে আপনাদের ইনসাইট জানাতে পারেন। জাস্ট MUN Alert এর পেইজে গিয়ে ফটো ট্যাবে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন ওদের আর্কাইভ!)

জানি না আমার এই হাইপোথিসিস কতটা সঠিক, তবে এটুকু জানি, এখনো এই দেশে প্রায় ২১০০ শিশু নিখোঁজ। আর এখনি কোনো প্রটেকটিভ মেজার না নিলে এই সংখ্যাটা বাড়বে বৈ কমবে না।

কিন্তু প্রটেকটিভ মেজার্স কিভাবে নেয়া যায়?

পুলিশ আপনার বাচ্চাকে খুঁজে এনে দেবে, এই আশা করে লাভ নাই, বরং বাচ্চা হারায় যাবার আগেই কিছু মেজার্স নিন, পরে না। যেমনঃ

১) সিসি ক্যামেরাঃ

আপনার ফ্লাটের মেইন গেইট থেকে শুরু করে একদম ভবনের মেইন গেট পযন্ত একাধিক সিসিটিভ ক্যামেরা লাগান। যদি আগে থেকেই লাগানো থাকে, তবে কাল সকালে গিয়েই চেক করবেন যে সবগুলো ক্যামেরা ঠিকঠাক মতো কাজ করে কিনা। ফুটেজ ঠিক মতো সংরক্ষিত থাকে কিনা। এবং কার কাছে এগুলার একসেস থাকে। চাহিবামাত্র যেন সে একসেস পাওয়া যায়।

অপ্রিতমের খুনী ধরা পড়েছে লাশ উদ্ধারের ২ ঘন্টার ভেতর, এবং সেটা সিসি ক্যামের ফুটেজের কল্যানেই। সুতরাং, সিসি ক্যামেরা হচ্ছে এই কেসে আপনার আদি ও আসল বন্ধু।

আমার বাসায় এবং আমার আম্মুর বাড়ীতে উভয় জাগাতেই আমি প্রচুর সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছি, এবং প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন দরকারে আমাকে রেগুলার ফুটেজ চেক করতে হয়। এই ক্যামেরাগুলো আমাকে বিভিন্ন ইস্যুতে এত বেশী এভিডেন্স ও সারভেইলেন্স দিয়েছে যে, আমার ইনভেস্টমেন্ট বহু আগে ‍উসুল হয়ে গেছে!

শুধু আমার ব্যর্থতা যে আমার শ্বশুড় বাড়িতে সিসি ক্যাম লাগানোর ব্যাপারে রাজি করাতে পারি নাই, উনাদের অনেক প্রাইভেসি, অথচ গত বছর উনাদের ফাঁকা ফ্লাটে বড় ধরনের চুরি হয়েছে। এনিওয়ে।

আপনার বাচ্চা স্কুলে থাকলে ক্লাসরুমে সচল সিসি ক্যামেরা আছে কিনা, ফুটেজ রাখা হয় কিনা, সে ব্যাপারে যতটা সম্ভব নিশ্চিত হউন। দরকার হলে সব গার্ডিয়ানরা মিলে দাবী তুলুন আপনাদেরকে যেন মোবাইলে সিসি ক্যামেরার একসেস দেয়া হয়। দেশে একটা ক্রান্তিকাল চলতেছে, এই সময়ে এইটা খুবই ন্যায্য দাবী, কর্তৃপক্ষ না মানলে বাচ্চাকে আর পড়াবেন না ওখানে।

আরেকটা কথা, শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর দ্রুত CCTV ফুটেজ সংরক্ষণ করা জরুরি। কারণ বেশীরভাগ ক্যামেরায় পুরোনো ফুটেজ অল্প সময়ের মধ্যেই overwrite হয়ে যেতে পারে। তাই দেরী করলে মূল্যবান ফুটেজ হারানোর শংকা থাকে।

২) জিপিএস ট্র্যাকারঃ

আপনার বাচ্চা যদি স্কুল গোয়িং কিড হয়, তাহলে সে সবচে বেশী রিস্কে আছে। অনলাইনে অনেক লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস পাওয়া যায়, এগুলা আকারে বেশ ছোট, দামেও সস্তা। মুটামুটি একুরেট কাজ করে।

যেমনঃ MiLi MiTag Android Location Tracker Device, দাম ১ হাজার টাকার নীচে। তবে এগুলা আমি নিজে কখনো ইউজ করি নাই, তাই একুরেসি কেমন জানি না। খুব বাজে রিভিউ নাই যতদূর দেখলাম। তবে নিজ দায়িত্বে যাচাই বাছাই করে কিনবেন, নাহলে ঠকার সম্ভাবনা আছে।

এগুলার একটা আপনার বাচ্চার স্কুলের ব্যাগের ভেতরে সেলাই করে ফিক্স করে লাগিয়ে রাখবেন, বা ব্যাগের ভেতর গোপন পকেট বানিয়ে সেটার ভেতর রাখবেন। এগুলা ব্যাটারিতে চলে, আপনার মোবাইল ফোন থেকেই ঐ স্কুল-ব্যাগের রিয়েল টাইম লোকেশন দেখতে পারবেন। খুব ইজি সেটাপ।

বাজারে আরেক ধরনের ডিভাইস পাওয়া যায়, ওগুলা MiTag এর চাইতেও ছোট, দেড় ইঞ্চি লম্বা, দাম ৬/৭ শত টাকা, ওগুলোর একটা রেখে দিবেন আপনার বাচ্চার স্কুলের পোষাকের গোপন পকেটে সেলাই করে, যাতে করে পকেট থেকে পরে গিয়ে হারিয়ে না যেতে পারে।

মানে পোষাকেরটাকে প্রাইমারি ট্র্যাকার হিসেবে ধরলে, স্কুলে ব্যাগে থাকবে সেকেন্ডারী ট্র্যাকার। আপনি দুটোই ট্র্যাক করবেন।

এছাড়াও অনেক ওয়্যারেবল হাই-টেক আছে, যেমন কিছুদিন আগে একটা রিলসে দেখলাম, বাচ্চাদের জন্য বিশেষায়িত হাত ঘড়ি যা গার্ডিয়ানের মোবাইলে নির্দিষ্ট সময় পর পর বাচ্চার হার্টরেট, ব্লাড প্রেশার এগুলার রিডিং পাঠাবে! এটা অনেক এক্সপেনসিভ গ্যাজেট! কিন্তু এমন ডিভাইস আপনার বাচ্চা নিখোঁজ হওয়ামাত্র তাকে উদ্ধার করতে হেল্প করতে পারে।

৩) জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো সত্ত্বেও আপনি চেষ্টা করবেন আপনার বাচ্চাকে স্বশরীরে স্কুল থেকে আনা নেয়া করার। ভুলেও কখনো বাসার বুয়া, দারোয়ান, কেয়ার টেকার, বা রিলেটিভ - এ জাতীয় কাউকে বাচ্চার ব্যাপারে বিশ্বাস করবেন না, তা সে যতই বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য হোক না কেন। ডোন্ট রিস্ক ইট। সাবধানের মাইর নাই, মানে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করলে সেটা কখনো বৃথা যায় না।

আপনি যদি হোম মেকার হন, তবে চেষ্টা করবেন বাচ্চার স্কুলের সময়টাতে বাচ্চার স্কুল প্রাংগনেই থাকার, অন্তত আগামী কয়েকটা মাস। বই পড়ে সময় কাটান, বা রিল দেখে, বা ভাবীদের সাথে গল্প করে, কিন্তু আপনি ওখানেই উপস্থিত থাকবেন। আর একটু পর পর ফোনে চেক করবেন যে বাচ্চার লোকেশন ঠিক মতো দেখাচ্ছে কিনা। ক্লাসের ক্যামেরার একসেস থাকলে সেটাও মাঝে মাঝে চেক করবেন।

আর যদি চাকুরীজীবি হন, তাহলে আপনার একমাত্র ভরসা টেকনোলজি, মানে ট্র্যাকার আর সিসি ক্যামেরার লাইভ ফিড। অফিসে বসেও দেখতে পারবেন।

৪) এজুকেট ইউর কিডসঃ

এত সব কিছুর পরেও আপনি আলাদা করে আপনার বাচ্চাকে ট্রেনিং দেন। এটি আজীবন ওর কাজে লাগবে। সে যেন অপরিচিত কারো সাথে না যায়, তাদের দেয়া কিছু না খায়, তাদের কোনো কথা বা রেফারেন্স যেন বিশ্বাস না করে, সন্দেহজক বিহেবিয়ার বা প্যাটার্ণ কিভাবে আইডেন্টিফাই করতে হয় সেগুলো শেখান। কিভাবে ছেলেধরা রা শিকার করে সেগুলো আলোচনা করেন, বাই এনি চান্স হারিয়ে গেলে মাথা ঠান্ডা রেখে কিভাবে কি করতে হবে তার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড লাইন দেন আগে থেকে, বাচ্চাকে Home Alone এর মতো কিডস মুভি দেখান, জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস পড়ান। এসব ওকে স্ট্রিট স্মার্ট বানাবে।

৫) সেলফ ডিফেন্সঃ

বাচ্চার বয়স ৮ বছর+ হলে তাকে আত্নরক্ষা, তায়কন্দো এইসব শেখান, সাঁতার শেখান, সাইক্লিং শেখান, বেসিক রান্না বান্না শেখান। এগুলো ওকে দক্ষ ও আত্নবিশ্বাসী করবে। বাচ্চারা খুবই কুইক লার্নার, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না ঠিকভাবে ট্রেনিং দিলে ওরা কতটা দ্রুত শিখে নেয়!

৬) ফ্যামিলি ইমার্জেন্সি প্রটোকলঃ

আগে থেকেই আপনার পরিবারের একটা ইমার্জেন্সি প্রটোকল বানিয়ে রাখেন। কারণ বাচ্চা কোথাও সময়মতো না পৌঁছালে বা ফোনে পাওয়া না গেলে কে কাকে ফোন করবে, কে স্কুলে যাবে, কে বাসার আশেপাশে খুঁজবে, কে পুলিশে যোগাযোগ করবে—এসব তখন বসে বসে ডিসাইড করার সময় থাকবে না।

বাচ্চাকে একটা ”ফ্যামিলি কোড ওয়ার্ড” শেখান। ধরেন, আপনি কাউকে দিয়ে বাচ্চাকে আনতে পাঠালেন। বাচ্চা শুধু “আম্মু পাঠিয়েছে” শুনেই যেন তার সঙ্গে চলে না যায়। তাকে বলবেন, যে-ই আপনাকে নিতে আসুক, আগে আমাদের নির্ধারিত কোড ওয়ার্ড তাকে বলতে হবে। কোড ওয়ার্ড বলতে না পারলে তার সঙ্গে কোথাও যাবে না। মাঝেমধ্যে কোড ওয়ার্ড পরিবর্তনও করবেন।

বাচ্চা যেন তার বাবা-মার ফোন নাম্বার মুখস্থ বলতে পারে, সেটা এনশিওর করবেন। পারলে নানা-মামা-খালাসহ ২-৩ জন Trusted Emergency Contact-এর নম্বরও তাকে মুখস্থ করান। বাচ্চার বয়স ১০ হলে তাকে বাটন ফোন দিন, সেখানে এগুলা শুধু সেভ করে রাখলে হবে না। ফোন হারিয়ে গেলে বা ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে যেন বাচ্চা অন্তত একজন মানুষের কাছে গিয়ে বলতে পারে, “আমার আব্বুর নাম এই, আম্মুর নাম এই, এই নম্বরে ফোন করেন।”

ওকে এটাও শেখান—”হারিয়ে গেলে লুকিয়ে থাকবে না।” কোনো দোকান, ফার্মেসি, স্কুল, পুলিশ বক্স, নিরাপত্তাকর্মী বা ইউনিফর্ম পরা দায়িত্বশীল মানুষের কাছে যাবে এবং নিজের পরিচয় ও বাবা-মায়ের নাম বলবে। অপরিচিত কেউ “চলো, তোমার বাবা-মায়ের কাছে নিয়ে যাচ্ছি” বললেও তার সঙ্গে একা যাবে না।

৭) বাবা-মায়ের জন্যও একটা নিয়ম থাকা দরকার। বাচ্চা নির্ধারিত সময়ে স্কুল থেকে বের হয়নি, বাসায় ফেরেনি, ফোন বন্ধ—তাহলে “আরেকটু দেখি, হয়তো চলে আসবে” বলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন না। সন্দেহ হলেই বা মনে কু ডাক দিলেই যত দ্রুত সম্ভব অ্যাকশন নিন।

স্কুলে ফোন, ড্রাইভার/অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ, শেষ লোকেশন যাচাই, CCTV ফুটেজ সংরক্ষণ, ট্র্যাকার চেক এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো—সব একসঙ্গে শুরু করতে হবে। কারণ বাচ্চা নিঁখোজ হওয়ার পর Every second counts.

৮) আমার মনে হয়, আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল হচ্ছে বাচ্চা হারিয়ে যাওয়ার পর কী করব সেটা ভাবা। বরং আজকেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে ১৫ মিনিট বসে ঠিক করুন—আমাদের বাচ্চা আগামীকাল স্কুল থেকে না ফিরলে প্রথম ১০ মিনিটে আমরা কী করব? দরকার হলে নিজেরা মিলে একেকটা কাজ ভাগ করে নিন।

কারণ বিপদের সময় মানুষ নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কিন্তু আগে থেকে প্র্যাকটিস করা একটা ছোট্ট প্রটোকলই তখন সবচেয়ে বড় হেল্পটা করতে পারে!

৯) বাচ্চাকে প্রতিবার বাসা থেকে বের হওয়ার আগে এই দোয়া পড়ান - “বিসমিল্লাহে তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ!” ২০০০ সালে একজন অত্যধিক পরহেযগার মানুষ আমাকে এই দোয়াটা শিখিয়েছিলেন, আমি এটা গত ২৬ বছর যাবত আমল করছি, ইনফ্যাক্ট এটা এখন অভ্যাস হয়ে গেছে, আমি না চাইলেও এই দোয়াটা আমি আউটডোরে গেলেই অটোমেটিক আমার মুখ দিয়ে বের হয়, আনমনে বের হয়, আমি নিজেও টের পাই না! (আপনি মুসলিম না হলে যার যার রিচুয়াল পালন করতে পারেন। এটা আপনাকে মেন্টাল স্ট্রেন্থ দিবে, মানে বিপদে পড়লে মনোবল হারাবেন না।)

১০) “প্রথম ৬০ মিনিট” এর জন্য একটা বিশেষ প্রটোকল তৈরি করুনঃ

নিখোঁজ হওয়ার প্রথম ১ টা ঘন্টা খুবই ক্রুশাল! এটাকে স্ট্রাটেজিক্যালি কাজে লাগাতে হবে।

শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন সবাই আলাদা আলাদাভাবে খুঁজতে গেলে প্রচুর সময় নষ্ট হয়। দেখা যাবে এক কাজ দুই গ্রুপ দুই ভাবে করতেছে, অথচ অন্য আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ কেউই করতেছে না! এটা যেন না হয় সে জন্য আগে থেকেই গ্রুপ ওয়াইজ কাজ ভাগ করে নেন। যেমনঃ

Team A: শেষ দেখা জায়গা ও আশেপাশের রাস্তায় খুঁজবে।
Team B: বাসস্ট্যান্ড/রেলস্টেশন/রিকশা-স্ট্যান্ড
Team C: আশেপাশের দোকান ও ভবনের CCTV ফুটেজ চেক করবে
Team D: হাসপাতাল/ক্লিনিক/অজ্ঞাত শিশুর তথ্য
Team E: অনলাইন Missing Alert / MUN Alert কে নোটিফাই করবে।
Team F: পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ ও GD/ অভিযোগের অগ্রগতি চেক করবে।

প্রত্যেক টিমের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবে। সে বাচ্চার বাবা-মা কে কাজ শেষ রিপোর্ট করবে। আমি বলতেছি না যে এতগুলা টিমই লাগবে, আপনি যতগুলো টিম বানাতে পারেন আর কি! দরকার হলে একটা চেকলিষ্ট বানিয়ে সেটা ধরে ধরে কাজ করেন।

১১) আপনার বাচ্চাকে নিয়ে একদিন আপনার গলিতে থাকা সব মুদি দোকান ও লন্ড্রি দোকানে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন, ওদেরকে বলবেন যে আপনার বাচ্চাকে যদি কখনো কোথাও সন্দেহজনক অবস্থায় দেখে (অন্য কারো সাথে, বা কাঁদতেছে,) তাহলে যেন সাথে সাথে আপনাকে ফোন করে জানায়। আপনি ঐ এলাকায় যত বেশী পুরনো বাসিন্দা হবেন, এই কাজে আপনার সফলতার হার তত বেশী।

১২) এইসব কাজে সম্ভব হলে একটা কমিউনিটি গড়ে তোলেন, একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। তাহলে বিপদে পড়লে কমিউনিটি বা নেটওয়ার্কের সবাই এক যোগে কাজ করতে পারবেন, তাতে করে দ্রুত সমস্যার সমাধান হতে পারে। এছাড়াও, কমিউনিটি একটিভিটিজের ভিজিবিলিটি ভালো, সব গার্ডিয়ানদের বাড়তি সতর্কতামূলক অবস্থান দেখলে এমনিতেই ক্রিমিনালরা ভয় পেয়ে যায়।

মনে আছে, ২০২৪ এর ৫ ই আগষ্টের পর এলাকায় এলাকায় কিভাবে পাহারা বসানো হয়েছিলো এবং সেটা এই শহরের ডাকাতি কিভাবে ম্যাজিকের মতো বন্ধ করে দিয়েছিলো?

যা হোক, আরো কোনো আইডিয়া থাকলে কমেন্টের ঘরে জানাতে পারেন, আমার মাথায় আপাতত এইটুকুই এসেছে...

পুলিশ ভাইদের কাছে অনুরোধ, দেশের এই পরিস্থিতিতে প্রতিটা থানায় শিশু নিঁখোজের কেসগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে নিন, ২৪ ঘন্টার জন্য ওয়েট কইরেন না! এই প্রটোকল অন্য রেগুলার সময়ের জন্য, এই সময়ের জন্য না! আমার এক ফ্রেন্ডের পুলিশ অফিসার বড় ভাই অনেক বছর আগে একটা কথা বলেছিলেন - ”বাংলাদেশের পুলিশ ধরতে পারবে না এমন কোনো ক্রিমিনাল এই দেশের মাটিতে এখন পর্যন্ত পয়দা হয় নাই। কোনোদিন হবেও না। কিন্তু পলিটিক্যাল ইস্যুতে বা বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পুলিশ এইটা করতে পারে না!”

©proloy hasan

লেখাটা শেয়ার এবং সেভ করে রাখুন।
ভবিষ্যৎ এ কাজে লাগতে পারে।
অন্য অভিভাবক দের জানার সুযোগ করে দিন.।

21/09/2026

কোনো ধরনের এডিট ছাড়া একটা ভিডিও ক্লিপ!
#বেরেস্তা টা সয়াবিন তেল + সরের ঘি তে ভাজা!
মাশাল্লাহ ফ্রেশ ; মুচমুচে এবং পারফ্যাক্ট স্বাদের!
এমন বেরেস্তা আপনি রান্ন্য এভাবে এক মুঠ ভেংগে যদি দিয়ে দেন স্পেশালি এই রোস্ট রেজালা বিফ বা শাহি ধরনের রান্না গুলো তে এমনকি বড় মাছ এর রান্নায় স্বাদ এর মাত্রা এম্নিতেই যোগ করে দেয় এই বেরেস্তা কোনো মসল্র কেরামতি ছাড়া ই!

আনুমানিক_রুটিন_৯_১২মাস_বয়স #খাদ্য_ক্যালরিঃ৮০০_১০০০ক্যালরি  #খাবারের_টেক্সচারঃঘন;দানাদার  #পানি:২আউন্স প্রতিবার সলিড খাবা...
21/09/2026

আনুমানিক_রুটিন_৯_১২মাস_বয়স
#খাদ্য_ক্যালরিঃ৮০০_১০০০ক্যালরি
#খাবারের_টেক্সচারঃঘন;দানাদার
#পানি:২আউন্স প্রতিবার সলিড খাবারের পরে
#ব্রেস্টমিল্কঃ ৪_৬আউন্স দিনে ৪_৫বার
অথবা #ফরমুলা_মিল্কঃ৪_৬আউন্স দিনে ৪_৫বার
#ঘুম:১১ঘন্টা রাতে;২ঘন্টা দিনে
ুক্ত_খাবার_প্রতিদিনের_মেনুতে_নিশ্চিত_করুন
কার্টেসিঃ #উম্মেজাবির_ফুড
শস্য/ভাত/ওটমিল ইত্যাদি রান্নার পরের মাপ টা দিয়েছি। আপনার ক্ষেত্রেও ডায়েট এ ভাত রান্নার পরেই মেপে নেবেন।
সবজি আমিষ ফল তেল ইত্যাদি কাচা অবস্থায়
#সকালের_নাস্তাঃ
সিরিয়াল/শস্যঃ২-৪ টেচা চাহিদা বুঝে দেয়া যাবে। স্প্রাউট রাগি/ওটমিল ২;মিক্স গ্রেইন্স ২;বাদাম সুজি;আমন্ড বা কাজুক্ষিরমিক্স;আয়রন সিরিয়াল
ফলঃপাকা আম/আতা/সফেদা/কলা;আপেল সিদ্ধ বা কুচি;
#ড্রাই_খেজুর_পাউডার ১/২চাচা
বা ডিমঃ১টি কুসুম সিদ্ধ
#চিজ/পানি ঝরানো দইঃ২টেচা বা দুধ
#ব্রেক১ঃ ফল সকালে না দিলে এখন দিতে পারেন। চিজ স্কিপ করে থাকলে এখন দেয়া যাবে।ফলের জুস দিতে চাইলে ১/৪কাপ দেয়া যাবে।
#লাঞ্চঃভাত/খিচুড়িমিক্স/বুস্টিং সিরিয়াল এভাবে চেঞ্জ করে দিতে পারেন
মাছ/মাংসঃকাটাছাড়া মাছ/চিকেন কিমা করে রান্নায় দিন।
#ব্রেক২ঃ দই/ ফল এভয়েড করে সিদ্ধ সবজি/কুকিজ/ক্রেকার/ক্রামবল ডিম ইত্যাদি দিতে পারেন।
#ডিনারঃলাঞ্চ এর মতো তবে গ্যাস হয় এমন সবজি;শাক রাতে না দেয়াই শ্রেয়।
#টিপ্সঃ
🍼দুধঃ ঘুমানোর আগে দিতে পারেন।
সলিড দেয়ার অন্তত ২ ঘন্টা আগে থেকে কোন ধরনের দুধ /পানীয় জাতীয় খাবার দেয়া থেকে বিরত থাকুন।
🥣👶বাচ্চাকে ফিজিকাল এক্টিভিটির মধ্যে রাখুন।খাবার হজমে সহায়ক হবে।
🥦🥬🥗আয়রন যুক্ত খাবার এ সামান্য ভিটামিন সি যুক্ত করলে শোষণ ভালো হবে। এতে বাচ্চাএ খাবার এ অরুচিও কম হবে।
🥕🌽রংগিন সবজি দিলে বিভিন্ন সবজি বিভিন্ন ভিটামিন এর চাহিদা পূরণ এ সাহায্য করবে।
🍒🍓🍌ফল হজমে কাজ করে।ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই সকালের দিকে ফল রাখলে সারাদিনে ক্ষুদাবোধ বাড়াতে সাহায্য করবে।
🧀টক দই দিলে অবশ্যই সকালের দিকে দিলে ভালো।
🥚ডিম আপনি যেকোনো সময় দিতে পারেন।
🥜বাদাম যুক্ত খাবার দিলে সকালে দিন। গ্যাস জনিত অসুবিধা থাকলে সামান্য আদা কুচি/ এলাচি ইত্যাদি যোগ করতে পারেন নেচারাল রেমিডি।
🧅🧄নিয়মিত খাবার এ আপনি আদা রসুন সহ সব ধরনের মসলা সামান্য করে যোগ করতে পারেন।
পরিশেষে বলতে চাই;আমি কোনো মেডিক্যাল এক্সপার্ট নই ;ব্যাক্তিগত পড়াশোনা;অভিজ্ঞতা; এক্সপার্ট জার্নাল আমার সূত্র।

কার্টেসি Umme Zabir FOOD

Address

Jattrabari
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801911260816

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umme Zabir FOOD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Umme Zabir FOOD:

Shortcuts

Share