TAMP Collection's

TAMP Collection's আমি/আমরা চাচ্ছি আপনার কাছে ভালো এবং অঅথেনটিক প্রোডাক্ট পৌছে দিতে?

"হোয়াট দ্য রং উইথ ইউ ম্যান!" - আজকের জেনারেশন ঠিক কোথায় গিয়ে ঠেকছে? একটা ভিডিও দেখে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে একরাশ দুশ্চিন্তা...
07/04/2026

"হোয়াট দ্য রং উইথ ইউ ম্যান!" - আজকের জেনারেশন ঠিক কোথায় গিয়ে ঠেকছে? একটা ভিডিও দেখে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে একরাশ দুশ্চিন্তা।

ঘটনাটা সংক্ষেপে বলি... এক বাবা তার ছেলেকে নিয়ে বই কিনতে এসেছেন। বাইকটি ভুল জায়গায় পার্কিং করায় মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট যখন কাগজপত্র দেখতে চাইলেন, তখনই শুরু হলো ছেলেটির 'আধুনিকতা'র প্রদর্শনী। কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে উচ্চস্বরে ইংরেজিতে তর্ক করছে- "হোয়াট দ্য রং উইথ ইউ ম্যান!" শুধু তাই নয়, সাথে থাকা নারী পুলিশ কর্মকর্তার সাথেও চরম অশোভন আচরণ করল ছেলেটি।

সবচেয়ে কষ্টের দৃশ্যটা ছিল এর পরেই...
ছেলের এই বেয়াদবি দেখে বাবা পরিস্থিতি সামাল দিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দুহাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছেন। যে বাবা আঙুল ধরে তাকে হাঁটতে শিখিয়েছেন, আজ সেই বাবাকেই মানুষের সামনে মাথা নিচু করে ছেলের হয়ে মাফ চাইতে হচ্ছে।

অথচ ছেলেটি? সে তখনও পাথরের মতো গম্ভীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নিজের বাবার এই অপমান দেখেও তার মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই, একটা 'সরি' পর্যন্ত তার মুখ দিয়ে বের হলো না।

আমার প্রশ্ন এখানে তিনটি:
১. জেন জি (Gen Z) বা আধুনিক হওয়া মানেই কি বড়দের সম্মান করতে ভুলে যাওয়া?
২. ইংরেজিতে দুই-চার কলম কথা বলতে পারা কি আমাদের বিনয়কে গিলে খাচ্ছে?
৩. সন্তানকে দামি বাইক আর গ্যাজেট তো দিচ্ছেন, কিন্তু 'মানুষের মতো মানুষ' হওয়ার শিক্ষাটা কি আমরা দিতে পারছি?

একজন বাবার যখন তার সন্তানের কর্মের জন্য সবার সামনে হাত জোড় করতে হয়, তখন সেটা শুধু ওই বাবার পরাজয় নয়, সেটা পুরো সমাজের পরাজয়। পারিবারিক শিক্ষা কি আজ হার মেনে যাচ্ছে এই মেকি আভিজাত্যের কাছে?

ভিডিওটি দেখার পর নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করলাম,
আমরা আমাদের সন্তানদের কোন পথে নিয়ে যাচ্ছি?

গাইস আমাদের দেশের সাংবাদিকরা চিপায় চা-পা-য় ভিডিও করার ওস্তাদ।। আজকে Rs ফাহিম চৌধুরীকে আ--দা--ল--তে তোলা হয়েছিল।। Rs ফাহি...
07/04/2026

গাইস আমাদের দেশের সাংবাদিকরা চিপায় চা-পা-য় ভিডিও করার ওস্তাদ।। আজকে Rs ফাহিম চৌধুরীকে আ--দা--ল--তে তোলা হয়েছিল।।

Rs ফাহিম চৌধুরীর উকিল এক পুলিশকে চিপায় নিয়ে টা-কা দিচ্ছিলো যাতে ফাহিম কে জে--লে--র ভিতর বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়।। দেয়ালের ওপারে দাঁড়িয়ে পুলিশ আর উকিল ডিল করছে।। উকিল পুলিশের হাতে টাকা গুঁজে দিচ্ছে।। দেয়ালের গায়ে আবার বড় এক্কান ছিদ্র।। ওই ছিদ্র দিয়া সাংবাদিক ভাই আকাম খানা ঘটিয়ে ফেলেছে।।

ওই ছিদ্র দিয়া ভিডিও ধারণ কইরা ফালাইছে।। তারপর উকিল আর পুলিশ দেখতে পাইছে যে ভিডিও করছে।। তারপর দুইজনের মুখের রিয়াকশন টা জাস্ট দেখুন।। কতো ইনোসেন্ট লুক।। আ-কা-ম কইরা ধরা খাওয়ার পর মানুষ যেই লুক দেয়।।

হা-লা-রা চু-ড়ি-ডা ও ভালো কইরা করতে জানেনা।। কোথাও শান্তি নাই চিপায় চা-পা-য় ও ক্যামেরা ভাই হাসতে হাসতে খাট থেকে পড়ে গেছি ওদের মুখ খানা দেখে।। সত্যি ফাহিম চৌধুরীর জন্য দয়া হচ্ছে, ওই বেডা এই মাথা মোটা উকিল বেডারে দিয়া কে/স জিতে বাহিরে বের হবে ভাবছে।। আরে বেডা বিদেশে ভালো আছিলি দেশে কার বুদ্ধিতে মা// রা খাইতে আসলি।। 🤣🤣
#উকিল

মাশাল্লাহ জীবনের গল্প কখনো কখনো সত্যিই মিরাকেলকেও হার মানায়…সিলেটের ব্যস্ত রাস্তায়, গাড়ির হর্ন আর মানুষের ভিড়ের মাঝে...
05/04/2026

মাশাল্লাহ জীবনের গল্প কখনো কখনো সত্যিই মিরাকেলকেও হার মানায়…

সিলেটের ব্যস্ত রাস্তায়, গাড়ির হর্ন আর মানুষের ভিড়ের মাঝে ছোট্ট এক মেয়ে—ফাইজা। হাতে কয়েকটা ফুল, চোখে অজানা স্বপ্ন। প্রতিদিন রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, পথচারীদের সামনে দাঁড়িয়ে বলতো—
“একটা ফুল নিবেন?”

কিন্তু কেউ জানতো না, এই ফুল বিক্রি করা ছোট্ট মেয়েটার নিজের জীবনটাই কতটা কাঁটার মতো কঠিন ছিল।

ফাইজার থাকার কোনো ঠিকানা ছিল না। রাত নামলে রাস্তার কোনো এক কোণে, কখনো ফুটপাতের ধারে, কখনো কোনো দোকানের সামনে গুটিসুটি মেরে ঘুমিয়ে পড়তো সে। পাশে থাকতো শুধু তার নানী - এই পৃথিবীতে তার একমাত্র আপন মানুষ।
নানীর হাত ধরেই বড় হচ্ছিলো ফাইজা। কিন্তু মাথার ওপর একটা ছাদ - সেটাও ছিল না তাদের।

তবুও ফাইজার চোখে স্বপ্ন ছিল। সে পড়তে চায়, মানুষ হতে চায়। কিন্তু সেই স্বপ্ন যেন বাস্তবের কাছে বারবার হার মানছিল।

ঠিক তখনই, ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়।

সিলেটের বিশিষ্ট দানবীর ফাহিম আল চৌধুরীর নজরে আসে ছোট্ট ফাইজার গল্প। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও যেন এক মুহূর্তেই বদলে দেয় ফাইজার জীবন।

তিনি ঘোষণা দেন—
আজ থেকে ফাইজার সব দায়িত্ব তার।
ফাইজার জন্য থাকবে একটা নতুন ঘর, নিরাপদ আশ্রয়।
আর সবচেয়ে বড় কথা—তার পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্বও তিনি নিজে নেবেন।

যে মেয়েটা প্রতিদিন ফুল বিক্রি করে দিন কাটাতো, সেই ফাইজাকে আর রাস্তায় দাঁড়াতে হবে না।
যে মেয়েটা ফুটপাতে ঘুমাতো, তার এখন নিজের একটা ঘর আছে।

সেই মুহূর্তে ফাইজার নানী আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। আনন্দে কাঁদছিলেন তিনি। চোখের পানি যেন বলে দিচ্ছিল—এটা শুধু সাহায্য নয়, এটা একটা নতুন জীবনের শুরু।

ফাইজা লাজুক হেসে বললো—
“আমি লেখাপড়া করতে চাই…”

তার চোখে তখন আর কষ্টের ছাপ নেই, আছে শুধু স্বপ্ন… আর একরাশ আনন্দ।

আসলেই, আবারো প্রমাণ হলো—সিলেটের মানুষের মন অনেক বড়।
একটা ছোট্ট উদ্যোগ, একটা সহানুভূতি—কিভাবে একটা জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে, ফাইজার গল্প তারই জীবন্ত উদাহরণ।

জীবনের গল্প কখনো কখনো সিনেমাকেও হার মানায়… আর মিরাকেল? সেটাও যেন এখানে হার মানে।

❤️

#ফাইজা #ফুলবিক্রেতা
#ফাহিমআলচৌধুরী

তারপরও কিছু বাচ্চা 🐖 ময়লা ফেলেছে।স্থান: চিটাগাং রোড
01/04/2026

তারপরও কিছু বাচ্চা 🐖 ময়লা ফেলেছে।

স্থান: চিটাগাং রোড

29/03/2026
মার্কিন ঘাঁটি থেকে তাদের সব সেনা তুলে নিল ইতালি। ইতালি এই যু-% দ্ধে যাবে না!কারণ এটা অন্যায় যু-% দ্ধ, ইরানে আ #ক্রম*ণ কর...
26/03/2026

মার্কিন ঘাঁটি থেকে তাদের সব সেনা তুলে নিল ইতালি। ইতালি এই যু-% দ্ধে যাবে না!

কারণ এটা অন্যায় যু-% দ্ধ, ইরানে আ #ক্রম*ণ করার অধিকার আমাদের নেই।

প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি!

রেসপেক্ট ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে!

উনি ১৬ হাজার টাকার আইর মাছ কিনে রান্না করে রেখেছেন কারণ উনার মেয়ে, জামাই আর দুই নাতি বাড়ি এসে খাবে। কিন্তু সেই খাওয়া যে ...
26/03/2026

উনি ১৬ হাজার টাকার আইর মাছ কিনে রান্না করে রেখেছেন কারণ উনার মেয়ে, জামাই আর দুই নাতি বাড়ি এসে খাবে। কিন্তু সেই খাওয়া যে তাদের ভাগ্যে ছিল না।

বড় নাতির বয়স ৪ ছোট নাতির ৮ মাস। বড় নাতি নদী দেখার বায়না করায় বাবা বাচ্চাকে নিয়ে বাস থেকে নামতেই বাসটি নদীতে পড়ে যায়। বউ আর ৮ মাসের বাচ্চা বাসেই থেকে যায়।

হয়তো পরিবারের ৪ জনই এই দুর্ঘটনার শিকার হতে পারতেন। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছায় বেঁচে গেল বাবা আর বড় শিশুটি। কিন্তু এটা তাদের সৌভাগ্য বলবো নাকি দুর্ভাগ্য বুঝতেছি না!!

চোখের সামনে স্ত্রী সন্তানের এমন চলে যাওয়া কখনো কি ভুলা সম্ভব? 💔

- কানিজ তন্বী

Tel Aviv—একটি শহর, যা আধুনিকতা, প্রযুক্তি আর ব্যস্ত জীবনের প্রতীক। কিন্তু কখনো কখনো প্রকৃতি এমন কিছু দৃশ্য দেখায়, যা মান...
26/03/2026

Tel Aviv—একটি শহর, যা আধুনিকতা, প্রযুক্তি আর ব্যস্ত জীবনের প্রতীক। কিন্তু কখনো কখনো প্রকৃতি এমন কিছু দৃশ্য দেখায়, যা মানুষকে থামিয়ে দেয়, ভাবতে বাধ্য করে।

সাম্প্রতিক সময়ে এই শহরের আকাশে হাজারো কাকের ঝাঁক ভেসে বেড়ানোর দৃশ্য অনেকের মনে অদ্ভুত এক শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। কাক—যে পাখিটিকে আমরা বহু সংস্কৃতিতে অশুভ সংকেত, পরিবর্তনের দূত, বা অজানা বিপদের পূর্বাভাস হিসেবে দেখি—হঠাৎ করে এত সংখ্যায় একত্র হওয়া কি শুধুই প্রকৃতির খেলা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো গভীর বার্তা?

অদ্ভুত দৃশ্য, অদ্ভুত অনুভূতি

সন্ধ্যার আকাশে যখন সূর্য ডুবে যায়, তখন কালো ছায়ার মতো কাকের দল শহরের উপর ঘুরপাক খায়। নিচে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের কাছে দৃশ্যটা শুধু একটা প্রাকৃতিক ঘটনা নয়—এটা যেন এক ধরনের নীরব সতর্কবার্তা।

কেউ বলছে, এটা পরিবেশগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত। কেউ মনে করছে, হয়তো কোনো বড় বিপর্যয়ের আগে প্রকৃতি নিজেই সংকেত দিচ্ছে। ইতিহাসে এমন অনেক ঘটনার আগে পশুপাখির অস্বাভাবিক আচরণের কথা শোনা গেছে।

প্রকৃতি কি সত্যিই আগে থেকে জানায়?

বিজ্ঞানীরা বলেন, অনেক প্রাণী মানুষের চেয়ে আগে পরিবেশের সূক্ষ্ম পরিবর্তন বুঝতে পারে। ভূমিকম্প, ঝড় বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে তারা অস্থির হয়ে ওঠে।

তাহলে প্রশ্ন আসে—এই কাকগুলো কি শুধুই খাদ্যের খোঁজে এসেছে, নাকি তারা এমন কিছু টের পাচ্ছে যা আমরা এখনও বুঝতে পারিনি?

আসল কথা হলো—প্রকৃতি কখনো হঠাৎ করে কিছু করে না। প্রতিটি ঘটনার পেছনে থাকে কারণ, যুক্তি, এবং একটি চক্র।

একটি গভীর উপলব্ধি:

হয়তো এই দৃশ্য কোনো মহাবিপর্যয়ের পূর্বাভাস নয়। হয়তো এটা আমাদের জন্য একটি স্মরণ করিয়ে দেওয়া—
আমরা প্রকৃতির অংশ, কিন্তু আমরা তাকে বুঝতে শিখিনি।

কাকের সেই কালো মেঘের মতো উড়ান যেন আমাদের বলে—
“তোমরা ব্যস্ত তোমাদের পৃথিবী নিয়ে, কিন্তু প্রকৃতি তার নিজস্ব ভাষায় কথা বলে যাচ্ছে।”

দৌলতদিয়ায় নদীতে যাত্ৰীবাহী ডুবির ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া খাইরুল ইসলাম খা জানান, জীবন  বাঁচাতে মাত্র ৫ সেকেন্ড সময় ...
26/03/2026

দৌলতদিয়ায় নদীতে যাত্ৰীবাহী ডুবির ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া খাইরুল ইসলাম খা জানান, জীবন বাঁচাতে মাত্র ৫ সেকেন্ড সময় পেয়েছিলেন তিনি|
বাসটি ডুবে যাওয়ার মুহূর্তে কীভাবে তিনি নদীতে ছিটেকে পড়লেন, এবং সাথে সাথে ডুবে গেছেন। তা তার জানা নেই| নদী সাঁতরে ডাঙায় ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এক উদ্ধারকারী তার হাতের মোবাইলিটি ছিনিয়ে নেন|
সেটি আর ফেরত পাননি| তবে মোবাইল গেলেও বেঁচে ফিরতে পেরে শুকরিয়া আদায় করছেন খাইরুল।
খাইরুল আরও জানান, দুৰ্ঘটনার পর তার পাশের আসনের যুবকের সঙ্গে আর দেখা হয়নি| তিনি জানান, বাসের প্রায় প্রতিটি সিটেই যাত্রী ছিলেন| প্ৰত্যেক নারী যাত্রীর সঙ্গে শি/শু ছিল| ছিটে বসে থাকা কমপক্ষে ৪০ জন নারী ও শিশু ডু/বে যাওয়া বাসের মধ্যে আটকা পড়েছিল| তিনি জানান, বাসট চালক নিজই চালাচ্ছিলেন।
খাইরুল একটি টেক্সটাইল মিলের ম্যাশিনম্যান হিসেবে চাকরি করেন| ঈদের ছুটিতে তিনি বাড়ি এসেছিলেন| ছুটি শেষে তিনি কর্ম শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন।
তিন জানান, বাসটিতে তিনি বি-২ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন| তার পাশের সিটের যাত্রী সাদা টি-শার্ট পরা যুবক খোকসা স্ট্যান্ড থেকে উঠেছিলেন| তাদের বাস ফেরিঘাটে পৌঁছানোর পর পাশের সিটের যুবক নেমে যান|
কয়েক মিনিট পর আবার সিটে ফিরে আসেন| খাইরুল তাকে বসতে দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ান| এ সময় তাদের বাসটি ফেরিতে ওঠার চেষ্টা করছিল| হঠাৎ ঝাঁকুনি লাগে| তিনি বাসের দরজা দিয়ে ছটেকে গিয়ে নদীর পানিতে পড়েন|
খাইরুল ইসলাম খাঁ খোকসা উপজেলার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের মৃত কুদ্দুস খাঁর ছেলে| এ ঘটনায় বাসচালক আরমান খানের লা)শ উদ্ধার হলেও ঘটনার সময় চালকের সহকারী ও সুপারভাইজার বাইরে থাকায় বেঁচে গেছেন|
বুধবার (২৫ মার্চ) বেলা আড়াইটায় কুমারখালী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের (রাজবাড়ী ব ১১-০০২৪ নম্বর) যাত্ৰীবাহী বাসটি খোকসা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর পর খাইরুল ইসলামসহ দুজন যাত্রী বাসটিতে ওঠেন বলে কাউন্টার মাস্টার জানান|

25/03/2026

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মা নদীতে: শিশু ও নারীসহ নিখোঁজ ৪০-এর অধিক যাত্রী

25/03/2026

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস পদ্মা নদীতে: শিশু ও নারীসহ নিখোঁজ ৪০-এর অধিক যাত্রী Part 6

Address

Narayanganj
1400

Telephone

+8801619430721

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TAMP Collection's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TAMP Collection's:

Share

Category