Anik Agro

Anik Agro Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anik Agro, Organic Grocery Store, Puthia, Rajshahi.
(12)

☺️আসসালামু আলাইকুম অনিক এগ্রো পক্ষে থেকে আমাদের পেইজে ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ, আমাদের কাছে সাদ ও মাঠ বাগান এর জন্য ১০০% আরজিনাল জাত এর ফল ঔষধি এবং মসলা চারা পাবেন এবং গেরেটি জাত সহ🥰

বারি বেগুন-১২ (সবুজ লম্বা ডোরাকাটা) জাতটি বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য সত্যিই অসাধারণ। যারা বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক সবজি চাষ কর...
17/04/2026

বারি বেগুন-১২ (সবুজ লম্বা ডোরাকাটা) জাতটি বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য সত্যিই অসাধারণ।
যারা বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক সবজি চাষ করতে চান, তাদের জন্য এই জাতটি সেরা একটি পছন্দ হতে পারে।

বারি বেগুন-১২ চাষের কিছু জরুরি টিপস:
• জাত নির্বাচন: বারি বেগুন-১২ উচ্চ ফলনশীল এবং রোগবালাই সহনশীল। এর ফল উজ্জ্বল সবুজ ও সাদা ডোরাকাটা হওয়ায় বাজারে চাহিদা অনেক বেশি।

• চারা রোপণ: সারি থেকে সারির দূরত্ব অন্তত ৩ ফুট এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ২ ফুট রাখা ভালো। এতে গাছ পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পায়।

• সার ব্যবস্থাপনা: জমি তৈরির সময় পর্যাপ্ত জৈব সার এবং পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী টিএসপি, পটাশ ও ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করলে ফলন বাড়ে।

• সেচ ও নিষ্কাশন: বেগুনের জমিতে পানি জমতে দেওয়া যাবে না, তবে মাটির আর্দ্রতা বুঝে নিয়মিত সেচ দিতে হবে।

• পোকামাকড় দমন: ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করা এবং নিয়মিত ডালপালা ছাঁটাই (Pruning) করা জরুরি।

• সাপোর্ট বা খুঁটি: গাছে যখন প্রচুর ফল ধরে, তখন ভার সামলাতে বাঁশের খুঁটি দিয়ে সাপোর্ট দিলে গাছ হেলে পড়ে না।
#বারি_বেগুন১২ #বেগুনচাষ #সবজি_চাষ

🍋🌿 লেবু গাছের পাতা দেখেই বুঝে নিন সমস্যার ধরন!ফল নষ্ট হওয়ার আগেই গাছ আপনাকে সংকেত দেয়—এই ৭টি লক্ষণ সহজেই চেনা যায় 👇🌿 সুস...
17/04/2026

🍋🌿 লেবু গাছের পাতা দেখেই বুঝে নিন সমস্যার ধরন!

ফল নষ্ট হওয়ার আগেই গাছ আপনাকে সংকেত দেয়—এই ৭টি লক্ষণ সহজেই চেনা যায় 👇

🌿 সুস্থ পাতা: গাঢ় সবুজ, চকচকে, শক্ত ওভাল আকৃতি, ঘষলে লেবুর গন্ধ আসে।
💧 অতিরিক্ত পানি: পাতা হলুদ হয়ে ঝরে, কিন্তু ডাঁটা সবুজ থাকে।
🥀 কম পানি: পাতা ভেতরের দিকে মুড়ে যায়, শুকিয়ে নিচের দিক থেকে ঝরে।
🟡 আয়রন ঘাটতি: নতুন পাতা হলুদ, কিন্তু শিরা সবুজ থাকে।
🐛 লিফ মাইনার পোকা: পাতায় আঁকাবাঁকা সাদা দাগ।
🐞 স্কেল পোকা: পাতার নিচে বা ডাঁটায় বাদামি/সাদা ছোট গুটি।
🦠 সুটি মোল্ড: পাতার উপর কালো ধুলার মতো আস্তরণ।

📌 মনে রাখুন:
পানি, সার বা ওষুধ দেওয়ার আগে পাতার অবস্থা ভালো করে দেখুন। 👀
👉👉👉👉সমাধানঃ👉👉👉

​১. সুস্থ পাতা (Healthy Leaf)
​​করণীয়: আপনার যত্নের পদ্ধতি ঠিক আছে! পর্যাপ্ত রোদ এবং সময়মতো পানি ও সুষম সার বজায় রাখুন।

​২. অতিরিক্ত পানি প্রদান (Overwatering)
​​সমাধান: টবের ড্রেনেজ সিস্টেম চেক করুন। উপরের মাটি ২ ইঞ্চি শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত পানি দেবেন না।

​৩. পানির অভাব (Underwatering)
​সমাধান: নিয়মিত পানি দিন, তবে খেয়াল রাখবেন যেন কাদা কাদা না হয়ে যায়। টবের মাটি সবসময় আর্দ্র (Moist) রাখার চেষ্টা করুন।

​৪. আয়রনের ঘাটতি (Iron Deficiency)
​​সমাধান: মাটিতে আয়রন সমৃদ্ধ সার বা 'চিলেটেড আয়রন' (Chelated Iron) স্প্রে করুন। মাটির pH লেভেল পরীক্ষা করে দেখুন, কারণ মাটি বেশি ক্ষারীয় হলে গাছ আয়রন নিতে পারে না।

​৫. সাইট্রাস লিফ মাইনার (Citrus Leaf Miner)
​​সমাধান: আক্রান্ত পাতা ছিঁড়ে ফেলে দিন। নিম তেল (Neem Oil) স্প্রে করা খুব কার্যকর। আক্রমণ বেশি হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে কীটনাশক ব্যবহার করুন।

​৬. স্কেল পোকা (Scale Insects)
​​সমাধান: ব্রাশ দিয়ে বা হাত দিয়ে ঘষে এগুলো তুলে ফেলা যায়। ঘরোয়া পদ্ধতিতে সাবান পানি বা নিম তেল স্প্রে করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

​৭. সুটি মোল্ড বা কালো ছত্রাক (Sooty Mould)
​সমাধান: প্রথমে পিঁপড়া বা স্কেল পোকা দমন করুন। এরপর হালকা সাবান পানি দিয়ে পাতাগুলো আলতো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে দিন।

​টিপস: গাছে যেকোনো সার বা কীটনাশক প্রয়োগ করার আগে পাতাগুলো ভালো করে পর্যবেক্ষণ করুন। গাছকে ভালোবাসুন, গাছ আপনাকে ফল দেবে! 🌿🍋

্রো_লিমিটেড_রাজশাহী 🍋🌱

গিব্বারেলিক অ্যাসিড (GA₃) ও অন্যান্য গ্রোথ রেগুলেটর কৃষিবিজ্ঞানে বহু বছর ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে ...
17/04/2026

গিব্বারেলিক অ্যাসিড (GA₃) ও অন্যান্য গ্রোথ রেগুলেটর কৃষিবিজ্ঞানে বহু বছর ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে অসংখ্য গবেষণা ও জার্নাল পেপারে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।
উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে GA₃ প্রয়োগে আমের ফলের সাইজ, গ্রোথ ও সেল ডিভিশন বাড়ে, এবং কিছু ক্ষেত্রে শর্করা (sugar) বিপাকেও পরিবর্তন ঘটে। তবে একই সঙ্গে কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, এটি ফ্লেভার কমপ্লেক্সিটি বা অ্যারোমা প্রোফাইল কিছুটা পরিবর্তন করতে পারে—মানে স্বাদের “কমে যাওয়া” না, বরং স্বাদের ধরনে পরিবর্তন হতে পারে
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো—GA₃ প্রয়োগে ফলের মধ্যে স্টার্চ → শর্করায় রূপান্তর প্রক্রিয়া বাড়তে পারে, যার ফলে কিছু ক্ষেত্রে মিষ্টতা বাড়তেও দেখা যায়।
তাই “গাছকে খাবার দিবেন না” বা “স্বাদ কমে যায়”—এ ধরনের বক্তব্য বৈজ্ঞানিকভাবে পুরোপুরি সঠিক নয়। সঠিক ডোজ, সঠিক সময় এবং সঠিক ব্যবস্থাপনায় GA₃ বরং ফলের গ্রোথ ও কোয়ালিটি উন্নত করতে সাহায্য করে।

14/04/2026

ভালো ফলন এবং দ্রুত বৃদ্ধির জন্য স্বাস্থ্যবান এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন আঙ্গুর চারার বিকল্প নেই।
মাটিতে রোপণ করার পর থেকেই রকেটের গতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকবে... 💪

🥭 আমের গুটি ঝরা রোধে কার্যকরী প্রতিকার 🌳​আমের গুটি বড় হওয়ার এই পর্যায়ে ঝরে পড়া খুবই কষ্টের। তবে হতাশ না হয়ে নিচের পদক্ষে...
10/04/2026

🥭 আমের গুটি ঝরা রোধে কার্যকরী প্রতিকার 🌳

​আমের গুটি বড় হওয়ার এই পর্যায়ে ঝরে পড়া খুবই কষ্টের। তবে হতাশ না হয়ে নিচের পদক্ষেপগুলো নিলে দ্রুত সুফল পাবেন:

✅​১. পানির অভাব দূর করা 💧
প্রচণ্ড রোদে মাটি শুকিয়ে গেলে আম ঝরে যায়। তাই নিয়মিত গাছের গোড়ায় পর্যাপ্ত পানি সেচ দিন। বিকেলে পানি দেওয়া সবচেয়ে ভালো।

✅​২. হরমোন বা পিজিআর (PGR) প্রয়োগ 🧪
গুটির বোঁটা শক্ত করতে হরমোন খুব জরুরি।
​পরামর্শ: প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি ফ্লোরা ( প্ল্যানোফিক্স মিশালে ৪.৫ লিটার পানিতে ১ মিলি) পুরো গাছে স্প্রে করুন। এটি ১০-১৫ দিন পর আরও একবার দিতে পারেন।

✅​৩. বোরন ও জিঙ্কের ব্যবহার
ফলের পুষ্টি ও গঠন ঠিক রাখতে এটি জাদুর মতো কাজ করে।
​পরামর্শ: প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সলুবর বোরন এবং ২ গ্রাম চিলেটেড জিঙ্ক মিশিয়ে আমের গুটিতে স্প্রে করুন। এতে আম দ্রুত বড় হবে এবং ঝরবে না।

✅​৪. পোকা ও রোগ দমন 🐛
হপার পোকা বা ছত্রাকের কারণে বোঁটা কালো হয়ে গেলে আম টিকে না।
​কীটনাশক: প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি ইমিডাক্লোরোপ্রিড (যেমন: এডমায়ার বা টিডো)।
​ছত্রাকনাশক: কার্বেন্ডাজিম (যেমন: অটোস্টিন বা নোইন) মিশিয়ে স্প্রে করুন।
কীটনাশকক এবং ছত্রাকনাশক আলাদা স্প্রে করুন।

​⚠️ বিশেষ কিছু সতর্কতা:
​🕒 সময়: যেকোনো স্প্রে অবশ্যই বিকেলের পড়ন্ত রোদে করবেন। তীব্র রোদে স্প্রে করলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে।
​🌾 মালচিং: গাছের গোড়ায় খড় বা কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে দিন, যাতে মাটির রস সহজে শুকিয়ে না যায়।
​🚫 অতিরিক্ত নয়: পরিমাণের চেয়ে বেশি সার বা হরমোন দেবেন না।

৭ দিনে গাছ দ্রুত সবুজ করতে একটি কার্যকর “গোপন টনিক” তৈরি করা যায় ঘরে বসেই। একটি পরিষ্কার বালতিতে ১০ লিটার পানিতে ১ কেজি ...
10/04/2026

৭ দিনে গাছ দ্রুত সবুজ করতে একটি কার্যকর “গোপন টনিক” তৈরি করা যায় ঘরে বসেই। একটি পরিষ্কার বালতিতে ১০ লিটার পানিতে ১ কেজি পচা গোবর, ২০০ গ্রাম গুড় এবং ৫০ গ্রাম সরিষার খৈল ভিজিয়ে ২–৩ দিন ঢেকে রাখুন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে নিয়ে এতে ৫

 #আমের_গুটি_ঝরা_রোধে_করণীয়ঃ বেশ কয়েকটি কারণে আম ঝরে পড়ে যেতে পারে নিচে তা আলোচনা করা হলো।১. পানি সেচ (Water Managemen...
10/04/2026

#আমের_গুটি_ঝরা_রোধে_করণীয়ঃ বেশ কয়েকটি কারণে আম ঝরে পড়ে যেতে পারে নিচে তা আলোচনা করা হলো।

১. পানি সেচ (Water Management):
গুটি মটর দানার মতো হলে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আম গাছ খরার সময় বা পানি কম থাকলে গুটি ঝরিয়ে দেয়। তবে, খুব বেশি সেচ দেওয়া যাবে না, এতে শিকড় পচে যেতে পারে।

২. বোরন ও হরমোন স্প্রে (Hormones & Boron):
আমের গুটি ঝরা কমাতে প্লানোফিক্স (Planofix) খুব কার্যকর। এছাড়া, প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম বোরন বা বোরিক এসিড মিশিয়ে স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

৩. পোকা ও ছত্রাক দমন (Pest & Disease Control):
আমের গুটি মটরদানার মত হলে হপার পোকা বা শোষক পোকার আক্রমণ হয়। এই পোকা দমনে ইমিডাক্লোরোপিড (যেমন: এডমায়ার বা টিডো) গ্রুপের কীটনাশক ১ লিটার পানিতে ১ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

৪. সুষম সার প্রয়োগ (Fertilizer):
আম গাছ থেকে ফল সংগ্রহের পর এবং বর্ষার আগে ও পরে গাছের বয়স অনুযায়ী সুষম সার (ইউরিয়া, টিএসপি, এমপি ও জৈব সার) এবং ডলোচুন প্রয়োগ করতে হবে।

#বিশেষ_সতর্কতা:
মাটিতে রস না থাকলে সেচ দিন,

কৃষি বিষয়ক সকল তথ্য ও সেবা পেতে ফেসবুক পেজ পাশেই থাকুন।

রাজশাহী জেলা পুঠিয়া থানায়  প্রায় ৪৫ মিনিট  এর বেশি সময় একটা বিশাল শিলাবৃষ্টি, আম, লিচু, পেয়াজের ফুল (বিজ) তে ব্যাপক ক্ষত...
07/04/2026

রাজশাহী জেলা পুঠিয়া থানায় প্রায় ৪৫ মিনিট এর বেশি সময় একটা বিশাল শিলাবৃষ্টি, আম, লিচু, পেয়াজের ফুল (বিজ) তে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবণা দেখা দিলো। ইন্না-লিল্লাহ😥।

✅  #টবে_বারোমাসি_সজিনা_চাষসজিনা শুধু সুস্বাদু নয়, এটি ভিটামিন, মিনারেল ও ঔষধিগুণে ভরপুর। অনেকেই ভাবেন, সজিনা শুধু জমিতে ...
06/04/2026

✅ #টবে_বারোমাসি_সজিনা_চাষ

সজিনা শুধু সুস্বাদু নয়, এটি ভিটামিন, মিনারেল ও ঔষধিগুণে ভরপুর। অনেকেই ভাবেন, সজিনা শুধু জমিতে হয়। কিন্তু আসলে টব বা ড্রামে সহজেই চাষ করা যায়। টবে লাগিয়ে ৫–৮ বছর পর্যন্ত ফল পাওয়া সম্ভব।

🥬 ১. টব ও মাটি প্রস্তুতি

🔹 টব নির্বাচন: অন্তত ১৮–২৪ ইঞ্চি গভীর ও চওড়া টব/ড্রাম বেছে নিন।
🔹 মাটি মিশ্রণ (ঢিলা ও উর্বর হতে হবে):
বাগানের মাটি – ৫০%
🔹বালি – ২০% (পানি দ্রুত বের হওয়ার জন্য)
🔹জৈব সার (গোবর/কম্পোস্ট/ভার্মি কম্পোস্ট) – ৩০%
🔹সামান্য চুন (pH নিয়ন্ত্রণে রাখে)
🔹হাড়গুঁড়া/ফসফেট দিলে শিকড় শক্ত হয় ও ফলন ভালো হয়
👉 টিপস: টবের নিচে পানি বের হওয়ার জন্য ছিদ্র রাখতে ভুলবেন না।
🌿 ২. চারা তৈরি বা রোপণ
✔️ চারা ব্যবহার: ১–১.৫ ফুট উঁচু স্বাস্থ্যবান চারা টবে লাগান।
✔️ বীজ থেকেও লাগানো যায়: ২–৩টি বীজ একসাথে বপন করুন → পরে একটি রাখুন।
✔️ রোপণের পর টব সবসময় রোদযুক্ত জায়গায় রাখুন (প্রতিদিন কমপক্ষে ৬–৮ ঘণ্টা সরাসরি রোদ দরকার)।

🌱 ৩. নিয়মিত যত্ন

💧 সেচ:

🔹 গরমকালে নিয়মিত পানি দিন।
🔹 তবে টবে পানি জমে না থাকে খেয়াল রাখুন।

🌿 সার ব্যবস্থাপনা:
🔸 প্রতি মাসে ২০০–২৫০ গ্রাম জৈব সার দিন।
🔸 ফুল–ফলের সময় তরল জৈব সার বা জৈব টনিক ব্যবহার করলে ফলন অনেক বাড়বে।

✂️ ছাঁটাই (Pruning):
গাছ ৩–৪ ফুট হলে মাথা কেটে দিন → পাশ থেকে নতুন ডাল গজাবে, গাছ ঝোপালো হবে।
প্রতি বছর ফলন শেষে পুরনো ডালপালা কেটে দিলে নতুন ডাল আসবে → ফলন দ্বিগুণ হবে।

🐛 ৪. রোগ–পোকা দমন

🔸 সজিনা সাধারণত খুব রোগে ধরে না।
🔸 মাঝে মাঝে শুঁয়োপোকা দেখা গেলে নিমপাতার রস বা জৈব কীটনাশক স্প্রে করুন।
🔸 ঝড়-বাতাসে ডাল ভেঙে গেলে গাছকে বাঁশ বা খুঁটির সাথে বেঁধে দিন।

🍃 ৫. ফলন
✔️ চারা লাগানোর ৬–৮ মাসের মধ্যে ফুল ও ফল আসতে শুরু করবে।
✔️ একবার টবে লাগালে ৫–৮ বছর পর্যন্ত নিয়মিত ফলন দেবে।
✔️ বারোমাসি জাত (যেমন PKM-1, PKM-2 বা খাটো জাত) হলে প্রায় সারা বছরই ফল পাওয়া সম্ভব।
📌 বাড়তি টিপস
🔹 বড় টব ব্যবহার করুন → গাছের বৃদ্ধি ও ফলন ভালো হয়।
🔹 নিয়মিত ছাঁটাই করলে বেশি ডাল, বেশি ফুল ও ফল।
🔹 ছাদ বা বারান্দায় রাখলে প্রচুর রোদ পাবে → ফলন দ্বিগুণ হবে।

🌱 কলা ও কুমড়ার যৌথ চাষ—এক জমিতে দ্বিগুণ লাভসঠিক পরিকল্পনায় কম খরচে বেশি উৎপাদন।✅ সংক্ষিপ্ত টিপস:✔ ভিন্ন উচ্চতার ফসল নির্...
06/04/2026

🌱 কলা ও কুমড়ার যৌথ চাষ—এক জমিতে দ্বিগুণ লাভ
সঠিক পরিকল্পনায় কম খরচে বেশি উৎপাদন।

✅ সংক্ষিপ্ত টিপস:
✔ ভিন্ন উচ্চতার ফসল নির্বাচন
✔ গাছের সঠিক দূরত্ব রাখুন
✔ নিয়মিত সেচ দিন
✔ জৈব সার ব্যবহার করুন
✔ পোকামাকড় নজরে রাখুন

একবার শিখে নিলে বারবার কাজে লাগবে 💚গুটি কলম পদ্ধতিতে চারা তৈরি:🌿 সহজ  🌿 কম খরচ  🌿 বেশি ফলপ্রসূ  👉 আজই শুরু করুন নিজের বা...
06/04/2026

একবার শিখে নিলে বারবার কাজে লাগবে 💚

গুটি কলম পদ্ধতিতে চারা তৈরি:
🌿 সহজ
🌿 কম খরচ
🌿 বেশি ফলপ্রসূ

👉 আজই শুরু করুন নিজের বাগান বাড়ানো
🌱

✅আমের বর্তমান অবস্থায় অ্যানথ্রাকনোজ (ফলের দাগ পড়া) এবং ম্যাঙ্গো হপার (শোষক পোকা) দমনে নিচের পদক্ষেপগুলো দ্রুত গ্রহণ করুন...
06/04/2026

✅আমের বর্তমান অবস্থায় অ্যানথ্রাকনোজ (ফলের দাগ পড়া) এবং ম্যাঙ্গো হপার (শোষক পোকা) দমনে নিচের পদক্ষেপগুলো দ্রুত গ্রহণ করুন:

✅​১. ছত্রাকনাশক প্রয়োগ (দাগ দমনের জন্য) 🛡️
​আমের গুটি যখন মটর দানার মতো হয়, তখন থেকেই সতর্ক থাকতে হয়। বর্তমানে এই রোগ ছড়ানো বন্ধ করতে নিচের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন:
​স্কোর বা টিল্ট: (প্রপিকোনাজল + ডাইফেনোকোনাজল) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করুন।
​অথবা, রিডোমিল গোল্ড: (ম্যানকোজেব + মেটালেক্সিল) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম মিশিয়ে ১০-১২ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করুন। ⛈️

✅​২. পোকা দমন (আঠালো ভাব দূর করতে) 🐜
​ফলের গায়ে আঠালো ভাব বা শোষক পোকার আক্রমণ থাকলে ছত্রাকনাশকের সাথে নিচের কীটনাশকটি মিশিয়ে নিতে পারেন:
​এডমায়ার বা ইমিটাফ: (ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপ) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। 💦

✅​৩. জরুরি কিছু পরামর্শ 💡
​পটাশ সারের ব্যবহার: গাছের গোড়ায় পর্যাপ্ত পটাশ সার প্রয়োগ করলে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 🧪
​পরিচ্ছন্নতা: বাগান সবসময় পরিষ্কার রাখুন। আক্রান্ত আম বা পাতা ঝরে পড়লে সেগুলো দ্রুত সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলুন। 🔥
​সঠিক সময়ে স্প্রে: কড়া রোদে কখনো স্প্রে করবেন না; সব সময় সকালের দিকে অথবা বিকেলের মিষ্ট রোদে স্প্রে করা সবচেয়ে কার্যকর। 🌅
​আপনার বাগানের সুস্থতা এবং বাম্পার ফলন কামনায়!

Address

Puthia
Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anik Agro posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Anik Agro:

Share