F R R SHOP

F R R SHOP �আসসালামু আলাইকুম�আপনার সাধ্য অনুযায়ী সকল ধরনের পণ্য সঠিক এবং নির্ভেজাল ভাবে আপনার হাতে পোঁছে দেওয়াই হলো F R R SHOP এর কাজ
(1)

সরিষা ফুলের মধু বা 'মাস্টার্ড হানি' স্বাদে চমৎকার এবং পুষ্টিগুণে অনন্য। এই মধু প্রাকৃতিকভাবেই দ্রুত জমে গিয়ে মাখনের মতো ...
22/01/2026

সরিষা ফুলের মধু বা 'মাস্টার্ড হানি' স্বাদে চমৎকার এবং পুষ্টিগুণে অনন্য। এই মধু প্রাকৃতিকভাবেই দ্রুত জমে গিয়ে মাখনের মতো হয়ে যায় (যাকে ক্রিম হানি বলা হয়), যা এর বিশুদ্ধতার একটি লক্ষণ।
সরিষা ফুলের মধু খাওয়ার প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. হজম শক্তি বৃদ্ধি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়
সরিষা মধু হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। যারা নিয়মিত গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন, তারা হালকা গরম পানিতে এই মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সহায়ক।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো
এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immune System) শক্তিশালী করে। এটি ঋতু পরিবর্তনের সময় হওয়া সাধারণ জ্বর-সর্দি থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৩. শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডার মহৌষধ
পুরানো কাশি, গলা ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যায় সরিষা ফুলের মধু দারুণ কাজ করে। তুলসি পাতার রসের সাথে এই মধু মিশিয়ে খেলে কফ ও বুক জামাট বাঁধা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৪. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি
সরিষা ফুলে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং মধুর গুণাগুণ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৫. তাৎক্ষণিক শক্তির উৎস
মধুতে থাকা গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ শরীরে সরাসরি প্রবেশ করে দ্রুত শক্তি যোগায়। বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের পর এক চামচ মধু ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
৬. ত্বকের যত্নে
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ থাকায় এটি ত্বকের ব্রণ কমাতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে।
> সতর্কতা: ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু খাওয়ানো উচিত নয়। এছাড়া ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে মধু গ্রহণ করা ভালো।
আপনি কি ঠান্ডা ও জরে ভুগছেন জ্বর কমানোর জন্য আমার কাছ থেকে খাঁটি সরিষা ফুলের মধু নিতে পারেন নিয়ে একবার দেখতে পারেন ইনশাআল্লাহ এ গ্রেটের মধু পাবেন অর্ডার করতে এখনই কল করুন অথবা whatsapp করুন এই নাম্বারে 01576512625

27/09/2025

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Ali Azom, Md Monir, Md Monir Hossain, Majadul Majadul, Rk Sharma, Mohammad Sohel, কানিচ ফাতেমা কানিচ ফাতেমা, MDsalim Sonagazi, Mim Mim

03/02/2025

অরজিনাল খেজুরের গুড় পাবেন ইনশাআল্লাহ

চলুন আজকে জেনে নেই কোল্ড প্রেস খাটি নারিকেল তেলের উপকারিতা ব্যাপারে ?                 নারিকেল তেল আমাদের অতি পরিচিত একটি...
19/01/2025

চলুন আজকে জেনে নেই কোল্ড প্রেস খাটি নারিকেল তেলের উপকারিতা ব্যাপারে ? নারিকেল তেল আমাদের অতি পরিচিত একটি বিশেষ কার্যকরী প্রাকৃতিক উপাদান। নারিকেল থেকে প্রাকৃতিক ভাবে এই তেল সংগ্রহ করে বিভিন্ন কার্যকরী উপাদানের সংমিশ্রণে নারিকেল তেল তৈরি করা হয়। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি নারিকেল তেল আমাদের ত্বক ও চুলের যত্নেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

নারিকেল তেলের রয়েছে নানা ধরনের উপকারী গুনাগুন যা বলে শেষ করা যাবে না। তবে আমরা অনেকেই নারিকেল তেলের এই উপকারী গুনাগুন গুলো সম্পর্কে যথাযথভাবে অবগত নই। তাই আজকের F R R SHOP এর আলোচনার মাধ্যমে আমরা নারিকেল তেলের উপকারী গুনাগুনগুলোর মধ্যে বিশেষ ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে কিছু তথ্য জানবো।

নারিকেল তেলের ১০ টি উপকারিতা হলো-

১. মশ্চরাইজেশন
নারিকেল তেল আমাদের ত্বকে একটি প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে থাকে। এটি আমাদের ত্বকের জন্য একটি চমৎকার মশ্চারাইজার যা ত্বকের শুষ্কতা ও ফ্ল্যাকিনেস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। নারকেল তেল ত্বককে ভেতর থেকে মশ্চারাইজ করে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং আমাদের ত্বককে প্রাণবন্ত করে তোলে।

২. চুল কন্ডিশনিং

আমাদের চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে নারিকেল তেল একটি অন্যতম প্রাকৃতিক কন্ডিশনার যা চুলকে গভীরভাবে কন্ডিশনিং করে চুলে হাইড্রেশন প্রদান করে থাকে। চুলের কন্ডিশনার হিসেবে নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে চুল ভেতর থেকে মজবুত, প্রাণবন্ত এবং সতেজ থাকে। এটি চুলকে হাইড্রেশন প্রদানের মাধ্যমে সতেজ ও চকচকে করে তোলে।

৩. অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরিং
প্রাকৃতিকভাবে তৈরিকৃত নারিকেল তেলে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরিং বৈশিষ্ট্য যা ত্বকের যেকোনো ধরনের অস্বস্তি বা প্রদাহ প্রশমিত করতে সহায়তা করে থাকে। অনেক সময় আমাদের ত্বকে নানা ধরনের অসুবিধার কারণে প্রদাহ বা জ্বালাপোড়া করে এবং ত্বক লাল হয়ে যায়। এক্ষেত্রে ত্বকে নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে ত্বকের লাল লাল ভাব, যেকোনো ধরনের জ্বালাপোড়া বা প্রদাহ ইত্যাদি প্রশমিত হয়ে ত্বককে কোমল ও নমনীয় করে তোলে।

৪. অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল
নারিকেল তেল আমাদের ত্বকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে থাকে। নারিকেল তেলে বিদ্যমান লরিক এসিডে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য যা ত্বককে ফাঙ্গাল ও ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে ত্বকের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য ত্বকে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে থাকে।

৫. মেকআপ রিমুভার

একটি প্রাকৃতিক মেকআপ রিমুভার হিসেবে নারিকেল তেল অন্যতম। আমাদের ত্বকে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনি ভেতর থেকে রিমুভ বা উপশম করার জন্য অল্প পরিমাণে নারিকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। নারিকেল তেল কঠিন রাসায়নিক প্রসাধনীগুলোকে ভেঙে খুব গভীর থেকে মেকআপ রিমুভ করে এবং পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সাহায্য করে থাকে।

৬. রোদে পোড়া ভাব দূরীকরণ
আমাদের ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে নারিকেল তেল খুবই কার্যকরী একটি উপাদান। রোদে পোড়া ত্বকে নারিকেল তেল ব্যবহার করার ফলে এটি ত্বকের লাল লাল ভাব, অস্বস্তি ইত্যাদি উপশম করে ত্বকে শীতলতা প্রদান করে। এটি ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূরীকরণের পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে এবং ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ভেতর থেকে নিরাময় করতে সাহায্য করে।

৭. ন্যাচারাল লিপ বাম

নারিকেল তেল আমাদের ঠোঁটের জন্য ন্যাচারাল লিপ বাম হিসেবে কাজ করে থাকে। নিয়মিত ব্যবহারে ঠোঁট ফাটা, শুষ্কতা, ডিহহাইড্রেশন ইত্যাদি প্রতিরোধ করে ঠোঁটকে নরম ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। এটি নিয়মিত ব্যবহারের ঠোঁটের কালচে ভাব ও ডেড সেল বা মৃত কোষ দূর হয় এবং ঠোঁটের উজ্জ্বলতা ও নমনীয়তা বজায় রাখে।

৮. অ্যান্টিএজিং
নারিকেল তেলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য যা অ্যান্টি এজিং এর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে। নারিকেল তেলে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য আমাদের ত্বককে ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাব থেকে রক্ষা করে যা বার্ধক্যের লক্ষণ গুলো হ্রাস করতে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে। ফ্রি র‍্যাডিকেলের প্রভাবে আমাদের ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ গুলো দেখা দিতে থাকে এবং এক্ষেত্রে নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে এর অ্যান্টি এজিং বৈশিষ্ট্য বার্ধক্য জনিত লক্ষণগুলো প্রতিরোধ করে ত্বককে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত করে তোলে।

৯. কিউটিকল কেয়ার
কিউটিকলের যত্নে নারিকেল তেল একটি অন্যতম ও কার্যকরী উপাদান। নিয়মিত সঠিক পরিমাণে কিউটিকলে নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে তা নরম, পুষ্টিকর ও প্রাণবন্ত হয়ে থাকে ; বিশেষ করে নখের ক্ষেত্রে নারিকেল তেল ব্যবহারে খুব ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। কিউটিকলের যত্নে তাই নারিকেল তেলের গুরুত্ব অতুলনীয়।

১০. রান্না ও স্বাস্থ্য উপকারীতা

রান্না করার ক্ষেত্রে নারিকেল তেল ব্যবহার করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে। পখাবারে নারিকেল তেল ব্যবহারের ফলে তা কোলেস্ট্রল এর মাত্রা ও বিপাকীয় প্রক্রিয়া উন্নত করার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য ও সুবিধা দিয়ে থাকে। নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে নারিকেল তেল রান্নায় ব্যবহার করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে এবং স্বাস্থ্যকে উন্নত করতেও সাহায্য করে থাকে।

উপরোক্ত উপকারিতাগুলো ছাড়াও প্রাকৃতিকভাবে তৈরিকৃত এই নারিকেল তেলের আরো নানা ধরনের উপকারিতা রয়েছে যা আমাদের ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে। আর হ্যা, এখন ঘরে বসে পেশাদার Beauty & Wellness সার্ভিস পেতে পারেন F R R SHOP এর মাধ্যমে।

নারিকেল থেকে প্রাকৃতিক ভাবে তৈরিকৃত একটি উপকারী তেল হলো নারিকেল তেল যা আমাদের স্বাস্থ্যজ্জল জীবন যাপন করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। নারিকেল তেলের অনেক উপকারী গুনাগুন রয়েছে। তাই খাঁটি কোল্ড প্রেস অর্গানিক নারিকেল তেল নিতে এখনই যোগাযোগ করুন নিচে দেওয়া নাম্বারে। 01576512625। অথবা প্রবাস থেকে পরিবারের জন্য উপহার পাঠাতে whatsapp এ এখনোই মেসেজ পাঠিয়ে দিন এই নাম্বারে 01576512625।

সারাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে অর্ডার করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ।
R R SHOP
#ভার্জিন_গ্রেডের_নারকেল_তেল

ত্বক আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর শীতকাল আসলেই আমাদের এই ত্বকে দেখা দেয় নানান সমস্যা। শীতকালীন রুক্ষতা আমাদ...
07/01/2025

ত্বক আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর শীতকাল আসলেই আমাদের এই ত্বকে দেখা দেয় নানান সমস্যা। শীতকালীন রুক্ষতা আমাদের ত্বককে খসখসে বানিয়ে দেয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই, F R R SHOP আপনার জন্য নিয়ে এসেছে ভার্জিন কোকোনাট অয়েল। এর প্রাকৃতিক গুণাবলি বিশেষ করে এর পুষ্টিগুণ আমাদের ত্বককে বিভিন্ন সমস্যা থেকে দূরে রাখে। আর সকালে, ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন ভার্জিন কোকোনাট অয়েল।

F R R SHOP এর নারকেল তেল ১০০% খাঁটি এবং প্রাকৃতিক, যা কেমিকেলমুক্ত।
এটি এক্সট্রা ভার্জিন গ্রেডের। তাই চুলে ব্যবহারের পাশাপাশি খেতেও পারবেন।
উচ্চমানের প্রক্রিয়ায় তৈরি ও ফিল্টারিং করায় এর পুষ্টিগুণ ও বিশুদ্ধতা বজায় থাকে।
মানসম্মত কাঁচামাল সংগ্রহ এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণের মাধ্যমে গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়।

আলহামদুলিল্লাহ আমরা সুনামের সাথে দীর্ঘদিন ধরে ন্যাচারাল নারকেল তেল বিক্রি করে আসছি। তাই আপনি শতভাগ বিশুদ্ধ নারকেল তেল খুঁজে থাকলে নিশ্চিন্তে ক্রয় করতে পারেন F R R SHOP এর এক্সট্রা ভার্জিন নারকেল তেল।

সারাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে অর্ডার করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ।

#ভার্জিন_গ্রেডের_নারকেল_তেল
R R SHOP

অথবা 𝐖𝐡𝐚𝐭𝐬𝐀𝐩𝐩 করুন 01576512625 এই নাম্বারে প্রবাস থেকে পরিবারের জন্য এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল নিতে পারেন ওডার করতে whatsapp এ যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01576512625

চলুন আজ জেনে নেয়া যাক চা এর উপকারিতা এবং চা খেলে কি কি হয় ?চা খেলে মিলবে দারুণ এই ১০ উপকারিতাআজ আন্তর্জাতিক চা দিবস। স...
22/11/2024

চলুন আজ জেনে নেয়া যাক চা এর উপকারিতা এবং চা খেলে কি কি হয় ?চা খেলে মিলবে দারুণ এই ১০ উপকারিতা
আজ আন্তর্জাতিক চা দিবস। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এক মগ ধোয়া ওঠা চা ছাড়া অনেকের দিন শুরু হয় না। আবার দুপুরে কিংবা বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে পারে এক কাপ গরম চা। চায়ের রয়েছে অনেক উপকারও। বিশেষ করে সবুজ চা ও কালো চা খেলে মিলবে নানা ধরনের পুষ্টিকর উপাদান। আমেরিকার ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সটিটিউটের একটি গবেষণা বলছে, যারা একেবারেই চা খান না তাদের তুলনায় প্রতিদিন দুই বা তার বেশি কাপ চা যারা খান, তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৯ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত কম। নিয়মিত চা খেলে কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। আমেরিকার ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সটিটিউটের পাশাপাশি বিবিসি গুড ফুডের একটি রিপোর্টও বলছে চা খাওয়ার নানা উপকারিতার কথা। জেনে নিন বিস্তারিত।

সব ধরনের চা প্রতিরক্ষামূলক উদ্ভিদ যৌগের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যাকে পলিফেনল বলা হয়। পলিফেনল শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
গ্রিন টিতে থাকা ক্যাটেচিন এবং কালো চায়ের থেফ্লাভিন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং ক্যানসারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।
চা রক্তনালীর কার্যকলাপ উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। নাইট্রিক অক্সাইড নামক একটি যৌগ রয়েছে চায়ে, যা আমাদের রক্তনালীগুলোর ভেতরের পেশীগুলোকে শিথিল করতে সাহায্য করে ও রক্তকে আরও অবাধে প্রবাহিত হতে সাহায্য করে।
কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য ভালো থাকে নিয়মিত চা খেলে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে পলিফেনল উপাদানটি। এছাড়া উচ্চমাত্রার ক্যাটেচিন পাওয়া যায় গ্রিন টি-তে, যা কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
চায়ে থাকা পলিফেনল ইনসুলিন নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে কার্বোহাইড্রেটের প্রতি আমাদের শরীরের প্রতিক্রিয়া পরিচালনা করতে সহায়তা করে। গ্রিন টি এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর। নিয়মিত চা খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে বলে কিছু গবেষণা মত দেয়।
চায়ের কিছু পলিফেনল শোষিত না হয়ে বৃহৎ অন্ত্রে চলে যায় যেখানে তারা অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ভেঙে যায়। এভাবে চা আমাদের উপকারী অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াগুলোর জন্য জ্বালানীর উৎস সরবরাহ করে। এতে অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ে।
নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের বিকাশকে ধীর করতে সাহায্য করে চায়ে থাকা পলিফেনল।
মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে জুড়ি নেই এক কাপ চায়ের। ক্যাফেইনের পাশাপাশি অ্যামিনো অ্যাসিড মেলে এতে, যা আমাদের মস্তিষ্ককে শিথিল করে।
গ্রিন টিতে থাকা থায়ামিন আমাদের মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে আমাদের মনোযোগ বাড়ে। ব্ল্যাক টি খেলেও কর্মক্ষমতা বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়।
গ্রিন টি হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করে। আমার কাছে আপনি পেয়ে যাবেন বিভিন্ন ধরনের চা পাতা যেমন green tea.btri green tea.bt2.tea gold এবং orth dox যা খেলে আপনার শরীর চাঙ্গা তো করবেই সাথে ভালো রঙ এবং কালার দিবে তাই গ্যারান্টি সহকারে চা পাতা নিতে চলে আসুন আজই F R R SHOP এ বা যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01576512625 অথবা whatsapp করুন 01609111891

F R R SHOP                                                                try to trustজাফরান এর কার্যকারিতা ও উপকারিতা স...
09/11/2024

F R R SHOP try to trust
জাফরান এর কার্যকারিতা ও উপকারিতা সম্পর্কে জানা আছে কি? চলুন জেনে নেই বহু গুণসম্পন্ন জাফরানের ব্যাপারে।

আমরা সবাই কিন্তু স্যাফরন অথবা জাফরান সম্পর্কে শুনি বা জানি। কেউ কেউ ব্যবহারও করি। কিন্তু এটি এতোটাই ব্যয়বহুল যে সবার পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিন্তু অল্প পরিমাণ জাফরান ব্যবহার করেই এর উপকারিতা পাওয়া যায় তাই সেই দিক চিন্তা করলে অনেকটাই সাশ্রয়ী। এই ন্যাচারাল এবং জনপ্রিয় উপাদানটির উপকারিতাও কিন্তু অনেক। আজকে আমরা জাফরানের উপকারিতা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে আপনাদের জানাবো।

জাফরানের পরিচিতি
জাফরান ক্রোকাস স্যাটিভা (crocus sativa) নামের একটি এক্সোটিক (Exotic) বা বহিরাগত ফুল থেকে আহরিত হয়। এটি মূলত ইরান, ভারত এবং গ্রিসের কিছু এলাকাতে হয়। বাংলাদেশে না হওয়ার কারণে এর দামটা একটু বেশি। এটি মূলত ফুড কালারিং এজেন্ট (Food coloring agent) হিসেবে বিভিন্ন খাবার এবং পেস্ট্রিতে ব্যবহার করা হয়। ৩৫০০ বছর আগ থেকে এর চাষ হয়ে আসছে এবং প্রায় ৯০টিরও বেশি রোগের সমাধান দিয়ে থাকে এই উপাদানটি। ঠান্ডা, কাশি, ঘুম না হওয়া, কার্ডিও ডিজিজ বা হার্টের সমস্যা, গর্ভাবস্থায় ত্রৈমাসিক বিকাশ (Pregnancy Trimester Development) সহ আরও অনেক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকে।

এছাড়াও জাফরানে আছে ম্যাংগানিজ (Manganese), এন্টি ইনফ্লামেটরি( Anti-Inflammatory) এবং এন্টি ফাংগাল এজেন্ট (Antifungal agent) যা ব্লাড সুগার নিরাময় করে শরীরের প্রয়োজনীয় হরমোন বিকাশ করে। এছাড়া আছে ভিটামিন সি (Vitamin C), যা ফেইস এবং শরীরকে ইনফেকশন বা সংক্রমণ হওয়া থেকে রক্ষা করে। এর স্পেশাল সুগন্ধযুক্ত স্বাদ খাবারে আনে একস্ট্রা টেস্ট। এতে আছে এন্টিমুটাজেনিক (Antimutagenic) এবং এন্টিটেসিভ এজেন্ট (Antitussive Agent) যা টক্সিকেশন (Toxication) সরিয়ে স্কিনের সেন্সিটিভিটি (Sensitivity) দূর করে। এছাড়া এর এন্টিসোলার এজেন্ট (Anti solar agent) রোদে পোড়া কালচে দাগ দূর করে সানবার্ন থেকে রক্ষা করে। ত্বকে খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। এটি স্কিনের ইরিটেশন (Irritation) দূর করে স্কিনকে হাইড্রেড করে। এতে ত্বক ভেতর থেকে গ্লো করে এবং স্কিনকে করে আরও সজিব।

জাফরানের স্বাস্থ্য উপকারিতা
১) জাফরানে রয়েছে বিস্ময়কর রোগ নিরাময় ক্ষমতা। মাত্র ১ চিমটি জাফরান আপনাকে প্রায় ১৫টি শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যাজনিত রোগ দূর করে।

২) হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যেকোনো ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।

৩) জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।

৪) এর নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স (Relax) করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষন্নতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৫) জাফরানের ক্রোসিন (Crocin) নামক উপাদানটি অতিরিক্ত জ্বর কমাতে সহায়তা করে।

৬) নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরনের সমস্যা যেমন অ্যাজমা (Asthma), পারটুসিস (Pertussis), কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে সহায়তা করে।

৭) মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।

৮) জাফরানের রয়েছে অনিদ্রা সমস্যা দূর করার জাদুকরী ক্ষমতা। ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে পান করলে অনিদ্রা সমস্যা দূর হবে।

৯) সামান্য একটু জাফরান নিয়ে মাড়িতে ম্যাসাজ করলে মাড়ি, দাঁত এবং জিহ্বার নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

১০) গবেষণায় দেখা যায় জাফরান দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের ছানি পড়া সমস্যা প্রতিরোধেও কাজ করে।

১১) জাফরানের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং দুর্বলতা দূর করতে অব্যর্থ ঔষুধ।

১২) অ্যাসিডিটির (Acidity) সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সামান্য একটুখানি জাফরান।

১৩) জাফরান দেহের কোলেস্টেরল (Cholesterol) এবং ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglyceride) নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

১৪) মস্তিস্কের গঠন উন্নত করতে জাফরানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তা ক্ষমতা উন্নত করতে এটি খুবই কার্যকরী।

১৫) এটি আলজাইমার (Alzheimer) এবং পার্কিনসন (Parkinson) রোগ থেকে দূরে রেখে অক্সিডেটিভ (Oxidative) স্ট্রেস থেকে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বাঁচায়।

১৬) কিডনি, যকৃৎ এবং মুত্রথলির রোগ থেকে মুক্তি দেয় জাফরান। ক্যান্সার ও টিউমার নিরাময়েও জাফরান খুবই কার্যকরী।

এছাড়াও আমাদের প্রত্যেকেরই প্রতিদিন ১ গ্লাস দুধের সাথে কয়কটি জাফরান মিশিয়ে খাওয়া উচিত। এতে আমাদের অজানা অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ১ গ্লাস জাফরান মিল্ক আপনার বাচ্চার মস্তিষ্ক সক্রিয় করতে অনেক বেশি ভূমিকা পালন করে।এছাড়া ভেতর থেকে ত্বক উজ্জ্বল করতে চাইলেও দুধের সাথে জাফরান মিক্স করে খান। কারণ ত্বকের বাহিরে যা কিছুই মাখি না কেনো ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা আমাদের সবার চাওয়া থাকে। জাফরান ত্বকে বলিরেখা দূর করতেও সহায়তা করে। এছাড়াও দুধের সঙ্গে জাফরান মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

ত্বকের যত্নে জাফরানের ব্যবহার
স্যাফরন বা জাফরানের সঠিক কিছু ব্যবহার আছে। আসুন স্টেপ বাই স্টেপ জেনে নেই এর সঠিক ব্যবহার।

১) জাফরান ও চন্দন মাস্ক
প্রস্তুত প্রণালী
একটি পাত্রে ৪ চা চামচ দুধের মধ্যে জাফরান দিয়ে জাফরানের হলুদ রঙ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
হলুদ রঙ আসলে এর সাথে চন্দন মিশিয়ে ভালো করে পেস্ট বানিয়ে পুরো ফেইসে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট।
এই মাস্কটি স্কিনকে এক্সফোলিয়েট (Exfoliate) করে পরিষ্কার করবে এবং ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল করবে। এটি সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করলেই কার্যকরী ফল পাওয়া যাবে।

২) ব্রণ দূর করতে
প্রথমে জাফরান আর কাঁচা দুধ মিশিয়ে দুই ঘন্টা রেখে দিন।
এবার মিশ্রণটি ফেইসে লাগিয়ে একটু ম্যাসাজ করে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
সপ্তাহে ১-২ ব্যবহার করলে ব্রণের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

৩) গ্লো ফেইস মাস্ক
জাফরান, দুধ, অলিভ অয়েল, চিনি -

প্রথমে একটি বাটিতে ১ চামচ চিনি, ৩ চা চামচ কাঁচা দুধ, ৪-৫টি জাফরান আর একটু অলিভ অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
এবার মিশ্রণটি ঘার সহ পুরা ফেইসে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন ব্যবহারেই আপনি পাবেন উজ্জ্বল ত্বক
৪) ড্রাই স্কিনের জন্য মাস্ক
জাফরান ও টকদই -

একটু অলিভ অয়েলের সাথে টক দই এবং জাফরান মিশিয়ে রাতের বেলা ফেইসে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
মিল্ক পাউডার, জাফরান এবং গোলাপজল ভালো করে মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিন। এবার এই প্যাকটি ফেইসে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ভালো করে ধুয়ে নিন।
এই প্যাক দু’টি ত্বকের শুষ্কতা দূর করার পাশাপাশি ত্বকের সেনসিটিভিটি, র‍্যাশ, এবং স্কিনের চামড়া ওঠা দূর করবে।

৫) জাফরান ও আমন্ড মাস্ক
জাফরান, আমন্ড ও মধুর মাস্ক -

প্রথমে আমন্ড এবং জাফরান একসাথে ব্লেন্ড করে নিন।
এবার এতে অল্প একটু মধু মিশিয়ে ফেইসে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
আমন্ড এর ন্যাচারাল অয়েল আর জাফরানের এন্টি অক্সিডেন্ট মিলে স্কিনের ডেড সেলস, ডার্ক সার্কেল, ব্ল্যাক স্পট দূর করে স্কিনকে সফট আর হেলদি করে।

জেনে নিলেন জাফরানের কার্যকারিতা ও উপকারিতা সম্পর্কে। এটি ব্যবহার করে আপনি ত্বক ও চুলের পাশাপাশি স্বাস্থ্যেরও যত্ন নিতে পারবেন। নিয়মিত নিজের যত্ন নিন সুস্থ ও সুন্দর থাকুন তাই জাফরান নিতে এখনই যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01576512625 অথবা whatsapp করুন 01609111891

সিয়া সিড কেন খাবেন চলুন জেনে নেই?সুপারফুড চিয়া সিড বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জ...
07/11/2024

সিয়া সিড কেন খাবেন চলুন জেনে নেই?
সুপারফুড চিয়া সিড বর্তমান সময়ে অনেকেই স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন। বিশেষ করে করোনাকালীন জটিলতার পর সেই সতেচনতা বেড়ে গিয়েছে আরও কয়েক গুণ। প্রতিদিনের খাবার ও খাবারের পুষ্টিগুণ নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের খাবারের তালিকায় এখন বেশ জনপ্রিয় 'চিয়া সিড'।

চিয়া হচ্ছে সালভিয়া হিসপানিকা নামক মিন্ট প্রজাতির উদ্ভিদের বীজ। এটি মূলত মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর মরুভূমি অঞ্চলে বেশি জন্মায়। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করে থাকেন। এগুলো দেখতে অনেকটা তোকমা দানার মতো। চিয়া বীজ সাদা ও কালো রঙের এবং তিলের মতো ছোট আকারের।

বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক এসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।

তবে, অনেকেই চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ বা এটি খাওয়ার নিয়ম জানেন না। যে কারণে এই সুপারফুডকে নিজের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করছেন না।

বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেডের ডায়েটেটিকস ডিপার্টমেন্টের প্রধান পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'চিয়া সিড একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার৷ এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, এতে আছে স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩। তাই খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন চিয়া সিড রাখতে পারেন।'

'সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে বা যারা ব্যায়াম করেন, তারা ব্যায়ামের ১ ঘণ্টা পর চিয়া সিড খেতে পারেন', যোগ করেন তিনি।

পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতির মতে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা

১। চিয়া সিডে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে

২। এটি শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়

৩। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে

৪। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে

৫। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়

৬। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী

৭। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখে। ফলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে

৮। এটি শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দিতে সাহায্য করে

৯। চিয়া সিড পেটের প্রদাহজনিত বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে

১০। ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে চিয়া সিড

১১। এই বীজ ক্যানসার রোধ করে

১২। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে

১৩। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে

১৪। চিয়া সিড অ্যাটেনশান ডেফিসিট হাইপার-অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার দূর করে

১৫। এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে

এই সিড খাওয়ার নিয়ম বিষয়ে পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি জানান, দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানিতে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে, যেহেতু চিয়া সিডের নিজস্ব কোনো স্বাদ নেই, তাই এটি যে কোনো শরবত বা স্মুদি, কাস্টার্ড, টকদই বা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়। তাই ফ্রেশ সিয়া সিড নিতে যোগাযোগ করুন 01576512625 অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন01609111891

আপনার কি চুল পড়ছে ? আপনি কি চুল নিয়ে চিন্তিত ? আপনার কি চুল পড়ছে? আপনার যদি এসোব সমস্যা থাকে তাহলে আজকেই চলে আসুন আমা...
05/11/2024

আপনার কি চুল পড়ছে ? আপনি কি চুল নিয়ে চিন্তিত ? আপনার কি চুল পড়ছে? আপনার যদি এসোব সমস্যা থাকে তাহলে আজকেই চলে আসুন আমাদের কাছে কারন‌ আমরাই আপনাকে দিচ্ছি নিজেদের হাতে বানানো তেল যা আপনার চুলের অনেক উপকার হবে তাই এখনই যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01576512625 অথবা whatsapp করুন 01609111891

আজকের জেনে নেয়া যাকস্পেশাল পাওয়ার হালুয়া সম্পর্কে ?                                   স্পেশাল পাওয়ার হালুয়া I Special P...
30/10/2024

আজকের জেনে নেয়া যাক
স্পেশাল পাওয়ার হালুয়া সম্পর্কে ?
স্পেশাল পাওয়ার হালুয়া I Special Power Halwa যা আপনার জীবনকে করবে মধু মোয়

আপনি কি বিবাহিত?

বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
শারীরিক ভাবে দুর্বল?
রোগা-পাতলা শরীর?
অল্প পরিশ্রমে অনেক ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছেন।
তাহলে আমাদের এই ফর্মুলাটি আপনার জন্য।

কারণ আমরা তৈরি করেছি প্রায় ৫৪ টি ভেষজ গাছ-গাছারার উপাদান দিয়ে আমাদের এই হালুয়া। যা বহু গুণে ভরপুর। এটি পরিক্ষিত এবং আলহামদুলিল্লাহ ১০০% কার্যকর,

যেমনঃ-

এটি পুরুষ এর হারানো (যৌ)- (ব)-( ন) ফিরিয়ে আনে।
মি-ল-ন চাহিদা বহু গুণে বৃদ্ধি করে।
নিস্তেজ অ-ঙ্গ কে সবল করে তোলে।
রোগা পাতলা শরীর কে শক্তিশালি করে তোলে।
শারীরিক ক্লান্তি দুর করে।
শারীরিক দুর্বলতা দুর করে।
ভালো ঘুমের জন্য কার্যকর
খাবারের গ্রহনের চাহিদা বৃদ্ধি করে।
শরীরের ফিটনেস ধরে রাখে।
বিশেষ অং- ঙ্গে- র কার্যক্ষমতা বহু গুণে বৃদ্ধি করে।
শু-ক্রানুর পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
বী+র্য গাঢ় করে।
আমাদের প্রতিটি ভেষজ উপাদান নিজেরাই উৎপাদন, প্রস্তুত, ও সরবরাহ করি,৷ তাই ভেজাল হওয়ার কোন সুযোগ নাই।

আমাদের হালুয়া তৈরীর উপকরণ সমুহ-

১। কোরিয়ার জিনসেং পাউডার

২। অশ্বগন্ধা পাউডার

৩ আলকুশি পাউডার

৪। শতমুল পাউডার

৬। শিমুল মুল পাউডার

৭। তালমূল পাউডার

৮। আকর কর পাউডার

৯। রুহি মস্তকি।

১০। সবেদ মুসলি

১১। মুকাদ্দাস

১২। তেঁতুল চূর্ণ

১৪। হস্তিপলাশ

১৫। কেয়া মূল।

১৬। ভুই কুমরা।

১৭। কাবাব চিনি

১৮। আমচূর্ণ

১৯। শংখ মুল।

২০। বীর্যমনি

২১। আদা গুরা

২১। দারুচিনি গুরা

২২। বুনো চাকের মধু

২৩। খাঁটি ঘী

২৪। জয়ফল

২৫। জাম বীজ পাউডার

এছাড়াও সর্বমোট ৫০+ ভেষজ পাউডার।

নিজেদের সংগ্রহ করা ভেষজ থেকে তৈরি পাওয়ার হালুয়া । ষ্টক শেষ হবার আগেই সংগ্রহ করুন।

🔴 হালুয়া খাওযার নিয়ম :

১। সকালে খালি পেটে ২ চামুচ।
২। রাতে খাওয়ার পর ভরা পেটে ২ চামুচ।

👉 সাথে দুধ ও হাঁসের ডিম খেলে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। তাই স্পেশাল পাওয়ার হালুয়া নিতে এখনোই যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে 01576512625 অথবা whatsapp করুন 01609111891

Address

Jatrabari
Konapara
1362

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when F R R SHOP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share