ASR AGRO CARE

ASR AGRO CARE কৃষি, দীবা-নীশি

12/12/2024

পেঁপে চাষ পদ্ধতি

11/12/2024

⭕পেপে চাষ পদ্ধতি:-
উপযুক্ত জমি ও মাটি : উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি ভাল।

জাত পরিচিতি:
বারি পেঁপে-১ (শাহী পেঁপে): স্ত্রী ও পুরুষ ফুল আলাদা গাছে ধরে। চারা লাগানোর ৩-৪ মাস পর ফুল আসে। কান্ডের খুব নিচ থেকেই ফল ধরা শুরু হয়। প্রতিটি ফলের ওজন ৮৫০-৯৫০ গ্রাম। চারা লাগানোর ৩-৪ মাস পর ফুল আসে, ফুল আসার ৩-৪ মাস পর পাকা পেঁপে সংগ্রহ করা যায়। এ জাতটি প্রায় সার বছরই ফল দিয়ে থাকে।

পাকা পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ একটি ফল। কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর পরিমানে পেপেইন নামক হজমকারী দ্রব্য থাকে।

ভেষজ গুণ: অজীর্ণ,কৃমি সংক্রমণ, আলসার, ত্বকে ঘা, একজিমা, কিডনি ও পাকস্থলীর ক্যান্সার নিরাময়ে কাজ করে।

ব্যবহার: পাকা পেঁপে ফল হিসেবে এবং কাঁচা পেপে সবজি হিসেবে খাওয়া যায়।

চারা তৈরি: বীজ থেকে চারা তৈরি করা যায়। পলিথিন ব্যাগে চার তৈরি করলে রোপণের পর চারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

চারা রোপণ: দেড় থেকে দুই মাস বয়সের চারা রোপণ করা হয়। ২ মিটার দূরে দূরে চারিদিকে ২ ফুট পরিমান গর্ত তৈরি করে রোপণের ১৫ দিন আগে গর্তের মাটিতে সার মিশাতে হবে। পানি নিকাশের জন্য দুই সারির মাঝখানে ৫০ সে.মি নালা রাখা দরকার। বানিজ্যিকভাবে পেঁপে চাষের জন্য বর্গাকার পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। প্রতি গর্তে ৩ টি করে চার রোপণ করতে হয়। ফুল আসলে ১ টি স্ত্রী গাছ রেখে বাকি গাছ তুলে ফেলা দরকার। পরাগায়ণের সুবিধার জন্য বাগানে ১০% পুরুষ গাছ রাখা দরকার।

সার ব্যবস্থাপনা: প্রতি গাছে ১৫ কেজি জৈব সার, ৫৫০ গ্রাম ইউরিয়া সার, ৫৫০ গ্রাম টিএসপি সার, ৫৫০ গ্রাম এমওপি সার, ২৫০ গ্রাম জিপসাম সার, ২৫ গ্রাম বোরাক্স সার এবং ২০ গ্রাম জিংক সালফেট সার একত্রে ভালভাবে প্রয়োগ করতে হয়। ইউরিয়া ও এমওপি সার ছাড়া সব সার গর্ত তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে। চারা লাগানোর পর গাচে নতুন পাতা আসলে ইউরিয়া ও এমওপি সার ৫০ গ্রাম করে প্রতি ১ মাস পর পর প্রয়োগ করতে হয়। গাছে ফুল আসলে এ মাত্রা দ্বিগুণ করা হয়।

অন্তবর্তীকালীন পরিচর্যা: ফুল হতে ফল ধরা নিশ্চিত মনে হলে একটি বোঁটায় একটি ফল রেখে বাকিগুলো ছিড়ে ফেলতে হবে। গাছ যাতে ঝড়ে না ভেঙ্গে যায় তার জন্য বাঁশের খুঁটি দিয়ে গাছ বেঁধে দিতে হয়।

সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনা: চারা রোপণ এবং সার প্রয়োগের পর প্রয়োজনমতো পানি দিতে হবে। খরা মৌসুমে ১০ থেকে ১৫ দিন পর পর হালকা সেচ দিতে হবে।

রোগ ব্যবস্থাপনা:
রোগের নাম: পেঁপের ড্যাম্পিং অফ রোগ দমন।
ভূমিকা: মাটিতে যে ছত্রাক থাকে তার দ্বারা এ রোগ হতে পারে। এ রোগটি সাধারণত: চারা অবস্থায় অথবা বীজ গজানোর সময় হয়ে থাকে। বীজের অংকুর গজানোর সময় এ রোগের জীবাণু অতি সহজেই বীজ অথবা অংকুরকে আক্রমণ করে।
ক্ষতির নমুনা: এ অবস্থায় বীজ পচে যায় এবং চারা মাটির উপর বের হয়ে আসতে পারেনা। এভাবে অংকুর গজানোর আগেই পচন হতে পারে। চারা গজানোর পরেও জীবাণুর আক্রমণ ঘটে। এ পর্যায়ে চারার গোড়া বা শিকড় পচে গিয়ে আক্রান্ত চারা মাটিতে পড়ে যায় এবং মারা যায়। চারার বয়স বাড়ার সাথে সাথে এ রোগের প্রকোপ কমে যায়।
অনুকূল পরিবেশ: বর্সা মৌসুমে ঢলে পড়া রোগের প্রকোপ খুব বেশি।
বিস্তার: বৃষ্টির পানিতে অথবা সেচের পানিতে এ রোগের জীবাণু ছড়ায়।
ব্যবস্থাপনা: গাছের গোড়ার পানি নিকাশের ভাল ব্যবস্থা রাখা দরকার। রোগাক্রান্ত চারা গাছ মাটি থেকে উঠিয়ে পুড়ে ফেলতে হবে। আক্রমন বেশি হলে রিডোমিল এমজেড-৭২ প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭ দিন পর পর গাছের গোড়ার চারিদিকের মাটিতে প্রয়োগ করা দরকার। জিংকের ঘাটতির জন্য মোজাইক লক্ষণ দেখা দিলে গাছের গোড়ায় গাছপ্রতি ৫-১০ গ্রাম জিংক প্রয়োগ করলে এবং ০.২% জিংক গাছের পাতায় স্প্রে করলে এ সমস্যা কমে যায়।

ফসল তোলা: সবজি হিসেবে কচি ফল সংগ্রহ করা হয়। পাকানোর জন্য ফলের ত্বক হালকা হলুদ বর্ণ ধারণ করলে সংগ্রহ করতে হয়।

07/12/2024

রসুন ও পেঁয়াজ চাষে ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ স্প্রে কি করবেন? সিডিউল

🧅পেঁয়াজ চারা মূলত নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ পযন্ত বীজ জমিতে ফেলানো হয়

৪৫-৫০ দিন বয়সে চারা রোপণ করা হয়।
আর এ সময়টাতে চারা সতেজ ও সুস্থ রাখতে অনেক কিছু স্প্রে করতে হয়।
নিম্নে স্প্রে সিডিউল মেনু চাইলে ফলো করতে পারেন।

👉 ১ম_স্প্রে
চারা যখন বের হবে ১০-১২ দিন বয়সে ছত্রাক ও ঢলেপড়া রোধে কার্বনডাইজিম স্প্রে করতে হবে লিটার পানিতে দেড় গ্রাম হারে।
👉২য়_স্প্রে
১৫ দিন বয়সে
রোভরাল(ইপ্রোডিয়ন)
+ এমিস্টারটপ(এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনোকোনাজল)গ্রুপ লিটার পানিতে দেড় মিলি হারে।
মানে ১০০গ্রাম+১০০ গ্রাম ৪ মেশিন।

👉৩য়_স্প্রে
১৮ দিন বয়সে
নাটিভো(টেবুকোনাজল) লিটার পানিতে ০.৫ গ্রাম হারে।

👉৪র্থ_স্প্রে
২১ দিন বয়সে
ডেকোনিল(ক্লোরপাইরিফস)+মেনকোজেব ৮০ ডাব্লিউ পি+টাফগড়(ডাইমেথয়েট)
লিটার পানিতে :
ডেকোনিল দেড় মিলি,চারা বড় হলে ২ মি লি দেওয়া যাবে।
মেনকোজেব ২ গ্রাম হারে।
টাফগড় ০.৫ মি.লি.

👉৫ম_স্প্রে
২৪ দিন বয়সে
প্রটোজিম ভিটামিন লিটার পানিতে দেড় মি.লি হারে।

👉৬ষ্ঠ_স্প্রে
২৭ দিন বয়সে
আবার
রোভরাল(ইপ্রোডিয়ন)
+ এমিস্টারটপ(এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনোকোনাজল)গ্রুপ লিটার পানিতে দেড় মিলি হারে।
মানে ১০০গ্রাম+১০০ গ্রাম ৪ মেশিন।

👉৭ম_স্প্রে
৩০ দিন বয়সে আবার
ডেকোনিল(ক্লোরপাইরিফস)+মেনকোজেব ৮০ ডাব্লিউ পি+টাফগড়(ডাইমেথয়েট)
লিটার পানিতে :
ডেকোনিল ২ মি লি দেওয়া যাবে।
মেনকোজেব ২ গ্রাম হারে।
টাফগড় ০.৫ মি.লি

👉৮ম_স্প্রে
৩৪ দিন বয়সে
আবার
রোভরাল(ইপ্রোডিয়ন)
+ এমিস্টারটপ(এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনোকোনাজল)গ্রুপ লিটার পানিতে দেড় মিলি হারে।
মানে ১০০গ্রাম+১০০ গ্রাম ৪ মেশিন।

👉৯ম_স্প্রে
৩৭ দিন বয়সে।
(৭ম দিনের টা দিতে হবে)

👉১০ম_স্প্রে
৪০ দিন বয়সে
শুধু, স্কোর(ডাইফোনোকোনাজল)
লিটার পানিতে ১.৫ মি. লি হারে।
👉১১তম_স্প্রে
৪৪ দিন বয়সে
আবার
রোভরাল(ইপ্রোডিয়ন)দেড় গ্রাম লিটার পানিতে
+ এমিস্টারটপ(এজোক্সিস্ট্রোবিন+ডাইফেনোকোনাজল)গ্রুপ লিটার পানিতে দেড় মিলি হারে।
মানে ১০০গ্রাম+১০০ গ্রাম মোট ৪ মেশিন।
এটাই শেষ স্প্রে।

চারা সতেজ ও সুস্থ রাখতে ও আবহাওয়া ও ছত্রাকজনিত রোগের থেকে বাঁচাতে এগুলো ব্যবহার করা জরুরী।

★★বিশেষ দ্রষ্টব্য : পেঁয়াজ চাষ সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।

Address

Khoksa
Kushtia
7021

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ASR AGRO CARE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share