08/11/2022
👉 প্রশ্নঃ- স্ত্রীর সাথে মিলনের জন্য কি
তাঁর অনুমতি নেয়া প্রয়োজন ?
উওরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “স্বামী যখন তার স্ত্রীকে দৈহিক প্রয়োজনে আহবান করবে, সে যেনো স্বামীর কাছে অত্যন্ত দ্রুত চলে আসে এমন-কি সে রান্না ঘরে রুটি পাকানোর কাজে ব্যস্ত থাকলেও!”
(সুনানে তিরমিযি ১১৬০)
(ছহীহুল জামে ৫৩৪)
উত্তরঃ রাসূল (সাঃ) আরও বলেছেন “যে স্ত্রী স্বামীর ডাকে সাড়া না দেয়, তারপর যদি স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় সারারাত একাকী কাটায় তাহলে সে স্ত্রীর উপর ফিরিশ্তারা সকাল পর্যন্ত লা'নত দিতে থাকে!”
(ছহীহুল বোখারি ৫১৯৩)
(ছহীহ মুসলিম ১৪৩৬)
(সুনানে আবু দাউদ ২১৪১)
(নাসাঈ)
উত্তরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “তিন ব্যক্তির নামাজ তাঁদের মাথা অতিক্রম করেনা অর্থাৎ কবুল হয়না, তন্মধ্যে একজন হলেন অবাধ্য স্ত্রী- যে স্বামীর ডাকে সাঁড়া দেয়না, এবং স্বামী রাগান্বিত অবস্হায় ঘুমায়!”
(তাবরানী ১০৮৬)
(সুনানে তিরমিযি ৩৬০)
(হাকেম)
(সিলসিলা ছহীহা ২৮৮)
উওরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “স্বামীর অনুমতি ব্যতিরেকে নফল রোজা রাখা যাবেনা, এবং স্বামীর অপছন্দ ব্যক্তিকে ঘরে প্রবেশ করানো যাবেনা!”
(ছহীহুল বোখারি ৫১৯৫)
(ছহীহ মুসলিম ২৪১৭)
(দারেমী ১৭২০)
(সিলসিলা আহাদিসুস ছহীহা ৩৯৫)
উওরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “পরকালে আল্লাহপাক স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ স্ত্রীর দিকে তাকাবেন না!”
(নাসাঈ কুবরা ৯১৩৫)
(বাযযার ২৩৪৯)
(তাবরানী)
(হাকেম ২৭৭১)
(বাইহাক্বী ১৪৪৯৭)
(সিলসিলাহ ছহীহা ২৮৯)
উত্তরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “কোনো স্ত্রী যদি তাঁর স্বামীর অধিকার সম্পর্কে জানতো, দিনে বা রাতের খাবার শেষ করে স্বামীর পাশে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতো!”
(ছহীহুল জামে ৫২৫৯)
(তাবরানী)
উত্তরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “স্বামীর অবাধ্য স্ত্রীর জন্য জান্নাত হারাম!”
(মুসনাদে আহমদ ১৯০০৩)
(নাসাঈ)
(হাকিম)
(বায়হাক্বী)
উত্তরঃ মহানবী (সাঃ) বলেছেন “যে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে কষ্ট দেয়, তখন জান্নাতের হুরেরা বলেন “তোমার স্বামীকে কষ্ট দিওনা, তিনি তোমার কাছে সাময়িক মেহমান মাত্র- তোমাকে ছেড়ে অচিরেই আমাদের কাছেই ফিরে আসবে!”
(তিরমিযি ১১৭৪)
(ইব্নে মাজাহ ২০১৪)
উত্তরঃ মা-বাবা সহ সকলের মৃত্যুতে শোক পালন হচ্ছে মাত্র ৩ দিন পর্যন্ত, পক্ষান্তরে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করতে হবে ৪ মাস ১০ দিন!
(সূরা আল বাক্বারা ২৩৪)
(ছহীহুল বোখারি ১২৮০)
(ছহীহ মুসলিম ৩৮০২)