Homemade Baby Food

Homemade Baby Food হোমমেইড বেবীফুড শপে আপনাকে স্বাগতম। এখানে ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি বাচ্চাদের খাবার সরবরাহ করা হয়।

‼️১২ মাস থেকে ২ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা‼️🔷সকাল ৮ টাঃ-ডিম/ রুটি/ হালুয়া/ সবজি/ ফল।🔷সকাল ১১ টাঃ-যে কোনো একটি ফল।🔷দুপুর ...
11/07/2025

‼️১২ মাস থেকে ২ বছরের বাচ্চার খাবার তালিকা‼️

🔷সকাল ৮ টাঃ-
ডিম/ রুটি/ হালুয়া/ সবজি/ ফল।

🔷সকাল ১১ টাঃ-
যে কোনো একটি ফল।

🔷দুপুর ২ টা:-
ভাত/ খিঁচুড়ি/ মাছ/ মাংস/ সবজি/ ডাল।

🔷বিকাল ৫ টা:-
সেমাই/ মুড়ি/ পায়েস/ নুডুলস।

🔷রাত ৮ টা:-
ভাত/ খিঁচুড়ি/ মাছ/ মাংস/ সবজি/ ডাল।

👉প্রতিবার শক্ত খাবার খাওয়ার পরে বুকের দুধ খাওয়াতে
হবে।

প্রতিদিন রেসিপি ও টিপস পেতে পেজটি ফলো দিয়ে রাখতে পারেন 👍👍
বাচ্চাদের খাবার ও প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন আমাদের পেইজে
Homemade Baby Food

শিশুর খাবারের প্রথম ধাপ — “ফিংগার ফুড” শুরু হোক ভালোবাসা দিয়ে!✊🏻 ফিংগার ফুড মানে?যে খাবার শিশু নিজের মুঠোয় ধরে মুখে তুলত...
16/05/2025

শিশুর খাবারের প্রথম ধাপ — “ফিংগার ফুড” শুরু হোক ভালোবাসা দিয়ে!

✊🏻 ফিংগার ফুড মানে?
যে খাবার শিশু নিজের মুঠোয় ধরে মুখে তুলতে পারে, সেটাই ফিংগার ফুড!

৬ মাস বয়স থেকেই শিশুরা চারপাশে যা পায় তা মুখে দেওয়ার চেষ্টা করে—তাই এই সময়েই খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা যায় ফিংগার ফুড দিয়ে।



✅ কবে থেকে ফিংগার ফুড দেবেন?

🔸 শিশুর ঘাড় ও মাথা শক্ত হয়ে গেলে
🔸 নিজে হাতে কিছু ধরতে পারলে
🔸 কেউ খেলে শিশুও আগ্রহ দেখায়
🔸 খাবার সামনে ধরলে হা করে



‍🟢 ফিংগার ফুডের ‍উপকারিতা:
• শিশুর স্বাভাবিক খাওয়ার আগ্রহ বাড়ে
• নিজে নিজে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি হয়
• নতুন নতুন খাবারে রুচি গড়ে ওঠে



‍🥦 বয়সভিত্তিক ফিংগার ফুডের তালিকা:

৬–৭ মাস:
• আলু / মিষ্টি আলু সেদ্ধ
• পাকা কলা / পেঁপে / আম
• গাজর সেদ্ধ (চিকন করে কাটা)
• ব্রকলি / ফুলকপি সেদ্ধ

৮–৯ মাস:
• ডিম সেদ্ধ (লম্বা করে কাটা)
• হাড় ছাড়া নরম মুরগির মাংস
• নরম ভাত গোল করে ছোট ছোট বল



শুরু করুন ধীরে ধীরে, সন্তানের ইচ্ছার দিকে খেয়াল রেখে।
নিজের হাতে খাওয়ার আনন্দে বাচ্চা হয়ে উঠুক আরও আত্মবিশ্বাসী ও খুশি ইনশাআল্লাহ।

#খাবার_শেখানো #শিশুর_পুষ্টি #শিশু_খাবার

মেয়ের বাবাদের অবস্থা 🥴🤦‍♀️
16/03/2025

মেয়ের বাবাদের অবস্থা 🥴🤦‍♀️

6Months- 10 Years Baby Homemade Cerelacs.
27/10/2024

6Months- 10 Years Baby Homemade Cerelacs.

ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ ০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।০২. আপনার কিডনি কখ...
03/10/2022

ছবিটা আমার নজর কেড়েছে। সকলের জানা উচিৎ
০১. আপনার পাকস্থলী কখন ভীত; যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।
০২. আপনার কিডনি কখন আতঙ্কিত; যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
০৩. আপনার গলব্লাডার ভীত; যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
০৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
০৫. বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত; যখন আপনি ভাজা-পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
০৬. ফুসফুস তখন ভীত; যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
০৭. লিভার ভীত; যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
০৮. হৃদপিন্ড ভীত; যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
০৯. প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত; যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত; যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত; যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
সুতরাং আপনার শরীরের অঙ্গ প্রতঙ্গসমূহের যত্ন নিন।

আপনার নবজাতক শিশুর পেট ভরছে তো! বুঝবেন যে ভাবে...সব বাবা মায়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন মায়েরা অনেক সময় সন্তানের...
29/08/2022

আপনার নবজাতক শিশুর পেট ভরছে তো! বুঝবেন যে ভাবে...
সব বাবা মায়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন মায়েরা অনেক সময় সন্তানের ঠিকমতো যত্ন নেওয়া হচ্ছে কিনা, তা বুঝতে পারেন না। মায়েদের মনে সব সময় যে সব প্রশ্ন কাজ করে, তার মধ্যে অন্যতম হল সন্তানের পেট ভরছে কিনা। নবজাতক কী ভাবে বোঝাবে যে তার পেট ভরেছে কি না।
নবজাতক শিশুরা স্তন্যদুগ্ধ পান করেই ৬ মাস কাটায়। কিন্তু সেই দুধে তাদের পেট ভরছে কী না, তা নতুন মায়ের পক্ষে বোঝা কঠিন। অনেক সময় দুধ খাওয়ার পরও বাচ্চারা কাঁদতে থাকে। তখন মায়েরা বুঝে উঠতে পারেন না যে, তাঁর সন্তান খিদে পেয়ে কাঁদছে না, অন্য কোনও কারণে তারা কান্নাকাটি করছে। নবজাতক শিশু কেঁদে নিজের সমস্ত চাহিদা ও ইচ্ছা প্রকাশ করে। তাই কান্নাকাটি করলেই নতুন মায়েদের মনে যে প্রথম ধারণাটি আসে, তা হল, নিশ্চয়ই শিশু অভুক্ত অবস্থায় রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে অনেক মায়েরাই মনে করেন যে, তাদের শরীরে দুগ্ধ উৎপাদন কম হচ্ছে বলে বাচ্চার পেট ভরছে না ও তারা কান্নাকাটি করছে বা বহুক্ষণ ধরে স্তন থেকে দুধ টানার চেষ্টা করছে।
প্রথম দু-তিন দিন মায়ের স্তন নরম থাকে। এটি দুধ না-থাকার সংকেত নয়। শিশুর বার বার জেগে ওঠা বা স্তন্যপান করানোর পরও ওপরের দুধ দেওয়া মায়ের শরীরে কম দুগ্ধ উৎপাদনের দিকে ইশারা করে না।
তা হলে এবার প্রশ্ন হল শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ পান করছে কি না, তা আপনি কী ভাবে বুঝবেন?
এর ক্ষেত্রে দুটি প্রধান বিষয় লক্ষ্য রেখে নিশ্চিত হতে পারেন—
ওজন বৃদ্ধি
জন্মের পর ৮ থেকে ১০ শতাংশ ওজন কম হওয়া স্বাভাবিক। তার পর ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে শিশুর ওজন ফের বৃদ্ধি পায়। উল্লেখ্য, কিছু কিছু শিশুর ওজন বাড়তে এর চেয়েও বেশি সময় লাগে। বয়স অনুযায়ী বাচ্চার ওজন ঠিক থাকলে বুঝতে হবে যে তারা মায়ের কাছ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্তন্যদুগ্ধ পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বেবি ওয়েট গেন গ্রোথ কার্ব ব্যবহার করে শিশুর বিকাশের মূল্যায়ন করতে পারেন। হু-র ওয়েবসাইট থেকে এটি ডাউনলোড করা যায়।
প্রস্রাব
জন্মের পর প্রথম ৫ দিন পর্যন্ত, শিশুর দিন অনুযায়ী প্রস্রাব করা উচিত। প্রথম দিন অন্তত একটি ভেজা ন্যাপি, দ্বিতীয় দিন অন্ততপক্ষে ২টি ন্যাপি এবং এই ক্রমানুযায়ী পঞ্চম দিনে ৫টি ভোজা ন্যাপি হতে হবে। এর পর শিশু যদি এক দিনে ৬টি ন্যাপি ভেজায়, তার অর্থ তাদের খাওয়া-দাওয়ায় কোনও ঘাটতি নেই।
শিশুর পর্যাপ্ত দুধ লাভের অন্যান্য লক্ষণ
১. শিশুর সক্রিয়তা
জন্ম থেকে ১ বছর পর্যন্ত:
কাপ থেকে জল খেতে পারে।
সাহায্য না-নিয়ে একা বসতে পারে।
অন্যকে দেখে হাসা।
প্রথমে দাঁত আসা।
দাঁড়ানোর চেষ্টা করে।
নিজে থেকে ডিগবাজি খাওয়া।
নতুন নতুন শব্দ বলা।
আসবাব বা অন্য কিছুর সাহায্য নিয়ে হাঁটা।
২. দীর্ঘ সময় ধরে কোনও কিছু চোষা। এ সময় বাচ্চাদের থুতনির ক্রিয়াকলাপ লক্ষ্য করুন।
৩. প্রথম তিন-চার দিন শিশুর মলের রঙ সাধারণত কালো বা সবুজ হবে। তার পর সাধারণ হলুদ রঙে পরিবর্তিত হবে। তবে কতবার মলত্যাগ করছে, তা দিয়ে পেট ভরার বিষয়টি নির্ধারণ করা যায় না। কারণ বাচ্চা দিনে ৮ বারও মলত্যাগ করতে পারে অথবা ৮ থেকে ১০ দিনে এক বার, ঘন ঘন মলত্যাগ করতে পারে।

শিশুর পরিপূরক খাবার"জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোর কথা ছিল। এই সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর অনেকেই সিদ্ধা...
19/08/2022

শিশুর পরিপূরক খাবার"

জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুকে শুধু বুকের দুধ খাওয়ানোর কথা ছিল। এই সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর অনেকেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন, এবার শিশুকে কী খাওয়াবেন। ছয় মাস পূর্ণ হওয়ার পর শিশুর শারীরিক গঠন ও বৃদ্ধি এবং মস্তিষ্কের পূর্ণ বিকাশের জন্য শুধু বুকের দুধ আর যথেষ্ট নয়। এ সময় তাকে বুকের দুধের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুষ্টিকর ও শক্তিদায়ক খাবার দিতে হবে। এই সময় শিশুকে খাবারে অভ্যস্ত করারও উপযুক্ত সময়। নাহলে পরবর্তী সময়ে শিশুর কোনো কোনো খাবারে অনীহা দেখা দেয়। তাই শিশুকে পরিপূরক খাবার সঠিক নিয়মে খাওয়ানো খুবই জরুরি।

আমাদের দেশের বেশির ভাগ মা পরিপূরক খাবার বলতে কৌটা কিংবা গরুর দুধ, জাউ, চাল বা গমের সুজি, চিনির শরবত, সাগু, বার্লি ইত্যাদি বোঝেন। এখন আবার বাজারে বেবিফুড নামে বিভিন্ন কৌটা ও প্যাকেটজাত খাবার পাওয়া যায়। বাবা–মায়েরা এগুলো খাওয়ানোর জন্য ব্যাকুল থাকেন। কিন্তু এসব খাবার পুষ্টিমান ও ক্যালরি বিবেচনায় খুবই নিম্নমানের খাবার। কাজেই এসব খাবার না খাওয়ানোই উত্তম। বুকের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি খাবার, দেশীয় ফলমূল, শাকসবজি খুবই ভালো।

শিশুর পরিপূরক খাবার শুরু করবেন যেভাবে:
প্রথমে চাল-ডাল-তেল দিয়ে নরম ও পাতলা করে খিচুড়ি তৈরি করুন। এটা দিয়েই শুরু করুন। এরপর দুই-তিন দিনের ব্যবধানে ধাপে ধাপে বিভিন্ন ধরনের সবজি যোগ করুন। যেমন প্রথম কয়েক দিন আলু, তারপর কয়েক দিন কুমড়া, এরপর পেঁপে ইত্যাদি। ধারাবাহিকভাবে সবজির পরিমাণ বাড়ান। সবজি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খিচুড়িতে ধাপে ধাপে যোগ করুন প্রাণিজ আমিষ, যেমন মাছ, ডিম, মাংস। এগুলো খাবারে নরম করে মিশিয়ে নিন। এর পাশাপাশি ডিমের কুসুম কিংবা সেদ্ধ ডিম একটু একটু করে খাওয়ান। দেশীয় ফল, যেমন কলা, পেঁপে, আম অল্প অল্প করে শুরু করুন। আঙুর, ডালিম ইত্যাদি ফলের রসও খাওয়াতে পারেন। কমপক্ষে দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে বুকের দুধ বন্ধ করা এবং কিছুতেই কোনো রকম ফর্মুলা খাওয়ানো চলবে না। শিশু খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের পরিমাণ বাড়ান।

নাশতায় চটকানো মাছ-মাংস, ফলের রস, চটকানো আলু, চটাকানো শাকসবজি, ডিমের কুসুম, বিভিন্ন প্রকার হালুয়া, পাকা কলা ইত্যাদি দেওয়া যেতে পারে। এক বছর বয়স থেকে শিশুকে নিজের হাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।

এই ধরনের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক আরো টিপস পেতে সাথেই থাকুন

🚾আপনার👶ছোট্ট সোনামনি কি পুষ্টিহীনতায় ভুগছে❓শারীরিক বৃদ্ধি হচ্ছেনা❓মানসিক বিকাশ ঘটছেনা❓ খিটখিটে মেজাজের❓মায়েদের এই সকল সম...
06/08/2021

🚾আপনার👶ছোট্ট সোনামনি কি পুষ্টিহীনতায় ভুগছে❓শারীরিক বৃদ্ধি হচ্ছেনা❓মানসিক বিকাশ ঘটছেনা❓ খিটখিটে মেজাজের❓
মায়েদের এই সকল সমস্যার সমাধন নিয়ে হোম মেইড বেবি ফুড।

🚼শিশুরা দৈনন্দিন খাবার খাওয়ার পরেও পুষ্টির ঘাটতি থেকেই যায়। এই সকল রকম ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে আমাদের ঘরে তৈরি এই খাবার গুলো। আমিষ, ক‍্যালসিয়াম, শর্করা, ভিটামিন এ বি সি ই আরও নানান রকম ভিটামিন রয়েছে এই খাবারে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন‍্য রয়েছে হরলিক্স।

🤵 বড়দের জন‍্য হরলিক্স, 👣 ছোটদের জন‍্য সেরেলাক স্টেজ 1,2,3 আরও আছে 🔥🥣খিচুড়ি মিক্স।
সোনামনিদের ওজন বারা নিয়ে মায়েদের আর চিন্তা নেই, সকল চিন্তা দূর করতে আমরা নিয়ে এসেছি হোম মেইড সেরেলাক এটা খেলে বেবিদের ওজন বারবেই, অপুষ্টিহীনতাও দূর হবে। শিশুদের বুদ্ধি ও মেধা বিকাশে জাদুকরী এই খাবার।
যেসব 🌾খাবারে বাচ্চারা লম্বা, মেধাবী, স্বাস্থ্যবান ও বুদ্ধিমান হয় এসব খাবার নিয়ে আমরা ধাপে ধাপে তৈরী করেছি হোম মেইড সিরিয়াল। 🌽

⏩হোম মেইড হরলিক্স: বড়দের জন‍্য নতুন স্বাদে নতুন কিছু

রোগা পাতলা বাচ্চারা হবে সুসাস্থের অধিকারী ঘরে তৈরি এই খাবারে বাচ্চারা হবে লম্বা, মেধাবী, স্বাস্থ্যবান ও বুদ্ধিমান হয় এসব খাবার নিয়ে আমরা ধাপে ধাপে তৈরী করেছি হোম মেইড সিরিয়াল।

👶Stage 1সিরিআল: ০৬-০১ বছরের মধ্যে ছোট্ট সোনামনিদের জন‍্য।

Stage 2 সিরিআল: ০১-০২ বছরের মধ্যে ছোট্ট সোনামনিদের জন‍্য।খুবই টেস্টি এবং ইয়ামমি সাদে নিয়ে তৈরি।

Stage ৩ সিরিআল: ০২ থেকে সকল বয়সি সোনামনিদের জন‍্য। খুবই yummi and testy খাবার নিয়ে এই stage।

শিশুর খাবারের রেসিপিরেসিপি নং ১কলিজার খিচুড়িরেসিপির বর্ণনা এবং পুষ্টিগুণ:কলিজার খিচুড়ি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু একট...
12/07/2018

শিশুর খাবারের রেসিপি

রেসিপি নং ১

কলিজার খিচুড়ি

রেসিপির বর্ণনা এবং পুষ্টিগুণ:

কলিজার খিচুড়ি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু একটি খাবার। এই রেসিপিতে কলিজা ব্যাবহার করা হয়েছে যাতে উচ্চ মানের পুষ্টি উপাদান যেমন- আমিষ, আয়রন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন এ ও প্রচুর পরিমান ক্যালোরি বিদ্যমান থাকে। এগুলো শিশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং টিস্যুর রক্ষণাবেক্ষণ করে। এই রেসিপিতে শস্য এবং ডাল শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। শিশুদের ভিটামিন এবং খনিজ লবনের চাহিদা মেটায় কলিজা এবং সবজি।

এখানে তেল শক্তির ঘনত্ব বাড়ায় এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনের শোষণকে ত্বরান্বিত করে এবং খাবারকে সুস্বাদু করে তোলে।

কলিজার খিচুড়ির পুষ্টিমান:

**অন্যান্য মৌসুমি রঙিন সবজি যেমন- মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি ব্যাবহার করা যাবে।

প্রস্তুত কৃত খাবারের অজনঃ ২১০ গ্রাম (৩/৪ বাটি)

পরিবেশনের সংখ্যাঃ ৩

খাবার প্রস্তুতে প্রয়োজনীয় সময়ঃ ৩০ মিনিট

আয়রনের উৎসঃ মসুর ডাল, কলিজা।

বয়সসীমাঃ ৬-৮ মাস, ৯-১১ মাস, ১২-২৩ মাস

প্রস্তুত প্রণালীঃ
১। মুরগীর কলিজা ভালোমত পরিস্কার করে, ধুয়ে ছোট করে কেটে নিতে হবে।

২। চাল এবং ডাল ভালোমত পরিষ্কার করে ফুটানো পানিতে ভিজিয়ে রাকুন। ১০ মিনিট পরে ভালোমত পানি ঝরিয়ে নিন।

৩। সব শাক-সবজি এবং পেঁয়াজ ভালোমত ধুয়ে কেটে নিন।

৪। একটি রান্নার পাত্রে তেল গরম করুন, তেল গরম হলে এতে পেঁয়াজ কুচি, আদা রসুন বাটা দিন।

৫। পেঁয়াজ এবং মসলা সামান্য ভেজে এতে চাল ও ডালের মিশ্রণ ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন। স্বাদ অনুযায়ী হলুদ গুড়া এবং সামান্য লবণ যোগ করুন। অল্প আঁচে কিছুক্ষণ (১-২ মিনিট) নাড়াচাড়া করুন।


৬। চাল ডাল সামান্য ভাজা হলে এতে প্রয়োজনমত পানি (সম্ভব হলে গরম পানি) যোগ করুন। এবং রান্না হওয়ার জন্য পাত্রটি একটি পরিষ্কার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন।

৭। চাল এবং ডাল অর্ধেক সিদ্ধ হয়ে এলে এতে সবজিগুলো এবং টুকরা করা কলিজা সব একসাথে ঢেলে দিন। সামান্য নেড়ে দিন যাতে সবগুলো উপকরণ একসাথে মিশে যায়। পাত্রটি আবারও ঢেকে দিন।

৮। সবগুলো উপকরণ ভালোমত সিদ্ধ হয়ে গেলে চুল থেকে নামিয়ে ফেলুন। প্রয়োজনে খিচুড়ি চামচ দিয়ে সামান্য চটকিয়ে নরম করে নিন এবং শিশুকে পরিবেশন করুন।

যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে
শিশুকে নতুন খাবার দেওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, শরীরের কোথাও র‍্যাশ, বমি বা ঢেকুরের পরিমাণ বেশি হচ্ছে কি না। বাচ্চার কান্নার পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে গেছে বা পেট ফুলেছে, প্রস্রাব-পায়খানায় পরিবর্তন অনুভব করলে সেই খাবার বন্ধ করতে হবে। অবস্থা বেগতিক মনে হলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

তথ্যসূত্রঃ

রেসিপি টি বাংলাদেশের জন্য পরিপূরক খাবার বিষয়ে ম্যানুয়াল উন্নয়ন গবেষণা থেকে তৈরি বুকলেট “৬-২৩ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ঘরে তৈরি পরিপূরক খাদ্য প্রস্তুত প্রণালী” থেকে গ্রহন করা হয়েছে। গবেষণাটি বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত হয়েছে। গবেষণাটিতে টেকনিক্যাল সহায়তা প্রদান করেছে এফএও এবং আর্থিক সহায়তা করছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউএসএআইডি।

শিশুর খাবারের রেসিপি(৬-২৩ মাস বয়সী বাচ্চার উপযোগী )শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে শিশুর খাবার ও পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূম...
12/07/2018

শিশুর খাবারের রেসিপি
(৬-২৩ মাস বয়সী বাচ্চার উপযোগী )
শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে শিশুর খাবার ও পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অস্বাস্থ্যকরভাবে তৈরি করা শিশুর খাবার শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির উপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং শিশু ঘন ঘন অসুস্থ হচ্ছে। শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে সাধারনত ওজন বৃদ্ধি ব্যহত হয় কারণ ছয় মাস পর্যন্ত শিশু মায়ের দুধ থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদান পায়। ৬ মাসের পর থেকে মায়ের দুধ থেকে আসে ৪০০ ক্যালোরি আর ৬ থেকে ৮ মাস বয়সী শিশুদের এ সময় দৈনিক চাহিদা থাকে অতিরিক্ত ২০০ ক্যালোরি, ৯ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ৩০০ ও ১২ থেকে ২৩ মাস বয়সী শিশুদের চাহিদা অতিরিক্ত ৫৫০ ক্যালোরি। তাই এ সময় যদি শিশুকে পরিপূরক খাবার থেকে চাহিদা পূরণ করা না হয় তবে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যহত, ঘন ঘন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত এবং মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

যদিও বাংলাদেশে বুকের দুধ দেয়ার অভ্যাস অনেক ভালো, তবুও মাত্র ৬৪ ভাগ শিশুকে ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো হয়। ৬ মাস বয়স পূর্ণ হওয়ার পর (১৮০ দিন পর) বাড়তি খাবার দেয়া শুরু করা হয়। কিন্তু তার পরিমান ও গুনগত মান সন্তোষজনক নয়। সমীক্ষা অনুযায়ী শুধুমাত্র ২১ ভাগ শিশু নুন্যতম গ্রহণযোগ্য খাবার পায়। (যেমন – কমপক্ষে ৪টি খাদ্য বিভাগ থেকে দিনে ৩-৪ বার প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার)।

উপযুক্ত সম্পূরক খাবারের অপর্যাপ্ততার সাথে সাথে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অন্যতম প্রধান কারণ হলো, শিশুর খাদ্য প্রস্তুত ও খাওয়ানো সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও দক্ষতার অভাব। অনেক পরিবারে শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পারিবারিক খাবার দেয়া হয় কিন্তু অভিভাবকরা জানেন না কিভাবে কি কি উপকরন দিয়ে তৈরি খাবার শিশুর জন্য সঠিক এবং ঘরের উপকরণ দিয়ে কিভাবে পুষ্টিকর পরিপূরক খাবার কিভাবে তৈরি করতে হবে।

শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার তৈরির জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ৭টি খাদ্যশ্রেণীর যথাযথ মিশ্রন খাদ্যে বিভিন্ন পুষ্টি যোগান নিশ্চিত করে। এই ৭ টি খাদ্য শ্রেণী এবং তাদের প্রধান পুষ্টিগুণ নিচে দেয়া হলো-

১। শস্য ও শস্যজাত খাবার, মুল এবং কন্দ (শক্তিদায়ক)

২। ডাল, বীজ, ও বাদামজাতীয় খাবার ( আমিষ ও শক্তি সরবরাহক)

৩।দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার, যেমন- দই, পনির ইত্যাদি ( আমিষ ও হাড় গঠনে প্রয়োজনীয় খনিস লবন)

৪। মাংস জাতীয় খাবার যেমন- মাছ, গরু/খাসি, মুরগীর কলিজা ইত্যাদি (আমিষ)

৫। ডিম ( আমিষ, ভিটামিন এ, আয়রন, জিংক এবং অন্যান্য)

৬। ভিটামিন এ জাতীয় ফল ও সবজী।

৭। অন্যান্য ফল ও সবজী (ভিটামিন সি এবং অন্যান্য মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট)

উপরে উল্লেখিত ৭ টি খাদ্য শ্রেণীর মধ্যে কমপক্ষে ৪টি খাদ্য শ্রেণী ব্যাবহার করে পরিপূরক খাবার তৈরি করা হলে তা অধিক পুষ্টিকর এবং বৈচিত্র্য পূর্ণ হবে।তাই শিশুর খাবারের রেসিপি বিভাগে এ খাদ্য শ্রেণীগুলোর সমন্বয়ে তৈরি এবং বিজ্ঞানসম্মত বেশ কিছু উন্নতমানের সুস্বাদু খাবারের রেসিপি রয়েছে, যা শিশুর তিনটি বয়স শ্রেণীর (৬-৮, ৯-১১ এবং ১২-২৩) শক্তি, পর্যাপ্ত পুষ্টি এবং ঘনত্ব এর উপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে। শিশুদের এই খাবারের রেসিপিগুলো তৈরি করা হয়েছে স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য, বিজ্ঞানসম্মত, বৈচিত্র্যময় ও পছন্দমত গ্রহণযোগ্য খাবার দিয়ে।


রেসিপিগুলো বাংলাদেশের জন্য পরিপূরক খাবার বিষয়ে ম্যানুয়াল উন্নয়ন গবেষণা থেকে তৈরি বুকলেট “৬-২৩ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ঘরে তৈরি পরিপূরক খাদ্য প্রস্তুত প্রণালী” থেকে গ্রহন করা হয়েছে। গবেষণাটি বাংলাদেশ ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত হয়েছে। গবেষণাটিতে টেকনিক্যাল সহায়তা প্রদান করেছে এফএও এবং আর্থিক সহায়তা করছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউএসএআইডি।

রেসিপি গুলো পেতে আমাদের পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন...
একেকদিন একেক ধরনের রেসিপি পোস্ট করা হবে।
(ধন্যবাদ)

Address

Joar Sahara
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:30
Tuesday 09:00 - 23:30
Wednesday 09:00 - 23:30
Thursday 09:00 - 23:30
Friday 09:00 - 23:30
Saturday 09:00 - 23:30
Sunday 09:00 - 23:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homemade Baby Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Homemade Baby Food:

Share