Colours of dreem

Colours of dreem Life is different colours

28/07/2023

মৃ'ত মায়ের কাছে অবুঝ মেয়ের খোলা চিঠি।
ওমা; তুমি নেই, তাও বেশ ভালো আছি।
নতুন মা আমায় ভীষণ ভালো খেতে দেয়...!
বাসী তরকারি, পঁচা ভাত আর নষ্ট ডালে আমার খুব ভালই পেট ভরে যায়।
মা, ওমা! জানো? আমি এখন শার্ট ধুঁতে পারি। তাই প্রতিদিন বাড়ি শুদ্ধু সব লোকের কাপড় ধুঁই আমি।
জানো মা.........
পড়তে এখন আমার আর ভালো লাগে না। আমার এখন আর কোন বই নেই, আমার এখন কোন
খাতা নেই, কলম নেই, নেই কোন স্কুল ব্যাগ।
জানো মা? আমার নতুন ছোট ভাইও আমায় প্রায় লাথি দেয়। আমায় ভীষণ ভালবাসে কিনা তাই...!
ওকে আমি প্রতিদিন জুতো মোজা পড়িয়ে দেই
মাঝে মাঝে ওর বন্ধুদেরও পড়াই, এতে আমার আনন্দ হয় মা।
তোমার দেয়া খাট-বিছানাটায় এখন ভাই শোয়।
ওঁর খুব পছন্দের ওটা। আমার কথা ভাবছো?
আমি সিঁড়ির নিচে মাঁদুড় পেতে শুই,
আমার একটুও কষ্ট হয়না...

মা জানো..?
ঈদ এলে আমি পুরনো কাপড় পাই।
সে কাপড়ে তোমার মেয়েকে রাজকুমারী দেখায় মা!
যে কিনা এক রাজ্যহীন রাজকুমারী!
মা জানো?
বৃষ্টি হলে মেঘ ডাকলে আমি আজও ভয় পাই, তোমার শেষ পড়নে যে কাপড় ছিল ওটা ঘর থেকে লুকিয়ে এনেছি গো মা,ওটা জুড়ে যে তোমার গন্ধ.........!
ঐগন্ধে আমার আর ভয় হয় না মা আমার....!
মনে হয় তুমি আমাকে জড়িয়ে রেখেছ বুকে।

একটা কথা রাখবে?
আমায় কয়েকদিনের ছুঁটির ব্যবস্থা করে দেবে???তোমার কাছে গিয়ে থাকব দু'দিন একটু
শান্তিতে ঘুমাব তোমার বুকে.....

#একটা_ছোট_মেয়ের_আতৃকাহিনী

08/01/2023

স্বামী ও স্ত্রীর ঝগ'ড়া🤣

স্বামী :- আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম😁😁🥴🙄
গাছে মৌ,
আগে জানলে আনতাম না এমন ঝগড়াটে বউ।
স্ত্রী :- নোটন নোটন পায়রাগুলো ঝোটন
বেধেছে...🤭🤭
আমাকে বিয়ে করতে তোমায় কে বলেছে?
স্বামী :- ঐ দেখা যায় তালগাছ, ঐ আমাদের
গা,
বিয়ের আগে ল/ক্ষী মেয়ে কিছুই চাইতো না।"
স্ত্রী :- নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে, তিল ঠাই
আর নাহিরে,
তোমার মতো কি/পটা স্বামী আর দেখিনি
রে।
স্বামী :- মেঘের কোলে রোদ হেসেছে
বাদল
গেছে টুটি,
তোমার মতো দ/জ্জা/ল বউকে দিতেই হবে
ছুটি.
স্ত্রী :- তুলি দুই হাত করি মোনাজাত, হে
রহিম রহমান,
আমার ব/জ্জা/ত স্বামীটা আমায়, করে যেন
সম্মান।
স্বামী :- আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল
তুলিতে যাই,
বিয়ের পরে এখন শুধু করে খাই খাই।
স্ত্রী :-ছিপখান তিন দাড় তিন জন
মাল্লা,
কি আছে কপালে জানেন শুধু আল্লাহ।
স্বামী :- ভোর হলো দোর খোল, খুকুমণি
উঠরে,
ভাল যদি না লাগে বাপের বাড়ি ছোটরে।
স্ত্রী :- আগডুম বাগডুম ঘোড়ার ডুম সাজে,
আগে বুঝিনি তুমি এত বাজে।
স্বামী :-আয় বৃষ্টি ঝেপে, ধান দেবো
মেপে,
আর বেশি চি/ল্লাইলে ধরবো গ'লা চেপে।
স্ত্রী :- সবার সুখে হাসবো আমি, কাদবো
সবার দুঃখে
আর বেশি কথা বললে,টেপ মে/রে দেব মুখে!😷 🥴

29/12/2022

বড় ভাইয়ার বন্ধুর ঘরে বউ সেজে বসে আছি আমি। তার অপেক্ষা করছি। এইতো কয়েকঘন্টা আগে ভাইয়ার প্রিয়তম বন্ধুর সাথে বিয়ে হয়েছে আমার। তার সাথে বিয়ে হবে কখনো ভাবিনি!

অনেকক্ষণ ধরে থাকতে থাকতে একঘেমি এসেছে। তাই না পেরে উঠে দাঁড়ালাম। উইন্ডো দিয়ে বাইরটা সৌন্দর্যটা দৃশ্যমান হয়েছে আমার চোখ যুগলে। চেরি ব্লসম এখনি ফুটতে শুরু করেছে। সৌন্দর্যতা, স্নিগ্ধতা বাড়াতেই যেন এর আগমন। কানাডায় সময়টা শীতকালের যাচ্ছে। অন্তিম প্রহর। আকাশে মেঘের ভেলায় ভেসে বেড়াচ্ছে। চাঁদ আড়াল হয়ে বসে আছে মেঘের উল্টোপিঠে। ভূমিতে রঞ্জিত হয়েছে শ্বেতবর্ণে। শুভ্রলতা ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিকে। উপর থেকে হেলে দুলে নেমে আসছে শুভ্র তুষার। ক্ষীণ ভাবে।

ভাইয়ের বন্ধুর সাথে বিয়ে! কথাটা শুনতেই কেমন মনে হচ্ছে না যে, হয়তো প্রেমের বিয়ে? কিংবা সে আমায় আগে থেকে পছন্দ করে? কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হলো উনি ভাইয়ার বন্ধু হলেও আমরা বিয়ের আগে কেউ কাউকে দেখিনি, শুধুমাত্র বিয়ের জন্য ছাড়া। রাইসান অহর্নিশ! নামটার প্রতি আগে এতটা আকর্ষণ ছিল না, কিন্তু এখন এই নামটা জুড়ে গেছে আমার নামের সাথে। উনার নাম শুনেছিলাম সর্বপ্রথম ভাইয়ার থেকে। কিন্তু সামনাসামনি আগে কখনো দেখিনি। কারণ উনি কখনো আমাদের বাসায় আসতেন না। আসলে মেইন কথা ভাইয়া কখনো আমি থাকা অবস্থায় বন্ধুকে বাসায় নিয়ে আসতেন না। তবে ভাইয়া আর আমার বেশ মিল হওয়ায় ভাইয়ার থেকে ওনার অনেক কথা ই শুনেছি। ভাইয়ার যখন তার ফোনে আমাকে ছবি দেখাতো।

আমি ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করতাম।আর যাতায়াতের সুবিধার্থে ওখানে থাকতাম। কানাডার আলবার্টা প্রদেশের রাজধানী এডমন্টন। এডমন্টন শহরে থাকে আমার ফ্যামিলি। মাঝে মাঝে ছুটির দিনে বাসায় আসতাম। পড়ালেখা শেষে একবারের জন্য চলে এলাম। তখন আব্বু আর আম্মু একত্রে তাদের মনোভাবনা আমার সামনে উপস্থাপন করলেন যে, তারা আমার বিয়ে দিতে চায়। বিয়ে নিয়ে আমার কোনো আপত্তি ছিল না। সম্মতি দিয়েছিলাম। বিয়ে! অর্ধেক দ্বীন। করতে তো হবেই একদিন।

আব্বু আম্মু চাইতেন একজন কানাডায় থাকা বাঙালির সাথে আমার বিয়ে হোক। আমাদের মতো। যাতে বিয়ের পর আমি কানাডায় থাকতে পারি তাদের কাছাকাছি। কানাডায় বাংলাদেশী ছেলে খুঁজে পাওয়াটা অনেক টাফ ছিল, পেলেও সে কেমন হবে এইসব নিয়ে দুশ্চিন্তা! এভাবেই কেটে যায় বেশ কয়েকদিন। হঠাৎ একদিন ভাইয়া তার বন্ধুর কথা বাসায় বলল। তার বন্ধু ফ্যামিলিতেও তার ভাইয়ের জন্য মেয়ে খুঁজছে।

রাইসানরা কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের ভ্যানকুভার শহরে থাকে। এডমন্টন থেকে ভ্যানকুভার ১৩ ঘণ্টার রাস্তা প্রায় (গাড়িতে)! ওনারা ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে আছেন কানাডায়। একই ইউনিভার্সিটিতে পড়ায় ওনার আর ভাইয়ার সম্পর্ক খুব নিবিড়! রাইসান ভীষণ ভালো ছেলে, তার চরিত্র ভালো, ফ্যামিলি স্ট্যাটাসও ভালো, তার সাথে বিয়ে হলে আমি সুখে থাকবো, ভাইয়া এটার নিশ্চয়তা দিয়েছিল আব্বু-আম্মুকে। ভাইয়ার মুখে রাইসানের কথা শুনে আব্বু আম্মু দুজনই বেশ খুশি হয়েছিলেন। তখন জানতে পারলাম আমি বাসায় না থাকা অবস্থায় বেশ অনেকবার এসেছিলেন উনি। আব্বুর সাথেও তার সম্পর্ক বেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ।

আর এভাবেই তাদের সাথে বিয়ের কথাবার্তা শুরু হলো। যেহেতু আমরা দুজন দুজনকে আগে দেখিনি তাই ওনারা আমাদের বাসায় আসেন। যেমনটা বাংলাদেশে ' পাত্রী দেখা ' হয়ে থাকে। আমরা তো বাঙালি ই। ভিনদেশে থাকলেও নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাইনি। উনি ওনার বোন, আর ওনার মা আসেন। হিজাব পরে মাথা নিচু করে বসে ছিলাম আমি। অ্যান্টি আর আপুর আমাকে বেশ পছন্দ হয়েছে। ওনাকে একবারের জন্যও দেখিনি আমার দিকে দৃষ্টিপাত দিয়েছে। আমি ধরে নিয়েছিলাম উনি আমায় বিয়ে করতে আগ্রহী নন। তারপর সময় এলো আমাদের একসাথে আলাদা কথা বলার। আমি স্বাভাবিক ভাবেই ঘরে যাই। দুজন কিছুটা দূরত্ব নিয়ে বসে ছিলাম। নীরবতা বিদ্যমান ছিল। ঘরে আমার ভাইয়ার এক বছরের ছোট মেয়ে ঘুমিয়ে থাকায় উনি ধীর কণ্ঠে কথা বলেছিলেন। পরপর এক সাথে তিনটে প্রশ্ন করলেন, ' আমায় বিয়ে করতে স্বেচ্ছায় রাজি আপনি? আপনাকে কী কোনো রকম ফোর্স হচ্ছে? আমাকে আপনার পছন্দ হয়েছে? অ্যাজ আ লাইফ পার্টনার।'

প্রথম দুটোর প্রশ্ন চটজলদি দিয়ে দেই। কিন্তু তৃতীয়টার বেলায় লজ্জা পেয়ে আড়ষ্ট হয়ে যাই। হয়তো বুঝে গেছিলেন উনি। তাই আর কিছু বলেন নি। মনে অনেক প্রশ্ন থাকলেও তা আর করতে পারিনি। উনি প্রশ্ন করলেন, ' আপনার কোনো প্রশ্ন?'

আমি আড়চোখে তার পানে অবলোকন করলাম। উনি আমার দিকে দৃষ্টিপাত দেননি। অন্য দিকে ফিরে আছে। আমি মাথা নাড়িয়ে মৃদু স্বরে বললাম, ' নাহ।'

বলে নতজানু হলাম। যা জানার ভাইয়ার থেকে নিব। তখন এতটাই লজ্জা লাগছিল যে ওনার সাথে কথা বলতে পারতাম না। উনি দাড়ালেন। রুম থেকে বের হলেন। আমিও হলাম। তারপর সবার সামনে নিজের মত জানালেন উনি রাজি। আমিও সম্মতি দিলাম। তারপর বিয়ে ঠিক হলো, একটু তাড়াতাড়ি ই। সময়ের ধারা নিজ গতিতে বলল আর আমার বিয়ের সময় ঘনিয়ে এলো। আমাদের বিয়েটা অনেকটা বাংলাদেশের মতনই হয়েছে। ভিনদেশে কেউ না থাকায় তার ফ্যামিলি আর আমার ফ্যামিলির সদস্য মিলেই ঘেরোয়া ভাবে বিয়ে হয়েছে।

বাইরের ল্যাম্পপোস্টের হালকা হলদে আলোয় আলোকিত হয়েছে। তুষারের তুলো তুলো বরফের রাশি দলা দুলে দুলে নামছে নীচে। পাশের রয়েছে চেরি ফুলের গাছ। চেরি ব্লসম ফুলে সৌন্দর্য টা বেশি হয়েছে। কানে শব্দ প্রতিধ্বনি হলো। দরজার দিকে চেয়ে তাকালাম। উনি এসেছেন। আমার হৃৎস্পন্দন দ্রুত গতিতে হতে লাগল। ঢোক গিললাম আমি। উনি মুখে বিরক্তিকর ছাপ নিয়ে প্রবেশ করলেন। আমার দিকে দৃষ্টি দিতেই আমি দৃষ্টি নামিয়ে ফেললাম। অবিন্যস্ত, চঞ্চল দৃষ্টিপাত তার! উনি ভ্রু জোড়া কুঞ্চিত করে বললেন,

'ওখানে দাঁড়িয়ে আছো কেনো? এদিকে আসো।'

আমি নীরবতা পালন করলাম, উত্তর দিলাম না। দূরত্ব কমিয়ে ধীর পদচারণে নিকটস্থ এলাম। উনি আমার অপাদমস্তক দেখে মুখটা ব্যাঙ্গাত্মক করে বললেন,

' সেন্টি খাচ্ছো কেনো? সেন্টি?'

আমি ভ্রু কুঁচকে তাকালাম।

' যাও চেঞ্জ করে আসে আগে। এখনও করো নি কেন?'

আমি সূক্ষ্ণ দৃষ্টে তাকালাম। ওনার কথার কণ্ঠস্বর ও ভঙ্গিটা কেমন অদ্ভুত লাগল আমার। রুঢ় অনেকটা। যেহেতু আমাদের দ্বিতীয়বার কথা হচ্ছে ওনার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে থাকতে পারলাম না। আমি ক্ষীণ সময় নিয়ে মৃদু কণ্ঠে বললাম,

' কেউ তো চেঞ্জ করতে বলে নি, তাই করিনি।'

উনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তারপর ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করলেন,

' সেন্টি পালটা জবাব দিতেও জানে?'

বলে হাসলেন। দৃপ্তমান, উজ্জ্বল হাসি! ওনার হাসির কারণ হতে পেরে অন্তর্হিতে এক অজানা ভালোলাগা কাজ করলো। হয়তো এক প্রণয় সংঘটিত সম্পর্কে জড়িয়েছি তাই! আমি ভ্রু জোড়া কুঞ্চিত করে নীরস স্বরে প্রশ্ন ছুড়লাম,

' আপনি আমাকে সেন্টি বলে সম্মোধন করছেন কেন? তিনটে সুন্দর নাম আছে আমার।'

কথাটায় যেনো উষ্মা ছড়িয়ে পড়লো। উনি ফের হাসলেন। দুর্বোধ্য হাসি তার। আমার দিকে কিঞ্চিৎ ঝুঁকে লহু স্বরে আওড়ালেন,

' এই যে তুমি সেন্টিখোর। বার বার সেন্টি খাচ্ছো। তাই তুমি সেন্টি! তিনের পাশে এক যোগ করে নাও। ধরে নাও ফাস্ট নাইটের গিফট আমার তরফ থেকে।'

নির্বিকার ভঙ্গি। অসহ্য! এখন কি সারাজীবন আমাকে সেন্টি বলে ডাকবে নাকি? আমি সেন্টি খেলাম কোথায়? '

উনি পশ্চাৎ দিকে ঘুরে বসলেন। আমায় নির্দেশনা করে বললেন,

' বসো, কথা বলি।'

আমি কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে বললাম। উনি ওনার পশ্চাৎ দিকে হেলান দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন,

' আমার নাম জানো তো সেন্টি? '

ওনার পানে তাকালাম। অতঃপর আবার নুইয়ে গেলাম। মাথা নাড়ালাম। যার অর্থ সম্মতি! উনি বললেন,

' তুমি আমায় অহর্নিশ বলে ডাকতে পারো। চাইলে নিজের পছন্দের নামও দিতে পারো।'

বলে হাসলেন। আমি স্বাভাবিক ভাবে রইলাম। উনি আমার কাছাকাছি এলেন। এক হাতে জড়িয়ে ধরলেন। ক্ষীণ হতবিহ্বল, ক্ষীণ অস্বস্তি বোধ করলাম। উনি নম্র কণ্ঠে বললেন,

' তোমার পাস্টে কেউ ছিল, না ছিল; সে ব্যাপারে আমার জানার কোনো ইন্টারেস্ট নেই। তোমার বর্তমান ও ভবিষ্যত আমার। শুধুমাত্র আমার।'

' এমনিতেও আমার পাস্টে কেউ ছিলোও না।'

অকপটে বললাম আমি। উনি স্মিত হাসলেন। ক্ষীণ সময় নিলেন। আরও ঘনিষ্ট হলেন। অতঃপর নম্র কণ্ঠে বললেন,

' শোনো, আমার মতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভালোবাসা! আর এই ভালোবাসার ভিত্তি তিনটি বিষয় থাকা খুবই প্রয়োজন। ১.বিশ্বাস, ২.সততা, ৩. সম্মান। এই তিনটির কোনো একটি সম্পর্কে কম থাকলে সেই সম্পর্ক অচল হয়ে পড়ে। ঠিক ঘুন ধরা কাঠের মতো। '

আমি কিছু বললাম না। ঠোঁট প্রসারিত করলাম শুধু। উনি আমাকে বললেন, ' যাও চেঞ্জ করে আসো।'

আমি দ্রুত চেঞ্জ করে এলাম। উনি আমার দিকে স্নিগ্ধ দৃষ্টি দিয়ে ছিলেন। হঠাৎ একটা বিকট শব্দ হলো। যেন কেউ জানালায় কোনো কঠিন বস্তু দিয়ে মেরেছে। আমি দ্রুত গতিতে জানালার কাছে যাবো তখনই অহর্নিশ উৎকন্ঠিত হয়ে বলল,

' ওখানে যেও না তানজিদা। '

ওনার কথা তোয়াক্কা না করে গেলাম। তৎক্ষনাৎ জানালার বাইরে দেখতে পেলাম একটা ছায়ামূর্তি।

প্রেমিক প্রেমিকা-০১

( যারা পড়বেন তাদের রেসপন্স করার অনুরোধ করছি)

28/12/2022

ইসলামের সৌন্দর্য

28/12/2022
28/12/2022

আমার খালাতো বোন গতকাল রাতে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তাই নিয়ে সকাল থেকে মায়ের কাছে হাহুতাশ শুনে কানটা পঁচে গেছে। তারমধ্যে আবার খালা এসে উপস্থিত।
আমার কাছে এসে বললো,

" তোর তো বন্ধুর বান্ধবের অভাব নেই , তুই একটু সবাইকে নিয়ে শহরের মধ্যে খুঁজে দেখ না। আমার মনে হয় ওরা এই শহরের মধ্যে আছে। "

" বললাম , খালা বর্তমানে তেলের যে দাম। বন্ধুদের নিয়ে সারা শহরের মধ্যে খুঁজলে কতো টাকার পেট্রোল লাগবে জানো? আমি বেকার মানুষ , কোই পাবো এতো পেট্রোল কেনার টাকা। "

খালা সঙ্গে সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা আমার কাছে দিয়ে বললো ,
" যা লাগে কিনে নিস। তুই একটু খুঁজে বের কর তো ওকে। একবার পেলে ওকে পরোটার মতো তেলে ভাজা ভাজা করবো। "

খালার সামনেই মোবাইলে বারবার কল আসছিল। খালা আমার রুম থেকে বের হতেই আমি কলটা রিসিভ করলাম। কল করেছে খালাতো বোন।

" বললাম , কিরে কতদূর? "

" আমরা এইমাত্র ঢাকা পৌঁছলাম। তুমি সাহায্য না করলে কিছুতেই পালাতে পারতাম না। থ্যাংক ইউ। আমরা তোমাকে সবসময় মনে রাখবো। "

" আচ্ছা ঠিক আছে , তোর মা তো আমাকে পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে গেছে। বলছে বাইকে পেট্রোল ভরে তোকে যেন আমাদের শহর থেকে খুঁজে বের করি। "

" যাও তাহলে , খুঁজে আনো। "

মোঃ সাইফুল ইসলাম
# #রম্যগল্প।।।।

27/12/2022

' কাল থেকে আমার মেয়েকে আর পড়াতে এসো না তুমি। আমার মেয়ের আর টিউটরের দরকার নেই।'

ফারিয়া কে পড়াচ্ছিলাম এমন সময় আন্টি এসে কথাটা বললেন। পড়ানো বাদ দিয়ে আন্টির দিকে তাকিয়ে বললাম,,

' আমার পড়ানো কি খারাপ হচ্ছে আন্টি? আমি আরো ভালো করে পড়ানোর চেষ্টা করবো কিন্তু আমাকে এভাবে বাদ দিয়ে দেবেন না প্লিজ।'

' দেখো তাসনিয়া আমি তোমার সাথে এতো কথা বলতে চাইছি না। তোমার চালচলন আমার ভালো লাগে না, তোমার কাছে আমার মেয়ে পড়লে ও তোমার মতোই গেঁয়ো স্বভাবের হয়ে যাবে যেটা আমি একদম চাই না। এই নাও তোমার মাসের বেতন। পাঁচ হাজারের চেয়ে একটু বেশিই আছে এখানে,মাস শেষ হওয়ার আগেই দিয়ে দিলাম তোমাকে। এখন তুমি এসো।'

আন্টির কথা শুনে হাত বাড়িয়ে টাকা গুলো নিতে বিবেকে বাঁধল আমার। উঠে দাঁড়িয়ে টাকাগুলো আন্টির হাতের মুঠোয় গুঁজে দিয়ে বললাম,,

' আপনার মেয়েকে আর যখন পড়াতেই পারবো না তখন আর এই টাকাগুলো নিতে পারি না আমি। এই টাকা দিয়ে আপনি ফারিয়া কে পুতুল কিনে দিয়েন,ও খুশি হবে।'

আর এক মুহূর্তও দেরি না করে দোতলা ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাট বাড়িটা থেকে বেরিয়ে এলাম।রাত আটটা ছুঁই ছুঁই করছে। মেইন রোডের পাশে স্টুডেন্টের বাড়ি হওয়ায় আসা যাওয়ায় কোন সমস্যা হয়নি আমার। বাড়ির সামনে থেকেই একটা রিকশা নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিলাম। একবার ঘুরে তাকাতেই দেখি আন্টি মুখ কালো করে বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আমাকেই দেখছেন, মুখের উপর ওভাবে টাকাটা ফিরিয়ে দেবো এটা তিনি আমার কাছে ঠিক আশা করেননি।আমি তাসনিয়া রহমান স্নিগ্ধা, এবার অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা করে অনার্স এ এসে উদ্ভিদ বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছি। পড়াশোনায় আমি যথেষ্ট ভালো বলে আমার পরিচিত একজন একটা টিউশনি জোগাড় করে দিয়েছে।মাস দুয়েক ভালোই চলছিল কিন্তু এখন তিন মাসের মাঝামাঝি এসে আন্টি আমাকে মানা করে দিলেন। শান্ত হয়ে রিকশায় বসে রইলাম।এক ঘন্টা পর রিকশা আমার বাড়ির গেটের সামনে এসে দাড়ালো,ভাড়াটা দিয়ে বাসায় ঢুকতে যাবো ঠিক তখনই মা এসে আমার হাত ধরে টেনে গেটের বাইরে নিয়ে এলো।

' মা, কি করছো তুমি? আমার লাগছে তো।'

' চুপ। তুই এখন বাড়িতে ঢুকবি না তাসনিয়া।তোর বোন তাহমিমা কে দেখতে এসেছে পাত্র পক্ষের লোকজন,এর মধ্যে তুই বাড়িতে ঢুকলে ওরা যদি ওকে বাদ দিয়ে তোরে পছন্দ করে তাহলে তাহমিমা কে বিয়ে দিবো কিভাবে?এমনিতেও তুই আমার মেয়ের মতো এতো আধুনিক না হলেও রূপের বাহার বেশ ভালোই আছে তোর। এখন তুই কোথাও একটা চলে যা, পরে বাড়িতে আসিস।'

হাত ছেড়ে দিয়ে মা বাড়ির ভিতরে ঢুকে গেল। আমি গেটের বাইরেই মাটিতে বসে পড়লাম। এইমাত্র যিনি আমাকে বাড়িতে ঢুকতে মানা করলেন তিনি আমার নতুন মা। খুব ছোট বেলায় মা মা'রা যাওয়ার পর বাবা এই মহিলাকে বিয়ে করে নিয়ে এসেছিল আমাদের বাসায়। বিয়ের পর কয়েকমাস আমাকে খুব আদর করলেও যখন নতুন মায়ের কোলে আরেকটা মেয়ে এলো তখন থেকেই বাবার আদর আমার জন্য হারাম হয়ে গেল সাথে নতুন মায়ের আদর ও। বাবার সব আদর সৎ বোনের কপালে জুটল, আমি বাবার মেয়ে এটা শুধু কাগজে কলমে ছিল।বাস্তবিকে আমি বাড়ির কাজের মেয়ে হয়ে গেলাম। আস্তে আস্তে বাড়ির সব কাজ আমাকে দিয়ে করানো শুরু করলো মা। তখন তো খুব ছোট ছিলাম, ঠিক ভাবে কাজ করতে পারতাম না তার জন্য কত মা'র খেয়েছি নতুন মায়ের হাতে তার হিসাব নেই। ধীরে ধীরে বড় হতে লাগলাম আর সব কাজ শিখে গেলাম। বোন আমার মাত্র তিন বছরের ছোট হলেও ওকে দিয়ে মা কুটো টাও ছিঁড়ায় না।যদি ভুল করে ওকে কিছু করতে বলি তাহলে হয় আমার কপালে এক বেলার খাবার বন্ধ থাকে না হয় মায়ের মা'র খেতে হয়। কিছুদিন আগে নতুন মায়ের বোন এসে জুটেছে আমাদের বাড়িতে। খালার চরিত্র ভাল না দেখে উনার স্বামী উনাকে তালাক দেন,আর উনি আশ্রয় নিতে আমাদের বাসায় এসে থাকতে শুরু করলেন।যখন তখন সবার সামনে আমাকে এমন ভাবে হুকুম করেন যেন তিনি ই এ বাড়ির মালকিন, আর উনার কথা না শুনে ও উপায় নেই। বাবার কাছে নাহলে মায়ের কাছে ঠিক বিচার দিবেন তিনি আর তারপর বাবা আমার কাছে কিছু না শুনেই মা'র'ধ'র করবেন।

কিছুক্ষণ মাটিতে ওভাবেই বসে বসে স্মৃতিচারণ করছিলাম তখন আমার বান্ধবী নীলু কল দিলো।ব্যাগ থেকে ফোন টা বের করে রিসিভ করতে,,,,

' হ্যালো তাসু!তোর জন্য একটা সুখবর আছে।তার আগে বল আন্টি কোথায়, আগে আন্টি কে খবর টা দেওয়া দরকার।'

' কি খবর, আগে আমাকে বল শুনি।আর মা এখন বাসায় আছে, আমি বাইরে গেটের সামনে বসে আছি।'

' আরে ইয়ার, আন্টির হক আগে। তুই তাড়াতাড়ি আন্টিকে গিয়ে ফোন টা দেতো, আমার আর তর সইছে না খবরটা দেওয়ার জন্য। আন্টির কাছে পৌঁছে আমাকে কল দিস।'

নীলু কল কেটে দিল। আমি মাটি থেকে উঠে দাঁড়িয়ে কাপড় থেকে ধুলা ঝেড়ে নিয়ে গায়ের কাপড় ঠিক করে নিলাম।নীলু কি বলবে মা'কে কে জানে,কি এমন সুখবর যেটা আমার আগে মা'কে জানতে হবে? অন্যমনস্ক হয়ে ভাবতে ভাবতে বাড়ির দিকে ঢুকছিলাম এমন সময় আচমকা কারো সাথে ধাক্কায় মাটিতে পড়ে যেতে নিলাম। হঠাৎ করে এভাবে ধাক্কা খেয়ে ও মাটিতে পড়িনি দেখে আস্তে আস্তে চোখ খুললাম, দেখি একটা সুদর্শন পুরুষ আমার কোমরে হাত দিয়ে আধ জড়িয়ে ধরে আছে। চোখে মুখে বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে, আমি ভয় পেয়ে গেলাম ওভাবে উনাকে তাকাতে দেখে। দুহাতে সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে চাইলাম কিন্তু তার আগেই লোকটা আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো,,,,,

' একটা মানুষ কে ধাক্কা দিতে যেটুকু শক্তির প্রয়োজন হয় মিনিমাম সেই টুকু শক্তি ও তোমার মধ্যে নেই।ভাত খাও তো নাকি হাওয়া খেয়ে বাঁচো?'

নিজেকে সামলে নিয়ে রেগে গিয়ে কিছু বলতে যাবো তখনই আমার ফোনে নীলু কল দিলো আবার উনার ফোনে ও কল এলো আর উনি ফোনে কথা বলতে বলতে গেটের দিকে চলে গেলেন।যাওয়ার সময় একবার আমার দিকে ঘুরে তাকিয়ে আবার চলে গেল। উনি যাওয়ার সাথে সাথেই নীলু আবার কল দিল, কলটা রিসিভ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে দেখি মা দাঁড়িয়ে আছে।ঢোক গিললাম একটা,মা আবার ওই লোকটার সাথে আমাকে দেখেনি তো। এদিকে নীলু হ্যালো হ্যালো করে চলেছে আমার ওদিকে কোন খেয়াল নেই, ভয়ার্ত হরিনীর মতো চোখ নিয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে রইলাম আমি।

' কে কল করছে তোকে?কথা না বলে আমার দিকে তাকিয়ে আমার মুখ কি দেখছিস তুই।'

' হ হহ্যা,নী নীলু কল করেছে, তোমার সাথে কথা বলতে চায়।'

' দে।' বলে মা আমার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে কথা বলতে বলতে বাগানের দিকে এগিয়ে গেল।স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে মায়ের কাছে গেলাম।মা কিছু দেখেনি সেটাই শান্তি, নাহলে আজ আর বাড়িতে ঢুকা হতো না আর। কিছুক্ষণ পর মা কথা বলে আমাকে ফোন ফিরিয়ে দিয়ে বললো,,,,

' ছেলে টা তোকে কি বলছিল তাসনিয়া?'

চমকে উঠলাম মায়ের কথায়,মা তাহলে ওই লোকটার সাথে আমাকে দেখে নিয়েছে। হার্টবিট ফার্স্ট কাজ করছে আমার, শরীর ঘামতে শুরু করলো। জানি না আজকে কপালে কি লেখা আছে আমার, মা'কে দেখতে ই হলো এই ব্যাপারটা?

চলবে ______________________ ইনশাআল্লাহ

#প্রণয়ের বিরহে...... পর্ব-০১
তাসনিয়া রহমান স্নিগ্ধা।।।।।।

Address

Jessore Sodor Ali Rode 01
Jessore
JESSORESODORJESSORE

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Colours of dreem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Colours of dreem:

Share

Category