08/11/2024
#চেতনার_মৃত্যু
১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির মধ্য দিয়ে পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তান আলাদা হয়ে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র হিসেবে খন্ডিত হয় । সময়ের বিবর্তনে রাজনৈতিক এবং কুটনৈতিক সম্পর্কের কারনে এই দুই ভু-ক্ষন্ডে শুরু হয় একক আধিপত্য এবং একক শাসক গুষ্টির নির্মাণ অত্যাচার আর নির্যাতন নিপীড়ন।
শুরু টা ১৯৭০ এর আগ থেকে ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম দিয়ে । তখন পশ্চিম পাকিস্তান তথা বর্তমান পাকিস্তান । ৭০এর নির্বাচনে পিপলস্ পার্টি , আওয়ামী লীগের কাছে (শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ) অসংখ্য ভোটে হেরে যায় এবং জয় লাভ করে আওয়ামী লীগ কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তর এর ক্ষেত্রে ছিলো পশ্চিম পাকিস্তানের নানান তালবাহানা এর পর বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মধ্যে দিয়ে জাগিয়ে তুলে নির্যাতীত নিফিড়িত মানুষ মাঝে স্বাধীনতা নামক নতুন করে বাঁচার চেতনা.। এর পর ক্ষমতা লোভে আবার ও শেখ মুজিব ইয়াহিয়া খানের সাথে বৈঠক করতে চায় এবং ক্ষমতায়ন নিয়ে একটা মিমাংসীত সমাধান চায়। কিন্তু মুক্তি কামি জনতা তা কখনো শিকার করে নাই এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা উঠে তখন । শেখ মুজিবুর এর কথা " তিনি ইয়াহিয়া খান কে বলেন আমি আপনার সাথে গোল টেবিল বৈঠক না বসলে আপনি আমাকে গুলি করে মারবেন আর আমি আপনার সাথে বৈঠক বসলে বাংলার মুক্তিকামী জনতা আমাকে গুলি করে মারবে আমি এখন কি করবো "। ২৫শে মার্চের এর কালো রাত বাংলার মানুষের জন্য জেন এক মহা কাল বৈশাখী ঝড় নিয়ে আসে । নেতৃত্ব হীন ভাবে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে গঢ়ে উঠে একটা বড় বিস্ফোরক যার মধ্য দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানী হানাদার দের থেকে ৩০ লক্ষ্য মা বাবা ভাই বোনের জীবনের বিনিময়ে অর্জিত হয় একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। { এই মুক্তিযুদ্ধ কারো বাপের কিংবা কারো স্বামীর না এই মুক্তিযুদ্ধ ছিলো ঐসময়কার ৬ কোটি স্বাধীনতা কামি জনতার বরং এই মুক্তিযুদ্ধ কে মুখের ভুলি করে তারা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং স্বদেশ প্রেমের চেতনা চিরতরে মুছে দিতে চাইছে , হয়ছে অনেক সফল ও হয়েছে ।
৯০ এর অভ্যুত্থান আরো একটা চেতনার মৃত্যু ৭১ এর তো আরো আগে গিলে খেয়েছে তারা }
বাংলার মানুষ যতবার স্বাধীন ভাবে বাঁচার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হয় তখনি একটা মহল এসে আমাদের সেই স্বপ্নে বিভোক্তি ডুকিয়ে দেই ফলে কখনো আমাদের চাওয়ার সম্পূর্ণ মাধুর্যতা আমরা পাই নাই ।
চলেন ২০২৪ এর জুলাই মাস