30/08/2023
কথা বলা যাক সরিষার তেলের উপকারিতা নিয়ে:
১।সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাটে সমৃদ্ধ বলে কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে।
২।এর ফলে কার্ডিওভাসকুলার তথা হৃদরোগের ঝুঁকি কমে; স
৩।রিষার তেলে উপস্থিত গ্লুকোসুনোলেট এবং মিরোসিনেস নামে দুটি উপাদান শরীরে ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধি প্রতিরোধে গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৪।এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যানসার থেকে সুরক্ষা প্রদান করে;
৫।সরিষার তেলের অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি ব্যকটেরিয়া ও ছত্রাকের ক্ষতিকারক সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে;
৬। সরিষার তেলে থাকা ওমেগা-৩, ওমেগা-৬ ফ্যাটিঅ্যাসিড এবং ভিটামিন-ই শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিমান সরবরাহ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়;
৭।সরিষার তেলে রয়েছে কপার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং সেলেনিয়াম। এই খনিজগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৮। সেলেনিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ (হাড়ের রোগ) কমানোর পাশাপাশি এই রোগের প্রকোপ হ্রাসেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে;
৯।সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে;
১০। রান্নায় সরিষার তেল সয়াবিন তেলের থেকে কম পরিমাণে লাগে। এতে শরীরে ক্যালরি বাড়ার আশঙ্কাও কমে যায়;
১১।এ তেলের রয়েছে উচ্চমাত্রার স্মোক পয়েন্ট, যা বেশি তাপমাত্রার রান্নার জন্য উপযোগী।
করোনাভাইরাস মহামারী আমাদেরকে সুস্বাস্থ্য রক্ষায় আরও বেশি সতর্ক করে তুলেছে। সঠিক খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। রান্নায় সরিষা তেলের ব্যবহার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আশ্চর্যজনকভাবে।
এবার আসেন আমাদের প্রোডাকশন নিয়ে কিছু বলা যাক। আমরা বেস্ট সরিষাটা চাষীদের থেকে নিয়ে আগের দিনের যেরকম গরুর ঘ্যান দিয়ে ভাঙ্গানো হতো সেরকমভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তেল বানায়। ভিডিওতে দেখতে পারবেন। গুনগত মান আর জনবল সংকটে আপাতত প্রতিদিন ১০ লিটার করে প্রোডাকশন করছি। তেলের কালার আর কোয়ালিটি আপনারা ছবি আর ভিডিওতে দেখছেন। চাইলে মিনিমাম ১ লিটার করে নিয়ে দেখতে পারেন। সবকিছু বিবেচনায় দামটা একটু বেশি পড়বে। আমি বলতে চায় তুলনা করার জন্য হলেও একবার আপনাদের ব্যবহার করা উচিত।
যেটাই খায়, ভালো খায় স্লোগান নিয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চায়।