Dharapat bd

Dharapat bd "ধারাপাত বিডি" নিরাপদ খাদ্য ও প্রসাধনী নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির একটি প্রয়াস।

18/12/2024

ব্যবসায়ী পার্টনার / ইনভেস্টর 👍
--------------------------------------
একটি কসমেটিকস ব্যবসার জন্য পার্টনার অথবা ইনভেস্টর প্রয়োজন। পরিচিত কসমেটিকস ব্র‍্যান্ডের নিজস্ব উৎপাদন যথাযথ সম্প্রসারণের জন্য ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করবার সক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যবসায়ী পার্টনার অথবা ইনভেস্টর প্রয়োজন। বাংলাদেশে বিক্রিত প্রথম ৫ ব্র‍্যান্ডের পণ্যের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানের পণ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরও কিছু পণ্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তায় টাকার প্রয়োজন।

বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, সকল মালিকানার কাগজে
অংশীদার দেওয়া হবে প্রয়োজনে ব্যাংক একাউন্টেও সম্পৃক্ত থাকতে পারে।

ভারত বিদ্বেষ ! ভারত প্রীতি !! ভারত শত্রু ! ভারত বন্ধু !! কথাগুলো একেবারেই অযাচিত, অবাঞ্চিত, অযৌক্তিক। তুমি ভারতের উপর নি...
04/12/2024

ভারত বিদ্বেষ ! ভারত প্রীতি !!
ভারত শত্রু ! ভারত বন্ধু !!

কথাগুলো একেবারেই অযাচিত, অবাঞ্চিত, অযৌক্তিক। তুমি ভারতের উপর নির্ভরশীল হবা না !? এটাও সম্ভব !! ভারতের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে চলছে এদেশের সাধারণ মানুষ, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিবর্গ, তথাকথিত সুশীল সমাজ কিংবা সরকার। ভারত আমাদের শত্রু হলে ভারতের আয়ের অন্যতম উৎস বাংলাদেশ হয় কিভাবে ? যদিও সে আয়ের সামান্য অংশীদার আমাদের প্রশাসনের কর্তা'গনও বটে। খুব সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে কথা বলবো, যা আমার ব্যক্তিগত ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। এরকম শত শত বিষয় আছে,,,,,

বাংলাদেশের প্রসাধনী পণ্যের বাজারে ভারতের অংশীদার বছরে ১০০০০ কোটি টাকার, যার ৯৫ শতাংশ অবৈধভাবে চোরাইপথে আসে। শুধু তাই না, এই অবৈধ পণ্যের ৬০ শতাংশ নিষিদ্ধ এবং অবৈধ উপাদান দ্বারা প্রস্তুত। এই নিষিদ্ধ উপাদান দ্বারা প্রস্তুত প্রসাধনীর গাঁয়ে লিখা আছে "For Sales Out Of India Only" অর্থাৎ এই পণ্যগুলো ভারতে বিক্রি করা যাবে না। কারণ কি জানেন ? ওই পণ্যগুলোতে যে নিষিদ্ধ উপাদান আছে তার দ্বারা ক্যান্সার, কিডনির জটিলতা ছাড়া মেজাজ হয় খিটখিটে। আমাদের জন্য ভারতের আশীর্বাদ এই সব পণ্য। এই আশীর্বাদে ধণ্য হচ্ছে আমাদের প্রশাসন (সিলেট বর্ডার আর চকবাজার)। ক্ষতি হচ্ছে এদেশের শিল্প, অর্থনীতি আর ২/৩ কোটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মা-বোন। কর্মসংস্থান হারাচ্ছে হাজারো মানুষ।

প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদ আর সুশীল সমাজ প্রত্যেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি "বিষয়টি দেখছি, দেখবো, করবো" এই হচ্ছে সমাধান !!
এই প্লাটফর্মে থাকা সাধারণ জনতার কাছে আমার প্রশ্ন, সমাধান করবেন নাকি চিৎকার চেচামেচি করবেন ?

01/01/2024
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি   ---------------------সুপ্রতিষ্ঠিত স্বনামধন্য ব্র‍্যান্ডে কাজ করবার জন্য নির্দিষ্ট শুণ্য পদে  উল্লেখিত ...
21/09/2022

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
---------------------

সুপ্রতিষ্ঠিত স্বনামধন্য ব্র‍্যান্ডে কাজ করবার জন্য নির্দিষ্ট শুণ্য পদে উল্লেখিত সংখ্যক সহযাত্রী নিয়োগ চলছে। আত্নবিশ্বাসী, পরিশ্রমী প্রার্থীগণ যোগাযোগ করুণ।

✔️কেমিস্ট........
➡️রসায়ন / মাইক্রো-বায়োলজী বিষয়ে স্নাতক / স্নাতকোত্তর
➡️অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।
➡️নারী /পুরুষ (৩ জন)।
➡️আশুলিয়া / জামগড়া।
➡️বেতন ১৬,৫০০৳

✔️গ্রাফিকস ডিজাইনার.......
➡️গ্রাফিকস ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্য।
➡️প্রফেশনাল ডিজাইনার হতে হবে।
➡️নারী /পুরুষ (২জন)।
➡️গুলশান এলাকায়।
➡️বেতন আলোচনা স্বাপেক্ষে।

✔️সেলস এক্সিকিউটিভ......
➡️এসএসসি /এইচএসসি
➡️ব্র‍্যান্ড প্রমোটর হিসেবে কাজ করবার অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
➡️নারী /পুরুষ (২৫ জন)।
➡️আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর এলাকা।
➡️বেতন ১৫০০০ + টিএ,ডিএ।

বিঃ দ্রঃ অযাচিত কেউ যোগাযোগ করবেন না।
বিশেষ প্রয়োজনে 01711223884

‘যা না করে বৈদ্যে, তাই করে পথ্যে’ ------------------------------------------------ এই বচনটি আমাদের অনেকেরই জানা । আমরা য...
04/08/2022

‘যা না করে বৈদ্যে, তাই করে পথ্যে’
------------------------------------------------
এই বচনটি আমাদের অনেকেরই জানা । আমরা যেসকল রোগ শোকে আক্রান্ত তার অন্যতম কারণ এলোমেলো খাদ্য গ্রহণ। তারমধ্যে আছে অযাচিত ঔষধ সেবন। অথচ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের পাশাপাশি শরীরচর্চা ও সচেতনতা পারে আমাদের সুস্থ স্বাভাবিক রাখতে।

সুস্বাস্থ্যের অন্যতম ভিত্তি হলো খাদ্যাভ্যাস। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা হতে কিছু মুখরোচক খাবার বাদ দিয়ে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী খাবার যুক্ত করতে পারলে অনেকাংশে নীরোগ থাকা সম্ভব। তেলে ভাজা জিনিসপত্র, লবণ, চিনি, অতিরিক্ত ঝাল-মসলা ইত্যাদি খাবার পরিহার করতে হবে। পাশাপাশি বেশি বেশি করে যুক্ত করতে হবে শাকসবজি ও অন্যান্য আঁশ সমৃদ্ধ খাবার। পরিমিত আহার ক্যানসার, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগের হাত থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। আসুন, জেনে নিই কেমন হওয়া উচিত আমাদের খাদ্যাভ্যাস।

সকালে পেট ভরে খান। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। সকালের খাবার আপনার মেদ বাড়াবে না; বরং সারা দিনের শক্তি জোগাবে। সকালে পেটভরে খেলে গ্যাসট্রিকের সমস্যা থেকে অনেকাংশে রেহাই পাবেন। ডায়াবেটিক রোগী, যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান; তারা কিছু কাঁচা বাদাম (দেশি বাদাম, কাজু বাদাম বা কাঠ বাদাম) খেতে পারেন। এতে ক্ষুধা কমে যাবে ও শক্তি সঞ্চয় হবে। সকালে নাস্তার পর এক কাপ দুধ ও একটি কলা খেতে পারলে ভালো। কলায় পটাশিয়াম ও আয়রন রয়েছে-যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য কাজে সহায়তা করে।

দুপুরে পরিমিত খাবার খান। লক্ষ্য রাখবেন, খাবারে যেন যথেষ্ট পরিপাকযোগ্য আঁশ (Digestive Fibre) থাকে। পরিপাকযোগ্য আঁশ বলতে শাক ও আঁশযুক্ত খাবার বোঝায়। এসব খাবার থেকে কোনো শক্তি মেলে না। তবে এরা অন্ত্র পরিষ্কার করার কাজ করে এবং কলোস্টেরল শোষণে বাধা দেয়। ফলে রক্তে কলোস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। খাবারের সঙ্গে রসুন (কাঁচা বা রান্না) খাওয়া দরকার। রসুন কলোস্টেরল জমতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। খাবার যেটাই গ্রহণ করি না কেন, ভেবে দেখতে হবে-আসলে কী খাচ্ছি, সর্বশেষ কোন রূপে তা শরীরে জমছে? খাবারে কাঁচা পেঁপে ও করলাকে স্থান দিন। কাঁচা পেঁপের মধ্যে প্যাপাইন থাকে, যা হজমে সহায়তা করে।

নিয়মিত প্রোটিন খান। ডিম, মাছ, মাংস প্রোটিনের ভালো উৎস। অনেকেই ভুল ধারণা রাখেন-প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে মুটিয়ে যাবেন। প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলে মানুষ মোটা হয় না; মোটা হয় শর্করা ও চর্বিযুক্ত খাবার খেলে। ভাত যত বেশি খাবেন, তত মুটিয়ে যাবেন। ডিম খেলে মুটিয়ে যাবেন না। মাংস নির্বাচনের ক্ষেত্রে চর্বিবিহীন মাংস বা চর্বি কম এমন মাংস যেমন-মুরগির মাংস খান। প্রচুর সামুদ্রিক মাছ খান। মাছে অনেক উপকারী অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, খনিজ ও রোগ প্রতিরোধক উপাদান থাকে। তবে রেডমিট পরিহার করতে হবে।

নিয়মিত মৌসুমি ফল-ফলাদি খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আপেলের চেয়ে আমাদের দেশে উৎপাদিত পেয়ারার পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। বর্তমানে সারা বছর পেয়ারা পাওয়া যাচ্ছে। পেয়ারার দামও হাতের নাগালে। তাছাড়া এগুলো ব্যাগিং প্রযুক্তিতে উৎপাদিত হওয়ায় সম্পূর্ণ নিরাপদ। আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, কুল, মাল্টা (দেশি), পেঁপে ইত্যাদি দেশি ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বিদেশি ফলের পরিবর্তে মৌসুমের সময় বেশি বেশি দেশি ফল খান। তাছাড়া টমেটো ও গাজর সবজি দুটি অত্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ ও দেহের জন্য উপকারী। এগুলো দেহে ক্যানসার সেল তৈরিতে বাধাদান করে। গাজরের বিটাক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এ ছাড়া আমলকী, জলপাই, তেঁতুল এসব দেশীয় ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ।

বিভিন্ন মাদক, ধূমপান, জর্দা, গুল থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। নিকোটিন বিষের আঁধার। তামাক আমাদের উচ্চরক্তচাপ, অ্যালার্জি, ক্যানসারসহ বহু রোগে ভোগাবে। বেশি তৈলাক্ত ও লবণাক্ত খাবার থেকে বিরত থাকুন। খাবারের সময় কাঁচা লবণ গ্রহণ করা উচিত নয়। এতে উচ্চরক্তচাপের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া পেঁয়াজু, পুড়ি, বুইন্দা, চিকেনফ্রাইসহ বিভিন্ন ধরনের ফ্রাইড/ফাস্টফুড আইটেম গ্রহণ হতে বিরত থাকুন। এসব খাবার যে তেল দিয়ে ভাজা হয়, অধিক তাপে এ তেলের গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে এসব খাবার গ্রহণে তাৎক্ষণিক বমি, ডায়রিয়া বা দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারে রূপ নিতে পারে। রান্নায় সম্ভব হলে অলিভ অয়েল বা সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করুন। তাছাড়া দেশীয় সরিষার তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি অতি অল্প পরিমাণে রান্নায় ব্যবহার করতে হবে। বর্তমানে ইরোসিক এসিডমুক্ত সরিষার জাত উদ্ভাবিত হয়েছে; ফলে এ ধরনের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন, বারবার তাপে ফুটন্ত তেল পরে রান্নায় ব্যবহার করা উচিত নয়।

বিভিন্ন কোমলপানীয়/সফটড্রিংকস ও এনার্জি ড্রিংকস গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। সফটড্রিংকসে মাত্রাতিরিক্ত চিনি ব্যবহৃত হয়, যা দাঁত ও প্যানক্রিয়াসের জন্য ক্ষতিকর। এর পরিবর্তে ডাবের পানি বা লাল চা পান করুন। আখের রস ও দেশি আখের
ফুটন্ত তেল পরে রান্নায় ব্যবহার করা উচিত নয়।

বিভিন্ন কোমল পানীয়/সফট ড্রিংকস ও এনার্জি ড্রিংকস গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। সফট ড্রিংকসে মাত্রাতিরিক্ত চিনি ব্যবহৃত হয়, যা দাঁত ও প্যানক্রিয়াসের জন্য ক্ষতিকর। এর পরিবর্তে ডাবের পানি বা লাল চা পান করুন। আখের রস ও দেশি আখের গুড় বা চিনি গ্রহণ করা নিরাপদ, তবে পরিমিত খেতে হবে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিষ্টিজাতীয় খাবার গ্রহণের মাত্রা কমিয়ে দিতে হবে। ভাতের চাল নির্বাচনে সম্ভব হলে ঢেঁকি ছাঁটা লাল চাল, জিংক বা আয়রন সমৃদ্ধ চাল, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কম জিআই (Glycemic Index) সমৃদ্ধ চাল খেতে পারেন। আর দেশীয় গম সরাসরি ভাঙিয়ে আটা প্রস্তুত করে নিতে পারলে অনেকাংশে ভেজালমুক্ত থাকা সম্ভব।

রাতে কম খেতে হবে। গভীর রাতে খাওয়া পরিহার করুন। খাওয়ার পরপরই শোয়া যাবে না। খাবার পর একটু হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। রাত জাগা বা অধিক রাতে ঘুমানো এবং দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা পরিহার করুন। উপযুক্ত বিশ্রাম এবং পর্যাপ্ত ঘুম হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ঘটিয়ে সুস্থ জাতি ও উন্নত দেশ গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অটুট থাকুক, এটাই প্রত্যাশা।

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বাঙালির  ঐতিহ্যবাহী খাবার 'দই'।  যা আমাদের ওজন কমানোর মতো জরুরী কাজগুলো করে থাকে ।  খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজ...
09/08/2021

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার 'দই'। যা আমাদের ওজন কমানোর মতো জরুরী কাজগুলো করে থাকে । খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত এই পদ নিয়মিত রাখলে বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা পাওয়া যাবে।

দধি বা 'দই' হল এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাক্টেরিয়ার গাঁজন থেকে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়।
মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে। পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে দই সারা পৃথিবীতেই সুপরিচিত । দই প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্ল্যাভিন, ভিটামিন B6 এবং ভিটামিনB12 এ অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
অনেকেরই ধারণা 'টক দই' আর মিষ্টি দই সম উপকারী, কিন্তু এই ধারণা ঠিক নয়। সামান্য হলেও ফারাক রয়েছে। 'টক দই' এর মতোই দুধের ফার্মেন্টেশন ঘটিয়ে প্রায় একই পদ্ধতিতে মিষ্টি দই তৈরি করা হয়। চিনি থাকে বলে মিষ্টি দই অনেকের পছন্দ। কিন্তু সেদিকে বিশেষ না ঝোঁকাই ভালো। এতে ক্যালোরি বাড়ার ঝুঁকি থাকে। চেষ্টা করতে হবে ফ্যাট ও সুগার ফ্রি দই খাওয়ার। অনেকের হজম প্রকৃয়ায় মিষ্টি দই সমস্যার কারণ হতে পারে।
রান্না থেকে রূপচর্চা পর্যন্ত টক দইয়ের ব্যবহার সর্বত্র। 'টক দই' হলো প্রোবায়োটিক। এর মধ্যে দুটি উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। ল্যাক্টো ব্যাসিলাস ও বাইফিডো। এই দুটি ব্যাকটেরিয়াই শরীরের পক্ষে ভালো। শরীরে কোনও জীবানু অনুপ্রবেশ করলে তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে দেহকে সুরক্ষা দেয় এই ব্যাকটেরিয়া। টক দই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এবং ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকার কারণে হাড় ও দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
১০০ গ্রাম টক দই এ প্রোটিনের মাত্রা অনেকাংশে।

* ৯-১০ গ্রাম (%) প্রোটিন
* ফ্যাট প্রায় ৫.৪ গ্রাম (%)
* ৪.৩ গ্রাম (%) পরিমান কার্বোহাইড্রেট
* বেশ কিছু ভিটামিন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বি ১২ এবং বি ২,
* মিনারেলের মধ্যে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক উল্লেখযোগ্য। গুরুত্বপূর্ণ হল দইয়ে থাকা পটাশিয়ামের পরিমান সোডিয়ামের চেয়ে বেশি।

'টক দই' এর বিশেষ উপকারিতা ----

✔️ হজমে সহায়ক: দই খাবার হজম করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ব্যাকটিরিয়া হজম-সহায়ক ভূমিকা নিয়ে থাকে। সেই কারণে বহু প্রাচীন যুগ থেকে পাতের শেষে দই খাওয়ার প্রচলন আছে।

✔️ ত্বক ভাল রাখে: দই আমাদের ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। এর ফলে ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল থাকে এবং ত্বক মসৃণ হয়। অনেকে মুখে হলুদ কিংবা লেবু মেশানো দই মাখেন। তার ফলে দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষকে সরিয়ে দিয়ে ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে এবং ত্বকের আসল রঙ ফিরিয়ে দেয়। এই কারণে সৌন্দর্য রক্ষায় দইয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রাচীন যুগ থেকেই সৌন্দর্য রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে দইয়ের ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই বিউটিশিয়ানরা দই'কে ‘বিউটি মাস্ক’ হিসেবে গণ্য করেন।

✔️ চুলের পরিচর্যায়: খুশকি কমিয়ে দই চুলকে ভাল রাখে। সে কারণে অনেকে মাথায় দই মেখে থাকেন।

✔️ রক্তচাপ কমায়: পটাশিয়াম মিনারেল এর একটি বিশেষ ক্ষমতা হল রক্তচাপ কমানো। অন্যদিকে সোডিয়াম এর বৈশিষ্ট্য হল রক্তচাপ বাড়ানো। পটাশিয়াম রক্তে সোডিয়ামের শোষণ কমিয়ে দেয়। যেহেতু দইয়ে পটাশিয়ামের পরিমান যথেষ্ট, তাই দই খেলে রক্তচাপ কমে। অন্যদিকে সোডিয়ামের কম শোষণ ঘটিয়ে এরা সোডিয়ামকে সেভাবে কার্যকর হতে দেয় না। সব মিলে রক্তচাপ কমে।

✔️ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে: দই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। কিছু অন্তর্নিহিত মেকানিজমের সাহায্যে দই কোলেস্টরলকে স্বাস্থ্যকর মাত্রায় রাখতে সাহায্য করে।
✔️ 'টক দই' রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর উপস্থিতির কারণে হাড় এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।

বিশেষ লক্ষনীয় ঃ
✖️ প্রতিদিন ১৫০ গ্রামের উপর টক দই না খাওয়া উত্তম।
✖️ যাদের ঠান্ডা জনিত সমস্যা আছে, তাদের সন্ধ্যার পর দই না খাওয়াই ভাল। কারণ আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে সূর্য ডোবার পর দই খেলে শরীরের ভিতর মিউকাস জমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সর্দি-কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এবং হজমের সমস্যাও হতে পারে।
✖️ বাজারে যে প্রচলিত 'টক দই' আছে তার অধিকাংশ অতি নিম্নমানের পাউডার মিল্ক দিয়ে তৈরি হয়, আবার কেউ কেউ ময়দা মিক্সড করেও দই প্রস্তুত করে। অত:পর বিশ্বস্ত, সুপরিচিত জায়গা থেকে ক্রয় করা উচিৎ।
✖️ ফ্রিজে ৪°-৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এক সপ্তাহ পর্যন্ত দই ভালো থাকে। দই এর গাঁয়ে উৎপাদন এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যতো লম্বা থাকুক, উৎপাদন থেকে সাত দিন পর দই না খাওয়াই উত্তম।
"টক দই" আমাদের নিত্যদিনের খাদ্য তালিকার অংশ থাকুক, প্রত্যাশায়-- "ধারাপাত বিডি"।

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আর এই মহামারী করোনাকালীন সময়ে রোগ প্রতিরোধের  প্রয়োজন...
30/07/2021

শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আর এই মহামারী করোনাকালীন সময়ে রোগ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা আমাদের কাছে অপরিসীম। হঠাৎই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা অসম্ভব। অত:পর প্রচলিত খাবার দাবার এবং নিয়মনীতি থেকে একটু ভিন্ন পথে হাটতে হবে। বিশেষ করে খাদ্য তালিকায় কিছু যোগ বিয়োগ করলেই, আমাদের আপনজন নিয়ে সুস্থ এবং সুন্দর জীবন যাপন করতে পারি।
রান্নায় অথবা অ-ভোজ্য উদ্দেশ্যে সরিষার তেল ব্যবহার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আশ্চর্যজনকভাবে কাজ করে। সরিষার তেল ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এটি স্বাস্থ্যগত সুবিধায় পূর্ণ।
সরিষার তেলে আছে মনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড (এমইউএফএ), যা দেহে স্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।
সরিষার তেল আলফা-লিনোলেনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যাতে আমাদের কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যকে রক্ষা করে।
সরিষার তেলের অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এটি ক্ষতিকারক সংক্রমণ থেকে হজমশক্তিকে রক্ষা করে।
সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩, ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ই শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর মান সরবরাহ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
লোহিত রক্তকণিকা শক্তিশালী করে প্লাজমা, কোষের লিপিডস এবং কোষের ঝিল্লির উপাদান হিসাবে বিভিন্ন জৈবিক ক্রিয়াকলাপ সম্পাদনের জন্য আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চর্বিগুলোর একটি প্রধান উৎস সরিষার তেল। এই তেল কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে এবং লোহিত রক্তকণিকার ঝিল্লি গঠনের উন্নতি করে।
সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩ আর্থ্রাইটিসের কারণে সৃষ্ট ব্যথা কমাতে সহায়তা করে।
ইনশাআল্লাহ আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম উৎস হিসেবে সরিষার তেল হোক দৈনন্দিন খাবারের অংশ।
বিঃদ্রঃ - ফিল্টার ছাড়া সরিষা তেলে ইউরিক অ্যাসিড এর আধিক্য থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

Address

Mirpur 12, Dhaka
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dharapat bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share