04/03/2023
“অমৃত সুধা” শব্দটির তাৎপর্য এখন মানুষ প্রায় ভুলেই গেছে।
শব্দটি সর্বকালের সর্বোত্তম পানীয় রুহ্ আফজার ক্ষেত্রেই একমাত্র প্রযোজ্য। রুহ্ আফজা এমনই একটি টকটকে লাল বর্ণের পানীয় যা শতাব্দীব্যাপী সুস্বাদু, প্রশান্তিদায়ক ও সতেজকারক পানীয় হিসেবে সারা বিশ্বের মানুষের মন জয় করেছে। সেই ১৯০৭ সাল থেকে রুহ্ আফজা উৎপাদন ও বাজারজাত চলছে। বর্তমানে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে রুহ আফজা উৎপাদন এবং বিশ্বব্যাপী বাজারজাত চলছে। রুহ্ আফজা গোলাপ, ধনিয়া, গাজর,আনারস, তরমুজসহ মূল্যবান ফল, ফুল ও ওষুধী উদ্ভিদের চমৎকার সমন্বয়ে প্রস্তুত এক অনন্য পানীয়। আপনি রৌদ্রোজ্জ্বল দুপুরের প্রচন্ড গরমে বরফ শীতল পানিতে এক চুমুক রুহ্ আফজা পান করলেই অনুভব করবেন রুহ্ আফজা কতটা সুস্বাদু, প্রশান্তিদায়ক ও আনন্দদায়ক পানীয়। রুহ্ আফজা তাৎক্ষণিকভাবে আপনার হারানো শক্তি ফিরিয়ে দিবে এবং মুহূর্তে করবে চাঙ্গা।
সূত্র: সেভার ম্যাগাজিন, নিউইয়র্ক, আমেরিকা
রুহ্ আফজা নিম্নলিখিত সমস্যায় কার্যকরী ও নিরাপদ -
✔ তীব্র পানি পিপাসা দেহ দুর্বল
✔ অবসন্ন ও অস্থিরতা বুক ধরফড় করা
✔ অনিয়মিত হৃদস্পন্দন
✔ মাথা ঘোরা, মাথা ঝিম ঝিম করা
✔ বমি ও বমি ভাব
✔ নিস্তেজ হয়ে পড়া
✔ প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া
✔ ত্বকের হারানো লাবণ্যতা ও সতেজতা ফিরাতে অত্যন্ত কার্যকারী
রুহ আফজা বাজারে প্রচলিত কার্বনেটেড জাতীয় পানীয়ের চাইতে নিরাপদ ও উপকারী । কার্বনেটেড
জাতীয় পানীয়তে থাকে ক্যাফেইন নামক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ যা দীর্ঘদিন সেবনে হৃদরোগ,
আসক্তি সৃষ্টি এবং মানব ভ্রূণের ক্ষতিসহ নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি করে। পক্ষান্তরে রুহ্ আফজা
শরবত সেবনে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না ।
রুহ্ আফজায় ব্যবহৃত উপাদান সমূহে ভিটামিন এ, বি১, বি৬, সি, ডি, ই যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যমান
রয়েছে যা শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে। ভিটামিন ও বায়োফ্লাভোনয়েডস্ জাতীয়
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় দেহে প্রতিনিয়ত সৃষ্ট ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যালসমূহকে ধ্বংস করে দেহকে
রোগমুক্ত রাখে। অত্যাবশ্যকীয় তেলসমূহ স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা সুসংহত রাখে। খনিজ পদার্থ
যথা-আয়রণ, পটাসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সালফার, ফসফরাস ইত্যাদি মানব দেহের জন্য অতীব
প্রয়োজনীয় ।