19/07/2026
আপনারা যারা বাংলাদেশি ভাগাড় মিডিয়া পড়ে ভাবছেন- অ্যামেরিকা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আর ইরান বসে বসে দেখছে। তাঁদের জন্য বলছি - কিছুক্ষণ আগে সিএনএন সহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ব্রেকিং নিউজ করেছে
- Two US service members killed in Jordan and another missing in action (জর্ডানে দুই মার্কিন সেনাসদস্য নিহত, আরেকজন যুদ্ধে নিখোঁজ)
এবং এই খবর অ্যামেরিকার সেন্টকমই জানিয়েছে। তবে একটু আগেই তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি জানিয়েছেন
- ইরানের কাছে সংবাদ আছে, শুধু জর্ডানে না, কুয়েত, সিরিয়া এবং বাহরাইনে শতাধিক অ্যামেরিকান সৈন্য নিহত হয়েছে। অ্যামেরিকা সেই সংবাদ দিচ্ছে না।
আপনাদের জানিয়ে রাখি ইরান আজ ঘোষণা করেছে
- আর যদি কোন ব্রিজ কিংবা রেল লাইনে আঘাত করা হয়। দুবাই এবং আবুধাবি এয়ারপোর্টের অস্তিত্ব থাকবে না।
ইরানের মিসাইল এবং ড্রোনগুলো অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলোই কেবল এতদিন ধ্বংস করেছে। এখন সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরবদের তেল, গ্যাস এবং ওয়াটার প্লান্টও ইরানের আওতায় চলে এসেছে।
আজ আর বড় বিশ্লেষণে যাচ্ছি না। বাংলাদেশিরা অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ জাতি। আমি আমার বিদেশি শিক্ষার্থীদেরই ভূ-রাজনীতি পড়াবো। আপনাদের জন্য বিশ্লেষণ করার ইচ্ছা বা রুচি আমার আর নেই। তবুও লিখছি- কারন আমি আমার পাঠকদের ভালোবাসি।
যে কারনে বর্তমান যুদ্ধ চলছে- অ্যামেরিকা মূলত ইরানে স্থল অভিযান চালাতে চাইছে এবং হরমুজ দখলে নিতে চাইছে। এই জন্য হরমুজের আশপাশের অঞ্চলগুলোতে প্রতিদিন আঘাত করছে এবং ওই অঞ্চলগুলোর সাথে তেহরানকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। কিন্তু হচ্ছে হিতে বিপরীত!
মূলত অ্যামেরিকা কুয়েত এবং বাহরাইন দিয়ে হরমুজে ঢুকতে চাইছে (মানে যুদ্ধ সরঞ্জাম সব এই দুই দেশে জড় করেছে।) তাই ইরান গত ছয় দিন এই দুই দেশে অবস্থিত অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে দিয়ে এখন জর্ডানে থাকা অ্যামেরিকার ঘাঁটি ধ্বংসের পথে আছে।
অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার আজ বলেছেন
- হরমুজেই সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এবং ট্রাম্পের পতন হবে।