ARS AGO FARM

ARS AGO FARM Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ARS AGO FARM, Farmers market, Narayanganj.

02/11/2025

গাভীকে কিভাবে ড্রাই করবেন অথবা কিভাবে দুধ বন্ধ করবেন, এই নিয়ে অনেক সময় আমাদের খামারিরা চিন্তিত থাকে।কি পন্থা অবলম্বন করে সঠিকভাবে গাভীর দুধ বন্ধ করা যায় সেই নিয়ে একটু আলোচনা করতে চাই।
বাচ্চা প্রসবের ন্যূনতম ৬০ দিন আগে দুগ্ধবতী গাভীর দুধ বন্ধ করা আবশ্যক। তবে যদি এই সংখ্যা ৭০ হয় তাহলে আরো ভালো। এই ৬০ দিন সময় গাভীর পরিচর্যার দিকে সর্বোচ্চ খেয়াল রাখতে হবে। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস এর পরিচর্যায় পরবর্তীতে এই গাভীর থেকে দুধ উৎপাদন, পুনরায় হিটে আসা, বাচ্চার সুস্থতা এই ধরনের অনেকগুলো জিনিস নির্ভর করে, ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে আমার অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করব।
আপনার যে গাভিটির দুধ বন্ধ করতে হবে সেই বিষয়ে ন্যূনতম একমাস আগ থেকে আপনার প্রস্তুতি নেয়া উচিত, যাতে দুধ শুকানোর সময় গাভীর ওলানে কোন সমস্যা না হয় এবং তার শারীরিক সক্ষমতা বজায় থাকে।
গাভীর দুধ বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করার আগেই গাভীর ওলানের সোমাটিক সেল কাউন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হবে যাতে করে তার সাব ক্লিনিকাল অথবা ক্লিনিক্যাল ম্যাসটাইটিস না হয়। এই জন্য বাজারে অনেকগুলো প্রোডাক্ট আছে যেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেমন Masti care,Masti29,ইত্যাদি।
দুধ বন্ধ করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গাভীর দানাদার ক্রমান্বয়ে বন্ধ করতে হবে, এই প্রক্রিয়ায় যদি দুধ বন্ধ না হয় তাহলে গাভীর জন্য নির্ধারিত ঘাস অথবা খড় এর পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে, বিশেষ করে সবুজ ঘাস যদি বেশি দেওয়া হয়ে থাকে তাহলে চেষ্টা করতে হবে সবুজ ঘাস বন্ধ করে খড় দেওয়ার জন্য। এই প্রক্রিয়াও যদি গাভীর দুধ বন্ধ না হয় তাহলে চূড়ান্ত পর্যায়ে তার দৈনিক বরাদ্দকৃত পানির পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে।
এর পাশাপাশি দুধ দোহনের সময়ের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনতে হবে। যেমন আগে যদি দৈনিক দুইবার দুধ দোহন করা হতো সেই ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে দৈনিক একবারে নিয়ে আসতে হবে এইভাবে এক দুইদিন পরে দুধ দোহনের সময় ৪৮ ঘণ্টাতে নিয়ে যেতে হবে, পরবর্তীতে সেটা ৭২ ঘণ্টাতে নিয়ে যেতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলি ২৪ ঘন্টায় যদি ৫ কেজি দুধ হয় সেই ক্ষেত্রে দেখবেন ৪৮ ঘন্টা পরেও প্রায় পাঁচ কেজি অথবা সামান্য কিছু পরিমাণ দুধ বেশি হতে পারে, কিন্তু কখনোই তা ১০ কেজি হবে না, এইভাবে ৭২ ঘন্টা পরেও দুধ দোহন করলে ওই পরিমাণই পাওয়া যাবে, এর মানে হলো আপনি যখনই দুধ টানা বন্ধ করবেন তখনই তার দুধ উৎপাদন প্রক্রিয়াও বন্ধ হবে। এই সময়ে দৈনিক গাভীর ওলানের দিকে নজর রাখতে হবে, কোনভাবে যদি কোন অসামঞ্জসতা লক্ষ্য করা যায় তাহলে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করবেন। গাভী ড্রাই করার চূড়ান্ত পর্যায়ে সম্ভব হলে প্রত্যেকটি বাটের মধ্যে ড্রাই টিউব ব্যবহার করবেন, যা নূন্যতম দুই মাস পর্যন্ত গাভীর বাটগুলোকে সুরক্ষিত রাখবে।
এইভাবে যদি চেষ্টা করেন তাহলে ইনশাআল্লাহ খুব সুন্দর ভাবেই গাভী ড্রাই করতে পারবেন।
ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে গাভীর ড্রাই পিরিয়ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করব।

14/10/2025

শীতের আগে গরুর প্রস্তুতি ও যত্ন
শীতকাল শুরু হওয়ার আগে গরুকে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা গেলে রোগ এবং উৎপাদন হ্রাসের ঝুঁকি কমানো যায়। বিশেষ করে তাপমাত্রা যখন নামতে শুরু করে, তখন নিম্নলিখিত বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া উচিত:
১. বাসস্থান ও পরিবেশের প্রস্তুতি
শীতকালে গরু বাছুরকে ঠাণ্ডা বাতাস ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করা সবচেয়ে জরুরি।
গোয়ালঘরের সংস্কার: গোয়ালঘরের দেয়ালের ফাটল বা জানালা/দরজার ফাঁকা জায়গাগুলি মেরামত করুন। ঠাণ্ডা হাওয়া যাতে সরাসরি গরুর গায়ে না লাগে, তা নিশ্চিত করতে গোয়ালঘরের উত্তর ও পূর্ব দিকের খোলা অংশগুলি চট, প্লাস্টিক বা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঢেকে দিন।
মেঝে শুকনা রাখা: মেঝেতে আর্দ্রতা বা কাদা জমতে দেবেন না। পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খড়, তুষ বা ধানের চিটা ব্যবহার করে মেঝেতে পুরু বিছানা তৈরি করুন। এটি গরু বা বাছুরকে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করবে এবং আরাম দেবে।
বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা: গোয়ালঘর সম্পূর্ণ বন্ধ না রেখে মাথার দিকে বা উপরে সামান্য খোলা রাখার ব্যবস্থা রাখুন, যাতে দূষিত বাতাস বের হতে পারে এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে, কিন্তু সরাসরি ঠাণ্ডা হাওয়া না ঢোকে।
২. খাদ্য ও পুষ্টির পরিবর্তন
ঠাণ্ডা আবহাওয়া মোকাবিলা করার জন্য গরুর শরীরে বাড়তি শক্তির প্রয়োজন হয়।
শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি: শীতকালে গরুর দৈনিক দানাদার খাদ্য (Concentrates) বা ভূষির পরিমাণ কিছুটা বাড়ান। এটি গরুর শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে এবং বাড়তি শক্তির চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে।
উন্নতমানের শুষ্ক খাদ্য: খাদ্যে শুকনো খড়, হে (Hay) বা উন্নতমানের সাইলেজ পর্যাপ্ত পরিমাণে যোগ করুন। ভালো মানের শুষ্ক খাদ্য হজম হওয়ার সময় গরুর শরীরে তাপ উৎপন্ন করে।
খনিজ মিশ্রণ: নিশ্চিত করুন যে গরুকে নিয়মিত খনিজ মিশ্রণ (Mineral Mixture) দেওয়া হচ্ছে। শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত জরুরি।
৩. স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা
শীত শুরুর আগে রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
কৃমিনাশক প্রয়োগ (Deworming): শীত শুরু হওয়ার আগেই অভিজ্ঞ পশু চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সমস্ত গরুকে কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ান। কৃমিমুক্ত থাকলে গরু শীতকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে এবং খাদ্য থেকে ভালো পুষ্টি পায়।
টিকা প্রদান (Vaccination): যদি কোনো মৌসুমী রোগের টিকা (যেমন, গলাফুলা, খুরা রোগ) দেওয়ার সময় শীতের আগে হয়, তবে তা দ্রুত দিয়ে দিন।
শারীরিক পরীক্ষা: বাছুর ও দুর্বল গরুর শারীরিক তাপমাত্রা ও শ্বাসের হার নিয়মিত পরীক্ষা করুন। ঠাণ্ডা লাগা বা নিউমোনিয়ার (Pneumonia) প্রাথমিক লক্ষণ (যেমন: ঘন ঘন শ্বাস, কাশি) দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করুন।
৪. জল ও পরিচ্ছন্নতা
ঈষদুষ্ণ জল: ঠাণ্ডা বরফের মতো জল পান করলে গরুর শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা কমে যায়। সম্ভব হলে ঠাণ্ডা জল না দিয়ে ঈষদুষ্ণ বা সামান্য গরম জল পান করার ব্যবস্থা করুন। অন্তত নিশ্চিত করুন যেন জল বরফের মতো ঠাণ্ডা না হয়।
শুষ্কতা বজায় রাখা: গরু বা বাছুরকে নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং নিশ্চিত করুন যে তাদের শরীর যেন ভেজা না থাকে। গোসল করালেও দ্রুত শরীর শুকিয়ে দিতে হবে। ভেজা পশম ঠাণ্ডা ধরে রাখে এবং রোগ বাড়ায়।
কাপড় ব্যবহার: বাছুর বা দুর্বল গরুকে ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করতে চট বা বস্তার তৈরি বিশেষ আবরণ (Shack) ব্যবহার করতে পারেন।
এই প্রস্তুতিগুলি ঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারলে আপনার গরুগুলি সুস্থভাবে শীতকাল কাটাতে পারবে।

05/10/2025

বাংলাদেশের জেনোমিক টেস্টেড বুল গুলো একনজরে 🐂🐂🐂
সরকারি ইমপোর্ট বুল
HF100% bull. No-
1-US-7980.bull.
2-US-8073.bull
3-US-8024.bull.
4-US-894.bull
5-US-7900.bull.
6-US-888.bull
7-US-7951.bull.
8-US-214.bull.
9-US-7882.bull.
10-US-218. bull.

🐂
ব্র্যাক ইমপোর্ট বুল
1-HF100% 183.bull.
2-HF100% 184.bull.
3-HF100%185 bull.
4-HF 100%186 bull.
5-HF100%-328.bull
6-HF100%-329.bull
7-HF100%-332bull.
8-HF100%-333 bull.
9-HF100%-334 bull.
10-HF100%-335. bull.
11-HF100%-336.bull.
12-HF100% 346.bull..
13-HF100% 348.bull.
14-HF100% 349.bull.
15-HF100%. 350.bull.
16-HF100% 388.bull.
17-HF100% 389.bull.
18-HF100% 390.bull
19-HF100% 391.bull.
20-HF100% 392.bull.

🐂
ACI ইমপোর্ট বুল
1-HF100%104 .bull.
2-HF100% 105.bull.
3-HF100% 106.bull.
4-HF100%107 .bull.
5-HF100% .209bull.
6-HF100% 210.bull.
7-HF100% 211.bull.
8-HF100% 212.bull.

02/10/2025

গাভীর দুধ বৃদ্ধি: সেরা ১০টি টিপস

গাভীর দুধ কমে যাওয়া খামারিদের জন্য একটি বড় দুশ্চিন্তার কারণ। একটি সুস্থ ও সবল গাভী যদি প্রত্যাশা অনুযায়ী দুধ না দেয়, তবে তা সরাসরি লাভের উপর প্রভাব ফেলে। সঠিক পরিচর্যা ও পুষ্টির অভাবই সাধারণত এর প্রধান কারণ। আপনার গাভীর দুধ বৃদ্ধি করতে কিছু কার্যকর টিপস নিচে দেওয়া হলো:

দুধ বৃদ্ধির সেরা ১০টি টিপস
১. সুষম খাদ্য: এটি দুধ বৃদ্ধির প্রধান শর্ত। শুধু ঘাস নয়, ঘাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ দানাদার খাদ্য (যেমন - ভুট্টা, গমের ভুষি, খৈল) এবং খড় বা শুকনো ঘাস খাওয়ান।

২. পরিষ্কার পানির জোগান: দুধের প্রায় ৯০% পানি। তাই গাভীকে সবসময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করুন।

৩. খনিজ মিশ্রণ: দুধে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও অন্যান্য খনিজ পদার্থের উপস্থিতি খুব জরুরি। বাজারে প্রাপ্ত খনিজ মিশ্রণ (Mineral Mixture) নিয়মিত খাদ্যর সঙ্গে মিশিয়ে দিন।

৪. নিয়মিত ঘাস পরিবর্তন: শুধু এক ধরনের ঘাস না খাইয়ে নেপিয়ার, জার্মান, ভুট্টা ও পারা ঘাস মিশিয়ে খাওয়ান। এতে গাভীর পুষ্টির ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হবে।

৫. পর্যাপ্ত বিশ্রাম: গাভীকে দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দিন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে দুধের উৎপাদন কমে যেতে পারে।

৬. নিয়মিত গোসল ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা: গাভীকে নিয়মিত গোসল করানো এবং তার বাসস্থান পরিষ্কার রাখলে গাভী সুস্থ থাকে। এতে রোগ বালাই কম হয় এবং দুধ উৎপাদন ভালো থাকে।

৭. ভ্যাকসিন ও কৃমিনাশক: সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ান এবং প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন দিন। কৃমি গাভীর পুষ্টি শুষে নেয়, যা দুধ উৎপাদন কমিয়ে দেয়।

৮. দুধ দোয়ানোর সঠিক পদ্ধতি: সঠিক ও দ্রুত পদ্ধতিতে দুধ দোহন করলে দুধের উৎপাদন ভালো হয়। দুধ দোয়ানোর সময় গাভীকে শান্ত রাখুন।

৯. প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য পরিবর্তন: গাভীর দুধের পরিমাণ কমে গেলে দানাদার খাদ্যের পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়ে দেখতে পারেন।

১০. রোগের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ: গাভীর ওলান (udder) বা দুধে কোনো সমস্যা আছে কিনা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। ম্যাস্টাইটিসের মতো রোগ হলে দুধ উৎপাদন দ্রুত কমে যায়।

এই টিপসগুলো কাজ না করলে কী করবেন?
যদি উপরের সব টিপস অনুসরণ করার পরেও আপনার গাভীর দুধের উৎপাদন না বাড়ে, তাহলে বুঝতে হবে এর পেছনে অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকতে পারে। এ ক্ষেত্রে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ পশুচিকিৎসককে দিয়ে আপনার গাভীটি পরীক্ষা করান। কারণ, অনেক সময় পুষ্টির অভাব ছাড়াও রোগ-বালাইয়ের কারণে দুধ উৎপাদন কমে যায়।

🐄গরুর খামারে প্রতিষেধক টিকার সিডিউলনিচে বাংলাদেশের গরু খামারের জন্য প্রধান প্রতিষেধক টিকার সিডিউল দেওয়া হলো। এটি গরুর স্...
28/09/2025

🐄গরুর খামারে প্রতিষেধক টিকার সিডিউল

নিচে বাংলাদেশের গরু খামারের জন্য প্রধান প্রতিষেধক টিকার সিডিউল দেওয়া হলো। এটি গরুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

🐄 গরুর টিকার সিডিউল

✅সময়কাল / বয়স টিকা লক্ষ্য রোগ মন্তব্য

📌২–৩ মাসের বকনা PPR (প্রাইমারি) PPR রোগ (পিপিআর) বয়স ২–৩ মাস, পুনঃটিকা ১ বছরের মধ্যে দিতে হবে
📌৩–৪ মাসের বকনা FMD (ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ) মুখ ও পা রোগ ভ্যাকসিন বছরে ২ বার প্রয়োগ
📌৪–৬ মাস BQ (ব্রুসেলোসিস/Black Quarter) ব্ল্যাক কোয়ার্টার প্রতি ৬–১২ মাসে পুনঃটিকা
📌৬–৭ মাস HS (হেমোরেজিক সেপটিসিমিয়া) ব্ল্যাকহেড রোগ প্রাইমারি, প্রতি বছর পুনঃটিকা
📌৯–১২ মাস Rabies (র‍্যাবিজ) রেবিস প্রতি বছর পুনঃটিকা
📌১২–১৮ মাস FMD, HS, BQ পুনঃটিকা নিয়মিত বছরে ১–২ বার
📌গাভী গর্ভবতী হলে FMD, HS গর্ভাবস্থায় সেফ ভ্যাকসিন প্রয়োগ ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োগ করা উচিত

💉 অতিরিক্ত টিপস

1. ভ্যাকসিন সংরক্ষণ: ভ্যাকসিনকে ২–৮° সেলসিয়াসে রাখতে হবে।

2. পরিষ্কার ইনজেকশন যন্ত্রপাতি: সিঙ্ক বা ন্যাপথলিন দিয়ে ইনজেকশন সুই পরিষ্কার করুন।

3. পশু পর্যবেক্ষণ: টিকা দেওয়ার পর ২৪–৪৮ ঘণ্টা প্রাণী পর্যবেক্ষণ করুন।

4. পশু রেকর্ড: প্রতিটি টিকার তারিখ এবং ব্যাচ নম্বর খাতায় লিখে রাখুন।

#গরু_পালন #টিকা The natural beauty Enjoy the Entertainment

আধুনিক গরুর খামারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Modern Waste Management in Dairy/Cattle Farm) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সঠি...
22/09/2025

আধুনিক গরুর খামারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (Modern Waste Management in Dairy/Cattle Farm) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সঠিক ব্যবস্থাপনা না হলে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ, রোগজীবাণুর বিস্তার এবং আশেপাশের মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হয়। আধুনিক খামারে নিম্নলিখিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে:

🔹 ১. গোবর ও মূত্র ব্যবস্থাপনা

বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট: গরুর গোবর দিয়ে বায়োগ্যাস উৎপাদন করলে রান্না ও বিদ্যুৎ কাজে ব্যবহার করা যায়। এর উপজাত (slurry) জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার হয়।

ভার্মি কম্পোস্ট: গোবরকে কেঁচো (earthworm) ব্যবহার করে উচ্চমানের জৈব সার তৈরি করা যায়।

সরাসরি জৈব সার: শুকনো গোবর জমিতে প্রাকৃতিক সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

🔹 ২. তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

ড্রেনেজ সিস্টেম: খামারের মূত্র ও ধোয়ার পানি সঠিকভাবে ড্রেনের মাধ্যমে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট বা পুকুরে নেওয়া।

সেডিমেন্ট ট্যাঙ্ক/লাগুন পদ্ধতি: তরল বর্জ্য থেকে কঠিন অংশ আলাদা করে সার হিসেবে ব্যবহার এবং পানি পরিশোধন করে মাছ চাষে কাজে লাগানো।

বর্জ্য পানির রিসাইক্লিং: পানি ফিল্টার করে খামার ধোয়ার কাজে পুনর্ব্যবহার।

🔹 ৩. কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

খাদ্যের অবশিষ্টাংশ, খড়কুটো ও শুকনো গোবরকে কম্পোস্ট করে সার তৈরি।

প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্য আলাদা করে পুনর্ব্যবহার বা নিরাপদে ফেলা।

🔹 ৪. পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থাপনা

বায়োফ্লক বা ফিশ কালচার: তরল বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে মাছ চাষে ব্যবহার।

বায়োফার্টিলাইজার উৎপাদন: গোবর-প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে মাটির জন্য প্রয়োজনীয় অণুজীব তৈরি করা।

গন্ধ নিয়ন্ত্রণ: চুন, বায়ো-এনজাইম বা মাইক্রোবিয়াল কালচার ব্যবহার করে দুর্গন্ধ কমানো।

🔹 ৫. প্রযুক্তি ব্যবহার

অটোমেটেড ম্যানিউর স্ক্র্যাপার: গোবর সংগ্রহে শ্রম ও সময় কমায়।

স্লারি সেপারেটর মেশিন: তরল ও কঠিন বর্জ্য আলাদা করে দ্রুত প্রক্রিয়াজাতকরণ।

বায়োডাইজেস্টার ট্যাঙ্ক: ছোট/মাঝারি খামারের জন্য বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণে কার্যকর।

✅ সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খামারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখে, রোগবালাই কমায়, পরিবেশ রক্ষা করে এবং অতিরিক্ত আয়ও নিশ্চিত করে।

  pellete machine  কৃষি বর্জ্য  থেকে  পিলেট এর জ্বালানি তৈরি করার মেশিন।  এই মেশিনের সাহায্যে  কৃষি বর্জ্যকে  সম্পদের রূ...
16/09/2025

pellete machine কৃষি বর্জ্য থেকে পিলেট এর জ্বালানি তৈরি করার মেশিন।
এই মেশিনের সাহায্যে কৃষি বর্জ্যকে সম্পদের রূপান্তর করা সম্ভব এবং পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব
কৃষি বর্জ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ হল। গরুর গোবর,ধানের খড়, ধানের তুষ, গমের খড়, বাদামের খোসা, ডাল জাতীয় ফসলের গাছ ও খোসা, আখের উচ্ছিষ্ঠাংশ,বাঁশ, শুকনো ভুট্টা গাছ, ও ভুট্টা সংগ্রহের পর ভুট্টার শুকনো মোচা, ও কাঠের গুড়ি, ইত্যাদি দিয়ে এই পরিবেশ বান্ধব চালানি তৈরি করা সম্ভব।
এই জ্বালানি ব্যবহারে খরচ জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের তুলনায় অর্ধেক এই পেলেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল বয়লার, রান্নার কাজে, মিষ্টির কারখানায়, বেকারিতে, হোটেল,রেস্টুরেন্টে এবং মেগা কিচেন গুলোতে রান্নার কাজে ব্যবহার করা যাবে এবং তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লার বিকল্প জ্বালানি হিসেবে খুব সাশ্রয় মূল্যে ব্যবহার করা যেতে পারে । এই জ্বালানি ব্যবহারের ফলে কৃষি বর্জের যথাযথ ব্যবহার হবে এবং কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হবে এবং একাধিক উদ্যোক্তা তৈরি হবে ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এবং পরিবেশ রক্ষা পাবে ।জীবাশ্ম জ্বালানির উপর চাপ কমবে । এবংএই জ্বালানি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা অত্যন্ত সহজ , এই জ্বালানি তৈরির মেশিন সমূহ এবংএই জ্বালানি ব্যবহারের বার্নার সমূহ খুব সহজে অটোমেশন করা যায়।

এই মেশিনটির সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন কাজী Kazi Agritech এর প্রতিনিধি সাথে 01836-761707

🐐 খাসি করার সঠিক সময় ও পদ্ধতি 🐐ছাগল বা ভেড়াকে খাসি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তবে এটি অবশ্যই অভিজ্ঞ পশুচিকিৎসক বা দক্ষ ক...
03/09/2025

🐐 খাসি করার সঠিক সময় ও পদ্ধতি 🐐

ছাগল বা ভেড়াকে খাসি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তবে এটি অবশ্যই অভিজ্ঞ পশুচিকিৎসক বা দক্ষ কারিগরের মাধ্যমে করা উচিত। ✨

✅ কখন খাসি করবেন?
👉 সাধারণত ৩–৬ মাস বয়সে খাসি করা সবচেয়ে ভালো।
👉 বেশি বয়স হলে রক্তপাত ও ইনফেকশনের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

✅ খাসি করার প্রচলিত দুটি পদ্ধতি:
1️⃣ সার্জিক্যাল পদ্ধতি (কেটে খাসি করা)
অণ্ডকোষ বের করে রক্তনালী কেটে বা বেঁধে দেওয়া হয়।
2️⃣ রক্তবিহীন পদ্ধতি (Burdizzo clamp দিয়ে চাপা)
বিশেষ যন্ত্র দিয়ে শুক্রনালী চেপে দেওয়া হয়, এতে অণ্ডকোষ শুকিয়ে যায়।

✅ পরিচর্যা:
👉 খাসি করার পর ৫–৭ দিন পরিষ্কার ও শুকনো জায়গায় রাখুন।
👉 ক্ষতস্থানে জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।
👉 প্রয়োজনে পশুচিকিৎসকের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক দিন।

⚠️ মনে রাখবেন—
অপটু লোক দিয়ে করলে ছাগল মারা যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই অবশ্যই অভিজ্ঞ পশুচিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

✍️ ভালো লাগলে শেয়ার করুন, খামারি ভাইদের উপকারে আসবে।
#ছাগল_পালন #খাসি #খামার_টিপস

আপনাদের অনুরোধে বাড়ন্ত গরুর রেশন ( শেয়ার দিয়ে খামারিদের উপকার করুন)বিশেষ দিকনির্দেশনা:** দেশি গরুর দৈহিক অজনের ১-১.৫% হা...
01/09/2025

আপনাদের অনুরোধে বাড়ন্ত গরুর রেশন ( শেয়ার দিয়ে খামারিদের উপকার করুন)

বিশেষ দিকনির্দেশনা:
** দেশি গরুর দৈহিক অজনের ১-১.৫% হারে দিবেন, কাঙ্ক্ষিত গ্রোথ পাবেন।
*** ক্রস গরুর ক্ষেত্রে
প্রতিদিন গড়ে ৫০০–৬০০ গ্রাম ওজন বাড়া উচিত - না পেলে সমস্যা বের করতে হবে।
এই খাদ্য তাদের বেশি কাজে লাগবে যারা ০ দিন থেকে ৬ মাস পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ভাবে বাছুর পালন করেছে।

অতিরিক্ত কনসেনট্রেট খাওয়ানো যাবে না → এতে মোটা হয়ে যাবে ও প্রজনন সমস্যা হতে পারে।

হাড়ের বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন A ও D, এবং ট্রেস মিনারেল নিশ্চিত করুন।

নিয়মিত কৃমিনাশক ব্যবহার করুন → খাদ্যের কার্যকারিতা বাড়ে।

পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানি সবসময় দিতে হবে:_ পর্যাপ্ত

নিয়মিত বৃদ্ধি এবং সুষম খাদ্য না হলে বকনা দেরিতে হিটে আসে।

সবুজ ঘাস ও খড়/ শুকনা ঘাস + দানাদারের অনুপাত ঠিক রাখুন= ৬০ঃ৪০

Mineral & Vitamin supplementation ঠিক রাখতে হবে (Ca, P, Vit A/D, trace minerals)

প্রথম 2–3 সপ্তাহে নতুন খাদ্য ধীরে ধীরে অভ্যাস করুন

দৈহিক বৃদ্ধি পর্বেক্ষণ করুন।

লোকালি পাওয়া যায় এমন খাদ্য দিয়ে তৈরি করা, দাম কমাতে সব সময় সহজে পাওয়া যায় পুষ্টি মানে ভালো দামে কম জিনিস ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। যে কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করুন।
উপাদান গুলি আপনার সহজ লভ্য এবং লাভজনক হলে তৈরি করে খাওয়াতে পারেন অন্যথায় আলাদা রেশন বানিয়ে নিন।

21/08/2025

বাংলাদেশের বিখ্যাত গরুর হাট কেনা বেচা কি বারে বসে এক নজরে দেখে নিন।

✅ কোথায় কি বারে, গরুর হাট 🙂 দেখে নিন 👇
গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা, কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায় এবং কি বারে হাট বসে ? এসব নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। চেস্টা করেছি বাংলাদেশের সেরা হাটগুলোর ঠিকানা সহ হাটবার জানাতে। পড়ুন বিস্তারিত...। 👇

✅ দেশের কোথায় কোন গরু হাট 🤔

এক ➡️ আপনার বাজেট যদি ৫০/৫৫ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, ঠাকুরগাঁওয়ের যাদুরাণী,নেকমরদ, রাজশাহীর চৌবাড়িয়া অথবা লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কেনা উচিত।

দুই ➡️ আপনি যদি ৬৫/৭০ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাঁড় বাছুর কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগঞ্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট পাঁচবিবি, পাবনার চতুর্বাজার। রাজশাহী সিটি হাট, দিনাজপুর আমবাড়ি হাট,কাহারোল ভালো।

তিন ➡️ বাজেট যদি ৭০ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গার হাট অথবা বালিয়াপাড়া হাট।

চার ➡️ শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার ধুপচাচিয়া ধাপের হাট অথবা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনাইচন্ডি উত্তম।

পাঁচ ➡️ শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী অথবা রাজশাহীর সিটি হাটে যেতে হবে।

ছয় ➡️ যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট অথবা সোমবারে নওগাঁ নিয়ামতপুরের ছত্রা হাট।

সাত ➡️ যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তত্ত্বিপুর হাট।

আট ➡️ বিভিন্ন জাতের মহিষ কিনতে হলে কুষ্টিয়ার আলমডাঙ্গা এবং রাজশাহী সিটি হাট। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

নয় ➡️ যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনকোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

দশ ➡️ ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাঁড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভালো গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা সেই অবস্থা নাই।

এগারো ➡️ কেউ যদি দেশী জাতের খাটো ভুট্টি/টেঙুরা টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুরের হাটগুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভজনক। কারন ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়। খাবার কম লাগে, এসব গরুর মুখে অনেক রুচি। রোগবালাই হয় না বললেই চলে। মধ্যবিত্ত যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

বারো ➡️ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী RCC (চিটাগং রেড কাউ) কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভালো।

সারাদেশের হাটের তালিকা 👇

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটা প্রতি মঙ্গলবার বড় গরুর হাট বসে এখানে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে। এছাড়া গোবিন্দাসী হাট, যমুনা ব্রিজের কাছে। এখানে দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে এই হাটে।জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার। রবি ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩. নোয়াখালি রামগঞ্জের সোনাপুর হাট। এখানে অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. রংপুর মিটাপুকুর থানার বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। শনিবার ও মঙ্গলবার বসে।বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. লালমনিহাট জেলার চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। এখানে শুকনো হাড্ডি সার দেশী গরু পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলার পৌরসভা হাটে প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৮. গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়। মহিমাগঞ্জ হাট প্রতি শনিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাঁড় পাওয়া যায়।

১০. মৌলভীবাজার জেলার মুন্সিবাজার হাটে সব ধরনের দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার। জেলার জুড়ী উপজেলায় বড় গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। দেশি গরুর জন্য ফুলতলা হাট বসে প্রতি শনিবার। কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায়। এছাড়া জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী ভালো গরু পাওয়া যায়।

১৫. নরসিংদী জেলার জংলী শিবপুর হাট প্রতি রবিবার বসে। বেলাবো হাট বসে প্রতি শুক্রবার। এখানে মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৬. চট্টগ্রাম বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
সাগরিকা হাট বৃহস্পতি ও সোমবার। হাটহাজারী স্টেশন বাজার প্রতি বৃহস্পতিবার।
মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার। রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি ও মঙ্গলবার।

১৭. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১৮. সিরাজগঞ্জের গ্যাস লাইন হাট বসে শুক্রবার। এখানে বড় সাইজের দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। চান্দাইকোনা ও রায়গঞ্জ হাট প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। পাংগাসির হাট, প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়। এনায়েতপুর হাট, শুক্রবার বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায় এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট। কাজীপুর নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৯. জয়পুরহাট পাঁচবিবি হাট প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২০. বগুড়া বনানী হাট। সোম ও শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়। মহাস্তান হাট, প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। লাল শাহীওয়াল বাছুরের জন্য বিখ্যাত হাট। ধুপচাচিয়া ধাপেরহাট, হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট এটি। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান বকনা ও গাভীর প্রচুর আমদানি এই হাটে।

২১. মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া হাট। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

২২. মানিকগঞ্জ আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক। এছারাও সাটুরিয়া ছনকা বাজার হাট, প্রতি শুক্রবার। এখানেও চরের গরু পাওয়া যায়।

২৩. পাবনা জেলার বেড়ায় চতুরহাট, প্রতি মঙ্গলবার বসে। শাহীওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত। বনগাও হাট, প্রতি মঙ্গলবার বসে। এই হাটে ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়। নাজিরহাট,ব প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।
আওতাপাড় হাট, প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। চাটমোহর রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

২৪. ঈশ্বরদী অরনকোলা হাট, প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান বকনা, গাভী ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

২৫. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়। সখিপুর হাট। প্রতি বুধ ও শুক্রবার বসে। সখিপুরের হাট খাশি এবং ষাঁড় গরুর জন্য ভালো। নড়িয়া ভোজেশ্বর হাট প্রতি শুক্রবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৬. ঢাকার কাছে কেরানীগঞ্জ হযরতপুর হাট, প্রতি শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাঁড় গরু বেশী পাওয়া যায়। ডেমরা সারুলিয়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

২৭. রাজশাহী শহরের পাশে সিটি হাট। হাটবার রবি ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ষাঁড়, বলদ ও দেশী ষাঁড় গরুর জন্য নামকরা। প্রচুর মহিষ আমদানি হয় এই হাটে। কাঁকন হাট বসে বৃহস্পতিবার। দেশি গরু ও ভেড়ার জন্য বিখ্যাত হাট। তানোর চৌবাড়িয়া হাট দেশি বড় গাভী ও ক্রস লাল বাছুর পাওয়া যায়। হাটবার শুক্রবার। এ ছাড়া বানেশ্বর হাট প্রতি শনিবার বিদেশি ক্রস ছাগল ও পাঠার জন্য সেরা হাট এটি।

২৮. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

২৯. নাটোর জেলার তেবাড়িয়া হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়। বিদেশি ক্রস ছাগলের জন্য নামকরা এই হাট।

৩০. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। শুনেছি এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৩১. রংপুর মিঠাপুকুর বৈরাতি হাট। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাঁড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়। বদরগঞ্জ থানা হাট, সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাঁড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৩২. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।
চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।
শিবগঞ্জের তত্ত্বিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। ইন্ডিয়ান দুধের গরু পাওয়া যায়। কানসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

৩৩. দিনাজপুর আমবারি হাট, প্রতি শুক্র ও সোমবার বসে। শাহীওয়াল বাছুর উন্নত মানের গাভি ও ষাঁড় পাওয়া যায়। চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৩৪. নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা বালুরমাঠ হাট, প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৫. বাগেরহাট মোল্লাহাটের উদয়পুর হাট।অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।
চিতলমারী হাট, সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়। পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়। বইডাংগা হাট প্রতি মঙ্গলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. কিশোরগঞ্জের শিমুলিয়া বাজার হাট। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৩৮. হবিগঞ্জ আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবি ও বুধবার। মাধবপুর এর মনতলা চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট। সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৯. চুয়াডাঙ্গা শিয়ালমারী হাট। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাঁড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। বিখ্যাত ডুগডুগি হাট এই জেলায়। বড় সাইজের গরুর জন্য খুব নামকরা। ক্রস ও দেশী ষাঁড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

৪০. নীলফামারী জেলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দামও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৪১. লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া যায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার ভোড় ৫.৩০ টা - ১১ টা। লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান বলদ গরু পাওয়া যায়।

৪২. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৪৩. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাঁড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট। প্রতি রবিবার বসে এই হাট।

৪৪. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৪৫. জামালপুর সরিষাবাড়ি, পিংলা হাট শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৪৬. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৭. ঠাকুরগাঁও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়। খামার উপযোগী হাড্ডিসার গরু পাওয়া যায় এই হাটে।

৪৮. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৪৯. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাঁড় গরুর জন্য ভালো হাট।

৫০. মাদারীপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু অনেক পাওয়া যায়।
জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে।

৫১. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে। এ ছাড়া মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়। পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।
ময়মনসিংহের নালিতাবাড়ী হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায় এই হাটে। হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৫২. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়। ফুলগাজী মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৫৩. চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে l

17/08/2025

গত কয়েকদিন ডেনমার্কের ডেইরী এক্সপার্টদের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখলাম। অনেক জানা বিষয়গুলোও আবার নতুন করে ঝালিয়ে নেওয়া হলো। জানা অজানা মিলে অভিজ্ঞতার ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে অনেককিছু। তার মধ্য থেকে আপনাদের সাথে কিছু বিষয় শেয়ার করতে চাই। হইতো আপনারা অনেকেই এই বিষয়গুলো জানেন।
তারপরেও লিখছি।
আজকে Calf Management বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করবো..

১। বাচ্চাকে জন্মের পর থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত তার দৈহিক ওজনের ১০-১৫% হারে (প্রথম ২-৩ সপ্তাহ ১৫% হারে) দুধ খাওয়াতে হবে। এরপরে দুধ খাওয়ানো ধীরে ধীরে কমিয়ে দিতে হবে। এইভাবে ৮ সপ্তাহে দুধ ছাড়াতে হবে। দুধ ছাড়ানো সময় বাচ্চা প্রতিদিন কমপক্ষে ১-১.৫ কেজি কাফ স্টার্টার বা দানাদার খাবার খাবে।

২। দুধ দিনে ৪-৫ বার খাওয়ানো উচিৎ। দুধ অবশ্যই উপর থেকে ৪৫ ডিগ্রী বাঁকা করে নিপলযুক্ত বালতি অথবা লম্বা নিপলযুক্ত মিল্ক ফিডিং বোতল দিয়ে আস্তে আস্তে সময় নিয়ে খাওয়াতে হবে যাতে দুধ সরাসরি Abomasum এ যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় নিপলযুক্ত বালতিটি উপরের দিকে ঝুলিয়ে রাখা যাতে বাচ্চা তার ইচ্ছে মতো বিরতি দিয়ে দুধ খেতে পারে।

৩। বাচ্চাকে ঠান্ডা দুধ খাওয়ানো যাবে না। দুধ ৩৭-৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উঞ্চ গরম করে খাওয়াতে হবে। বাচ্চাকে ৫ দিন বয়স থেকে ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত ফ্রেস পানি সব সময়ের জন্য সামনে রাখতে হবে যাতে সে ইচ্ছেমত পানি খেতে পারে। ঠান্ডা পানি খাওয়ানো যাবে না।

৪। বাচ্চাকে ২ সপ্তাহের মধ্যে ডিসবাডিং পেস্ট দিয়ে Disbudding (মুন্ডি) করে কাফ পেনে ৫-৬ টি করে বাচ্চা রেখে গ্রুপভিত্তিক পরিচর্যা করা। হট আয়রন মেথডে Disbudding করলে ১-১.৫ মাসের মধ্য মুন্ডি করতে হবে।

৫। বাচ্চাকে ৭ দিন বয়স থেকে রুমেন ডেভেলপমেন্ট এর জন্য ৫০ গ্রাম ভূট্টা গুঁড়া এবং ১০-১৪ দিনের মধ্যে ২৩-২৪% CP, ৭৫% এর উপরে TDN যুক্ত Calf Starter খাওয়ানোর অভ্যাস করা উচিৎ। ২-৩ সপ্তাহ বয়সে কচি ঘাস বা সহযে পরিপাচ্য রাফেজ খাওয়ানোর অভ্যাস করাতে হবে।

(চলবে..........)

লেখনে,
নাঈমুর রহমান জয়
বিসিএস (প্রাণিসম্পদ)
সায়েন্টিফিক অফিসার
কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার, সাভার, ঢাকা।

09/08/2025

গরুর মিনারেল খাদ্য তালিকা কেন অধিক গুরুত্বপূর্ণ

সুষম পুষ্টি নিশ্চিতে গরুর মিনারেল খাদ্য তালিকা থাকা জরুরি। গবাদি পশুর সুষম পুষ্টি যথেষ্ট পরিমাণে মিনারেল গ্রহণের উপর নির্ভর করে। ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস হাড়ের শক্তিতে সহায়তা করে, যখন ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ুর কার্যকারিতা সমর্থন করে। পটাসিয়াম পেশি সংকোচনে সহায়তা করে, বিভিন্ন মিনারেল খাদ্য তালিকার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। মিনারেলগুলি হাড়ের শক্তি থেকে শুরু করে গবাদি পশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পর্যন্ত সমস্ত কিছুতে অংশগ্রহণ করে। যদিও এটি ট্রেস পরিমাণে প্রয়োজন, কিন্তু এর ঘাটতি বা অভাব পশুর ওজন বৃদ্ধি, প্রজনন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দুধ উৎপাদন ব্যাহত করতে পারে।

গরুর মিনারেল চাহিদা নির্ণয়

গরুর মিনারেল চাহিদা তার জাত, লিঙ্গ, দৈহিক ওজন (বডি ওয়েট) এবং উৎপাদনশীলতার (মোটাতাজাকরণ, বাড়ন্ত অবস্থা, দুধ উৎপাদন, গর্ভাবস্থা ইত্যাদি) উপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হয়। হাতে কলমে গরুর মিনারেল চাহিদা নির্ণয় বেশ জটিল এবং সময় সাপেক্ষ কাজ। খামারিদের এই কাজকে অনেক সহজ করেছে “ফার্ম সেবা” ফিড ফর্মুলেশন সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের ‘রেশন ব্যালেন্সার’ ফিচার ব্যবহার করে খামারিরা খুব সহজে জাত, লিঙ্গ, দৈহিক ওজন এবং উৎপাদন ভেদে ভিন্ন ভিন্ন গরুর মিনারেল চাহিদা নির্ণয় করতে পারেন এবং কোন খাবার কি পরিমাণ দিলে সেই মিনারেল চাহিদা পুরন হয় সেটাও ব্যালেন্স করতে পারেন। তাছাড়াও মিনারেলের চাহিদা নির্ণয়ে আপনি একজন গবাদি পশুর পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে পারেন।

যে সকল খাদ্যে গরুর প্রয়োজনীয় মিনারেল উপস্থিত আছে

গরুর মিনারেল চাহিদা পূরণের জন্য সম্পূরক খাদ্য হিসেবা যে সকল খাবার সরবরাহ করা হয় তার খাদ্য তালিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ

1. লাইমস্টোন বা চুনাপাথর (Limestone)

যে মিনারেল অধিক পরিমাণে উপস্থিত আছেঃ ক্যালসিয়াম (37.02 %DM)

2. ডিসিপি পাউডার বা ডাই-ক্যালসিয়াম ফসফেট (Dicalcium Phosphate)

যে মিনারেল অধিক পরিমাণে উপস্থিত আছেঃ ক্যালসিয়াম (24.12 %DM), ফসফরাস (18.54 %DM), ম্যাগনেসিয়াম (1.70 %DM)

3. লবন (Salt)

যে মিনারেল অধিক পরিমাণে উপস্থিত আছেঃ সোডিয়াম (39.55 %DM)।

Address

Narayanganj

Telephone

84836140

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ARS AGO FARM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category