19/01/2026
✅ আপনি জানেন কি ❓❓
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শুধু আমের🥭 জন্য বিখ্যাত নই, এখানে অনেক প্রাচীন নিদর্শন আছে যা জানলে অবাক হয়ে যাবেন।
🕌 সোনা মসজিদ – ইতিহাস ও পরিচয়
ছোট সোনা মসজিদ” হলো বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ও প্রাচীন মসজিদ। সোনা মসজিদ বর্তমানের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে অবস্থিত।
📜 কখন নির্মিত হয়েছিল?
মসজিদটি বলা হয় ১৪৯৩ – ১৫১৯ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে নির্মিত।
এটি নির্মাণের সময় ছিল বাংলার সুলতানি যুগে।
👷♂️ কে নির্মাণ করেছিলেন?
মসজিদটি ছিল ওয়ালি মুহাম্মদ নামের এক ব্যক্তি কর্তৃক নির্মিত, যা ছিল সেই সময়কার ক্ষমতাবান শাসক আলাউদ্দিন হুসেইন শাহের আমলে।
📌 নামের অর্থ: “সোনা মসজিদ”
মসজিদটি প্রায় ৫০০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। একসময় এর ডোমগুলোতে সোনালি (বেশি দামি) গিল্টিং বা পলিশ ছিল, যা সূর্যের আলোতে সোনার মতো ঝলমল করতো। তাই স্থানীয়রা এটিকে “সোনা মসজিদ” নামে ডাকে।
🏛️ স্থাপত্য ও আকৃতি
মসজিদটি বেঙ্গল সুলতানী স্থাপত্যের সবচেয়ে সুন্দর নিদর্শনগুলোর মধ্যে একটি। এটি মূলত ইটের খন্ডে তৈরি, তারপর বাইরে পাথর ও শিলাপাথরের নকশা দিয়ে সাজানো হয়েছিল। মসজিদটির ১৫টি গম্বুজ ছিল, এবং দেয়ালে নকশা ও কারুকাজ ছিল খুব মনোহর।
🛕 ঐতিহাসিক গুরুত্ব
এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর একটি, যা সুলতানী যুগের স্থাপত্য ও সৌন্দর্যের নিদর্শন। Department of Archaeology, Government of Bangladesh এটিকে সংরক্ষণে রেখেছে।
📍 দর্শনার্থীদের জন্য
মসজিদটি রাজশাহী থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার,
চাপাই নবাবগঞ্জ থেকে প্রায় ৩৫-৪০ কিমি পথ।
🌿🌿পর্যটক নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতল সময়ে এখানে যান। 🍁🍁