love blind

love blind Love encompasses a range of strong and positive emotional and mental states.�

বারবার হোঁচট খেলেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাই জীবনের মূল লক্ষ্য ❤️
15/11/2023

বারবার হোঁচট খেলেও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাই জীবনের মূল লক্ষ্য ❤️

❤️ভালোবাসা নাকি অভিনয় 🤕 Written by- Md Jarif Mahfuzকথা গুলো:কোনো এক অচেনা মেয়ের 😊আমি তখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। হর হা...
09/11/2022

❤️ভালোবাসা নাকি অভিনয় 🤕

Written by- Md Jarif Mahfuz
কথা গুলো:কোনো এক অচেনা মেয়ের 😊

আমি তখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি। হর হামেশাই আমি বোনের বাড়িতে বেড়াতে যাই।
পরীক্ষা শেষে লম্বা সময়ের জন্য সেখানে থাকি। হাজার হলে বড় বোন মায়ের মতন। তখনো কিন্তু আমি জানি না ভালোবাসা কি ভালোবাসা বলতে কী বোঝায় মায়া কি??
আমার তখন ফোন ছিলনা।
তাই বোনের বাসায় গেলে বোনের ফোনটা নিয়ে একটু লারাঘাটা করতাম।
তারপর তখন একটু একটু ফেসবুক সম্পর্কে জেনেছি। বোনের আইডি দিয়েই মেসেঞ্জার চ্যাট করা শিখি। যাকে মনে হতো সে আইডি থেকে তাকে এসএমএস দিতাম সবার সাথে কথা বলতাম আর আমার বোনের আইডিতে সবগুলোই পরিচিত মুখ ছিল।
কেন জানি আমাকে এসএমএস করতে খুব ভালো লাগতো চিনিনা জানিনা তারপরে ও‌।
শুধুমাত্র একজনই ছিল অপরিচিত যাকে আমি চেনাজানা না সত্ত্বেও এসএমএস দিয়ে ফেলি।
এভাবেই টুকটাক কথা হতে থাকে কেমন আছে কি করছি না করছি এতোটুকুই।
তার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি আমার বোনের কাছে বোন বলে একটা ভালো ছেলে এই করছে সেই করছে কাছ থেকে ভালো একটা ফিডব্যাক পাওয়া যায়।
তারপর এভাবেই কথা হতে থাকি।
একদিন হুট করে আমাকে বোনের আইডিতে আমাকে স্ক্রিনশট মেরে একটা পিক পাঠায় সেটা ছিল আমারই।😇😇
আমি তখন কৌতূহলের সাথে জিজ্ঞাসা করি যেটা সে কোথায় পেয়েছে??🙃 জবাবে সে বলে এটা কি আপনি?এটা আমি কিন্তু আপনি আমার এই পিকটা কোথায় পেয়েছেন!🐱🐱
সে বলে আপনাকে একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখেছিলাম ভিডিও করতে যেয়ে সেখানে আপনি অ্যাড হয়ে গেছেন।😜
এভাবেই কথাবার্তা বাড়তে থাকে তার প্রতি টান আরো মধুর হয়।
এর মধ্যে কখন যে ভালোবেসে ফেলেছি সেটাই জানিনা।
সে আমাকে ফোন না দিলে থাকতে পারে না।
রাতে ফোন না দিয়ে কথা না বললে সে ঘুমাতে পারে না।
শুরু টা ছিল এরকমই।❤️❤️❤️
তারপর আস্তে আস্তে সময় বাড়তে থাকে।
তার ফ্যামিলিতে জানতে পারে।
তখনই ঝামেলা হয় নতুন সৃষ্টির। তার ফ্যামিলি আমাকে কোন ভাবে মেনে নিতে পারে না কারণ তাদের দিক থেকে আমরা অনেক গরীব। তার বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা।
সে সুবাদে তার ফ্যামিলি থেকে আমার ফ্যামিলিকে জানতে পারে ঝামেলার আকার প্রোকোপ থাকে। আমার ফ্যামিলিকে নানান রকমের কথা শুনান তার ফ্যামিলি।
তারপর ও আমি একটা বারের জন্য ভাবি নি যে আমি যে মানুষটাকে ভালোবেসেছি সে মানুষটা খারাপ ছিল তার ফ্যামিলি খারাপ ছিল ভেবেছিলাম একটা সময় আমায় আপন করে নেবে তারা আমাকে একদিন দুইদিন কথা শোনাবে তারপর থেকে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু ধারণা সেখানে আমার ভুল ছিল যাকে আমি অন্ধের মতো ভালোবেসে ছিলাম সে আমাকে আস্তে আস্তে দূরে ঠেলতে থাকে।

ঘটনা সূত্রপাত হয় তার বাবা মারা যাওয়ার দিন থেকে। সেদিনই তার ফ্যামিলি থেকে আমার ফ্যামিলিতে কথাবার্তা হয় ঝামেলা হয়।
তারপর সে আমাকে আস্তে আস্তে ইগনোর করতে থাকে।
যে ছেলে আগে আমার সঙ্গে কথা বলে ঘুমাতে পারতো না সে এখন দিব্যি অনলাইনে থাকার পরও আমাকে একটা এসএমএস করে না ফোন দেয় না।
আমি ফোন এসএমএস দিলে রেসপন্স পাওয়া যায় না।
একদিন একশ বারের উপর ফোন দিয়েছি তাও ফোন রিসিভ করেনি।
সেদিন ভেবেছিলাম যে আমি যাকে বিশ্বাস করেছিলাম নিছক শুধু তার এটা অভিনয় ছিল।
ভালোবাসা ছিল না।

সে এখন দিব্যি অনলাইনে অন্য মেয়ের আইডিতে কমেন্ট করে। সে নাকি ব্যস্ত থাকে সে নাকি মানসিক প্রেসারে থাকে তাই আমাকে এসএমএস বা ফোন দিতে পারেনা শুধু তার একমাত্র অজুহাত।
কিন্তু এখন দিব্যি অনলাইনে থাকে দিয়ে দেয় পোস্ট করে।
যে কিনা আগে আমার পারমিশন না নিয়ে ডে বা পোস্ট কোনটাই করতো না।
তবে লাস্টে তার কাছ থেকে আমি জানতে চেয়েছিলাম আমার সাথে সেই রকম করছে কেন???
তার উত্তর ছিল তোমার কোন দোষ নাই 😶😶

তা লাস্ট কথা এটাই ছিল তারপর আমাকে কোন এসএমএস এর রিপ্লাই দেয় নাই ফোন রিসিভ করেনি আর কোন কথা হয়নি 🤕😊

এখন নিজেকে এই পরিবেশের মধ্যে মানিয়ে নিয়েছি। আমি এখন একা থাকতে শিখে গেছি।
এখন শুধুমাত্র ওইসব ভাবি আর বলি সেগুলো তো নিছোক অভিনয় ছিল সে ভালোবাসা ডেফিনেশন জানেনা তাহলে সে কিভাবে আমাকে ভালবাসতে পারে।

দিন যত যায় মানুষ আস্তে আস্তে পরিবর্তন হতে থাকে আমি অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছি।
শুধু পারেনি, নিজের সে অভ্যাসকে বদলাবে।
সে আমাকে এসএমএস ফোন না দিতে পারে কিন্তু এখনো তার প্রোফাইলে আমি গিয়ে দেখি কি পোস্ট করেছি কি ডে দিয়েছে!!😔😔😔

সে আমাকে ভুলতে পারলেও আমি তাকে এখনো ভুলতে পারিনি। অন্যের সামনে হয়তোবা বলেছি তাকে নিয়ে আর ভাবি না কিন্তু দিনশেষে তার প্রোফাইলে গিয়ে পড়ে থাকি 🤕

মাঝে মাঝে উল্টাপাল্টা কাজ করি আমিও কতটা ভালো আছি সেটা ফেসবুকে পোস্ট করি ডে দেই।
সে কিন্তু পোস্ট ডে আমার সবই দেখে কিন্তু আজ অব্দি সে এসএমএস গুলার রিপ্লে পায়নি সে কেন আমাকে ইগনোর করছে কেন আমার এসএমএস সিন করে না ফোন রিসিভ করেনা।

এখন আমি আর মনে করি না যে আমাদের সম্পর্কটা আবারও ঠিক হবে। যেখানে এত দিন হয়ে গেল কোন রিপ্লাই নাই সেখানে কিভাবে আশা করা যায় যে আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
সে এখন নতুন দুনিয়ায় ভালো আছি এটাই আমার মনে হয় 💔
মজার বিষয় হচ্ছে আমি এখনো তাকে ব্লক করিনি সে আমার ফ্রেন্ড হয়ে আছে। 😔😔

আমার মনের একটা ইচ্ছা আছে। সে বলু বা তার ফ্যামিলি বলুক যে আমরা গরিব আমরা নিম্নমানের মানুষ সেটা একদিন দেখিয়ে দেবো নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়ে।
শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষায় 💔💔

To be..... Continue 🙃🙃 day by day 💔💔

সেই অভিনয়ের জলে ভেসে আমি এখনো জাল থেকে বের হতে পারছি না। এই দিনের পর দিন কেটে যাচ্ছে 😔😔
যেখানে কিনা আমি মিথ্যা ভালোবাসার অভিনয়ের শিকার মাত্র 💔💔

😔Depression Vs love❤️Create by -- jarif mahfuzপ্রথমে আমার পরিচয়টা নাই দিলাম। প্রথমত আমি একজন মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। সবসময...
09/11/2022

😔Depression Vs love❤️

Create by -- jarif mahfuz

প্রথমে আমার পরিচয়টা নাই দিলাম। প্রথমত আমি একজন মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে। সবসময়ই অভাব অনটন লেগেই থাকে। আর বাড়ির বড় ছেলে আমি।
আজ থেকে পাঁচ বছর আগের কথা। প্রথমত তার সঙ্গে আমার দেখা হয় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে। প্রথম দেখাতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু সম্পর্কটা ছিল একটু উল্টাপাল্টা এলাকার সম্পর্ক দিক দিয়ে।
বিয়ের কাজ বলতে গেলে ডেকোরেশন প্যান্ডেল সব আমি নিয়ন্ত্রণ করি।
তখন আমি ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার কি সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি।
যেদিন গায়ে হলুদ আমার সেই পাড়াতো বোনের !সেদিন আমি শহর থেকে যাই গ্রামের বাসায়।
সেদিনই তাকে দ্বিতীয় বারের মতো দেখি। কারণ এর আগে আরেকটা বিয়েতে তাকে দেখেছিলাম তখন সে ছোট ছিল।
পরের যখন দেখা হয় সে তখন এসএসসি পরীক্ষা দিবে এমন সময়।
বিয়ে বাড়িতে কাজে ব্যস্ত থাকি মাঝেমধ্যেই তাকে দেখতে পাই।
এরকম ভাবে প্রথম দিন গেল বিয়ের।
দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ বিয়ের দিন যারা বিয়ে খেতে এসেছিল অনুষ্ঠানের তখন আমি তাকে আমার পাশে দেখতে পাই।
আমি তখন গিফট কালেক্ট করছিলাম আর খাতায় এন্ট্রি করছিলাম।
ওই সময় সে আমাকে মামা বলে সম্বোধন করে। আমি তখন তাকে বলি কিসের মামা লাগে আমি। সে তখন বলে আপনি তো মামা আমার আমি তখন বলি সব সম্পর্কে কিন্তু সেইরকম সীমাবদ্ধের মধ্যে রাখতে নেই।
আর সে জানতো আমি তাকে পছন্দ করি।
সে যে আমাকে জ
জ্বলানোর জন্য বা রাগানোর জন্য বলেছিল সেটা আমি জানতাম না।
সে যে কিভাবে জেনেছিল আমি তাকে পছন্দ করি সেটা হচ্ছে যে যার বিয়ে তাকে আমি বলেছিলাম তোর ওই আন্টিকে আমার খুব ভালো লাগছে। যে সে কি করে না করে এসব সব তার থেকে জানতে পারি।
সেই সে তখন বলেছিল তাকে যে, আমি তাকে পছন্দ করি সেটা আমি জানতাম না।
যাইহোক এভাবেই বিয়ের দিন গেল বিয়ের পরের দিন গেল সে তিন দিন মত ছিল বিয়ের অনুষ্ঠানে।
তারপর বিয়ের তৃতীয় দিন আমি মাঠে খেলতে যাই মাঠ থেকে খেলা আসার সময় জানতে পারি যে তারা স্টেশনে চলে গেছে তারা ট্রেনে বাসায় চলে যাবে।
আমার শুনে খারাপ লাগলো তখন আমি কোন কিছু চিন্তা ভাবনা করিনি স্টেশনে চলে গেছি দৌড়াতে দৌড়াতে।
স্টেশনে গিয়ে তাদের সাথে দেখা হলো কথা হলো শেষ সময় আমাকে চিপস খেতে দিয়েছিল সে।
আমি সেটা খাইনি। সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল যে কি যেন আমার কাছে চলে যাচ্ছে হারিয়ে যাচ্ছে এরকম কিছু একটা।
এর কিছু সময় পর ট্রেনটা ছেড়ে দেয়।
তারপর আমি লক্ষ্য করি যে সে জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
তারপর আমি বাসায় চলে আসি।এতদিন খুব খারাপ সময় কাটলো ভালো লাগছিল না খুব বোরিং ফিল হচ্ছিল।
হঠাৎ এর মাঝে বিয়ের পাঁচ দিন কি ছয় দিন পর আমার কাছে এটা অন্য নাম্বার থেকে ফোন আসে।
ফোনটা দিয়েছিল সেই।
ফোন রিসিভ করার পরে বুঝতে পারছি হ্যাঁ তিনি হচ্ছে সেই যাকে আমি পছন্দ করেছি।
আমি সবকিছু বোঝার পরেও এমন একটা ভাব নিয়ে কথা বলছিলাম যেন আমি তাকে চিনতে পারছিনা আমি এরকম কিছু।
এভাবে কথা বলা শুরু হয়। তার কোন নিজস্ব ফোন ছিলনা।
এভাবেই এক সপ্তাহ পর ১৫ দিন পর এক মাস পর ফোন দিতো আমার সঙ্গে কথা হতো এভাবে আস্তে আস্তে সম্পর্কটা গাঢ় হয়।
সেও আমাকে ভালোবেসে ফেলে।
এভাবে ভালো সময় কাটছিল এক সপ্তাহ পর হোক কোনদিন পর হোক বা এক মাস পরে বাই হোক না কেন আমাদের কথা হতো।
এভাবে দুই বছর কেটে যায়।
তার বাড়িতে জানাজানি হয় একটু ঝামেলা হয় শত বাধার পরেও আমাদের সম্পর্কটা এভাবে চলতে থাকে।
এক সময় আমার বাড়িতে ঝামেলা হল এটা জানাজানির পর।
তারপর কিছুদিন অফ ছিল।
আমিও এক কলেজ থেকে আরেক কলেজে যাই।
সেখানে বন্ধুবান্ধব নিয়ে বিজি হয়ে যায়।
এক বছর পর তার সঙ্গে আবার আমার যোগাযোগ হয় কেন জানি তার সঙ্গে যদি কথা না বলতাম ভালো লাগতো না সবসময় মিস করতাম।
এভাবে আবার চলতে থাকে দীর্ঘ দুই বছর।
গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট শেষের পথে নানান ধরনের টেনশন ফ্যামিলি জব বেকারত্ব এসব চিন্তা ভাবনা ঢুকে যায় আমার মাথায়।
সব মিলিয়ে আমি ব্যাপক ডিপ্রেশনে পড়ে যাই।
তাকে যে সময় দিতে হবে তাকে তার যে খোঁজখবর নিতে হবে আমার মাথা থেকে সেটা হারিয়ে যায় আস্তে আস্তে।
শেষ দুই বছর আমাদের মাঝে কথা হতো অনেক কথা হতো তার ফ্যামিলি থেকে জানত তার ফ্যামিলি মেম্বারও আমার সঙ্গে কথা বলতো সব মিলিয়ে ভালোই ছিলাম।
যখন থেকে আমি ডিপ্রেশনে ভুগি আমার ক্যারিয়ার নেই আমার ফিউচার নিয়ে ফ্যামিলি সব দিক দিয়ে আমি কেন জানি ভেঙে পরি হতাশ হয়ে যায়।
তাকে আগের মত আর ফোন দেওয়া হয় না।
আমি অনলাইনে থাকলেও তাকে একটা বার এসএমএস করার মত আগ্রহ জন্মাতো না।
জানিনা কেন জানি এটা অনীহা চলে আসে আমার মধ্যে।
মিস করি সব সময় এটা শিওর।
সে আমাকে ভুল বুঝতে থাকে আস্তে আস্তে।
সে ভাবে আমি হয়তো তাকে ইচ্ছা করেই ইগনোর করছি।
অন্য কোন মেয়ের সঙ্গে হয়তোবা আমার নতুন রিলেশনশিপ হয়েছে।
এটা ভাবার একটা কারণ যে সে অভ্যস্ত হয়ে গেছিল শেষে দুই বছর আমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে।
সে একটা সময়ের জন্য ভাবতে পারেনি যে আমি এতটা চেঞ্জ হয়ে যাব হঠাৎ করে।
এতটা চেঞ্জের মাঝে মেইন কারণ হচ্ছে আমার ডিপ্রেশন টেনশন ক্যারিয়ার।
একটা জিনিসই ভাবতো যে আমি আগের মতো নাই কেন আমি কেন তাকে ইগনোর করি তার সঙ্গে কথা বলতে আমার ভালো লাগে না কেন তাকে হাজার ব্যস্ততা দেখায় কেন???

আর আমি তাকে কোনভাবেই বোঝাতে পারি না হাজার ব্যস্ততার কারণ তাকে কিভাবে বোঝায়।

কারণ আমি নিজেও জানিনা কি জন্য তাকে আমি সময় দেই না কি জন্য তাকে এসএমএস করি না ইগনোর করি।
সবসময় চাইতো সে আমি যেন এ টু জেড তার সঙ্গে শেয়ার করি।
কিছু কিছু কথা বলতাম আর মাঝে মাঝে ভাবতাম যে সব বলবো সে কি ভাববে এই সেই যেন তেন ব্লা ব্লা।
কিন্তু সে একবারের জন্য ভাবেনি যে হাজার ডিপ্রেশনের পরেও তাকে আমি ভালোবাসি।
আমি তাকে এটা বোঝাতে পারিনি তাকে আমি শত ব্যস্ততার মধ্যে মিস করি।
একটা কথা কি যে ডিপ্রেশনে ভুগে যে বেকারত্বের কি ডিপ্রেশনে থাকাটা কি সেই বুঝে কোন কিছু না পাওয়ার আশঙ্কা কি?
পরিশেষে তাকে আমি আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলি।
কেন জানি মনে হয় সে আমার লাইফে থাকলে ভালো থাকবে না।
সে আমার থেকে দূরে থাকলে ভালো থাকবে।
আমি যে কষ্টে দিন পার করছি সে যদি এ কষ্টগুলো না নিতে পারে এগুলো মনে হয়।
সব মিলিয়ে বলা যায় এখন আমি এক ধোঁয়াশার মধ্যে সময় পার করছি।
কাউকে কোন কিছু এক্সপ্লেইন করে বোঝাতে পারছি না।
সে তার বান্ধবী তার ফ্যামিলি দিন শেষে আমাকে খারাপ ভাবে। আমাকেই প্রতারকভাবে। আমি নাকি ভালবাসায় বিশ্বাসী না।
আমি নাকি নতুন রিলেশনশিপে গেছি এরকম কিছু।
আমি কখনো ভাবি নি যে আমার জীবনে এরকম একটা সময় আসবে যে সময়ে কাছের মানুষটাই ভুল বুঝবে।
এখানে আমার ব্যর্থতা আছে কারণ আমার মনের ভেতরের অবস্থা তাদেরকে দেখাতে পারছি না।
জীবনের কিছু মুহূর্ত থাকে যেগুলো কারো কাছে সাথে শেয়ার করা যায় না, না কাউকে বোঝানো ও যায় না ।
তাই আমি এটা ভাবি তারাই আমাকে ভুল বুঝুক আমি দোষী হই।
আর এখন ভাবি সে সুখে থাকলে আমি সুখী। অন্তত নিজেকে এটা দিয়ে সান্তনা দেওয়া যাবে সে তো অন্তত ভালো আছে ‌।
জানিনা আমার এই ধোঁয়াশার মধ্যে এ ধোয়াসাময় সময়ের মধ্যেই তার বিয়ে হয়ে যেতে পারে।
বিয়ের অগ্রিম দাওয়াত পেয়েছি বিয়ে না ঠিক হতেই এর থেকে কষ্টকর সংবাদটা কি হতে পারে।
যাই হোক দিন শেষে একটা জিনিসই চাইবো সে অন্তত ভালো থাকুক আমি চাইনা যে আমার জন্য তার জীবনটা নষ্ট হয়ে যাক আমার জন্য তার জীবনটা কষ্টকর হয়ে উঠুক।
যে আমাকে ভুল বুঝছে এতে আমার কোন আফসোস নাই কারণ আমি জানি সব কিছুর জন্য মূল কারণ কি?

কারণ আমি চাইলে যে সে সময় গুলোর মত আর সময় কাটাতে পারব না ।মাথার উপর অনেক বড় দায়িত্ব বাড়ির বড় ছেলে আমি যদি কিছু করি আমার ফ্যামিলি বাবা-মা বোন ছোট বোন।
তাদের কথা তো ভাবতে হবে।
শুধুমাত্র আমার আমার দিক দিয়ে দেখলে তো হবে না।

ভালো থাকুক ভালোবাসা, সো আমি ডিপ্রেশন নিয়ে ভালো আছি।
আর ভালো না থাকলে তো ভালো থাকার অভিনয়টা ভালোই করতে পারি।

দিনশেষে সবার কাছে আমি একজন ভালো মানুষ কারণ শত কষ্টের মাঝে যে আমি আমার মুখে হাসিটা তাদেরকে দেখাতে পারি। আমি খুব ভালো আছি অনেক হাসিখুশিতে দিন সময় পার করছি।

মানুষ তো উপরেরটাই দেখে ভেতরের খবর কে বা রাখে।😶😶

একটা সময় ছিল কোন কিছু ভাবা লাগতো না।
ওই সময়টা বেশি মিস করি।

তবে ডিপ্রেশনে একটা সঙ্গী পেয়েছি।
যার সঙ্গে কষ্টকর মুহূর্তগুলো ভাবা যায়।
সেটা নাই বলি। বলতে পারেন খারাপ একটা অভ্যাস।

যাই হোক যখন অভিনয়টা ভালোভাবে রপ্ত করতে পেরেছি বাকিটা জীবন যেন এভাবেই অভিনয় করে কাটিয়ে দিতে পারি।
সে যেন ভুলে যায় সবকিছু।
তার ভালো থাকা দেখে যেন আমি ভালো থাকতে পারি।
😁😁😁

গল্পের মাঝে অনেক কিছুই ছিল কিন্তু সব কিছুই তুলে ধরতে পারলাম না।
কারণ সবাই তো গল্প পড়তে ভালোবাসে না।
গল্পটা অনেক দীর্ঘ হয়ে গেলে ভালবাসার মানুষ যেমন বিরক্ত হয়ে গেছে আমার ইগনোর করাতে।
সেরকমভাবে আমার গল্প পড়াতেও আস্থা হারিয়ে ফেলবেন আমার সেই ভালোবাসার মানুষের মত।।

সে চায় বিয়ে করতে এখন।
কিন্তু আমি যদি এখন স্টাবলিস্ট না হতে পারি তাহলে আমার ফ্যামিলি তার ফ্যামিলি কিভাবে আমি মেনটেন করব।।
সবকিছু চিন্তা-ভাবনা করতে গেলে আমার ডিপ্রেশন আরো বেড়ে যায়।
চিন্তাভাবনা করতে যে আমার ডিপ্রেশনের ভালোবাসার মধ্যে অনেক ডিসটেন্স তৈরি করে ফেলেছি আমি নিজেই।

সবাই ভালো থাকবেন আর ভালো থাকার মানুষকে ভালো রাখবেন।
💔💔

আমার মত ভালবাসাকে ডিপ্রেশন মাঝে রাখবেন না নয়তো সবকিছুই হারাবেন🤪🤪

🥰 ভালোবাসা এমনই🥰Create by - Jarif mahfuzএতদিন শুনে এসেছি এড ফাস্ট সাইট নামক একটা সেন্টেন্স। আজ সেটার ক্ষণে ক্ষণে টের পাচ...
09/11/2022

🥰 ভালোবাসা এমনই🥰

Create by - Jarif mahfuz

এতদিন শুনে এসেছি এড ফাস্ট সাইট নামক একটা সেন্টেন্স। আজ সেটার ক্ষণে ক্ষণে টের পাচ্ছি। কখনো ভাবি নি আমি ওইভাবে এক অদ্ভুত মায়ায় পড়ে যাব। যাকে কিনা যতবার দেখি ততবার তার মায়ায় পড়ে যায়।

গল্পটা ছিল কিছুদিন আগের। আমি আমার রিলেটিভ কে নিয়ে হসপিটালে যাই। হসপিটালে তাকে ভর্তি করি তারপর শুরু হয় দৌড়াদৌড়ি।
ও হ্যাঁ একটা কথা বলি আমিও রিসেন্ট নার্সিং পড়াশোনা শেষ করলাম শুধুমাত্র জব পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।
যেহেতু হসপিটালিটি কেন্দ্রিক অনেক কিছুই আমার জানা। তাই সেই রিলেটিভ কে নিয়ে বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়নি।
সব কিছুই নিজের হাতে করেছি প্লাস পাশাপাশি আশেপাশের পেশেন্ট গুলোকে সাহায্য করেছি।
এরই মধ্যে একজন নার্সিং স্টুডেন্টের সাথে দেখা প্রথমে বললাম না যার মায়া পড়ে গেছিলাম এখনো পড়ে আছি। সেই আমার অদ্ভুত মায়াপরী❤️❤️
সে রীতিমতো বাকি পেশেন্ট গুলোকে নিয়ে খুব ব্যস্ত।
তাকে প্রথম দেখাতেই এক অদ্ভুত মায়ায় পড়ে যাই। কেন জানি মনে হচ্ছিল যে তার সঙ্গে কথা বললে যে কোন অজুহাতে মনে হয় একটা প্রশান্তি পাওয়া যাবে এরকম কিছু আমি বলে বোঝাতে পারছি না তখনকার সিচুয়েশন।

তারপর কাজের অজুহাতে তার পাশে যাই তাকে হেল্প করার চেষ্টা করি।
সেটা মাত্র তার সঙ্গে কথা বলার এক বিন্দু চেষ্টা মাত্র।

এই যে প্রথম দেখে ভালোলাগা যাকে সবাই বলে ক্রাশ খাওয়া। কিন্তু জীবনে তো অনেক মেয়ে দেখেছি কিন্তু এরকম ভাবে কারো এক অদ্ভুত মায়ায় পড়ে যাব এরকমটা কখনো ভাবিনি।
আমার এ মনের ভাবনাগুলো আমি আমার সেই রিলেটিভ সাথে শেয়ার করি। সে বলে তোর মন যেটা বলছে সেটা কর।
তোকে যদি তাকে ভালই লাগে তাহলে বলে ফেল সে যাই হোক না কেন।

তারপর ডিসিশন ফাইনাল করে বলে ফেলর চিন্তাভাবনা করি। আস্তে আস্তে যাই তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করি তারপর বলেই ফেলি তাকে আমার খুব ভালো লাগছে 😊😊আমি স্টেট ফরওয়ার্ড কথা বলতে পছন্দ করি আমি আপনাকে অনেক অনেক পছন্দ করি। ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা
🙃🙃
আমি হঠাৎ করে এরকম কথা একটা বলেছি সেটা শুনে তো সে অবাক।
তারপর আমি তাকে আমার ফোন নাম্বারটা দেওয়ার চেষ্টা করি সে নাইনা।
আমার পরিচয় দিয়। পরিচয়টা আগেই দিয়েছিলাম কথা বলার ফাস্ট মুহুর্তে।
সে বলে যে আমার ফোন নাম্বার লাগবে না আপনি আমার ফেসবুক আইডিটা নেই রিকোয়েস্ট পাঠান।

এই কথা শোনার পর দোয়া আমার আনন্দ আর ধরে রাখতে পারছিলাম না।
পরক্ষণে তাকে জিজ্ঞাসা করি আপনাকে আমি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছি একসেপ্ট করবেন এটার কি কোন মানে আছে? ঝুলাইয়ে তো রাখতে পারেন।😊
পরক্ষণে উত্তর দেয় না সমস্যা নাই আমি বাসায় গিয়ে ডাটা অন করে আপনাকে একসেপ্ট করে নেব।
🥰🥰

হসপিটালে কাজগুলো শেষ করি রুমে আসি।
এসে দেখি সে রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করেছে তাকে আমি ফার্স্ট এসএমএস দেই।
সঙ্গে সঙ্গে রিপ্লে দেয়।
এভাবে আস্তে আস্তে কথা চলতে থাকে।
কথা বলতে বলতে সেই আমাকে তার লাইফের সব ঘটনা গুলো বলে।

আমি তাকে প্রস্তাব দেই যে আমি তাকে প্রথম দেখায় ভালোবেসে ফেলেছি আপনার আমি মায়ায় পড়ে গেছি তো আপনি কি বলছেন।

সে জবাবে উত্তর দেয় সেসব ভালোবাসায় সে বিশ্বাসী না যদি ভাগ্যে থাকে একদম বিয়ে।

ও হ্যাঁ আরেকটা কথা বলি সে এই কথা বলার শুধু মাত্র একটাই কারণ সে একজনকে খুব ভালোবেসেছিল মন থেকে খুব ভালবেসে ছিল তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল কিন্তু সেই ছেলেটাকে ধোঁকা দেয়।
কোন এক কারণে সম্ভবত ফ্যামিলি ইস্যু।

যাই হোক আমি সব শোনার পরেও আমার একটু খারাপ লাগেনি। বরঞ্চ তাকে আমি সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বিভিন্নভাবে তাকে বলেছি সে যদি চায় তাহলে আমি তার পাশে পাশে আছি।

এভাবে কথা বলতে থাকি। তবে আমার দুঃখের জন্য একটা কারণটা হচ্ছে যে আমার এক্সপেক্টেশন আর তার এক্সপেক্টেশন আকাশ জমির পার্থক্য। কারণ আমি
তার মায়ায় পড়ে আছি। সে অন্যের মায়া পড়ে আছে।।
সে কথা বলে অনেক ভালোভাবে কথা বলে কিন্তু এই যে সেই আমার মত টান তার মধ্যে আমার প্রতি সেই টান নাই।

তারপরও একটা কথা ভাবি এখন হয়তো সে কথা বলছি দুদিন পর কথা না বলতে পারে। তখন আমি কি করবো।

বলা যায় সম্পর্ক না হতেই ব্রেকআপ 💔💔
সেই ভয়টাই বেশি পায়। জানিনা ভাগ্যে আমার কি আছে। যদি সে থাকে তাহলে আল্লাহ দিলে কোন না কোনদিন তাকে পেতে পারি।
এই ভরসা এখনো চালিয়ে যাচ্ছি হালকা পাতলা কথাবাত্রা।
মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত হয় এসএমএস এর রিপ্লাই দেয় না তখন।
তারপর রিয়েলাইজ করি রিপ্লাই দেরিতে দিলেও তো দিচ্ছে।

এভাবেই আমি এক কাল্পনিক মায়া পড়ে আছি কোন এক মায়াপরীর জালে।
জানিনা সে আমার প্রতি কতটা পজিটিভ।

তবে মাঝে মাঝে একটা কথা ভাবি সে যদি আমাকে নাই চাইতো তাহলে তো কিছু কিছু কথা আছে সেগুলো বলত না।
আমাকে ইগনোর করতো এসএমএস এর রিপ্লাই দিতো না।

আমি যেরকমটা চাই সেরকম ভাবে কথাগুলো শুনত না।
তার মধ্যে কি চলে তারপরও যতটুকু ভালো আছি আল্লাহদিলে আমার জন্য এটাই অনেক।

আবার মাঝে মাঝে অনেক কষ্টও পাই তার কথাবার্তা শুনে।
তক্ষুনি সেগুলোকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছি!!

জানিনা যাকে এতটা ভালবাসি যার মায়ায় এতটা ডুবেছি সে কখনো আমার মায়া পড়বে কিনা।
তবে একটা কথা সব প্রতারক রায় কিন্তু খারাপ হয় না 😁😁
কিছু কথা লোকরা ভালবাসতেও জানে।
তার জন্য কত পাগলামি করেছি। সেগুলা বলার বাইরে যেগুলো কখনো কারো জন্য করিনি কারো জন্য কল্পনায় আসে নি।
জানিনা কেন তাকে যতবার দেখি ততবার কেন এক জানি অদ্ভুত মায়ায় পড়ে যায়।
আমার মনে হয় ভালোবাসা মনে হয় এরকমই। বলে কয়ে আসেনা। বলে করেই হয় না।

অদ্ভুত টান অন্যরকম একটা জিনিস যেটা কখনো কাউকে দেখানো যায় না। দেখানো যাইতো হয়তোবা এই পৃথিবীতে এত হাহাকার থাকত না এত কষ্ট দুঃখ থাকত না।

অদ্ভুত এক মায়া যেটা ভোলার নয়।
একটা কথা কি জানেন যে ভালবাসি সে ভালোবাসা পায় না।
যে ভালোবাসা পাই সে রাখতে জানে না।।

তবে কখনো ভাবি নি যে আমি তার মায়া এভাবে পড়ে যাব!! কথা না বললে এতটা খারাপ লাগে বলে বোঝাতে পারবো না। মাঝে মাঝে তার ইগনোর গুলো আমাকে কষ্ট দেয় তারপরও যখন কথা বলে সেগুলো তখন ভুলে যাই।

তবে হ্যাঁ কখনো যে তাকে ভোলার নয় সেটা আমি সিওর। সে আমার লাইফে না আসতে পারে সে আমার না হতে পারে কিন্তু আমি তো কখনো তাকে ভুলতে পারবো না।

মানুষকে হয়তো ভুলতে পারবো তাকে আর মিস করি না তার মায়ায় পড়ি না।
কিন্তু মনে মনে ঠিকই তার জন্য ভালোবাসা আর সেই অদ্ভুত টান ঠিকই রয়ে যায়।
দিনশেষে অসমাপ্তর এক ভালোবাসার গ্লানি টেনে বাড়াবো।
এগুলো ভাবলে গা শিউরে উঠে। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু পরিস্থিতি আমাকে ভাবতে বাধ্য করে।

পরিশেষে একটা কথাই বলবো সে যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক। আমি না হয় একটু খারাপই থাকলাম তার জন্য 😔😔

লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট কতটা কষ্টকর শুধু তারাই জানে যাদের সাথে এমনটা হয়।
না পারে সইতে না পারে বইতে 🙃🙃

তার সাথে আমার এখনো কথা হয় প্রায় প্রতিদিনই কথা হয়।
কিন্তু আমার সেই প্রশ্নের উত্তর তার কাছে একটাই যদি ভাগ্যে থাকে
😑😑💔💔

জানিনা পরিশেষে আমার ভাগ্যে কি আছে সে মায়াপরীর মায়া না মন ভাঙ্গার গ্লানি 😔💔💔

❤️🙃অদ্ভুত টান 🙃❤️  story create by jarif mahfuz              🤕🤕আজ থেকে ৮ বছর আগের কথা আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়তাম। জীবনে ...
09/11/2022

❤️🙃অদ্ভুত টান 🙃❤️

story create by jarif mahfuz
🤕🤕

আজ থেকে ৮ বছর আগের কথা আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়তাম। জীবনে প্রথম তখন কোন এক মেয়েকে ভালো লেগে যায় জানিনা সেটা শুধুই ভালো লাগা ছিল না ভালোবাসা ছিল। তার জন্য রেগুলার তারাহুড়ো সাইকেল নিয়ে স্কুলে যাইতাম। টিফিনে ছুটি দিলে তখন তার পেছনে পেছনে আসতাম। এমনকি সাইকেল নিয়ে দুই তিন বার একই রাস্তায় যাওয়া আসা করতাম বিভিন্ন অজুহাতে শুধুমাত্র তাকে দেখার জন্য। তখন অন্যরকম একটা মাথায় কাজ করতো তাকে দেখে যেন মুহূর্তটা অনেক ভালো হয়ে যেত। ঠিক তখন তার সঙ্গে কথা হতো না ওরকম ভাবে। আমার মনে হয় তখনও তার কাছে আমি একজন অপরিচিত মানুষ হিসেবে ছিলাম।
আমি এখন আমার মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ করছি সেই ৬ বছর আগের কথা বাট সে জানতো কিনা জানিনা।
তারপর একই সঙ্গে প্রাইভেট পড়তাম তখন মাঝেমধ্যে কথা হতো হালকা পাতলা। তখন কিন্তু আমার ফোন ছিল না স্মার্টফোন। একটা বাটন ফোন ছিল যেন তেনো।
এদিকে অলরেডি আমার ফ্রেন্ডরা ফেসবুক চালায় স্মার্টফোন ব্যবহার করেন রিলেশন করে প্রেম করে আর আমি এদিকে প্রেম ভালোবাসা কি সেটার ডেফিনেশনটাই জানতাম না।
এক কথায় সে মেয়েটাকে খুব ভালো লাগতো অন্যরকম টান একটা কাজ করতো এতোটুকুই।তখন আমি বুঝতাম না যে ভালোবাসা কি।
তারপরে SSC শেষ করলাম! এর মধ্যে অনেক কিছু করেছি যেমন তার বাড়ির পাশের গলিতে যাইতাম যদি তাকে দেখতে পাই এরকম ভেবে। অবশ্য এখনও সেই অভ্যাসটা আছে শহর থেকে বাসায় আসলে এখনো যে কোন অজুহাতে সেদিক দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি সে থাকুক বা না থাকুক জানিনা কেন জানি সেই গলি দিয়ে গেলে আমার অনেক ভালো লাগে সেই স্কুল লাইফের কথা মনে পড়ে যাই।
আমার শ্বশুরের(নিচে যার সম্পর্কে বলা হয়েছে) কথা যাকে ভাল লাগবে যাকে ভালবাসবে তার বাড়ির দরজা জানালা দেখলেও নাকি ভালো লাগে।
সে এখন শহরে পড়াশোনা করছে অনার্স করছে(আমার টান ❤️)।
আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করতাম সেম ইয়ার ছিলাম।
শুধুমাত্র আমি প্রাইভেটে পড়ার জন্য আমার গ্রাজুয়েশন এখন কমপ্লিট। ইন্টার্নশিপ করবো আর কিছু সময় বাকি আছে।
দেখতে দেখতে কতগুলো সময় চলে গেল কত মুহূর্ত চলে গেল বুঝতেই পারলাম না।
তবে আমার সেই গুলি দিয়ে যাওয়ার জন্য আমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্য ম্যাক্সিমাম সময় সাহায্য করেছে আমার ফ্রেন্ড। সে আমার শ্বশুর হয়। মানে মামা বাট আমরা একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি ভালো friend। সে আমাকে জামাই বলে আমি তাকে শ্বশুর বলি।
আমরা দুজনে ক্রিকেট ভালো খেলি। আল্লাহ দিলে ssc পর থেকে আমরা রেগুলারই ক্রিকেট খেলতাম!!
আর খেলতে যাইতাম সেই গুলি রাস্তা দিয়ে যদিও রাস্তাটা আমাদের রাস্তার মধ্যে পড়ে না। মানে হাই স্কুল মাঠ যাওয়ার রাস্তায় পড়ে না সেইগুলি।
তারপর আমার শ্বশুরকে অনেক রিকোয়েস্ট করতাম চল ভাই চল, চল শ্বশুর চল ।
তারপর সে রাজি হতো।
আমার শশুর সেও রিলেশন করত সেম ইয়ারে।
এক সময় এসে সে ধোঁকা খেয়ে যায়।
যাইহোক তার গল্পে আমি যাচ্ছি না তার গল্প করতে গেলে অনেক লম্বা হয়ে যাবে।
সে অন্য রকমের দুঃখজনক কাহিনী।
তো তাকেই(শশুর) এভাবেই আমি প্রতিনিয়ত সে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করতাম।
প্রয়োজনে ঘুষ দেয়া লাগতো।
এভাবে পর্যায়ক্রমে অনেক সময় অতিবাহিত হতে থাকে। এডমিশন হয় আমার রাজশাহী কলেজে চান্স হয়।
আর আমার শ্বশুরের চান্স হয় শহীদ কামরুজ্জামানে। আমরা শহরে পড়াশোনা করতে চলে যাই। তারপর সে যান্ত্রিক শহরে আমরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি।
তারপর যদি ছুটিতে আসি বাসায় মাঝে মাঝেই বেশি বাসায় আসা হয় কারণ শহর থেকে আমাদের গ্রামটা বেশি দূরে না।
জামাই শশুর যখন একসঙ্গে হয় তখন তো কোন কথাই নাই সেইসব পুরনো স্মৃতি স্মৃতিচারণ করা হয়।
তাকে এখনো পর্যন্ত সে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।

বাট আমার ফ্রেন্ড সার্কেল বন্ধু বান্ধব অনেকে বলাবলি করে যে আমি নাকি রিলেশন করি রিলেশন করেছি ছ্যাকা খেয়েছি।
হ্যাঁ এটা ঠিক মানে মিথ্যা বলবো না যে....
কাউকে আমার ভালো লাগেনি হ্যা ভালো লেগেছে কিন্তু এরকম যে অদ্ভুত টান যে টানটা এখনো টানে এরকম ভাবে কারো প্রতি অদ্ভুত টান জন্মায়নি।

এখনো মাঝে মাঝে তার সঙ্গে কথা হয়। আমার লাইফের কিছু মোমেন্ট তার সাথে শেয়ার করি।
ওই যে বললাম না টান সেই টান এখনো আমাকে টানে।
জানিনা এই ছয় বছর পরেও সেই টানটা শুধুই টান না অন্যরকম এক টান 🙃🙃

আমার ফ্রেন্ড মানে শশুর লাস্ট একটা কথা বলল মানে ওই গলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য খুব রিকোয়েস্ট করছিলাম তখন.......
সে বলল যে যে জিনিসটা চাইলেও পাবি না , তুই জানিস যে হাজার চেষ্টা করলেও পাবি না সেখানে মনে হয় সেটার জন্য অযথা টাইম স্পেন্ড করা তার জন্য অন্য রকমের অনুভূতি প্রকাশ করা কোন মানে হয় না।
তার লাইফস্টাইল অন্যরকম তোর লাইফস্টাইল অন্যরকম আমি জানি তোর মাঝে তার প্রতি অন্যরকম একটা ভালো লাগা কাজ করে এখন পর্যন্ত যে কথাগুলা বললাম আমি আমার সে অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
হুদাই হুদাই তার জন্য মন খারাপ করে লাভ নাই তুই অনেক ভালো মেয়ে পাবি যে তোকে অনেক ভালবাসবে।
তোর এরকম ভাবে পাগলামো করা ঠিক না।
আগে যা করেছিস করেছিস এখন সেসব বাদ দে।(এতক্ষণ শ্বশুর বলছিল এসব কথা)

সেদিন কথাগুলো শুনে খুব খারাপ লাগছিল আমিও রিয়েলাইজ করলাম যে আসলেই তো সত্যি কথা এই যে প্রতিনিয়ত সময় পেলে বা সময় তৈরি করে রেগুলার সেই গুলি দিয়ে যাওয়া চেষ্টা করি এগুলা কি সে দেখে এগুলো কি সে জানে 🤕🙃
সেগুলোর কোন কিছুই জানেনা।
সত্যি কথা বলতে সেদিন থেকে ওই গলিতে আর কখনো যাওয়া হয়নি।
হ্যাঁ এখন রাস্তা দিয়ে হাঁটলে মনে হয় যে ওই দিক দিয়ে গেলে ভালো হতো আমার ভালো লাগতো কিন্তু আমি আর কখনো সেই গলি দিয়ে যায়নি। এটা ভেবেছি
সেটা তো রাস্তা না, আমি গেলে ঐ দিক দিয়ে মানুষে কি বলবে এখন সেই সে কথাগুলো ভাবি।
মাঝে মাঝে ভাবি যে একটা সময় ছিল যে কখনো কোনো কিছু ভাবি নি মন যেটা বলেছে সেটাই করেছি।

আমি মানি এখনো তার প্রতি আমার সেই অদ্ভুত টান টা আছে।
কিন্তু তাকে কখনোই বলা হয়নি সে অদ্ভুত টানের কথা।
জানিনা সে আমার সেই অদ্ভুত টানের কথা জানে কিনা।
মাঝে মাঝে মনে হয় যে সে জানে হয়তো বা কারণ আমার ফ্রেন্ড সার্কেলরা অনেকেই জানত যে তাকে আমি পছন্দ করি।

আজকে আট বছর পর কথাগুলা লিপিবদ্ধ করছি।
আমি আগে থেকেই ভাবি যে আমার সেই অদভুত টান নিয়ে কিছু লেখালেখি করি কখনো সময় হয়ে ওঠেনি আজকে ভাবলাম লিখেই ফেলি।

কথাগুলো বলতে বলতে একটা ঘটনা মনে পড়ল এমনও মাঝে মাঝে কিছু কাজ করেছি যেগুলো এখন মনে পড়লে মনে হয় যেগুলো সব ছেলে খেলামি ছিল।
শুধুমাত্র তাকে দেখবো বলে রেগুলার তার বাড়ির সামনে সামনে বললে ভুল হবে তার বাড়ি তারপর একটা ফাঁকা জায়গা যেখানে প্রতিনিয়ত পানি জমে থাকে তার পরে একটা জায়গা ছিল। সেখানে আমরা রেগুলার ক্রিকেট প্র্যাকটিস করতাম।
খেলতে খেলতে ভাবতাম সে হয়তো আমাকে দেখছে।
মাঝে মাঝে তাকে আমি দেখতে পেতাম।
আমি তখন ছোট বাচ্চাদের ক্রিকেট খেলা শিখাইতাম তাদের সঙ্গে খেলতাম।
বড় মাঠে খেলতে যাইতাম না শুধু তাকে দেখবো বলে।

শুধু মাত্র একটাই বেশি আফসোস হয় মাঝে মাঝে বেশি হয় এ তাকে আমি এখনো বলতে পারিনি সে অদ্ভুত টানের কথা। আমি নিজে বলতে পারিনি। জানিনা সে জানে কিনা।
আরেকটা বিষয় সে এখনো রিলেশন করে কিনা আদৌ আগে রিলেশন করেছে কিনা এসবের কিছুই জানিনা আমি।
তবে মাঝে মাঝে মনে হয় যে হ্যাঁ সে রিলেশনে আছে। তাকে কোন ছেলেকে ভালো লাগতেই পারে। আমি বলতে পারিনি বলে অন্য কোন ছেলে তাকে বলতে পারবেনা তার পছন্দের কথা এটা তো কোন কথা না।
সে এমন একটা মেয়ে যেটা কে দেখে দেখে বোঝার বুদ্ধি নাই সে কেমন???
সবার সঙ্গে ফ্রিলি কথা বলে।
সে মাঝে মাঝেই আমার সঙ্গে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে যায় জানিনা কি মনে করে কথা বলে।
এটা ভাবি যে ফ্রেন্ড ভেবে কথা বলে।
কারণ তাকে দেখে বলে বোঝার বুদ্ধি নাই যে সে কোন মাইন্ডে কথা বলছে না ফ্রেন্ড মাইন্ডে কথা বলছে।
ও পুরা নিউটল মোটরসাইকেলের গিয়ার এর মত।
😁😁

ওকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি হ্যাঁ আমি তাকে পছন্দ করি কিন্তু সে বোঝেনি যে সেই মানুষটাই তিনি।
তাকে আমার পছন্দের কথা বলেছি আকার ইঙ্গিতে। কিন্তু সেই মানুষটাই যে তিনি সেটা সে জানে না।
পরিশেষে সেটাই বলতে চাই কোন কিছু না পাওয়ার থেকে কিছু একটা পাওয়া ভালো।
হয়তোবা সে টান থেকে আমাদের friendship হয়েছে। যেটা আমি কোন ভাবে হারাতে চাই না।

কারণ আমি জানি সে অদ্ভুত টানের কথা আমি কখনো বলতে পারবো না।
এভাবে বেঁচে থাকুক আমার সেই অদ্ভুত টান টা। অন্তত এখন তার সঙ্গে কথা বলে তো শান্তি পায়।
আগে তো সেটা হতো না।
আমি খুব ভাবতাম তাকে বলতে হবে তাকে আমার করে নিতে হবে।
এখন একটা এমন সময় এসেছে যে সময় কিনা আমি বলতেও পারবোনা নিজের করে পাওয়ার আশা করতে পারবো না।
ধরে নিতে পারেন মাটিতে থেকে চাঁদে হাত দেওয়ার মত অবস্থা আমার।

অনেক ভালো মনের মানুষ উনি যতটা জানি আর কি।

তাই পরিশেষে বলতে চাই বেঁচে থাকুক আমার সেই অদ্ভুত টান টা। এতদিনে যখন বলতে পারেনি আর যেনো বলা না লাগে।
সে সুখে থাকলে আমি সুখী।

অনেক মানুষেরই তোমার অন সাইট লাভ থাকতে পারে।
ধরে নিয়েছি তাদের মধ্যেও আমার একটা ভালোবাসা আছে।
অদ্ভুত টানটাও আছে।

❤️❤️❤️❤️

Address

Rajshahi
6000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when love blind posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to love blind:

Share

Category