09/05/2024
নাম না জানা একটি ছেলের জীবনের গল্প 💔😊
ছেলেটি গ্রামের একটা ভালো পরিবারের সন্তান তাদের অনেক শুনাম রয়েছে গ্রামে
তার ৩ বোর আর সে এক ভাই মোট ৪ ভাই বোন
ছেলেটি সবাই ছোট,
ছোট ভেলা থেকে কখনো কোনো কিছুর অভাব দেখেনি
তবে ছেলেটিকে শ্বাসন করা হতো অনেক
পড়ালেখা তেমন একটা ভালো ছিল না তাই অনেক বোকা শুনতো
সারাদিন খেলাধুলা নিয়ে নিজেকে মাতিয়ে রাখতো,
তার মা তাকে অনেক ভালোবাসতো
সেও তার মাকে অনেক ভালোবাসতো ছেলেটির যত সমস্যা হতো যখন যেটা লাগবে বা কোথাও কিছু সমস্যা হলে শুধু মাকে বলতো আর কাউকে কিছু বলতো না,
সে অনেক লজ্জা পেতো মানুষের সামনে ঠিক মত কথা বলতেও লজ্জা পেতো,
সবসময় নতুন নতুন বিষয় চিন্তা করতো অনেক রকম ব্যায়াম পারতো যেমন হাত দিয়ে হাটা, পা উপরে দিয়ে মাথা দিয়ে দাড়িয়ে থাকা আরও অনেক কিছু জানতো বলে শেষ করা যাবে না
তার মা এগুলোর জনয় বকা দিতো
কারন মা তো মাই ছেলের জন্য টেনশন হতো,
মায়ের হাতের রান্না ছাড়া অন্য কারও রান্না করা খাবার পছন্দ করতো না
আর ছেলেটা অনেক কিছুই খেতো না, তার মা সবার জন্য রান্নার পাশাপাশি তার পছন্দ মত একটা খাবার রান্না করতো যাতে সে মন খারাপ না করে
ছেলেটি নিজের গ্লাসে অন্য কেউ পানি খেলে অনেক রাগারাগি করতো তাই তার মা তার জন্য আলাদা করে তার গ্লাস প্লেট এগুলো রাখতো
ছেলেটা কখনো বাজে আড্ডা দিতো না কোনো প্রকার নেশা বা সিগারেট খেতো না তবে তার সব বন্ধু রাই এগুলো তে আসক্ত ছিল,
ছেলেটা বাহিরের বা দোকানের খাবার তেমন একটা পছন্দ করতো না,
কখনো দোকানে বসে চাও খেতো না
তার বোনেরা পড়ালেখায় অনেক ভালো ছিলো সে ছিল ব্যাকবেঞ্চার
পড়াশোনার জন অনেক বোকা শুনতো
তার বাবা তাকে তেমন একটা পছন্দ করতো না অনেক বেশি শ্বাসন করতো এবং মারধর করতো
ছেলেটি তার বাবা কে অনেক ভয় পেতো
তার বাহিরে গিয়ে খেলাধুলা করা এটাও পছন্দ করতো না
কোনো বন্ধুদের সাথে মিসতে দিতো না
এমন ভাবে তাকে মারতো তাকে রক্তাক্ত করে পেলতো
আমার মা অনেক কান্না করতো আমার জন্য সব সময় বাবার মার থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করতো,
বাবার মারের ভয়ে খাটের নিচে টেবিলের নিচে লুকিয়ে থাকতাম
এর মধ্যে বড় বোনের বিয়ে হয়ে যায়, বোনের হাসবেন্ড টা অনেক ভালো নিজের ভাইয়ের মত আদর করতো তাকে,
এরপর তার বাবা প্রবাসে যায়
ছেলেটি হাই স্কুলে পড়ে কিছু বছর পর তার বাবা বাড়িতে আসে
তখন ছেলেটির ভালো বুঝ হয়েছে,
স্কুলে যেতো ঠিকি তবে সহজ সরলের মত আসতে যেতো কারো সাথে তেমন একটা আড্ডা দিতো না,
সে তার মেয়ে ক্লাসমেট দের নামও ঠিক মত জানতো না
কারো সাথে কথা বলতে গেলে চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারে না সে মেয়ে হোক বা ছেলে।
তার বাবা আসার পর থেকে আবার আগের মত শ্বাসন শুরু হয়ে যায়, তার বাবা তাকে পকেট খরচ দিতো না তার মা লুকিয়ে লুকিয়ে তাকে পকেটে খরচ দিতো,
তার বড় বোন যার বিয়ে হয়ে গেছে সেও তাকে হাত খরচের জন্য টাকা দিতো,
তার বাবা তাকে এতটাই অপছন্দ করতো যে সে তার বাবার সাথে বসে খাবারো খেতো না,
একসাথে খাবার খেতে বসলে তাকে বোকা দিতো
এটা ওটা বলে অনেক বাহানা দিয়ে বোকা দিতো
বাবার সাথে বসে নাস্তাও করতো না
সবাই খবার খেয়ে পেলার পর একা একা খেতো
তার বাবা ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো অনেক বার হজ্জ করেছে,
টাকা পয়সা মাশাল্লাহ অনেক আছে তার বাবার তাও তার ছেলেকে জামা কাপড় পর্যন্ত কিনে দিতো না,
তার মাকে লুকিয়ে লুকিয়ে কিনে দিতো
তবে এমন না যে সে জামা কাপড় পায় নাই কষ্ট করছে
অন্য ছেলেদের থেকে আরও বেশি পেয়েছে
তার বোন মা তাকে আরও দামি দামি শার্ট প্যান্ট জুতো কিনে দিতো
কখনো সে এগুলোর কষ্ট অনুভব করে নাই
তার খারাপ লাগতো এগুলো তাও তার মা তাকে আগলে রেখেছে,
(ছেলেটির মেজো বোন 👩অনেক মেধাবী ছিল মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল
ডাক্তার হওয়ার অনেক ইচ্ছে ছিল তাকে তার বাবা পড়তে দেয়নি
এরপর তার বোন হাল ছাড়ে নাই চিটাগং ইউনিভার্সিটি তে চান্স পায়, তার বাবাকে না জানিয়ে পরিক্ষা দিয়েছিল তাকে ওখানেও পড়তে দেয় নাই, বললো মেয়ে মানুষ ওখানে কিভাবে পড়বে কিভাবে থাকবে
কয়েকটা দেশে স্কলারশিপ পেয়েছিল সব কিছুতেই না করে দিয়েছিল
তারপর তাকে বিয়ে দিয়ে দেয় তাও সে পড়াশোনা চালিয়ে যায়
তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন শিক্ষিত ছিল তাই তাকে পড়া লেখা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয়,)
ছেলেটির ছোট বোনের ও বিয়ে হয়ে যায়, এখন তার মা তার বাবা তারা আর দাদি সহ চারজনি আছে পরিবারে। ( দাদা ৩৫ বছর আগে মারা গেছে)
এভাবে চলছিল সবকিছু ছেলেটি কলেজে পড়ে
তার বড় বোন শহরে থাকে একা তার দুলাভাই চাকরির জন্য একসাথে থাকতে পারে না,
তার বোনের ২ বছরের একটা মেয়ে ৫ বছরের একটা ছেলে আছে,
ছেলেটিও শহরের কলেজে পড়তো তাই বোন তাকে নিজের কাছে রেখে দেয় যাতে তার পড়ালেখার জনয় ভালো হয় এবং তারা যেহেতু একা থাকে তাকে একটু হেল্প করতে পারে,
এরপর ছেলেটি যখন HSC দিলো,
তখনো ছেলেটির পড়ালেখার জন্য বা কোনো কিছুর জন্য তার বাবা কোনো টাকা পয়সা দিতো না,
তার মা বলতো ওর ভবিষ্যতের ব্যাপারে ভাবছেন কি করবে
তার বাবা বলতো তার টা সে দেখবে এগুলো নিয়ে আমাকে কিছু বলবে না
সব সময় এটাই বলতো
তার মা না থাকলে হয়তো ঘরেও যায়গা হতো না,
ছেলেটির পারিবারিক অবস্থান অনেক স্বচ্ছল ছিল এমন না যে তাদের টাকা পয়সা কম ছিল,
ছেলেটির মা দিনদিন অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিল অনেক আগে থেকে ডায়াবেটিস ছিল
খাবারের নিয়ম মেনে চলতো না!
তার মার কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়,
মেডিসিন চলতেছিল রক্ত শুন্যতা আরও বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়,
এত অসুস্থ তা নিয়েও তার মা বাড়ির সব কাজ করতো
এরপর ছেলেটি শহরে তার বোনের কাছে আর থাকতো না
ছেলেটিও এখন তার মার কাজে সাহায্য করে,
এভাবে কিছু মাসের মধ্যে ছেলেটির মা পুরোপুরি অসুস্থ হয়ে যায়,
ঢাকায় ভালো হাসপাতালে নিয়ে যায় কিডনি ২ টাতেই সমস্যা এখন তার মাকে মেডিসিনে ভালো করা সম্ভব না, ডায়ালাইসিস করা লাগতো প্রতি সপ্তাহে ২ বার আবার রক্ত শূন্যতা ছিল রক্ত দেয়া লাগতো
মেডিসিনও চলছিল
তার মা শোয়া থেকে উঠতে পারতো না তার ছোট বোন এই তাদের বাড়িতে চলে আসে এখানে থাকা শুরু করে দেয় মায়ের সেবা করার জন্য
রান্না মায়ের সেবা সবি করতো
ছেলেটিও মাকে ডায়ালাইসিস করার জন্য কোলে উঠিয়ে গাড়িতে উঠাতাম হাসপাতালে আর বাড়িতে এমন সময় পার করতো
বাড়ির বাহিরে ১ ঘন্টার জন্যও যেতে পারতো না,
সারাদিন বাসায় থাকতো এরমধ্যেও তার বাবা এবং তার মধ্যে আগের মতই আচরণ ছিল ছেলেটি বড় হয়ে গেছে তাও তাকে মারধর করতো,
তার বাবা বাহিরে গেলে মায়ের সামনে বসে থাকতো তার বাবা থাকলে সামনে যেতো না দূর থেকে দেখতো
যখন হাসপাতালে যাওয়া হতো শুধু তখনি যেতো,
এরপর তার ছোট বোনটাও অসুস্থ হয়ে যায় বাড়ির কাজ গুলো একা একা করতো আর তার মায়ের সব কাজ করা লাগতো
ছেলেটি রাতে তেমন একটা বাহিরে যেতো না তার বাবা বকা দিবে বলে
এই অবস্থায় ছেলেটি যদি রাতে কখনো কোনে কারণে ৮/৯ টায় আসতো তার বা তার জন্য দরজা খুলতো না
তার বোন অসুস্থ হয়ে যায় তাই সে ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমায় তাই সে দরজা খুলতে পারে না,
ছেলেটির মা বিছানা থেকে উঠতে পারে না,
ছেলেটি বাহিরে থকতো সারারাত ফজরের নামাজ পড়ার জন্য তার বাবা মসজিদে গেলে সে লুকিয়ে লুকিয়ে ঘরে ডুকতো,
তার বাবা বুঝে যায় যে সে ফজরের সময় ঘরে চলে আসছে
তার মা প্রায় অনেক মাস এভাবে অসুস্থ তার বোন শ্বশুর বাড়িতে কিছুদিনের জন্য গেলে সেই আগের মত দরজা খুলতো না
শুধু রাতে যে এমন না
দিনের ভেলায় ও দরজা বন্ধ করে রাখতো
অনেক বার ছেলেটি রাতে ঘরের বাহিরে ঘুমিয়েছে
তার বাবা যখন বুঝতে পারে ফজরের সময় সে ঘরে ডুকে যায় তখন তার বাবা ঘরে তালা মেরে ফজরের নামাজে যায়।
অনেক সময় বৃষ্টির মধ্যেও বিজে সারারাত কাটিয়েছে
ছেলেটি অনেক লজ্জা পেতো তাই তার প্রতিবেশী কারো কাছে যায় নাই
অনেক সময় তাকে অনেক প্রতিবেশী দেখে পেলছে রাতে এভাবে ঘুমাতে তাকে তাদের ঘরে রাখছে,
এই বিষয়ে সে তার বোনদেরকেও বলে নাই,
তার মা বুঝতো তবে কিছু করতে পারতো না
তার বাবা যখন বাসায় থকতো না সে তার মার কাছে গিয়ে সব কষ্ট তার মাকে বলতো,
এভাবে চলতে চলতে তার মার অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে যায়,
মারা যাওয়ার ৩ দিন আগে থেকে তার মায়ের মূখে একটাই নাম তার ছেলের নাম বার বার বলতেছিল ওর কি হবে আমি চলে গেলে ওকে কে দেখবে আমার ছেলের কি হবে বার বার তার নাম বলতেছি আমার ছেলেটার কি হবে, তখন সবাই বলছিল আমরা আছি আমরা দেখবো
আমার বোনেরা বলতেছিল আমার ভাইরে আমরা দেখবো আমরা আছি না মা
আমার দুলাভাই রা বলতেছিল এটা আমাদের ভাই আমাদের ভাইকে আমরা দেখবো,
তখনো আমার মাকে আমার বাবা শান্তনা দিয়ে বলতে পারে নাই আমার ছেলেকে আমি দেখবে উনি চুপ ছিল, আমার মা জানে যে ওনাকে বলে লাভ নেই তাই অন্য সবাইকে বলছিল
এরপর তার মা মারা যায়,
ছেলেটা কখনো কান্না করে নাই অনেক স্ট্রং ছিল তার মার জন্য অনেক কান্না করছে।
তার মা মারা যাওয়ার পর তার ৩ বোন সহ তারা প্রায় ১ মাস বাড়িতে থাকে,
এরপর সবাই সবার বাড়িতে চলে যায়, তার বড় বোন আগের মত তাকে তার সাথে শহরে নিয়ে চলে আসে,
তার বাবাকেও বলে তাদের সাথে থাকার জন্য উনি রান্না জানতো তাই নিজে একা থাকতো রান্না করে খেতো,
ছেলেটি মাঝে মধ্যে বাড়িতে গেলে তার বাবা বলতো এখানে কেনো এসেছিস এখানে তোর কি আমি রান্না করবো বসে বসে খেতে আসছিস আরও অনেক খারাপ ভাবে কথা বলতো যেহেতু ছেলেটি তার বাবাকে অনেক ভয় পেতো তাই সে কিছু বলতো না
এভাবে ২/৩ বার যাওয়ার পর সে আর বাড়িতে যায় না
তবে তাদের এলাকায় যায় তার মায়ের কবরে
এরপর তার বাবা এলাকায় দেখলেও সবার সাবমে বাজে ব্যবহার করতো বলতো কি কারনে আসচছ তুই এলাকায় এখানে তোর কি কাজ
এরপর ছেলেটির বাবা তার নামে বদনামি করতে লাগলো সে নাকি তার মা যখন অসুস্থ ছিল তখন একটু দেখতো না, আরও নানান কথা এগুলো বলার সময় অনেক সময় আমাদের বাড়ির আশেপাশের অনেক বাচ্চা ছেলেরাও ওনাকে অনেক কথা শুনিয়ে দিয়েছে ওরা বলে আপনি মিথ্যা কেনো বলতেছেন আমরা দেখেছি উনি কোলে করে করে তার মাকে গাড়িতে উঠাতো আপনার সাথে হাসাপাতালে যেতো
এরপর আর কিছু না পেয়ে সবাইকে বলতে লাগলো সে নাকি তার মায়ের কবর যিয়ারাত করে না
অথচ সে প্রায় ২/৩ দিন পর পর যিয়ারত করতো
গ্রাম থেকে শহর অনেক কাছে ১৫/২০ মিনিট সময় লাগে
উনার এসব কথার কারনে এরপর ছেলেটি রাতে যাওয়া শুরু করে
সে তার কষ্টের কথা গুলো তার মাকে বলতে আর কবরের সামনে কান্না করতো
এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিন রাতের ভেলা ছেলেটি তার মার কবর যিয়ারাত করতো
এরপর হঠাৎ ছেলেটি জানতে পারে তার বাবা বিয়ে করেছে
সে এটা শুনে দুঃখ পায় নাই
কারণ তার বাবার প্রতি তার কোনে ভালোবাসা ছিল না কখনো বাবার ভালোবাসা পায় নাই তাই সে তার মত থাকতো
তার বাবা তার বড় বোনকে বলতো ওরে বসাই বসাই খাওয়াইতেচছ কেনো বাসা থেকে বের করে দেয়
তার বোন বললো তাহলে ও কোথায় যাবে তার বাবা বললো ওর রাস্তা ও দেখবে
ঈদের সময় তার বোন গ্রামে তার শ্বশুর বাড়িতে যেতো তাকে যাওয়ার জন্য জোর করতো তাও সে যেতো না একা থাকতো বাসায়
ঈদের দিন সকাল ভেলা তার বন্ধুর বাইকে করে এলাকায় গিয়ে নামাজ পড়ে এরপর তার মায়ের কবরে যিয়ারত করে।
রাস্তায় তার বাবার সাথে দেখা হয় তার বাবা বলতো কবর যিয়ারাত করছে কিনা সে বললো হ্যা করছি এরপর আর কিছু না বলে চলে যায়,
বাড়ির আশে তার সবার সাথে দেখা করে, তখন তার বাবাকে দেখা যাচ্ছিল বসে বসে কোরআন শরিফ পড়তেছিল,
তখনো তার বাবা তাকে বলে নাই ঘরে যাওয়ার জন্য
সবাই তাকে খাবার খাওয়ার জন্য বলতেছিলো সে কলে কথা বলার অভিনয় করে শহরে বাসায় চলে যায় ঈদের দিনও কিছু না খেয়ে সারাদিন রোমে শুয়ে থাকে,
বাসায় খাবার ছিল তার বোন যাওয়ার সময় কয়েকদিনের খাবার রান্না করে ফ্রিজে রেখে গেছে তাও কিছু খায় নাই,
এভাবে একটা বছর চলে গেলো সে পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিয়েছে
অনলাইনে কাজ করতো নিজের পকেট খরচ নিজে চালাতো তার বোনেরাও দিতো,
অনলাইনে ২০/৩০ হাজার টাকার মত ইনকাম হতো সে নিজে খরচ করে পেলতো জামা কাপড় জুতো এগুলো কিনে শেষ করে পেলতো
তাও অনলাইনে ঠিক মত কাজ করতো না অনেক কম সময় দিতো গেম খেলে সময় নষ্ট করে পেলতো গেমে টাকা নষ্ট করতো
এরপর সে গেম খেলা ছেড়ে দেয় সে বুঝতে পারে তার আশেপাশে সবাই চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে টাকার অনেক প্রয়োজন
এরপর সে অনলাইনে ফুল টাইম কাজ শুরু করে ভালোই ইনকাম হচ্ছিল এর মধ্যেই তাকে সবাই জোর করে প্রবাসে পাঠিয়ে দেয় সবাই বললো এগুলোতে কিছু নেই,
জীবনে কিছু করতে পারবি না,
সে অনলাইনে একটা বিজনেস দাড় করিয়ে ছিল, প্রবাস থেকেও অনেক চেষ্টা করে বিজনেস টা সামলানোর কিন্তু সে পারছিল না দুজন লোক রাখে তাদের বেতন দিয়ে কাজ করায় কিন্তু তারা ১ মাসও বিজনেস টা সামলাতে পারলো না,
তারপর সে অনলাইন বিজনেস পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় এখন সে প্রবাসে আছে।
প্রবাসে আসার ১৫ দিনের মধ্যে সে শুনে তার বাবার নতুন সংসারে একটা ছেলের জন্ম হয়েছে, প্রবাসে আসার পর তার বাবা তার সাথে যোগাযোগ করার অনেক চেষ্টা করতেছে
ছেলেটি কোনো কল রিসিভ করে না
তার বন্ধু ও আত্মীয় স্বজনদের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করে কিন্তু ছেলেটি যোগাযোগ করে নাই,
সে জানতে পারে তার বাবার নাকি অনেকটাকার ঋণ রয়েছে, এগুলো পরিশোধ করার জন্য যোগাযোগ করতেছে,
তার বাবা সবাইকে বুঝাচ্ছে সে কেনো যোগাযোগ করে না তার জন্য নাকি এই টাকা গুলো ঋণ করেছে অথচ সে প্রবাসে যাওয়ার সময় তার বোনেরা সব টাকা দিয়েছে,
মানুষের কাছে মিথ্যা কথা বলে তাকে ছোট করতেছে, এখন তার বাবারও বয়স হয়ে গেছে এই অবস্থায় উনি বিয়ে করে বাচ্চা নিয়েছেন কোন কাজ করতে পারেন না,
অনেক টাকা ঋণ করে বসে আছে জমিন বিক্রি করে খাচ্ছে।
এখন তার ছেলের কথা মনে পড়তেছে তাও টাকার জন্য
এখন কি ছেলেটি তার নিজের কথা ভাবতেছে তাকে নিজের সবকিছু নিজেকেই করতে হবে।