Vokta songgha narayangonj,,

Vokta songgha narayangonj,, Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vokta songgha narayangonj,,, Grocers, Narayanganj.

02/09/2024

এক সময় ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ ও বলরামকে দৰ্শনের উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষের শ্রেষ্ট মুনি - ঋষিরা কুরুক্ষেত্ৰে এসে উপস্থিত হলেন । কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস , দেবর্ষি নারদ , চ্যবন , দেবল , অসিত , বিশ্বামিত্ৰ , সতানন্দ , ভরদ্বাজ , গৌতম এবং সশিষ্য পরশুরাম ছিলেন তাদের মধ্যে প্ৰধান । তা ছাড়া বশিষ্ঠ , গালব , ভৃহু, পুলস্তা , কশ্যপ , অত্ৰি , মাৰ্কণ্ডেয় , বৃহস্পতি , দ্বিত , ত্ৰিত , একত , ব্ৰহ্মার চার পুত্ৰ — সনক , সনন্দন , সনাতন ও সনৎকুমার , আঙ্গিরা , আগস্ত্য , যাজ্ঞবল্ক্য এবং বামদেবও সেখানে উপস্থিত ছিলেন ।

এইসব বিশ্ববন্দিত মুনি - ঋষির উপস্থিত হওয়া মাত্ৰই মহারাজ যুধিষ্ঠির ও অন্যান্য পাণ্ডবগণ , ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ ও বলরাম সহ সকল রাজন্যবর্গ তাদের আসন ত্যাগ করে , অবনত মস্তকে তাদের প্রতি শ্ৰদ্ধা জনালেন । এরপর আসন দান করে মুনি ঋষিদের পাদপ্ৰক্ষালন করে তাদের যথাযথভাবে স্বাগত জানান হল ।

কৃষ্ণ ও বলরামের নেতৃত্বে সকল রাজারা সুগন্ধি ফুলমালা , চন্দন ও উপাদেয় ফল দ্বারা বিধি অনুসারে মুনি - ঋষিদের পূজা করলেন ।
মুনি-ঋষিরা আসন গ্ৰহণ করলে , ধৰ্মরক্ষার উদ্দেশ্যে অবতীৰ্ণ ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ সকল রাজন্যবর্গের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণ দিলেন । মুনিদের উদ্দেশ্যে ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের এই ভাষণ শ্ৰবণ ও তা হৃদয়ঙ্গম করার আগ্রহে সকলেই চুপ করে ছিলেন। কারন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই ভাষন ছিল অনন্তকোটি বিশ্বব্রহ্মান্ডের শ্রেষ্ঠ আলোচ্য বিষয়।

ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ বলতে লাগলেন ,
“সমাগত মুনি ও ঋষিদের জয় হোক । আজ আমরা সকলে উপলদ্ধি করছি যে আমাদের জীবন সাৰ্থক হয়েছে । আমরা জীবনের ঈপ্সিত লক্ষ্যকে প্ৰাপ্ত হয়েছি , কেননা স্বর্গের শ্ৰেষ্ঠ দেবতাকুল যাদের দৰ্শন করতে চান , আমরা আজ সেই মহান ও মুক্ত মুনি-ঋষিদের সাক্ষাৎ দৰ্শন লাভ করছি''।
''যারা তাদের কামনা - বাসনা পূরণের জন্য বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করে , তারা মন্দিরে শ্ৰীবিগ্রহকে শ্ৰদ্ধাভরে প্ৰণতি জানায় অথচ অন্যের হদয়স্থিত ভগবানকে উপলদ্ধি করতে পারে না''।
''যারা ভগবৎ সেবায় নবীন , তারা সাধুদের মাহাত্মা হৃদয়ঙ্গম করতে পারে না । সাধুদের দৰ্শন , তাদের পদধূলি ভক্তিভরে গ্ৰহণ , আত্ম- কল্যাণকর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে বা তাদের পূজা করার মাধ্যমে মহাত্মাদের সেবার সুবৰ্ণ সুযোগ তারা গ্ৰহণ করতে পারে না''।

শ্ৰীকৃষ্ণ আরো বললেন , “ তীৰ্থযাত্ৰা ভ্ৰমণ , সেখানে নদীতে স্নান , কিংবা মন্দিরে দেবমূৰ্তি দৰ্শন করে কেউ পবিত

14/06/2024

*হিন্দু সমাজ, হিন্দু জাতী আজ দিক ভ্রান্ত* -
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷

*কয়েক হাজার বৎসরের মধ্যে হিন্দু ধর্ম আজ দোদুল্যমান* -

*এর মূল কারণ কি ?*

ঘরের ঝামেলা রাস্তায় :: - 👇

*পৃথ্বীরাজ ও তার শশুর জয়চাঁদের দ্বন্দ - -,প্রতিশোধ নিতে বিদেশি বিধর্মীদের সাহায্য প্রার্থনা...* -

👉 _*সেই সময় ধর্মীয় গুরু সকল ও সনাতনী সমাজের ভূমিকা কোথায়, কোন অন্তরালে ছিল?*_

*মহারানা প্রতাপ সিং এর সময় সেই ঘর শত্রু - ফল ইতিহাস সাক্ষী।*
*শিবাজী মহারাজ কে যতটা না মোঘলদের সাথে লড়তে হয়েছে, তার থেকে বেশি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে লড়তে হয়েছে।*
কিন্তু *সাথে, তার গুরু এবং গুরু স্থানীয়দের সহায়তা পেয়ে জোট বেঁধে ছিলেন।*
_*আজকের দিনে - অখিলেশ যাদব,লালু প্রসাদ ,তেজস্বী যাদব, উদ্ভব ঠাকরে, কেজরিওয়াল, মমতা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলের, এরকম অনেকই আছেন । এরা তো সকালেই হিন্দু। তাই না ?*_

এই দেশে *শতাব্দী প্রাচীন হিন্দু অরাজনৈতিক সংগঠন ভারতবর্ষের্ কম নেই* - *ঐ সকল সংগঠনগুলি কি করেন ? সমাজ গঠন? হিন্দু দের সুরক্ষা? ধর্ম ও সমাজ সংস্কৃতি গঠন ? হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের শিক্ষা, সাস্থ্য , রুটি রুজির ব্যবস্থা ? কি করেন?*

ধর্মের নামে তোমার দেশ বিভাজন হলো - *বেছে বেছে তোমার ধর্মের রমনীরা লুন্ঠিতা হলো, ধর্ষিতা হলো, তাদের গর্ভে সন্তান হলো তাদের আদ্যাবধী কি ব্যবস্থা নিয়েছো? তোমার ধর্মের মানুষ ছাগলের মত জবাই হলো তাদের ধনসম্পত্তি লুটপাট হলো, উপাস্য দেবী দেবতা ও তাদের মন্দির ভাঙ্গচুড় হলো - তার জন্য তোমারা কি করেছো*? ?
আজকে ও তোমার হিন্দু ধর্মের দেবী-দেবতা ও দেবলোক,যম লোক তোমার পিতৃ -মাতৃ লোক নিয়ে খিল্লি করে ! তারাও হিন্দু না - ?
*তোমারা শতাব্দী প্রাচীন অরাজনৈতিক সংগঠন হিন্দুদের ধর্মীয় দুর্বলতা,দুর্নীতি খিল্লি বন্ধ করার চিন্তা করেন* ?
বন্ধের দাবি করে নির্দেশ দিয়েছেন ?
তোমার ধর্মের উচ্চস্তরের যাঁহারা আছেন তাঁরাও কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করেছেন ? কই -

এই ক দিনের কথা - এক হিন্দু নেত্রী - জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে এক নেতার সমন্ধে বলেন - দেবের অংশ, রামের অংশ,ঈশাইর অংশ, আল্লাহর অংশ - আর যায় কোথায়- মুসলিম সমাজ ছাড়বে কেন ? শেষে তার দল এবং সে ক্ষমা প্রার্থনা করে রেহাই পেল !


*হিন্দু সমাজ আজ দিশাহীন। ভুলুণ্ঠিত কেন* ?

🔱🔱🪷 *হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় গুরু ও শংকরাচারর্য গন্ দের ভারতবর্ষে গভীর ও ব্যাপক প্রভাব আছে, একথা অনস্বীকার্য। কিন্তু, ওনারা স্বাধীনতার আগে বা পরে সনাতন হিন্দু সমাজ রক্ষায় কোন ভূমিকা গ্রহণ করেছেন ?* 🙏🪷

_*শুধু কি দীক্ষা দিয়ে মালা জপ করালে বা শিষ্য -শিষ্যা বাড়িয়ে চললে হিন্দু সমাজ কে বাঁচানো সম্ভব ?*_

*অথচ প্রায় ১৪০০ বছর আগে যে ধর্মের আবির্ভাব হয়েছিল, সেটা আজ কোন জায়গায় দাঁড়িয়েছে* -

🙏🙏
🙏🔱🪷🕉️🪷🏹 *যদি আপনি সনাতনী হিন্দু হন বা আপনারা হিন্দু সমাজকে রক্ষা করতে প্রান কান্দে ও ইচ্ছুক থাকেন,তাহলে আপনাকে বা আপনাদের উপযুক্ত ভুমিকা গ্ৰহণ করতেই হবে। মানুষ সকল আপনাদেরকে বিশ্বাস করে, আস্থা রাখে। আপনাদের কে অগ্ৰণী ভূমিকা পালন করতেই হবে। নচেৎ হিন্দু সমাজ কে। রক্ষা করা অসম্ভব*।🔱🔱

রোহিঙ্গারা মায়ানমার থেকে ১৭৭০ কিমি দূর হেঁটে ভারতে প্রবেশ করে গেল কিন্ত মায়ানমার থেকে ২ কিমি দূর চীনে গেল না কারন চীন গুলি করে দেবে আর আমাদের দেশের নেতারা ভোটব্যাঙ্ক তৈরী করবে রোহিঙ্গাদের নিয়ে. . . . .

যে জাকির নায়েক কে মালয়েশিয়ার মত মুসলিম রাষ্ট্র ১ বছর সহ্য করতে পারল না সেই জাকির নায়েককে কংগ্রেস ১০বছর ধরে ধর্মগুরু বানিয়ে রাখলো।

*এই রাজনৈতিক লড়াই শুধু হিন্দুরাই করে আর মুসলিমরা রাজনৈতিক ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ধর্মের কাজ করে*. . . . .

*ইতিহাস সাক্ষী আছে কট্টরতা ছাড়া না ধর্ম বাঁচে, না সংস্কৃতি, এমনকি কট্টরতা ছাড়া রাষ্ট্রকে রক্ষা করাও মুসকিল*. . . .

যে বিজেপি হিন্দুদের সম্মান বাঁচাতে ৭০০ বছরের রামমন্দির ফিরিয়ে দিলেও হিন্দুরা তাদের ভোট দেয় না. . . . .

হিন্দু ধর্ম কঠোর - তবে সে তার নিজের ধর্মের পিছিয়ে পড়া গরিব মানুষের জন্য -
আর বিধর্মীদের কাছে -, বাগের কাছে সিং ওয়ালা মস্ত ছাগল !

ভয় হয় এটা যেন হিন্দুদের আর পুর্নাবৃত্তি না হয় -🙏

*বর্তমানে চাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কিংবা চৈতন্য মহাপ্রভুর মতো হিন্দু দলীয় জোটের নেতা। সেটা একমাত্র সর্বত্যাগী সাধু সন্ন্যাসীরাই পারেন*- 🔱🔱
*হিন্দুদের সর্বদিক থেকে ধর্মীয় ভাবে রক্ষা করতে*। 🙏🙏

14/06/2024
14/06/2024

।। স্বামীজীর অনুধ্যান ।।

🟠 মন মুখ এক করতে হবে 🟠

১৮৯৮ সালে কলকাতার স্বনামধন‍্য ডাক্তার আর এল দত্তকে দেখাতে গিয়ে তখনকার দিনে স্বামীজীর খরচ হয়েছিল পঞ্চাশ টাকা। ডাক্তার ফি এবং ঔষধের জন‍্য লেগেছিল চল্লিশ টাকা, আর পথ খরচ বাবদ দশ টাকা। তবুও স্বাস্থ‍্যের উন্নতি না হওয়ায় ভগ্নস্বাস্থ‍্য পুনরুদ্ধারের জন‍্য ১৯শে ডিসেম্বর তিনি দেওঘরের উদ্দেশ‍্যে যাত্রা করলেন। সেখানে শ্রীযুক্ত প্রিয়নাথ মুখোপাধ‍্যায় স্বামীজীকে অভ‍্যর্থনা জানালেন নিজের বাড়িতে, আর তাঁকে সেবা করার সুযোগ পেয়ে তিনি তো ভারী খুশি।
হাওয়া বদলেও স্বামীজীর শরীর কিন্তু ক্রমশ খারাপ হতেই লাগল। এমন শ্বাসকষ্ট শুরু হল যে, সময় সময় মুখমণ্ডল রক্তিম হয়ে উঠত, দম বন্ধ হয়ে আসত। মনে হত যেন এখুনি প্রাণবায়ু নির্গত হয়ে যাবে। একটি উঁচু তাকিয়ার উপরে হাতে ভর দিয়ে বসে স্বামীজীর প্রায়ই মনে হত মৃত‍্যু আগতপ্রায়। তবুও যে সময়টুকু ভালো থাকতেন, পড়াশুনা, চিঠি লেখা এবং ঈষৎ বেড়ানোর মধ‍্যে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।
একদিন স্বামী নিরঞ্জনানন্দের সঙ্গে বেড়ানোর সময় দেখলেন রাস্তার ধারে একটি দুঃস্থ লোক শুয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করছে। পরনে একখানি ছেঁড়া ধুতি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারলেন এ হল আমাশয় রোগযন্ত্রণা। কনকনে ঠাণ্ডায় লোকটা এমন কাঁপছে যে, তখনি তাকে গরম কাপড় দেওয়া দরকার। আর্তনারায়ণের সেবার জন‍্য স্বামীজীর হৃদয় তখনি ব‍্যাকুল হয়ে উঠল। কিন্তু তিনি যে অপরের বাড়িতে আছেন! গৃহস্বামীর অনুমতি ছাড়া এমন দুঃস্থ রোগীকে সেখানে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছেন না। আবার নিজেও তিনি কপর্দকহীন।
তবু সিদ্ধান্ত নিতে স্বামীজী কিন্তু দেরী করলেন না। গুরুভ্রাতার সাহায‍্যে রোগীকে দাঁড় করালেন। তারপর দুজনে মিলে ধরাধরি করে নিয়ে আসলেন প্রিয়নাথবাবুর বাড়িতে। প্রথমে রোগীর অঙ্গ-প্রত‍্যঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার করে একখানি পরিষ্কার বস্ত্র পরিয়ে দিলেন। তারপর আগুন জ্বেলে তাকে গরম সেঁক দিতে লাগলেন। তাতে রোগী অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠল। প্রিয়নাথবাবু চাক্ষুস এসব দেখে কিছু মনে করা তো দূরের কথা, বরং অভিভূত হয়ে গেলেন। ভাবলেন, স্বামী বিবেকানন্দ শুধু বক্তৃতা দেন না, মুখে যা বলেন, কাজেও তাই করেন।
মন-মুখ এক করে কাজ করার এ এক চরম দৃষ্টান্ত। নিজের শরীরের ঠিক নেই, তবু তিনি আর্তের সেবার নিমিত্তে উৎসর্গীকৃত প্রাণ। তাইতো তিনি অতি মুর্খ দরিদ্রের মধ‍্যেও সতত নারায়ণ দর্শন করেন। শতকোটি প্রণাম জানাই স্বামীজীর চরণে।
জয় ঠাকুর জয় মা

14/06/2024

।। স্বামীজীর অনুধ্যান ।।

🟠 মন মুখ এক করতে হবে 🟠

১৮৯৮ সালে কলকাতার স্বনামধন‍্য ডাক্তার আর এল দত্তকে দেখাতে গিয়ে তখনকার দিনে স্বামীজীর খরচ হয়েছিল পঞ্চাশ টাকা। ডাক্তার ফি এবং ঔষধের জন‍্য লেগেছিল চল্লিশ টাকা, আর পথ খরচ বাবদ দশ টাকা। তবুও স্বাস্থ‍্যের উন্নতি না হওয়ায় ভগ্নস্বাস্থ‍্য পুনরুদ্ধারের জন‍্য ১৯শে ডিসেম্বর তিনি দেওঘরের উদ্দেশ‍্যে যাত্রা করলেন। সেখানে শ্রীযুক্ত প্রিয়নাথ মুখোপাধ‍্যায় স্বামীজীকে অভ‍্যর্থনা জানালেন নিজের বাড়িতে, আর তাঁকে সেবা করার সুযোগ পেয়ে তিনি তো ভারী খুশি।
হাওয়া বদলেও স্বামীজীর শরীর কিন্তু ক্রমশ খারাপ হতেই লাগল। এমন শ্বাসকষ্ট শুরু হল যে, সময় সময় মুখমণ্ডল রক্তিম হয়ে উঠত, দম বন্ধ হয়ে আসত। মনে হত যেন এখুনি প্রাণবায়ু নির্গত হয়ে যাবে। একটি উঁচু তাকিয়ার উপরে হাতে ভর দিয়ে বসে স্বামীজীর প্রায়ই মনে হত মৃত‍্যু আগতপ্রায়। তবুও যে সময়টুকু ভালো থাকতেন, পড়াশুনা, চিঠি লেখা এবং ঈষৎ বেড়ানোর মধ‍্যে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।
একদিন স্বামী নিরঞ্জনানন্দের সঙ্গে বেড়ানোর সময় দেখলেন রাস্তার ধারে একটি দুঃস্থ লোক শুয়ে যন্ত্রণায় ছটফট করছে। পরনে একখানি ছেঁড়া ধুতি। কাছে গিয়ে বুঝতে পারলেন এ হল আমাশয় রোগযন্ত্রণা। কনকনে ঠাণ্ডায় লোকটা এমন কাঁপছে যে, তখনি তাকে গরম কাপড় দেওয়া দরকার। আর্তনারায়ণের সেবার জন‍্য স্বামীজীর হৃদয় তখনি ব‍্যাকুল হয়ে উঠল। কিন্তু তিনি যে অপরের বাড়িতে আছেন! গৃহস্বামীর অনুমতি ছাড়া এমন দুঃস্থ রোগীকে সেখানে নিয়ে যাওয়া ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছেন না। আবার নিজেও তিনি কপর্দকহীন।
তবু সিদ্ধান্ত নিতে স্বামীজী কিন্তু দেরী করলেন না। গুরুভ্রাতার সাহায‍্যে রোগীকে দাঁড় করালেন। তারপর দুজনে মিলে ধরাধরি করে নিয়ে আসলেন প্রিয়নাথবাবুর বাড়িতে। প্রথমে রোগীর অঙ্গ-প্রত‍্যঙ্গ ধুয়ে পরিষ্কার করে একখানি পরিষ্কার বস্ত্র পরিয়ে দিলেন। তারপর আগুন জ্বেলে তাকে গরম সেঁক দিতে লাগলেন। তাতে রোগী অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠল। প্রিয়নাথবাবু চাক্ষুস এসব দেখে কিছু মনে করা তো দূরের কথা, বরং অভিভূত হয়ে গেলেন। ভাবলেন, স্বামী বিবেকানন্দ শুধু বক্তৃতা দেন না, মুখে যা বলেন, কাজেও তাই করেন।
মন-মুখ এক করে কাজ করার এ এক চরম দৃষ্টান্ত। নিজের শরীরের ঠিক নেই, তবু তিনি আর্তের সেবার নিমিত্তে উৎসর্গীকৃত প্রাণ। তাইতো তিনি অতি মুর্খ দরিদ্রের মধ‍্যেও সতত নারায়ণ দর্শন করেন। শতকোটি প্রণাম জানাই স্বামীজীর চরণে।

জয় ঠাকুর জয় মা

14/06/2024

*ভক্তি মানেই ভাবের খেলা ৷ ধ্যান, জপ, পুজো, ভজন — ভাব না থাকলে সব বৃথা।*

ভাব না থাকলে জপ, হোম, তন্ত্র-মন্ত্র সব শুধু কায়ক্লেশ মাত্র, পণ্ডশ্রম ৷ ভাববিহীন পুজো পুজো নয় ৷ ভাববিহীন জপ জপ নয়, সে তো বাড়ির পোষা পাখিও অনেক সময় ঠাকুর-দেবতার নাম করে ৷ তাঁর নাম যখন করব, ভাবের সাথে করব, প্রেমের সাথে করব ৷ নাম করতে করতে আনন্দ হবে, চোখ দিয়ে জল এসে যাবে ৷ তাঁর ধ্যান করব — ভাবব, তিনি প্রসন্ন-দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে আছেন, আমার কত কাছে রয়েছেন তিনি, আমার আপনার জন — একমাত্র আপনার জন ৷ তবেই তো, ধ্যান করে আনন্দ পাব ৷

এই যে লোকে তীর্থে যায়, মনটা যদি তৈরি না থাকে তাহলে তীর্থে গিয়ে লাভ কি ?একটা গল্প আছে :

এক বৃদ্ধা পুরী যাচ্ছেন জগন্নাথ দর্শন করতে ৷ পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন ৷ সারা রাস্তা তাঁর দুশ্চিন্তার শেষ নেই — বাড়িতে নতুন লাউগাছ হয়েছে, বৌমা তো ছেলেমানুষ, সে ঠিকমতো দেখাশুনা করবে তো ? গরু-ছাগলে খেয়ে নেবে না তো ! পুরী পৌঁছে যখন বিগ্রহ দেখার সময় হল, তখন তিনি জগন্নাথকে দেখতে পেলেন না — সেই জায়গায় দেখলেন লাউগাছ ৷

তীর্থে যাওয়ার প্রয়োজন কি ? প্রয়োজন এই যে, এতে ভগবানের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, উদ্দীপন এনে দেয় ৷ যাঁর মন তৈরি মন, তাঁর সহজেই উদ্দীপন এসে যায় ৷ আর যাঁর মন তৈরি হয়নি, তীর্থস্থানে গেলেও তাঁর উদ্দীপন হবে না ৷ ঠাকুরের মন যেমন তৈরি ৷ যা কিছু দেখছেন তাতেই ঈশ্বরীয় ভাবের উদ্দীপন হচ্ছে ৷ বারবনিতা দেখছেন — অমনি জগজ্জননীকে মনে পড়ে যাছে তাঁর ৷ ইংরেজ-ছেলে ত্রিভঙ্গ মূর্তিতে দাঁড়িয়ে আছে — শ্রীকৃষ্ণের কথা মনে পড়ছে তাঁর ৷ চিড়িয়াখানায় সিংহ দেখছেন, সিংহবাহিনীর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে ৷ ব্রহ্মের প্রকাশ দেখছেন সর্বত্র ৷ মনটা যদি তৈরি থাকে, উঁচু সুরে বাঁধা থাকে — তাহলে যা দেখি তাতেই উদ্দীপন হয় ৷

মন্ত্র, তীর্থ, দ্বিজ, দেবতা, দৈবজ্ঞ, ভেষজ আর গুরু — এই কয়টিকে যে যেমনভাবে দেখবে সে তেমন ফল পাবে ৷ ওষুধে যার বিশ্বাস থাকবে, সে বেশি ফল পাবে ৷ তেমনি মন্ত্র, গুরুবাক্য ইত্যাদিতে যার বেশী বিশ্বাস, সে বেশী ফল পাবে ৷ যার যেমন ভাব তার তেমন লাভ ৷ ভাববিহীন পূজা, ভাববিহীন স্তোত্রপাঠ, ভাববিহীন ভজন — নিষ্প্রাণ বলে মনে হয় ৷ ভাবই হচ্ছে আসল ৷ সেই ভাব যেখানে আছে, সেখানেই আনন্দ ৷

*স্বামী লোকেশ্বরানন্দ*

14/06/2024

*হিন্দু সমাজ, হিন্দু জাতী আজ দিক ভ্রান্ত* -
🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷

*কয়েক হাজার বৎসরের মধ্যে হিন্দু ধর্ম আজ দোদুল্যমান* -

*এর মূল কারণ কি ?*

ঘরের ঝামেলা রাস্তায় :: - 👇

*পৃথ্বীরাজ ও তার শশুর জয়চাঁদের দ্বন্দ - -,প্রতিশোধ নিতে বিদেশি বিধর্মীদের সাহায্য প্রার্থনা...* -

👉 _*সেই সময় ধর্মীয় গুরু সকল ও সনাতনী সমাজের ভূমিকা কোথায়, কোন অন্তরালে ছিল?*_

*মহারানা প্রতাপ সিং এর সময় সেই ঘর শত্রু - ফল ইতিহাস সাক্ষী।*
*শিবাজী মহারাজ কে যতটা না মোঘলদের সাথে লড়তে হয়েছে, তার থেকে বেশি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে লড়তে হয়েছে।*
কিন্তু *সাথে, তার গুরু এবং গুরু স্থানীয়দের সহায়তা পেয়ে জোট বেঁধে ছিলেন।*
_*আজকের দিনে - অখিলেশ যাদব,লালু প্রসাদ ,তেজস্বী যাদব, উদ্ভব ঠাকরে, কেজরিওয়াল, মমতা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলের, এরকম অনেকই আছেন । এরা তো সকালেই হিন্দু। তাই না ?*_

এই দেশে *শতাব্দী প্রাচীন হিন্দু অরাজনৈতিক সংগঠন ভারতবর্ষের্ কম নেই* - *ঐ সকল সংগঠনগুলি কি করেন ? সমাজ গঠন? হিন্দু দের সুরক্ষা? ধর্ম ও সমাজ সংস্কৃতি গঠন ? হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের শিক্ষা, সাস্থ্য , রুটি রুজির ব্যবস্থা ? কি করেন?*

ধর্মের নামে তোমার দেশ বিভাজন হলো - *বেছে বেছে তোমার ধর্মের রমনীরা লুন্ঠিতা হলো, ধর্ষিতা হলো, তাদের গর্ভে সন্তান হলো তাদের আদ্যাবধী কি ব্যবস্থা নিয়েছো? তোমার ধর্মের মানুষ ছাগলের মত জবাই হলো তাদের ধনসম্পত্তি লুটপাট হলো, উপাস্য দেবী দেবতা ও তাদের মন্দির ভাঙ্গচুড় হলো - তার জন্য তোমারা কি করেছো*? ?
আজকে ও তোমার হিন্দু ধর্মের দেবী-দেবতা ও দেবলোক,যম লোক তোমার পিতৃ -মাতৃ লোক নিয়ে খিল্লি করে ! তারাও হিন্দু না - ?
*তোমারা শতাব্দী প্রাচীন অরাজনৈতিক সংগঠন হিন্দুদের ধর্মীয় দুর্বলতা,দুর্নীতি খিল্লি বন্ধ করার চিন্তা করেন* ?
বন্ধের দাবি করে নির্দেশ দিয়েছেন ?
তোমার ধর্মের উচ্চস্তরের যাঁহারা আছেন তাঁরাও কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করেছেন ? কই -

এই ক দিনের কথা - এক হিন্দু নেত্রী - জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে এক নেতার সমন্ধে বলেন - দেবের অংশ, রামের অংশ,ঈশাইর অংশ, আল্লাহর অংশ - আর যায় কোথায়- মুসলিম সমাজ ছাড়বে কেন ? শেষে তার দল এবং সে ক্ষমা প্রার্থনা করে রেহাই পেল !

*হিন্দু সমাজ আজ দিশাহীন। ভুলুণ্ঠিত কেন* ?

🔱🔱🪷 *হিন্দু

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vokta songgha narayangonj,, posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category