02/09/2024
এক সময় ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ ও বলরামকে দৰ্শনের উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষের শ্রেষ্ট মুনি - ঋষিরা কুরুক্ষেত্ৰে এসে উপস্থিত হলেন । কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস , দেবর্ষি নারদ , চ্যবন , দেবল , অসিত , বিশ্বামিত্ৰ , সতানন্দ , ভরদ্বাজ , গৌতম এবং সশিষ্য পরশুরাম ছিলেন তাদের মধ্যে প্ৰধান । তা ছাড়া বশিষ্ঠ , গালব , ভৃহু, পুলস্তা , কশ্যপ , অত্ৰি , মাৰ্কণ্ডেয় , বৃহস্পতি , দ্বিত , ত্ৰিত , একত , ব্ৰহ্মার চার পুত্ৰ — সনক , সনন্দন , সনাতন ও সনৎকুমার , আঙ্গিরা , আগস্ত্য , যাজ্ঞবল্ক্য এবং বামদেবও সেখানে উপস্থিত ছিলেন ।
এইসব বিশ্ববন্দিত মুনি - ঋষির উপস্থিত হওয়া মাত্ৰই মহারাজ যুধিষ্ঠির ও অন্যান্য পাণ্ডবগণ , ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ ও বলরাম সহ সকল রাজন্যবর্গ তাদের আসন ত্যাগ করে , অবনত মস্তকে তাদের প্রতি শ্ৰদ্ধা জনালেন । এরপর আসন দান করে মুনি ঋষিদের পাদপ্ৰক্ষালন করে তাদের যথাযথভাবে স্বাগত জানান হল ।
কৃষ্ণ ও বলরামের নেতৃত্বে সকল রাজারা সুগন্ধি ফুলমালা , চন্দন ও উপাদেয় ফল দ্বারা বিধি অনুসারে মুনি - ঋষিদের পূজা করলেন ।
মুনি-ঋষিরা আসন গ্ৰহণ করলে , ধৰ্মরক্ষার উদ্দেশ্যে অবতীৰ্ণ ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ সকল রাজন্যবর্গের পক্ষ থেকে স্বাগত ভাষণ দিলেন । মুনিদের উদ্দেশ্যে ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণের এই ভাষণ শ্ৰবণ ও তা হৃদয়ঙ্গম করার আগ্রহে সকলেই চুপ করে ছিলেন। কারন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই ভাষন ছিল অনন্তকোটি বিশ্বব্রহ্মান্ডের শ্রেষ্ঠ আলোচ্য বিষয়।
ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ বলতে লাগলেন ,
“সমাগত মুনি ও ঋষিদের জয় হোক । আজ আমরা সকলে উপলদ্ধি করছি যে আমাদের জীবন সাৰ্থক হয়েছে । আমরা জীবনের ঈপ্সিত লক্ষ্যকে প্ৰাপ্ত হয়েছি , কেননা স্বর্গের শ্ৰেষ্ঠ দেবতাকুল যাদের দৰ্শন করতে চান , আমরা আজ সেই মহান ও মুক্ত মুনি-ঋষিদের সাক্ষাৎ দৰ্শন লাভ করছি''।
''যারা তাদের কামনা - বাসনা পূরণের জন্য বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করে , তারা মন্দিরে শ্ৰীবিগ্রহকে শ্ৰদ্ধাভরে প্ৰণতি জানায় অথচ অন্যের হদয়স্থিত ভগবানকে উপলদ্ধি করতে পারে না''।
''যারা ভগবৎ সেবায় নবীন , তারা সাধুদের মাহাত্মা হৃদয়ঙ্গম করতে পারে না । সাধুদের দৰ্শন , তাদের পদধূলি ভক্তিভরে গ্ৰহণ , আত্ম- কল্যাণকর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে বা তাদের পূজা করার মাধ্যমে মহাত্মাদের সেবার সুবৰ্ণ সুযোগ তারা গ্ৰহণ করতে পারে না''।
শ্ৰীকৃষ্ণ আরো বললেন , “ তীৰ্থযাত্ৰা ভ্ৰমণ , সেখানে নদীতে স্নান , কিংবা মন্দিরে দেবমূৰ্তি দৰ্শন করে কেউ পবিত