03/06/2026
গতবছরের ন্যায় এবছরও প্রায় বিশ ত্রিশ লক্ষ কুরবানির পশু উদ্বৃত্ত রয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের ক্যাটল মার্কেট যখন ইন্ডিয়া নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে স্বয়ংসম্পূর্ণতার সুখবর আমরা দেই, তখনই সম্পূরক একটা প্রশ্ন উঠে আসে, তাহলে বাংলাদেশে গরুর মাংসের দাম এতো বেশি কেনো বা গরুর মাংসের দাম কেনো কমছে না?
এর উত্তর প্রতিবছর কুরবানির ঈদের সময়ই পেয়ে থাকি, কিন্তু সেদিকে কেউ দৃষ্টিপাত করতে চাই না, সবাই বায়বীয় সিন্ডিকেটকে গালাগালি করেই মনোতৃপ্তি লাভ করি।
বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। মানুষের মতো এদেশের ক্যাটলের ক্ষেত্রেও পার ক্যাপিটা বাসযোগ্য স্থান খুবই কম। এদেশে ক্যাটলের জন্য চারণভূমি কম। প্রাকৃতিক ঘাসের সঙ্কুলান খুবই কম এবং বর্তমানে উদ্বেগের বিষয় রেগুলার কৃষি জমিতে ধান গমের পরিবর্তে গরুর ঘাস উৎপাদন করা হচ্ছে।
গরুর ঘাসের কি পরিমাণ ফিন্যান্সিয়াল ভ্যালু পাওয়া যাচ্ছে যে ধান গমের পরিবর্তে ঘাস উৎপাদন লাভজনক বলে বিবেচিত হচ্ছে। এপ্রসঙ্গে সম্পূরক একটা তথ্য দেই, ঢাকাতে আমরা আমাদের এগ্রোতে প্রতি কেজি সাত টাকা করে কেজি দরে ঘাস কিনে গরুকে খাওয়াই।
গরুর আরেকটা মূল্যবান খাবার গমের ভূসি প্রায় পুরোটাই আমদানী করে আনা হয় এবং রাশা-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে এই বাজার টালমাটাল। অনেক উচ্চমূল্যে ভূসি আমদানি করে গরুকে খাওয়াতে হচ্ছে।
তাহলে বুঝতেই পারছেন, এদেশে গরুর জন্য অপ্রতুল চারণভূমি রয়েছে এবং গোখাদ্যের মাত্রাতিরিক্ত দাম গরুর উৎপাদন খরচকে বাড়িয়ে তুলছে এবং একদম প্রান্তিক পর্যায়েও ৬০০-৭০০ টাকা পর্যন্ত পড়ে যাচ্ছে পার কেজি গরুর মাংসের উৎপাদন খরচ।
এর বাইরে আরেকটা কারণে গরুর মাংসের দাম বেড়ে গিয়েছে বা কমানো যাচ্ছে না, সেটি হচ্ছে বাই প্রোডাক্টের প্রাইসের দাম পড়ে যাওয়া। কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণে বাই প্রোডাক্টের চাহিদা ও মূল্য একটা বড় ভূমিকা রাখে।
সরিষার তেল আমরা ২৫০-৩০০ টাকা লিটারে পাই কারণ বাই প্রোডাক্ট সরিষার খৈলের দাম পাওয়া যায় কেজিতে ৩০-৪০ টাকা। চাল আমরা ৫০-৮০ টাকায় পাই কারণ চালের বাই প্রোডাক্ট খুদ, ভূসি এবং খড় বিক্রি করে ভালো এমাউন্টের টাকা পাওয়া যায়। মজার বিষয় হলো, এই সবগুলো বাই প্রোডাক্ট ইউস হয় আমাদের ক্যাটল সেক্টরে। আমাদের ক্যাটল সেক্টর চাল, ডাল, তেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সহায়তা করে।
কিছুদিন আগে ব্রাজিল থেকে এক ডলারে মাংস আমদানির বিরোধিতা করার এটা অন্যতম কারণ, সদ্য স্বনির্ভর হওয়া একটা সেক্টরকে প্রটেকশন না দিলে শুধু যে এই সেক্টর ধ্বংস হবে তা-ই নয়, বরং এর সাথে যুক্ত ধান, তেল, ডালের মতো কৃষি পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং পোলট্রি, ফিশারিজ সেক্টরেও এর নেগেটিভ প্রভাব পড়বে মারাত্মকভাবে।
যাইহোক, কথা বলছিলাম, বাই প্রোডাক্ট নিয়ে। আমাদের ক্যাটল সেক্টরের অনেকগুলো বাই প্রোডাক্টের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দামী হলো চামড়া। মনে আছে, আমরা যখন ছোট, ৯৫-২০০০ সালের দিকের কথা, আমরা সেসময় ২০-২৫ হাজার টাকার গরু কুরবানি দিতাম। কুরবানির সময় সেসময় চামড়া ছিল, ইস আ বিগ থিং। পাড়ায়, মহল্লায় চামড়ার বিজনেস কন্ট্রোলের জন্য মারামারি, খুনাখুনি পর্যন্ত হতো। ২০ হাজার টাকার একটা গরুর চামড়া আমরা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছিলাম, যতোটুকু মনে পড়ে।
সেসময় চামড়া এতো দামী ছিলো, শোনা যেতো গরুচোর গরু চুরি করে মাঝপথে গরু জবাই করে চামড়া খুলে নিয়ে গরু ফেলে রেখে চলে গিয়েছে। সেই চামড়ার আজ কি হাল, হায় হায়!!
২০০০ সালের প্রোপোরশনেট অনুযায়ী বর্তমানে এক লাখ টাকার একটা গরুর চামড়ার দাম হওয়া উচিত বিশ হাজার টাকা। একচুয়ালি ২০০ টাকাও আমরা পাই না। লাখ টাকার গরুর চামড়ার দাম যদি বর্তমানে বিশ হাজার টাকা পাওয়া যেতো, তাহলে চিন্তা করে দেখেন তো মাংসের দাম কোথায় গিয়ে ঠেকতো। রাইট নাউ, একশ টাকা কমে যেতো পার কেজিতে মাংসের দাম। ৬০০ টাকায় পাওয়া যেতো গরুর মাংস।
গরুর চামড়ার দাম পড়ে যাওয়ার জন্য মূলত দুইটা কারণ দায়ী:
১) বিশ্ববাজারে ন্যাচারাল স্কিনের চাহিদা কমে যাওয়া
২) আমাদের চামড়ার বাজারকে পরিকল্পিতভাবে ইন্ডিয়ার হাতে তুলে দেয়া
১)
আপনি আপনার নিজের মধ্যে এবং আশেপাশে একটা জরিপ চালাবেন। আপনার জুতার কালেকশনের মধ্যে কয় জোড়া জুতা অরিজিনাল চামড়া আর কয়জোড়া আর্টিফিশিয়াল লেদারের? আট দশজনের একটা গ্যাদারিং এ কয়জনের পায়ে চামড়ার জুতা রয়েছে সেটাও একটু খেয়াল করেন।
গতদিন চামড়ার দামের বিষয়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম। আট দশজনের ক্রাউডে আমরা খুজে দেখলাম একজনের পায়েও চামড়ার জুতা বা স্যান্ডেল নেই। চামড়ার জুতা বা স্যান্ডেলের চাহিদা শুধু বাংলাদেশেই নয় বৈশ্বিকভাবেই কমে গিয়েছে। পরিবর্তে আর্টিফিশিয়াল লেদার দেখতে অনেক সুন্দর এবং দামেও কম। হয়তো টেকসইয়ের দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে কিন্তু কনস্যুমার মাইন্ডসেটেও বড় একটা পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে।
মানুষ এখন চায় চকচকে, গর্জিয়াস লুক, টেকসই জিনিস চায় না। দেখতে সুন্দর হবে, পড়ে আরাম হবে, ছয়মাস পড়বো, এরপর ফেলে দিবো। দেখতে খটমটে কিন্তু বছরের পর বছর টিকে থাকবে এরকম চামড়ার জুতো মানুষ আর চায় না। চামড়ানির্ভর অন্যান্য পণ্য যেমন ব্যাগ, জ্যাকেট এগুলোর ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য।
২)
চামড়ার বাজারে তা-ও যা একটু চাহিদা ছিলো, অবশিষ্ট অংশটাও ইন্ডিয়া খেয়ে দিয়েছে বা বলা ভালো তাদেরকে এই সেক্টরটা পরিকল্পিতভাবে উপহার দেয়া হয়েছে।
২০০০ সালে ইন্ডিয়ার স্কিন ইন্ডাস্ট্রি ছিল মাত্র ৩ বিলিয়ন ডলারের বর্তমানে তা বিশ বিলিয়ন ডলারের মার্কেটে পরিণত হয়েছে। মাত্র পচিশ বছরে তাদের স্কিন ইন্ডাস্ট্রির যে 7X গ্রোথ, এটা যে শুধু তাদের পরিশ্রমের ফসল তা নয়, আমার চামড়া ইন্ডাস্ট্রিকে পরিকল্পিতভাবে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এই বিশ বিলিয়নে আমার মার্কেট শেয়ার রয়েছে।
২০০০ সালের পর থেকে বায়াররা পরিবেশ সচেতন হয়ে গিয়েছে। গার্মেন্টস সেক্টরেও এই এনভায়রনমেন্ট কমপ্লায়েন্সের ঝড় গিয়েছে কিন্তু তারা ইভলভ করে কোনরকম সার্ভাইভ করেছে কিন্তু স্কিন ইন্ডাস্ট্রি সার্ভাইভ করতে পারে নি বা করতে দেয়া হয় নি।
বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা হাজারিবাগের ট্যানারি ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে ইটিপির কথা বলে সেটাকে হেমায়েতপুরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেই গাধার মুলা ইটিপি আজ পর্যন্ত ফুল ফাংশনাল করা যায় নি বা করা হয় নি। শুরুতে কিছুদিন চললেও এরপর থেকে অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। এদেশে পদ্মাসেতু হয়, টানেল হয়, এক্সপ্রেসওয়ে হয়, অথচ দেখেন এতো বড় একটা সেক্টরের স্বার্থ জড়িত সেই ইটিপি চালু হয় না। সেটার জন্য অর্থের সঙ্কুলান হয় না।
ইটিপির জন্য তো আর বায়াররা বসে থাকবে না, তারা আস্তে আস্তে ভারতে শিফট করে ফেললো তাদের পারচেজ অর্ডার। আমি বছর দুয়েক আগে হেমায়েতপুরের ট্যানারিপল্লিতে ভিজিট করেছিলাম, বেশ কয়েকজন মালিকের সাথে কথা বলেছিলাম। একদম নিরানন্দ পরিবেশ, কোনরকম টিকে আছে মার্কেটে। দুই চারটা চাইনিজ ইনকমপ্লায়েন্ট বায়ার ছাড়া তেমন কোন অর্ডার নেই। কোত্থেকে তারা চামড়ার দাম দিবে।
অথচ ফেসবুক, পত্রিকা খুললেই দেখবেন এই ট্যানারির মালিকদের শাপশাপান্ত করা হচ্ছে, সিন্ডিকেট সিন্ডিকেট বলে গালি দেয়া হচ্ছে। বাজারে চাহিদা না থাকলে, বায়ার না থাকলে কোত্থেকে তারা চামড়ার দাম দিবে। একসময় এই ট্যানারির মালিকরাই বিশ হাজার টাকার গরুর চামড়া পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছে, কই তখন তো তারা সিন্ডিকেট করে দাম কমাতে পারে নাই, নাকি তখন তাদের কোন মালিক সমিতি ছিলো না।
গালাগালি যদি করতেই হয়, দোষ যদি দিতেই হয়, তবে সরকারকে দেন। কেনো তারা আজ পর্যন্ত হেমায়েতপুরের ইটিপি চালু করতে পারলো না, কেনো ইন্ডাস্ট্রিটাকে প্রটেকশন দেয়া হচ্ছে না, গার্মেন্টস এর মতো অর্থসাহায্য দেয়া হচ্ছে না, কেনো বায়ারগুলোকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না, কেনো অল্টারনেটিভ মার্কেট খোজা হচ্ছে না চামড়ার।
------------------------
চামড়ার এখন আসলে অল্টারনেটিভ ব্যবহার বাড়াতে হবে। চামড়ার এডিবল ইউস বাড়াতে হবে। প্রোটিন ডেফিসিয়েন্সিতে ভোগা আমাদের ভেতো বাঙ্গালীকে চামড়া খাওয়া শেখাতে হবে। চামড়া শুধুমাত্র প্রোটিন বা ক্যালসিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ উৎস নয়, কোলাজেন নামক মানবশরীরের জন্য মহামূল্যবান একটা উপাদানের উৎকৃষ্ট উৎস।
৩০ ট্যাবলেটের একটা কোলাজেন সাপ্লিমেন্টের ডিব্বা ১৫০০-২০০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং এটা ইম্পোর্ট করে আনতে হয়, আমাদের মহামূল্যবান ডলার এতে ব্যয় হয়। নদনদীতে ফেলে দেয়া এই চামড়াগুলো থেকে যদি আমরা কোলাজেন এক্সট্রাক্ট করতে পারতাম, তবে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করতে পারতাম।
ছোটবেলায় কুরবানির ঈদ এলেই বিটিভিতে চামড়া সংগ্রহ এবং সংরক্ষণের উপর সচেতনতামূলক টিভিসি প্রকাশ করা হতো। চামড়া যাতে না ছিড়ে যায় এব্যাপারে সচেতন করা হতো। সময় বদলেছে, চাহিদা বদলেছে, সরকারকে এখন ফোকাস বদলাতে হবে। যেই সরকার একসময় মানুষকে চামড়া যাতে না ছিড়ে যায় সেটা শিখিয়েছে, এখন কিভাবে চামড়া ছিড়ে টুকরো টুকরো করে খাওয়ার উপযোগী করা যায় সেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
এর পাশাপাশি হারানো স্কিন ইন্ডাস্ট্রি উদ্ধারে মনোযোগ দিতে হবে। বিদেশের মার্কেট কতখানি উদ্ধার করতে পারবো জানি না, তবে বাংলাদেশেই রয়েছে আঠারো কোটি মানুষের মার্কেট। গড়ে বছরে দুই জোড়া করে জুতা লাগলেও ছত্রিশ কোটি জোড়া জুতার মার্কেট, খেলনা নয় কিন্তু।
স্কিন ইন্ডাস্ট্রিকে প্রটেকশনের জন্য প্রয়োজনে আর্টিফিশিয়াল লেদারের উপর এমবার্গো দিন, ট্যাক্স, ডিউটি বাড়ায় দিয়ে এক্সপেন্সিভ করে দিন।
স্কিন ইন্ডাস্ট্রিকে বাচানোর জন্য এখন সরকারের ইমিডিয়েট নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নিতে হবে:
১) ইটিপি চালু এবং অন্যান্য কমপ্লায়েন্স এনশিওর করে হেমায়েতপুরকে ফুল ফাংশনাল করতে হবে।
২) বায়ারদেরকে আবারও বাংলাদেশমুখী করতে হবে। নতুন মার্কেট খুজতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করতে হবে।
৩) গার্মেন্টস এর মতো স্কিন ইন্ডাস্ট্রিকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রণোদনা, লোন, ডিউটি ফ্রি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে হবে।
৪) আর্টিফিশিয়াল লেদারের উপর ট্যাক্স ডিউটি বসিয়ে ন্যাচারাল ল্যাদারের চেয়ে এক্সপেন্সিভ বানাতে হবে এবং অন্তত লোকাল মার্কেটে ন্যাচারাল লেদারের ইউস বাড়াতে হবে।
৫) চামড়ার এডিবল ইউস বাড়ানোর জন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে। মানুষকে চামড়া খেতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। চামড়া খাওয়ার প্রক্রিয়া শেখাতে হবে।
৬) ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোকে চামড়া থেকে কোলাজেন আহরণের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
৭) চামড়া নিজে একটা বাই প্রোডাক্ট। চামড়ার আবার বাই প্রোডাক্ট আছে। চামড়ার বাই প্রোডাক্ট এর পোল্ট্রি ও ফিশারিজ ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাপক চাহিদা আছে। স্কিন ইস আ গুড সোর্স অফ প্রোটিন। আস্ত স্কিন বা এটা থেকে প্রসেসকৃত জিনিস পোল্ট্রি ও ফিশারিজে কাজে লাগানো যায় কিনা সে ব্যাপারে R&D করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে একসময় ভুট্টার গাছ বা ভুট্টা ভাঙ্গানোর পর লেফট ওভার গরুকে খাওয়ানো হলেও এখন কিন্তু আস্ত ভুট্টাই গরুকে খাওয়ানো হয়। সেরকম চামড়ার লেফট ওভার পোল্ট্রি ও ফিশারিজে ব্যবহার হলেও এখন যেহেতু চামড়ার চাহিদা কম তাই আস্ত চামড়াই ব্যবহার করা যায় কিনা সে ব্যাপারে গবেষণা করা যেতেই পারে।
----------------------
বাংলায় একটা কথা আছে, কান টানলে মাথা আসে। স্কিন ইন্ডাস্ট্রির সাথে যুক্ত আরও অনেক ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। আমাদের ক্যাটল সেক্টর রয়েছে, মিট ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে, ক্যাটল সেক্টরের সাথে যুক্ত আমাদের ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, তেল সেক্টর রয়েছে। পোল্ট্রি, ফিশারিজও এর সাথে যুক্ত। চামড়ার দামের সাথে এই সেক্টরগুলোর প্রাইসিং, কস্টিং যুক্ত। চামড়ার ভালো দাম পাওয়া গেলে অন্যান্য সেক্টরগুলোতেও কস্টিং কমে আসবে এবং দাম কমে যাবে।
কৃষিকে বাঁচাতে হলে আমাদের চামড়াকে বাঁচাতে হবে, এর কোন বিকল্প নেই।
লিখেছেন - সাগর হাসনাত | আহলান এগ্রো পার্ক
Sagor Hasnath | Ahlan Agro Park