Akinu Chakma

Akinu Chakma Personal Vlog

বিংগো ড্যান্স
03/01/2024

বিংগো ড্যান্স

12/12/2023

প্রিয় ফেসবুক বন্ধুদের জানাইতেছি যে, আমার ০১৫৫২৭১৫২১২ নামিয় নাম্বারটি BTRC Chairman মহোদয় লাম্বাচুলিদের লাইন মারার কারণে বন্ধ করে দিয়েছে। তাই বিকল্প নাম্বারে কল করে পাশে থাকার জন্য অনুরোধ করা হইল।

29/11/2023

বন্ধু -বান্ধব, সং সমাজ্য লগ! মনত বানী থেব এনে দে।
বজরবো এক্কা পিদ্দোগ!

বিতরণ বিভাগ,রাঙামাটি থেকে বিদায় নিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী Md.Shifur Rahman স্যার। স্যারের জন্য নতুন কর্মস্থলে অনেক অনেক শু...
18/10/2023

বিতরণ বিভাগ,রাঙামাটি থেকে বিদায় নিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী Md.Shifur Rahman স্যার। স্যারের জন্য নতুন কর্মস্থলে অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো।

নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে যুক্ত হলেন MD Jalaluddin স্যার। নতুন স্যার জন্য বিতরণ বিভাগ, বিউবো রাঙামাটিতে স্বাগতম!!

17/09/2023

দুনিয়েযানত এক্কান জাগাত সূখ নেই......... আসলে।

#বুয়েট পাস এমন একজনকে চিনি, যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।

#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে চিনি, যার বউ দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে। তার জীবনে সফলতা-পূর্ণতা সবই ছিলো, কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।

#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, পড়ালেখা শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??

#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।

#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি। শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।

#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে, তার বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।

#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।

#পুলিশের একজন এসপি-কে জানি, যিনি ভাগ্যের গেড়াকলে পড়ে; সন্তান হারিয়েছেন, স্ত্রীকে হারিয়েছেন, সংসার ও চাকুরি সব হারিয়ে, এখন ক্ষমতাহীন নিঃস্ব জীবন-যাপন করছেন। সফলতা তার জীবনে সুখ আনতে আনতে পারেনি।

#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলেন, "বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম?" সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু, একথা তার কাছে হাস্যকর।

#এক পরিচিত বড় ভাই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হয়েও এখন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এবং হোমিওপ্যাথিক কলেজের প্রভাষক।

#একজন এম এ(ফার্স্ট ক্লাস ১৬তম)এলএল বি পাশ করে ওকালতি প্রাকটিস ও কলেজের প্রভাষক পদ ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক!

আসলে জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক'জন!!

সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার নসু পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!! শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!! আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্ণভাবে সুখী হতে পারি না। বাস্তবতা বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।

একটু সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই। চলুন, আমরা মনটাকে একটু ভালো করি, ক্ষমতা ও অর্থের দম্ভ থেকে সরে আসি, হিংসা, লোভ, স্বার্থপরতা ত্যাগ করি, সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিই; আর কাউকে না ঠকাই।
আমাদের জীবন সুখের হবে।

29/08/2023

🔴সর্ব সাধারণের দান অনুমোদন

পানি ঢালা উৎসর্গ (পালি ভাষা)

✅🔴মযং ভন্তে, সংসার কন্তারো সব্বদুক্খতো মোচনথায, নির্ব্বাণং সচ্ছি করণখায়, কম্মঞ্চ কম্ম বিপাকঞ্চ সদ্ধহিত্বা তিসরণেন সদ্ধিং পঞ্চাঙ্গ সীলানি সমাদযিত্বা মম পরলোকগত জ্ঞাতিসমুহস চ মম কল্যাণ মিত্তঞ্চ ইমানি (সঙ্ঘ দানানি, অট্ঠপরিক্খার দানানি, পিণ্ড দানানি) নানাবিধ দানবথুনি আযস্মন্তো দখিণোদকং সিঞ্চেত্বা দানং দিন্নং; তং যথা সুখং পরিভূঞ্জন্তু ।

✅🔴ইদং বো জ্ঞাতীনং হোতু সুখীতা হোন্ত জ্ঞাতযো। (তিনবার)

✅🔴উন্নমে উদকং বট্টং যথানিনং পবত্ততি, এবমেব ইতো দিনং পেতানং উপকল্পতি । যথা বারি বহাপূরা পরিপূরেন্তি সাগরং, এবমেব ইতো দিনং পেতানং উপকল্পতি । এত্তাবতা চ অহেহি সম্ভতং পুঞঞ সম্পদং,

✅🔴সব্বে-দেব, সব্বে সত্তা, সব্বে-ভূতা, অনুমোদন্তু সব্বসম্পত্তি সিদ্ধিয়া । আকাসটঠা চ ভূম্মটঠা দেবনাগা মহিদ্ধিকা, পুঞঞং তং অনুমোদিত্বা চিরং রক্খন্তু বুদ্ধ সাসনং, চিরং রক্খন্তু বুদ্ধ দেসনং, চিরং রক্খন্ত অম্হকঞ্চা পরঞ্চতি। ইমিনা পুঞঞ কম্মেন মা মে বালা সমাগমো, সতং সমাগমো হোতু যাব নির্ব্বাণ পত্তিয়া। (তিন বার)

✅🔴কুদিটঠিয়া ন সংযুঞ্জে, সংযুঞ্জেহং সুদিটঠিযা, দানাদি সংযুত্ত হোমি পসন্ন লোক সম্মত । সুবণ্ণতা, সুস্বরতা, সুসষ্ঠানং, সুরূপতা অধিপচ্চা পরিবারা লভে্যুং জাতি জাতিযং । ছল্‌হভিঞঞা মহাতেজ, গম্ভীর সাগরোপম, সব্বধম্মেন সেখোহং ভবেয্যুং জাতি জাতিযং । দেব বসসন্তু কালেন সস্স সম্পত্তি হেতু চ, ফীতো ভবতু রাজা চ লোক চ ভবতু ধম্মিকো |

✅🔴 ইদং মে দানং, ইদং মে সীলং, ইদং মে পুঞঞং,

আসবক্‌খয বহং হোতু নিব্বাণস্স পচ্চযো হোতু । (তিন বার)

✅🔴পেত লোকে তিরচ্ছান নিরাযো চ অবীচিতো, হীন কুলে ন জাযমি জাতি জাতি ভবাভবে। বসুন্ধরা দেবভূমি সিদ্ধিং কত্বা সমাগতা ইদানি কুসল কম্মানি তুমহে জানথা বসুন্ধরী সকখী হোতু ভবতু তিটঠতু।
ইমিনা পুঞঞকম্মেন সব্বে সত্তা সুখীতা হোন্ত্ত, সব্বদুক্খা পমুঞ্চন্ত নির্ব্বাণসসপচ্চযো হোতু’তি

31/07/2023

#জীবনের_গল্পকথা
একদিন একটি ছেলে তার বাবার কাছে গিয়ে বলে, বাবা আমার জীবনের মূল্য কী?

আর বাবা তাকে একটি পাথর দিয়ে বললেন; ছেলে, তোমার জীবনের মূল্য জানতে চাইলে এই পাথরটা নিয়ে বাজারে যাও, কেউ দাম ​​জিজ্ঞেস করলে একটা কথাও বলবে না, দুটো আঙ্গুল তুলে ধরবে।

তাই ছেলেটি তার বাবার কথা মতো বাজারে যায়।
সে এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি করছে এবং হঠাৎ একজন বৃদ্ধ মহিলা তার কাছে এসে বলল,তুমি একটা পাথর নিয়ে ঘোরাঘুরি করছ কেন? তুমি কি ওটা বিক্রি করবে?
এই পাথরের দাম কত?

ছেলেটা একটা কথাও বলে না শুধু দুটো আঙুল তুলে বৃদ্ধা বললেন: দুই ডলার? আমি এটা নেব!

ছেলেটি অবাক হয়ে বাবার কাছে ফিরে যায় এবং বলে বাবা বাজারে একজন বৃদ্ধ মহিলা ছিলেন যিনি আমাকে পাথরটির জন্য দুই ডলার দিতে চেয়েছিলেন।

বাবা বললেন: ছেলে; ও তাই! তুমি একটু জাদুঘরে গিয়ে ঘুরে এসো। তুমি পাথরটা বিক্রি করতে চাইবে আর কেউ দাম জিজ্ঞেস করলে দুটো আঙ্গুল আগের মতই তুলবে।

ছেলেটি পাথরটি নিয়ে যাদুঘরে যায় প্রায় ৩০ মিনিট পর সেখানে একজন মধ্যবয়সী লোক ছেলেটির কাছে আসে; তিনি বলেন ; স্যার, স্টোনের দাম কত? ছেলেটা একটা কথা না বলে দুই আঙ্গুল তুলে লোকটা বলে ২০০ ডলার? আমি এটা নেব!

ছেলেটি অবাক হয়ে বাবার কাছে ছুটে যায়।

বাবা! বাবা! মিউজিয়ামের একজন লোক ২০০ ডলারে পাথরটি কিনতে চেয়েছে। ঠিক আছে বাছা,আমি শেষ জায়গায় তোমাকে পাথরটি নিয়ে যেতে বলব।একটি মূল্যবান পাথরের দোকান পাথরটি নিয়ে ভিতরে চলে যাও এবং কেউ যদি দাম জিজ্ঞাসা করে তবে একটি শব্দও বলবেন না দুই আঙ্গুল তুলে ধরবে।

এবার ছেলেটি পাথরটি নিয়ে মূল্যবান একটি পাথরের দোকানে গেল।কাউন্টারে একজন বৃদ্ধ লোক রয়েছে এবং বৃদ্ধ লোকটি পাথরটি দেখে লাফিয়ে উঠে চিৎকার করতে শুরু করলো!

আরে বাবারে! তুমি সেই পাথরটা নিয়ে ঘুরছ যেটা আমি সারাজীবন খুঁজেছি! তুমি এর জন্য কি চান, এটা কত?
ছেলেটা একটা কথা না বলে দুই আঙ্গুল তুলল। তারপর লোকটা বলল, ২,০০,০০০ ডলার?

আমি এটা নেব! ছেলেটা বিশ্বাস করতে পারছে না, লাফিয়ে উঠে বাবার কাছে দৌড়ে এসে বলল, বাবা! বাবা!মূল্যবান পাথরের দোকানের বৃদ্ধ লোকটি পাথরটির জন্য আমাকে দুলক্ষ ডলার দিতে চেয়েছেন।

এবার তার বাবা বললেন-
দেখো বাবা,, তুমি কি এখন তোমার জীবনের মূল্য বুঝবে?

জীবনটা তোমার। তুমি তোমার জীবনকে কোথায় রাখবে এ সিদ্ধান্ত নেবার মালিকও তুমি। তোমার জীবনকে তুমি দুই ডলার, ২০০০ ডলার না ২ লক্ষ ডলারে তৈরি করবে তোমার বিষয়।

পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা আপনাকে ভালোবাসে এবং যাদের জন্য আপনি সবকিছু উজাড় করে দিয়ে থাকেন কিন্তু তারা আপনাকে কেবল একটি পণ্য হিসাবে ব্যবহার করবে এবং তাদের কাছে আপনার মূল্য নেই।আবার প্রকৃত গুণী ব্যক্তি গুণে সম্মান দিতে জানেন আপনি মহার্ঘ।

তাই আত্মমর্যাদা বজায় রাখুন,নিজের জীবনের মূল্য, মর্যাদার মূল্য নিজেই অনুধাবন করুন নিজেকে সস্তা করবেন না।

মূল রচনা:-এইচ এস বাঙ্গুরা
✍️অনুবাদ-অশোক পাল

30/07/2023

"দাবা খেলা শেষ হওয়ার পরে রাজা এবং সৈনিকদের একই বাক্সে রাখা হয়। পদ, পদবী, উপাধি, ক্ষমতা, অহংকার সবই অস্থায়ী। মানুষের ভালোবাসাটা স্থায়ী। বিনয় ও সদাচরণ দিয়ে যা অর্জন করতে হয়।copy

29/07/2023

ছেলেকে দেওয়া একজন আদর্শ বাবার উপদেশঃ

১. জুতা সেলাই বা রং করতে চাইলে মেরামতকারীর দোকানের সামনে পা বাড়িয়ে দিওনা, বরং জুতাটা খুলে নিজে একবার মুছে দিও।

২. কখনও কাউকে কামলা, কাজের লোক বা বুয়া বলে ডেকোনা। মনে রেখো তারাও কারো না কারো ভাই, বোন, মা, বাবা। তাদেরকে সম্মান দিয়ে ডেকো।

৩. বয়স, শিক্ষা, পদ বা পদবীর দিক দিয়ে কেউ ছোট হলেও কখনও কাউকে ছোট করে দেখোনা। নইলে তুমি ছোট হয়ে যাবে।

৪. পড়াশুনা করে জীবনে উন্নতি করো, কিন্তু কারো ঘাড়ে পা দিয়ে উপরে উঠার চেষ্টা করো না।

৫. কাউকে সাহায্য করে পিছনে ফিরে চেওনা, সে লজ্জা পেতে পারে।

৬. সব সময় পাওয়ার চেয়ে দেয়ার চেষ্টা করো বেশি । মনে রেখো, প্রদানকারির হাত সর্বদা উপরেই থাকে।

৭. এমন কিছু করোনা যার জন্য তোমার এবং তোমার পরিবারের উপর আঙুল ওঠে।

৮. ছেলে হয়ে জন্ম নিয়েছো, তাই দায়িত্ব এড়িয়ে যেওনা।

৯. তোমার কি আছে তোমার গায়ে লেখা নেই। কিন্তু তোমার ব্যবহারে দেখা যাবে তোমার পরিবার কোথায় আছে।

১০. কখনও মার কথা শুনে বউকে এবং বউয়ের কথা শুনে মাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিও না। কাউকে ফেলতে পারবে না।

১১. কারও বাসায় নিমন্ত্রন খেতে গেলে বাসায় দু-মুঠো ভাত খেয়ে যেও। অন্যের পাতিলের ভাতের আশায় থেকো না।

১২. কারো বাসার খাবার নিয়ে সমালোচনা করো না। কেউ খাবার ইচ্ছে করে অস্বাদ করার চেষ্টা করে না।

১৩. বড় হবার জন্য নয়, মানুষ হবার জন্য চেষ্টা করো।

১৪. শ্বশুর কিংবা শাশুড়িকে এতটা সম্মান দিও, যতটুকু সম্মান তোমার বাবা-মাকে দাও। এবং তাদের প্রতি এমন আচরন করো, যাতে করে তাদের মেয়েকে তোমার বাড়ি পাঠানোর জন্য উতলা থাকে।

১৫. সব সময় ভদ্র ও নম্রভাবে চলো এবং কথা বলো। কিন্তু অন্যায়ের সাথে আপোষ করোনা।

সংগৃহীত

গাছের বয়স বেশি হলে কাটবেন না, ফল দিতে না পারলেও ছায়া তো দিবে।পিতা-মাতা মুরব্বি হলে অবহেলা করবেন না টাকা পয়সা না দিলেও...
31/05/2023

গাছের বয়স বেশি হলে কাটবেন না, ফল দিতে না পারলেও ছায়া তো দিবে।
পিতা-মাতা মুরব্বি হলে অবহেলা করবেন না টাকা পয়সা না দিলেও আপনার জন্য আশীর্বাদ হলেও করবে🤲🤲🤲

বিদ্রঃ এই উক্তিটা সমাজের সকলের জন্য প্রযোজ্য!!

30/05/2023

🔴 #রবীন্দ্রনাথ_ঠাকুর
১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন।
২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান।
৩. চারমাস পরে আত্মহত্যা করেন যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী।
৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী ২৯, মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ।
৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত ছিল জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু স্কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাঁচানো গেলনা তাঁকে।
৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৭. ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু।
৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l
৯. ১৯১৮ বড়মেয়ে বেলি অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই শরৎ টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা না দেখে ফিরে এলেন বাড়ি। পুত্র রথীন্দ্রনাথ লিখেছেন বাড়িতে এসে তিনি কাউকে বুঝতে দিলেন না কি শোকে, কি অপমানে, কি অসহ্য বেদনার মধ্য দিয়ে তিনি সন্তানকে হারিয়েছেন।
১০. কবির ছোটমেয়ে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে যাকে বিলাতে কৃষিবিজ্ঞানী করার জন্য প্রতিমাসে সেইসময় পাঁচশ টাকা করে পাঠাতেন, আর নগেন্দ্র চিঠি লিখে আরও টাকা পাঠানোর তাগাদা দিতেন। প্রত্যুত্তরে কবি লিখতেন, আমার জমিদারী থেকে প্রতিমাসে পাঁচশ টাকাই পাই, তার পুরোটাই তোমাকে পাঠাই। সেই নগেন্দ্র বিলাত থেকে ফিরে দুই সন্তান সহ মীরাকে পরিত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। কবির তিন জামাই যাদের প্রত্যেককে বিদেশে পড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা প্রতেকেই কোন না কোন ভাবে কবিকে দুঃখ দিয়েছেন। সারাজীবনে কবি দুঃখ পেয়েছেন বারেবারে, অপমানিত-উপেক্ষিতও হয়েছেন অসংখ্যবার।
১১. আর্জেন্টিনার কবিপ্রেমী লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পর সাথে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কুৎসা করে সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়েছে।
১২. কবি তখন ৬৪, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক l কবির নোবেল প্রাপ্তি নিয়েও কিছু লোক তাঁকে ব্যাঙ্গও করেছিলেন। চিঠি লিখে কবির কাছে জানতে চাইছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার টেকনিক, সেক্ষেত্রে ভাবী পুরস্কারপ্রাপক কবিকে অর্ধেক টাকা দিতেও রাজি।
১৩. শান্তিনিকেতনে সাক্ষাৎ করতে এসে কেউ কবিকে বলছেন, রবিবাবু আপনি কি এখনো কবিতা-টবিতা লেখেন নাকি? মানে অতোগুলো টাকা পাওয়ার পর আবার কেউ লেখে নাকি! অথচ অনেকেই জানেননা, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরটা প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশ যখন কবিকে দেন তখন কবির প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘ যাক, ওই টাকায় এবার বিশ্বভারতীর সেচখাল কাটার সংস্থানটা হবে’। যারা কবি বা লেখক তারা সকলেই সমাজের কাছে একটা স্বীকৃতি চায়, রবীন্দ্রনাথ বহুদিন সেটা বাঙালি সমাজের কাছে পাননি। তাই নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁকে যখন সম্বর্ধনা দেওয়া হলো তখন তিনি বললেন, ‘আমি এই সম্মানের পাত্রকে ওষ্ঠ পর্যন্ত তুলব কিন্তু গলা পর্যন্ত যেতে দেবনা’। কতবড় অভিমান ও দুঃখ থাকলে এ কথা বলা যায়!
১৪. রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন, 'পৃথিবীতে এসে যে ব্যক্তি দুঃখ পেলনা, সে লোক ঈশ্বরের কাছ থেকে সব পাওয়া পেলনা’। বারেবারে মৃত্যু-দুঃখ-অপমান রবীন্দ্রনাথকে শাণিত করেছে সৃষ্টিপথে, নির্মোহ করেছে জগৎসংসারে, নস্টালজিক করেছে ক্ষণেক্ষণে। তাই তিনি বলতে পেরেছেন, ‘ আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে’। আমরাও যেন সদা তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারি, “ মনেরে আজ কহ যে/ ভালো মন্দ যাহাই আসুক/ সত্যরে লও সহজে”।

সংগৃহীত।।

 #শিক্ষনীয়পোষ্ট পড়ে দেখতে পারেন !!আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে?সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্...
29/05/2023

#শিক্ষনীয়পোষ্ট

পড়ে দেখতে পারেন !!

আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে?

সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্দরী মেয়ে রোজের প্রেমে পড়েছিল? একদম না!

তবে কি রোজ? যে কিনা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য জ্যাককে পেয়েছিলো? এবারও না!

জ্যাক বা রোজ কেউই না।

ভাগ্যবান লোকটি সেই অপরিচিতজন যে জুয়ায় জ্যাকের কাছে তার টিকিটটি হেরে গিয়েছিলো। যদি সে ওই জাহাজের টিকেট জিতে যেতো তাহলে হয়তো তাকে ঐ হিমশীতল পানিতে ডুবে মরতে হতো।

মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়া ভালো।
- আপনি যদি আপনার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লাইফে হেরে গিয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লক্ষ্যে না পৌঁছাতে পেরে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার ভালোবাসা হারিয়ে থাকেন।

সবকিছুই কোন না কোন কারণে ঘটে থাকে। মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়াটাও ভালো। হতে পারে স্রষ্টা আপনাকে আরও বড় কোন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন।

(সংগৃহীত)

Address

Rangamati

Telephone

+8801866754067

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akinu Chakma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akinu Chakma:

Share

Category