সেবা.বিডি

সেবা.বিডি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ধোকা দেয় সে আমাদের দলভুক্ত নয়।
সহিহ মুসলিম -১৮৪

20/11/2025

♥️♥️♥️♥️♥️

30/07/2025

সুবহানআল্লাহ!
সুস্থতা যে কতো বড়ো নিয়ামত, সেটা হাসপাতালে গেলেই অনুভব করা যায়!

🛑 অপমান নয়, সম্মান চান⁉️♦️যে পাঠক এই লেখা পড়ার তাওফীক লাভ করেছেন, তাঁকে বলছি। ♦️আমার ধারণা, মহান আল্লাহ আপনার মঙ্গল চান।...
25/07/2025

🛑 অপমান নয়, সম্মান চান⁉️

♦️যে পাঠক এই লেখা পড়ার তাওফীক লাভ করেছেন, তাঁকে বলছি।

♦️আমার ধারণা, মহান আল্লাহ আপনার মঙ্গল চান।

♦️সুতরাং আপনি কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করে লেখাটি পড়ুন এবং অনুধাবন করুন।

আমি আপনাকে কয়েকটি উপদেশ দিচ্ছি, যদি আপনি তা মেনে চলেন, তাহলে আল্লাহ আপনার জন্য আকাশ-পৃথিবীর বরকত উন্মুক্ত করবেন। দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দান করবেন এবং সুমহান সম্মানিত প্রতিপালক আপনাকে সম্মান দান করবেন।

বলছি, আপনি কুরআনকে আপনার জীবন-সাথী বানিয়ে নিন, নিত্য সঙ্গী হিসাবে তার সাহচর্যে থাকুন। ব্যস্ততার মাঝে সময় বের করে এবং অবসর সময়ে কুরআন পাঠ করুন। দেখে অথবা মুখস্থ পড়ুন। লম্বা সফরে যানবাহনে পড়ুন। পড়ার অসুবিধা থাকলে শুনুন। আর আজ-কাল তা খুবই সহজ।

আল্লাহর কসম! আপনি দেখবেন, আপনার সময়ে বরকত পাচ্ছেন। আপনার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করছেন। হৃদয়ে স্বস্তি ও সুখ উপলব্ধি করছেন। আপনার চলার পথ আলোকিত হচ্ছে। বিশেষ করে যদি আপনি কুরআনের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পাঠ করেন।

এ হলো সুমহান আল্লাহর বাণীর বরকত।

কুরআনের নিত্য সঙ্গী হন, আপনি এর বরকত জীবনের প্রতি মুহূর্তে লাভ করতে থাকবেন। মহান আল্লাহ বলেছেন,

{كِتَابٌ أَنزَلْنَاهُ إِلَيْكَ مُبَارَكٌ} (29) سورة ص

`এটি একটি অত্যন্ত বরকতপূর্ন কিতাব, যা (হে মুহাম্মদ!) আমি তোমার প্রতি অবতীর্ণ করেছি.' (স্বাদ ২৯)

কুরআন যেখানেই স্থানলাভ করে, সেই স্থানকেই বরকতময় করে তোলে।

একজন মুফাস্সির বলেছেন, `আমরা কুরআন নিয়ে ব্যস্ত হয়েছি, যার ফলে দুনিয়ার কল্যাণ ও বরকত আমাদেরকে পরিপ্লুত করেছে।'

যিয়া মাকদেসী যখন হাদিসের জ্ঞান অনুসন্ধানে ব্রতী হতে চাইলেন, তখন ইব্রাহিম বিন আব্দুল ওয়াহেদ মাকদেসী তাঁকে ওসিয়ত করে বলেছিলেন, `তুমি বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত কর এবং তা পরিহার করো না, তাহলে তুমি যা অনুসন্ধান করবে তা তোমার জন্য সেই পরিমান সহজ হয়ে যাবে, যে পরিমান তুমি তিলাওয়াত করবে।'

যিয়া বলেন, `আমি এই ওসিয়ত মেনে তার বহু ফললাভ করেছি। যত কুরআনের প্রতি ধ্যান দিয়েছি, তত হাদিসের জ্ঞান লাভ করেছি।'

একজন সালাফ বলেছেন, `যত আমি আমার নিয়মিত কুরআন পাঠের সময় বৃদ্ধি করেছি, তত আমি আমার সময়ে বরকত দেখতে পেয়েছি। আর আমি তা বৃদ্ধি করতে করতে ১০ পারা করে ফেলেছি।'

আব্দুল মালেক বিন উমাইর বলেছেন, `সবার চাইতে বেশি স্বচ্ছ ও পরিপক্ব জ্ঞানী ব্যক্তি তিনি, যিনি বেশি বেশি কুরআন অধ্যয়ন করে থাকেন।'

কুরতুবী বলেছেন, `যিনি কুরআন পাঠ করেন, তিনি জ্ঞান দ্বারা উপকৃত হতে থাকেন; যদিও তাঁর বয়স ১০০ বছর পৌঁছে যায়।'

আপনার তিলাওয়াতের সময় না হয়ে উঠলে কোনো পছন্দের কারীর তিলাওয়াত শুনতে থাকুন। আপনার বাড়ি ও গাড়িতে কুরআন বাজুক।

যেহেতু কুরআন শুনলে আপনাকে রহমত দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে,করুণাপ্রাপ্ত হবেন আপনি। মহান আল্লাহ বলেছেন,

{وَإِذَا قُرِئَ الْقُرْآنُ فَاسْتَمِعُواْ لَهُ وَأَنصِتُواْ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ} (204) سورة الأعراف

`যখন কুরআন, তোমাদের সামনে পড়া হয়, তখন তা মনোযোগ সহকারে শোনো এবং নীরব থাকো, হয়তো তোমাদের প্রতিও রহমত বর্ষিত হবে৷ ' (আ'রাফ ২০৪)

আর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কখনো কখনো অপরের মুখে তিলাওয়াত শুনতে ভালোবাসতেন, যদিও কুরআন তাঁর ওপরেই অবতীর্ণ হতো।

জেনে রাখবেন,আপনি যত বেশি পরিমাণ কুরআন শিখবেন,তিলাওয়াত করবেন,শুনবেন, মুখস্থ করবেন, মানে বুঝবেন, আমল করবেন, তত বেশি আপনার জন্য রহমত অবতীর্ণ হবে,তত বেশি আপনি শারীরিক ও হার্দিক আরোগ্য লাভ করবেন। আপনার মানসিক অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা দূর হবে। মহান আল্লাহ বলেছেন,

{وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ وَلاَ يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إَلاَّ خَسَارًا} (82) سورة الإسراء

`আমি এ কুরআনের অবতরণ প্রক্রিয়ায় এমন সব বিষয় অবতীর্ণ করছি যা মুমিনদের জন্য নিরাময় ও রহমত এবং জালেমদের জন্য ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বৃদ্ধি করে না৷' (বানী ইস্রাঈল ৮২)

ইবনুল জাওযী বলেন, `কুরআন তিলাওয়াত হার্দিক রোগে আরোগ্যের কাজ করে,যেমন দৈহিক রোগে মধু কাজ করে।'

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া বলেছেন,`আমি আল্লাহ তায়ালার কিতাব অব্যাহতভাবে পড়া ছাড়া এমন কোনো জিনিস দেখিনি,যা বুদ্ধি ও আত্মাকে খোরাক বেশি জোগাতে পারে, শরীরকে নীরোগ রাখতে পারে এবং সুখ-শান্তির নিশ্চয়তা দান করতে পারে।'

মহানবী ------বলেছেন,

{اقرأوا القرآن فإنه يأتي يوم القيامة شفيعًا لأصحابه}

``তোমরা কুরআন পাঠ কর। কারণ তা কিয়ামতের দিন পাঠকারীদের জন্য সুপারিশকারীরূপে আবির্ভুত হবে। '' (মুসলিম ১৯১০ নং)

তাঁর এই বাণীতেই যদি বিশ্বাসী হন,তাহলে তা আপনার দিবারাত্রি কুরআন তিলাওয়াতে মগ্ন হওয়ার কারণ হিসাবে যথেষ্ট। কারণ বর্কতময় কুরআন কিয়ামতে আপনার জন্য সুপারিশ করবে। যেদিন আপনার মা,বাবা,সন্তান,ভাই ইত্যাদি আপনাকে দেখে পালিয়ে যাবে।

নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

((يَجِيءُ الْقُرْآنُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ، فَيَقُولُ : يَا رَبِّ ، حَلِّهِ ، فَيُلْبَسُ تَاجَ الْكَرَامَةِ ، ثُمَّ يَقُولُ : يَا رَبِّ ، زِدْهُ ، فَيُلْبَسُ حُلَّةَ الْكَرَامَةِ ، ثُمَّ يَقُولُ : يَا رَبِّ ، ارْضَ عَنْهُ ، فَيَرْضَى عَنْهُ ، فَيُقَالُ لَهُ : اقْرَأْ وَارْقَ ، وَتُزَادُ بِكُلِّ آيَةٍ حَسَنَةً)).

`কুরআন ক্বিয়ামাত দিবসে হাযির হয়ে বলবে, হে আমার প্রভু! একে (কুরআনের বাহককে) অলংকার পরিয়ে দিন। তারপর তাকে সম্মান ও মর্যাদার মুকুট পরানো হবে। সে আবার বলবে, হে আমার প্রভু! তাকে আরো পোশাক দিন। সুতরাং তাকে মর্যাদার পোশাক পরানো হবে। সে আবার বলবে, হে আমার প্রভু! তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন। কাজেই তিনি তার উপর সন্তুষ্ট হবেন। তারপর তাকে বলা হবে, তুমি এক এক আয়াত পাঠ করতে থাক এবং উপরের দিকে উঠতে থাক। এমনিভাবে প্রতি আয়াতের বিনিময়ে তার একটি করে সাওয়াব (মর্যাদা) বাড়ানো হবে।' (তিরমিযী ২৯১৫নং)

কুরআন তিলাওয়াতকারীর জন্য এতটুকু খুশীর খবরই যথেষ্ট।

আর সতর্ক থাকুন,যাতে কোনোভাবে কুরআন থেকে দূরে সরে না যান। নচেৎ পরিণাম হবে ধ্বংস ও সর্বনাশ।

মহান আল্লাহ বলেছেন,

{وَهُمْ يَنْهَوْنَ عَنْهُ وَيَنْأَوْنَ عَنْهُ }

`তারা এ মহাসত্যবাণী গ্রহণ করা থেকে লোকদেরকে বিরত রাখে এবং নিজেরাও এর কাছে থেকে দূরে পালায়৷' আর তারপরই বলেছেন,

{ وَإِن يُهْلِكُونَ إِلاَّ أَنفُسَهُمْ وَمَا يَشْعُرُونَ} (26) سورة الأنعام

`অথচ আসলে তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংসের পথ প্রশস্ত করেছে৷ কিন্তু এটা তারা উপলব্ধি করে না৷' (আনআম ২৬)

আল্লাহর কসম করে বলতে পারি, যারা কুরআন থেকে উদাসীন, যাদের কুরআনের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না, তারা বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত।

কুরআন-ওয়ালারা আল্লাহর বিশেষ লোক। আপনি তাঁদের দলভুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। তাঁদের মজলিসে বসার চেষ্টা করুন। কারণ তাঁরা এমন সম্প্রদায়, যাঁদের সাথে উপবিষ্ট ব্যক্তি বঞ্চিত হয় না।

মহান আল্লাহ বলেছেন,

{ وَمَن يَبْخَلْ فَإِنَّمَا يَبْخَلُ عَن نَّفْسِهِ } (38) سورة محمد

`যারা কৃপণতা করে তারা প্রকৃতপক্ষে নিজের সাথেই কৃপণতা করছে৷' (মুহাম্মদ ৩৮)

তিনি আরো বলেছেন,

{إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ (87) وَلَتَعْلَمُنَّ نَبَأَهُ بَعْدَ حِينٍ} (88) سورة ص

`এ তো একটি উপদেশ সমস্ত পৃথিবীবাসীর জন্য উপদেশ এবং সামান্য সময় অতিবাহিত হবার পরই এ সম্পর্কে তোমরা নিজেরাই জানতে পারবে৷ ' (স্বাদ ৮৭-৮৮)

হে আল্লাহ! তুমি কুরআনকে আমাদের হৃদয়ের বসন্ত কর। আমাদের বক্ষের জ্যোতি কর। আমাদের দুশ্চিন্তা দূর করার এবং উদ্বেগ চলে যাওয়ার কারণ বানিয়ে দাও। আর কিয়ামতে তাকে আমাদের জন্য সুপারিশকারী বানাও। আমীন।

সংগ্রহ ও ভাবানুবাদ : আব্দুল হামীদ আল-ফাইজি আল-মাদানী

04/07/2025

اللهم صل وسلم على نبينا محمد

25/06/2025
🛑 ঘরে সালাম দিয়ে প্রবেশ করার গুরুত্ব‼️♦️সালাম দেওয়া ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। যখন কেউ নিজের ঘরে প্রবেশ করে, তখন ...
21/06/2025

🛑 ঘরে সালাম দিয়ে প্রবেশ করার গুরুত্ব‼️

♦️সালাম দেওয়া ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। যখন কেউ নিজের ঘরে প্রবেশ করে, তখন সালাম দেওয়া শুধু একটি আদব নয়, বরং তা কল্যাণ ও বরকতের উৎস। ঘরে ঢোকার সময় সালাম দিলে এতে পরিবারে শান্তি, ভালোবাসা ও দয়ামায়া বৃদ্ধি পায়। আল্লাহর পক্ষ থেকেও তাতে রয়েছে রহমত ও নিরাপত্তা।

📖 কুরআনের বক্তব্য:

আল্লাহ তাআলা বলেন:

> "তোমরা যখন কোন ঘরে প্রবেশ করো, তখন নিজেদের প্রতি সালাম করো – তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত এক মোবারক ও উত্তম শুভেচ্ছা।"
— সূরা আন-নূর, আয়াত: ৬১

🔍 এই আয়াতে “নিজেদের প্রতি সালাম” বলতে বোঝানো হয়েছে নিজের পরিবারকে অথবা যদি কেউ ঘরে একা থাকে, তবে নিজেকেও সালাম দেওয়া।

📚 হাদীসের আলোকে:

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন:

> "যখন কেউ নিজ ঘরে প্রবেশ করে এবং সালাম দেয়, তখন শয়তান বলে, ‘তোমার জন্য এখানে থাকার কোনো জায়গা নেই এবং রাত যাপনের সুযোগ নেই।’ আর যদি কেউ ঘরে ঢুকে সালাম না দেয়, তাহলে সে বলে, ‘তোমার জন্য এখানে থাকার ও রাত কাটানোর সুযোগ আছে।’"
— তিরমিযী: ২৮৬৭, সহীহ হিসেবে গ্রহীত

✅ উপকারিতা:

1. ঘরে বরকত নেমে আসে

2. শয়তান দূরে থাকে

3. পরিবারের মধ্যে ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বাড়ে

4. একটি সুন্নতের আমল হয়

5. আত্মার প্রশান্তি লাভ হয়

🔑 উপসংহার:

ঘরে ঢোকার সময় সালাম দেওয়া শুধু একটি সুন্দর অভ্যাস নয়, বরং তা ইসলামী জীবনব্যবস্থার অংশ। এটি একটি ছোট কাজ হলেও এর প্রতিদান ও প্রভাব অনেক বড়। তাই আমাদের উচিত ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া এবং আমাদের পরিবারকেও এ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া।

🕊️ "السلام عليكم ورحمة الله وبركاته" — এই সালাম দিয়েই প্রতিদিনের শুরু হোক ঘরে।

♦️আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের কে আমল করার তৌফিক দান করুন 🤲

18/06/2025

“যে ব্যক্তি তার অনুপস্থিত ভাইয়ের জন্য দুআ করে, তার সাথে নিযুক্ত ফেরেশতা বলেন, আমীন, তোমার জন্যও অনুরুপ।”
(মুসলিম ২৭৩২)

17/06/2025

তোমার জিহবা সর্বদা আল্লাহ তায়ালার জিকিরে ভিজিয়ে রাখবে।
( তিরমিজি -৩৩৭৫)

16/06/2025

🌿 ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত 🌿

📖 দোয়া:

بِسْمِ اللَّهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণ:
বিসমিল্লাহি, তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ:
"আল্লাহর নামের দ্বারা (বের হচ্ছি), আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম, আর শক্তি ও ক্ষমতা কেবল আল্লাহরই দ্বারা।"

📌 দোয়া পড়ার গুরুত্ব:

✅ আল্লাহর সাহায্য লাভ:
এই দোয়া পাঠ করলে বান্দা আল্লাহর ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরতা প্রকাশ করে, ফলে আল্লাহ তার সহায় হন।

✅ শয়তানের ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

> "যখন কেউ ঘর থেকে বের হয়ে এই দোয়া পড়বে, তখন তাকে বলা হবে: তুমি হেদায়েতপ্রাপ্ত হলে, নিরাপদ হলে এবং তোমার প্রয়োজন পূরণ হয়ে গেল। আর শয়তান তার থেকে দূরে সরে যায়।"
📚 (তিরমিজি: 3426)

✅ রহমত ও বরকতের কারণ:
এই দোয়ার মাধ্যমে বান্দা নিজের সকল কাজে বরকত লাভ করে এবং আল্লাহর রহমতের ছায়ায় থাকে।

✅ আত্মবিশ্বাস ও মানসিক প্রশান্তি:
এই দোয়া পাঠের মাধ্যমে ব্যক্তি নিজেকে আত্মবিশ্বাসী, নির্ভীক ও সুরক্ষিত অনুভব করে।

🌸 উপকারিতা সংক্ষেপে:

পথের বিপদ থেকে হেফাজত

অদৃশ্য শত্রুর (শয়তান) কুমন্ত্রণার হাত থেকে রক্ষা

কাজের বরকত বৃদ্ধি

আল্লাহর সাহায্য লাভ

---

🌺 আমাদের উচিত প্রতিদিন ঘর থেকে বের হওয়ার আগে এই দোয়া পড়ার অভ্যাস করা। এটা আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে ইনশাআল্লাহ।

12/06/2025

🛑জুমার দিনে দুরুদ পাঠ করার ফজিলত ‼️

♦️রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশেষভাবে জুমার দিনের এই আমলের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন। নিচে এর কিছু ফজিলত উল্লেখ করা হলো:

১. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদীস অনুযায়ী:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেন:

> "তোমরা তোমাদের জুমার দিনে আমার প্রতি বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।"
— (সুনান আবু দাউদ, হাদীস: ১৫৩১; ইবনে মাজাহ: ১৬৩৬)

২. জুমার দিন দুরুদ পাঠ করা বেশি মর্যাদাপূর্ণ

জুমার দিন হল সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এই দিনে আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের ওপর বিশেষ রহমত নাজিল করেন। এ কারণে এদিন দরূদ পাঠ করলে তা বেশি বরকতময় ও সওয়াবের কারণ হয়।

৩. দুরুদ পাঠের ফলে দোয়া কবুল হয়

রাসুল (সা.) বলেছেন:

> "তোমরা আমার প্রতি দুরুদ পাঠ করো, কারণ তা তোমাদের দোয়া কবুল হওয়ার মাধ্যম হয়।"
— (তাবরানী)

৪. জান্নাতের সেতু সুগম হয়

হাদীসে এসেছে, যে ব্যক্তি বেশি বেশি দরূদ পাঠ করে তার জান্নাতের পথ সহজ হয় এবং তার গুনাহ মাফ হয়।

৫. ফেরেশতাগণ দুরুদ পাঠকারীর জন্য দোয়া করেন

রাসুল (সা.) বলেন:

> "যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশ রহমত নাজিল করেন, দশ নেকি লেখেন, দশ গুনাহ মাফ করেন এবং তার মর্যাদা দশগুণ বাড়িয়ে দেন।"
— (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ৬৪৮)

---

সংক্ষেপে বললে:

জুমার দিনে বেশি বেশি দুরুদ পড়া উচিত, কারণ:

রাসুল (সা.) নিজে তা উৎসাহ দিয়েছেন।

আল্লাহর রহমত লাভ হয়।

গুনাহ মাফ হয়।

দোয়া কবুল হয়।

জান্নাতের পথ সহজ হয়।

---

ছোট একটি দুরুদ: اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ

10/06/2025

🛑বৃষ্টি হলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু দোয়া পড়তেন‼️

---

🌧️ বৃষ্টি শুরু হলে পড়ার দোয়া:

اللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا
অর্থ: হে আল্লাহ! এই বৃষ্টি আমাদের জন্য উপকারী করে দিন।

📚 (সহীহ বুখারী, হাদীস: 1032)

---

🌧️ বৃষ্টি বেশি হলে বা ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে পড়ার দোয়া:

اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের চারপাশে (বৃষ্টি বর্ষণ করুন), আমাদের উপর নয়।

📚 (সহীহ বুখারী, হাদীস: 1014)

---

☁️ আকাশে মেঘ দেখলে বা বজ্রপাত শুনলে:

سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ
অর্থ: পবিত্র সে সত্তা, যাঁর প্রশংসায় বজ্রগর্জন এবং ফেরেশতাগণ ভয়ভীত হয়ে তাঁর তাসবীহ পাঠ করে।

📚 (মুআত্তা মালিক)

🤲 আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের কে আমল করার তৌফিক দান করুন।

♥️ ভাই ও বোনেরা ♥️আমরা অনেক সময় কেনাকাটায় কিংবা লেনদেনের সময় রেগে যাই, কঠোর ব্যবহার করি, দাম নিয়ে ঝগড়া করি। কিন্তু জানেন...
10/06/2025

♥️ ভাই ও বোনেরা ♥️
আমরা অনেক সময় কেনাকাটায় কিংবা লেনদেনের সময় রেগে যাই, কঠোর ব্যবহার করি, দাম নিয়ে ঝগড়া করি। কিন্তু জানেন কি, ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?

📖 জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

🗣️ “আল্লাহ্ সেই ব্যক্তিকে রহম করুন,
যে বিক্রি করার সময়, কিনার সময় এবং নিজের অধিকার দাবি করার সময় সহজ ও কোমল ব্যবহার করে।”
(বুখারী ২০৭৬)

🎯 বার্তা:
একটু নম্রতা…
একটু হাসিমুখ…
একটু ধৈর্য…
– এটুকুই যথেষ্ট আল্লাহর রহমত পাওয়ার জন্য!

🤲 চলুন, আমরা সবাই কেনাবেচা ও লেনদেনে রাসূল ﷺ এর এই সুন্নতকে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করি।

---
“সহজ ব্যবহার শুধু ভালো চরিত্র নয়,
এটা জান্নাতের পথও হতে পারে।” 🌿

Address

Shafipur, Kaliakoir
Gazipur
1751

Telephone

+8801725526428

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সেবা.বিডি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সেবা.বিডি:

Share