30/11/2025
শোনো মেয়েরা!
এই যে তোমার মন খারাপ হওয়া, কষ্ট পাওয়া, কান্না করা এগুলো আল্লাহর কাছে নরমাল কোনো বিষয় না। কিছু আয়াত দেখেছি যেখানে আল্লাহ নারীদের এই মনের কষ্ট থেকেই সান্ত্বনা দিতে সরাসরি আয়াত নাজিল করেছিলেন।
মুসা (আ:) এর মা যখন তাকে বক্সে ভরে নদীতে ছেড়ে দিয়েছিলেন তখন আল্লাহ তাকে সরাসরি সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, ভয় করোনা এবং দুঃখও করোনা। পরের আয়াতে আল্লাহ আবার তার ব্যাপারে বললেন, আমি তাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলাম, যাতে তার চোখ জুড়ায় এবং সে যেন কোন দুশ্চিন্তা না করে। সূরা কাসাস)
সূরা মারিয়ামেও এক আয়াত আছে, যখন মারিয়াম (আঃ) একা প্রসব বেদনায় কষ্ট পাচ্ছিলেন, ওই মুহূর্তে কেউ ছিল না তাঁর পাশে। তখনও আল্লাহ সরাসরি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, ও মারিয়াম! দুঃখ করোনা।
আরেক নারী, যিনি বিখ্যাত কেউ ছিলেন না। বয়স হয়ে গিয়েছিলো তার। এই বুড়ো বয়সে এসে তার স্বামী তাকে মায়ের সাথে তুলনা করে ফেললেন। তখন এমন হলে নারীরা আর ওই স্বামীর সাথে সংসার করতে পারতেন না। রাসূল (সাঃ) এর কাছে এসে খুব হা-হুতাশ করছিলেন এই নারি। আল্লাহ সাথে সাথে তার ব্যাপারে আয়াত নাজিল করেছিলেন। কাফফারার মাধ্যমে বিষয়টার সমাধান দিয়েছিলেন।
এরপর সূরা লোকমানে আরেক আয়াত পড়লাম যেখানে আল্লাহ বলেছেন, আমিতো মানুষকে তার মাতাপিতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। মা সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মাতাপিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। এখানেও শুধু মায়ের ব্যাপারটা আল্লাহ এত সুন্দর করে এক্সপ্লেইন করলেন।
অতএব, শোনো মেয়েরা!
যদি তোমার মন ভারী লাগে, রাতে চুপিচুপি চোখ ভিজে যায় তাহলে জেনে রাখো, তোমার কষ্ট আল্লাহ দেখছেন। তোমার চোখের পানি তাঁর কাছে অমূল্য। আল্লাহ তোমাকে ভুলে যাননি।
তিনি সব জানেন, সব শুনছেন শুধু একটু ধৈর্য ধরো। নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে।
-সংগৃহীত