07/01/2026
মাদুরো বুঝো, হাসিনা বুঝো না?
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গেছে এমেরিকার ডেল্টা ফোর্স।
কতজন সদস্য ছিলো সেই ফোর্সে?
মাত্র হাতে গোণা কয়েকজনের একটা ফোর্স একটা বিশেষ কপ্টারে করে এসে প্রেসিডেন্ট ভবনে নামলো, তারপর বাড়িতে প্রবেশ করলো,একরকম বিনা বাধায় প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে গেলো।
এখানে কি কোনো প্রশ্ন জাগে না?
প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে কি নিরাপত্তা বাহিনী ছিলো না?
কি করছিলো প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী?
এই কপ্টার নিশ্চয় দেশের বিরাট সীমানা অতিক্রম করে প্রেসিডেন্ট ভবন পর্যন্ত পৌঁছেছিলো। ভেনেজুয়েলার রাডার কি কোনো সিগনাল দেয়নি? সেনাবাহিনীর নজরে পড়েনি?
গোয়েন্দাদের হাতে কোনো ইনফরমেশন ছিলো না?
উপরের সবগুলো প্রশ্নের উত্তর হবে - হ্যাঁ।
মাচাদোকে নোবেল দেয়ার পরও যখন সেদেশের মানুষ মাচাদোর পক্ষে দাঁড়ায়নি, এবং মার্কিন চক্রান্ত বুঝে ফেলে উলটো মাদুরোর দিকে ঝুঁকছিলো - তখন ট্রাম্পের হাতে নগ্ন হয়ে হাতের মুঠোয় পেনিসটা ধরে বিশ্বের দিকে দাঁড় করিয়ে দেয়াই একমাত্র উপায় মনে হয়েছিল।
কারণ, ভেনেজুয়েলা তার চাই-ই চাই। আপনার বাংলাদেশেও সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করার কথা নিশ্চয় আপনারা শুনেছেন / দেখেছেন ?
কথা হলো - মাদুরোকে এমন ফিল্মি কায়দায় নিয়ে যাওয়ার সহজ চিন্তা মাথায় আসলো কিভাবে?
কেন ট্রাম্প সাহস করলো একটা ফোর্স পাঠিয়ে বিনাযুদ্ধে একেবারে প্রেসিডেন্ট ভবনে ঢুকে মাদুরোকে তুলে আনলেও কোনো সমস্যা হবে না?
কারণ, পুরো সেনাবাহিনী আগেই কিনে ফেলেছিলেন ট্রাম্প এবং তার এজেন্ট মাচাদো।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে।
আপনারা যারা মাদুরোকে নিয়ে কান্নাকাটি করে নিজেকে বিপ্লবী, সচেতন, প্রগতিশীল ইত্যাদি বালছাল প্রমাণ করছেন - আপনি মাদুরো বুঝেন, কিন্তু শেখ হাসিনা বুঝেন না।
তাহলে আপনি একটা আচো’দা বিপ্লবী।
আপনি হয় দুইটাই বুঝবেন , নাহয় কোনোটাই বুঝবেন না।
মাদুরোকে আপনি দেশপ্রেমি ধরছেন এবং তাকে তুলে নেয়াকে এমেরিকার অন্যায় বলছেন কোন হিসেবে?
মাদুরো যদি ভেনেজুয়েলার তেল তুলে দিতেন এমেরিকার হাতে - তাহলে তার ক্ষমতায় থাকতে কোনো অসুবিধা ছিলো না।
শেখ হাসিনা যদি সেইন্টমার্টিন এবং বঙ্গোপসাগর তুলে দিতেন এমেরিকার হাতে - তাহলে আজীবন ক্ষমতায় থাকতে কোনো অসুবিধা ছিলো না।
অথচ, ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে মাদুরো আপনার কাছে হিরো, এমেরিকা ভিলেন। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনা ভিলেন, এমেরিকা হিরো।
এমন ফুটফুটে হিপোক্রেট কেন আপনারা?
‘শেখ হাসিনা খু*নি’, ‘শেখ হাসিনা স্বৈরাচার’
এমন গর্ধব মার্কা কথা এখনো বলবেন?
এখনো যদি বুঝতে না পারেন - ২৪ একটা ষড়যন্ত্র ছিলো, হত্যাগুলো শেখ হাসিনা করেননি - তাহলে আপনি জাস্ট ব্রেইনলেস, অন্ধ প্রাণী।
ভেনেজুয়েলার মানুষকে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানিয়ে যদি জিজ্ঞেস করা হয় - তাদের বেশিরভাগ বলবে বাংলাদেশের মানুষ শুধু মূর্খ নয়, অমানুষ।
কারণ - এরা দেশপ্রেম বুঝে না, সঠিক নেতাও বুঝে না।
শেখ হাসিনাকে সরাতেও সেনাবাহিনী কিনে ফেলা হয়েছিল।
পার্থক্য হচ্ছে - ভেনেজুয়েলার মানুষ কিছু করার ক্ষমতা না থাকুক, অন্তত জানে - তাদের প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়েছে সেনাবাহিনী সহায়তায় এবং মাচাদোর মতো গাদ্দারের সহায়তায়।
আর বাংলাদেশের অন্ধ মূর্খ মানুষেরা সেটা জানেও না, বুঝেও না, বুঝতে চায়ও না।
আপনি যিনি ফুটফুটে বাম, এবং ভেনেজুয়েলার জন্য দরদ উথলে উঠছে - তাদের জন্য আপনার প্রতিবাদের প্রতি মুতে দেবে ভেনেজুয়েলার জনগণ।
ভেনেজুয়েলা এমেরিকার দখলে যাক। পুরো দেশ বন্দী হয়ে যাক। কিন্তু তাদের দেশে কোনো রাজাকার পাবেন না। নিজের দেশ জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার মতো কাপুরষ পাবেন না।
মব দিয়ে দেশ ধ্বংস করেও বুক চিতিয়ে উল্লাস করা দেশদ্রোহী পাবেন না।
আপনাদের মতো বাইঞ্চোদ পাবেন না।
কাল দেখলাম বামেরা শ্লোগান দিচ্ছে -
ভেনেজুয়েলা ভেনেজুয়েলা - উই আর উইথ ইউ।
মাদুরো, মাদুরো - উই আর উইথ ইউ ।
এসব চোদ*নামি ছাড়েন।
আপনি বলবেন -
মাচাদো, মাচাদো - উই আর উইথ ইউ ;
এমেরিকা এমেরিকা উই আর উইথ ইউ।
আপনি ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রে মাদুরোর পাশেও থাকবেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এমেরিকার পাশেও থাকবেন ;
বাংলাদেশে এমেরিকার ডলার খেয়ে সাম্রাজ্যবাদকে স্বাগত জানাবেন, ভেনেজুয়েলায় বলবেন - সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক -
এমন বাই*ঞ্চোদ কেন আপনারা?