FamilyMart.xyz

FamilyMart.xyz Online SuperShop. Order Grocery online with Fast home delivery, save money, save time. Our service only available now in Jessore City Corporation.

🥥 ডাবের পানি — প্রাকৃতিক ইফতার ড্রিংক🌙 রোজার পর শরীরের যা দরকার — ডাবেই আছেদীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরে ৩টি বড় ঘা...
28/02/2026

🥥 ডাবের পানি — প্রাকৃতিক ইফতার ড্রিংক
🌙 রোজার পর শরীরের যা দরকার — ডাবেই আছে
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরে ৩টি বড় ঘাটতি তৈরি হয়:
পানি (ডিহাইড্রেশন)
ইলেক্ট্রোলাইট (পটাশিয়াম, সোডিয়াম)
গ্লুকোজ (শক্তি)
👉 ডাবের পানি এই তিনটিই একসাথে পূরণ করে —
এ কারণেই এটাকে “Natural Oral Rehydration Drink” বলা হয়।
✅ ইফতারে ডাবের পানি খাওয়ার ৭টি বড় উপকার
1️⃣ দ্রুত পানিশূন্যতা দূর করে
ডাবের পানিতে ৯৫% পানি + প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট
👉 রোজার পর শরীর দ্রুত হাইড্রেট হয়
👉 মাথা ব্যথা, দুর্বলতা কমে
2️⃣ হার্ট ও রক্তচাপের জন্য ভালো
ডাবের পানিতে পটাশিয়াম খুব বেশি
👉 সোডিয়ামের প্রভাব ব্যালেন্স করে
👉 রোজার পর হঠাৎ ব্লাড প্রেসার ওঠানামা কমায়
3️⃣ প্রাকৃতিক এনার্জি দেয় — কিন্তু চিনির ঝুঁকি নেই
ইফতারের শরবত/সফট ড্রিংক = রিফাইন্ড চিনি
ডাবের পানি = প্রাকৃতিক গ্লুকোজ + ফ্রুক্টোজ
👉 ইনসুলিন স্পাইক কম
👉 শরীরে ধীরে শক্তি দেয়
4️⃣ পেটের জন্য অত্যন্ত হালকা
রোজার পর ভাজাপোড়া খেলে এসিডিটি/গ্যাস হয়
ডাবের পানি:
অ্যালকালাইন প্রকৃতি
গ্যাস্ট্রিক কমায়
হজম সহজ করে
👉 ইফতারের আগে বা সাথে খাওয়া নিরাপদ
5️⃣ লিভার ও কিডনি ডিটক্সে সহায়ক
ডাবের পানি:
ইউরিন আউটপুট বাড়ায়
টক্সিন বের করতে সাহায্য করে
👉 রোজার পর মেটাবলিক ক্লিন-আপে সহায়ক
6️⃣ পেশি দুর্বলতা ও ক্র্যাম্প কমায়
রোজায় ঘাম + পানি কম → ইলেক্ট্রোলাইট লস
ডাবের পটাশিয়াম + ম্যাগনেসিয়াম:
👉 মাংসপেশির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখে
👉 দুর্বলতা কমায়
7️⃣ ত্বক ও কোষ পুনর্গঠনে সহায়ক
ডাবের পানি:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
সাইটোকাইন (cell growth factor)
👉 কোষ রিপেয়ার
👉 ত্বক হাইড্রেশন
🌙 ইফতারের সেরা ব্যবহার পদ্ধতি
✔ ১টা ডাব = ইফতারের শুরুতে
✔ ১–২ খেজুর + ডাবের পানি
✔ তারপর ১০–১৫ মিনিট পর মূল খাবার
👉 এটা সুন্নাহ স্টাইল + বিজ্ঞানসম্মত
❗ যাদের সাবধান হওয়া দরকার
কিডনি রোগী (পটাশিয়াম সীমা)
ডায়াবেটিস রোগী (পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ)
দিনে ২–৩টির বেশি নয়

20/02/2026

রমজানের ১ মাস রোজা শুধু ধর্মীয় ইবাদত নয় — এটি শরীরের জন্যও শক্তিশালী একটি প্রাকৃতিক মেটাবলিক রিসেট।

Part 1:
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, ১ মাস রোজা রাখলে:
✔ ইনসুলিন সেন্সিটিভিটি বাড়ে (ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমে)
✔ শরীরের ফ্যাট ও ওজন কমে
✔ ট্রাইগ্লিসারাইড ও খারাপ কোলেস্টেরল কমে
✔ শরীরের ইনফ্ল্যামেশন কমে
✔ লিভারের ফ্যাট কমতে পারে
✔ সেলুলার রিপেয়ার (অটোফ্যাজি) সক্রিয় হয়

অর্থাৎ, ১ মাস রোজা শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার ও মেটাবলিকভাবে উন্নত করে।
কিন্তু সমস্যা হয় ইফতারে।
গবেষণায় দেখা গেছে, যদি ইফতারে নিয়মিত ভাজাপোড়া, মিষ্টি শরবত, জিলাপি ও অতিরিক্ত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট খাওয়া হয়, তাহলে:
✖ ইনসুলিন স্পাইক বেড়ে যায়
✖ ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়ে
✖ ফ্যাট বার্নিং কমে
✖ ইনফ্ল্যামেশন আবার বাড়তে পারে
ফলে রোজার বড় অংশের স্বাস্থ্য উপকারিতা কমে যায় বা হারিয়ে যায়।
সহজ সত্য:
রোজা শরীরকে সুস্থ করে
ভুল ইফতার সেই লাভ নষ্ট করে

Part 2 is coming...

18/12/2025

এমন জীবন তুমি করিও গঠন,
মরিলে হাসিবে তুমি,কাঁদিবে ভুবন
'ওসমান হাদি' যেন তার একটি পারফেক্ট উদাহরন

ছোট্ট সালাউদ্দিন আইয়ুবি বাড়ির সামনে খেলা করছে। সাথে আরো কিছু ছেলে আছে । বাবা নাজমুদ্দিন আইয়ুব সদ্য জি*হা*দে/র ময়দান থ...
08/12/2025

ছোট্ট সালাউদ্দিন আইয়ুবি বাড়ির সামনে খেলা করছে।
সাথে আরো কিছু ছেলে আছে । বাবা নাজমুদ্দিন আইয়ুব সদ্য জি*হা*দে/র ময়দান থেকে ফিরে এসেছেন।

গত একমাস ইমামুদ্দিন জ/ঙ্গি ও তার সুযোগ্য সন্তান নুরুদ্দিন জে/ঙ্গির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঘোড়া ছুটিয়ে বেড়িয়েছেন।

সি/রি/য়া/র উপকূলে খ্রিস্টানদের উৎপাত বড্ড বেড়ে গেছে।
তাদের দ্রুত শায়েস্তা করা দরকার।
ক'টা দিনের ছুটি নিয়ে এসেছেন।
আবার ম/য়/দা/নে ফিরে যাবেন।

দূর থেকে দেখলেন—
সালাউদ্দিন থালা-বাসন খেলছে।
ঘোড়া থেকে নামলেন।
ছেলেকে কোলে উঠিয়ে নিলেন।
তিনি ছিলেন দীর্ঘকায় বলিষ্ঠ সুপুরুষ।

ছেলেকে হাত দিয়ে উপরে তুলে ধরে বললেন,

— আমি তোমার আম্মুকে বিয়ে করে তোমাকে জন্ম দিয়েছি বাইতুল মুকাদ্দাস জয় করার জন্যে।
মাটিতে বসে খেলা করার জন্যে নয়।

বাবা এবার ছেলেকে ওপর থেকে ছেড়ে দিলেন।

ছেলের মুখে ব্যাথার ছাপ ফুটে উঠে মিলিয়ে গেল ।
— কী ব্যাপার ব্যাথা পাওনি?
— জি , পেয়েছি ।
— কাঁদোনি যে?
— যে বাইতুল মুকাদ্দাস জয় করবে,
সামান্য ব্যথা পেয়ে কান্না করা
তার জন্য শোভা পায় না।

— ইয়া উম্মাতাল মুসলিম..!
আমরা আমাদের ছেলেদেরকে
কেমন করে গড়ে তুলছি। আমাদের কি বায়তুল মুকাদ্দাস এর কথা মনে থাকে?
আজ কত বছর হতে চলল,
কই কোন সালাউদ্দিন তো এলো না! কোন খালিদ বিন ওয়ালিদের ঘোড়াও ছুটলো না।
ওমরের হুংকারে তো পৃথিবীটা থরথর করে কাঁপে না।
আমরা কয়জন পিতা সন্তানকে সালাউদ্দিন হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছি?

— শায়েখ আতিক উল্লাহ (হাফি.)

বার্মার এক রোহিঙ্গা তরুণ নিজের বৃদ্ধ মা–বাবাকে নিয়ে ১৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছিল বাংলাদেশে! হ্যাঁ, দুজনকেই, কারণ তা...
06/12/2025

বার্মার এক রোহিঙ্গা তরুণ নিজের বৃদ্ধ মা–বাবাকে নিয়ে ১৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছিল বাংলাদেশে! হ্যাঁ, দুজনকেই, কারণ তাদের হাঁটার শক্তি ছিল না।

বাবার বয়স তখন ৮৫ বছর, আর মায়ের ৬৫। গ্রামে মিয়ানমারের সেনারা হামলা শুরু করলে সবাই বলেছিল, “তুমি চলে যাও, নিজের প্রাণ বাঁচাও।” কিন্তু ছেলেটি তাতে সায় দেয়নি, “বাবা-মাকে ফেলে আমি কোথাও যাব না।”

তারপর শুরু হলো তার সাত দিনের দীর্ঘ যাত্রা। খালি পায়ে হাঁটতে হলো ঘন বন-জঙ্গল পেরিয়ে, খাড়া পাহাড় বেয়ে, নদীর বুক চিরে। ঠিকমতো খাবার ছিল না, পানি প্রায় ছিল না বললেই চলে।

ক্লান্তিতে শরীর কাঁপতে থাকত তার, কখনো মনে হতো হয়তো আর পারবে না। তবুও হাল না ছেড়ে বাবা–মাকে নিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল সে। ধীরে ধীরে একসময় সে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে এসে পৌঁছায়, যে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্যই তার এত সংগ্রাম।

পরে কেউ তাকে একবার জিজ্ঞেস করেছিল, “তুমি তো একা পালিয়ে যেতে পারতে। কেন গেলে না?”

ছেলেটি শান্তভাবে বলেছিল, “আমি হাঁটতে পারতাম না, তখন ওরাই তো আমাকে কোলে নিয়ে চলত। এখন আমার পালা।”

হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) ও হিন্দস্তানের উগ্র ধর্ম ব্যবসায়ী  ব্রাহ্মণদের বানানো “স্তনকর” প্রথাঅনেক ...
19/11/2025

হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) ও হিন্দস্তানের উগ্র ধর্ম ব্যবসায়ী ব্রাহ্মণদের বানানো “স্তনকর” প্রথা

অনেক আগে যখন ভারতে নামক কোনো দেশের জন্ম হয় নি। তখন এই হিন্দস্তানের দক্ষিণে, বিশেষ করে এখনকার কেরালা অঞ্চলে (তখনকার নাম ত্রাভাঙ্কোর রাজ্য), একটা ভয়ঙ্কর প্রথা ছিল যার নাম ছিল “স্তনকর” (Mulakkaram)।

এই প্রথা অনুযায়ী, হিন্দু ধর্মালম্বী অনুসারী নিচু জাতের নারীরা (বিশেষ করে দলিত বা তথাকথিত “অস্পৃশ্য” নারী) যদি নিজের শরীর কাপড়ে ঢাকতে চাইত, তাহলে তাদের কর দিতে হতো। অর্থাৎ, তারা যদি তাদের স্তন ঢাকে, তাহলে তার জন্যও রাজাকে কর দিতে হতো!

যদি কেউ কর না দিত, তাকে জোর করে স্তন খোলা রাখতে হতো। এটা ছিল একধরনের সামাজিক দাসত্ব, অপমান আর নিপীড়ন। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা ভাবত ❝এরা নিচু জাত, তাই তাদের শরীর ঢাকার অধিকার নেই।❞

তখন দক্ষিণ হিন্দস্তানের হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه)

সেই সময় দক্ষিণ হিন্দস্তানের মুসলিম শাসক হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) রাজত্ব করতেন (১৭৮২–১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)। তিনি ছিলেন মাইসোরের সুলতান খুবই সাহসী, শিক্ষিত, জ্ঞানি এবং ধর্মপ্রাণ শাসক।

হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) শুধু ইংরেজদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ করেননি, তিনি সমাজে চলা অন্যায়, জাতপাত আর নারীদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন।

হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) তাঁর রাজ্যে সবাইকে সমানভাবে দেখতেন মুসলিম, হিন্দু, দলিত, সবাই। তিনি অনেক জায়গায় ঘোষণা দিয়েছিলেন:
❝মানুষ আল্লাহ ﷻর বান্দা, কারো জন্ম তাকে নিচু বা উঁচু করতে পারে না।❞

এই নীতির ফলেই তাঁর শাসিত এলাকায় অনেক হিন্দু ব্রাহ্মণ্যদের বর্ণপ্রথা দুর্বল হয়ে পড়ে। দলিত ও নিম্নবর্ণের মানুষেরা প্রথমবারের মতো কিছু অধিকার ফিরে পেতে শুরু করে।

স্তনকর প্রথার বিরুদ্ধে অবস্থান
ইতিহাসবিদদের মতে, হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) কেরালার আশেপাশের অঞ্চলে তাঁর প্রভাব বাড়ালে এই “স্তনকর” প্রথা নিয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়। তিনি এই করকে অমানবিক ও ইসলামবিরোধী ঘোষণা করেন। তাঁর আদেশে অনেক জায়গায় এ ধরনের কর আদায় বন্ধ হয়ে যায়।

এর ফলে সমাজে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসে। নারীরা বুঝতে শুরু করে যে শরীর ঢেকে রাখা কোনো অপরাধ নয়, এটা তাদের মৌলিক অধিকার।

নঙ্গেলির আত্মত্যাগ
হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) ইন্তেকাল পর ব্রিটিশরা দক্ষিণ হিন্দস্তান দখল করে নেয়। তারপরও অনেক গ্রামে স্তনকর প্রথা চলছিল।

এক সময় নঙ্গেলি (Nangeli) নামে এক সাহসী নারী এই কর দিতে অস্বীকার করেন। সে নিজের স্তন কেটে রাজকার্যের সামনে রেখে দেয়, প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে। এই ভয়াবহ ঘটনাই পুরো দক্ষিণ হিন্দস্তান নাড়িয়ে দেয় সমাজকে। তারপর থেকেই মানুষ আরও জোরে ব্রাহ্মণদের এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে এই কর ব্যবস্থা পুরোপুরি উঠে যায়।

হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه)র প্রভাব

যদিও স্তনকর সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয় নঙ্গেলির সময় ও ব্রিটিশ আমলে, কিন্তু তার মূল প্রেরণা ও ভিত্তি তৈরি হয়েছিল হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه)র সময়েই। কারণ তিনিই প্রথম রাজনীতিক যিনি দক্ষিণ হিন্দস্তানের দলিত, নারী ও সাধারণ মানুষকে সমান অধিকার দিতে চেয়েছিলেন।

তিনি শেখালেন, মানবতার কোনো জাত বা বর্ণ নেই, আর নারী-পুরুষ উভয়েই আল্লাহ ﷻর সৃষ্টি, তাদের সম্মান সমান।

হজরত ফতহ আলী টিপু সুলতান শহীদ (رحمة الله عليه) শুধু একজন যোদ্ধা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন ন্যায়প্রিয়, মানবিক ও সংস্কারক শাসক।

তাঁর শাসন নীতিতে নারীর সম্মান, দাসত্বের বিরোধিতা, এবং সমাজে সমতার বার্তা ছিল খুব স্পষ্ট।
তারই ফল হিসেবে হিন্দস্তানের দক্ষিণে একদিন “স্তনকর” নামের সেই অমানবিক প্রথা চিরতরে শেষ হয়ে যায়, আর নারীরা শরীর ঢেকে রাখার অধিকার ফিরে পায় যা আজকের দিনে এক সাধারণ বিষয় হলেও, তখন ছিল স্বাধীনতার এক প্রতীক।

19/11/2025
জেদী বাচ্চা মানেই বুদ্ধিমান বাচ্চাআমরা যখন কোনো শিশুকে জেদ করতে দেখি, বেশিরভাগ সময়ই আমরা বিরক্ত হই। আমরা ভাবি ও কেন কথা ...
18/11/2025

জেদী বাচ্চা মানেই বুদ্ধিমান বাচ্চা

আমরা যখন কোনো শিশুকে জেদ করতে দেখি, বেশিরভাগ সময়ই আমরা বিরক্ত হই। আমরা ভাবি ও কেন কথা শুনতেছে না, কেন এমন করতেছে।

আসলে, বেশিরভাগ সময়েই এই জেদ কোনো সমস্যা নয়, বরং শিশুর বুদ্ধিবিকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী লক্ষণ।

জেদ মানে শিশুটি ভাবতে শিখছে

একটি শিশু যখন “না” বলে, কিংবা নিজের মতামত ধরে রাখে-
সে মূলত বোঝাতে চায়, “আমারও বুঝার ক্ষমতা আছে। আমি নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতে চাই।

এবং এটিই তাকে ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসী ও সিদ্ধান্তক্ষম একজন মানুষ বানায়।

অভিভাবকের প্রথম দায়িত্ব: শান্ত থাকা

শিশুর জেদ যত বাড়ে, আমাদের রাগ তত বেড়ে যায়।
কিন্তু রাগ দেখালেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।

আপনি যদি স্থির, ধীর এবং শান্ত স্বরে কথা বলেন,
শিশুটিও ধীরে ধীরে নরম হয়ে আসে।

কখনও কখনও আপনার শান্ত মুখভঙ্গিই কথার চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।

জেদ সামলানোর ২টি কার্যকর কৌশলের একটি হচ্ছেঃ খেলার ছলে উল্টো দিকে নেওয়া (Reverse Psychology)

শিশুকে কখনো কঠোরভাবে নিষেধ করলে সে উল্টো সেটাই করতে চায়।
যেমন- আপনি বললেন: “আজ তুমি দুধ খেও না।”
সে বলবে: “না, আমি খাব!”

কারণ সে নিজের সিদ্ধান্তে দৃঢ় থাকতে ভালোবাসে।
এই মানসিকতা বুঝতে পারলে পরিস্থিতি খুব সহজে সামলানো যায়।

শিশুকে ছোট্ট “বিকল্প” দেওয়া

শিশুরা আদেশ পছন্দ করে না, কিন্তু পছন্দ করে নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

আপনি যদি বলেন- “দুধ খাও।”
সে না-ও বলতে পারে।

কিন্তু যদি বলেন-
“তুমি দুধ গরম খাবে, নাকি ঠান্ডা?”
সে সাথে সাথে একটা বেছে নেবে।

কারণ সিদ্ধান্তটা এবার তার নিজের,
আপনার কথাও মানা হলো, শিশুটিও খুশি।

এক মা তার শিশুকে বাইরে নিতে পারছিলেন না।
শিশুটি জেদ ধরে বলছিল, “যাবো না!”

মা তখন মজা করে বললেন,
“বাইরে গেলে এক চোখ বন্ধ করে যাবে, না দুইটা?”

শিশু হেসে বলল,
“দুইটা!”

এই একটুখানি বিকল্পই জেদের জায়গায় এনে দিল আনন্দ, এটাই win win situation.

তবে এটাও সত্যি যে, জেদী শিশুর সঙ্গে আচরণে ধৈর্য থাকতে হবে। তারা নিজের মতো করে ভাবে এবং সেই ভাবনাটাই তাদের শক্তি।

আপনি যদি সেই ভাবনাকে শ্রদ্ধা করেন, তাহলে শিশুটিও আপনাকে শ্রদ্ধা করতে শিখবে।

সাধারণত দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সে শিশুরা সবচেয়ে বেশি জেদ প্রকাশ করে। কারণ এই বয়সে তারা স্বাধীন হতে শেখে এবং নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুশীলন করে।

এটি তাদের স্বাভাবিক বিকাশের একটি ধাপ। আপনি যদি এই সময়টায় ধৈর্য ধরে শিশুর আচরণকে বুঝতে পারেন, তাহলে সে ধীরে ধীরে দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।

জেদকে দমন করার চেষ্টা না করে বরং বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। কারণ জেদ মানে শুধু “না” বলা নয়, এটি এক ধরনের চিন্তার প্রকাশ।

আপনি যদি সেই চিন্তাকে জায়গা দেন, তবে একদিন এই জেদী শিশুই আত্মবিশ্বাসী, সচেতন ও দৃঢ় মানসিকতার একজন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।

মানুষ মানুষের জন্যঃচট্টগ্রাম থেকে শুটকি মাছ কিনে ঢাকায় নিউ মার্কেটঠাঠারী বাজারসহ বড় বড় বাজারে সাপ্লাই দেই।ব্যাবসা খুব ভা...
16/11/2025

মানুষ মানুষের জন্যঃ

চট্টগ্রাম থেকে শুটকি মাছ কিনে ঢাকায় নিউ মার্কেট
ঠাঠারী বাজারসহ বড় বড় বাজারে সাপ্লাই দেই।
ব্যাবসা খুব ভালোই চলছিলো।
একদিন আমার সাপ্লাইর জিনিষ ট্রাকে উঠিয়ে দিয়ে আমি
চট্টগ্রাম ট্রেন স্ট্যাশনে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের জন্য অপেক্ষা
করছিলাম। হঠাৎ একটি ছেলে এসে
বললোঃ স্যার, আপনার জুতা পলিশ করে দেবো?

ছেলেটির চেহারা আর কথার উচ্চারনের সাথে বুট পালিশ
মানায় না।
আমিঃ না, আমি জুতা পলিশ করাবো না।
ছেলেঃ স্যার, জুতা পলিশ করান প্লিজ। আমার খুব উপকার
হবে। প্লিজ স্যর।
কড়া ভাষায় আমিঃ তুমি এখান থেকে যাবে।
ছেলেটি দু হাত জোড় করে মাফ চেয়ে বললোঃ দুঃক্ষিত স্যার,
আমায় ক্ষমা করবেন।

কোনদিন কারও সাথে এভাবে কর্কষভাবে কথা বলি নাই।
ছেলেটি এতো সুন্দর করে ক্ষমা চেয়েছিলো, শিক্ষানীয়।
বেঞ্চ থেকে উঠে ছেলেটিকে খোজ করতেই দেখি,
প্ল্যাটফর্মে পা ঝুলিয়ে বসে আছে।
ছেলেটির পিঠে হাত রাখতেই। ছেলেটি চমকিয়ে উঠে
বললোঃ স্যার?
আমিঃ আমি জুতা পলিশ করাবো।
তোর পলিশের ডাব্বায় কোথায়? চকচকা হাওয়া চাই কিন্তু।
ছেলেঃ স্যার, কষ্ট করে আমাদের স্ট্যান্ডে যেতে হবে।

ছেলেটি পলিশ করতে গিয়ে আর পারছে না। পাশের ছেলেটি
বললোঃ তুই সড়, স্যারের জুতা আমি পলিশ কইরা দেই।

খুব সুন্দর এবং চকাচকা করে পলিশ করে দিলো।
আমিঃ কত দেবো?
এক্সপার্ট ছেলেঃ স্যার, আমাগো রেট দশ ট্যাকা।
আমি ওয়ালেট থেকে কুড়ি টাকার নোট বের করে এক্সপার্ট
ছেলেটির হাতে দিয়ে বললামঃ তোর কাজে আমি খুব সন্তুষ্ট।
দশ টাকা বাকীটা তোর বকশিস।
আনাড়ী ছেলেটির দিকে তাকিয়ে বললামঃ তুইতো কাজই
জানোস না।
এক্সপার্ট ছেলেটি বললোঃ স্যার, ওরে কিছু কইয়েন না। তিন
দিন হইছে এই কামে আইছে।

বলেই কুড়ি টাকা ঐ ছেলেটিকে দিয়ে দিলো। ছেলেটি টাকা
নিয়েই দৌড় দিলো।

আমিঃ টাকাটা ওকে দিলে কেনো?
এক্সপার্টঃ স্যার, এই ট্যাকা দিয়া বইনের দুধ কিনবো।
আমিঃ দুধ কিনবে মানে?
এক্সপার্টঃ স্যার, পোলাটার বাপে স্ট্যাশনে অটো চালাইতো।
দুই সপ্তাহ আগে এক্সিডেন্টে মারা যায়। মানুষটা খুব ভালা আছিল।
পোলাটা কেলাস থ্রিতে পড়তো। ফাস্ট বয়। ব্রেইন খুব ভালা।
আমিঃ ওর মা?
এক্সপার্টঃ গত বছর উইর বোনঠা হাওনের সময় মা মইরা গেছে।
আমাগো সমিতি থেইক্কা পেত্তেক মাসে একজন পলিশওয়ালা
ওরে সাহায্য করবো। আইজ আমার দিন আছিল।

আমি বেঞ্চে বসে ভাবছিলাম, মানুষ মানুষের জন্য, সাবাস বুট
পলিশ সমিতি। মানুষকে বাহির থেকে চেনা যায় না।
এতো সুন্দর ছেলে। তার ভদ্রতা হৃদয় গেঁথে যায়।
আমিতো এই ভাই বোনকে দত্তক হিসাবে নিতে পারি।
আমাদের বিবাহীত জীবন প্রায় তেরো বছর। বিয়ের চার বছরের
মাথায় স্ত্রীর ক্যান্সারে আক্রান্তের কারনে Uterus সম্পূর্ণ ফেলে
দেয়। স্ত্রী অনেক অনুরোধ করে আমার দ্বিতীয় বিয়ের জন্য।
আমি আমার স্ত্রী ছাড়া কাউকে ভালোবাসতে পারবো না।
ভাবতে না ভাবতে ছেলেটি প্ল্যাটফর্মে এসে কাস্টমারদেরকে
জুতা পলিশের জন্য অনুরোধ করচ্ছে।

আমি ছেলেটিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলামঃ বাবা, তোমার নাম কি?
তোমার বয়স কত?
ছেলেঃ স্যার, শোয়েব আকতার। দশ বছর।
আমিঃ তুমি আমার সাথে ঢাকায় যাবে?
ছেলেঃ কি কাজ করতে হবে?
ছেলেটিকে কাছে টেনে নিয়ে বললামঃ তোমার একটাই কাজ,
পড়াশুনা করবা। শুধু পড়শুনা।
শোয়েবঃ স্যার, আমার পড়তে খুব ভালো লাগে, কিন্তু কিভাবে
যাবো? আমার ১১ মাসের বোন আছে। দিনে বেলা বস্তীতে
এক খালা দেখা শুনা করে আর রাতে আমি।

ছোট্ট ছেলেটির কাধে কত বড় দায়িত্ব। মনের অজান্তে চোখে পানি
চলে এলো।
আমিঃ বাবা, তোমাদের দুজনকেই নিয়ে যাবো। আমি তোমার বাবার
মত হতে পারবো না। কিন্তু তোমাদের দুজনকে পড়াতে পারবো।
আল্লাহ পাক আমাকে এই তৌফিক দিয়েছেন। আলহামদুলীল্লাহ।

ঐ দিন আর ঢাকায় গেলাম না। বুট পলিস সমিতির নেতাকে
বিস্তারিত বললাম।
নেতা আমার পা ছুয়ে বললোঃ স্যার, এই পোলাঠা একটা হীরার টুকরা।
পোলাটা বাপের মত ভালা মানুষ। আল্লা আপনের ভালা করবো।

পরের দিন মহান আল্লাহ পাকের দেওয়া আমার সন্তান দুটোকে নিয়ে
আমার স্ত্রী অর্থাৎ ওদের মায়ের কোলে তুলে দিলাম।
আমার স্ত্রীর আনন্দ কান্না দেখে আমরা দুজনই অনেক কেদেছি।
সন্তান দুটো ঘরে আসার পর থেকে আল্লার কৃপায় একটার পর একটা ব্যাবসা বাড়তে লাগলো। আর ডায়েরী লেখে সময় নষ্ট করবো না।
সময় শুধু ব্যাবসা আর স্ত্রী/ সন্তান দুটোর জন্য নির্ধারণ করা।

৩৫ বছর পর সেই লাল ডায়েরীটি হাতে নিয়ে পড়ছিলাম।
ছেলে আমার কোলাম্বিয়া থেকে পিএইচডি করে। শিল্প কারখানা
দেখাশুনা করে। ছেলেটি আমার, আল্লার মর্জি আমার বাবার
মত অসম্ভব সৎ এবং দয়ালু এবং ধার্মিক। আর মেয়েটি ব্যারিস্টার।
বুড়োবুড়ি দুজন একমাত্র ছেলের বাসায় থাকি। মা পাগলা ছেলে
আমার, বড় হয়েছে ঠিকই কিন্তু রাতে তার মায়ের হাতের লুকমা
খেতে চাই। ছোটবেলার অভ্যাস।

কর্ম দিনে, মেয়ে, তার একমাত্র কন্যাকে ওর মায়ের কাছে রেখে
জামাইসহ কোর্টে চলে যায়। বেবী সিটিং করতে করতে হাতে
সময়ই পাই না। ওদের মায়ের নির্দেশ তোরা যেখানে থাকিস
রাতে আমরা এক সাথে ডিনার করবো।

ছুটি ছাটা পেলে পুরো পরিবার ঘুড়তে ফিরতে চলে যাই।

ছোটবেলায় বাবা বলতেনঃ কারও জন্য কিছু করলে আল্লাহ পাক
তার বিনিময় অনেক হাজার গুন দান করেন।

10/11/2025

🔥তরুণদের প্রতি আমার পরামর্শ

১. তোমার যৌন আকাঙ্ক্ষার উপর নিয়ন্ত্রণই তোমার সফলতা অথবা ব্যর্থতার কারণ হবে।

২. পর্ন এবং হস্তমৈথুন সাফল্যের সবচেয়ে বড় ঘাতক। এটি তোমার মস্তিষ্ককে স্তব্ধ করে এবং ধ্বংস করে।

৩. উটের মতো মদ্যপান এড়িয়ে চলুন, যেমন পানি পান করা। জ্ঞান হারানো এবং বোকার মতো আচরণ করা এর চেয়ে খারাপ আর কিছু নয়।

৪. তোমার মান উঁচু রাখো এবং কিছুতেই সন্তুষ্ট হও না কারণ এটি পাওয়া যায়।

৫. যদি তুমি তোমার চেয়ে বুদ্ধিমান কাউকে খুঁজে পাও, তাদের সাথে কাজ করো, প্রতিযোগিতা করো না।

৬. কেউ তোমার সমস্যা বাঁচাতে আসছে না। তোমার জীবনের ১০০% তোমার দায়িত্ব।

৭. তোমার এমন লোকদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া উচিত নয় যারা জীবনে তোমার পছন্দের জায়গায় নেই।

৮. অর্থ উপার্জনের নতুন উপায় খুঁজে বের করো। অর্থ উপার্জন করো এবং যারা তোমাকে উপহাস করে এবং উপহাস করে তাদের উপেক্ষা করো।

৯. তোমার ১০০টি স্ব-সহায়ক বইয়ের প্রয়োজন নেই, তোমার যা দরকার তা হল কর্ম এবং আত্ম-শৃঙ্খলা। শৃঙ্খলাবদ্ধ হও!

১০. মাদক এড়িয়ে চলুন। আগাছা এড়িয়ে চলুন।

১১. ইউটিউবে দক্ষতা অর্জন করুন, নেটফ্লিক্সে বাজে কন্টেন্ট খেয়ে সময় নষ্ট করবেন না।

১২. কেউ আপনার কথা ভাবে না। তাই লাজুক হওয়া বন্ধ করুন, বাইরে যান এবং আপনার সম্ভাবনা তৈরি করুন।

১৩. আরাম হল সবচেয়ে খারাপ আসক্তি এবং হতাশার সস্তা টিকিট।

১৪. আপনার পরিবারকে অগ্রাধিকার দিন। তাদের দুর্গন্ধযুক্ত হলেও, এমনকি তারা বোকা হলেও, তাদের রক্ষা করুন। তাদের নগ্নতা ঢেকে রাখুন।

১৫. নতুন সুযোগ খুঁজুন এবং আপনার সামনের লোকদের কাছ থেকে শিখুন।

১৬. কাউকে বিশ্বাস করবেন না। যতই প্রলুব্ধ হোক না কেন, একজনকেও নয়। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।

১৭. অলৌকিক ঘটনা ঘটানোর জন্য অপেক্ষা করবেন না। হ্যাঁ, আপনি সবসময় একা এটি করতে পারবেন না তবে মানুষের মতামত শুনবেন না।

১৮. কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ় সংকল্প আপনাকে যেকোনো কিছু অর্জন করতে সাহায্য করতে পারে।

নিজেকে বিনীত করা আপনাকে কেবল উচ্চতর স্তরে নিয়ে যাবে।

১৯. নিজেকে আবিষ্কার করার জন্য অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। পরিবর্তে নিজেকে তৈরি করুন।

২০. পৃথিবী আপনার জন্য ধীর হবে না।

২১. কেউ আপনার কাছে ঋণী নয়।

২২. জীবন একটা একক খেলোয়াড়ের খেলা। তুমি একা জন্মেছো। তুমি একাই মরবে। তোমার সমস্ত ব্যাখ্যা একাই। তুমি তিন প্রজন্ম ধরে চলে গেছো এবং কেউ পাত্তা দেয় না। তুমি আসার আগে কেউ পাত্তা দেয়নি। সবই একক খেলোয়াড়ের।
২৩. তোমার জীবনের পথ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তুমি সর্বদা অভাবী, হতাশাগ্রস্ত এবং দুর্বল বোধ করো। এবং এর থেকে বেরিয়ে আসার একটাই উপায় আছে, যা হল বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া। তুমি ছাড়া আর কেউ নিজেকে এবং তোমার প্রিয়জনদের বাঁচাতে পারবে না।
২৪. সবার হৃদয় তোমার মতো নয়। সবাই তোমার সাথে তোমার মতো সৎ নয় যেমন তুমি তাদের সাথে। তুমি এমন লোকদের সাথে দেখা করবে যারা তাদের লাভের জন্য তোমাকে ব্যবহার করবে এবং তারপর তাদের জীবনের সেই অংশটি পার হয়ে গেলে এবং তারা পূর্ণ হয়ে গেলে তোমাকে ত্যাগ করবে। জেগে থাকো।
২৫. ২৫ বছর বয়সে, আপনার যথেষ্ট বুদ্ধিমান হওয়া উচিত:
→অন্যদের সাফল্য উদযাপন করুন
→ঈর্ষা এবং হিংসা এড়িয়ে চলুন
→খোলা মন রাখুন
→ধারণা এড়িয়ে চলুন
→উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করুন
→কৃতজ্ঞতা অনুশীলন করুন
→সৎভাবে কথা বলুন
→প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
→গসিপ এড়িয়ে চলুন
→পরিষ্কার খাবার খান
→ক্ষমা করুন
→শুনুন
→শিখুন
→ভালোবাসা

মাউন্টেন গোটের কথা শুনেছেন? বিরল প্রজাতির এই ছাগল পাহাড়ে চড়ার দক্ষতার জন্য বিখ্যাত। বিশেষ ধরনের খুরের সাহায্যে সে খাড়...
01/11/2025

মাউন্টেন গোটের কথা শুনেছেন? বিরল প্রজাতির এই ছাগল পাহাড়ে চড়ার দক্ষতার জন্য বিখ্যাত। বিশেষ ধরনের খুরের সাহায্যে সে খাড়া পাহাড় বেয়ে উঠে যায় মাইলের পর মাইল। ওদিকে পাহাড়ের নিচে বাস করা সিংহ, চিতার আর হায়নার দল বসে থাকে তার পতনের অপেক্ষায়, পা পিছলে নিচে পড়লেই ঘাড় মটকাবে এই আশায়। প্রতিমুহূর্তে তাদের মনে হয়, এই বুঝি মাউন্টেন গোট পা হড়কে নিচে পড়ল! কিন্তু পড়বে কিভাবে, মাউন্টেন গোটের প্রকৃতি প্রদত্ত খুরগুলো যে চুম্বকের মতো পাহাড়ের খাঁজে আটকে থাকে!

বাস্তব জীবনেও কাউকে কাউকে মাউন্টেন গোটের সাথে তুলনা করা যায়, আর পিছনে থাকা সমালোচকদের নিচে থাকা ওই সিংহ, চিতা এবং হায়নার সাথে। সমালোচকরা অপেক্ষায় থাকে কখন মাউন্টেন গোটরূপী মানুষটির পতন হবে আর সেটা নিয়ে তারা উল্লাসে মেতে উঠবে। কিন্তু ওই সমালোচকরা তো জানে না, তাদের টার্গেট করা ওই মানুষটি জাতে একটা মাউন্টেন গোট!

Address

Chasra DalMill
Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FamilyMart.xyz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category

আপনি বাজার নিয়ে টেনশনে আছেন?

বাজার এর লিস্ট করুন, ছবি তুলুন এবং মেসেজ করুন। আমরা আপনার বাজার পৌঁছে দিবো। Inbox করুন: https://m.me/familymart.xyz Call: 01715468120 ডেলিভারি চার্জ only 20/= মাছ মাংস, ফলমূল, তরিতরকারি, ঔষধ বাজার করতে কোনো কিছুই বাদ থাকছে না। #familyMart #StaySafe #Jessore #FreshFood #Bazar #HomeDeslivery #OnlineGrochery #FreshShop