30/09/2022
মেসেজটির মাধ্যমে সকল মুসলিম ভাইদের মুর্তি পুজা ও মুর্তি পুজায় যাওয়া থেকে বিরত রাখি🤲🤲
বিষয়: একত্ববাদ
পৃথিবীতে ৪ ধরনের মানুষ আছে,
১। এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস = এরা হচ্ছে মুসলমান।
২। আল্লাহ ছাড়াও আরও ২ জন সৃষ্টি কর্তা আছে, বিশ্বাস করা = এরা হচ্ছে খৃষ্টান।
৩। সৃষ্টি কর্তা কেউ নাই বিশ্বাস করা = এরা হচ্ছে নাস্তিক।
৪। একাধিক (১-৩৬০) সৃষ্টি কর্তা আছে বিশ্বাস করা = এরা হচ্ছে হিন্দু।
পরকালে কিয়ামতের দিনে, সেই মহান সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ তায়া’লার নিকট একটি ধর্ম গ্রহণ করা হবে, সেই ধর্মের নাম ইসলাম।
আল্লাহ তায়া’লা ব্যতিত অন্য আর একজন সৃষ্টি কর্তা আছে বলে বিশ্বাস করাকে শিরক বলে।
আল্লাহ সব পাপের গুনাকে মাফ করেন, কিন্তু শিরকের গুনাহ মাফ করেন না।
পৃথিবীতে ২ দলের মানুষ আছে ;
১। হিজবুল্লাহ (আল্লহর দল)
২। হিজবুসশাইতন ( সয়তানের দল)
যারা আল্লাহকে সৃষ্টি কর্তা মানে( মুসলিম) তাদেরকে হিজবুল্লাহ বলা হয়েছে।
আর যারা আল্লাহ তায়া’লা ব্যতিত আরো সৃষ্টি কর্তা আছে বলে বিশ্বাস করে তাদেরকে বলা হয়েছে হিজবুসশাইতান(মুসলিম ব্যতিত অন্যান্য ধর্ম)।
আমরা কি জানতে চাবো না, কেনো তারা শয়তানের দল? কোথা থেকে আসলো এই মুর্তি পুজা?
তাহলে ব্যাখ্যায় আসি$
পৃথিবীতে সর্ব প্রথম ২ জন মানুষ আসেন, আদি পিতা আদম (আঃ), মা হাওয়া (আঃ) এই দুজন, তারা পৃথিবীতে আল্লাহ তায়া’লার একত্ববাদ নিয়ে এসেছেন তারা অন্য কোনো ধর্ম নিয়ে আসেননি,,
তাহলে কথা হচ্ছে মুর্তি পুজা কোথা থেকে আসলো?
আদম (আঃ) ছিলেন একজন নবী, তিনি মারা যাবার পর, আর একজন নবী আসার মধ্যবরতি কিছু সময় ফাকা থাকে(নবী বিহীন)। সেই সময়ে ৫জন বুজুর্গ আলেম ছিলেন তারা ছিলেন আল্লাহ ভিরু। সেই ৫জন বুজুর্গ আলেম এক সময় মারা যায়। সেই ফাকে সয়তান সুযোগ পেয়ে যায়। তখন সহয়তা সেই সময়ের লোকদেরকে বোঝান, যে তোমরা যে ৫জন বুজুর্গ আলেম
ব্যাক্তির অনুসরণ করছিলা, তারাতো আজ পৃথিবীতে নাই, তাই তাদের সরণ রাখার জন্য তাদের ৫ জনের মুর্তি বানিয়ে সামনে রেখে ইবাদত করো তাহলে তোমাদের ভালো লাগবে। তখন তারা সেই ৫জন আলেমের মুর্তি বানিয়ে সামনে রেখে আল্লাহর ইবাদত করতো। এক সময় সেই সময়ের মানুষেরাও মারা যায়, এইভাবে কয়েক প্রজন্মের পর কিছু লোক শয়তানের ধোকায় পড়ে মুর্তির পুজা শুরু করলো, আর কিছু লোক আল্লাহ তায়া’লার দিন থেকে এক চুলো সরেন্নি। শয়তান তাদের দারা মুর্তি বানিয়ে নিয়ে, তাদের মধ্যে কিছু লোককে ধোকা দিয়ে নতুন নতুন ধর্মের সৃষ্টি করেছে। সেই থেকে মুর্তির পুজা এসেছে। যে মুর্তির গায়ে একটি মাছি পড়িলে,মাছিটিকে সরানোর ক্ষমতা রাখেনা,, যেটিকে মানুষ নিজেই তৈরি করে, সেই নাকি মানুষের সৃষ্টি কর্তা। আপসোস সেই সকল মানুষের প্রতি।
আসুন আমরা মুসলিম হয়ে ইসলামকে টিকে রাখি ইহকালে আল্লাহ তায়া’লার সন্তুষ্টি লাভ করে পরকালে আল্লাহর জান্নাতুল ফেরদৌসের অধিবাসি হতে পারি। সামনে দুর্গা পুজা, আসুন আমরা নিজেরা সেই পুজায় যাবো না, এবং আর এক ভাইকে না যাওয়ার জন্য ইসলামের কথা বলবো,, কারণ পুজা দেখতে যাওয়া মানে হিন্দুদের সামর্থ্যন করা,, আর হিন্দুদের সামর্থ্যন করা মানে ইমান নষ্ট হওয়া, আর ঈমান নষ্ট মানে জাহান্নাম কামাই করা,,,,,,, আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক এলেম দান করুন ( আমিন)🤲🤲🤲
মেসেজটি সকল মুসলিম ভাইকে জানিয়ে দিন, তাহলে সে এই পাপ থেকে বিরত থাকবে🤲🤲🤲🤲🤲