এমসিএ গল্প পড়ি

এমসিএ গল্প পড়ি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from এমসিএ গল্প পড়ি, Grocers, Sylhet, Hobiganj.

21/12/2024

জঙ্গলের রাজা বাঘ মশাই ঢাকঢোল পিটিয়ে জানিয়ে দিলো - "কোনো শিশুকে নিরক্ষর রাখা চলবে না।। সবার জন্য যথাযথ শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে।।"

সব ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে হবে।। পড়াশুনা শেষ হলে,, সবাইকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।।

সব বাচ্ছারা স্কুলে এ্যডমিশন হয়ে গেলো।। রাজামশাইয়ের পার্সোনাল স্কুল ,, সবাইকে যথাযথ শিক্ষা দেওয়া হবে।।

শুরু হলো সর্ব শিক্ষা অভিযান!!

হাতির বাচ্চা স্কুলে এলো।‌। বাঁদর,, মাছ,, কচ্ছপ,, বিড়াল,,উঁট ,, জিরাফ,, সবার বাচ্ছা স্কুলে পৌঁছে গেলো।।

শুরু হলো ধুমধাম করে পড়াশোনা।‌।

"ফাষ্ট ইউনিট টেষ্ট" হলো।। হাতির বাচ্ছা ফেল।।

- "কোন সাবজেক্টে ফেল ??" হাতি এসে প্রশ্ন করে।‌।

-- "গাছে ওঠা" সাবজেক্টে ফেল করেছে।।"

হাতি পড়লো মহা চিন্তায়।। তার ছেলে ফেল ?? এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।।

শুরু হলো খোঁজাখুঁজি,, ভালো টিউটর পেতেই হবে।। সন্তানের শিক্ষার ব্যাপারে কোনো রকম কম্প্রোমাইজ করা যাবে না।।

হাতির এখন একটাই টেনশন,, যেভাবেই হোক,, ছেলেকে গাছে চড়া শেখাতে হবে !! "গাছে ওঠা' সাবজেক্টে টপার করে তুলতে হবে।।

ফাষ্ট সেশন অতিক্রান্ত।। ফাইনাল রেজাল্ট আউট হলো।। দেখা গেলো - হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, মাছ,, সবার বাচ্ছা ফেল।। বাঁদরের বাচ্ছা টপার হয়ে গেছে।।

প্রকাশ্য মঞ্চে বিভিন্ন গেষ্টদের আমন্ত্রিত করে,, বিরাট অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলো।। সেখানে টপার হিসাবে বাঁদরের বাচ্ছার গলায় মেডেল পরিয়ে দেওয়া হলো।।

বাঁদর আনন্দে আত্মহারা।। তার ছেলে টপার হয়েছে।। এ গাছ থেকে সে গাছে,, কি ভীষণ লাফালাফি করে চলেছে।।

চুড়ান্ত অপমানিত হয়ে হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, নিজ নিজ সন্তানকে দারুণ পিটুনি দিলো।। এতো টিউশন,, এতো খরচ,, এর পরেও চূড়ান্ত অসম্মান!!
তারা মেনে নিতে পারলো না।।

-- "ফাঁকিবাজ,, এতো চেষ্টা করেও তোর দ্বারা গাছে চড়া সম্ভব হলো না ?? নিকম্মা কোথাকার।। শেখ,, বাঁদরের বাচ্ছার কাছে শিক্ষা নে,, কিভাবে গাছে চড়তে হয়।।"

ফেল কিন্তু মাছের ছেলেও হয়ে গেছে।। সে আবার প্রত্যেক সাবজেক্টে ফেল,, কেবলমাত্র "সাঁতার" কাটা ছাড়া।।

প্রিন্সিপাল বললো -- "আপনার সন্তানের এ্যটেন্ডেন্স প্রবলেম।। পাঁচ মিনিটের বেশী ক্লাসে থাকতে পারে না।।"

মাছ নিজের সন্তানের দিকে ক্রোধান্বিত হয়ে তাকিয়ে রইলো।।

বাচ্ছা বলে --" মা-গো,, দম নিতে পারি না,, ভীষণ কষ্ট হয়।। আমার জন্য জলের মধ্যে কোনো স্কুল দেখলে হতো না ??"

মাছ বলে -- "চুপ কর বেয়াদব।। এতো ভালো স্কুল আর কোথাও খুঁজে পাবি না।। পড়াশোনায় মন দে,, স্কুল নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।।"

হাতি,, উঁট,, জিরাফ,, নিজের নিজের ফেলিওর বাচ্ছাকে পিটুনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরে চলেছে।। পথিমধ্যে বুড়ো খেঁকশিয়ালের সঙ্গে দেখা।।

শিয়াল বলে -- "আহা,, তোমরা মারো কেনো,, ছোট ছোট বাচ্ছাদের ??"

উঁট বলে - "মেরেই ফেলবো একে।। আমার মানসম্মান কিছু বজায় রাখলো না।।"

শিয়াল বলে -- "কি হয়েছে সেটা তো বলো ??"

হাতি বলে -- "এত বড়ো শরীর নিয়ে,, গাছে চড়তে পারলো না।। বাঁদরের ছেলে টপার হলো,, মান ইজ্জত কিছুই অবশিষ্ট থাকলো না।।"

শিয়াল অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে।।
-- "আচ্ছা,, তোমরা গাছে চড়তে পারো?? "

জিরাফ বলে -- "আমরা তো নিরক্ষর।। তখন এসব স্কুল-টুল ছিলো না।। থাকলে শিখে নিতাম,, অবশ্যই গাছে চড়তে পারতাম।।"

শিয়াল বলো -- "তোমাদের গাছে চড়ার কি প্রয়োজন সেটাই বুঝতে পারলাম না‌।। শোনো হাতি,, তুমি নিজের বিশালাকার শুঁড় উঠিয়ে ধরো,, গাছের সবচেয়ে বড়ো ফলটি পেড়ে ভক্ষণ করো।। তোমার গাছে ওঠা লাগবে না।।"

-- "উঁট ভাই,, তোমার অনেক উঁচু ঘাড় রয়েছে।। ঘাড় বাড়িয়ে দাও,, গাছের সর্বশ্রেষ্ঠ ফল,, পাতা পেড়ে খাও।।"

-- "বোন মাছ,, তোমার সন্তানকে নদীর স্কুলে ভর্তি করে দাও।। ওকে মনভরে সাঁতার কাটতে শেখাও।। দেখবে,, একদিন তোমার ছেলে নদী অতিক্রম করে সমুদ্রে পাড়ি দেবে।। সাত সমুদ্র পার করে,, তোমার নাম উজ্জ্বল করে দেবো।। ওকে রাজার স্কুলে মোটেও পাঠিও না।। ও মারা যাবে।।"

❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️❇️

মনে রাখতে হবে,, *শিক্ষা আপনার সন্তানের জন্য,, শিক্ষার জন্য আপনার সন্তান নয়*
প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কিছু না কিছু স্পেশালিটি আছে ।
আমাদের দায়িত্ব হলো, সেটা খুঁজে বের করা। তাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেওয়া। তাহলেই দেখবেন,, সে নিজেই নিজের গন্তব্য খুঁজে নেবে।

হাতির বাচ্ছাকে জোর করে গাছে চড়াতে যাবেন না। মনে রাখবেন , মাছের বাচ্ছা জল বিহীন স্কুলে গেলে দম ফেটে মারা যাবে।

শিক্ষা-দীক্ষা , খেলা-ধুলা, নাচ-গান, শিল্প-কলা, অভিনয়, ব্যাবসা,যে কোনো ক্ষেত্রেই হোক, সন্তানের প্রতিভার মূল্যায়ন করে নিন।‌ ওদের ইচ্ছেগুলো চিনে নিন, ওদের প্রতিভার মূল্য দিন।

আপনার দায়িত্ব শুধু একটাই, *সন্তানকে সদাচারণ, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও মানবতার শিক্ষা দিয়ে যাওয়া।*

লেখাটি সংগৃহীত

ছেলেদের সত্যিকারের ভালোবাসা চেনার উপায় কি? কিভাবে বুঝবেন যে, একটি ছেলে সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে কিনা? ১. বিশ্বা...
30/11/2024

ছেলেদের সত্যিকারের ভালোবাসা চেনার উপায় কি?
কিভাবে বুঝবেন যে, একটি ছেলে সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে কিনা?

১. বিশ্বাস এবং ভরসা: কোনো ছেলে যদি মন থেকে আপনাকে ভালোবেসে ফেলে, তবে সে আপনাকে বিশ্বাস এর উর্দ্ধে স্থান দেবে। অর্থাৎ সে আপনার উপরে ভরসা করবে, আপনার প্রতি তার অটুট বিশ্বাস থাকবে। আর তার আপনার প্রতি কতটা বিশ্বাস সেটা আপনি তার ব্যবহারে আপনি বুঝতে পারবেন।

২. মিস করা: একটি ছেলে যখন সত্যি সত্যি আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে তখন প্রতি মুহৃতে তার আপনার কথা মনে পড়বে। আসলে, প্রকৃত ভালোবাসাগুলো এমনই হয়, দুজনে যেখানে থাকুক না কেন একে অপরের কথা সারাক্ষণ ভাববে। বন্ধুদের সাথে আড্ডায় থাকলেও যে আপনার মেসেজের অপেক্ষায় বার বার ফোন চেক করবে। আপনার একটি মিস কলের অপেক্ষায় যে থাকবে।

৩. দুর্বলতা: একটি ছেলের সত্যিকারের ভালোবাসা বুঝার উপায় হচ্ছে তার দুর্বলতা সম্পর্কে বুঝা। সে যদি আপনাকে অনেক ভালোবাসে তবে সে আপনার প্রতি দূর্বল থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।

৪. গুরুত্ব বেড়ে যাওয়া: মানুষ সাধারণত শুনার চেয়ে বলতে বেশি পছন্দ করে। কোনো ছেলে আপনাকে মন থেকে ভালোবাসলে সে আপনার কথা বেশি শুনবে, এবং নিজে কম বলবে। সে আপনার সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে, আপনার কথার গুরুত্ব দিবে।

৫. পরিবর্তন লক্ষ করা: একটি ছেলে মন থেকে কাউকে ভালোবাসলে সে তার ভালোবাসার মানুষের জন্য নিজের সব খারাপ কাজ গুলো বাদ দিয়ে দিবে। হতে পারে, সে মেয়েটিকে কিছু বলবে না বা বুঝতেও দিবে না। কিন্তু মেয়েটিকে হারানোর ভয়ে সে তার সব খারাপ কাজগুলো থেকে দূরে সরে যাবে।

৬. অস্থিরতা লক্ষ করা: প্রথম প্রথম প্রেমে পড়লে যেকেউ অনেক অস্থির থাকে। তেমনি ছেলেরা কাউকে মন থেকে ভালোবাসলে তার ভালোবাসার মানুষটিকে নিজের ছোট ছোট কথাগুলো শেয়ার করার জন্য অস্থির হয়ে থাকবে। তার সব সিক্রেটস যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার সাথে শেয়ার করবে ততক্ষণ সে অস্থির থাকবে।

৭. খারাপদিক গুলো সম্পর্কে বলা: আমরা কেউ নিজেদের খারাপ দিকগুলো বাহিরে আসতে দেইনা। একটি সম্পর্কে অনেকসময় এই খারাপ দিক লুকানোর জন্য ভাঙন ধরে। যখন একটি ছেলে তার ভালোদিকের পাশাপাশি আপনাকে তার খারাপ দিক গুলোর ব্যাপারেও বলছে তখন সে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবাসে। কারণ সে জানে পরবর্তীতে আপনি তার খারাপ দিক গুলো জানলে কষ্ট পাবেন। আর তাই সে আপনাকে শুরুতে তার প্রত্যেক ভালো দিকের পাশাপাশি খারাপ দিক সম্পর্কে বলবে।

৮. ব্যস্ততার অজুহাত না দেওয়া: একটি ছেলে আপনাকে সত্যিকারের ভালোবেসে ফেললে সে আপনাকে কখনো ব্যস্ততার অজুহাত দেখাবে না। হতে পারে সে অনেক কাজে ব্যস্ত থাকে, কিন্তু প্রতিদিন হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে আপনার সাথে কথা বলতে চাইবে, দেখা করতে চাইবে।

৯. ঈর্ষা অনুভূতি : কোনো ছেলে যখন কোনো মেয়েকে সত্যিকারের ভালোবাসে তখন সে মেয়েটির সাথে সে অন্য কোনো ছেলেকে সহ্য করতে পারবে না। মেয়েটিকে কোনো ছেলের সাথে কথা বলতে দেখলে তার মাথা গরম হবে।

১০. কান্না: ছেলেরা সহজে কান্না করে না। যখন কোনো ছেলে আপনাকে ভালোবেসে কান্না করছে তখন সে সত্যিই আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসে। কারণ চোখের জল কখনো মিথ্যা বলতে পারে না।


゚viralシ

একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটাররক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকেএক ধরনের লালা মিশিয়ে দেয় রক্তে।যাতে হিরুডিন, ক্যালিক্...
28/11/2024

একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটার
রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকে
এক ধরনের লালা মিশিয়ে দেয় রক্তে।
যাতে হিরুডিন, ক্যালিক্রেইন, ক্যালিনের
মতো কিছু উৎসেচক থাকে। যা রক্তের দূষণ দূর
করতে সাহায্য করে।
জোঁক শরীরের পচনশীল অংশের দূষিত রক্ত দ্রুত শুষে নিয়ে নতুন রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে৷ । জোঁকের শরীর থেকে ডেস্টাবিলেস নামে এক ধরণের প্রোটিন প্রবেশ করে মানুষের দেহে। যা বহু জেদি জীবাণুকে মেরে ফেলে।
জয়েন্ট পেইনেও দারুণ কাজ করে জোঁক থেরাপি। ব্যথার জায়গায় কিছুক্ষণ জোঁক রাখলে রক্ত সরবরাহের উন্নতি হয়!

★আশা করি নতুন কিছু জানতে পেরেছেন

বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি পরামর্শ:১. বই পড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।২...
28/11/2024

বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি পরামর্শ:

১. বই পড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।

২. পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকরী উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।

৩. একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইন শা আল্লাহ।

৪. নতুন বইয়ের চাইতে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।

৫. জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।

৬. পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।

৭. একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।

৮. বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।

৯. পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।

১০. কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।

১১. যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।

১২. বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে অহেতুক পড়ে থাকেন।

১৩. সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।

১৪. ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।

১৫. একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।

১৬. বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয় সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।

১৭. বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।

১৮. একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।

১৯. কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।

২০. প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।

২১. বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।

২২. পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।

২৩. যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।

২৪. একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।

২৫. একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।

২৬. ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরিচে ঝাল বেশি হয়।

২৭. আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।

২৮. বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!

২৯. অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।

৩০. একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁ*থে থাকবে।

- সংগৃহীত

Address

Sylhet
Hobiganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এমসিএ গল্প পড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category