31/10/2022
কেন সাকিব মোসাদ্দককে বল না দিয়ে হাসান মাহমুদকে ১৮তম ওভার করতে দিয়েছিলেন, সেই উত্তর দিয়ে দিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ৩ ওভারে ২৫ লাগতো অশ্বিন দিলেন ১৩। বাংলাদেশ ম্যাচেও, ঐ পরিস্থিতিতে দুই সেট ব্যাটার উইলিয়ামস এবং বার্ল সৈকতকে পিটিয়ে ইকুয়েশন আরো সহজ করে ফেলতে পারতেন। ম্যাচ জিততে চান বলেই শেষ ওভার মোসাদ্দেক হোসেনকে দিয়েই সাকিবের করাতে হয়েছে।
জিম্বাবুয়ের যখন ৫ উইকেট পড়েছে তখন ১২তম ওভারের খেলা চলছে, সাকিব ওখানে চেষ্টা করেছেন উইকেট বের করতে। অর্থাৎ তিনি আক্রমণাত্মক ছিলেন, ফিল্ডিং প্লেসিংয়েও সেটাই দেখা গেছে। ৩ ওভারে যখন ৪০ লাগতো তখনো সাকিব সেফ খেলেননি, নিজের প্ল্যানমতোই এগিয়েছেন।
হাসানকে না দিয়ে ঐ ওভার যদি মোসাদ্দেক বা সাকিব নিজেই করতেন কী হতে পারতো? দুজনে মিলে ৩০ রানও দিতে পারতেন, শেষ ওভারে হাসানের পক্ষে কি তখন সম্ভব হতো ১০ রান আটকানো? তা্র চাইতে সাকিব চেয়েছেন স্পিনের দুই ওভারে যতবেশি রান রাখা যায়। দুই ওভারে ২৬ লাগতো, দিনশেষে যেটা পর্যাপ্ত হয়েছে। সাকিব সাহসীকতা দেখিয়েছেন, পুরষ্কারও পেয়েছেন ম্যাচ জিতে। ৪ বোলার নিয়ে খেলতে নামলে এইটুকু রিস্ক তো নিতেই হয়; যখন আপনার পক্ষে ৭ ব্যাটার নিয়ে খেলা সম্ভব না…
সাকিব রিস্ক নিয়েছেন বলেই ম্যাচটাও জেতা গেছে। আরেকটা উদাহরণ দেই, একবার ভাবুন সাকিবের ঐ থ্রো লাগেনি, শন উইলিয়ামস ক্রিজে অবিচল। ফলাফল কী হতো? অনুমিতভাবেই বাংলাদেশও হারতো! আরেকবার ভাবুন, সাকিব থ্রো করলেন স্ট্রাইক এন্ডে, আউট হলেন রায়ান বার্ল। তাতে কি কোনো লাভ হতো? সেই উইলিয়ামস তো টিকেই যেতেন। স্বাভাবিক কেউ হলে স্ট্রাইক এন্ডেই থ্রো করতেন, কারণ ঐ এন্ডে পেছনে ঘুরে থ্রো করতে হতো না বলে থ্রো করা ইজি ছিল, উইকেটকিপারও সাহায্যে ছিলেন। কিন্তু সাকিব ম্যাচের সবচেয়ে ফ্লুয়েন্ট ব্যাটারকে আউট করতে চাইলেন অফ ব্যালেন্সে থাকা সত্ত্বেও, এক স্ট্যাম্প থাকা সত্ত্বেও; কারণ তিনি ম্যাচ জিততে চান