Ghoroa Bazar BD - ঘরোয়া বাজার বিডি

Ghoroa Bazar BD - ঘরোয়া বাজার বিডি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ghoroa Bazar BD - ঘরোয়া বাজার বিডি, Health Food Shop, Khulna.

কাঠের ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ...
03/04/2024

কাঠের ঘানি ভাঙ্গা সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই তেল। সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারীও। ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ থেকে সরিষার ব্যবহার হয়ে আসছে। সরিষার তেল উদ্দীপক হিসেবে পরিচিত। অন্ত্রে পাচকরস উৎপাদনে সাহায্য করায় হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এ ছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ক্ষুধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সর্বজনীনভাবে সরিষার তেলের ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। তবে এই তেলের গুণাগুণ সম্পর্কে যাঁরা অবগত আছেন, তাঁরা নিয়মিতই ব্যবহার করে চলেছেন সরিষার তেল।
ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।

এ ছাড়া সরিষা তেল ঠান্ডা ও কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। যখন বুকে প্রয়োগ বা তার দৃঢ় সুবাস নিশ্বাসের মাধ্যমে নেওয়া হয়, এটা শ্বাসযন্ত্রের নালির থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে। শুধু খাওয়ার জন্যই নয়, সরিষার তেল চুল ও ত্বকের যত্নেও কাজে লাগে।

সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন-এতে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে। এ ছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।

উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে
সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যানসারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে।

চুল পাকা রোধ করতে
সরিষা তেলের পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন, মিনারেল চুলের অকালপক্বতা রোধ করে থাকে। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই তেল মালিশ করুন চুল এবং মাথার তালুতে যা আপনার চুল পাকা রোধ করবে।

ঠোঁটফাটা রোধ করে
ঠোঁট ফাটা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। অনেকের এই সমস্যা এত বেশি হয়ে থাকে যে লিপবাম কাজ করে না। অল্প একটু সরিষার তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগান। এই প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ঠোঁটফাটা রোধ করে ঠোঁট নরম কোমল করে তোলে। শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল ভালো কাজ করে। লিপবাম বা চ্যাপস্টিক—এগুলোর পরিবর্তে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।

কার্ডিওভাসকুলার উপকারিতা
সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে।

সতর্কতা
সরিষা তেল ব্যবহারের আগে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে জেনে নিতে হবে যে আপনার সরিষার তেল খাঁটি কি না? নকল বা ভেজাল সরিষার তেল ব্যবহারের ফলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় সরিষার তেল কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু যেকোনো সরিষার তেল কি আমাদের জন্য উপকার বয়ে আনবে? মোটেও তা নয়। দোকানের খোলা সরিষার তেলে ভেজাল মিশ্রিত থাকে, যা ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ–বিসুখ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই খাঁটি সরিষার কেনার ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে।

সুন্দরবনের মিশ্র ফুলের মধু। মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে ম...
03/04/2024

সুন্দরবনের মিশ্র ফুলের মধু।

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে।

নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;

৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;

৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;

৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;

৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;

৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;

৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;

১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;

১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;

১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;

১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;

১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;

১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;

১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;

১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;

১৯. রক্ত পরিশোধন করে;

২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;

২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;

২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;

২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;

২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;

২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;

২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;

২৭. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;

ঘি আসলে কী ?ইংরেজিতে ঘিকে বলা হয় ক্লারিফায়েড বাটার। এতে রয়েছে ৯৯.৯% চর্বি। বাকি ০১% জলীয় উপাদান, চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন...
02/04/2024

ঘি আসলে কী ?
ইংরেজিতে ঘিকে বলা হয় ক্লারিফায়েড বাটার। এতে রয়েছে ৯৯.৯% চর্বি। বাকি ০১% জলীয় উপাদান, চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও দুধের পোড়া অংশ। ঘি মূলত সম্পৃক্ত চর্বি তাই এটি বাইরের তাপমাত্রাতেই সংরক্ষণ করা যায়।

ঘি – নাম শুনলেই যেন মনটা ভরে যায়। গরম ভাতে একটু ঘি হলেই যেন পুরো ভাতটা নিমিষেই খাওয়া হয়ে যায়।ভাতের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে শরীরে দীর্ঘক্ষণ শক্তি থাকে। ঘি এর ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। বিশেষ কিছু খাবারের স্বাদ বাড়াতে যেমন কাচ্চি বিরিয়ানীসহ আরো অন্যান্য খাবার তৈরিতে ঘিয়ের প্রয়োজন হয়।

খাঁটি ঘিয়ের রয়েছে বিস্ময়কর কিছু গুণ; যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির উৎস। যদিও ঘি খাওয়ার বিষয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে, তবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ঘি স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

সর্দি-কাশি সারাতে, দুর্বলতা কাটাতে, ত্বকের সমস্যা দূর করতে ঘি ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ঘিয়ে পেঁয়াজ ভেজে খেলে গলা ব্যথা সারে।

প্রখ্যাত পুষ্টিবিদদের মতে, শীতকালই ঘি খাওয়ার উপযুক্ত সময়। এ সময় এটি সহজে হজম হয় ও শরীর গরম রাখে। এতে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে আছে।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি পেশি সুগঠিত রাখতে ঘি কার্যকর। এ ছাড়া শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে ঘি। প্রতিদিন সকালে এক বা দুই চা-চামচ ঘি খাওয়া যেতে পারে। এরপর গ্রিন টি বা সাধারণ চা ও কফি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

ঘি অবশ্য অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। যাঁদের কোলস্টেরলের সমস্যা আছে তাঁদের ঘি এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিদিন কেন এক চামচ ঘি খাবেন:
১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে তা আর্দ্র রাখে।
২. ভিটামিন এ থাকায় এটি চোখের জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য উপকারী। এটি চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, এতে শরীরের সন্ধিগুলো ঠিক থাকে।
৪. এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বলে অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে তোলে।
৫. পোড়া ক্ষত সারাতে কাজ করে ঘি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আছে ঘি খেলে মস্তিষ্কের ধার বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা দুনিয়াবাসীদের জন্য জান্নাতের যেসব খাবার পাঠিয়েছেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মধু। এতে রয়েছে...
31/03/2024

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা দুনিয়াবাসীদের জন্য জান্নাতের যেসব খাবার পাঠিয়েছেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মধু। এতে রয়েছে অসংখ্য রোগের শেফা।

পবিত্র কুরআনুল কারিমে সুরা মোহাম্মাদে আল্লাহ তাআলা জান্নাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন, ‘এর তলদেশে প্রবাহিত হবে মধুর প্রবাহ’।

মধু হচ্ছে সুস্বাদু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যনির্যাস। এটি শরীরের জন্যও অত্যন্ত উপকারী। মধু একটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ, এতে কোনো সন্দেহ নেই এবং বিভিন্ন চিকিৎসার ক্ষেত্রে মধুর বিশেষ বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। মধুর নিরাময়শক্তি বিরাট ও স্বতন্ত্র ধরনের।

আল্লাহর হুকুম, রহমত ও কুদরতে মধু প্রতিটি রোগের ওষুধ। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘...তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার...। ’ (সূরা: আন-নাহল, আয়াত: ৬৮ ও ৬৯)

অন্যদিকে বিভিন্ন হাদিসের বর্ণনার মাধ্যমে জানা যায়, রাসূল (সা.) মধু ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে হাদিসের এক বর্ণনায় এসেছে, ‘আব্দুলাহ্ ইব্ন মাসঊদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা. বলেছেন, ‘তোমরা কোরআন ও মধু দিয়ে ব্যাধি নিরাময়ের ব্যবস্থা করবে’। (ইব্ন মাজাহ, আস-সুনান, খ. ২, পৃ. ১১৪২, হাদিস নং-৩৪৫২)

রাসূল (সা.) এর কাছে এক সাহাবি এসে তার ভাইয়ের পেটের অসুখের কথা বললে রাসুল (সা.) তাকে মধু পান করানোর পরামর্শ দেন এবং এতে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। (বুখারি, আস-সহিহ, খ. ৫, পৃ. ২১৫২, হাদিস: ৫৩৬০)

মধুর মধ্যে রয়েছে অনেক রোগের প্রতিষেধক। ধনিয়া ও কালোজিরা মিশ্র ফুলের মধু নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে মধু সেবন করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
২. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।
৩. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৫. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে।
৬. রক্ত পরিশোধন করে।
৭. জিহ্বার জড়তা দূর করে।
৮. বাতের ব্যথা উপশম করে।
৯. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
১০. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।
১১. মাথা ব্যথা দূর করে।
১২. কন্সটিপেশন দূর করে।
১৩. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে।
১৪. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে।
১৫. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।
১৬. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী।
১৭. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা সমস্যার হাত থেকে রক্ষা করে।
১৮. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে।
১৯. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে।
২০. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী।
২১. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।
২২. পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।
২৩. শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।
২৪. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না।
২৫. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে।
২৬. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের টিস্যু সুদৃঢ় করে।
২৭. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে।

মধু খাওয়ার নিয়ম:
১. ফল অথবা সবজির স্যালাডে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
২. চা অথবা কফিতে চিনি ব্যবহার না করে মধু ব্যবহার করে পান করতে পারেন।
৩. দুধ পান করার আগে তার মধ্যে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৪. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানিতে এক চামচ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৫. মধু, তুলসী পাতা ও আম একসাথে পেস্ট করে পানি দিয়ে শরবত করে পান করতে পারেন।
৬. আরেকটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে আদার রস, লেবুর রস ও মধু পানিতে মিশিয়ে পান করলে দারুণ শারীরিক উপকারিতা পাবেন।

মরিঙ্গা পাউডার কি? সজিনা পাতা গুঁড়া বা Moringa powder ( মরিঙ্গা পাউডার ) অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। বলা হয়ে থাকে মরি...
30/03/2024

মরিঙ্গা পাউডার কি?
সজিনা পাতা গুঁড়া বা Moringa powder ( মরিঙ্গা পাউডার ) অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। বলা হয়ে থাকে মরিঙ্গা বা সজনে একটি ভেষজ উদ্ভিদ যাকে আমরা সবজি হিসেবেই বেশি চিনি। তবে এর পুষ্টি উপাদান অন্য সকল সাধারণ সবজি থেকে অনেক বেশি এবং একে মাল্টি ভিটামিনের আধার বলা হয়। সচরাচর এই ভেষজ সবজি আমরা শীতের পরে থেকে বাজারে দেখতে পাই।

তবে সজনে ডাটা থেকে এর পাতার পুষ্টি গুন আরও বেশি। এই কারণে বিশ্বব্যাপী মরিঙ্গা বা সজনে পাতার গুঁড়ার এত এত চাহিদা। যাইহোক, আমাদের আজকে লেখায় আমরা মরিঙ্গা পাউডার কি, কীভাবে খাওয়া হয় এবং বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো।

প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণের আধার সজনে সম্পর্কে আমাদের সবার ধারণা আছে। সজনের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে মরিঙ্গা ওলেইফে। এটি আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলের অতি সাধারণ একটি ভেষজ উদ্ভিদের নাম। সজনের ডাটা আমাদের দেশে সবজি হিসেবে খাওয়া হয়।

মরিঙ্গা বা সজনেকে একটি মাল্টিভিটামিন সুপার ফুড বলা হয় এবং এর গাছ মিরাকেল ট্রি হিসেবে সুপরিচিত। সজনে পাতার গুঁড়ায় অকল্পনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে যা আমাদের গতানুগতিক খাদ্য থেকে অনেক বেশি। বিশেষ করে এতে সকল ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড সহ বিভিন্ন প্রকারের খনিজ উপাদান থাকে। তাছার মরিঙ্গা পাউডারে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি সহ অন্যান্য উপাদান থাকে।

সর্বোপরি এই খাবার দেহের জন্য অনেক বেশি পুষ্টি সরবরাহ করে যা অনেকগুলো খাবার এক সাথে খেলেও পাওয়া যায় না। অর্থাৎ মরিঙ্গা পাউডার দেহের জন্য উপকারী পুষ্টি উপাদানে ভরপুর যে কারণে একে সুপারফুড হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। নিচে এই গুঁড়া খাওয়ার নিয়ম ও এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

সজনে পাতা গুড়া খাওয়ার নিয়ম কি ?
মরিঙ্গা গুঁড়া একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট নির্ভর খাদ্য উপাদান। একে একাধারে বিভিন্ন খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। নিচে সজনে পাতা গুঁড়া খাওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

চা এর সাথে মিশিয়েঃ
সজনে পাতা খাওয়ার সব থেকে সহজ এবং প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে একে চায়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়া। কারণ যখন মরিঙ্গা গুঁড়া চায়ের সাথে মেশানো হয় তখন তা গলে সব পুষ্টিগুণ পানির সাথে মিশে যায়। যখন সেই পানীয় গ্রহণ করা হয় তখন তা দেহের জন্য উপকারী কাজে লাগে।

শরবত বানিয়েঃ
সজনে পাতার গুঁড়ার সঙ্গে খাঁটি মধু ও লেবুর পানি মিশিয়ে অনেক স্বাস্থ্যকর শরবত তৈরি করা যায়। নিয়মিত এই শরবত খেলে শরীরের ওজন ঠিক থাকে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে মরিঙ্গা পাউডারের শরবত অনেক প্রচলিত খাদ্য।

স্মুদি হিসেবেঃ
স্মুদি আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। এই খাবারের সাথে যখন এক বা দুই চামচ সজনে পাতার গুঁড়া মেশানো হয় তখন তা আরও বেশি পুষ্টিকর হয়। এই কারণে সকালের স্মুথিতে মরিঙ্গা মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

সালাদ ড্রেসিং হিসেবেঃ
সালাদ একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট যা দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে এবং বায়োলজিক্যাল প্রপার্টিজ নিয়ন্ত্রণ করে। সচরাচর সালাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য এতে মেয়নিজ ব্যবহার করা হয়। মরিঙ্গা পাউডার মেয়নিজ হিসেবে অনেক ভালো কাজ করে। উপর্যুপরি এই গুঁড়া সালাদের মান বৃদ্ধি করে।

ওটমিল বা সিরিয়ালের সাথেঃ
ওটমিলের সাথে মরিঙ্গা পাউডার মিশিয়ে খাওয়া অনেক উপকারী। কারণ যখন মরিঙ্গা পাউডার মেশানো হয় তখন ওটমিলের মধ্যে থাকা পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায় এবং তা থেকে স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হয়।

মশলা হিসেবেঃ
খাবার রান্না করার সময় মশলা হিসেবে ব্যবহার করার জন্য মরিঙ্গা পাউডার একটি ভালো অপশন হতে পারে। বিশেষ করে কোন ভাজি, পপকর্ন ইত্যাদির সাথে মশলা হিসেবে মরিঙ্গা পাউডার খাওয়া যেতে পারে।

স্যুপের সাথেঃ
সচরাচর সুপের সাথে বিভিন্ন উপাদান যোগ করে এর পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করা হয়। সে দিক থেকে সুপের সাথে মরিঙ্গা পাওয়ার গ্রহণ করা একটি উপকারী সিদ্ধান্ত। এই কারণে রেস্টুরেন্টে সুপের সাথে মরিঙ্গা পাউডার ব্যবহার করার একটি সুবর্ণ সুযোগ আছে। এতে একাধারে যেমন স্যুপের স্বাদ বৃদ্ধি পায় তেমনি এর পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায়।

ভাতের সাথেঃ
আমরা বাঙ্গালিরা ভাতের সাথে ঝোল সহ সজনের ডাটা খেতে অনেক পছন্দ করি। তাছাড়া সজনে পাতার গুঁড়া দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার ভাতের সাথে মিশিয়ে খাওয়া আমাদের কাছে একটি সাধারণ খাবার। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে সজনে পাতার গুঁড়া মেশানো তরকারি যেমন পুষ্টিগুণে ভরপুর হয় তেমনি স্বাদে হয় অনন্য।

সজনে পাতা গুড়া খাওয়ার উপকারিতা কি?
আমরা পূর্বে জেনেছি যে সজনে পাতার গুঁড়া একটি সুপারফুড যাতে রয়েছে সকল ধরনের উপকারী পুষ্টিগুণ। এখানে নিয়মিত মরিঙ্গা পাউডার খেলে যে যে উপকারিতা পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ
মরিঙ্গা পাউডারে প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সকল ধরনের শারীরিক দুর্বলতা দূর করে। অন্যদিকে এই গুঁড়ায় থাকা ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান শরীরের অনুপস্থিত পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে।

হজম বৃদ্ধি করেঃ
সজনে পাতার গুঁড়ায় দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ থাকে। এই খাদ্য আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তাকারী এনজাইম গুলোকে সচল করে। এতে লিভারের স্বাস্থ্য যেমন ঠিক থাকে তেমনি হজম প্রক্রিয়া সুস্থভাবে সম্পন্ন হয়।

পেটের গ্যাস দূর করেঃ
বেশি তেল জাতীয় খাবার খেলে পেটে আসিডিটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পেটের গ্যাস দূর করার জন্য ওষুধের থেকে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করা সব থেকে বেশি নিরাপদ। এই দিক বিবেচনা করলে মরিঙ্গা পাউডার পেটের আসিডিটি, প্রদাহ, গ্যাস ইত্যাদি সমস্যা দূর করার জন্য অনেক ভালো কাজ করে।

শর্করা নিয়ন্ত্রণ করেঃ
রক্তে শর্করা থাকলে তা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের সমস্যার সৃষ্টি করে। মরিঙ্গা পাউডার প্রাকৃতিক উপায়ে রক্তে থাকা এই শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। এতে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা একে বারে কমে যায়। অন্যদিকে শর্করা দ্বারা ঘটিত সম্ভাব্য রোগ নিরাময় হয়।

হাড় মজবুত করেঃ
সজনে পাতার গুঁড়ায় প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান থাকে। এগুলো আমাদের দেহের কর্মক্ষমতা পরিচালিত করে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম দেহের হাড় সুগঠিত করতে সাহায্য করে। প্রকৃতিতে পাওয়া ক্যালসিয়াম বাত ব্যথা, হাড়জোর ব্যথাসহ সকল ধরনের হাড়ের সমস্যা দূর করে।

শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করেঃ
শারীরিক দুর্বলতার অন্যতম প্রধান কারণ হল অপুষ্টি। সজনে পাতার গুঁড়া প্রাকৃতিকভাবে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ধরনের পুষ্টি উপাদানের বিপুল সমাহার। নিয়মিত সঠিক পদ্ধতি বিশেষ করে খাঁটি মধুর সাথে মরিঙ্গা পাউডার গ্রহণ করলে খুব তাড়াতাড়ি শরীরের পুষ্টির পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়।

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করেঃ
মরিঙ্গা পাউডারে থাকে পটাশিয়াম লবণ যা দেহের কোনো ক্ষতি করে না। অন্যদিকে সজনে পাতার গুঁড়া শরীরের রক্ত সঞ্চালন ধারা অব্যাহত রাখে। এতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ হওয়ার পাশাপাশি রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ রক্ত বৃদ্ধি করতে এবং ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করতে নিয়মিত মরিঙ্গা পাউডার গ্রহণ করা জরুরি।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করেঃ
আমরা জানি এলডিএল কোলেস্টেরল হার্টের অনেক ক্ষতি করে। এই কারণে যত কম এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল গ্রহণ করা হয় তত উপকার পাওয়া যায়। অন্যদিকে নিয়মিত সজনে পাতার গুঁড়া খেলে তা রক্তে থাকা এই ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করে ও উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এতে একাধারে রক্তের মধ্যে থাকা উপাদান গুলো সঠিকভাবে বণ্টন করা থাকে এবং হার্টের সমস্যা দূর হয়।

সজনে পাতার গুঁড়া শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এতে থাকা পুষ্টি উপাদানের জন্য একে পুষ্টি ডিনামাইট বা সুপার ফুড হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

চিয়া সিডের পুষ্টিগুণঃ পুষ্টিবিদরা চিয়া সিডকে সুপারফুড নামে ডাকতে ভালোবাসেন। কারণ এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ...
29/03/2024

চিয়া সিডের পুষ্টিগুণঃ
পুষ্টিবিদরা চিয়া সিডকে সুপারফুড নামে ডাকতে ভালোবাসেন। কারণ এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।

পরিমাণঃ
- দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম
- কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি
- পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশী আয়রন (লোহা)
- কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম
- স্যামন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশী ওমেগা-৩

পুষ্টিকর এই খাবারটি সপ্তাহের সাত দিনই খাওয়া যায়। তবে ৩-৪ দিন খেলেও শরীরে উপকারে আসে।

চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
পুষ্টিবিদরা জানান, চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে কাজ করে। দিনে দুই চা চামচ চিয়া সিড শরীরের শক্তি দেয় এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। এটি রক্তে চিনির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে বলে ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমে।

হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় চিয়া সিড দারুণ কাজ করে। কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখতে কাজ করে বলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

চিয়া সিড শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনে। দূর করে অ্যাসিডিটির সমস্যা।

চিয়া সিড ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে বলে বিশ্বাস করেন চিকিৎসকরা। শুধু কি তাই! হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা কমায়। সুন্দর রাখে ত্বক, চুল ও নখ।

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিড স্বাদ ও গন্ধবিহীন একটি খাবার। এটা খাওয়ার জন্য রান্না করারও দরকার হয় না। পানিতে ভিজিয়ে সহজেই খাওয়া যায় চিয়া সিড। চাইলে ওটস, পুডিং, জুস, স্মুথি ইত্যাদির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে নেয়া যায়। এ ছাড়া কেউ চাইলে টকদই, সিরিয়াল, রান্না করা সবজি বা সালাদের ওপরে ছড়িয়েও খেতে পারেন।

চিয়া সিড কুসুম গরম পানিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে চিয়া সিডসহ পানীয়টি পান করুন।

লিচু ফুলের মধুর উপকারিতা:লিচু ফুলের মধুতে প্রোটিন, শর্করা, ভিটামিন, খনিজ লবণ, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম ইত্যাদি পুষ্টি উপ...
28/03/2024

লিচু ফুলের মধুর উপকারিতা:
লিচু ফুলের মধুতে প্রোটিন, শর্করা, ভিটামিন, খনিজ লবণ, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম ইত্যাদি পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা মানবদেহের বিভিন্ন শারীরিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।
মধু শক্তির একটি বিশেষ উৎস হিসেবে সুপরিচিত। এতে থাকা গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ সহজেই শরীরে শক্তির যোগান দেয়।
মধু শরীরের হজমক্রিয়াকে ঠিক করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
মধুতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ঘুমের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক চা চামচ মধু খেলে ঘুম ভালো হয়।
মধুতে থাকা আয়রন রক্তশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে।
মধু অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে ওজন হ্রাসেও সহায়তা করে।
মধু ত্বক ও চুলের যত্নে একটি প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। এটি ত্বককে মসৃণ ও সজীব রাখতে এবং চুলের বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে।
মধু উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। হাঁপানি ও ফুসফুসের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা দূর করতেও লিচুর মধুর উপকারিতা অনেক।

লিচু ফুলের প্রাকৃতিক RAW মধুর ৬ টি বৈশিষ্ট্যঃ (মধু কেনার আগে অবশ্যই এই তথ্য গুলো জেনে নেওয়া উচিত)

- দেখতে সাধারণত Light Amber রঙের হয় (তবে সময়, স্থান ও ঘন-পাতলার উপর নির্ভর করে কিছুটা Light বা Dark হতে পারে)।
- খেতে খুবই সুস্বাদু। মধু খাওয়ার সময় অনেক সময় মধুতে লিচু ফলের স্বাদ পাওয়া যায়।
- ঘ্রাণ টাও লিচু ফলের সাথে মিলে যায় (তবে মধু পুরাতন হলে স্বাদ এবং ঘ্রাণ কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়)।
- মধুর ঘনত্ব কম বা বেশি হতে পারে।
- মধু পাতলা হলে ফেনা হতে দেখা যায়। আর ঘনত্ব বেশি হলে ফেনা হতে দেখা যায় না।
- সাধারণত লিচু ফুলের খাটি মধু সামান্য জমতে দেখা যায়। যদি মধু পাতলা হয় তাহলে সেটা কয়েকমাস পরে সামান্য জমতে পারে। আর যদি মধু খুবই ঘন হয় তাহলে সেটা দ্রুত জমতে শুরু করে এবং সম্পূর্ণ মধুই জমে যেতে পারে বা বেশীরভাগ জমতে পারে।

বরই ফুলের খাঁটি মধু সাধারণত লালচে রঙের হয়, আর স্বাদ কিছুটা পাকা বরইয়ের স্বাদ এর মতন। অনেকেই বলেছেন হালকা টক টক ভাব আছে। ...
25/03/2024

বরই ফুলের খাঁটি মধু সাধারণত লালচে রঙের হয়, আর স্বাদ কিছুটা পাকা বরইয়ের স্বাদ এর মতন। অনেকেই বলেছেন হালকা টক টক ভাব আছে। বরই ফুলের মধুকে রেড হানি, জুজুবি হানি, সিদর হানি (Natural Sidr) ইত্যাদি নামে ডাকা হয়।

বরই মধু প্রধানত বরই ফুলের পরাগ থেকে তৈরি এক ধরনের মধু, যা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং বিভিন্ন খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ।
এই মধু সাধারণত অ্যাম্বার বা লালচে রঙ হয়, দেখতে স্বচ্ছ এবং চকচকে। সাথে থাকে শক্তিশালী বরই সুগন্ধ, এবং উচ্চ মিষ্টতার সঙ্গে হালকা টক স্বাদ থাকে।
এটি জমে যাওয়া সহজ নয়, তবে রেফ্রিজারেটরে বা তাপমাত্রা ১২-১৪ ডিগ্রির নিচে স্ফটিক হয়ে যাবে। ঝাঁকুনি দিলে ফেনা হবে।

বরই মধুর উপকারিতা ও ব্যবহার কি কি?

অন্যান্য মধুর মত বরই মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে শুধু তাই না, বরং আরও বহুবিধ উপকারিতা রয়েছে।

ঐতিহ্যবাহী চায়না মেডিসিনের দৃষ্টিকোণ থেকে, এই বরই মধুর অন্ত্রের ময়শ্চারাইজিং, প্লীহা এবং কিডনিকে সজীব করে, লিভারকে ডিটক্সিফাই ও রক্ষা করার প্রভাব রয়েছে, কোষ্ঠকাঠিন্য উন্নত করতে পারে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে পারে এবং ত্বককে উজ্জ্বল করতে পারে। এটি রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর। মধ্যবয়সী থেকে বয়স্ক ব্যক্তিরাও এটি খেতে পারেন। যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা স্নায়বিক সমস্যা কমাতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে বরই মধু পান করতে পারেন। এছাড়া কালো জাদুর (Black Magic) চিকিৎসাতেও অনেক এক্সোরসিস্ট এই মধু পান করার উপদেশ দিয়ে থাকেন।

বরই মধু চিনির একটি চমৎকার বিকল্প। আপনি আপনার প্রতিদিন সকালে লেবু-মধুর শরবত, চা, ফলের সালাদ, প্যানকেক, কেক এবং অন্যান্য অনেক খাবারে এই মধু ব্যবহার করতে পারেন। এটি উপকারিতার পাশাপাশি স্বাদের বিবেচনাতেও ইউনিক ও সুস্বাদু-মজাদার।

Address

Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghoroa Bazar BD - ঘরোয়া বাজার বিডি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share