Tasnim tuba mohol

Tasnim tuba mohol এমন না যে কাউকে ভয় পাই বা কথার উত্তর এ জর নাই আসলে ভদ্র ফ্যামিলিতে বড় হইছিতো কোনো বস্তির সাথে লাগার

29/10/2025

ঠিকই চলে গেলে ❤️‍🩹 # vairal

24/04/2025

Time is Magic....

28/03/2024
ফুল তাকে দিও, যে ফুল শুখিয়ে যায়ার পরেওযত্ন করে রাখে💐
14/03/2024

ফুল তাকে দিও,
যে ফুল শুখিয়ে যায়ার পরেও
যত্ন করে রাখে💐

05/03/2024

Love night

20/02/2024

TO DAY...🇧🇩🇧🇩🇧🇩
21st February...

03/02/2024

পদ্মজা পর্ব ২
মাত্র ষোল। শামসুল আলমের মেয়ের বিয়ে হয়েছে চব্বিশ বছর বয়সে। পদ্মর বিয়েও তখনি হবে। পদ্মর পছন্দমতো। হেমলতা রশিদকে দেখেও না দেখার ভান ধরলেন। রশিদ এক দলা থুথু ফেললেন উঠানে। এরপর হেমলতার উদ্দেশ্যে বললেন, 'বুঝছো পদ্মর মা,এইবার যে পাত্র আনছি,এক্কেরে খাঁটি হীরা।'
হেমলতা বিরক্তভরা কণ্ঠে জবাব দিলেন, 'আমি আমার মেয়ের জন্য পাত্র চাইনি। তবুও বার বার কেন আসেন আপনি?'
'যুবতী মাইয়া ঘরে রাহন ভালা না।'
'মেয়েটা তো আমার। আমাকেই বুঝতে দেন না।' হেমলতার কণ্ঠে বিরক্তি ঝরে পড়ছে।

রশিদ অনেক চেষ্টা করেও সুবিধা করতে পারলেন না।ব্যর্থ থমথমে মুখ নিয়ে সড়কে পা রাখেন। প্রতিদিনই কোনো না কোনো পাত্রপক্ষ এসে হাতে টাকা গুঁজে দিয়ে বলবে, 'মোর্শেদের বড় ছেড়িডারে চাই।'

রশিদ নিজে নিজে বিড়বিড় করে আওড়ান, 'গেরামে কি আর ছেড়ি নাই? একটা ছেড়িরেই ক্যান সবার চোক্ষে পড়তে হইব? চাইলেই কি সব পাওন যায়?'

পূর্ণা স্কুল জামা পরে পদ্মজাকে ডাকল, 'আপা? এই আপা? স্কুলে যাবি না? আপারে..."
পদ্মজা পিটপিট করে চোখ খুলে কোনোমতে বলল, 'না।' পর পরই চোখ বুজে ঘুমে তলিয়ে গেল। পূর্ণা নিরাশ হয়ে মায়ের রুমে আসে।

'আম্মা,আপা কী স্কুলে যাইব না?'

হেমলতা বিছানা ঝাড়া রেখে পূর্ণার দিকে কড়াচোখে তাকান। রাগী স্বরে বললেন, 'যাইব কি? যাবে বলবি।'

পূর্ণা মাথা নত করে ফেলল। হেমলতার কড়া আদেশ, মেয়েদের পড়াশোনা করাচ্ছি অশুদ্ধ ভাষায় কথা বলার জন্য নয়। শুদ্ধ ভাষায় কথা বলতে হবে। পূর্ণাকে মাথা নত করতে দেখে হেমলতা তৃপ্তি পান। তার মেয়েগুলো মান্যতা চিনে খুব। খুবই অনুগত। তিনি বিছানা ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন, 'পদ্মর শরীর ভালো না। সারারাত পেটে ব্যাথায় কাঁদছে। থাকুক,ঘুমাক।'

পূর্ণার কিশোরী মন বুঝে যায়,পদ্মজা কীসের ব্যাথায় কেঁদেছিল। সে রাতে নানাবাড়ি ছিল বলে জানতো না।ভোরেই চলে এসেছে। নানাবাড়ি হেঁটে যেতে পাঁচ মিনিট লাগে। পূর্ণাকে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হেমলতা বললেন, 'তুই যা। মাথা নীচু করে যাবি মাথা নীচু করে আসবি।'
'আচ্ছা,আম্মা।'

পূর্ণা রুমে এসে আয়নার সামনে দাঁড়াল। নিজেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল। এরপর গত মাসে মেলা থেকে আনা লাল লিপস্টিক গাঢ় করে ঠোঁটে মাখে। চৌদ্দ বছরের পূর্ণার ইদানীং খুব সাজতে ইচ্ছে করে। হেমলতা সেজেগুজে স্কুলে যাওয়া পছন্দ করেন না বলে,পূর্ণা আগে লিপস্টিক মাখেনি।

___________

টিন দেয়ালের কাঠের ঘড়ির কাঁটায় সকাল দশটা বাজল মাত্র। এখনো পদ্মজা উঠল না।চলবে,,,,,,
®

02/02/2024

আমি পদ্মজা - ১
___________
ফাহিমা ক্লান্ত হয়ে ধপ করে ফ্লোরে বসে পড়ল। হাত থেকে লাঠি পড়ে গিয়ে মৃদু আওয়াজ তুলে। তার শরীর ঘেমে একাকার। কপালের বিন্দু বিন্দু ঘাম হাতের তালু দিয়ে মুছে, বার কয়েক জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেলল। এরপর চোখ তুলে সামনে তাকাল। রিমান্ডে কোনো পুরুষই টিকতে পারে না,সেখানে একটি মেয়ে আজ চার দিন ধরে রিমান্ডে। তাঁর সামনে চেয়ারে বাঁধা অবস্থায় ঝিমুচ্ছে। চার দিনে একবারও মুখ দিয়ে টু শব্দটি করল না। শারিরীক, মানসিক কত নির্যাতন করা হয়েছে তবুও ব্যথায় আর্তনাদ অবধি করেনি! মনে হচ্ছে, একটা পাথরকে পিটানো হচ্ছে। যে পাথরের রক্ত ঝড়ে কিন্তু জবান খুলে না। তখন সেখানে আগমন ঘটে ইন্সপেক্টর তুষারের। তুষারকে দেখে ফাহিমা কাতর স্বরে বলল, 'সম্ভব না আর। কিছুতেই কথা বলছে না।'
তুষার অভিজ্ঞ চোখে মেয়েটিকে দুয়েক সেকেন্ড দেখল।এরপর গম্ভীর কণ্ঠে ফাহিমাকে বলল, 'আপনি যান।'

ফাহিমা এলোমেলো পা ফেলে চলে যায়। তুষার একটা চেয়ার নিয়ে মেয়েটির সামনে বসল। বেশ কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, 'আপনার সাথে আজ আমার প্রথম দেখা।'

মেয়েটি কিছু বলল না। তাকালও না। তুষা মেয়েটির দিকে সূক্ষ্ম দৃষ্টি মেলে তাকাল। বলল,'মা-বাবাকে মনে পড়ে?'

মেয়েটি চোখ তুলে তাকায়। ঘোলাটে চোখ। কাটা ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরছে। চোখের চারপাশ গাঢ় কালো। চোখ দু'টি লাল। মুখের এমন রং রিমান্ডে আসা সব আসামীর হয়। তুষার মুখের প্রকাশভঙ্গী আগের অবস্থানে রেখেই আবারও প্রশ্ন করল, 'মা-বাবাকে মনে পড়ে?'

মেয়েটি মাথা নাড়ায়। মনে পড়ে তার! তুষার একটু ঝুঁকে। মেয়েটি অসহায় দৃষ্টি মেলে তাকায়। তুষার মেয়েটির হাতের বাঁধন খুলে দিয়ে নির্বিকার ভঙ্গিতে প্রশ্ন ছুঁড়ল, 'নাম কী?'

যদিও তুষার মেয়েটির নাম সহ পুরো ডিটেইলস জানে।তবুও জিজ্ঞাসা করল। তার মনে হচ্ছে,মেয়েটি কথা বলবে। সত্যি তাই হলো। মেয়েটি ভারাক্রান্ত কণ্ঠে নিজের নাম উচ্চারণ করল, 'পদ্ম...আমি...আমি পদ্মজা।'

পদ্মজা হেলে পড়ে তুষারের উপর। তুষার দ্রুত ধরে ফেলল। উঁচু কণ্ঠে ফাহিমাকে ডাকল,'মিস ফাহিমা। দ্রুত এদিকে আসুন।'
ফাহিমা সহ আরো দুজন দ্রুত পায়ে ছুটে আসে।

___________

১৯৮৯ সাল। সকাল সকাল রশিদ ঘটকের আগমনে হেমলতা ভীষণ বিরক্ত হোন। তিনি বার বার পইপই করে বলেছেন, 'পদ্মর বিয়ে আমি এখুনি দেব না। পদ্মকে অনেক পড়াবো।' তবুও রশিদউদ্দিন প্রতি সপ্তাহে, সপ্তাহে একেক পাত্রের খোঁজ নিয়ে আসবেন। মেয়ের বয়স আর কতই হলো?, নেক্সট পর্ব পড়তে page ta follow koren

29/01/2024

#গল্পঃ_অসমাপ্ত
পর্ব:৩
শেষ পর্ব,,
আমি ওর জীবনে আসার আগেই ওই মেয়ে ওর জীবনে আসে।আর ওরা প্রতিনিয়ত কথা বলে।
এখন ওদের মাঝে রিলেশন চলছে।
কোন এক ভুলবুঝাবুঝির কারণে ওদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিলো।
যা এখন মিটে গেছে।
আর যেহেতু ওই মানুষটা আমার বরের খুবই কাছের একজন সেহেতু সব সত্যি তা প্রমাণিত।

তাছাড়া আমার বরের মুখের কথাও তো মিলে যায় সব।
আমি অন্য জেলার মেয়ে হলে কি হবে,
আমার বর আর ওই মেয়ে তারা একই জেলা আর একই গ্রামের।
বাসাও পাশাপাশি।

আমার বর আমাকে হাত জোর করে বল্লো,আমি যেন ওই মেয়েকে আর নক না দেই।মুখে যদিও বলতে পারছিলোনা যে আমাদের মাঝে প্লিজ কাঁটা হয়ে আর এসোনা।
কিন্তু ওর ভাবে কথা গুলো আমি ঠিক বুঝে নিয়েছিলাম।

সেদিন নিজেকে খুব অসহায় মনে হচ্ছিলো,
মনে হচ্ছিলো,দুনিয়াতে আসলে ভালবাসা বলতে কিছুই নেই।
ভালবাসা আসলেই রঙ বদলায়।
যেই মানুষটা দুই বছর আগে আমাকে পাগল হয়ে বিয়ে করেছিলো।
সেই মানুষ টা আজ আমার জায়গাটা এত সহজেই অন্য কাউকে দিয়ে দিলো।

আমি ওকে দিনের পর দিন,রাতের পর রাত মেসেজ দেই,কল দেই।
-কলিজারে একটা বার মেসেজ সীন করনা।
আমি না তোর বউ?এইভাবে আমাকে কষ্ট দিবি?

আমার অধিকার টুকু কেড়ে নিস না তোর পায়ে ধরি কলিজা।
আমি তোকে ছাড়া কি নিয়ে বাঁচবো?

কলিজারে,আমি তোরে খুব বেশি ভালবাসি,আমার জীবনের চেয়েও বেশি।
আমার দম না বন্ধ হয়ে আসছে।
প্লিজ একটু কথা বল।

আরো শত শত বার্তা।

কিন্তু ওপাশ থেকে কোন রিপ্লাই আসেনি।

তারপর একদিন অনেক আকুতি মিনতি করে আমার বরকে শেষ বারের মত বললাম,কলিজা।আমি না তোমায় অনেক ভালবাসি অনেক।
তুমি চিন্তা করোনা,আমি তোমার আর তোমার ভালবাসার মাঝ খানে কোন দিন আসবোনা।
কোন দিন তোমাদের পথের কাঁটা হবোনা।
আমি যে তোমার ভালো চাই।
আমি তোমাকে পরিপূর্ণ সুখ আর ভালবাসা দিতে পারিনি বলেই তো তুমি আজ ওকে বেছে নিলে।
সমস্যা নেই আমি নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিবো যে তুমি সুখে আছো।
তুমি তোমার ভালবাসার মানুষকে নিয়ে ভালো আছো।
চিন্তা করোনা,আর কোন দিন আমি তোমার ভালবাসার মানুষটাকে নক দিবোনা।
কোন ক্ষতি করবোনা তোমাদের।
ভালো থেকো।

কিন্তু আফসোস সে আমাকে আটকায়নি।
আর যেখানে আমার জন্য কোন ভালবাসাই নেই,সেখানে থেকেই বা কি করবো আমি।

এরপর চলে এলাম ওর জীবন থেকে চিরদিনের মত।
বুক ভরে দোয়া করে এলাম ও যেন ভালো থাকে ওর ভালবাসার মানুষকে নিয়ে।

এখনো প্রতি মোনাজাতে আমি ওর জন্য সবার আগে দোয়া করি।

ভালো থাকুক সে।
ভালো থাকুক আমার ভালবাসা

Address

Sirajgong
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasnim tuba mohol posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category