কলমী

কলমী "কোন মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে সে ব্যক্তিই উত্তম যে ভুল করার পর তওবা করে।"

এই মহিলাটা কি করছে জানেন?? হসপিটালের ইসিজি রুমে যেখানে তার নিজের বাবার হার্টের কন্ডিশন মাপা হচ্ছে, সেখানে এই মহিলা ব্যস্...
03/09/2026

এই মহিলাটা কি করছে জানেন?? হসপিটালের ইসিজি রুমে যেখানে তার নিজের বাবার হার্টের কন্ডিশন মাপা হচ্ছে, সেখানে এই মহিলা ব্যস্ত নিজের সম্পত্তির কন্ডিশন ঠিক করতে......!🙂

নিউজে দেখলাম, অসুস্থ বুড়ো বাপকে হসপিটালে আনা হইছে চিকিৎসার বাহানায় কিন্তু আসলে ইসিজি রুমের আড়ালে জমির দলিলে সই নিতেছে! তাও নিজের মেয়ে এই কাজটা করতেছিলো। ভাই যাতে না জানে তাই চুপিচুপি করতেছিলো এই কাজটা।
ডাক্তার নাকি নার্স জানি না, ঠিক টাইমে দেখে না ফেললে তো নিঃশব্দে গেম ওভার করে দিতো। আবার চোরের মায়ের বড় গলা, ধরা খেয়ে মহিলা চিল্লাপাল্লাও করতেছে!

ভাই, দুনিয়াটা আসলেই কই গিয়ে ঠেকলো? জীবনের শেষ সময়ে তার পাশে বসে দুটো ভালোবাসার কথা বলবে, যত্ন করবে তা না, হসপিটালের বেডেও টাকার গন্ধ শুঁকে দলিল নিয়ে হাজির! ছেলে-মেয়েরা নাকি সব উচ্চ শিক্ষিত। কিন্তু লাভ কী হইলো? বড় বড় ডিগ্রি নিয়া যদি মানুষই হইতে না পারলো, তবে ওই শিক্ষার দাম দুই পয়সাও না।

আর আইনগতভাবেও এরা যে কত বড় মূর্খ, সেটা একটু ক্লিয়ার করি।
বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ও ভূমি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি শারীরিক বা মানসিকভাবে ফিট না থাকেন এবং নিজের ভালো-মন্দ বোঝার অবস্থায় না থাকেন, তবে তার থেকে জোর করে বা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে নেওয়া কোনো সই, টিপসই বা হেবা দলিলের কোর্টে কোনো আইনি ডাক্তার যদি একবার লিখে দেয় যে রোগী সই করার মতো সচেতন বা সুস্থ মাইন্ডে ছিলেন না, তবে ওই দলিল স্রেফ এক টুকরো আবর্জনা। উল্টো জালিয়াতি আর জোরজবরদস্তির অপরাধে ওই মেয়ের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হতে পারে।

ভিডিওটাতে শুধু ওই অসহায় মুরব্বির মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। উনার চেহারার মধ্যকার ওই অসহায়ত্ব আর কষ্টটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।দুনিয়াটা আসলেই পুরোপুরি সম্পদ পাগল হয়ে গেছে ভাই, মরার সময় তো এক ইঞ্চি জমিও সাথে করে নিয়ে যাইতে পারবেন না।

এই লোকের চেহারাটা দেখুন একবার। স্বাভাবিক মানুষ মনে হচ্ছে, তাই না??এই লোকটার নাম জিয়াউল আহসান।একসময় রাষ্ট্রের পোশাক পরেছে...
03/09/2026

এই লোকের চেহারাটা দেখুন একবার। স্বাভাবিক মানুষ মনে হচ্ছে, তাই না??
এই লোকটার নাম জিয়াউল আহসান।একসময় রাষ্ট্রের পোশাক পরেছেন। ক্ষমতার কেন্দ্রের খুব কাছাকাছি ছিলেন।ক্ষমতা একজন মানুষকে কতটা ভয়ংকর করে তুলতে পারে?আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যে সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, সেটাই শুনুন।

নৌকার মাঝি আব্বাস মল্লিক আদালতে এসে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছে৷

তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো এলাকায় অভিযান হওয়ার আগে বিকেলেই সাদা পোশাকে লোকজন যেতো।
স্থানীয় দোকানদারদের বলা হতো, সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ রাখবেন। বাতি জ্বালাবেন না।
কেনো ?
কারণ রাত নামার পর নাকি শুরু হতো আসল কাজ। রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে কয়েকটি মাইক্রোবাস এসে থামতো বরফ মিলের সামনে।ঢাকা থেকে আনা চোখ-হাত বাঁধা বন্দিদের নামানো হতো।তাদের তোলা হতো ট্রলারে।
আর ট্রলারে উঠত রশি।সঙ্গে থাকত সিমেন্টের বস্তা।
একটু থামুন! বলেন তো সিমেন্টের বস্তা কেন?
সাক্ষীর দাবি, ট্রলার এরপর চলে যেত বলেশ্বর নদীর গভীর পানির দিকে।
আলো কম। চারপাশ নীরব। তীরে মানুষের চলাচল নেই।
গভীর পানিতে গিয়ে ট্রলারের গতি কমানো হতো।তারপর একজন একজন করে চোখ ও হাত বাঁ/ ধা বন্দিদের বের করে আনা হতো।দুই পাশে থাকা দুইজন সদস্য নাকি বন্দিকে শক্ত করে ধরে রাখতেন।আর তখন, জিয়াউল আহসান নিজে এসে বন্দির মাথা, কান অথবা বুকে গু*ম করতেন এমনটাই আদালতে দাবি করেছেন আব্বাস মল্লিক।

সাক্ষ্যের বর্ণনা অনুযায়ী, গু*মে*র পর ম*র*দে*হের সঙ্গে সিমেন্টের বস্তা বাঁধা হতো।এরপর নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।শুধু তাই নয় দে*হ যেন পানিতে ভেসে না ওঠে, সে জন্য পে* ট কে*টে দেওয়ার কথাও সাক্ষ্যে এসেছে।
ভাবতে পারেন বিষয়টা........!! 🙂

সাক্ষীর দাবি, তাদের কেউ কেউ চলে যেতো সুন্দরবনের দিকে।
সেখানে গু*ম করে হ*ত্যা*র পর ঘটনাকে ‘বন্দু*কযু' দ্ধ’ হিসেবে দেখানোর ব্যবস্থা করা হতো বলে তিনি জানিয়েছেন।
তারপর সাংবাদিক ডাকতো।দে' হ দেখাতো। গল্প তৈরি করতো।আর মানুষকে বোঝাতো, ব*কযুদ্ধে মা*রা গেছে।🙂

আব্বাস মল্লিকের নিজের ভাই আলকাস মল্লিক।
আলকাছের দুটি ট্রলার ছিলো। র‍্যাবের সঙ্গে কাজও করতেন বলে সাক্ষ্যে এসেছে।কিন্তু স্থানীয়ভাবে এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলতেন তিনি।
তখন অন্য বোট মালিকরা তাকে সতর্ক করেছিলেন, র‍্যাব তার ওপর ক্ষুব্ধ।এরপর একদিন খবর আসে, ‘জিয়া স্যার’ তাকে ডেকেছেন।আলকাছ বাড়ি থেকে বের হলেন।
তারপর, মানুষটা নিখোঁজ।
একদিন দুইদিন নয় বছরের পর বছর....
আলকাছ আজও আর ফেরেননি এমনটাই আদালতে জানিয়েছেন তার ভাই।

ভাইকে খুঁজতে আব্বাস ঘুরেছেন খুলনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ঢাকা বিভিন্ন র‍্যাব কার্যালয়ে।কোথাও ভাইয়ের সন্ধান পাননি বলে দাবি করেছেন তিনি।এমনকি থানায় জিডি করতে গিয়েও নাকি র‍্যাব বা জিয়াউল আহসানের নাম উল্লেখ করতে বাধার মুখে পড়েছিলেন।

আজ এত বছর পর সেই মানুষটি আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজের ভাইয়ের জন্য বিচার চেয়েছেন।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আব্বাস মল্লিক কাঠগড়ায় থাকা জিয়াউল আহসানকে সরাসরি শনাক্ত করেছেন।

বলেশ্বরের পানি হয়তো অনেক কিছু গিলে ফেলেছে। কিন্তু ইতিহাস কোনো কিছু চিরদিন গিলে রাখতে পারে না।আজ সেই ইতিহাসই কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করছে, জবাবটা এবার কে দেবে?
যারা আপনজন হারিয়েছে, তারা অন্তত একদিন জানতে পারুক, তাদের প্রিয় মানুষগুলোর সঙ্গে আসলে কী হয়েছিলো।

30/08/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর ৪ জন মেয়ের নামে আলী রা. তাঁর মেয়েদের নাম রাখেন!

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মোট ৩৩ জন সন্তান ছিলো। ১৪ জন ছেলে আর ১৯ জন মেয়ে।

তারমধ্যে ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ৫ জন সন্তান; ৩ জন ছেলে, ২ জন মেয়ে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ৪ জন মেয়ের নামে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর মেয়েদের নাম রাখেন।

ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ২ জন মেয়ে- যাইনাব বিনতে আলী রা. এবং উম্মে কুলসুম বিনতে আলী রা.।

উম্মে হাবিবা বিনতে রাবিয়া রা. –এর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন রুকাইয়া রা.।

আর তাঁর একজন দাসীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ফাতিমা রা. নামে আরেকজন মেয়ে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ৪ মেয়ে যাইনাব, রুকাইয়া, উম্মে কুলসুম, ফাতিমা রা. –এর নামে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর মেয়েদেরও নাম রাখেন।

তথ্যসূত্র:
তাবাকাতে ইবনে সা’দ: ৩/১২

একটা মানুষ ২২ বছর ধরে নিজের রাগ আর প্রতিশোধের আগুন বুকে পুষে রাখতে পারে ভাবা যায়? 😨২২ টা বছর!!! শুধু একজনকে ভালোবেসে বিয়...
28/08/2026

একটা মানুষ ২২ বছর ধরে নিজের রাগ আর প্রতিশোধের আগুন বুকে পুষে রাখতে পারে ভাবা যায়? 😨

২২ টা বছর!!! শুধু একজনকে ভালোবেসে বিয়ে করতে চেয়েছিলো। কিন্তু সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলো। আর সেই প্রত্যাখ্যানের প্রতিশোধ নিতেই একজন মানুষ নাকি ২২ বছর অপেক্ষা করেছে!

নোয়াখালীর সেই তিনজনকে ইতালির রোমে নৃশংসভাবে হ*ত্যার ঘটনাটা মনে আছে? ঘটনাটি খুব বেশি আগের না। একই পরিবারের তিনজন মানুষকে হারানোর সেই খবর দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছিলো। একমাত্র ছেলেটা কোনোমতে প্রাণে বেঁচে যায়, আর পরিবারের লা*শ কফিনে করে দেশে ফিরিয়ে আনতে হয়। 💔

আজকে যখন এই ঘটনার পেছনের কারণটা জানলাম, সত্যিই মাথা ঘুরে গেছে!

অভিযুক্ত শাহাদাত নাকি ২২ বছর আগে আরজু আক্তারকে ভালোবাসতো। বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলো। কিন্তু আরজুর পরিবার সেই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। পরে আরজুর বিয়ে হয়ে যায় অন্য একজনের সঙ্গে, এরপর তারা ইতালিতে চলে যায়।

সময় চলে যায়...
কিন্তু শাহাদাত কি এগিয়ে গিয়েছিলো?
না

সে নিজেও বিয়ে করেছে। সন্তান হয়েছে। সংসার করেছে। লন্ডনে থেকেছে।

সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও, তার ভেতরে নাকি তখনও জ্বলছিল ২২ বছর আগের সেই প্রত্যাখ্যানের আগুন!

একপর্যায়ে সে লন্ডন থেকে ইতালিতে যায়। সেখানে কয়েক মাস অবস্থান করার পর, আরজু, তার স্বামী ও বাচ্ছা মেয়েকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেয়! আর একমাত্র ছেলেটা অলৌকিকভাবে বেঁচে যায়।

এরপর শাহাদাতের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসও সামনে আসে। সেখানে সে লিখেছিল—

“একজন মানুষ শুধু নিজে একা ম*রে না। নিজেও ম*রে অন্যকে ম*রা*র মতো করে রেখে যায়। তাই ম*রা*র সময় প্রিয়জনদেরও সঙ্গে নিয়ে ম*রা উচিত। তাতে কারো জন্য কাউকে কষ্ট পেতে হয় না!”

এখন একবার ভাবুন... ২২ বছর!

একজন মানুষ নিজের জীবন নিয়ে এগিয়েছে, বিয়ে করেছে, সন্তান হয়েছে, সংসার করেছে—কিন্তু ২২ বছর আগের একজন মানুষের “না” বলা সে ভুলতে পারেনি!

শুধু তাই না, এত বছর পরও নাকি সে সেই মানুষটির খবর রেখেছে, কোথায় আছে, কেমন আছে সবকিছু!

এটা কি শুধু জিদ?

নাকি প্রতিশোধের এমন এক ভয়ংকর রূপ, যেখানে একজন মানুষ নিজের জীবনকে সামনে নিয়ে গেলেও তার মনটা আসলে ২২ বছর আগের একটা দিনেই আটকে থাকে?

সত্যিই অবিশ্বাস্য!

tulonbhai কালেক্টেড

উপস্থাপকের প্রশ্নটি ছিল:"আপনি তো অনেক সুন্দরী, শিক্ষিত—আপনার ডিভোর্স হলো কেন?"উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে নাবিলা হাসান...
26/08/2026

উপস্থাপকের প্রশ্নটি ছিল:"আপনি তো অনেক সুন্দরী, শিক্ষিত—আপনার ডিভোর্স হলো কেন?"

উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে নাবিলা হাসান তাঁর সাবেক স্বামী সম্পর্কে বলেন—সন্তান জন্ম দেওয়ার পর আমার শারীরিক পরিবর্তন মেনে না নিয়ে আমার স্বামী প্রতিনিয়ত বডি শেমিংয়ের পাশাপাশি ওজন কমানোর চাপ দিত এবং ঔ সময়ে আগের মতো সঙ্গমে আনন্দ না পাওয়ার অজুহাতে পরকীয়ায় মেতে ওঠে।

এই চরম বিশ্বাসঘাতকতায় আমি স্লিপিং পিল খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে বাধ্য হলেও, সেই নির্লজ্জ স্বামী উপহাস করে বলেছিল, "আমাকে থ্যাংকস দাও, তোমাকে শুকাতে হেল্প করছি।"

অতিরিক্ত ওষুধ সেবন ও খাওয়া বন্ধ থাকায় মাত্র ছয় দিনে চার কেজি এবং অল্প সময়ে আমার ওজন ৭৭ থেকে ৫৮ কেজিতে নেমে এলেও সেই পাষণ্ডের মনে কোনো অনুশোচনা জন্মায়নি।

সন্তানের জন্য তৈরি হওয়া একজন মায়ের শারীরিক পরিবর্তনকে তুচ্ছ করে যে পুরুষ একজন নারীকে এমন চরম দুর্গতির মুখে ঠেলে দেয়, সে মূলত মানসিকভাবে অসুস্থ এবং যৌন কামুক রোগী। এমন মূর্খ ও অকৃতজ্ঞ পুরুষদের চিরতরে বর্জন করা উচিত, যারা ভালোবাসার চেয়ে শরীরের মাপকাঠিতে একটি পবিত্র সম্পর্ককে বিচার করে।

25/08/2026

রাসূল ﷺ -এর যুগে তো DNA টেস্ট ছিলো না! তখন কেউ যদি সন্দেহ করতো— 'এ কি সত্যি আমার সন্তান?' তাহলে কীভাবে সমাধান হতো?

24/08/2026

আবু জাহেল রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর চাচা ছিলো না। অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন!

23/08/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর প্রথম দুধ মা কে ছিলেন? অনেকেই তাঁর নাম জানেন না!

22/08/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো 'ভাত' খাননি, কিন্তু সাহাবীরা ১ বার খেয়েছিলেন! কখন? কীভাবে?

22/08/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ কি তাঁর স্ত্রীদের 'হাতখরচ' বা আলাদাভাবে টাকা দিতেন?

Address

Kotiadi
Kishoreganj
2330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কলমী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share