Shossho - শস্য

Shossho - শস্য Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shossho - শস্য, Health Food Shop, Gazipur.

শস্য হচ্ছে বাংলাদেশের একটি ইউনিক ফুডব্র‍্যান্ড ।"শুদ্ধ দানা, স্বাস্থ্যকর খাবার" -এই স্লোগানকে পাশে রেখে শস্যের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সব শ্রেণীর মানুষের জন্য ১০০% বিশুদ্ধ, অথেনটিক প্রোডাক্ট থাকবে সাশ্রয়ী মূল্যে।

🔰🔰 ছুটছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাগলা ঘোড়া। একে থামানোর কোন কৌশল কাজে আসছে না। মধ্যবিত্ত আর নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দু...
14/08/2024

🔰🔰 ছুটছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের পাগলা ঘোড়া। একে থামানোর কোন কৌশল কাজে আসছে না। মধ্যবিত্ত আর নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দুর্ভোগ যেন লাগামছাড়া। এ থেকে রক্ষার কোন উপায়ি আসলে নেই? তবে কিছু খরচ কমানোর জন্য কিছু উপায় তো অবলম্বন করা যেতেই পারে।

🟩 বাজেট তৈরি করা

মাসিক আয় ও ব্যয়ের একটি সুস্পষ্ট বাজেট তৈরি করে প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় চিহ্নিত করা। সঠিকভাবে বাজেট করতে পারলে সংসারের খরচ অনেকভাবে কমিয়ে আনা যায়। বাজেটের অতিরিক্ত খরচ মাস শেষে সংসারের উপর প্রভাব ফেলে, অনেক সময় দেখা যায় ধার দেনা করতে হয়। বর্তমান সময়ে ধার দেনার দরুণ নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

🟩 ছাড় ও ডিসকাউন্ট ব্যবহার করা

বিভিন্ন পণ্যের জন্য ছাড় ও ডিসকাউন্টের সুযোগ গ্রহণ করা উচিত। এখন হল ইন্টারনেটের যুগ। বিভিন্ন ধরনের পণ্য নানা রকম ছাড়ে বিক্রি হচ্ছে। শুধুমাত্র ফেসবুক রিলস, ওয়াচে সময় না দিয়ে এসব নিয়ে একটু খুঁজলে নানা ধরণের পণ্য সুলভ মূল্যে কেনা সম্ভব যা আপনার সংসারের খরচ কমিয়ে আনবে।

🟩 প্রয়োজন বুঝা

সংসার আপনার, বুঝও আপনার। বর্তমান সময়ে মিতব্যয়ী না হলে সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হবে। অনেকেই দেখা যায় সৌখিনতার জন্য নানা রকম খরচ করতে। কিন্তু এই সময়ে সৌখিনতা বাদ দিতে হবে।

🟩 স্থানীয় বাজার থেকে কেনাকাটা করা

স্থানীয় বাজার থেকে তাজা ও সস্তায় পণ্য সংগ্রহ করা যায়। এতে সুপারশপ গুলোর বিভিন্ন অফারের ফাঁদে আপনাকে পড়তে হবে না। কারন এই অফার গুলো এমন ভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে আপনার পকেট থেকে টাকা বের করা যায়।

🟩 বিকল্প পণ্য ব্যবহার করা

নামিদামি পণ্যের পরিবর্তে একই গুণগত মানসম্পন্ন কিন্তু কম দামি পণ্য ব্যবহার করা আপনার খরচ কমানোর সবচেয়ে উত্তম উপায় হতে পারে। এখন ফেসবুক এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করছে। আপনি ফেসবুকে একটু ঘুরলে দেখবেন অনেক উদ্যোক্তা এখন সাশ্রয়ী মূল্যে বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রি করা শুরু করেছে।

🟩 নিজে রান্না করা

বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে খাই। বেশ ভালো পরিমাণ খরচ হয় আমাদের এতে। এছাড়া ট্রাফিক জ্যামের বিষয় তো থাকেই। তো এই উৎসবের আনন্দকে আমরা আরো বাড়াতে পারি যদি নিজেরাই অনেকটাই পিকনিকের মত করতে পারি। এতে খরচ যেমন বাঁচবে, আনন্দ তেমন বাড়বে।

🟩 গৃহস্থালী কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা

কয়েকজন সদস্য মিলে একটি পরিবার হয়। পরিবারের সদস্যরা যদি নিজের কাজ নিজে করেন তাহলে নতুন করে কোন সাহায্যকারী/ হেল্পিং হ্যান্ড দরকার হয় না। এতে পরিবারের অর্থনৈতিক সুবিধার পাশাপাশি সদস্যদের কাজে দক্ষতা বাড়বে এবং পারবারিক বন্ধন আরো দৃঢ় হবে। এছাড়াও এটি তাদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

✅ এই আগুনে বাজারে সুন্দরভাবে চলতে আপনার সংসারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিতে পারেন “শস্য” থেকে। কারণ বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজার থেকে আপনাকে একটু স্বস্তি দিতে নিরলস কাজ করছি আমরা। আমাদের কাছে পাবেন আপনার বাজেট অনুযায়ী নানা রকমের গৃহস্থালী পণ্য যার প্রতিটি পণ্যই গুণগত মান সম্পন্ন। এ বিশ্বাস আমাদের উপর রাখতে পারেন।

📱 শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)

👉 আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।

✅ অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily
✅ সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান,সুস্থ থাকুন,শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন
✅ শস্যের হাত ধরেই হোক আপ্নার পারিবারিক সুস্থতা

13/08/2024

🔰🔰 ঘি কে বলা হয় সুপারফুড। কারণ এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন সহ অ্যাান্টিঅক্সিডেন্ট। সুপারফুড হবার কারণে ঘি আপনার শিশুর জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য হতে পারে। আসুন জেনে নেয়া যাক দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় এক টেবিল চামচ পরিমাণ ঘি আপনার শিশুর দেহে কি কি উপকার করতে পারে।

🟩মস্তিষ্কের বিকাশে ঘি অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। ঘি তে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকায় শিশুর প্রথম পাঁচ বছরের জন্য ঘি খুবই উপকারী, কারণ এই সময়ে মস্তিষ্কের বিকাশ হয় বেশি।

🟩ঘি তে ভিটামিন এ ডি ই কে থাকায় শিশুর হাড়ের গঠনে ঘি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষত ভিটামিন কে ক্যালসিয়াম দ্রুত শোষণে সাহায্য করে, যার ফলে শিশুর হাড় শক্ত ও মজবুত হয়।

🟩এছাড়াও ঘি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে ভিটামিন এ ডি ই কে থাকায়। পাশাপাশি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে ঘি এর ভূমিকা অনন্য।
শিশুর খাদ্য হজমে ঘি এর ভূমিকা রয়েছে।

🟩ঘি তে লিপোলাইটিক থাকায় এটি অন্যান্য খাবারের ফ্যাট ভাঙতে সহায়তা করে। তাছাড়া ঘি তে উপস্থিত বিউটারেট পরিপাকতন্ত্রের উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে।

🟩শিশুর ত্বক অনেক সংবেদনশীল। বিশেষত শুষ্ক মৌসুমে ত্বক নিয়ে নানা সমস্যা দেখা দেয়। শিশুর খাবারে নিয়মিত ঘি রাখলে তা শিশুর ত্বক স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

🟩যাদের এলার্জি জনিত ঠান্ডার সমস্যা আছে, এক টেবিল চামচ ঘিয়ের সাথে অল্প গোল মরিচ গুঁড়া মিশিয়ে খেলে ভাল উপকার পাবেন।

📱শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)

👉আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।

✅অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily

✅সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান, সুস্থ থাকুন, শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন

✅ শস্যের হাত ধরেই হোক আপনার পারিবারিক সুস্থতা

☢️☢️ লাল চিনি না সাদা চিনি কোনটি বেছে নিবেন?🔰🔰 চিনি আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। আর যারা মিষ্টি পছন্দ করে...
12/08/2024

☢️☢️ লাল চিনি না সাদা চিনি কোনটি বেছে নিবেন?

🔰🔰 চিনি আমাদের প্রাত্যাহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী। আর যারা মিষ্টি পছন্দ করেন, তাদের জন্য চিনি আশীর্বাদ! যাই হোক, বর্তমান সমাজে মানুষের ব্যস্ততার শেষ নেই, কিন্তু মানুষ এই ব্যস্ততার কারণে ঝুঁকে পড়ছে রিফাইন্ড চিনি বা সাদা চিনির দিকে। কিন্তু রিফাইন্ড করা চিনি বা সাদা চিনির কারণে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রকম অসুখ। কারণ চিনি রিফাইন বা পরিশোধন করতে গিয়ে ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, এনজাইম এবং অন্যান্য উপকারী পুষ্টি উপাদান দূর হয়ে যায়। চিনি পরিশোধ করতে ব্যবহার করা হয় সালফার এবং হাড়ের গুঁড়া। আপনি যদি প্রতিদিন এই চিনি খেতে থাকেন তাহলে শরীরে বিষ জমা হতে থাকবে যার ফলে স্বাস্থ্যের উপর এক সময় বিরূপ প্রভাব পড়তে বাধ্য।

✅ লাল চিনি কেন খাবেন?

1️⃣ লাল চিনি, যা সাধারণত আখের রস থেকে তৈরি করা হয়, সাধারণ চিনির তুলনায় কিছুটা বেশি পুষ্টিকর এবং এর কিছু উপকারিতা রয়েছে। লাল চিনিতে থাকে আখের প্রায় সব উপাদান। যেমনঃ শর্করা,ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড, জিঙ্ক, থায়ামিন, রিবোফ্লবিন, ফলিক এসিড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ইত্যাদি। তাই লাল চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো।

2️⃣ লাল চিনি খেলে হাড় শক্তপোক্ত করতে সাহায্য করে কারণ লাল চিনিতে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকে। সেই সঙ্গে দাঁতের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। ক্যাভিটি এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়।

3️⃣ ক্যান্সার প্রতিরোধে আখের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। যার কারণে লাল চিনি লিভারকে সুস্থ রাখে, জন্ডিসের প্রকোপ কমায় এবং কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে।

4️⃣ লাল চিনিতে রয়েছে অ্যালকেলাইন প্রপাটিজ যা গ্যাসের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শরীরের মিনারেল তথা খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে, যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। এবং শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে।

⛔ সাদা চিনির অপকারিতা

➡️ সাদা চিনি পরিশোধনের সময় চিনির মিনারেল বা প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান দূর হয়ে যায় বলে এটি মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমিয়ে আনে যার কারণে মস্তিষ্কে নিউরন কোষগুলো ধীরে ধীরে মারা গিয়ে স্ট্রোকের মতো ঘটনা ঘটে।

➡️ পরিশোধনের সময় ভিটামিন দূর হয়ে যায় বলে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান থাকে না।

➡️ সাদা চিনিতে অতিমাত্রায় ফ্রুক্টোজ থাকে। আমাদের শরীরে লিভারই ফ্রুক্টোজ হজম করে থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ লিভার হজম করতে পারে না। যার কারণে ফ্রুক্টোজ লিভারে চর্বি আকারে জমা হতে থাকে। এর ফলে লিভার নষ্ট হয়ে যায়।

➡️ চিনি পরিশোধনের সময় ব্যবহার করা সালফার ও হাড়ের গুঁড়ো যা কিডনি নষ্ট করে দেয়।

🟢 নিজের এবং পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সাদা চিনির বদলে নিন লাল চিনি। কিন্তু বর্তমানে লাল চিনির উৎপাদন কম হবার কারণে বাজারে খুব একটা পাওয়া যায় না। বরং সাদা বিষ হিসেবে পরিচিত সাদা চিনিতে বাজার সয়লাব। লাল চিনিও যাও বা পাওয়া যায়, তা খাঁটি কিনা নিশ্চিত হওয়া দূরুহ।

🟢 আপনার এইসব সমস্যা কিছুটা লাঘবে শস্য নিয়ে আসছে সাশ্র্য়ী মূল্যে ১০০% খাঁটি লাল চিনি।

📱শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)

👉 আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।

✅ অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily

✅ সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান,সুস্থ থাকুন,শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন

✅ শস্যের হাত ধরেই হোক আপ্নার পারিবারিক সুস্থতা

ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ থেকে ব্যবহার হয়ে আসা সরিষার তেল বর্তমানে বাংলাদেশের এমন কোন বাড়ি নেই যেখানে পাওয়...
12/08/2024

ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ থেকে ব্যবহার হয়ে আসা সরিষার তেল বর্তমানে বাংলাদেশের এমন কোন বাড়ি নেই যেখানে পাওয়া যায় না। রান্নার স্বাদ বাড়াতে সরিষার তেল অতুলনীয়। ভোজনরসিকদের জন্য সরিষার তেল বলা যায় জাদুর কাঠির মত কাজ করে। তবে শুধু রান্না না, এর রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার। আজ থেকেও কিছুদিন আগ পর্যন্ত মানুষ সরিষার বহুল ব্যবহার করত, কিন্তু সর্বজনীনভাবে বর্তমানে এর ব্যবহার কমে যাচ্ছে। তবে এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে যাঁরা অবগত আছেন, তাঁরা নিয়মিতই ব্যবহার করে চলেছেন সরিষার তেল।
সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। এটি গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল। ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়।
সরিষার তেলের উপকারিতা:
✅ত্বকের বন্ধু:
সরিষার তেল ত্বকের তামাটে ভাব ও দাগ দূর করে এবং ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করতে পারে। এ জন্য বেসন, দই, সরিষার তেল ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মিশ্রণটি আপনার ত্বকে লাগান। ১০-১৫ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করতে পারেন।
✅অল্প সরিষার তেল হাতের তালুতে ঘষে মুখে লাগিয়ে নিন, সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। সরিষার তেল অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর, অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি রুখতেও সরিষার তেল কার্যকরী।
ক্যানসারের শত্রু
✅গবেষণায় দেখা গেছে সরিষার তেলে উপস্থিত লাইনোলেনিক অ্যাসিড ও গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। ফলে ক্যানসারের মতো মারণ ব্যাধি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত স্টমাক এবং কোলন ক্যানসারকে দূরে রাখতে এই তেলটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।
চুল নিয়ে চিন্তিত?
✅সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই তেল মালিশ করুন চুল এবং মাথার তালুতে যা আপনার চুল পাকা রোধ করবে।
✅মাইগ্রেনের সমস্যা ভুগছেন?
মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে ম্যাগনেসিয়াম দারুণ কাজে আসে। আর সরিষার তেলে এই খনিজটি বিপুল পরিমাণে থাকে। তাই এমন তেলে রান্না করা খাবার খেলে মাইগ্রেনের কষ্ট কমে আসে। এছাড়াও, সরিষার তেলে ভাজা মাছ খেলে শরীরে ওমাগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
✅হাড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি
শরীরে হাড়ের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন সরিষার তেল। সরিষার তেল আর আদা এই দুটোতে এমন উপাদান থাকে যা প্রদাহজনিত উৎসেচকের ক্রিয়ার গতি কমিয়ে দেয়। ফলে ব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে সরিষার তেলে পরিমাণ মতো কর্পূর মেশান। তেলটা গরম করে ঠান্ডা হতে দিন। এবার সেই তেল মালিশ করুন। আরাম পাবেন।
ওজন নিয়ে চিন্তা আর নয়
✅সরিষার তেল ওমেগা -৩, ওমেগা -৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিগুলির একটি দুর্দান্ত উত্স। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিডে কেবল খাবারের স্বাদই উন্নত করে না, রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে। যেখানে ওমেগা -৬ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে শরীরে সঞ্চিত বাদামী চর্বি ব্যবহারকে সক্রিয় করতে পারে। সরিষার তেল ওজন কমাতে ভাল ভূমিকা পালন করে।
✅ঠোঁটফাটা রোধ করে
ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।
সতর্কতা
➡️সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সরিষার তেল কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু ভেজাল সরিষার তেল আমাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে না। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ–বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

📱শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)

👉আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।

✅অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily

✅সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান,সুস্থ থাকুন,শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন

✅ শস্যের হাত ধরেই হোক আপ্নার পারিবারিক সুস্থতা



মধুর অসাধারণ উপকারিতা:✅স্বাস্থ্যকর➡️ মধু পুষ্টিকর এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে।✅প্রতিরক্ষ...
12/08/2024

মধুর অসাধারণ উপকারিতা:
✅স্বাস্থ্যকর
➡️ মধু পুষ্টিকর এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে।
✅প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে:
➡️ মধুর গুনাগুন ব্যবহার এন্টিব্যাক্টেরিয়াল ও এন্টিসেপ্টিক বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
✅ত্বকের স্বাস্থ্য
➡️মধুর মাধুর্যময় গুন ত্বকের জন্য ভালো। ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বকের অবশ্যই তাজা এবং উজ্জ্বল রাখে।
✅হৃদরোগ
➡️মধু হৃদয়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে, যেমন কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে।
✅পৌষ্টিক পোষক
➡️ মধু শক্তিশালী পৌষ্টিক পোষক, যা প্রাকৃতিক শক্তি সরবরাহ করে এবং শরীরের প্রতিটি অংশে সঠিক পরিমাণ শক্তি প্রদান করে।
📱শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)
👉আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।
✅অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily
✅সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান,সুস্থ থাকুন,শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন
✅ শস্যের হাত ধরেই হোক আপ্নার পারিবারিক সুস্থতা

আপনার টেবিলে রাখুন “হোয়াইট গোল্ড” ✅সাধারণভাবে লবণ বলতে আমরা বুঝি বাজারে যে খাদ্য লবণ আছে সেই লবণকে। কিন্তু পৃথিবীতে লবণে...
12/08/2024

আপনার টেবিলে রাখুন “হোয়াইট গোল্ড”

✅সাধারণভাবে লবণ বলতে আমরা বুঝি বাজারে যে খাদ্য লবণ আছে সেই লবণকে। কিন্তু পৃথিবীতে লবণের নানা রকম প্রকারভেদ আছে। এই পণ্যটি আমাদের জীবনে কতটা দরকারি তা রান্নায় লবণের পরিমাণ হেরফের হলেই বুঝা যায়। আমাদের দেহের নানা রকম মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের চাহিদা পূরণে লবণের ভূমিকা অতীব গূরুত্বপূর্ণ।

✅কিন্তু গোলাপি রঙের হিমালয় লবণের কাছে বিভিন্ন রান্নায় অপরিহার্য সাদা রঙের এই খাদ্য উপাদানটি হেরে যায় শুদ্ধতার নিরীখে। পিংক সল্ট বা হিমালয় লবণও বিভিন্ন রান্নায় স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া এর বিশ্বব্যাপী প্রসারের পেছনে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর অসামান্য উপকারিতা দায়ী। এজন্য এটি হোয়াইট গোল্ড নামেও পরিচিত বিশ্বব্যাপী।

পিংক সল্ট বা হিমালয় লবণ কি?

✅পাকিস্তান অংশের পাঞ্জাব থেকে উত্তোলন করা শিলা লবণকে বলা হয় হিমালয় লবণ। আজ থেকে প্রায় ২০০ মিলিয়ন বছর আগে হিমালয়ের লবণের স্ফটিক সমুদ্রতলে লাভায় নিমজ্জিত হয়ে গিয়েছিল। হাজার বছর ধরে বরফে চাপা পড়ে থাকায় দূষণ থেকে রক্ষা পেয়েছিল। যার ফলে এখন এটি একমাত্র অপরিশোধিত, প্রক্রিয়াবিহীন ও প্রাকৃতিকভাবে হাতে উত্তোলন করা হয় লবণ। আর এভাবেই এটি পরিণত হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ লবণে।

আপনার স্বাস্থ্যের জন্য হিমালয় লবণ কেন দরকার?

✅সমুদ্রতলে থাকার দরুণ হিমালয় লবণ প্রক্রিয়াজাত টেবিল লবণের চেয়ে বেশি খনিজ সমৃদ্ধ। ফসফরাস, ব্রোমিন, বোরন ও জিঙ্কসহ এতে প্রায় ৮৪ রকমের খনিজ উপাদান রয়েছে। এর স্ফটিক পাথরের হওয়ায় সূক্ষ্ম টেবিল লবণের চেয়েও বড় ও স্বল্প পরিমাণে সোডিয়াম সমৃদ্ধ।

✅প্রাকৃতিকভাবে আয়োডিনে সমৃদ্ধ হিমালয় লবণ শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য তৈরি করে, অন্ত্রকে পুষ্টি শোষণে সাহায্য করতে ও রক্তচাপ কমাতে খুব কার্যকর। এতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায়, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

✅এর প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে, হিমালয় লবণ গলায় যে কোনও ফোলাভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে। গরম পানিতে লবণটি দ্রবীভূত করে গার্গেল করলে ফোলাভাব সারতে পারে এবং যেকোনো জ্বালাপোড়া প্রশমিত হতে পারে। এছাড়াও পিংক সল্ট ডিটক্সিফিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। এটি প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার হিসাবে কাজ করে এবং শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সহায়তা করে।

✅পিংক সল্ট শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা নিরাময়ে সহায়তা করে। এটি বায়ুতে থাকা অ্যালার্জেন এবং দূষণকারী পদার্থ দূর করে। পিংক সল্টে থাকা খনিজ পদার্থগুলো হাড়ের ঘনত্ব এবং শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়ক।

✅বর্তমান সময়ের দুর্মূল্যের বাজারে আপনাদের একটু স্বস্তি দিতে পাশে রয়েছে শস্য। আমরা চেষ্টা করছি সাশ্রয়ী মূল্যে আপনাদের কাছে গুণগত মান সম্পন্ন পণ্য আপনাদের হাতে পৌঁছে দিতে।

📱শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)

👉আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।

✅অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily
✅সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান,সুস্থ থাকুন,শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন

বর্তমানে বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন এবং সরবরাহে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যার কারণে বাজারে খাদ্যদ্রব্যের সংকট সৃষ্টি হয়ে...
14/07/2024

বর্তমানে বাংলাদেশের খাদ্যশস্য উৎপাদন এবং সরবরাহে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে, যার কারণে বাজারে খাদ্যদ্রব্যের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকটের মূল কারণগুলো নিম্নরূপ:



1. ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়া: উন্নত কৃষি প্রযুক্তির অভাব, জলবায়ু পরিবর্তন, এবং কৃষকদের পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ার কারণে ফসলের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে।

2. প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বন্যা, খরা, এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়মিতভাবে ফসলের ক্ষতি করে। ফলে উৎপাদন কমে যাচ্ছে এবং বাজারে খাদ্যশস্যের সংকট দেখা দিচ্ছে।

3. অসাধু ব্যবসায়ীদের মজুতদারি: কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে খাদ্যদ্রব্য মজুত করে রাখে, যার ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং দাম বৃদ্ধি পায়।বাংলাদেশে বিভিন্ন ইভেন্ট বা সময় অনুযায়ী এই কৃত্রিম সংকট শুরু হয়। উদাহারণ হিসেবে বলা যায় যে, রোজার সময়, ঈদকে কেন্দ্র করে একটা সিজন, বন্যা বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম ব্যবহার করে উচ্চমূল্য স্থাপন কিংবা আমদানী চাহিদার উচ্চমুল্য দেখিয়ে কাস্টমারের কাছে বেশি দামে দ্রব্যমূল্য বিক্রি করা৷

4. সরবরাহ চেইনের সমস্যা: উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত খাদ্যশস্যের সরবরাহ চেইনে নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত সংরক্ষণ সুবিধার অভাব, পরিবহন সমস্যা, এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের অনৈতিক কার্যকলাপ।

5. সঠিক নীতি ও পরিকল্পনার অভাব: সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে সঠিক নীতি ও পরিকল্পনার অভাবেও খাদ্যশস্যের উৎপাদন ও সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়।

6. অর্থনৈতিক চাপ: খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে, যার ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান কমে যাচ্ছে এবং পুষ্টির অভাবে স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।

7. মানুষ এখন শহরমুখী হয়ে গিয়েছে৷ পূর্বে আমাদের বাপ দাদারা কৃষি কাজ করতো। বা কারও সাউড ব্যবসা হিসেবে কৃষি খাত ছিলো।কিন্তু দেখা গিয়েছে বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ শহর বিশেষ করে ঢাকা কেন্দ্রিক হওয়াতে কৃষি কাজ দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং চাকুরীজিবীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে কৃষজ পণ্যের উৎপাদন কম হওয়াতে, মার্কেট ডিমান্ড বেশি থাকার ফলেও ডিমান্ড-সাপ্লাই সঠিক না হওয়াতে প্রাইস বেড়ে যাচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ী এই শ্যাডো লুপহোলকে কাজে লাগিয়েই মূলত সিন্ডিকেট করে মার্কেটকে মনোপলি করে দিচ্ছে এবং এর ভুক্তিভোগী হচ্ছে সাধারণ জনগণ।

📱শস্য নিয়ে আপনার যেকোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন-01991793090 (২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে)

👉আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদেরকে সাশ্রয়ী মুল্যে বিশুদ্ধ খাদ্য প্রোভাইড করা।

✅অফার পেতে ও আমাদের প্রডাক্ট এবং সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমাররা কি বলছে তা জানতে জয়েন করুন ফেসবুক গ্রুপে https://www.facebook.com/groups/shosshofamily

✅সাশ্রয়ী মূল্যে বিশুদ্ধ খাবার খান,সুস্থ থাকুন,শস্য পরিবারের সাথেই থাকুন

Address

Gazipur
1704

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shossho - শস্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share