Farmers' Club of Bangladesh

Farmers' Club of Bangladesh বিষমুক্ত নিরাপদ ফল, সবজি ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করে থাকি।

* ঢাকায় এবং ঢাকার বাহিরে বিভাগীয় ও জেলা সদরে কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভারি সেবার ব্যবস্থা আছে।

* রাজশাহী শহরে ৩০-৪০ টাকা ডেলিভারি চার্জ পরিশোধের বিনিময়ে "হোম ডেলিভারি" সেবা দেয়া হয়।

* যে কোনো তথ্য জিজ্ঞাসা এবং চাহিদা (order) সংক্রান্ত আলোচনা করতে শুধুমাত্র ইনবক্সে অথবা সরাসরি 01716255830 নম্বরে যোগাযোগ করুন।

* কুরিয়ার মাধ্যমে ডেলিভারি নিলে পার্সেল চার্জ এবং বিকাশ মাধ্যমে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করলে বিক

াশ চার্জ, আলাদাভাবে পরিশোধ করতে হয়।

* অফিস কাম ওয়্যারহাউজ (বিসিক, সপুরা, রাজশাহী) থেকে সরাসরি পণ্য ক্রয় করলে শুধুমাত্র পণ্যের মূল্য ব্যতীত বাড়তি কোনো চার্জ পরিশোধ করতে হয় না।

* Join our Group to-
Farmers Club community

স্বাদ বোঝার জন্য আমাদের বাগানে নেই, এমন ভিন্ন জাতের কয়েকটি চারা বাড়ির পেছনে লাগিয়েছিলাম - কাটিমন, ব্যানানা (মহাচানক) এবং...
08/07/2023

স্বাদ বোঝার জন্য আমাদের বাগানে নেই, এমন ভিন্ন জাতের কয়েকটি চারা বাড়ির পেছনে লাগিয়েছিলাম - কাটিমন, ব্যানানা (মহাচানক) এবং গৌড়মতি।

চারা লাগানোর পর ১ম ও ২য় বছর মুকুল এলেও, ইচ্ছে করে ভেঙ্গে দিয়েছি, ফল নেইনি। পরীক্ষামূলক তৃতীয় বছর ৪/৫ টি ফল রেখেছিলাম। ৪র্থ বছর প্রায় ১৪ টি ফল এসেছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত ৯টি আম টিকে ছিল।

আমের পরিপক্বতা এলে আব্বা নিজ হাতে ৪টি কাটিমন পেড়ে আমাকে দিয়েছিলেন। আজ ৩ দিন পর সেগুলো থেকে দুটো আম নিজ হাতে কাটলাম এবং খেলাম।

আমার দেখায় কাটিমন আমের বৈশিষ্ট্যঃ
দেখতে অপূর্ব, সুঘ্রাণযুক্ত। এর ত্বক প্রায় কাগজের মত পাতলা এবং বীজ বা আঁটি ছোট ও পাতলা হওয়ায় সঙ্গতকারনে ভক্ষন যোগ্য অংশ বেশী, প্রায় ৮০%। খুব রসালো নয়, আবার শুষ্কও নয়, খুব সামান্য আঁশযুক্ত।

খেয়ে ধারণা করছি (মিষ্টতা) ব্রিকস মান হবে ২০-২২।
আমার গাছে আমগুলোর গড় ওজন পেলাম ৩৫০ গ্রাম, তার মানে দাঁড়ায় প্রতি ৩টি আমে ওজন হবে ১ কেজি।

22/06/2023

আম্রপালি আম ৭৫/- কেজি
পার্সেল খরচ কেজিতে ১৫/-
অর্থাৎ প্রতি কেজি ৯০/- টাকা
অর্ডার করুন ইনবক্সে অথবা সরাসরি ০১৭১৬২৫৫৮৩০

পৈত্রিক বাগানের উৎপাদিতসুমিষ্ট ল্যাংড়া আম পাচ্ছেন সাশ্রয়ী মূল্যে !প্রতি কেজি ৫০/- টাকা।অর্থাৎ খরচসহ ২০ কেজি আম মাত্র ১০২...
18/06/2023

পৈত্রিক বাগানের উৎপাদিত
সুমিষ্ট ল্যাংড়া আম পাচ্ছেন সাশ্রয়ী মূল্যে !

প্রতি কেজি ৫০/- টাকা।
অর্থাৎ খরচসহ ২০ কেজি আম মাত্র ১০২০/- টাকা।

প্রচন্ড গরম ও তাপদাহের কারনে মৌসুমের শুরু থেকেই আমগুলো সময়ের আগে পেকে যাওয়ায়, স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, নিচ্ছি নিবো করে অনেকে গোপালভোগ বা হিমসাগর মিস করেছেন, এখন নিতে চাচ্ছেন অথচ দিতে পারছি না। তাই সময় থাকতে নিরাপদ ফলের স্বাদ নিন, রসনা তৃপ্ত করুন।

অর্ডার, তথ্য জিজ্ঞাসা কিংবা পেমেন্ট 01716255830

অল্প কিছু আম দেয়া যাবে।নিজেদের গাছের, আমাদের পরিবারে যেগুলো খাই।চেহারায় হয়তো সেরা নয়, কিন্তু অপেক্ষাকৃত বেশী সুস্বাদু এব...
17/06/2023

অল্প কিছু আম দেয়া যাবে।
নিজেদের গাছের, আমাদের পরিবারে যেগুলো খাই।

চেহারায় হয়তো সেরা নয়, কিন্তু অপেক্ষাকৃত বেশী সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্য বান্ধব হবে ইন শা আল্লাহ।

সব খরচ সহ (আমের মূল্য + পার্সেল)

প্রতি কেজি ল্যাংড়া ৬০/- টাকা (অর্থাৎ ৪৫+১৫)
প্রতি কেজি গোলাপবাস ৪০/- টাকা (অর্থাৎ ২৫+১৫)

নিতে চাইলে কথা বলুন ইনবক্সে
অথবা সরাসরি 01716255830

04/09/2022
নিরাপদ খান, সুস্থ থাকুন, চিকিৎসা খরচ বাঁচান।
11/04/2022

নিরাপদ খান, সুস্থ থাকুন, চিকিৎসা খরচ বাঁচান।

"শাক সবজি কিংবা মাছবড়ির গুণে বদলে যায় স্বাদ।"আলু বেগুনের সাথে বড়ি, মাছের সাথে বড়ি কিংবা সজনেডাঁটার (ছুট্রির) সাথে বড়ির ...
04/02/2022

"শাক সবজি কিংবা মাছ
বড়ির গুণে বদলে যায় স্বাদ।"

আলু বেগুনের সাথে বড়ি, মাছের সাথে বড়ি কিংবা সজনেডাঁটার (ছুট্রির) সাথে বড়ির তরকারি খেতে আমরা অনেকেই খুব পছন্দ করি। কিন্তু মা খালারা যেভাবে বড়ি তৈরী করেন, সে এক মহা আয়োজন, একইসাথে ভীষণ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।

সব দায়িত্ব আমাদের, আপনি শুধু স্বাদ নিবেন আর স্মৃতিতে ফিরে যাবেন গ্রামের বাড়ির হেঁসেল ঘরে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কুমড়ো বড়ি
প্রতি ১০০ গ্রাম ৬০/- টাকা
প্রতি ২৫০ গ্রাম ১৫০/- টাকা

প্রতি কেজিতে বড়ির সংখ্যা ১৫০+

কুরিয়ারে নিলে পার্সেল খরচ, বিকাশে পেমেন্ট দিলে বিকাশ চার্জ আলাদা পরিশোধ করতে হয়।

নারকেল তেলের ম্যাজিকঝকঝকে সাদা দাঁত চোখের পলকেদাঁত হলদে হয়ে যাওয়ায় অনেকেই অস্বস্তি বোধ করেন। দাঁত সাদা ও ঝকঝকে করতে অনেক...
21/12/2021

নারকেল তেলের ম্যাজিক
ঝকঝকে সাদা দাঁত চোখের পলকে

দাঁত হলদে হয়ে যাওয়ায় অনেকেই অস্বস্তি বোধ করেন। দাঁত সাদা ও ঝকঝকে করতে অনেকে অনেক কিছুই করে। কিন্তু সামান্য কয়েকটি উপায়েই কিন্তু ঝকঝকে দাঁত পাওয়া সম্ভব।

নারকেল তেলে থাকে একটি বিশেষ ধরনের অ্যাসিড। সেই বিশেষ ধরনের অ্যাসিডটি মুখের ভেতরে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মেরে ফেলে। ফলে প্ল্যাকের মতো সমস্যা দূর হয়ে যায়।

নারকেল তেল ব্যাবহারের পদ্ধতি হল কোনো কিছু না মিশিয়ে সরাসরি দুই চামচ নারকেল তেল মুখে নিয়ে কুলকুচি করতে হবে টানা পাঁচ মিনিট। নিয়মিত করলে সুফল মিলবে নিশ্চিত।

অপরদিকে দাঁত ঝকঝকে সাদা করতে লেবু বিকল্প নেই। লেবু আপনার হাতের কাছেই পাওয়া যায়। সাদা এক চিমটি নুন ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মাজলে দাঁত সাদা হয়।

এছাড়া দাঁত সাদা করতে বেকিং পাউডারও বেশ কার্যকর। একটি ব্রাশ ভিজিয়ে নিয়ে পেস্টের সঙ্গে কিছুটা বেকিং পাউড়ার নিয়ে দাঁত মাজলে দাঁত হয় ঝকঝকে সাদা।

পরীক্ষা করে দেখুন, নিয়মিত এই ভাবে দাঁতের যত্ন নিলে দাগমুক্ত ঝকঝকে দাঁত পাওয়া যাবে।

ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরাজানতাম ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ, কিন্তু এতটা !!! 😲আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভ...
08/12/2021

ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা

জানতাম ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ, কিন্তু এতটা !!! 😲

আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ ও সক্রিয় থাকে।

অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

অ্যালোভেরার জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। দাঁতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয়রোধ করা সম্ভব।

ওজন কমাতে অ্যালোভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।

অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিস শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। সুতরাং খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন, তাহলে আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ত্বকের দাগ, ব্রণ, এবং শুষ্কতা দূর করতে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকরী। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। ঘৃতকুমারীর পাতার শাঁস বেঁটে ফোঁড়ায় লাগালে যন্ত্রণা কমে যায়। পোড়াস্থানে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

অ্যালোভেরা হলো অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

অ্যালোভেরায় আছে ভিটামিন সি, যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরার জেল মাউথ ওয়াশ এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যায় না, মাথায় খুশকি দূর করতে এর কোন তুলনা নেই। এমনকি ঝলমলে চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা হোক নিত্যসঙ্গী।

অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকরী। ঘায়ের জায়গায় অ্যালোভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার বিস্তারকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।

অ্যালোভেরার অনেক গুনাগুনের মধ্যে আর একটি হল রক্তচাপ (ব্লাড প্রেসার) কমাতে এর কোন তুলনা নেই। অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।

কিছু ক্ষতিকর পদার্থ দেহের মধ্যে প্রবেশ করে নানা ধরনের রোগের সৃষ্টি করতে পারে। অ্যালোভেরার রস পান করলে দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করতে পারে না। আর যদি প্রবেশ করেও ফেলে, তাহলেও অ্যালোভেরার জুস পানে তা অপসারণ হতে সাহায্য করে। এই ক্ষেত্রে অ্যালোভেরার জুসের গুণ অপরিসীম।

দেহের দুর্বলতা দূর করতে অ্যালোভেরার জুসের গুণ অনেক। আপনি যদি অ্যালোভেরার জুস নিয়মিত পান করেন তাহলে দেহের ক্লান্তি দূর হবে এবং দেহকে সতেজ ও সুন্দর রাখবে।

অ্যালোভেরার ভেতরের জেল নিয়মিত পান করলে পেটের সমস্যা দূর হয়। আর যদি সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হওয়া সম্ভব।

হাঁপানি ও এলার্জি প্রতিরোধে ঘৃতকুমারী বৈজ্ঞানিকভাবে কার্যকরী। ঘৃতকুমারীর পাতার রস যকৃতের জন্য উপকারী।

এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে।

প্রয়োজন বুঝে আমিও ৩টি টবে এলোভেরা লাগিয়েছি।

দেশীয় খাঁটি ঘি তৈরির ৬ টি সহজ ধাপঘরে ঘি তৈরি করা কখনও সহজ ছিল না। ক্লান্তিকর কাজের চাপ, যথেষ্ট সময়ের অভাব আর প্রয়োজনীয় উ...
21/10/2021

দেশীয় খাঁটি ঘি তৈরির ৬ টি সহজ ধাপ

ঘরে ঘি তৈরি করা কখনও সহজ ছিল না। ক্লান্তিকর কাজের চাপ, যথেষ্ট সময়ের অভাব আর প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, সব মিলিয়ে নিজে ঘি তৈরি করা এক বিরল বিলাসিতা কিংবা অসম্ভবপ্রায় হয়ে উঠেছে।

কিভাবে ঘি বানাবেন

১. দুধ ফুটিয়ে নিন এবং উপরে যে সর/ক্রিম তৈরি হয় তা একটি পাত্রে আলাদা করুন। পাত্রটি পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে জমাতে থাকুন। এই সময় সরের পাত্রটি ফ্রিজে রাখা জরুরী, যাতে ছত্রাকের বৃদ্ধি এড়ানো যায়।

২. পাত্র পূর্ণ হলে এবার সরগুলো স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনুন এবং সারারাত ফ্রিজের বাইরে ঢেকে রেখে দিন।

৩. পরেরদিন মিশ্রণটি একটি ব্লেন্ডারে নিন/ঢালুন, এতে প্রায় দুই গ্লাস ঠান্ডা পানি যোগ করুন (অথবা যতক্ষণ না ব্লেন্ডার পূর্ণ হয়) এবং মন্থন করুন। সর থেকে ক্রিম/চর্বি আলাদা করার জন্য পানি ঠান্ডা হওয়া দরকার। ঠান্ডা পানি না থাকলে বরফের কিউব দিতে পারেন।

৪. এবার ব্লেন্ডারে থাকা মিশ্রণ থেকে ফ্যাট/ক্রিম (যাকে আমরা মাখন বলি) আলাদা করুন এবং নিশ্চিত করুন যে মাখন থেকে দুধ সম্পূর্ণভাবে ধুয়ে গেছে। প্রয়োজনে অন্য পাত্রে ঠান্ডা পানিতে মাখন ধুয়ে নিতে পারেন।

৫. পরিষ্কার মাখন মাঝারি আঁচে গরম করুন যতক্ষণ না এটি ফুটতে শুরু করে। মাখন গলে যেতে প্রায় ১৫ মিনিট সময় লাগে, এই সময় ঘন ঘন প্যান নাড়তে হবে।

৬. আপনি লক্ষ্য করবেন ক্রিম থেকে তেলের মতো পদার্থগুলি ধীরেধীরে ওপরে ভাসতে শুরু করেছে এবং সেটাই ঘি। এভাবে ভাসা সম্পন্ন হলে, দশ বা পনেরো মিনিটের জন্য তরলটি ঠান্ডা করুন এবং সংরক্ষণের জন্য একটি পরিস্কার কাঁচের পাত্রে ঢেলে রাখুন।

স্মৃতিশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে, হাড় ও পেশীর মজবুত গঠনসহ নানাবিধ উপকারিতায় প্রতিদিন অন্তত ৫ গ্রাম (আধা চামচ) কিংবা সপ্তাহে ৩০ গ্রাম ঘি খেতে পারেন।

প্রতি কেজি সরের ঘি ১৪০০/- টাকা
প্রতি কেজি ক্রিমের ঘি ১২০০/- টাকা

চুল কিংবা শরীরের যত্ন ছাড়াও রান্নায় ও ঘরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায় নারিকেল তেল। এছাড়া ভোজ্যতেল হিসেবে স্বাস্থ্যের জ...
04/10/2021

চুল কিংবা শরীরের যত্ন ছাড়াও রান্নায় ও ঘরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায় নারিকেল তেল। এছাড়া ভোজ্যতেল হিসেবে স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারী এই তেল। নারিকেল তেলের বিবিধ ব্যবহারের জন্য একে সুপার তেল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

আমরা গত বছর থেকে 'গেরস্থ' ব্রান্ডে নির্ভেজাল "এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল" সরবরাহ করে আসছি, যা ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

প্রতি লিটার নারিকেল তেল ৯০০ টাকা।
৫০০ মিলি ও ২৫০ মিলি বোতলে সরবরাহ করা হয়। পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্যে ১০০ মিলি নিতে পারেন।

এবারে আসুন ঘরের অন্যান্য কাজে নারিকেল তেলের কিছু আশ্চর্য ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিই—

১. কাপড়ের দাগ দূর করে
বিভিন্ন পোশাক ও কাপড়ের দাগ দূর করতে অনেক কার্যকরী হতে পারে নারিকেল তেল। এর জন্য নারিকেল তেল ও বেকিং সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে তা দাগের স্থানে লাগান। এটি কিছুক্ষণ রেখে দিয়ে ধুয়ে নিলেই দূর হবে কাপড়ের দাগ। তবে মনে রাখবেন— নারিকেল তেল কিন্তু কাপড়ে অনেক দূর ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই সাবধানতার সঙ্গে লাগাতে হবে।

২. আঠা দূর করতে
বিভিন্ন স্থানে স্টিকার বা আঠালো কোনো কিছুর দাগ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন নারিকেল তেল।
এর জন্য আঠালো স্থানে নারিকেল তেল ব্যবহার করে ঘষলেই উঠে যাবে আঠালো অংশ বা আঠার দাগ।

৩. দুর্গন্ধ দূর করে
ঘরের দুর্গন্ধ দূর করতেও অনেক কার্যকরী হতে পারে নারিকেল তেল। এর জন্য ১/৪ কাপ কর্নস্টার্চের সঙ্গে সমপরিমাণ বেকিং সোডা মিশিয়ে তাতে ৬ চামিচ নারিকেল তেল মিশিয়ে নিন। তার পর সেই মিশ্রণটি খোলা স্থানে রেখে দিলেই মিলবে সারা বছর সুগন্ধ।

৪. মরিচা দূর করে
কোনো কিছুর মরিচা দূর করতে পারে নারিকেল তেল। এর জন্য মাত্র এক ফোঁটা নারিকেল তেল ঘষলেই দূরে থাকতে পারে মরিচা বা জং ধরার সমস্যা।

৫. চামড়ার জিনিস উজ্জ্বল করে
চামড়ার যে কোনো জিনিস উজ্জ্বল করতে অনেক কার্যকরী হতে পারে নারিকেল তেল। এর জন্য শুধু কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেল নিয়ে তা চামড়ার জিনিসের ওপরে ঘষতে হবে।

৬. পোকামাকড় থেকে মুক্তি পেতে
যে কোনো পোকামাকড় থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন নারিকেল তেল। এর জন্য পিপারমিন্ট ওয়েলের সঙ্গে নারিকেল তেল মিশিয়ে তা শরীরে ব্যবহার করলেই আর কাছে আসবে না পোকামাকড়।

তথ্যসূত্র: দি হেলদি ডটকম

এক গ্লাস হলুদ দুধ এবং উপকারিতাজানেন কি হলুদমিশ্রিত এক গ্লাস দুধ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি ?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর, সর...
30/09/2021

এক গ্লাস হলুদ দুধ এবং উপকারিতা

জানেন কি হলুদমিশ্রিত এক গ্লাস দুধ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বর, সর্দি-কাশি, ফ্লু, ক্ষত, ব্যথা থেকে শুরু করে, অন্যান্য অনেক সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে হলুদ দুধ অত্যন্ত কার্যকর।

দেহের অতিরিক্ত চর্বি দূর করে ওজন কমাতে সাহায্য করে, শরীর হয়ে ওঠে অধিক ফুরফুরে ও কর্মক্ষম।

হলুদ-দুধ মস্তিস্ককে সুস্থ রাখতে, স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং ভাল ঘুম হতে সহায়তা করে।

হলুদ-দুধ অনিয়মিত মাসিক চক্রকে স্বাভাবিক করে এর ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। এটি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।

সতেজ টানটান ত্বক পেতে ও ত্বকে বয়সের ছাপ ঠেকাতে হলুদ-দুধ ভীষণ সহায়ক। এটি ব্রন নিরাময়েও ভূমিকা রাখে।

গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদে থাকা কারকিউমিন ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

হলুদ-দুধ হাড়ের প্রদাহ কমাতে, ব্যথা কমাতে, জয়েন্টের কার্যকারিতা উন্নত করতে অত্যন্ত কার্যকর। এটি হাড়ের টিস্যুগুলোকে রক্ষা করে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে হাড়কে শক্তিশালী করে।

হলুদ-দুধ এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে।

হলুদ-দুধ রক্তনালী পরিষ্কার করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং লিভারকে সুস্থ রাখে।

হলুদ-দুধের আন্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য গ্যাস, পেট ফুলে যাওয়া, ডায়রিয়া এবং পেটের আলসারের মতো হজমজনিত সমস্যাগুলো দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর।

বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় হলুদ-দুধ পানের উত্তম সময়।

Address

Terokhadia Pashchim Para
Rajshahi
6000

Telephone

+8801716255830

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Farmers' Club of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Farmers' Club of Bangladesh:

Share