কলমী

কলমী "কোন মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে সে ব্যক্তিই উত্তম যে ভুল করার পর তওবা করে।"

প্রিয় মানুষের কাছে আমরা সবাই একটু পাগল, একটু নির্বোধ, একটু বোকা হয়ে যাই।💔কারণ ভালোবাসা কখনো যুক্তি মেনে চলে না। যে মান...
06/06/2026

প্রিয় মানুষের কাছে আমরা সবাই একটু পাগল, একটু নির্বোধ, একটু বোকা হয়ে যাই।💔

কারণ ভালোবাসা কখনো যুক্তি মেনে চলে না। যে মানুষটার জন্য মনের ভেতর আলাদা একটা জায়গা তৈরি হয়, তার সামনে নিজের ব্যক্তিত্ব, অহংকার, আত্মসম্মান—সবকিছুই কখনো কখনো গৌণ হয়ে যায়। তার একটা মেসেজের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া, তার মন খারাপ হলে নিজের কষ্ট ভুলে তাকে হাসানোর চেষ্টা করা, কিংবা তার সামান্য অবহেলাতেও ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়া—এসবই হয়তো অন্যদের চোখে বোকামি।

কিন্তু সত্যি বলতে, এগুলো বোকামি নয়; এগুলো হলো নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।

সব মানুষের জন্য আমরা এমন হই না। সবার জন্য রাত জাগা হয় না, সবার জন্য চোখ ভেজে না, সবার অভিমান ভাঙানোর জন্য বারবার নিজের মনকে ছোট করা হয় না। এই পাগলামিগুলো শুধু একজন মানুষের জন্যই জমা থাকে—সেই মানুষটার জন্য, যাকে আমরা নিজের চেয়েও বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করি।

আর সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, যে মানুষটার জন্য এত কিছু করা হয়, সে সবসময় এই অনুভূতির গভীরতা বুঝতে পারে না। তখন নিজের কাছেই নিজেকে বোকা মনে হয়। তবুও মন তাকে ভালোবাসা বন্ধ করতে পারে না।

হয়তো এটাই ভালোবাসার নিয়ম—
**প্রিয় মানুষের কাছে আমরা সবাই পাগল, নির্বোধ আর বোকা হয়ে যাই। কিন্তু সবার কাছে নয়, শুধু সেই একজনের কাছে, যে আমাদের হৃদয়ের সবচেয়ে কাছের মানুষ।** ❤️

*কিছু বোকামি আসলে ভালোবাসার আরেকটা নাম।*

কুরবানির মাংসের আসল জাদু তো লুকিয়ে থাকে শেষের এই কালো ভুনাতেই।  #কুরবানিরমাংস  #শেষেরমাংস  #কষামাংস  #কালাভুনা  #ঘরোয়ারা...
06/06/2026

কুরবানির মাংসের আসল জাদু তো লুকিয়ে থাকে শেষের এই কালো ভুনাতেই।

#কুরবানিরমাংস #শেষেরমাংস #কষামাংস #কালাভুনা #ঘরোয়ারান্না

মেহমানদারি করতে খুব ভালো লাগে 🥰কিন্তু এগুলো পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখতে কি কষ্ট 😌
06/06/2026

মেহমানদারি করতে খুব ভালো লাগে 🥰
কিন্তু এগুলো পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখতে কি কষ্ট 😌

সন্তানকে অবশ্যই শিক্ষিত করবো, কিন্তু এমন শিক্ষা নয়—যেখানে ডিগ্রির অহংকারে সে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ, ভালোবাসা আর অভিজ্ঞত...
05/06/2026

সন্তানকে অবশ্যই শিক্ষিত করবো, কিন্তু এমন শিক্ষা নয়—যেখানে ডিগ্রির অহংকারে সে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ, ভালোবাসা আর অভিজ্ঞতাকে তুচ্ছ ভাবতে শেখে।

একজন বাবা হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটও দেখেননি, কিন্তু সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি দিতে নিজের স্বপ্নগুলো বিক্রি করেছেন।
একজন মা হয়তো বড় বড় বই পড়েননি, কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে রাতের পর রাত নির্ঘুম কাটিয়েছেন।

শিক্ষা মানুষের জ্ঞান বাড়াবে, বিনয় শেখাবে, মানবিক করবে।
যদি সেই শিক্ষা বাবা-মায়ের প্রতি সম্মান কমিয়ে দেয়, তাহলে সেই শিক্ষার পূর্ণতা কোথায়?

বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মা সন্তানের কাছ থেকে অর্থ নয়, সম্মান আর একটু সময় চান।
দুঃখ তখনই লাগে, যখন উচ্চশিক্ষিত সন্তান নিজের শিকড়কেই অস্বীকার করতে শুরু করে।

শিক্ষা দরকার, অবশ্যই দরকার।
কিন্তু এমন শিক্ষা নয়,
যেখানে বাবা-মায়ের চোখের জলকে
অশিক্ষিত আবেগ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়।

কারণ—
ডিগ্রি মানুষকে বড় করে,
কিন্তু শ্রদ্ধাবোধ মানুষকে মহান করে ♥️

Just For Fun 😁🥴
04/06/2026

Just For Fun 😁🥴

আপনার সন্তানের শিক্ষকের সাথে কেমন আচরণ করেন?একবার ভেবে দেখেছেন... 🤔আপনি আপনার সন্তানের স্কুলের ফি পরিশোধ করেন, কিন্তু এক...
04/06/2026

আপনার সন্তানের শিক্ষকের সাথে কেমন আচরণ করেন?

একবার ভেবে দেখেছেন... 🤔

আপনি আপনার সন্তানের স্কুলের ফি পরিশোধ করেন, কিন্তু একজন শিক্ষক আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য তার জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, সময় ও শ্রম বিনিয়োগ করেন।

টাকা অনেকের কাছেই থাকতে পারে, কিন্তু শিক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা সবার থাকে না।

আজ আপনার সন্তান যে অক্ষর চিনতে শিখছে, ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝছে, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ শিখছে—এর পেছনে একজন শিক্ষকের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। অথচ সামান্য কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগের কারণে আমরা অনেক সময় সেই মানুষটিকেই অসম্মান করি, যার হাতে আমাদের সন্তানের ভবিষ্যতের একটি বড় অংশ গড়ে উঠছে।

মনে রাখবেন, সন্তানের সামনে আপনি শিক্ষকের প্রতি যে আচরণ করবেন, সন্তানও সেটাই শিখবে। আপনি যদি শিক্ষককে সম্মান করেন, সন্তান সম্মান করতে শিখবে। আপনি যদি অপমান করেন, সে সম্মানের মূল্য বুঝবে না।

শিক্ষকের সাথে মতভেদ হতেই পারে, অভিযোগও থাকতে পারে। কিন্তু কথা বলুন ভদ্রভাবে, যুক্তি দিয়ে। কারণ সম্মান দিয়ে বলা কথা যেমন সম্পর্ক গড়ে, অসম্মান দিয়ে বলা কথা তেমন সম্পর্ক ভেঙে দেয়।

আপনি তাকে পারিশ্রমিক দিচ্ছেন, তিনি আপনার সন্তানকে দিচ্ছেন শিক্ষা। আর শিক্ষা এমন এক সম্পদ, যা সারাজীবন সাথে থাকে।

শিক্ষককে সম্মান করুন। শিক্ষাকে মূল্য দিন। ♥️

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় ...
03/06/2026

কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

যন্ত্রের কি আর কান আছে?

একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

মায়া করতে শেখান।

কারণে ভালোবাসা শেখান।

অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

এই পৃথিবী একটা আয়না।

এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া.......

এই যে সেই হতভাগ্য মায়ের গুনধর পুত্রেরা!
03/06/2026

এই যে সেই হতভাগ্য মায়ের গুনধর পুত্রেরা!

মা...যে মানুষটা নিজের সুখ, স্বপ্ন, আরাম সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন, সেই মা যদি একদিন নিঃসঙ্গ ঘরে প...
03/06/2026

মা...
যে মানুষটা নিজের সুখ, স্বপ্ন, আরাম সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলেন, সেই মা যদি একদিন নিঃসঙ্গ ঘরে পড়ে থাকেন, আর তাঁর খোঁজ নেওয়ার মতো কেউ না থাকে—এর চেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য আর কী হতে পারে?

শিক্ষা মানুষকে বড় চাকরি, বড় পদ, বড় পরিচয় দিতে পারে; কিন্তু মানবতা, দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা আর বাবা-মায়ের প্রতি কর্তব্যবোধ না থাকলে সেই শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

একজন মা সন্তানের জন্য রাতের পর রাত জেগে থাকেন, নিজের প্রয়োজন ভুলে যান, নিজের জীবনের সেরা সময়টুকু সন্তানের পেছনে ব্যয় করেন। অথচ জীবনের শেষ সময়ে তাঁর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় একটু খোঁজ, একটু সময়, একটু ভালোবাসা।

আজ আমরা ব্যস্ততা, ক্যারিয়ার আর ব্যক্তিগত জীবনের অজুহাতে কত দূরে সরে যাচ্ছি! অথচ একটা ফোনকল, একটা খোঁজ নেওয়া, কিংবা পাশে গিয়ে কয়েক মিনিট বসা—হয়তো একজন মায়ের পুরো পৃথিবীকে আনন্দে ভরে দিতে পারে।

বাবা-মা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাঁরা চলে যাওয়ার পর হাজার অনুশোচনা করেও আর একটি মুহূর্ত ফিরে পাওয়া যায় না।
কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু মানুষটা আর থাকবে না।

"যে সন্তান বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চোখের জল দেখতে পায় না, সে পৃথিবীর কোনো সফলতায় সত্যিকারের সফল নয়।" 💔

**নুর জাহান বেগমের ব্যর্থতা কী ছিল?**তিনি সন্তানদের মানুষ করেছিলেন।একজন বিসিএস ক্যাডার, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উচ্...
02/06/2026

**নুর জাহান বেগমের ব্যর্থতা কী ছিল?**

তিনি সন্তানদের মানুষ করেছিলেন।

একজন বিসিএস ক্যাডার, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উচ্চশিক্ষিত মেয়ে, প্রতিষ্ঠিত জামাই—সমাজের চোখে তিনি ছিলেন সফল মা। মানুষ উদাহরণ দিত, ভাগ্যবতী বলত, ঈর্ষা করত।

কিন্তু মৃত্যুর পর তার পরিচয় হলো অন্যরকম।

একজন বৃদ্ধা মা, যার লাশ ঘরের ভেতর পড়ে ছিল দিনের পর দিন।
যার মৃত্যুর খবর জানত না তার নিজের সন্তানরাই।
যার শরীরে পোকা ধরেছে, অথচ সন্তানদের ব্যস্ত জীবনে তার জন্য কয়েক মিনিট সময়ও বের হয়নি।

ডিগ্রি আছে।
পদমর্যাদা আছে।
টাকা আছে।
সমাজে সম্মান আছে।

কিন্তু মায়ের জন্য একটা ফোন ছিল না।

ঈদে গরু কোরবানি দেওয়া হয়েছে, আত্মীয়দের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, ছবি তোলা হয়েছে, সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করা হয়েছে—কিন্তু যে নারী নিজের জীবন কোরবানি করে সন্তানদের দাঁড় করিয়েছিলেন, তার খবর নেওয়ার মানুষ ছিল না।

এটা শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়।

এটা আমাদের সময়ের নির্মম প্রতিচ্ছবি।

আমরা এমন এক সমাজ বানিয়েছি যেখানে সন্তানের সাফল্য মাপা হয় চাকরির পদবিতে, বেতনের অঙ্কে, বাড়ি-গাড়িতে; কিন্তু সে রাতে মায়ের খোঁজ নেয় কি না, বৃদ্ধ বাবার ওষুধ আছে কি না—সেগুলোর কোনো মূল্য নেই।

একজন মানুষ যুগ্ম সচিব হতে পারে, অধ্যাপক হতে পারে, কোটি টাকার মালিক হতে পারে; কিন্তু যদি তার মা একা, অবহেলায়, অযত্নে মারা পড়ে থাকে, তাহলে সেই সাফল্যের গায়ে সভ্যতার কোনো রং লাগে না।

মায়ের মৃতদেহে পোকা ধরার আগেই যদি সন্তানের বিবেকে পোকা ধরে যায়, তাহলে সেই শিক্ষার সার্টিফিকেট শুধু কাগজের টুকরো।

আজ নুর জাহান বেগম নেই।

কিন্তু তার নিঃসঙ্গ মৃত্যু আমাদের সামনে একটি প্রশ্ন রেখে গেছে—

**যে সন্তান মায়ের জীবিত মুখ দেখতে সময় পায় না, সে আসলে কত বড় মানুষ?**

মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার দামি শাড়ি নয়, ব্যাংক ব্যালেন্স নয়, সামাজিক সম্মানও নয়।

সবচেয়ে বড় উপহার হলো—
**"মা, তুমি কেমন আছ?"**

অনেকেই সেই একটি বাক্য বলার সময়টুকুও খুঁজে পায় না।

আর তখনই কিছু মা নিঃশব্দে মারা যান।
কেউ জানে না।
কেউ খোঁজ নেয় না।
শুধু পোকাগুলো জানে, কতদিন ধরে তিনি একা পড়ে ছিলেন।

**আহারে মা!** 🥲
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সস্তা জিনিস হয়তো মায়ের ভালোবাসা,
আর সবচেয়ে দামি জিনিস—সেই ভালোবাসার মূল্য বোঝা।

Address

Kotiadi
Kishoreganj
2330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কলমী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share