প্রকৃত দেশপ্রেমিকের রক্ত কখনো আবর্জনার স্তূপে চাপা পরে না।

  • Home
  • Bangladesh
  • Pabna
  • প্রকৃত দেশপ্রেমিকের রক্ত কখনো আবর্জনার স্তূপে চাপা পরে না।

প্রকৃত দেশপ্রেমিকের রক্ত কখনো আবর্জনার স্তূপে চাপা পরে না। ����আমি একজন দেশ প্রেমিক����

আমাদের আটঘরিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ খান  ----( সদ্য পদোন্নতি  প্রাপ্ত) ----------------"...
30/06/2025

আমাদের আটঘরিয়া উপজেলার কৃতি সন্তান লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ খান ----( সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত) ----------------"ঃ

-----------------------------------------------------------------------
------------------" পলিবাহিত প্রমত্ত পদ্মার উত্তর অববাহিকায় আমাদের ঐতিহ্যবাহী বৃহত্তর পাবনা জেলা। এই পাবনার একটি থানা বা অঞ্চল আটঘরিয়া। এই আটঘরিয়ায় যুগে যুগে এবং কালে কালে জন্মগ্রহণ করেছেন দেশবরেণ্য ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণি ও কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব। এই কীর্তিমান ব্যক্তিদের হয়তো আমরা অনেকেই চিনি না বা তাদের সম্পর্কে আমাদের অনেক কিছু অজানা রয়ে গেছে।

আজকের লিপিকায় এমন একজন মানুষের জীবনী লিখব যিনি বর্তমান সময়ে আমাদের আটঘরিয়ার মুখ উজ্জ্বল করেছে --লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহম্মেদ খান ।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ খান আটঘরিয়া উপজেলার মাঝপাড়া ইউনিয়নের গোকুলনগর গ্রামে ১৭/২/১৯৭৪ সালের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আনোয়ার হোসেন রেনু, যিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় আটঘরিয়া উপজেলার পিসি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং আটঘরিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন রেনু এবং মাতার নাম মোছাম্মদ ফিরোজা খাতুন একজন রত্নগর্ভামা। ফিরোজ আহমেদ খান পিতা মাতার ৩ ছেলে ৩ মেয়ের মধ্যে প্রথম সন্তান।

শিক্ষাজীবন ঃ লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ খান আটঘরিয়া উপজেলার পার খিদিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করেন। এরপর পাবনা সেলিম নাজির উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন। এখানে এক বছর পড়ালেখা করার পর তিনি সপ্তম শ্রেণীতে রাজশাহী ক্যাশেড কলেজে ভর্তি হন। ১৯৯১ সালে ওই ক্যাডেট কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে মাধ্যমিক পাস করেন ও১৯৯৩ সালে মানবিক বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজশাহী বোর্ডে প্রথম স্থান অর্জন করেন। সেনাবাহিনীতে চাকরি রত অবস্থায় তিনি ১৯৯৫ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএ পরীক্ষা দেন এবং প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এই কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য তিনি ডঃ মোঃ শহিদুল্লাহ স্বর্ণপদক অর্জন করেন। ২০০৩ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ২০১১ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল থেকে কৃতিত্বের সাথে এমএসটি ডিগ্রী অর্জন করেন।

কর্মজীবনঃ লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আর্মি অফিসার পদে নির্বাচিত হন এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসাবে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী (বিএমএ) তে ট্রেনিং করে কমিশন প্রাপ্ত হন এবং চট্টগ্রামের কাপ্তাইতে ৫২ বেঙ্গলে যোগদান করেন। সিলেটে যান এমবি কোর্স করতে। তারপর আবার চট্টগ্রাম ৫২ বেঙ্গলে ও পরে সাভার ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত ছিলেন। তারপর ১৯৯৭ সালে সিলেটে যান ওয়াই ও কোর্স করতে। এবং আবার সাভার ফিরে আসেন। এরপর ১৯৯৯ সালে সিলেটে যান জিসিও কোর্স করতে কোর্স শেষে ক্যাপ্টেন পদে যোগদান করেন। ক্যাপ্টেন থাকা অবস্থায় ২০০৫ সালে শান্তি মিশনে লাইবেরিয়াতে যান। মিশন থেকে ফিরে এসে তিনি মেজর পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং ডি জি এফ আই তে যোগদান করেন। তিনি ২০০৮ সালে পিএসসি কোর্স করেন। ২০১২ সালে তিনি পুনরায় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে মিলিটারি অবজারভার পর্যবেক্ষক হিসেবে লাইবরিয়াতে যান। তার এই মিশনে ১১টি দেশের ১১জন সেনা অফিসার পর্যবেক্ষক ছিলেন। লাইবেরিয়াতে জাতিসংঘ শান্তি মিশন ছাড়াও তিনি ইন্ডিয়া, থাইল্যান্ড, টার্কি, কেনিয়া, ঘানা,, আইভরি কোস্ট সহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ খান একজন অ্যামেচার গলফ খেলোয়ার। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে একজন দক্ষ গলফ খেলোয়ার হিসাবে সুপরিচিত। বিভাগীয় বিভিন্ন গলফ প্রতিযোগিতায় অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফিরোজ আহমেদ ফ আহমেদ খান ঈশ্বরদী উপজেলার নার্গিস পারভীন ফারিহার সাথে বিবাহ বন্ধন আবদ্ধ হন তিনি এক পুত্র সন্তানের জনক।

"The more you read the more you learn"--------------------------------------------------------------           ''A book ...
25/06/2025

"The more you read the more you learn"
--------------------------------------------------------------
''A book is like a living person,,
বই হল জীবন্ত ব্যক্তির ন্যায় --

২১/৬/২০২৫--
শ্রদ্ধাভাজন, বাঙালি জাতির সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম রাঙ্গা মামার নিমন্ত্রণে- আজ তার বাসায় সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপচারিতার পর -বিদায় লগ্নে তার লেখা ১৯৭১ "রক্তস্নাত পাবনা" "বইটি আমার হাতে উপহার হিসাবে তুলে দেন -------ধন্যবাদ মামাকে মহান আল্লাহ তা'আলা আপানকে দীর্ঘজীবী করুন🤲🤲আমিন।

Address

Pabna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রকৃত দেশপ্রেমিকের রক্ত কখনো আবর্জনার স্তূপে চাপা পরে না। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category