02/01/2026
#ভাগ্যিসতুমিএসেছিলে
লেখিকা : #জান্নাতুননেছা
পর্ব:১৫
তানিয়া কে এভাবে চলে যেতে দেখে তিন্নি হতবাক হয়ে চেয়ে থাকলো, সে ভাবতে থাকলো যে, সে কি এমন বললো যে তানিয়া এভাবে রাগ হয়ে চলে গেলো । সেতো একটু মজাই করলো। অন্য বোন রা যেমন নিজের বোনদের সাথে করে সেও তেমন নিজের বড়ো বোনের সাথে মজা করল। তিন্নি এত কিছু আর না ভেবে দৌড় লাগালো নিজের বোনের পিছনে। তানিয়া তাঁদের ড্রয়িং রুম এর দিকে যাচ্ছিলো। তিন্নি পিছন থেকে তানিয়া জড়িয়ে ধরে বললো -
"আপু তুমি আমার উপর এভাবে রাগ করে কই যাচ্চো? আমি তো শুধু তোমার সাথে একটু মজা করতিছিলাম ,তুমি প্লিজ রাগ করিও না আমার উপর।"
তিন্নি তানিয়াকে হটাৎ করে পিছন দিক দিয়ে জরিয়ে ধরায়, তানিয়া কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে, তারপর নিজেকে সামলিয়ে তিন্নির কথা গুলো শুনে সে বললো -
"তিন্নি শুন আমি তোর উপর রাগ হয়নি আর না অন্য কারো উপর বুঝলি।"
তানিয়া কথা তিন্নি বুঝলো না, সে তানিয়া কে আবার বললো —
"তুমি রাগ না করলে রুম থেকে বাইরে বের হলে কেন?"
তানিয়া তিন্নির দুই কাঁধ নিজের হাতের মুষ্টিতে আবদ্ধ করে, তার চোখে চোখ রেখে বললো —
"শুন তিন্নি আমার যে কি হইছে সেটা আমি নিজেও জানি না। আমার কেন জানি না এখন আর কোনো কিছুই ভালো লাগে না। যেই কাজ করতে চাই সেই কাজেই আমার অনীহা চলে আসে। আর তারা মূল কারণ কে জানিস।"
তিন্নি খুব মনোযোক দিয়েই নিজের বোনের কথা শুনতিছিলো, এখন নিজের বোনের এমন আচরণের কারণ কে টাকে তো সেটা জানতেই হবে তাই সে তানিয়াকে উত্তেজিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলো —
"কে আপু? কে? কে আমার বোনের এই অবস্থা করেছে বলোতো?"
তানিয়া তিন্নির এমন উত্তেজিত হওয়া দেখে বললো-
"আরে থাম ভাই বলতিছি। এমন ভাবে বলতিছিস যেন কোনো মহামারী রোগ কেউ আমায় ধরায় দিছে ।"
তানিয়ার এমন কথা শুন তিন্নি নিজের অধরে তর্জনী আঙ্গুল দিয়ে রাখে এর মানে সে আর কথা বলবে না, সব এখন চুপ চাপ শুনতে থাকবে। তানিয়া তিন্নিকে একপলক দেখে তারপর তারপর তিন্নির হাত ধরে তাকে রুমে নিয়ে আসে,যদি তাঁদের কথা অন্য কেউ শুনে নেয়। তাই সে তিন্নিকে নিজের রুমে নিয়ে আসে। তিন্নি আর তানিয়া রুমে আসে বিছানার উপর বসে পড়লো। তানিয়া একটা দীর্ঘশাস নিয়ে বললো -
"শুন তিন্নি তুই তো জানিস আমি নয়নের সাথে প্রেম করতাম, আর এই কথাটা এখন বাসার সবাই জানে। আর প্রেম করা নিয়ে আমার জীবনে কত কিছুই না হয়ে গেল, আর কত কিছুই না দেখতে হলো। নয়নের বিশ্বাসঘাতকতা, আমাদের আব্বু, আম্মুর মানসম্মান নষ্ট হওয়া, আর অন্য মানুষদের কটু কথা, কত কিছুই না সহ্য করতে হয়েছে আমাদের। কিন্তু আমাদের বাবা মা তাও আমার পক্ষে ছিল, তাঁদের নিজের মেয়ের প্রতি বিশ্বাস ছিল যে কখনই তাঁদের মেয়ে এমন অনৈতিক কাজ করতেই পারে না।তারা আমার জন্য অন্য মানুষদের কাছে লড়ছে। এমন বাবা মা কয়জনরী হয় বলত। আমি না নিজেকে অনেক লাকি মনে করি কেন জানিস। কারণ আমার কাছে এমন বাবা মা আছে তাই।"
তানিয়া থেমে গেলে কারণ তার চোখের কোনায় অশ্রুর ফোটা জমে রয়েছে। তিন্নিও তার ব্যতিক্রম নয় তানিয়ার মতোই অবস্থা। তানিয়া আবার আর একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললো -
"যখন আমার কারণে আমার বাবা মার মানসম্মান নষ্ট হচ্ছিলো, তখন আমি আমার বাবা মার জন্য কিছুই করতে পারি নি। তখন উল্টো তারা আমাকে সাপোর্ট করে যাচ্ছিলো। তাই যখন আহিয়ান আমার সাথে কথা বলতে চায়, তখন আমার অনিচ্ছা সর্তেও আমাকে ওনার সাথে কথা বলতে হয়।তার কারণ হচ্ছে, আমার সেই বট গাছ দুটো। তারা আমার জন্য অনেক করেছে, এখন আমারো উচিত তাঁদের কে খুশি করা। আর আমি যদি ওনার সাথে কথা বলি মানে আমার যদি ওনার সাথে বিয়ে হয়ে যায় তাহলে আমার বাবা মা অনেক খুশি হবেন।"
তিন্নি এতক্ষন নীরব দর্শকের মতো সব শুনে যাচ্ছিলো, তানিয়ার কথা শেষ হওয়ার পর সে বললো -
"আপি আমি তো সব বুঝলাম,কিন্তু তোমার অস্থিরতার মূল কারণ তা কী? সেটা তো বললে না।"
তানিয়া তিন্নির কথা শুনার পর কিছুক্ষন চুপ থেকে তারপর বললো -
"জানি না রে তিন্নি, আমি নিজেই তো বুঝতেছি না।এই অস্থিরতার নাম আমি কী দিবো? আমি যখন প্রথম প্রথম ওই আহিয়ান চৌধুরীর সাথে কথা বলতাম, তখন আমি আম্মুর কথা শুনে তারপর একপ্রকার বাধ্য হয়ে কথা বলতাম। আর জানিস এখন যদি উনি সময়ের এক সেকেন্ড দেরি করে ফোন দেয়, তাহলে আমার কী জানি হয়ে যায়। মনে হয়,উনি ফোন না দিলে মনে হয় আমি নিঃশ্বাস নিতে পারবো না। যখন নয়নের সাথে প্রেম করতাম তখন তো আমার এমন হতো না। তাহলে ওনার সাথে আমার এক মুহূর্ত কথা না হলে কেন আমি এমন করি। নয়নের সাথে তো আমার কখনো কখনো এক সপ্তাহ পর দেখা হতো আর কথা হতো। হ্যা এটা সত্যি যে আমরা মেসেজে কথা বলতাম, কিন্তু তার কণ্ঠস্বর শুনতে পেতাম মাঝে মাঝে। কিন্তু আমি ওনার ওই আকর্ষিত পুরুষালি কণ্ঠস্বর একবার যদি শুনতে না পাই তাহলে....
"তাহলে তোমার অবস্থা মরে যাওয়ার মতো হবে তাই না?"
তানিয়ার সম্পূর্ণ কথা শেষ হওয়ার আগেই তিন্নি তার কথার মাঝখানে এই কথা তা বলে ফেললো।তানিয়া তিন্নির কথা শুনে অবাক হলো, সেতো এটাই বলতে চেয়েছিলো। সে ভেবেছিলো তিন্নির সহজে তার কথা গুলো বুঝতে পারবে না। কিন্তু তিন্নি বুঝতে পেরেছে ভেবে তানিয়ার মনটা একটু হালকা হলো।এরিমধ্যে তিন্নির আবার বলে উঠলো।
"আপু আমি একটা কথা বলি?তুমি মন দিয়ে শুনিও প্লিজ। আমি জানি আমার এসব বিষয় ভাবার নয়, কিন্তু আমার বয়সের তুলনায় আমি এসব বিষয় একটু বেশি বুঝি, gen-z জেনারেশন এর তাই।"
তিন্নির একটা দুষ্টু হাসি দিলো তার সাথে সাথে তানিয়াও হাসলো স। তানিয়া হাসতে হাসতে বললো—
"তুই gen-z হইলে আমি তাইলে কী? আমি কী millennials?"
তিন্নিও তানিয়ার কথা শুনে হাসতে লাগলো। তারপর নিজের হাসি থামিয়ে আবার নিজের অর্ধেক কথাটা সম্পূর্ণ করতে চাইলো, তানিয়াও তাকে সম্মতি দিলো। তিন্নির সম্মতি পেয়ে বলতে লাগলো।
"আমরা দুইজন ছোট থেকে একসাথে বড়ো হয়েছি, তোমার কী ভালো লাগে, কী ভালো লাগে না আমি যেমন সব জানি। তেমন তুমিও আমারটা জানো। আজকে যখন তুমি আমাকে বললে, তুমি একটা কারণে অস্থির হয়ে আছ,আর এই অস্থিরতার কারণটা কে তখন আমার যা বোঝার আমি বুঝে গিয়েছি।আসলে যে তুমি আহিয়ান ভাইয়াকে ভালোবেসে ফেলেছো সেটা তুমি নিজেই এখনো বুজতে পারোনি।"
তিন্নির থেমে একটা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বললো—
"নয়ন ভাইয়া ছিল তোমার ভালোলাগা, ভালোবাসা নয়। তোমার ভালোবাসা হচ্ছে আহিয়ান ভাইয়া। কেননা, তোমার যখন নয়ন ভাইয়ার সাথে এক সপ্তাহেও কথা হতো না, তখন তোমার অস্থির অস্থির লাগতো না আর তার কারণ হচ্ছে,সে ছিলো শুধুই তোমার ভালোলাগা।আর তোমার ভালোবাসা হচ্ছে,আহিয়ান ভাইয়ার যার সাথে তোমার এক মুহূর্ত কথা না হলে তুমি অস্থির হয়ে পড়ো।"
তিন্নির এমন পাকা পাকা আর বড়োদের মতো কথা শুনে,তানিয়া খুশি হবে নাকি তাকে শাসন করবে। সে সেটা ভেবে পাচ্ছে না। এটা কী ওর নিজের বোন, নাকি তার বাবা মা তাকে কোথাও থেকে কুড়িয়ে নিয়ে আসছে।তারপর তানিয়া আবার নিজের ভুল শুধড়িয়ে বললো, না না এটা তো আমারই বোন। তানিয়ার এসব ভাবনার মাঝখানেই তানিয়ার আর তিন্নির মা তাঁদের ডাকতে তাঁদের রুমে আসলো। রুমে এসে বললো।
"কিরে তোদের হইলো? নাকি তোদের সাজতে সাজতে, বরযাত্রীরা আমাদের রেখেই চলে যাবে?"
তাঁদের মায়ের কথা শুনে তিন্নির আর তানিয়া একসাথে বিছানায় থেকে উঠে মেঝেতে দাঁড়িয়ে পড়ল, আর দুই জনেই একসাথে দাঁড়িয়ে তাঁদের মাকে বললো —
"আমাদের কেমন লাগছে আম্মু?"
রোকসানা বেগম নিজের দুই মেয়ের দিকে তাকিয়ে দেখলেন, তার বড়ো মেয়ে তানিয়া আজকে পড়েছে অফ হোয়াইট রঙের একটি জর্জেদের গাউন যার উপর ছোট ছোট লাল গোলাপ ফুলের কাজ করা, আর তিন্নি পড়েছে এশ রঙের একটি লং ফ্রক তারো জামার উপর সোনালী রংগের ফুলের কাজ রয়েছে। দুই বোন একই স্টাইলের মাথা বেঁধেছে। মাঝখান দিয়ে সীতা করে দুই সাইডে দুই টা ফ্রান্স বেণী করা আর বাকি সব চুল ছেড়ে দেওয়া। তিন্নি হালকা একটু মেকাপ করলেও তানিয়া করেনি শুধুই একটা সানস্ক্রিন আর একটা লিপস্টিক দিয়েছে তাতেও তাকে এই সাজে পরীর থেকে কম মনে হচ্ছে না। রোকসানা বেগম নিজের দুই মেয়ের কপালে চুমু দিয়ে বললেন।
"মাশাআল্লাহ!আমার মেয়ে দুই টা কত সুন্দর। কারো যেন কোনো নজর না লাগুক।"
তানিয়া আর তিন্নি নিজের মায়ের কথা শুনে, দুইজনেই মুচকি হাসলো। এরপর তারা তাঁদের মায়ের সাথে রুম থেকে বের হলো। আজকে তাঁদের পাশের বাসায় বিয়ে সম্পর্কে তানিয়া আর তিন্নির বোন হয়, তার বড়ো ছেলের বিয়ে। তানিয়াদের সাথে তাঁদের দূরসম্পর্কে আত্মীয় হওয়ায়, আর এর পাশাপাশি বাসা একই পাড়ায় থাকায় তানিয়াদের বাসার সবাইকে আমন্ত্রিত করা হয়েছে।তানিয়ারা ড্রয়িং রুমে এসে দেখলো সোফায় রিয়ান আর তরিকুল ইসলাম বসে আছে। তারা ছেলে আর বাবা একই রঙের, একই ডিজাইনের পাঞ্জাবী পড়েছে।তরিকুল ইসলাম তানিয়াদের আসতে দেখে, তিন্নির দিকে খেয়াল করে দেখলো, তিন্নি নিজের ঠোঁটে এক গাদা লিপস্টিক লাগিয়েছে, তানিয়াও নিজের ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়েছে কিন্তু সে টা নিজের সীমার মধ্যে, তিন্নির ঠোঁটে লিপস্টিক দেখে, তিন্নির বাবা তিন্নিকে রাগী কণ্ঠে বললো।
"তিন্নি!মায়ের হাত তো দেখতিছি একজনো ছাড়ো নি। নিজের মায়ের মতো ঠোঁটে ঠোট পলিশ লাগিয়েছো দেখতিছি।"
তিন্নি বুঝেছে যে বাবা তার এখন রেগে আছে, তার বাবা প্রত্যেকবারি কোথাও যাওয়ার আগে এমন রাগা রাগী করে।তিন্নি ভয় পেলেও তার বাবাকে বুঝতে না দিয়ে সে বললো —
"আব্বু ওটা ঠোঁট পলিশ না ওটা হচ্ছে লিপস্টিক।"
তিন্নির কথা শুনে, তানিয়া নিজের হাসি কন্ট্রোল করার চেষ্টা করতিছে। তরিকুল ইসলাম আর তিন্নিকে কিছু বললেন না। কেননা তিনি মেয়েদের বেশি বোকাঝকা করেন না। কিন্তু তাঁদের মা রোকসানা বেগম আর চুপ থাকলেন না, তিনি নিজের স্বামীর কাছে তেড়ে গিয়ে বললেন—
"লিপস্টিক দিয়েছে টা কী এমন হয়েছে?তিন্নি লিপস্টিক দিয়েছে তুমি তিন্নিকে বোকা দাও।আমাকে কেন এর মধ্যে নিয়ে আসতিছো।"
তরিকুল ইসলাম নিজের বউয়ের দিকে একপলক তাকিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বললো —
"যেমন মা তার ঠিক তেমন সন্তান হয়েছে।"
তরিকুল ইসলাম এর কথা শুনে রোকসানা বেগম রাগে কট মট করে বললো —
"ওঃ সন্তান তো শুধুই একার আমার তাই না।"
তরিকুল ইসলাম আর রোকসানা বেগম এর ঝগড়া এতখন দাঁড়ায় দাঁড়ায় তারা তিন ভাই বোন দেখতিছিলো, আর বেশিক্ষন তাঁদের ঝগড়া চললে, তাঁদের দাওয়াতে যাওয়ার কথা ভুলে যেতে হবে,তাই তানিয়া এক চিৎকার দিয়ে বললো —
"বাস!তোমরা কী শুরু করছো বলোতো। আমরা এখন একটা জায়গায় যাচ্ছি, পরে বাসায় এসে নাহয় তোমরা তোমাদের ঝগড়া কোন্টিনিউ করিও।"
তানিয়ার কথা শেষ হওয়ার পর তিন্নি আর রিয়ান দুই জনেও তাঁদের বাবা মাকে চুপ হতে বললো। তরিকুল ইসলাম আর রোকসানা বেগম নিজের বাচ্চাদের কথা শুনে চুপ হয়ে গেলো।রোকসানা বেগম তাঁদের বাচ্চাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে তাঁদের কে তাড়া দিলেন তাড়াতাড়ি যাতে তারা রোওনা হয় বিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে। তানিয়ারাও তাড়াতাড়ি বাসার বাইরে বের হলেন আর তাঁদের সাথে তরিকুল ইসলামেও যোগ হলেন। আর রোকসানা বেগম তিনিও সদর দরজায় তালা দিয়ে বাসা থেকে বের হলেন।
তানিয়াদের বিয়ে বাড়ি থেকে বাসায় ফিরতে রাত ১১:৩০ টা বেজে যায়। তানিয়াদের ফ্রেশ হতেই সময় ঘড়িতে দেখা যায় রাত ১২:০০ টা বেজে গেছে। সবার জন্য সময় টা স্বাভাবিক মনে হলেও,তানিয়ার কাছে সময় টা স্বাভাবিক মনে হলো না। কেননা আহিয়ান তাকে এখনো ফোন দেয় নি, আর না দুপুরে। দুপুরে তানিয়া ভেবেছিলো হয়তো ব্যস্ত আছে তাই দেয় নি ফোন। আর তাছাড়া তানিয়াও তখন ব্যস্ত ছিলো তাই ওতো ভাবেনি সে। কিন্তু এখন তার তো ভিশন চিন্তা হচ্ছে আহিয়ান এর জন্য। কারণ আহিয়ান তাকে রাত ১১:০০ টা বাজলেই ফোন দিয়ে দেয় আর তার সাথে কথা বলে , কিন্তু আজ ১২:০০ টা বেজে গেছে এখনো আহিয়ান এর ফোন দেওয়ার কোনো নাম নেই। তাহলে আহিয়ানও নয়নের মতো তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করলো। সে কী তাহলে আবার ঠকলো।তাকে কী কোনোদিন কেউ ভালোবাসবে না, নিজের করে নিবে না, তার ভাগ্যে কী কারো ভালোবাসা লেখা নেই, সে কী এতই অভাগা।
চলবে --
(এখন তানিয়ার কী হবে যদি আহিয়ান আর ওর সাথে সম্পর্ক না রাখে এখন সব আল্লাহ ভরসা। কী হবে তানিয়ার জীবনে, ভালোবাসা কী আসবে তার জীবনে। 😩🙂🤍)
সম্পূর্ণ গল্পের লিংক ---👇
https://www.facebook.com/share/p/1A8rLyuSYp/