22/06/2025
এক কুরিয়ার সিস্টেম খেয়ে দিল অনলাইন আম বিক্রেতাদের ব্যবসা।
সম্প্রতি সময়ে দেখা যাচ্ছে বিগত পাঁচ বছরে রাজশাহী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সাতক্ষীরা নওগাঁ এবং রংপুরের আমকে কেন্দ্র করে তরুন উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে।
পূর্বে যেখানে এই অঞ্চলে রাম শুধুমাত্র পাইকারদের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে চলে যেত তখন কৃষকরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হতো এবং গুণগত আম পেতো না অন্যান্য অঞ্চলের মানুষরা।
এই সংকট টা মোটামুটি ভাবে কাটিয়ে উঠা গেছে নতুন অনলাইন আম বিক্রেতাদের এগিয়ে আসার জন্য।
বেশিরভাগ আম উদ্যোক্তা বেশি বেশি অর্ডার পাওয়ার জন্য ক্যাশ অন ডেলিভারিতে আম বিক্রি করছেন। এতে গ্রাহকরা অবশ্য কিছুটা স্বস্তিতে থাকেন কারণ আম পছন্দ না হলে অথবা কুরিয়ারে নষ্ট হয়ে গেলে তারা আম গ্রহণ করেন না, এতে অবশ্য ক্রেতারা মোটামুটি ভাবে একটি সেফ সাইডেই থাকেন।
অপরদিকে
অনলাইন উদ্যোক্তারা যখন কৃষকদের কাছ থেকে নগদ অর্থে আম কিনে ক্রেতার কাছে পাঠাচ্ছেন, তখন ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) সিস্টেমের কারণে তাদের একটি বিশাল অঙ্কের মূলধন কুরিয়ারে আটকে থাকছে।
সময়মতো ডেলিভারি না হওয়ায় এই টাকা ফেরত আসে না, ফলে নতুন করে আম কেনা বা ডেলিভারি দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। বানেশ্বর এলাকার অনেক আম উদ্যোক্তাই আজ পথে বসার উপক্রম, আড়তদার/কৃষকদের কাছে তাদের দেনার পরিমাণ বেড়েই চলেছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে কুরিয়ারের অব্যবস্থাপনা এবং অদক্ষতার কারণে প্রচুর আম নষ্ট হচ্ছে রাস্তায় এর ফলে কেবল উদ্যোক্তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না; দেশের অর্থনীতির জন্য এক বিশাল ক্ষতি। কৃষক হয়তো তার আমের দাম পেয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু মধ্যম সারির উদ্যোক্তারা, যারা ঝুঁকি নিয়ে এই পুরো প্রক্রিয়াটি সচল রাখেন, তারাই চরম সংকটে পড়ছেন।
সম্প্রতি SteadFast Courier সার্ভিসের অব্যবস্থাপনা এবং অবহেলার জন্য কয়েকশত অনলাইন আম উদ্যোক্তার কয়েক হাজার পার্সেল এর আম নষ্ট করে ফেলেছে। এখন পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানটি অফিসিয়ালি আমের ক্ষতিপূরণ দেবার ব্যাপারে কোন ঘোষণা প্রদান করেনি। বরং তারা বলছে,আম বুকিং এর সময় বলে দেওয়া হয়েছে পচনশীল আমের ক্ষেত্রে তারা কোন দায়ভার বহন করবে না। এর ফলে তাদের কাছে আমের মতো বড় ও সংবেদনশীল পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার ক্ষেত্রে তেমন কোনো মনোযোগ থাকে না। তারা বরং ছোট পণ্যের দ্রুত ডেলিভারিতে অগ্রাধিকার দেয়, কারণ এতে তাদের মুনাফা বেশি। এছাড়াও তাদের ক্যাপাসিটি বাহিরে গিয়েও তারা অধিক পরিমাণ আম বুকিং নিয়ে ফেলছে যেহেতু ক্যাপাসিটির বেশি অধিক আম বুকিং নিয়ে ফেলছে তাই সেই অতিরিক্ত আমগুলো ডেলিভারি করতে অধিক সময় লাগছে। ফলস্বরূপ, আম কুরিয়ার ওয়্যারহাউজে দীর্ঘদিন পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে এবং গ্রাহকরা সেগুলো গ্রহণ করতে চান নি ।ক্রেতা যদি আমের পার্সেল গ্রহণ না করে থাকে এবং রিটার্ন করে তখন এই আমগুলো আর সেগুলো বিক্রির যোগ্য থাকে না বা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নষ্ট হয়ে যায়। এদিকে আম গুলো যেমন নষ্ট হল ঠিক তেমনি অনলাইন আম বিক্রেতার বিনিয়োগৃত টাকাগুলো কিন্তু ফেরত আসলো না। । এই সমস্যা কেবল আমের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়; অন্যান্য পচনশীল পণ্য, যেমন শাকসবজি, মাছ, ক্ষেত্রেও একই ধরনের অব্যবস্থাপনা দেখা যায়। এই সামগ্রিক অদক্ষতা অনলাইন পচনশীল পণ্যের বাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করছে।
বাংলাদেশে ই-কমার্স খাত দ্রুত বর্ধনশীল। Statista-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে এর আয় প্রায় ৬.৮ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, এবং ২০২৯ সালের মধ্যে তা ১২.৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা আছে। এই প্রবৃদ্ধির সিংহভাগই অভ্যন্তরীণ লেনদেনের মাধ্যমে ঘটে, যার প্রায় ৭৫% ক্যাশ অন ডেলিভারি নির্ভর। অথচ, এই বিপুল সংখ্যক লেনদেনের জন্য অত্যাবশ্যক কুরিয়ার সেবার অবকাঠামো এবং নীতিমালা পচনশীল পণ্যের জন্য একেবারেই অপর্যাপ্ত। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফসল তোলার পর ফলের অপচয় প্রায় ২৩.৬% থেকে ৪৩.৫% পর্যন্ত হতে পারে, যা আর্থিক হিসাবে বার্ষিক হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি। আমের ক্ষেত্রেও এই ক্ষতি ব্যাপক, বিভিন্ন স্তরে অপচয় যোগ করে মোট ক্ষতি ৫০% এর বেশি হতে পারে। এই তথ্যগুলো দেশের কৃষি অর্থনীতিতে পচনশীল পণ্যের ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব এবং জরুরি সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
#সরকারের_ভূমিকা_ও_নীতিমালার_প্রয়োজনীয়তা
এই সংকট থেকে উত্তরণে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কুরিয়ার সার্ভিসের জন্য পচনশীল দ্রব্য, বিশেষ করে আমের মতো পণ্যের পরিবহনে একটি সুনির্দিষ্ট **সরকারি নীতিমালা** প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। এই নীতিমালায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে:
* **সময়সীমা নির্ধারণ: পচনশীল পণ্য ডেলিভারির জন্য কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডেলিভারি বাধ্যতামূলক করা।
* **ক্ষতিপূরণ ও ডেমারেজ: পণ্য নষ্ট হলে কুরিয়ার সার্ভিসকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বা ডেমারেজ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত। এটি কুরিয়ার সার্ভিসকে আরও সতর্ক করবে এবং দায়িত্বশীল হতে বাধ্য করবে।
* **বিশেষায়িত পরিবহন ব্যবস্থা: তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত যানবাহন (রেফ্রিজারেটেড ভ্যান) এবং গুদামঘরের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা। সরকারি প্রণোদনা দিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে এই ধরণের অবকাঠামো উন্নয়নে উৎসাহিত করা যেতে পারে।
* **পচনশীল পণ্যের অগ্রাধিকার: কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে পচনশীল পণ্য ডেলিভারিকে অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য করা। ছোট পণ্যের লাভের লোভে যেন বড় ও সংবেদনশীল পণ্য অবহেলায় নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করা।
* **পর্যবেক্ষণ ও জবাবদিহিতা:কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা এবং তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা। নীতিমালার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা।
* **উদ্যোক্তা ও কুরিয়ারের মধ্যে সমন্বয়: সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে যেখানে উদ্যোক্তা এবং কুরিয়ার সার্ভিসগুলো তাদের সমস্যা এবং সমাধান নিয়ে আলোচনা করতে পারবে।
#তরুণ_উদ্যোক্তাদের_করণীয়: সচেতনতা ওকৌশলগত পরিবর্তন
কুরিয়ার সার্ভিসের দুর্বলতা যেহেতু রাতারাতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, তাই তরুণ উদ্যোক্তাদের নিজেদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন আনা জরুরি। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যাশ অন ডেলিভারি ( ) নির্ভরতা কমানো**।
১. ক্যাশ অন ডেলিভারির পরিবর্তে অ্যাডভান্স পেমেন্ট: ক্যাশ অন ডেলিভারি একদিকে যেমন গ্রাহককে স্বস্তি দেয়, অন্যদিকে উদ্যোক্তার মূলধন আটকে রাখে। এই নির্ভরশীলতা কমালে ব্যবসার মূলধন প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। এর জন্য উদ্যোক্তারা নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নিতে পারেন:
* **আংশিক অ্যাডভান্স পেমেন্ট: পুরো টাকা অগ্রিম না নিলেও, অর্ডারের সময় একটি নির্দিষ্ট অংশ (যেমন, ২০-৩০%) অ্যাডভান্স পেমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। এতে উদ্যোক্তার পুঁজি কিছুটা হলেও ফিরে আসবে এবং গ্রাহকের প্রতিশ্রুতিও বাড়বে।
* **অফার ও ডিসকাউন্ট: যারা অ্যাডভান্স পেমেন্ট করবেন, তাদের জন্য বিশেষ ছাড় বা অতিরিক্ত সুবিধা (যেমন, ফ্রি ডেলিভারি, ছোট উপহার) ঘোষণা করা যেতে পারে।
* **নির্ভরযোগ্যতা তৈরি: গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পণ্যের গুণগত মান এবং অতীত ডেলিভারির সাফল্য তুলে ধরে গ্রাহকদের অ্যাডভান্স পেমেন্টে উৎসাহিত করুন। সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক রিভিউ এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির প্রমাণ শেয়ার করুন।
* **পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার: নিরাপদ ও সহজ পেমেন্ট গেটওয়ে (যেমন, বিকাশ, রকেট, নগদ, অনলাইন ব্যাংকিং) ব্যবহার করে গ্রাহকদের জন্য অগ্রিম পেমেন্টের প্রক্রিয়া সহজ করুন।
অ্যাডভান্স পেমেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের মূলধন আটকে থাকার ঝুঁকি কমবে, নতুন করে আম কেনা বা উৎপাদন প্রক্রিয়া সচল রাখা সহজ হবে, এবং অর্থনৈতিক চাপ অনেকটাই লাঘব হবে। এটি তাদের ব্যবসার আর্থিক স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে সাহায্য করবে।
২. আমের গুণগত মান বজায় রেখে ডেলিভারি: কেবল সঠিক সময়ে ডেলিভারি দিলেই হবে না, আমের গুণগত মান বজায় রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য উদ্যোক্তারা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন:
* ** #সঠিক_প্যাকেজিং:আমের জন্য বিশেষ ধরণের প্যাকেজিং ব্যবহার করুন যা বাতাস চলাচল নিশ্চিত করে এবং আমকে আঘাত থেকে রক্ষা করে। উন্নত মানের ফোম নেট, শক্ত কার্টুন বক্স এবং প্রয়োজনে ভেতরের অংশে কাটিং পেপার ব্যবহার করুন।
* ** #বিশ্বস্ত_কুরিয়ার_নির্বাচন: যেসব কুরিয়ার সার্ভিস পচনশীল পণ্য পরিবহনে কিছুটা হলেও যত্নবান, তাদের বেছে নিন। তাদের অতীতের রেকর্ড এবং অন্যান্য উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা জেনে নিন। প্রয়োজনে একাধিক কুরিয়ার সার্ভিসের সাথে চুক্তি করুন।
৩. ** #চুক্তিভিত্তিক_ডেলিভারি_পার্টনারশিপ:শুধু এক বা দুটি কুরিয়ার সার্ভিসের উপর নির্ভর না করে, একাধিক কুরিয়ারের সাথে চুক্তি করা উচিত। প্রয়োজনে স্থানীয় লজিস্টিক পার্টনারদের সাথে ছোট আকারের চুক্তিতে যাওয়া যেতে পারে, যারা নির্দিষ্ট কিছু রুটে উন্নত সেবা দিতে সক্ষম।
#অ্যাসোসিয়েশন_কিংবা_কোন_সংগঠন_না_থাকা
বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত স্বীকৃত অনলাইন আম ব্যবসায়ীদের সংগঠন গড়ে ওঠেনি। এর ফলে তারা একজোট হয়ে কোন কিছু প্রতিবাদ করা বা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য কোন কাজ করতে পারছে না। অনেক বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু সবাই বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করছে। এই বিক্ষিপ্তভাবে কাজ করার জন্য তারা না পাচ্ছে সরকারের কাছ থেকে কোন সুযোগ সুবিধা নিতে না আনতে পারছে কুরিয়ার সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানদেরকে জবাবদিহিতার মধ্যে ।
এখন সময়ের প্রয়োজনে বলে দিচ্ছে অনলাইন আম ব্যবসায়ীদের জন্য একটি অ্যাসোসিয়েশন কিংবা সংগঠন গড়ে তোলা তাদের যা তাদের নিজেদের ব্যবসার স্বার্থ সংরক্ষণ করার পাশাপাশি ক্রেতাদেরও স্বার্থ সংরক্ষণ করবে।
#উপসংহার: টিকে থাকার লড়াইয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টা
যদি এই সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, সাতক্ষীরা, রংপুরের মতো দেশের প্রধান আম উৎপাদনকারী অঞ্চলের আম শিল্প ধ্বংসের মুখে পরবে । উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবেন, কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হবেন, এবং দেশের অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। কারণ, উদ্যোক্তা না বাঁচলে লজিস্টিক শিল্পও বাঁচবে না, এবং একসময় কুরিয়ার সার্ভিস চার্জ শূন্য করে দিলেও আম বুকিং করার মতো কাউকেই খুঁজে পাবে না।
এই সংকট থেকে উত্তরণে তরুণ উদ্যোক্তাদের সচেতনতা, কৌশলগত পরিবর্তন এবং সরকারি নীতিমালার সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। উদ্যোক্তাদের নিজেদের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি, সরকারকে পচনশীল পণ্য পরিবহনে একটি সুষ্ঠু ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। একই সাথে, কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকেও তাদের সেবার মান উন্নত করতে হবে এবং পচনশীল পণ্যের প্রতি আরও সংবেদনশীল হতে হবে। আসুন, এই শিল্প ইকোসিস্টেমের উন্নয়নে সবাই মিলে মনোযোগ দেই। তা না হলে একসময় আমাদের সবাইকেই পথে বসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টাই কেবল এই গুরুত্বপূর্ণ খাতকে বাঁচাতে পারে এবং দেশের অনলাইন অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে।
ক্রেডিট:
হাসান তানভীর
ব্রিজবেন,অস্ট্রেলিয়া
২০ জুন ২০২৫