M&V FoodHub

M&V FoodHub Get Good Quality Healthy Food from Distributor & Home Made Food in Reasonable Price

27/10/2025

খুলনার মোড়ে মোড়ে ৯৯ টাকার বিরিয়ানি পাওয়া যায়। অনেকেই এটা নিয়ে ট্রল করে। কিন্তু আমি মনে করি এটা খুলনার মানুষদের জন্য একটা ব্লেসিং। খুলনার সবার উচিত শুকরিয়া করা। যে খুলনায় মাত্র ৯৯ টাকার মধ্যে বিরিয়ানি, চিকেন এবং ডিম পাওয়া যায়।

অন্যান্য কিছু জেলায় ট্যুর দাও। ভালোই বুঝে যাবা। খুলনার তুলনায় অন্যান্য জেলায় খাবারের দাম তুলনামূলক অনেক বেশি। আমি যখন বিভিন্ন জেলায় ঘুরতে যাই, বিশেষ করে যখন একটু কম টাকার মধ্যে খাওয়া-দাওয়া কমপ্লিট করতে চাই, তখন ওই সব জেলায় গিয়ে ৯৯ টাকার বিরিয়ানি খুঁজি কিন্তু কোথাও পাই না। তখনই আমি আমার প্রিয় খুলনাকে খুব মিস করতে থাকি।

তাই বলছি, যারা খুলনায় বসবাস করো, খুলনাকে নিয়ে শুকরিয়া আদায় করো। এতো অভিযোগ কইরো না। অন্যান্য জেলায় খাবার এবং সবকিছুর দাম খুলনার তুলনায় অনেক বেশী। খুলনার বাইরের জেলাগুলোতে ট্যুর দেওয়া শুরু করো। বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়ে যাবে ভালোই।

21/09/2025

যখন আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন...

তাকে শেখান, তার ঘরের গোপনীয়তা শুধু তার এবং তার স্বামীর মধ্যেই থাকবে।

তাকে শেখান, স্বামীর সঙ্গে কথায় জেদ না করতে, কারণ জেদ তাকেই প্রথমে ধ্বংস করবে।

তাকে শেখান, স্বামীর পরিবারের প্রতি যত্নশীল হতে এবং তাদের সম্মান করতে।

তাকে শেখান, উচ্চস্বরে হাসি বা চিৎকার তার নারীত্ব নষ্ট করে।

তাকে শেখান, স্বামীর কাছে একবারও মিথ্যা বললে তার প্রতি স্বামীর আস্থা চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

তাকে শেখান, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং ঘরের পরিচ্ছন্নতা স্বামীকে ইতিবাচক আচরণে উৎসাহিত করে এবং ঘরের প্রতি ভালোবাসা বাড়ায়।

তাকে শেখান, গীবতকারী না হতে।

তাকে শেখান, স্বামীর সামনেও লজ্জাশীল থাকতে।

তাকে শেখান, নারীত্ব এবং পৌরষ দুটো ভূমিকাই না নিতে; সে নারী, নারীই থাকবে এবং লজ্জাশীল নারী হিসেবে তার ভূমিকা পালন করবে, পুরুষের মতো নয়।

তাকে শেখান, স্বামীর ঈর্ষা ভালোবাসা, সন্দেহ নয়; এবং তার সমস্যার পেছনে আপনারা দাঁড়াবেন না।

তাকে শেখান, বাবার বাড়ি ভুলে যেতে; বাবার বাড়ি শুধু স্নেহ ও সাক্ষাতের জন্য, কিন্তু তার আসল বাড়ি হলো স্বামীর ঘর।

তাকে শেখান, তার স্বামী ছাড়া কেউ তাকে সহ্য করবে না।

তাকে শেখান, চিৎকার না করতে এবং সবসময় নরম কণ্ঠে কথা বলতে।

তাকে শেখান, আল্লাহর নির্দেশে স্বামীর উপর কর্তৃত্ব; নিজের মতামত বা কথা জোর করে চাপিয়ে না দিতে।

তাকে শেখান, প্রতিটি ঝগড়ায় “তালাক” শব্দটি মুখে না আনতে।

তাকে শেখান, যত বড় ঝগড়াই হোক, স্বামীর শয্যা ত্যাগ না করতে।

তাকে শেখান, স্বামীর মুখোমুখি হাসিমুখে থাকতে এবং বিরক্ত না করতে।

তাকে শেখান, স্বামী কাজ থেকে ফিরলে চুমু, এক গ্লাস পানি এবং হাসি দিয়ে স্বাগত জানাতে।

তাকে শেখান, স্বামীর অসুস্থতা বা বিপদের সময় তাকে ছেড়ে না যেতে।

তাকে শেখান, আপনারা সবসময় তার পাশে আছেন, কিন্তু প্রতিটি ঝগড়ায় রাগ করে স্বামীর ঘর ছেড়ে যাওয়া যাবে না।

তাকে শেখান, তার নারীত্ব দিয়ে সে একটি হিংস্র সিংহকেও বশ করতে পারে, কিন্তু জেদ করে নিজেকেই ভাঙবে।

তাকে শেখান, কথিত নারীমুক্তি শয়তানের ফাঁদ, এবং রাস্তায় সাজগোজ করে বের হওয়া তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

তাকে শেখান, সে যেন নারী হয়, তার ঘরের রানী হয়, পরিবার পরিচালনা করে, তাদের মধ্যে ভালোবাসা, স্নেহ এবং দয়া বপন করে।

ডিমওয়ালা ইলিশ মজাদার!!  #রসনা
14/09/2025

ডিমওয়ালা ইলিশ মজাদার!! #রসনা

11/08/2025

আমরা প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তায় ভুগি কোন দইটা খাওয়া ভালো হবে? এটা একসময় আমার মাথায়ও ছিলো। বাস্তবিক পক্ষে আমাদের ব্রেন কয়টা বলেন তো? আমাদের ব্রেন কিন্তু দুইটা ১। মাথা ২। পেট – আমাদের পেটে যদি ভালো স্বাদযুক্ত খাবার পড়ে তখন ব্রেন কিন্তু ভালো সিগন্যাল দেয় তার সাথে সাথেই আমাদের অন্য কাজ করতে ইচ্ছে হয় । আমরা বেশিরভাগ সময় হজম করার জন্য মিষ্টি দই খাই কিন্তু ওই দইয়ে পুরোটাই অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বলে কিছু থাকে না। ল্যাক্টোব্যাসিলাস নামে একধরণের ব্যাকটেরিয়া আছে যেটা দিয়ে আসলে দই তৈরি হয়। আমরা যে মিষ্টি দই খাই ওখনে ল্যাক্টোব্যাসিলাস মৃত অবস্থায় থাকে। এবং টক মিষ্টি দইয়ে সামান্য পরিমাণে থাকে। এইটা পুরোটাই জীবিত থাকে শুধুমাত্র টকদইয়ে যেটা আমাদের খাবারকে হজমে সহায়তা করে।
আপনি টক দই কেন খাবেন?
১। আমাদের ওই যে দুইটা ব্রেনের কথা বললাম। একটি থাকে মাথায় আরেকটা পেটে। আমাদের পেটের ভিতর ভালো ব্যাকটেরিয়া যেয়ে যখন নাচানাচি করে হজম প্রক্রিয়া সুন্দর করে। তখন আমাদের মাথার ব্রেনও খুশি হয়। এই দুই খুশি এক সাথে হলে হয় ‘অনুনাদ বা Resonance’ । তখন আমাদের কাজের গতি যোগ আকারে না গুণ আকারে বাড়তে থাকে এজন্যই খাবেন।
২। ইমিউন (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) সিস্টেম শক্তিশালী করে- নিয়মিত টক দই খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
৩। ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের ভালো উৎস: হাড়, দাঁত, ও পেশি গঠনের জন্য টক দই উপকারী
৪। ত্বক ও চুলের জন্য ভালো- এতে থাকা উপাদান ত্বক উজ্জ্বল ও চুল স্বাস্থ্যবান রাখতে সাহায্য করে।
⏰ আপনি কখন টক দই খাবেন?
১। দুপুরের খাবারের পর- হজমে সাহায্য করে, এসিডিটি কমায়
২। সকালে খালি পেটে (হালকা গরমের দিনে)- প্রোবায়োটিক কার্যকরভাবে কাজ করে
৩। গরমকালে নিয়মিত- শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে
কখন খাবেন না-
১। রাতে (বিশেষ করে ঠান্ডা ও বর্ষায়) অনেকের জন্য ঠান্ডা লাগা বা গ্যাস হতে পারে খালি পেটে টক দই খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড বেশি হয়ে অম্বল বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।
কিছু সতর্কতা:
১। অতিরিক্ত ঠান্ডা দই না খাওয়াই ভালো।
২। যাদের ঠান্ডা, সাইনাস বা টনসিলের সমস্যা আছে, তারা রাতে না খাওয়াই ভালো
৩। চিনি মিশিয়ে খেলে দইয়ের গ্লাইসেমিক লোড বেড়ে যায়, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে
৪। গরম না করে খাবেন, গরম করলে দইয়ের প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া মারা যায়, ফলে উপকারিতা কমে যায়
কি পরিমাণে খাবেনঃ
শিশু (১–৩ বছর)- ২–৩ টেবিল চামচ (৪০–৬০ গ্রাম)ভাত / খিচুড়ির সাথে মিশিয়ে দিন
শিশু (৪–৮ বছর)- ½ কাপ (৮০–১০০ গ্রাম) দুপুরে খাওয়া ভালো
কিশোর / কিশোরী - (৯–১৮ বছর) ১ কাপ (১৫০–২০০ গ্রাম) হাড় ও দাঁতের জন্য উপকারী
প্রাপ্তবয়স্ক (১৯–৬০ বছর) ১ কাপ (১৫০–২০০ গ্রাম) দুপুরের খাবারে বা নাস্তার সাথে
বয়স্ক (৬০+)- ½– কাপ (৮০–১৫০ গ্রাম) রাতে এড়িয়ে দুপুরে খাওয়াই ভালো
কি ভাবে খাবেন?
১। ভাতের সাথে মেখে খাওয়া (বাংলা স্টাইল)। গরম ভাতের (একটু ঠাণ্ডা হলে ভালো) সাথে মেখে নিন।
২। আধা কাপ টক দই নিন। আধা কাপ পানি মিশিয়ে পাতলা করুন। আধা চা-চামচ হলুদ গুঁড়া, একটু লবণ আর ভাজা জিরা গুঁড়া দিন
৩। আপনি চাইলে ফল মিশিয়ে খেতে পারেন

নিয়মিত অল্প পরিমাণ টক দই খান, স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপন করুণ। ভালো লাগলে শেয়ার করে, অন্যকে জানার সুযোগ তৈরি করেন।

21/07/2025

মেয়ের বাবা নেই, থাক আর আগানোর দরকার নেই..তারা কি জানে না মানুষ ম-র-ণ-শী-ল🙂

Address

Khulna
9100

Telephone

+8801717069181

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M&V FoodHub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to M&V FoodHub:

Share