Abir Hasan Niloy

Abir Hasan Niloy আবির হাসান নিলয়

গল্প= ভালোবাসিপর্ব= ১০আবির হাসান নিলয় আম্মু= জান্নাত চল তোর রুমে যায়।জান্নাত= নাহ.....আম্মু = কেন?জান্নাত= এখানে বলো।জান...
09/12/2021

গল্প= ভালোবাসি
পর্ব= ১০
আবির হাসান নিলয়

আম্মু= জান্নাত চল তোর রুমে যায়।
জান্নাত= নাহ.....
আম্মু = কেন?
জান্নাত= এখানে বলো।

জান্নাত কে জোর করে জান্নাতের আম্মু জান্নাতের রুমে নিয়ে নিতে লাগলো। জান্নাত রুমে যাওয়ার পরেই অনেক ভয় পেয়ে গেলো। নিলয় যে আমার রুমে এই অবস্থায় আছে। আম্মু যদি দেখে। পরে আমার কি হবে। জান্নাতের বুকের ভিতর থরথর করে কাঁপছে মনে মনে বলছে।

জান্নাত রুমে গিয়ে দেখে নিলয়ও নাই। এবং কি নিলয়ের ভাবি ও নাই। জান্নাত তো আরো ঘাবড়ে গেলো। এ অল্প সমতেই তারা কথায় গেলো মনে মনে জান্নাত ভাবলো। তখুনি জান্নাতের আম্মু বললো।

আম্মু= কিরে জান্নাত এখানে এটা কিসের রক্ত।
জান্নাত= কয় কিসের রক্ত।
আম্মু= এই দেখ।
জান্নাত= আরে মা এটা তো রং?
আম্মু= ওহহ?

জান্নাত আর কি করবে। জান্নাতের আম্মু যদি জানে বা নিলয়ের আম্মু জানে। পরে আমার কি হয়ে। সেটা তারা নিজেও জানে না।

জান্নাত= তুমি আমার রুমে বস আমি একটু আসছি।
আম্মু= ওকে তাড়াতাড়ি আসছিস।

জান্নাত রুম থেকে বাহির হয়ে নিলয়ের ভাবির রুমে গেলো। রুমে গিয়েও ভাবিকে পাইনি। তার পর জান্নাত রান্না ঘরে গেলো। গিয়ে দেখে নিলয়ের আম্মু আর নিলয়ের ভাবি। রান্না করতেছে। জান্নাত ভাবি কে বল্লো।

জান্নাত= ভাবি তুমি না আমার রুমে ছিলা।
ভাবি= কয় না তো।
জান্নাত= তুমি কি আমার সাথে মজা করছো
নাকি।
ভাবি= কি মজা করছি।
জান্নাত= নিলয় কথায়।
ভাবি= আমি কি জানি নিলয় কথায়।
জান্নাত= নিলয় আর তুমি আমার রুমে ছিলা না।
জান্নাত= তুমি কি পাগল হয়ে গেছে নাকি। তখুনি নিলয়ের আম্মু বলে উঠলো।

আম্মু= জান্নাত কি হয়েছে রে মা।
জান্নাত= আন্টি নিলয় কে খুঁজে পাচ্ছি না।
আম্মু= কি বলছো নিলয় কে খুঁজে পাচ্ছো না।
জান্নাত= হুম. আন্টি সব রুমে খুঁজে দেখেছি।
কিন্তু নিলয়কে পাচ্ছি না।

নিলয়ের আম্মু। নিলয়ের ভাবি জান্নাত সবাই নিলয় কে খুঁজতেছে। কিন্তু কথায় পাচ্ছে না।

জান্নাত= ভাবি তুমি তো সব কিছু জানো।
ভাবি= কি জানি আমি 😡 তুমি কি আজে বাজে
বলছো।
জান্নাত= তুমি জানো না।

নিলয়ের ভাবি এই সবের কিছু জানলেও বলবে না। কারণ নিলয় জান্নাতের রুম থেকে উধাও হয়ে গেছে।
নিলয়ের আম্মু ভেঙে পড়তে লাগলে। নিলয়কে খুঁজে না পাওয়ায়। নিলয়ের বড় ভাইও হয়রান হয়ে গেছে। নিলয় কে খুঁজতে খুঁজতে।

কিছুক্ষণ পর

জান্নাত বালিশের উপর থেকে ফোন টা নিয়ে নিলয়ের নাম্বারে কল দিতে লাগলো। ওই পাশ থেকে বেশে আসলো।এই মুহুর্তে আপনার কাংখিত নাম্বার টি বন্ধ আছে। জান্নাত নিলয়ের ফোন বন্ধ থেকে। নিলয় বড় বোন ইয়াছমিন এর কাছে গেলো। গিয়ে দেখে ইয়াছমিন বই পড়ছে।

জান্নাত ইয়াছমিনের কাছে গিয়ে বললো।

জান্নাত= ইয়াছমিন আপু.....(পিছন থেকে)
ইয়াছমিন= আরে জান্নাত তুমি
আমার রুমে......(জান্নাতের হাত ধরে)
জান্নাত= আপু নিলয় কথায় জানেন।
ইয়াছমিন= নিলয় এর কথা বলছো।
ও একটা পাগল কোন সময় কথায় যায় কে জানে।
তুমি নিলয় কে খুঁজছো কেন।
জান্নাত= সবাই তো নিলয়কে খুঁজছে।
কিন্তু কেউ পাচ্ছে না।
ইয়াছমিন= কেন কি হইছে নিলয়ের।
জান্নাত= আপু তুমি এক কাজ কর তুমি নিলয়ের
নাম্বারে ফোন দাও।
ইয়াছমিন= ওকে।

ইয়াছমিন নিলয়ের ফোনে কল দিয়ে দেখে বন্ধ।


ইয়াছমিন= নিলয় ফোম তো বন্ধ।
জান্নাত= হুম আপু. আমিও কত বার দিছি কিন্তু
বন্ধ।
----------------------------------------------------------------------
নিলয় আর আবিরের কথা

আমি= দোস্ত আমি যে তোর কাছে চলে এসে ছি
আমার বাসার কেউ যেন না জানে।
আবির= আগে নিজের শরীর টা দেখ তার পর তোর ফ্যামিলীর চিন্তা করিস।
আমি= আবির আমি কখনো ভাবি নি জান্নাত
এমন টা কাজ করে বসবে। আজ বুঝেছি জান্নাত আমাকে কতটা ভালোবাসে।
আবির= আচ্ছা নিলয় তোর প্রতি জান্নাতের কোনো টান নাই।
আমি= সেটা তো দেখতেই পাচ্ছি।
আবির= নিলয় তোর এখন যে অবস্থা। এই অবস্থায় তুই তোর বাসায় যেতে পারবি না তো। আমার বাসায় আরো কই একদিন থাক বেড়া।
আমি= হুম....।

এতক্ষণ যার সাথে কথা বলছি এ আমার বন্ধ আবির। আমি বাসা থেকে চুরি করে আবিরের বাসায় চলে আসছি। জান্নাতের সাথে আমার সাথে যে ঘটনা টি শুনেছেন এটা সত্যি। আমি জান্নাত কে প্রচুন্ড ভালোবাসি। আমি যে চুরি করে চলে এসে ছি এটা আমার ভাবি ছাড়া কেউ জানেনা। আমি আসবার সময় ভাবি কে বলে আসছি কেউ যেন না জানে।

------------------------------------------------------------------
দাদু আর আম্মু কথা
দাদু= বৌ মা নিলয় কে বলে তোমরা খুঁজে পাচ্ছো না
আম্মু= হুম আম্মা. নিলয়কে তো খুঁজে পাচ্ছি না
দাদু= তোমরা কেউ জানো না নিলয় এখন কথায়।
আম্মু= জানলে কি আর আপনাকে বলতম।
দাদু= তা তো ঠিক। এখন আমার নাতি কে। খুঁজে বের কর তোমরা। আমার কিছুতেই মন মানছে না
আম্মু= হুম দেখতে ছি।

দাদু নিলয়ের রুমে গেলো। নিলয়ের রুমটা একদম খালি খালি লাগছে। যখন নিলয় আমাদের মাঝে
থাকে মনে হয়। একটা পাগল ছেলে থাকে। কারণ আমার নাতি টা সব সময় আমার সাথে দুষ্টামি করতো।

এখন নিলয় বাসায় নাই মনে হয়। পুরো বাড়ি টা। একদম খালি হয়ে গেছে। চুপ চাপ লাগে। কেন জানি নিলয়কে কথা বার বার মনে পড়ছে। নিলয়ের মত যদি আরেক টা আমার নাতি থাকতো
তাহলে আর কোনো কথায় ছিলো না।

ওই দিকে জান্নাত। জান্নাতের রুমে জান্নাত সেই কলম টি নিয়ে কি যেন ভাবতেছে। হটাৎ নিলয়ের ভাবি জান্নাতের রুমে গেলো। রুমে গিয়ে দেখে জান্নাত হাতে একটা কলম নিয়ে কি যে ভাবতেছে।

ভাবি= জান্নাত তুমি কি ভাবতেছো।
জান্নাত= কই কিছু না তো?
ভাবি= তাহলে মন ভাঙ্গা নিয়ে কলম হাতে নিয়ে
বসে আছো কেন?
জান্নাত= ভাবি নিলয়ের কথা বার বার মনে পড়ছে।
ভাবি= সেটা তো আমি দেখতে পাচ্ছি। আচ্ছা জান্নাত তুমি কি নিলয়কে একটুও ভালোবাসো না।
জান্নাত= ভাবি বিশ্বাস কর নিলয়কে আমি ওই দিন।কলেজে একটা মেয়ের সাথে দেখে আমার সহ্য হচ্ছিলো না। তাই সেই দিনের পর থেকে আমি নিলয়কে ইগনোর করতাম।

ভাবি= নিলয় আমাকে সব বলেছে। তোমাদের ব্যাপারে। কিন্তু নিলয় তোমাকে অনেক ভালোবাসতো এখন আর বাসে না।

জান্নাত= নিলয় তোমাকে কি কি বলেছে আমায় বলোনা ভাবি প্লিজ 🙏
ভাবি= নিলয় মৌমিতা নামে কোনো মেয়ে টেয়েকে ভালোবাসে না।
জান্নাত= আর কি কি বলেছে। বলোনা ভাবি।
ভাবি= নিলয় নাকি একটা মেয়েকে প্রচুর ভালোবাসে।
জান্নাত= আমি বিশ্বাস করি না। নিলয় শুধুই আমাকে ভালোবাসবে। আমি নিলয়ের মুখ থেকে শুনতে চাই.......(কান্না করতে করতে বল্লো🥺)
ভাবি= নিলয় কে কি আমরা এখনো খুঁজে পাইছি নাকি। যে তুমি নিলয়ের মুখ থেকে শুনতে।

নিলয় তো তোমার কারণে বাসা ছেড়ে চলে গেছে।
নাহলে কি নিলয় বাসা থেকে যেতো নাকি। সব তো
তোমার কারণ হইছে। এখন সব দোষ তো তোমার

জান্নাত= সব দোষ আমার আমি মানলাম কিন্তু নিলয় বাসা ছেড়ে যাবে কেন।
ভাবি= সেটা তো তুমি আর নিলয় জানো।
জান্নাত= তুমি কিছু জানো না বুঝি। আমার রুমে তো তুমি আর নিলয় ছিলা আর কেউ ছিলো না
তুমি থাকতে নিলয় কেমনে উধাও হয়।
ভাবি= আমি কেমনে জানি নিলয় তোমার রুমে থেকে উধাও হয়ে গেছে।
জান্নাত= তুমি সব কিছু জানো। হয় তো আমাকে বলছো না।

জান্নাত কাদ্দে থাকলো। ভাবি জান্নাতের দিকে তাকিয়ে আছে। জান্নাত নিলয়কে এতই ভালোবাসে। সামান্য কলমে একটা গুঁতা দিয়ে এখন কাঁদছে। 🥱

জান্নাত= তোমার হাসতে ইচ্ছে করছে। আর আমার কি হচ্ছে এটা বুঝোনা। 🥺
ভাবি= তা তো আমার চোখের সামনে দেখতে ছি।
আচ্ছা জান্নাত তুমি এক কাজ কর নিলয়ের বন্ধু আবির আছে না।
জান্নাত= হুম। তো
ভাবি= তাকে কি জিজ্ঞেস করছো। নিলয় তার কাছে কি আবির গেছে নাকি।

জান্নাত ভাবির এই কথা শুনে চমকে উঠলো। আবির যে নিলয়ের বন্ধু এটা তো আমার মনে নেই। জান্নাত ফোন টা হাতে নিয়ে আবিরের নাম্বার খুঁজে বেড় করলো। বের করে আবির নাম্বারে কল দিলো।

জান্নাত= তুমি আবির না।
আবির= হুম. আমি আবির আপনি কে।
জান্নাত= আমি কে সেটা তোমাকে জানতে হবে না।
আগে বল নিলয় কথায়।
আবির= নিলয় কথায় মানে। আমি কেমনে জানি নিলয় কথায়।
জান্নাত= এত কথা বুঝিনা তুমি নিলয় কে ফোনটা দাও।
আবির= আরে আপনি এভাবে কথা বলছেন কেন।
জান্নাত= কি ভাবে কথা বলতে হবে তোর সাথে। আমার জানা আছে।
আবির= নিলয় আমার বাসায় নাই আপনি অন্য খানে খুঁজেন।
জান্নাত= আমি জানি নিলয় তোর বাসায় আছে।

চলবে..................❤️❤️❤️

গল্প= কালো ছায়ার ঘটনা পর্ব= ০২আবির হাসান নিলয় আমি রুমে এসে দেখি আমার স্বামী খাটের উপরে শুয়ে আছে আমি আস্তে আস্তে পায়ে হেঁ...
09/12/2021

গল্প= কালো ছায়ার ঘটনা
পর্ব= ০২
আবির হাসান নিলয়

আমি রুমে এসে দেখি আমার স্বামী খাটের উপরে
শুয়ে আছে আমি আস্তে আস্তে পায়ে হেঁটে হেঁটে আমি আমার স্বামীর কাছে আসলাম আমার স্বামী
আমার চোখের দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছে।
আমার চোখে তার চোখ পড়তেই তিনি বলে উঠলেন।

আবির= জান্নাত তোমার কপালে ওটা কিসের দাগ।

আচমকা কথাটি শুনে আমি চমকে গেলাম। আমি উত্তর দিলাম।

জান্নাত= ইয়ে মানে............😔(কথা আটকে গেলো)
আবির= শুধু মানে মানে করছো কেন। বলো এটা কিসের দাগ।
জান্নাত= না মানে ওয়াশ রুমে ফ্রেস হতে গিয়ে পাঁ পিছলে পড়ে গেছি তাই হয় তো দাগ লেগে আছে।

আবির= ওওও....আহারে আমার বৌ টা পা পিছলে পড়ে গেছে। আমাকে আগে বলবা না।

আমার স্বামী এই কথা বলে আমাকে বুকে টেনে নিয়ে আদর করতে লাগলো।

আচমকা রাতের সেই ঘটনাটার কথা মনে পড়ে গেলো। এর মধ্যে আবার আমার স্বামী আমাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে। এমনিতেই আমার এই সব ভালো লাগেনা। আমি তাকে বললাম।

জান্নাত= এই ছাড়ুন আমি মরে যাবো। আজ আমার স্বামী বাসায় আসেননি তাই আমার সাথে এই সব করছেন। প্লিজ আমাকে ছাড়ুন। আমি

আমি আমার স্বামীর বুক থেকে সরতেই আমার স্বামী বলে উঠলেন।

আবির= এই তোমার কি হয়েছে তো বল। কিছুক্ষণ
আগে আমাকে চিনতে পাড়ছোনা। এখন আবার আমাকে বলছো। এই ছাড়ুন। আসলে তুমি কি পাগল হয়ে গেছো নাকি। আমি আমার স্বামীর মুখ থেকে এই সব কথা শুনে আমার মাথা ধরে গেলো।
মাথা টা ঝিম ঝিম করছে। এমন সব আমার স্বামী আমাকে জড়িয়ে ধরে খাটের উপরে শুয়ে দিলো।

কখন যে আমি ঘুমিয়ে গেলাম তা ঠিক মনে নেই।

কিছুক্ষণ পর যখন আমার হুঁশ আসলো। আমি চোখ মেলে দেখি আমার স্বামী আমার পাশে বসে আছে আর আমার মাথায় হাত বুলাইতাছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম।

জান্নাত= এই আমার কি হয়ে ছিলো। আমার মাথা ভিজা কেন।

আবির= কিছু হইনি। আচ্ছা তুমি শুয়ে থাকো আমি আসতে ছি।

ও হ্যা আমি আবির জান্নাতের হবু স্বামী। জান্নাত আমার স্ত্রী। আমাদের বিয়ে হয়েছে আজ ১ মাস।
আমি জান্নাতকে বিয়ে করতে রাজি ছিলাম না। জান্নাতের বাবা আমার সাথে জোর করে বিয়ে দিলো।

জান্নাত নাকি আগে একটা ছেলেকে ভালোবাসতো।
ছেলেটার নাম নাকি নিলয়। আমি জান্নাতের আর নিলয় ব্যাপারে বেশি কিছু জানি না। আর তাদের ব্যাপারে আমি কিছু বলেনি কারণ জান্নাত বাবা না করছে।

একদিন নাকি জান্নাত তাদের বাসার ছাদের উপরে বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে ছিলো। হটাৎ পা পিছলে ছাদের উপরে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেলো।

তার কারণে জান্নাতের সব নেকামো আমি সহ্য করে নিতে হয়।

তার পর আমি বাহিরে থেকে রুমে এসে দেখি জান্নাত শোয়া থেকে উঠে জানালা দিয়ে। এক দৃষ্টিতে একটা কবরের দিকে তাকি আছে।

আর যেই কবর টার দিকে জান্নাত তাকি আছে এই কবরটা কিছু দিন আগে রাতের অন্ধকারে চুরি করে মাটি দেওয়া হয়েছে। আমি জান্নাতের কাছে গিয়ে বললাম।

আবির= এই জান্নাত এই ভাবে কবরের দিকে তাকিয়ে আছো কেন।

আমার হাতটা সরিয়ে জান্নাত বললো।

জান্নাত= ইয়ে আপনি কে আমার গায়ে হাত দিছেন কেন। জান্নাত যখন আমার দিকে তাকালো। আমি জান্নাতের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখি জান্নাতের চোখ দু'টো আগুনের মত লাল হয়ে আছে।

জান্নাতের চেহারাটা জানি পুরুষ মানুষ মত হয়ে গেছে। আমি জান্নাতের এই সব দেখে ভয় পেয়ে গেলাম। আমি মনে মনে ভাবলাম এই রুকুম জান্নাতের চেহারাটা আগে তো কখনো হয়নি। তবে

আজ কেন এমন হল।

জান্নাত বিছানা থেকে উঠতে লাগলো। বিছানা থেকে উঠে আমার গলা টিপে ধরলো। আমি তাকে বললাম

আবির= জান্নাত তুমি এটা কি করছো। আমার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে তো। ছাড় বলছি। আবির অনেক জোড়া জুড়ি করার পরেও আবির কে ছাড়ছে না।

হটাৎ জান্নাতের গলা থেকে ছেলে কন্ঠ বলে উঠলো।

জান্নাত= ওই তুই জান্নাত কে বিয়ে করছিস কেন।
ও শুধু আমার।
আবির এই কথা শুনে আছাড় জড়ো হয়ে গেলো।
আবির ভয়ে ভয়ে বললেন।

আবির= আমি বিয়ে করে ছি মানে। জান্নাত আমার হবু স্ত্রী। আপনি কে। জান্নাতের মুখ ধকধকে লাল হয়ে গেলো।
আবির তো অনেক ভয় পেয়ে গেলো। এটা কি করে সম্ভব। জান্নাত এমন করছে কেন। আবির কিছুই ভেবে পাচ্ছে না।

জান্নাত খাটের ৩/৪ হাত উঁচু হয়ে গেলো। জান্নাত হাওয়ায় উড়ছে। উড়িয়ে উড়িয়ে। দরজা দিয়ে বেড় হতে চাচ্ছে। কিন্তু আবির কিছুতেই বেড় হতে
দিচ্ছে না। আবির দরজার সামনে গিয়ে দরজা আটকিয়ে দিলো। দরজা আটকানোর কারণে জান্নাত আর বেড় হতে পারলো না।

হটাৎ জান্নাতের শরীর থেকে হাওয়ার মত কি জানি উড়ে চলে গেলো। জান্নাত আস্তে আস্তে নিচে পড়ে যেতে লাগলো । ১ মিনিট পর জান্নাত পানি পানি করতে লাগলো। জান্নাতের চিৎকার শুনে জান্নাতের শাশুড়ী পাশের রুম থেকে চলে আসলো।

শাশুড়ী= আবির বৌ মার কি হইছে। ও ফ্লোরে শুয়ে আছে কেন।
আবির= না মা কিছু হয়নি মাথা ঘুরে পড়ে গেছে।
শাশুড়ী= তুই আবার আমার বৌ মাকে মারিস নিতো।
আবির= আরে কি বলছো আমি জান্নাত কে মারতে যাবো কেন।
শাশুড়ী= তাহলে আমার বৌ মার এ অবস্থা ক্যামনে হইলো।
আবির= এত কথা না বলে জান্নাত কে বিছানায় নিয়ে চলো।

আম্মু আর আমি জান্নাতকে বিছানায় শুয়ে দিলাম

কিছুক্ষণ পর।

আমি জান্নাতের বাবাকে ফোন দিলাম।

আবির= আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল।
আঙ্কেল= ওয়ালাইকুম আসসালাম বাবা কি খবর তোমাদের।
আবির= জ্বি আঙ্কেল ভালো। তবে একটা সমস্যায় পড়ে গেছি।
আঙ্কেল= কি সমস্যা বাবা।

জান্নাতের ব্যাপারে সব খুলে বললাম। খুলে বলার পর আঙ্কেল বললেন।

আঙ্কেল= আবির দেখ জান্নাতের বিয়ের আগে।
আমি তোমাকে এসবের মানে খুঁজতে না করছি না।
আবির= আঙ্কেল জান্নাত এই কিছু দিন অন্য করুক হয়ে গেলো ধিরে ধিরে আরো বেড়ে যাচ্ছে।

চলবে..............❤️❤️❤️❤️

কে যেন আমার রুমের দরজা খুলে আস্তে আস্তে আমার কাছে আসতেছে। রাতের অন্ধকারে কাউকে তো দেখা যাচ্ছে না। মনের ভিতর আমার অনেক ভয়...
08/12/2021

কে যেন আমার রুমের দরজা খুলে আস্তে আস্তে আমার কাছে আসতেছে। রাতের অন্ধকারে কাউকে তো দেখা যাচ্ছে না। মনের ভিতর আমার অনেক ভয় ডুকে গেলো।
যখন চোখের চামনে একটা কালো ছায়া বেশে উঠলো।

তখন আমার কেমন জানি লাগলো ভাবতেই পারছিনা।
আস্তে আস্তে সে আমার গাঁয়ের উপর থেকে কম্বল টা সরিয়ে।

আমার গাঁয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়লো। আমার ঠোঁটে তার ঠোঁট মিলাতে লাগলো আমার পায়ের সাথে তার পা মিলাতে লাগলো।

সে আমার নরম জায়গায় স্পর্শ করতে লাগলো। আমি এমন কি জোরে চিৎকার ও করতে পারছিনা। এমন কি জোরে জোরে চিৎকারও কোরলে কেউ শুনে না।

আমার গায়ের লোম গুলো আস্তে আস্তে দাঁড়িয়ে যেতে লাগলো।আমি হাত দিয়ে যতই তাকে সরিয়ে দিতে চাই। কিন্তু আমার শক্তি তাকে সরাতে পারছে না।

শুধু আজ না প্রতি রাতে আমার সাথে এমন ঘটনা ঘটে থাকে । আমার স্বামী আজ বাসায় আসেননি তিনি অফিসে কাজ করে।
কেন জানি তার জরুরি কাজের কারণে আজ বাসায় আসতে পারেনি।

এমন ঘটনা আমার জীবনেও আমি আর দেখিইনি।

তারপর কালো ছায়াটি আমার নরম জায়গায় স্পর্শ করতেই আমার কাছে কেমন জানি লেগে উঠলো।

আমার অনেক ভয় হচ্ছে যে ভাবে সে আমার মুখের উপরে হাত দিয়ে আমার জবানবন্দি করে ফেললো।

আমার দুইটা চোখ উল্টে গেলো তার এমন ঘটনা দেখে।
সে আমার শাড়ি টা যখন আস্তে আস্তে টানতে থাকলো।
আমি তো আরো ঘাবড়ে গেলাম। কালো ছায়া টা আমার সাথে এমন করছে কেন।

আমি কি তার কোনো ক্ষতি করছি নাকি। যে সে আমার সাথে এমন করছে।

আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম।
কালো ছায়াটির হাতে রুমালের মত কি যেন লেগে আছে।
তার হাতের রুমাল টা আমার চেনা চেনা লাগছে। কিন্তু এই রুমাল টা আমি কাকে যেন দিয়ে ছি ঠিক মনে হচ্ছে।
কিন্তু আমার এখন মনে নাই।
কিচ্ছুক্ষণ পর দেখি মসজিদে হুজুরে আজান দিতেছে।

আজান দেওয়ার সাথে সাথে আমার গায়ের উপর থেকে কে যেন পাখির মত উড়ে চলে গেলো।

আমার শরীর টাও পাতলা হয়ে গেলো। আমি খাটের উপর শয়া থেকে উঠতে অনেক চেস্টা করতে ছি কিন্তু উঠতে পাড়ছিনা।

আমার পা ঝিম ঝিম হয়ে গেছে। পায়ে অনেক ব্যাথা করছে।

আমার পায়ে তার স্পর্শ লেগে আছে। তার নোকের। দাগ লেকে আছে। এমন ভাবে দাগ লেগে
আছে। মনে হয় কুকুর কামড় দিয়েছে।

তারপর আমি বিছানা গোছাতে লাগলাম। বিছানা গুছিয়ে। আমি যখন আয়নার সামনে গেলাম। গিয়ে দেখি আমার চুল গুলো এলোমেলো হয়ে আছে। চুল গুলো গুছাতে লাগলাম।

হটাৎ আমার রুমের দরজার কলিং বেল বেজে উঠলো। আমি আবার ভয় পেয়ে গেলাম।

আমি দরজার সামনে গিয়ে খানিকটা চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। একের পর এক কলিং বেল বাজতে লাগলো।

তার পর আমি দরজা খুললাম। খুলে দেখি আমার
আমার স্বামী আবির।

আবির= জান্নাত তোমার দরজা খুলতে
এত দেরি হলো কেন।

জান্নাত= না মানে আমি ভাতরুমে ছিলাম। আর
তুমি এত সকাল সকাল বাসায় কেন।

আবির= কাজ শেষ তাই এত সকাল চলে আসলাম।

জান্নাত= তুমি না বলে লাঞ্চের সময় আসবা।

আবির= কাজ একটু তাড়াতাড়ি শেষ হইছে তাই
চলে আসলাম। এই নাউ আমার ফাইল টা রাখো

জান্নাত= হুম.. যাও তুমি ফ্রেস হয়ে আসো।
আবির ওয়াশ রুমে গেলো।জান্নাত আবিরের জন্য
কিছু নাস্তা রেডি করতে রান্না ঘরে গেলো।

রান্না করতে করতে পরিচয় টা দিয়ে দি।

আমার নাম জান্নাত। আমার শ্বামীর নাম আবির।
আমার সংসার এ আমার ননদ আছে আর আমার একটা দেবর আছে সে বাহিরে থাকে। আর আমার ৷ এই ভাবেই আমার সংসার চলতেছে। আমার শাশুড়ী আমার পাশের রুমে থাকে।

তারপর

জান্নাত কিছু নাস্তা বানিয়ে আবিরের জন্য নিয়ে আসলো।

জান্নাত= তুমি কই গো।
আবির= এই তো ভাতরুমে?
জান্নাত= তোমার জন্য নাস্তা বানিয়ে ছি।
টেবিলের উপরে রাখলাম
আবির= ওকে?

আবির টেবিলের উপরে রাখা নাস্তা খেয়ে আসলো
।আমি খাটের উপরে শুয়ে আমি। এমন সময় আমার শ্বামী আমার কাছে আসলো। আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আমার কপালে একটা চুমু দিলো।
চুমু দিয়ে আমার স্বামী আমার নরম নাবিতে স্পর্শ করতে লাগলো। আমার নাবিতে আমার স্বামী স্পর্শ করতেই রাতের ঘটনা টার কথা মনে পড়ে গেলো।

জান্নাত= এই ছাড় তো
আবির= এমন করছো কেন?
একটু আদর করতে দাও
জান্নাত= কেউ দেখে পেল বেতো।
ছাড়ো এখন।
আবির= দেখবে না?

এই ভাবেই আমার শ্বামী আমার সারা শরীরের নিশ্বাস নিতে লাগো। আমি বলে উঠলাম

জান্নাত= এই হইছে তো এবার ছাড়।
আবির= না. আর একটু।
জান্নাত= রান্না করতে হবে তো
এবার ছাড়। আমি আমার শ্বামী কে আমার গায়ের
উপর থেকে জোর করে সরিয়ে উঠতেই। সে আবার আমার হাত ধরে টান দিয়ে বিছানায় পেলে দিলো। পেলে দিয়ে আমার কপালে ভালোবাসার পরশ বসিয়ে দিলো। আমি। আমি আমার দিকে এক নজরে তাকিয়ে আছি। হটাৎ কালো ছায়া টার কথা মনে পড়ে গেলো।

জান্নাত= এই আপনি কে।আর এইসব কি করছেন। আমার গায়ে হাত অধিকার দিলো কে।

আবির= আমি কে মানে তুমি আমাকে চিনতে
পাড়ছোনা। আর এই সব কি বলছো আমি তোমার
স্বামী আবির।

হটাৎ আমার আবার মনে পড়ে গেলো এতো আমার স্বামী। আমি এই সব কি আজে বাজে স্বপ্ন দেখছি মাথা থেকে একদম যাচ্ছে না আমি আমার স্বামী কেও চিনতে পারছি না....(মনে মনে বলছি)

হটাৎ পাশের রুম থেকে আম্মা ডাক দিলো।

জান্নাত= এই ছাড় তো আম্মু ডাকতেছে।
আবির= ওকে যাও।

আমি আমার শাশুড়ীর রুমে যেতে লাগলাম মানে আমার হবু স্বামীর আম্মুর কাছে......(কাছে গিয়ে)

জান্নাত= জ্বি আম্মু ডাকছেন কেন বলেন।
শাশুড়ী= বৌ মা আমাকে ১ গ্লাস পানি দাও তো
গলা অনেক শুখিয়ে গেছে।
জান্নাত= আপনি না সকালে চা খান। এখন পানি চেয়েছেন কেন।
শাশুড়ী= আগে পানি দাও পরে চা খাবো।
জান্নাত= চা বানিয়ে রেখেছি। আমাকে ডাক দিয়েন আমি চা এনে দিবো। এখন পানি খেয়ে।
সান্ত হন।

পানি দিতেই দেখি আমার শাশুড়ীর রুম এলেমেলো হয়ে আছে।

জান্নাত= আম্মা আপনি একটু সরিয়ে বসেন তো।
শাশুড়ী= কেন মা?
জান্নাত= দেখেন তো রুমের কি অবস্থা হয়েছে।
শাশুড়ী= থাক মা আমি গুছিয়ে নিবো।
জান্নাত= আমি থাকতে আপনি কেন গুছাইবেন।

শাশুড়ীর সাথে কথা বলতে বলতে রুমের বিছানা গুছিয়ে দিলাম।
শাশুড়ী= বৌ মা এই দিকে আসো তো।
জান্নাত= জ্বি মা।

আমার শাশুড়ী আমাকে কাছে ডেকে আমার কপালে একটা চুমু দিয়ে বল্লো।

শাশুড়ী= আমার লক্ষী বউ একটা।

আমি মুচকি হেসে আমার শাশুড়ীর রুম থেকে আমার রুমে চলে আসলাম। আমার রুমে এসে দেখি আমার শ্বামী। মানে আবির। রুমে শুয়ে আছে।

চলবে..........................❤️❤️

গল্প= কালো ছায়ার ঘটনা
পর্ব= ০১
আবির হাসান নিলয়

গল্প= ভালোবাসি পর্ব=৯আবির হাসান নিলয় জান্নাত= নিলয় ক্লাস এ চলো।আমি= হুম. চলো। মৌমিতা বলে উঠলো। মৌমিতা= নিলয় তোমার সাথে আ...
08/12/2021

গল্প= ভালোবাসি
পর্ব=৯
আবির হাসান নিলয়

জান্নাত= নিলয় ক্লাস এ চলো।
আমি= হুম. চলো।
মৌমিতা বলে উঠলো।

মৌমিতা= নিলয় তোমার সাথে আমার
কিছু জরুরি কথা আছে।
আমি= কি কথা বল।

মৌমিতা= আমি তোমাকে ভালোবাসি....(হাত ধরে)🤝।
জান্নাত আমার দিকে তাকিয়ে আছে
।মৌমিতা আর আমার এই দৃশ্য দেখে। জান্নাত হাতের তালি বাজিয়ে বলে উঠলো।

জান্নাত= বাহ বাহ। নিলয় তুমি তো দেখি। বারো ভাতারির চেয়েও বেশি পারো। জান্নাত রাগ করে নিলয়ের সামনে থেকে চলে জাবার মতই। নিলয় মৌমিতার হাতটা ছেড়ে জান্নাতের দিকে দৌড়ে জান্নাতের সামনে দাঁড়ালো। নিলয় বলে উঠলো।

আমি= জান্নাত তুমি বুঝার সেসটা কর। আমি মৌমিতাকে ভালোবাসি না......জান্নাতের হাত ধরে। জান্নাত নিলয় কে বললো।
জান্নাত= নিলয় হাত ছাড় বলছি।
আমি= ছাড়বোনা।
জান্নাত= ছাড় বলছি। নাহলে ভালো হবে না কিন্তু
আমি= আমি তোর হাত ছাড়বোনা।

জান্নাত নিলয়
কে ঠাস ঠাস করে দুইটা চড় বসিয়ে দিলো নিলয়ের বাম গালে।👋। নিলয় জান্নাতের হাত ছেড়ে দিয়ে। নিজের গালে হাত দিয়ে কান্না করে দিলো। জান্নাত নিলয়ের সামনে থেকে ক্লাসের চলে যেতে লাগলো। মৌমিতা তাকিয়ে নিলয়ের কান্না দেখতেছে। ওই পাস থেকে আবির এসে মৌমিতাকে জিগ্যেস করলো।

আবির= নিলয়ের সাথে কি হইছে।
মৌমিতা= কিছু না।
আবির= বল না কি হইছে।
মৌমিতা= জানি না।
আবির নিলয়কে জিগ্যেস করলো।
আবির= আমি সব দেখেছি। কিন্তু
এমনটা কেন হয়েছে। নিলয় কিছু না বলে
ক্লাস এর দিকে চলে গেলো।

নিলয় ক্লাস গিয়ে দেখে জান্নাত পিছনের টেবিলে
বসে আছে। কিন্তু নিলয় কিছু বলছে না শুধু জান্নাত কে দেখছে।নিলয় আর কিছু না বলে জান্নাতের সামনের টেবিলে বসে পড়লো। তখুনি রাফি স্যার ক্লাসে চলে আসলো। তারপর স্যার ক্লাস করে চলে গেলো। ক্লাস শেষে সবাই তাড়াহুড়ো করে বাহির হতেই মৌমিতা নিজের ইচ্ছেই আবিরের সাথে ধাক্কা দেই। ধাক্কা দেওয়ার পরেই আবির ফ্লোরে পড়ে যায়। মৌমিতা আবির কে বলে উঠলো।

মৌমিতা= সরি আবির আমি দেখিনি।
আবির= আহাগো কতই না ভালো লাগলো
ধাক্কা টা খেয়ে মন চাই আরেক টা ধাক্কা খাই....(মনে মনে বললো আবির)
মৌমিতা= সত্যি আমি খেয়াল করে পারিনি।
আবির= ওকে। মন চাই আবার ধাক্কা খেতে।...
(মনে মনে বললো আবির)
মৌমিতা= কি ভাবছো।
আবির= কই কিছু না।🤔 নিলয় আবির কে ডাক দিলো।
আমি= এই আবির এই আই।
আবির= হুম আসতে ছি।
আমি= কিরে শালা ভালোই মজা নিস।
আবির= মানে। বুঝ লামনা।
আমি= ডং তো ভালোই পারছ তুই দেখি।
এই মাত্র যে মৌমিতার সাথে ধাক্কা খেলি?
আবির= ওহ. তুই দেখলি কেমনে।
আমি= যে ভাবে কথা বলছিস মনে হয়। আমি কিছু জানি না।
আবির= আচ্ছা জান্নাতের সাথে তোর কি হইছে।
আমি= আরে বলিস না। তো খেলাম বাই?
আবির= ওকে বাই?

মাথা নিচু করে স্কুলের মাঠ থেকে চলে আসতে লাগলাম. আর মনে মনে ভাব লাম। জান্নাত এমন টা কেন করলো। আমি তো জান্নাত কে ভালো বাসতে লাগলাম। জান্নাত ও আমায় ভালো বাসতে লাগলো। হটাৎ মৌমিতা এর মাঝে এসে সব ডংস করে দিলো। এই সব ভাবতে ভাবতে কখন যে বাসার সামনে চলে আসলাম বুঝতে পারি নাই। বাসায় এসে স্কুল ড্রেস খুলতে লাগলাম। তখুনি আমার চেনা কন্ঠে কে জানি নিলয় বলে ডাক দিলো। আমি ডেস টা খুলে আমার রুম থেকে বাহির এসে দেখি আমার দাদি। আমি দাদি কে দেখে অবাক হয়ে গেলাম। আমার দাদু আমাদের বাসায়। আবাক তো হবেই। আমি দাদু কে জিগ্যেস করলাম।

আমি= দাদু তুমি আসলা কখন।
দাদু= এই তো কিছুক্ষণ আগে। আমি দাদি কে জড়িয়ে কাঁদে দে লাগলাম। কাঁদবোনা। আজ অনেক দিন হয়ে গেছে দাদু কে দেখিনা আজ দাদু আমার সামনে চোখ থেকে পানি তো পড়বেই।
দাদু বললো।
দাদু= ইস আমার নাতি টা অনেক শুখিয়ে গেছে। কত বড় হয়ে গেছে।
আমি= হুম. তোমার জামাই অনেক শুখিয়ে গেছে।
তোমার জামাই কে ননাই দিবা না বৌ।
দাদু= তোমার এই অভ্যাস এখনো গেলো না।
দাদু আমার দুই গালে দুইটা চুমু দিলো। দাদু বলে উঠলো।
দাদু= নিলয় জান্নাত কে দেখছিনা যে। জান্নাত কথায়। আছে মনে হয় তার রুমে।

দাদু জান্নাত এর রুমে চলে গেলো।

দাদু আমারে আর জান্নাত কে ছোট বেলা থেকে অনেক ভালোবাসে। দাদু আমাদের কে ১সেকেন্ড না দেখলে দাদুর আর সে খানে মন টিকে না।

দাদুু আমাদের ছোট বেলা থেকেই বলতো নিলয় আর জান্নাত কে অনেক সুন্দর মানাবে। দাদুর অনেক ইচ্ছা যে জান্নাতের সাথে নিলয় এর বিয়ে হয়। আম্মু মুখ থেকে শুনে ছি।

-------------------------------------------------------
দাদুর আর জান্নাতের কথা......

দাদু= জান্নাত ও জান্নাত বলে ডাক দিয়ে জান্নাতের রুমে গেলো।
জান্নাত= আরে দাদু?

জান্নাত দাদুকে জড়িয়ে ধরে বললো।

জান্নাত= দাদু তুমি যে এসেছো।
আমি জান লাম না কেন
দাদু= আসলে জান্নাত আমরা কাউকে
বলে আসিনি।
জান্নাত= আর কে কে আসছে।
দাদু= নিলয়ের কাকা আসছে। আর চাঁচি আসছে
জান্নাত= ওহ. তারা এখন কথায়।
দাদু= ছাদে আছে?

জান্নাত স্কল ড্রেস খুলে দাদি কে সাথে করে
নিয়ে সিরি দিয়ে ছাদে যেতে লাগলো। তখুনি নিলয় জান্নাত সামনে পড়ে গেলো। জান্নাত নিলয় দেখে না দেখার বাঁন করে ছাদে চলে গেলো।
নিলয় আসতে তাদের পিচু পিচু ছাদে উঠতে লাগলে। আর মোবাইল টিপতে টিপতে। ছাদে উঠে গেলো। ছাদে উঠে দেখে। সবাই ছাদে কথা বলছে।
নিলয় সবাই দেখে আবার নিচে নামতে লাগলো।

এমনেই আজ নিলয়ের মন খারাপ। জান্নাতের ওই কারণে। নিলয় ছাদ থেকে নেমে তার রুমে চলে আসলো। কিন্তু কেউ কেয়াল করেনি নিলয় যে ছাদ থেকে নেমে গেলো। তবে জান্নাত কেয়াল করছে।

জান্নাত মনে মনে ভাবতে লাগলো নিলয় আমাদের সবাই কে দেখে চলে গেলো কেন। নাকি আমার উপর রাগ করে নেমে গেছে।

আমার কাছে কিছুই ভালো লাগছেনা।
তাই আর কি করমু আমার রুমে এসে দরজা লাগিয়ে ঘুম দিলাম।................. ২ ঘন্টা ঘুম দিয়ে। তার পর ঘুম থেকে উঠে। ভাতরুমে গেলাম। কাজ শেরে চলে আসলাম। মোবাইল টা হাতে নিয়ে দেখি মোবাইল চার্জ নেই। মোবাইল টা চার্জে বসাতেই দেখি চার্জদার নেই। আমি জানি জান্নাত ছাড়া চার্জদার আর কেউ নিবে না। শুধু আজ না অন্য সময় জান্নাত আমার চার্জদার নিয়ে জান্নাত তার ফোন চার্জ দিতো। আমি ঘুম যাওয়ার মধ্যে সে নিয়ে গেছে মনে হয়। আমি মনে মনে ভাবলাম যায় হক চার্জদারের বান করে তার সাথে কথা বলা যাবে। আমি ভাবি কে ডাকতে লাগলাম।

আমি= ভাবি ও ভাবি আমার চার্জদার কথায়।
ভাবি= আমি কি জানি তোমার চার্জদার কথায়।
আমার ডাক শুনে জান্নাত বলে উঠলো।
জান্নাত= আমার কাছে। আমার ফোনে চার্জ নাই তোমার চার্জদার টা নিয়ে ছি........(তার রুম থেকে)

আমি জান্নাতের রুমে আস্তে আস্তে ডুকতে লাগলাম। জান্নাতের রুমে গিয়ে দরজাটা লাগিয়ে।
পিচে হাত দিয়ে জান্নাতের দিকে তাকিয়ে লাগলাম
। আস্তে আস্তে জান্নাতের কাছে গিয়ে জান্নাতের মুখ চেপে ধরলাম সে চিৎকার করতে না পারে।
মুখ চেপে ধরে বললাম।

আমি= এমন করলি কেন আমার সাথে।
জান্নাত= মাথা নাড়িয়ে কি জানি বললো। আমি কিছুই বুঝিনি তাই জান্নাতের মুখ থেকে আমার হাতটা সরিয়ে জান্নাত কে জড়িয়ে ধরে পেললাম। জান্নাত বলে উঠলো।
জান্নাত= নিলয় হাত সরা? জড়িয়ে ধরলি কেন
আমি= ভালো লাগছে তাই।
জান্নাত= তুই আমাকে স্পর্শ করার অধিকার কে দিয়েছে। মৌমিতা গিয়ে ধর যাহ।
আমি= আমি তোকে ভালোবাসি তাই তোকে স্পর্শ করলাম।
জান্নাত= আমি তোকে বাসি না....(মুখ কালো করে)
আমি= কেন বাছিস না। তুই আগে আমাকে ভালোবাসা শিখাইলি ক্যান।
জান্নাত= আমি কি তোকে শিখাবো।
তুই আমাকে শিখাইলি।
আমি= বিশ্বাস কর জান্নাত আমি মৌমিতাকে।
ভালোবাসি না।
জান্নাত= নিলয় তুই আমার রুম থেকে যাহ।
আমি= যাবো না।
জান্নাত= নাহলে কিন্তু উল্টা পাল্টা কিছু করে ফেলবো।
আমি= তুই কি করবি আমার জানা আছে।
জান্নাত= যাবি না।
আমি= নাহ?

জান্নাত এইদিক ওইদিক তাকালো। হাতের কাছে কিছু পাচ্ছে না। পাইলে আজ নিলয়ের খবর ছিলো। জান্নাত জোর করে নিলয়ের হাত সরিয়ে। টেবিলের উপর থেকে ✒ কলম টা নিয়ে। নিলয়ের পেটে বসিয়ে দিলো। নিলয় ওমা গো চিৎকার করে নিলয় পেট থেকে ✑ কলম টা বের করে। দেওয়ালের সাথে গোসে। ফ্লোরের উপর পড়ে গেলো।

জান্নাত= এটা আমি কি করলাম। 🤭......(গালে হাত দিয়ে)

নিলয়ের চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আর নিলয় কান্না করে দিলো। জান্নাত মাথায় হাত দিয়ে খাটের উপরে বসে গেলো। কিছুই ভাবতে পাড়ছে না। এই মুহুর্তে জান্নাতের কি করা দরকার। নিলয় বুকে হাত দিয়ে। বুকের দিকে তাকিয়ে দেখে রক্ত বের হতে লাগলো। জান্নাত দরজা টা খুলে নিলয়ের ভাবির রুমে গেলো। নিলয়ের ভাবির রুমে গিয়ে ভাবি কে বল্লো।

জান্নাত= ভাবি......(দাঁড়িয়ে)
ভাবি= কিরে জান্নাত হটাৎ আমার রুমে.....(শুইয়ে)
জান্নাত= ভাবি?
ভাবি= কিছু বলবা।
জান্নাত= আসলে ভাবি। নিলয় আমার রুমে
আমাকে....?
ভাবি= তোমাকে কিছু করছে নাকি।
জান্নাত= আরে আগে আমার কথা টা শুনো।
ভাবি= হুম...বলো।
জান্নাত= একটু আমার রুমে আসো।
ভাবি= কেন।
জান্নাত= আরে আসো না........(ভাবির হাত ধরে)🤝

ভাবি শুয়া থেকে উঠতেই জান্নাত ভাবির হাত ধরে।
জান্নাতের রুমে যেতে লাগলো। তখুনি নিলয়ের বড় ভাই সামনে পড়লো।

ভাই= জান্নাত তোমার ভাবি কে নিয়ে একটু আমার রুমে আসবে কিছু কথা আছে।
জান্নাত= ওকে।

জান্নাত ভাবি কে নিয়ে রুমে চলে গেলো। এমনিতেও জান্নাতের বুকের ভিতর চড়বড় চড়বড় করতেছে। তার রুমে গিয়ে ভাবি নিলয় কে দেখে অবাক হয়ে গেলো।

রুমের বাহির থেকে জান্নাতে আম্মু জান্নাত ডাক দিলো। জান্নাত এখন কি করবে কিছুই ভাবতে পাড়ছেনা। তারপর জান্নাতের আম্মু ডাকে জান্নাত রুম থেকে বের হয়ে গেলো। জান্নাতের আম্মু জান্নাত কে কাছে ডেকে বলে উঠলো।

আম্মু= জান্নাত তোর সাথে আমার কিছু জরুরি কথা আছে।

জান্নাত= নিলয়ের এই ব্যাপারে যেনে গেলো
নাকি..........(মনে মনে)🤔

চলবে...............❤️❤️

গল্প= বাড়িওয়ালার মেয়েপর্বঃ ২০ এবং শেষ পর্বআবির হাসান নিলয়সকালে জান্নাতের ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম।স্পষ্টবুঝতে পারছিলাম এখনো স...
07/12/2021

গল্প= বাড়িওয়ালার মেয়ে
পর্বঃ ২০ এবং শেষ পর্ব
আবির হাসান নিলয়

সকালে জান্নাতের ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম।স্পষ্ট
বুঝতে পারছিলাম এখনো সূর্য উঠে নাই।
আমিঃএতো সকাল সকাল ডাকার কি আছে?
জান্নাতঃতারতারি উঠো ছাদে যাবো
আমিঃআমি পাড়বো না,তুমি যাবে যাও
জান্নাতঃপ্লিজ আসো না,আজ সূর্য দেখবো
আমিঃতুমি যাও আমি আসছি
জান্নাতঃসেটা হবে না,আমার সাথে যাবে
আমিঃসকাল সকাল কি শুরু করলে
জান্নাতঃকিছুই শুরু করেনি,বাট আমার কথা
যদ না শুনো তাহলে শুরু করবো
আমিঃতুমি যাও আমি ফ্রেস হয়ে আসছি
জান্নাতঃ৫মিনিট সময় দিলাম এর মধ্যে আমি
কফি তৈরি করছি।
আমিঃহুম
আর শুয়ে না থেকে জান্নাতের কথামতো ফ্রেস
হতে গেলাম।যতোটা তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে বাইরে
আসতেই জান্নাত বলল,,,
জান্নাতঃদেখো পুড়ো ২০ সেকেন্ড দেরি করছো
আমিঃএটাকে দেরি বলে?
জান্নাতঃহুম বলে তো।
আমিঃআর তুমি যে এমন কথা বলে দেরি করছো
সেটার কি হবে শুনি?
জান্নাতঃওকে সরি,এখন চলো জলদি।
আমিঃহুম চলো।
জান্নাতের পিছু পিছু ছাদে চলে আসলাম।

দুজন পাশাপাশি দোলনার উপর বসলাম।
আমিঃএক কাপ কেনো?
জান্নাতঃদুজন মিলে এক কাপ খাবো
আমিঃছি: আমি তোমার মুখের কফি খাবো না।
আমি অর্ধেক খেয়ে দিচ্ছি বাকিটা তুমি খাবে।
জান্নাতঃপাপ্পি খাওয়ার সময় তো ঠিকি খাও
আমিঃসেটা তো আলাদা
জান্নাতঃঠিক আছে তোমাকে খেতে হবে না।আর
কখনো পাপ্পির জন্য আসলে লাথি দিয়ে তাড়িয়ে
দেবো মনে রেখো।
আমিঃআরে বাবু আমি তো মজা করছিলাম।
জান্নাতঃতোর মজা শুনার সময় আমার নেই
আমিঃসরিইইই🙏,ঠিক আছে তুমি একবার খাবে
তারপর আমি একবার খবো ঠিক আছে?
জান্নতঃহু এবার ঠিক আছে।
এক কাপ কফি খাওয়ার মাঝে সূর্যোদয় দেখলাম।
আরো কিছু সময় দুজন আড্ডা দেয়ার পর বাসায়
চলে আসলাম।

৩ দিন জান্নাতদের বাসায় থাকার পর আমাদের
বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।এই ৩টা দিন রাগ,
অভিমান আর ভালোবাসাতেই কেটে গেলো।
জান্নাতকে প্রতিদিন ঘুম পাড়িয়ে দেয়া,রাতে নিজের
হাতে খাইয়ে দেয়াই জেনো আমার কাজ।গাড়ি
ড্রাইভ করছি আর জান্নাত আমাকে জড়িয়ে
ধরে আছে।
জান্নাতঃনিলয় একটা কথা বলি?
আমিঃহ্যা বলো
জান্নাতঃযদি আমি সবাইকে ছেড়ে চিরতরের জন্য
চলে যায় তাহলে কি অন্য কাউকে বিয়ে করবে?
আমিঃআবার সেই বাজে কথা
জান্নাতঃযদি আমি চলে যায় দেখবে আমার থেকে
অনেক ভালো একটা মেয়ে তোমার কপালে জুটবে।
সে আমার মতো একদম আন্টি বা বুড়ি হবে না।
অনেক বেশি কিউট হবে।
আমিঃএসব কথা তুমি বাদ দিবে?
জান্নাতঃকেনো?
আমিঃতোমাকে হারানো তো দূরের কথা,কখনো
মাথাই আনতে চাই না।
জান্নাতঃকিন্তু সৃষ্টিকর্তা যদি আমাদের সুখ সহ্য
করতে না পারে তাহলে তো যেতেই হব।
আমিঃবা*** কথা একদম বলবা না বলে দিচ্ছি
জান্নাতঃবাবুটা রাগ করছে বুঝি?(থুতনি ধরে)
আমিঃহুম,আর একবার এমন কথা বললে চিবিয়ে
খেয়ে ফেলবো বলে দিলাম।
জান্নাতঃঠিক আছে বলবো না।
আমিঃগুড গার্ল
জান্নাতঃতুমি ড্রাইভ করো আমি ঘুমাবো উম্মাহ

গালে একটা ভালোবাসার স্পর্শ একে দিয়ে শক্ত
করে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে গেলো।মেয়েটা অনেক
বেশিই মায়াবী সাথে ইমোশনালও বটে।অল্প কিছু
কথা বলে যে কাউকে কাঁদিয়ে দিতে পাড়বে।
মাথায় আলতো করে চুমু দিয়ে গাড়ি চালাতে
শুরু করলাম।
------------------------------------------------------------
৪ বছর পর,,,,,,
জীবনের চারটি বছর খুব আনন্দেই কেটে গেলো।
জান্নাতের সাথে ঝগড়া,মারামারি,ভালোবাসাতে
পড়াশোনা শেষ করেছি।জান্নাত ভালো ছাত্রী সাথে
রেজাল্টও ভালো।সেই হিসাবে অনেক ভালো
ভালো জবের জন্য জান্নাতকে অফার করলেও
সেটা সরাসরি নাকচ করে দেয়।সবাইকে ওর
একটাই কথা,নিজের পরিবার সামলাবে।
বৃষ্টির নিয়ে ১ বছর আগেই হয়ে গেছে। নিলু এবার
অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য এপ্লিকেশন করছে।
জান্নাত আগের থেকে অনেক মিষ্টি হয়েছে।চোখ
থেকে চশমা খুলে ফেলে দিছে,ঘন কালো লম্বা
চুল আগের থেকে অনেক বেশি মায়াবতী দেখায়।

রুমের মধ্যে এসব কথা ভাবছি তখনি বন্ধুদের
সাথে বৃষ্টির বর সাদিক আসলো।
বিজয়ঃকিরে সালা কি ভাবছিস
আমিঃতেমন কিছু না,এমনি বসে আছি।
সাদিকঃভাই এখন তো আপনিও আমাদের মতো
দড়ি দিয়ে বেধে রাখা মহিষ হয়ে যাবেন।
আমিঃআমাকে কি সত্যিকারের মহিষ মনে হয়,
যে আমাকে দরি দিয়ে বেধে রাখবে?
প্রান্তঃসাদিক একদম ঠিকি বলছে,সালা বিয়ে করো
তখন বুঝবা বউ কেমন প্যারা দেয়।
আমিঃতোদের প্যারা দেয় নাকি?
সাদিকঃঅনেক বেশি।
আমিঃঠিক আছে আমি নিজেই শুনে নিচ্ছি
রানাঃক্যামনে?
আমিঃবৃষ্টিইইইই...
খুব জোড়ে বলতে পাড়লাম না।তার আগেই
সাদিক মুখ চেপে ধরলো।
সাদিকঃএই সর্বনাশ প্লিজ কইরেন না ভাই,এমনিতে
সব সময় ধমকের উপর রাখে।
প্রান্তঃশুধু ধমক না ঝাড়ির উপর।
বিজয়ঃভেবেছিলাম বিয়ের পর বউ পিটাবো।
কিন্তু সালার এমন কপাল, গুণ্ডি একটা মেয়েকে
বিয়ে করেছি যে কিনা কথায় কথায় গায়ে হাত
তোলে।জীবন একদম শেষ।
আমিঃতোদের এমন চিন্তাভাবনার জন্যই মার
খেতে হয়।
সবার সাথে আরো কিছু সময় কথা বলে বাথরুমে
চলে গেলাম।

এসব বলার কারণ আজ আমার আর জান্নাতের
বিয়ে।গত ৪বছরে সব থেকে যে কথাটা জান্নাত
আমাকে বলে রাগাতো সেটা হলো,“যে বিয়ে করতে
ভয় তার সাথে প্রেম করাটাই ভুল হয়েছে।”তবে
আজ কোনো বাধা নেই,এখন থেকে আর কেউ
আমাকে রাগাতে পাড়বে না।ভাবছেন বিয়ের
সময় তো সবাই মিলে বরকে গোসল করাই তাহলে
আমার বেলাতে এমন হচ্ছে কেনো।কারণ,আম্মু
ছাড়া সকল মেয়ে/মহিলা জান্নাতদের বাসায় গেছে।
আর সব ছেলে/পুরুষ আমাদের বাসায়।জান্নাতের
আপন বলতে শুধুমাত্র ওর বাবা আর আমাদের
বিশাল পরিবার। তাই নিজেদের পরিবারটাকেই
ভাগ করে ওখানে কিছু লোক আর এখানে কিছু
লোক। গোসল শেষ করে রুমে আসলাম।সব
বন্ধুরা মিলে বিয়ের ড্রেস পড়িয়ে দিলো।বাসার
সব নিয়ম পালন করতে না পারলেও কিছু নিয়ম
পালন করে সবাই মিলে জান্নাতদের বাসায়
রওনা দিলাম।
--------------------------------------------------------------
পুড়ো বাসাটা অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।
সবার সাথে বাসার ভিতরে গেলাম।রুমের ভিতরে
বসে আছি তখনি চোখ পড়লো আমজাদ চাচার
উপর।সাদিককে বলে চাচাকে ডাকতে পাঠালাম।
চাচাঃহ্যা বাবা বলো
আমিঃচাচা আমাকে চিনতে পারছো তো?
চাচাঃনা চেনার কি আছে,তুমি তো নিলয়
আমিঃআমাকে তুমি করে বলছো কেনো,আগে
যেভাবে তুই করে বলতে ঠিক সেভাবেই বলবে।
চাচাঃসেটা হয় নাকি তুমি তো
আমিঃচাচা দয়া করে বলবে।আর যদি না বলো
তাহলে তোমার সেই গোপন কথা সবাইকে বলবো
চাচাঃসেই কথা আজও মনে আছে তোর?
আমিঃহ্যা চাচা,আর সারাজীবন মনে থাকবে।
চাচার সাথে আরো কিছু সময় কথা বলার পর
কাজে চলে গেলো।

সন্ধ্যার সময় সব নিয়ম নীতি মেনে আমাদের বিয়ে
হয়ে গেলো।গাড়িতে উঠতে যাবো তখনি জান্নাতের
কথা শুনে সবাই ভবনায় পরে গেলো।
জান্নাতঃআমি আর আমার বর একা এক গাড়িতে
যাবো,কোনো ড্রাইভার লাগবে না।
শ্বশুরঃকি সব বলছিস?
জান্নাতঃঠিকি বলছি
আব্বুঃঅন্য একদিন তোরা দুজন ঘুরতে....
জান্নাতঃতোমরা কেউ আমাকে ভালোবাসো না😔
আব্বুঃঠিক আছে তুই যেটা বলবি সেটাই হবে।
সবাই যার যার মতো রওনা দাও। ওরা দুজন
আলাদাই যাক।
জান্নাতঃথ্যাংকু আব্বু
দুজন আলাদা একটা গাড়িতে উঠলাম।
আমিঃতুমি নিজেই ড্রাইভ করো এখন
জান্নাতঃতুমি থাকতে আমি কেনো করবো?
আমিঃএমনিতেই ক্লান্ত তারপর ড্রাইভ করতে হবে।
জান্নাতঃতুমি অর্ধেক ড্রাইভ করবে তারপর আমি
আমিঃথাক সেটার আর দরকার নেই।
জান্নাতঃওকে ডিয়ার বর
আমিঃহুম😏
ড্রাইভ করে বাসায় চলে আসলাম।
-------------------------------------------------------------
বাসরঘর,,,,,,,
বন্ধুদের থেকে বউয়ের সব রকম অত্যাচার শুনে
নিজের গলাটাও শুকিয়ে গেছে।না জানি আমার
কপালে ঠিক কি আছে,এমনিতেই মেয়েটা সবার
মতো শান্ত শিষ্টা দেখা দিলেও জেদি আর বদজাত।
নিজে যেটা বলবে সেটাই হবে।
বিজয়ঃতুই রুমে যাবি নাকি ভাবিকে এখানে
ডেকে নিয়ে এসে ঝাড়ু পেটানোর ব্যবস্থা করবো।
আমিঃসালা এমনিতেই তোদের কথা শুনে ভয়
পেয়ে আছি তারপর এমন কথা😒
প্রান্তঃএসব বাদ দে,বিড়ালটা মাড়িস কিন্তু ভাই
আমিঃসেটা আবার কি?
রানাঃতুই জানিস না কি?
আমিঃনাতো,কি বলে সেটাকে?
রানাঃএটা নিয়ে তোকে ভাবতে হবে না।ভাবি নিজেই
তোকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিবে।
আমিঃআমি কেনো কাজ করতে যাবো
বিজয়ঃভাই তো কাছে মাফ চাই,তুই এখন আল্লাহর
রাস্তে বাসরঘরে যা ভাবি অপেক্ষা করছে
আমিঃঠিক আছে এটা তোদের কাছে রেখে দে।
পরে খাস(সিগারেট দিয়ে)
প্রান্তঃহ্যা তুই যা
আমিঃসাদিক তুই নিজেও খেতে পারিস, বলবো না
সাদিকঃধন্যবাদ ভাই
আমিঃগুড নাইট
বিজয়ঃনাইট না,বল মর্নিং। তোর দিন শুরু হবে।
আমিঃহাহাহা😂

ওদের সাথে আর কোনো কথা না বাড়িয়ে ছাদ
থেকে নিচে চলে আসলাম।
বৃষ্টিঃতুই এতো সময় কোথায় ছিলি কুত্তা?
আমিঃউপরে আড্ডা দিচ্ছিলাম।
বৃষ্টিঃভিতরে যা তাড়াতাড়ি,আর আমার গাধাটা
কোথায় জানিস?
আমিঃছাদে আড্ডা দিচ্ছে,আজ আর বিরক্তি করিস না
বৃষ্টিঃতাই বলে ঘুমাবে না?
আমিঃছাদে বিছানা পাড়া আছে।
বৃষ্টিঃওহ
আমিঃহুম
বৃষ্টির সাথে কথা বলা শেষ করে রুমে ঢুকলাম।

প্রথমেই দরজা বন্ধ করে সামনে দিকে গেলাম।
ইয়া বড় লম্বা ঘোমটা দিয়ে বিছানার উপর চুপটি
করে বসে আছে।হালকা দুটো কাশি দিতেই
জান্নাত বিছানা থেকে নেমে পায়ে সালাম করবে
তার আগেই বললাম,,,,
আমিঃদাসী দাসীর মতো থাকবি
জান্নাতঃকে দাসী
আমিঃতুই
জান্নাতঃকুত্তা আমি তোর দাসী লাগি?
আমিঃতাহলে সালাম করছো কেনো?
জান্নাতঃকারণ স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেশত
আমিঃসেটা স্বামীকে যত্নের মাধ্যমে হয়।এমন
সালাম করে নয়।
জান্নাতঃএতো জানো কি করে?
আমিঃতোমার থেকেই
জান্নাতঃঢং😏
আমিঃআরে না, এক সময় তুমিই তো ছিলে সেই
কাব্যিক রচয়িতা। যে সব সব সময় সাহিত্যের
ভাষায় উত্তর দিতো।
জান্নাতঃহুমমম
আমিঃঅনেক ক্লান্ত আছি,এখন চলো ঘুমাই
জান্নাতঃজানি এটাই বলবে।
আমিঃআগে থেকেই জানতে?
জান্নাতঃতোর সাথে এতো কথা বলে লাভ নাই চল।

আমাকে কিছু বলতে না দিয়ে কলার ধরে বিছানার
উপর ফেলে দিলো।সালার হারামি গুলোর কথা
এখন ঠিকি বুঝতে পারছি।
আমিঃতুমি এমন করছো কেনো?
জান্নাতঃতো তোর সাথে কেমন করবো,সালা বাসর
ঘরে বউকে বলিস ঘুমাবো।লজ্জা করে না?
আমিঃআমার কি সত্যি লজ্জ আছে?
জান্নাতঃএকদম নির্লজ(পেটের উপর বসলো)
আমিঃঅনেক মিষ্টি হয়েছো
জান্নাতঃআগে ছিলাম না বুঝি?😒
আমিঃহুম ছিলে তবে তার থেকেও কিউট।
জান্নাতঃপাম দিচ্ছো?
আমিঃএকদম না,আমার চোখের দিকে তাকাও
জান্নাতঃহু(তাকিয়ে)
আমিঃকিছু বুঝতে পারছো?
জান্নাতঃএকটা ভালোবাসার জলরাশি তোমার
দিকে শক্ত করে টানছে।মনে হচ্ছে তোমার মাঝেই
আমার সুখ নির্ভর করছে।(চোখ নামিয়ে)
আমিঃআর কিছু বলছে না?
জান্নাতঃকোথায় নিয়ে যাচ্ছো কল্পনার জগতে?
আমিঃএখান থেকে অনেক দূরে,ভালো এবং
খারাপের বাইরে একটা খোলা ময়দান। যেখানে
কাশফুল আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।কৃষ্ণচূরা
দুপাশে সারিবদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।তার পাশেই
ছোট্ট একটা ডিঙি নৌকাতে নিয়ে যাচ্ছি।
জান্নাতঃসত্যি কি আমাকে নিয়ে যাবে নাকি সবটাই
আমার জল্পনা কল্পনাতে থেকে যাবে।
আমিঃসময় হলেই নিয়ে যাবো।
জান্নাতঃহুম এখন চলো
আমিঃকোথায়?
জান্নাতঃভালোবাসার ডুব সাগরে
আমিঃপারবো না অনেক ক্লান্ত
জান্নাতঃকোনো কথা শুনবো না,আমার বেবি
লাগবে খুব তাড়াতাড়ি।
আমিঃতাহলে কাল থেকে মিশন শুরু করবো
জান্নাতঃনা বাবু,আমি যেটা বলছি সেটাই
আমিঃকিন্তু.......
আর কিছু বলতে পাড়লাম না।লাইট বন্ধ করে
আমার কথা বলার মুখটাকে বন্ধ করে নিলো।
তারপর কি হয়েছে আর বলবো না।সবাই বুঝে
নেন।
সকালে জান্নাতের চুলের ছিটেফোঁটা জলের আভাষ
পেয়ে ঘুম থেকে উঠলাম।
আমিঃএতো তাড়াতাড়ি গোসল করলে?
জান্নাতঃহুম তুমিও যাও
আমিঃএখন আমি একটু আদর করি(জড়িয়ে নিয়ে)
জান্নাতঃউহু,একদম দুষ্টুমি করবা না।
আমিঃএকটু আদর করি না?
জান্নাতঃদরকার নেই
আমিঃযাও তোমার সাথে কথা নাই
জান্নাতঃদেখা যাবে কথা না বলে থাকতে পারো কিনা
আমিঃহু😏
জান্নাতঃএখন যাও উঠে ফ্রেস হয়ে নাও
আমিঃঠিক আছে
আর শুয়ে না থেকে বাথরুমে গিয়ে গোসল করে
বাইরে আসলাম।
-----------------------------------------------------------
দেড় বছর পর,,,,,,
পরিবার কতোটা মধুর হয় সেটা জান্নাতকে বিয়ে
না করলে হয়তো জানতে পাড়তাম না।তবে বন্ধুদের
কথাগুলো ভুল প্রমাণিত হয়েছে অনেক আগেই।
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বোঝাপড়াই সংসার জীবনের
অনেক বড় একটি হাতিয়ার।সব সময় একজনের
কথাই মান্য করতে হবে সেটা না।দুজনের কথার
মধ্যে যার কথার মান যুক্তকর তার কথাটাই
উপস্থাপনা করতে হবে।হোক সেটা আমার বা
জান্নাতের।তবে পরিবার থেকে একজন মানুষ
আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বুঝতেই পারছেন
কে যেতে পারে।হ্যা, দাদু সবাইকে ছেড়ে পরকালে
পারি জমিয়েছে। এখন টুকটাক আব্বুর সাথে
অফিসে গিয়ে কাজ করি।সম্পূর্ণভাবে আব্বু এখনো
আমার উপর দায়িত্ব ভার দেয়নি।অফিসের অন্য
স্টাফদের মতো আমি কাজ করি।এখন অফিসে
বসে আছি হঠাৎ নিলুর কল আসলো।
আমিঃকিরে কুত্তী
নিকুঃভাইয়া তুই তাড়াতাড়ি হাসপাতালে চলে আয়
হাসপাতালের কথা শুনে বুকের মধ্যে ছ্যাঁত করে
উঠলো।বাসার কারো তো কিছু হলো না,নিজেকে
স্বাভাবিক করে প্রশ্ন করলাম।
আমিঃকেনো কি হয়েছে
নিলুঃভাবিকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।সকাল
থেকেই নাকি আজ পেট বেশিই ব্যথা করছিলো।
আমিঃআমি আসছি
নিলুঃআব্বুকে সাথে.....
আর কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে কল কেটে
দিয়ে অফিসের বাইরে থেকে গাড়ি নিয়ে রওনা
দিলাম।

প্রায় ২০মিনিট পর হাসপাতালে আসলাম।মনের
মধ্যে হাজারটা চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে।অনেকের
থেকে আবার কখনো কখনো পত্রিকাতেও পড়েছি
ডেলিভারির সময় মা কিংবা মেয়ে যেকোনো
একজন বেচে যায়।কিন্তু আমি তো দুজনকেই চাই।
হঠাৎ মনে পরে গেলো জান্নাতের সেই কথাটা।
আমাকে বলেছিলো,যদি আমি চলে যায় আমার
থেকে সুন্দর মেয়ে পাবে।কিন্তু পাগলিটা তো জানে
না সে নিজেই আমার কাছে সব থেকে সুন্দরী।
বুকের ভিতরের হার্টবিট বেরেই চলেছে।কাদে
কারো হাত অনুভব করতেই তাকিয়ে দেখলাম আব্বু
দাঁড়িয়ে আছে।
আব্বুঃচিন্তা করিস না,সব ভালোই হবে।
আমিঃহুম।

আরো প্রায় ১৫মিনিট বাইরে অপেক্ষা করার পর
ডক্টর বের হলো।সবার আগে দৌড়ে গেলাম।
আমিঃম্যাডাম আমার স্ত্রী?
ডক্টরঃভয় পাবেন না,আপনার স্ত্রী ভালো আছে।
পরিবারে নতুন এক পরি আসছে।
আমিঃদেখা করতে পাড়বো?
ডক্টরঃসরি,অপেক্ষা করতে হবে।
আমিঃধুর,আপনি সরেন আমি দেখা করবো।
সবাইকে পাশ কাটিয়ে কেবিনে ঢুকলাম। জান্নাত
আর আমার পরি মেয়েটা দুজন আরামে ঘুমাচ্ছে।
আমাকে টেনশনে ফেলে দিয়ে এখন কতো সুন্দর
করে ঘুমাচ্ছে। একটা চেয়ার টেনে জান্নাতের পাশে
বসে হাত দিয়ে গালের উপর স্পর্শ করতেই মৃদু
একটা হাসি দিয়ে আমার দিকে ঘুরে তাকালো।
জান্নাতঃটেনশনে আছো মনে হচ্ছে
আমিঃহুম ছিলাম,কিন্তু এখন আর নেই।
জান্নাতঃকেনো টেনশন করছিলা
আমিঃতুমি বুঝবা না,এখন কেমন লাগছে?
জান্নাতঃতোমার হাতের স্পর্শ পেয়ে অনেক বেশি
ভালো লাগছে।
আমিঃসব জায়গায় ঢং তাই না
জান্নাতঃআমি ঢং করছি?
আমিঃতো নয়তো কি।
জান্নাতঃযাও তোমার সাথে আড়ি
আমিঃএখন কথা না বললেও রাগ ভাঙাবো না।
আমার পিচ্চি বুড়িকে পেয়ে গেছি।
জান্নাতঃআমার জন্যই তো পেয়েছো,আর এখন
আমাকেই ভুলে যাচ্ছো হু😔
আমিঃতোমাকে কি ভুলতে পাড়ি জানু,তুমিই তো
আমার সমদ্বীপের সঙ্গী।
জান্নাতঃহু,বাবুর নাম কি রাখবে?
আমিঃতুমিই বলো
জান্নাতঃআভা,নামের অর্থ হলো উদ্বায়ী।
আমিঃঅন্য নাম রাখলে হয় না?
জান্নাতঃনা,যেটা বলছি সেটাই হবে
আমিঃঠিক আছে সেটাই হবে হ্যাপী
জান্নাতঃহুম
আমিঃতোমার থেকে আমি অনেক বেশি
আভাকে কোলে নিয়ে জান্নাতের দিকে তাকিয়ে
বিশ্বজয় করার একটা হাসি দিয়ে পাগলিটার
কপালে ভালোবাসার পরশ ছুঁয়ে দিলাম।

----------------সমাপ্ত----------------
পুরোটা গল্প পড়ে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন।গঠনমূলক কমেন্ট পড়তে অনেক ভালো লাগে।ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।ধন্যবাদ ❤❤

তারপর ভালোবাসি গল্প টা দিবো নাকি। কালো ছায়া গল্প দিবো কমেন্ট বক্সে জানাবেন ❤️❤️

Address

Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
ABIRHASANNILOY

Telephone

+8801647442942

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abir Hasan Niloy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abir Hasan Niloy:

Share

Category