Rayhan Food's

Rayhan Food's “আপনাদের আস্থায় আমার ব্যবসা”
“সঠিক মানে পণ্য খুজে পাওয়া কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়”

23/01/2025
চেরাগের দৈত্য বলছিলো ৩ টার বেশি ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব নয়.... লে 🙂🙂
27/11/2024

চেরাগের দৈত্য বলছিলো ৩ টার বেশি ইচ্ছা পূরণ করা সম্ভব নয়.... লে 🙂🙂

23/11/2024

ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান উদ্ধার অভিযান

19/11/2024

❤️শুভ সকাল❤️
আজ মঙ্গলবার
০৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
১৯ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ,
১৬ জমাঃ আউঃ ১৪৪৬ হিজরি,
দিনটি সবার জন্য শুভ হোক।

16/11/2024

গ্রামের সুন্দরতা অদ্বিতীয়, সেখানে পাখিরা স্বপ্ন দেখে, শান্তির মধ্যে বিচরণ করে। গ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকা সত্যি একটি আনন্দ।

14/11/2024

👉ইন্ডিয়ান ট্যুরিস্ট ভিসা

যারা যারা ভিসা করতে আগ্রহী আপনাদের ফাইল রেডি রাখুন বা ফাইল রেডি থাকলে ফি সহ ফাইল অফিস এসে জমা দিয়ে রাখতে পারেন সেই ক্ষেত্রে আগে ফিলাপ সিরিয়াল আপনারই থাকবে।

আমরা কিন্তু নির্ভূলভাবে, সময় নিয়ে ভালো ভাবে ২-৩ বার একটা ফাইল চেক দিয়ে তার পরে ছাড়ি। যাতে একটা কাস্টমারের ভিসা মিস না হয়৷ ভিসা রেসিও আলহামদুলিল্লাহ ১০০% এখন পর্যন্ত।

★এছাড়া প্রতি শুক্রবার আমরা ৩দিন ২ রাতের ইন্ডিয়ান ট্যুর প্যাকেজ ও করে থাকি৷

★ ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা করতে যা যা প্রয়োজন;

১. পাসপোর্টের কপি
২. ইমেইল আইডি ও ফোন নাম্বার
৩. ন্যাশনাল আইডি/ জন্মনিবন্ধনের কপি
৪. ইউটিলিটি বিলের কপি (বর্তমান ঠিকানার)
৫. লাস্ট ইন্ডিয়ান ভিসার কপি (যদি থাকে)
৬. চাকুরীর (আইডি কার্ড ও NOC)/ ব্যবসায়ী হলে লাইসেন্স/ স্টুডেন্ট হলে আইডি কার্ড ও অবিভাবকের ব্যবসা বা চাকুরির প্রমাণপত্র ও ফোন নাম্বার
৭. লাস্ট ১০ বছরে কোন কোন দেশে ভ্রমণ করা হয়েছে, সেগুলার নাম
৮. ফটো সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ২*২ ইঞ্চি (হার্ড ও সফট কপি)
৯.ছয়মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট

★এছাড়া ইন্ডিয়ার ভিসার পাশাপাশি আমরা থাইল্যান্ড,মালেশিয়া,ভিয়েতনাম,সিংগাপুর ইত্যাদি দেশের ভিসা করে থাকি।

★প্রতি মাসে আমরা মালদ্বীপ- শ্রীলঙ্কা এবং নেপাল এর ট্যূর প্যাকেজ ও করে থাকি।

যোগাযোগ:
01517-030174
01763-987603

🌼🍃💐ফুল প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যার সৌন্দর্য এবং গন্ধে সুরভিত হয় চারপাশ ।🌸🍂🌻
14/11/2024

🌼🍃💐ফুল প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যার সৌন্দর্য এবং গন্ধে সুরভিত হয় চারপাশ ।🌸🍂🌻

পাসপোর্টের ভুল সংশোধন করবেন যেভাবেযারা পাসপোর্ট করেছেন কিন্তু তাতে কোনো ভুল তথ্য সন্নিবেশিত হলে কীভাবে সংশোধন করতে হবে, ...
10/11/2024

পাসপোর্টের ভুল সংশোধন করবেন যেভাবে
যারা পাসপোর্ট করেছেন কিন্তু তাতে কোনো ভুল তথ্য সন্নিবেশিত হলে কীভাবে সংশোধন করতে হবে, তা হয়তো জানেন না। তবে এ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। খুব সহজেই আপনি আপনার ই-পাসপোর্টের ভুল সংশোধন করতে পারবেন।

পাসপোর্টের ভুল তথ্য সংশোধন করতে প্রথমেই আপনার যে বিষয়টি জানতে হবে তা হলো পাসপোর্ট সংশোধন করতে হলে আপনার ইস্যু করা পাসপোর্টে নতুন করে তথ্য সংশোধনের সুযোগ নেই। বরং ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আপনাকে পুনরায় নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করতে হবে।

আপনার যদি প্রথম করা পাসপোর্টেই ভুল তথ্য আসে তবে সে ভুল তথ্য দেয়া পাসপোর্ট দেখিয়ে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করতে হবে। ভুল সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে পাসপোর্ট রিনিউ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

অনলাইনে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট https://www.epassport.gov.bd ঠিকানায় পাসপোর্ট রিনিউ করার সুযোগ রয়েছে। ভুল তথ্যের পাসপোর্টটি তৈরি করতে আপনাকে যতটি ধাপ পেরোতে হয়েছে পাসপোর্ট সংশোধনীর জন্য ঠিক ততটি ধাপই আপনাকে পেরোতে হবে।

তবে অপ্রাপ্তবয়স্কদের (অনূর্ধ্ব ১৮ বছর) ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জেএসসি বা জেডিসি বা এসএসসি বা দাখিল বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বা কারিগরি ও সমমানের যেকোনো একটি সনদপত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া তথ্য সংশোধনের জন্য লিখিত আবেদন ও অঙ্গীকারনামা লাগবে।

আবেদন ও অঙ্গীকারনামার ফরম এই ওয়েবসাইটের ফরম ও ফি অপশনে পাওয়া যাবে। এছাড়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসেও এই ফরমগুলো পাওয়া যাবে। তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদনকারীকে নিজ হাতে ফরমগুলো পূরণ করতে হবে। এরপর সেগুলো পাসপোর্ট অফিসে জমা দিতে হবে।

প্রয়োজনীয় যেসব কাগজপত্র লাগবে
এনআইডি।

অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমাদানকারীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের এনআইডির ফটোকপিও জমা দিতে হবে।

অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদ। জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমাদানকারীদের ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের এনআইডির ফটোকপিও জমা দিতে হবে।

জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, দাখিল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কারিগরি ও সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদগুলো থেকে যেকোনো একটি সনদপত্র।

অভিবাসীদের ক্ষেত্রে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট বা জব আইডি বা স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স লাগবে।

পুরোনো ই-পাসপোর্টের মূল কপি এবং যে পৃষ্ঠাগুলোতে পাসপোর্টধারীর ব্যক্তিগত ও ইমিগ্রেশনের তথ্য দেওয়া আছে সেগুলোর ফটোকপি।

ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য অনলাইন আবেদনের রঙিন মুদ্রিত কপি|

অ্যাপয়েন্টমেন্টসহ ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদনের সারাংশের মুদ্রিত কপি।

ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করলে ফি জমার রশিদ।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট অথবা পাসপোর্ট অফিসে প্রদর্শিত নমুনা ফর্মে লিখিত আবেদন ও অঙ্গীকারনামা।

সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে সরকারি অনাপত্তি বা অধ্যাদেশ সনদপত্র।

বৈবাহিক অবস্থা সংযোজন, পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে কাবিননামা।

স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে আপনি যে বাসায় থাকেন তার বিদ্যুৎ বা গ্যাস বিলের কপি।

যাদের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই, তাদের নাম, বয়স, বাবা-মায়ের নাম আংশিক বা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করতে হলে আদালতের হলফনামা লাগবে।


অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে 🌻

পুরোনো ই-পাসপোর্ট নবায়ন বা সংশোধনের জন্য অনলাইনে ই-পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করতে হবে। দুই ক্ষেত্রেই একইভাবে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে আইডি ডকুমেন্টস সেকশনে- Yes, I have an Electronic Passport (ePP) অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এরপর পুরোনো ই-পাসপোর্টের তথ্য দিতে হবে। আবেদনের সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, যেন এনআইডিতে দেওয়া তথ্যের সাথে মিল থাকে।

যেহেতু আপনি ই-পাসপোর্ট নিয়েছেন, সেহেতু ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের ওয়েবসাইটে আপনার নিজস্ব একটি অ্যাকাউন্ট আছে। তাই আগের ইমেইল ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর ডিরেক্টলি টু অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনে ক্লিক করুন।
এরপর নতুন ই-পাসপোর্ট করার মতো একে একে পাসপোর্ট টাইপ থেকে শুরু করে ঠিকানা পর্যন্ত সব সেকশনগুলো পূরণ করতে হবে। আইডি ডকুমেন্টসে বর্তমান ই-পাসপোর্টের সব তথ্য দেওয়ার পর প্যারেন্টাল ইনফরমেশন থেকে ডেলিভারি অপশন অ্যান্ড অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত নতুন ই-পাসপোর্ট আবেদনের মতো করে পূরণ করতে হবে। এরপর পুরো আবেদনপত্র পূরণের পর সাবমিট করুন। এরপর আবেদনের কপি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।

সংশোধন ফি 💸

নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদনের জন্য যে ফি দিতে হয়েছিল, নবায়ন বা ভুল তথ্য সংশোধনের জন্যও সেই একই ফি। এর বাইরে নাম অথবা বয়স সংশোধনের ক্ষেত্রে কোর্ট হলফনামা বাবদ দুই থেকে তিন হাজার টাকার মতো খরচ হতে পারে। অবশ্যই জমা রশিদটি নিয়ে আসতে হবে।
৪৮ পাতা ৫ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৪ হাজার ২৫ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা।

৪৮ পাতা ১০ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৫ হাজার ৭৫০ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৫০ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা।

৬৪ পাতা ৫ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৬২৫ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১২ হাজার ৭৫ টাকা।

৬৪ পাতা ১০ বছর মেয়াদ:
১৫-২১ কার্যদিবসের মধ্যে সাধারণ ডেলিভারিতে ফি ৮ হাজার ৫০ টাকা।
৭-১০ কার্যদিবসের মধ্যে জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা।
২ কার্যদিবসের মধ্যে অতি জরুরি ডেলিভারিতে ফি ১৩ হাজার ৮০০ টাকা।

আবেদন যেখানে জমা দেবেন 👥

বর্তমান ই-পাসপোর্টটি আপনি যেই অফিস থেকে নিয়েছিলেন, সেই অফিসে প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট নিয়ে অনলাইনে পাওয়া নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত থাকবেন। এরপর দায়িত্বরত কর্মকর্তা আপনার কাগজপত্র পরীক্ষা করে আপনাকে একটি ডেলিভারি স্লিপ দেবেন। স্লিপে সংশোধিত পাসপোর্ট সরবরাহের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ থাকবে। তাই সেটি যত্নসহকারে সংরক্ষণ করুন।

এছাড়া সংশোধিত হয়ে ই-পাসপোর্ট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এলে ওয়েবসাইট থেকেই জানা যাবে। ‘চেক স্ট্যাটাস’ অপশনে গিয়ে অ্যাপ্লিকেশন আইডি অথবা অনলাইন নিবন্ধন আইডি নাম্বার, জন্ম তারিখ এবং ক্যাপচা পূরণ করে চেক-এ ক্লিক করলেই ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস দেখাবে। ই-পাসপোর্ট তৈরি হলেই লেখা থাকবে Your passport ready for issuance। এরপর আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

সংশোধিত ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ 🧾

সংশোধিত ই-পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীকে সশরীরে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। পাসপোর্ট সংগ্রহের সময় ডেলিভারি স্লিপ, এনআইডি এবং পুরোনো ই-পাসপোর্ট লাগবে। আবেদনকারীকে সংশোধিত ই-পাসপোর্ট দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবেদনকারীর আঙ্গুলের ছাপ যাচাই করে নেবেন।

👉পাসপোর্ট নিয়ে যাবতীয় কথা।দেশ নতুনভাবে স্বাধীন হওয়ার পর অনেক জায়গায় বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীতি,অনিয়ম,হয়রা...
07/11/2024

👉পাসপোর্ট নিয়ে যাবতীয় কথা।
দেশ নতুনভাবে স্বাধীন হওয়ার পর অনেক জায়গায় বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীতি,অনিয়ম,হয়রানির অনেকগুলো ক্ষেত্রের মধ্যে পাসপোর্ট অফিস অন্যতম। একসময় দালা ছাড়া পাসপোর্ট ভাবাই যেতো না। কিন্তু বর্তমানে সেটার পরিবর্তন এসেছে।

💐এখন দালাল ছাড়াই নির্বিঘ্নে নিজে ঘরে বসেই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি ছাড়াই কাগজপত্র জমা দিয়ে আসতে পারবেন। যদিও বর্তমানে পাসপোর্টের সকল আঞ্চলিক অফিস এবং প্রধান কার্যালয় আগারগাঁও এ মানুষের ভিড় আগের চেয়ে বেশি। কারণ এখন মানুষ অতিরিক্ত টাকা ছাড়াই নির্ধারিত ফি এর মাধ্যমে পাসপোর্ট সহজে পাচ্ছে। এরপরও যারা দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করবেন সেটা তাদের ব্যর্থতা।

👉 পাসপোর্ট আবেদনের পদ্ধতি:-
প্রথমেই (Bangladesh e‑Passport Online Portal) এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের NID অনুসারে একটি একাউন্ট করে নিতে হবে। তারপর ৫ টি STEP অনুসরণ করে যেসব তথ্য চাইবে সেগুলো পূরণ করতে হবে। সাবমিটের পূর্বে অবশ্যই কোনো তথ্য ভুল হয়েছে কিনা সেটা বার বার চেক করে নেওয়া উচিত। কারণ সাবমিট করার পর কোনোভাবেই তা Edit করা যায় না।

👉 ৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট ফি ৪০২৫/-
👉 ৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠা জরুরী পাসপোর্ট ফি ৬৩২৫/-
👉 ৫ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠা অতীব জরুরী পাসপোর্ট ফি ৮৬২৫/-
👉 ১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৫৭৫০/-
👉১০ বছর মেয়াদী ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জরুরী ফি ৪০২৫/-।
👉 দশ বছর মেয়াদী ৪৮ পীর সাব পাসপোর্ট অতীব জরুরী ফি ১০৩৫০/-

👉সাবমিট করার সময় ফি জমা দেওয়ার অপশনে offline সিলেক্ট করা উত্তম।
👉Offline হলে দুইভাবেই টাকা জমা দেওয়া যায়।
👉মোবাইল ব্যাংকিং এবং ব্যাংকিং সিস্টেম উভয়ই।
👉এপ্লাই করার পর- ৩ পৃষ্ঠার এপ্লিকেশন কপি ও ১ পৃষ্ঠার সামারি কপি প্রিন্ট করে নিতে হবে।

👉পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পূর্বে যেসব কাগজপত্র/ Documents নিয়ে যেতে হবে-

১)এপ্লিকেশন প্রিন্ট কপি
২) সামারি কপি
৩/চালান ফরম (ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধিত টাকার স্লিপ)
৪/ নিজের NID/Birth Certificate কপি
৫) NID Verification copy
৬) মা ও বাবার NID কপি
৭) পেশা Student দেওয়া হলে আইডি এবং শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটি সার্টিফিকেট, Business দেওয়া হলে ট্রেড লাইসেন্স,Private Service হলে ID card এর কপি, Unemployment দেওয়া হলে কোনো ডকুমেন্ট লাগবে না।
৮) নাগরিকত্ব সনদ/জাতীয়তা সনদ

👉 পুলিশ ভেরিফিকেশনে যেসব কাগজপত্র লাগবে-
১) NID/Birth Certificate copy
২)বিদ্যুৎ বিল(যেকোনো বিলের কপি)
৩/ জায়গার খতিয়ান
৪/ জাতীয়তা সনদ

নিয়মিত ডেলিভারিতে ২১-৩৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আপনার হাতে পেয়ে যাবেন।

Note: পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর Status Check করে প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখতে পারবেন আপনার পাসপোর্ট কোন পর্যায়ে আছে।

👨‍💻হটলাইন:
☎ +880 15170-30174
☎ +880 01763-987603

✈️হোয়াটসঅ্যাপ:
■ wa.me/+8801763-985603
📧 ই-মেইল: [email protected]
🇧🇩 অফিসের ঠিকানা : নাটোর সদর, নাটোর

প্রতিটি ফুল একটি নতুন সূর্যোদয়ের প্রতীক, যা আমাদের দিনকে আলোকিত করে।
06/11/2024

প্রতিটি ফুল একটি নতুন সূর্যোদয়ের প্রতীক,
যা আমাদের দিনকে আলোকিত করে।

ফুলের কোমলতা এবং সৌন্দর্য আমাদের মনে শান্তি এনে দেয়।
05/11/2024

ফুলের কোমলতা এবং সৌন্দর্য আমাদের মনে শান্তি এনে দেয়।

পাসপোর্ট নিয়ে যাবতীয় কথা।দেশ নতুনভাবে স্বাধীন হওয়ার পর অনেক জায়গায় বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীতি,অনিয়ম,হয়রান...
05/11/2024

পাসপোর্ট নিয়ে যাবতীয় কথা।
দেশ নতুনভাবে স্বাধীন হওয়ার পর অনেক জায়গায় বিশাল পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশের দুর্নীতি,অনিয়ম,হয়রানির অনেকগুলো ক্ষেত্রের মধ্যে পাসপোর্ট অফিস অন্যতম। একসময় দালা ছাড়া পাসপোর্ট ভাবাই যেতো না। কিন্তু বর্তমানে সেটার পরিবর্তন এসেছে।
এখন দালাল ছাড়াই নির্বিঘ্নে নিজে ঘরে বসেই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং আবেদন করার পর পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতি ছাড়াই কাগজপত্র জমা দিয়ে আসতে পারবেন। যদিও বর্তমানে পাসপোর্টের সকল আঞ্চলিক অফিস এবং প্রধান কার্যালয় আগারগাঁও এ মানুষের ভিড় আগের চেয়ে বেশি। কারণ এখন মানুষ অতিরিক্ত টাকা ছাড়াই নির্ধারিত ফি এর মাধ্যমে পাসপোর্ট সহজে পাচ্ছে। এরপরও যারা দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করবেন সেটা তাদের ব্যর্থতা।

** পাসপোর্ট আবেদনের পদ্ধতি:-
প্রথমেই (Bangladesh e‑Passport Online Portal) এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের NID অনুসারে একটি একাউন্ট করে নিতে হবে। তারপর ৫ টি STEP অনুসরণ করে যেসব তথ্য চাইবে সেগুলো পূরণ করতে হবে। সাবমিটের পূর্বে অবশ্যই কোনো তথ্য ভুল হয়েছে কিনা সেটা বার বার চেক করে নেওয়া উচিত। কারণ সাবমিট করার পর কোনোভাবেই তা Edit করা যায় না।

** 10 বছর মেয়াদী 48 পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৫৭৫০/- এবং ৫ বছর মেয়াদী 48 পৃষ্ঠার পাসপোর্টের ফি ৪০২৫/-।

সাবমিট করার সময় ফি জমা দেওয়ার অপশনে offline সিলেক্ট করা উত্তম। Offline হলে দুইভাবেই টাকা জমা দেওয়া যায়। মোবাইল ব্যাংকিং এবং ব্যাংকিং সিস্টেম উভয়ই।
এপ্লাই করার পর- ৩ পৃষ্ঠার এপ্লিকেশন কপি ও ১ পৃষ্ঠার সামারি কপি প্রিন্ট করে নিতে হবে।

** পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পূর্বে যেসব কাগজপত্র/ Documents নিয়ে যেতে হবে-
১)এপ্লিকেশন প্রিন্ট কপি
২) সামারি কপি
৩/চালান ফরম (ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিশোধিত টাকার স্লিপ)
৪/ নিজের NID/Birth Certificate কপি
৫) NID Verification copy
৬) মা ও বাবার NID কপি
৭) পেশা Student দেওয়া হলে আইডি এবং শিক্ষাজীবনের যেকোনো একটি সার্টিফিকেট, Business দেওয়া হলে ট্রেড লাইসেন্স,Private Service হলে ID card এর কপি, Unemployment দেওয়া হলে কোনো ডকুমেন্ট লাগবে না।
৮) নাগরিকত্ব সনদ/জাতীয়তা সনদ

** পুলিশ ভেরিফিকেশনে যেসব কাগজপত্র লাগবে-
১) NID/Birth Certificate copy
২)বিদ্যুৎ বিল(যেকোনো বিলের কপি)
৩/ জায়গার খতিয়ান
৪/ জাতীয়তা সনদ

নিয়মিত ডেলিভারিতে ২১-৩৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট আপনার হাতে পেয়ে যাবেন।
Note: পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর Status Check করে প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখতে পারবেন আপনার পাসপোর্ট কোন পর্যায়ে আছে।

Address

নাটোর
Natore
6400

Telephone

+8801763987603

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rayhan Food's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rayhan Food's:

Share