খাবেন যখন, সুখাদ্যই খান
ব্যস্ত রাজধানীতে ছুটছি উর্ধশ্বাসে। যেন ফুরসত নেই দম ফেলার।
কি গ্রীষ্ম! কি বর্ষা! কি শীত!
নিত্যসঙ্গী যানজট। তবুও থামবার নয়, নিত্য পথচলা। ছুটে চলা।
একেবারে হতদরিদ্র-বস্তিবাসী থেকে শুরু করে কোটিপতি ধণীক শ্রেণী। ব্যস্ত নগরীতে ব্যস্ত সবাই।
সব শ্রেণী-পেশার মানুষ; নারী-পুরুষ নির্বিশেষে।
যার অন্যতম প্রধান কারণ ক্ষুধা নিবারন।
কিন্তু যে পেটের ক্ষুধা মেটানোর জ
ন্য এতো আয়-রোজগারের প্রাণান্ত চেষ্টা-কর্মযোগ;
সেই পেটে কি দিচ্ছি! কি খাচ্ছি প্রতিদিন!
একটু ভাববার জন্য সময় বের করা যাচ্ছে কি, প্রাত্যহিক ব্যস্ততার মাঝখানে!
একবার ভাবুন তো, জীবন-ধারণ তথা বেঁচে থাকার যে মূল অনুষঙ্গ-আহার,
তা সংগ্রহ বা কেনার জন্য মোট কত সময় দেন!
ব্যস্ততা আছে অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, হাসপাতাল
কিংবা অন্য কর্মক্ষেত্রে।অথবা বাসা-বাড়িতে।
কিন্তু চাল-ডাল-আটা, তেল-মসল্লা বা ফল-মিষ্টি; বলুন তো এসব কিনতে
মোট কতটা সময় ব্যয় করেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে!
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক সময়টা কতটুকু! দিনে গড়ে ৩০ মিনিটের বেশি কি!
আর আপনার ব্যস্ততার ঠিক এই হিসেবটিকেই ‘মোক্ষম সুযোগ’
হিসেবে নিয়েছে দেশি-বিদেশি বড় বড় অনেক প্রতিষ্ঠান।
সুন্দর-আকর্ষণীয়, মনোলোভা-চিত্তাকর্ষক-চটকদারি
ব্যয়বহুল বিজ্ঞাপন খাওয়াচ্ছে ব্যস্ত নগরবাসীকে।
দুধ’কেও ওদের কেউ কেউ কম পুষ্টিকর হিসেবে
জনগণের কাছে প্রচার করতে ধৃষ্টতা দেখাতে পিছ পা হয় না।
কিন্তু এ ধারা কি চলতেই থাকবে! নাকি পরিবর্তন আসবে!
বদলানোর দায়িত্ব নেবে কেউ না কেউ . . .
সুসংবাদ হচ্ছে: দায়িত্ব নিয়ে সামনে এসেছে
— looking for motivation in Dhaka, Bangladesh.