02/05/2025
আমরা অনেকেই জানি না, ভারত, ইসরায়েল এবং মিয়ানমার কিভাবে ডিপলি একে অপরের সাথে কানেক্টেড। আসেন জানি:
1. ১৯৯২ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলে ভারত ইসরায়েলের সাথে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। তবে এই সম্পর্ক গভীর, দৃঢ় আর সামরিক জোটে পরিণত হয় মোদির আমলে। (Bonus question for you: বাবরি মসজিদ কবে ভাঙ্গা হয়েছিল?)
2. ১৯৫০-এর দশক থেকে মিয়ানমার আর ইসরায়েল সামরিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ২০১৭ সালের রোহিঙ্গা গণহত্যার পর যখন আমেরিকা-ইউরোপ সামরিক জান্তার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, তখনও ইসরায়েল অস্ত্র বিক্রি থামায়নি।
3. ভারত ও মিয়ানমার প্রথম বর্ডার সিকিউরিটি চুক্তি সই করে ১৯৯৪ সালে।
4. ১৯৯০ এর দশকে মিয়ানমারে যখন সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করে, তখন ইসরায়েল ছিল তাদেরকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম কয়েকটা দেশের একটি।
5. ভারত–মিয়ানমার–ইসরায়েলের মধ্যে কোনো আদর্শগত বিরোধ নেই। কারণ তিনজনই শাসনের জন্য একই ফর্মুলা ব্যবহার করে:
→ জাতীয়তাবাদ + সামরিক দমননীতি।
6. ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে, ইসরায়েল মিয়ানমার এর কাছে ১.২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অস্ত্র বিক্রি করেছে (সূত্র: SIPRI)।
7. এই অস্ত্রগুলোর মধ্যে ছিল: তাভোর অ্যাসল্ট রাইফেল, এলবিট ড্রোন, রাডার সিস্টেম, এবং নৌবাহিনীর যুদ্ধ সরঞ্জাম।
8. তাভোর রাইফেল সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নিধন অভিযানে। এটা কোনো অনুমান না। এটা প্রমাণিত যুদ্ধ-তথ্য।
9. জাতিসংঘের নিন্দা সত্ত্বেও, ইসরায়েল ২০১৮ সাল পর্যন্ত মিয়ানমারে অস্ত্র পাঠানো বন্ধ করেনি। এক পর্যায়ে গিয়ে সাময়িক বিরতি দেয় যখন ইসরায়েলের নিজস্ব আদালতে একটি মামলা হয় এবং সেটার রায়ে তারা প্রকাশ্য ডেলিভারি বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
10. তবে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ হয়নি। বরং ইসরায়েল গোপনে ভারতীয় চ্যানেল ব্যবহার করে মিয়ানমারে অস্ত্র সরবরাহ চালু রাখে।
11. ২০১৪ সাল থেকে ভারত ইসরায়েলের শীর্ষ অস্ত্র ক্রেতা (over $3 billion in defense trade)। ভারত ড্রোন, মিসাইল, স্পাই টেকনোলজি ইত্যাদি কিনেছে। তারপর মূলত ব্যবহার করেছে (এখনও করছে) কাশ্মীর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সীমান্ত অঞ্চলগুলাতে।
12. ভারত ইসরায়েলের ড্রোন (হেরন, হারপ) ব্যবহার করে কাশ্মীর, উত্তর-পূর্ব অঞ্চল আর মাওবাদী এলাকায় নজরদারির জন্য।
13. ইসরায়েল ভারতীয় স্পেশাল ফোর্সদের“আর্বান ওয়ারফেয়ার”, “কাউন্টার টেররিজম” আর “সাইবার অপারেশন”এ ট্রেনিং দেয়।
14. বিভিন্ন সাইবার যুদ্ধ এবং গোপন অভিযানে RAW আর Mossad-এর যৌথ অপারেশনের ওয়েল ডকুমেন্টেড প্রমাণ আছে।
15. ২০১৭ আর ২০২১ সালে ভারত অংশ নেয় ইসরায়েলের “ব্লু ফ্ল্যাগ” এয়ার এক্সারসাইজে।
16. ইসরায়েল ভারতীয় পাইলটদের মরুভূমি আর শহরভিত্তিক যুদ্ধ কৌশলে ট্রেনিং দেয়।
17. ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয় IMBEX (India–Myanmar Bilateral Army Exercise)।
18. IMBEX-এর অফিসিয়াল লক্ষ্য বলা হয়েছে “পিসকিপিং, জঙ্গল ওয়ারফেয়ার, আর বর্ডার ইনসার্জেন্সি”ইত্যাদি মোকাবেলা। তবে, পিসকিপিং এবং ইনসার্জেন্সি দমন এর নামে কি হয়/হবে... আপনি অনুমান করুন।
19. বঙ্গোপসাগরে নিয়মিতভাবে IMCOR ( India–Myanmar Coordinated Patrol) অনুষ্ঠিত হয়।
20. Operation Sunrise I & II (২০১৯–২০২২): ভারত আর মিয়ানমার মিলে যৌথ অভিযান চালায়। টার্গেট ছিল “বিদ্রোহী ঘাঁটি”।
21. দেরাদুন, চেন্নাই আর পুনেতে অবস্থিত ডিফেন্স অ্যাকাডেমি সমূহে ভারত মিয়ানমারের সামরিক অফিসারদের ট্রেনিং দেয়।
22. ইসরায়েলি প্রশিক্ষকরা সরাসরি না হলেও, ভারতের মাধ্যমে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে পরোক্ষভাবে ট্রেনিং দেয়।
23. কিছু ভারতীয় উৎপাদিত অস্ত্র মিয়ানমারের পাহাড়ি এলাকায় “মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা” করা হয়েছে, যৌথ তত্ত্বাবধানে।
24. ভারতের ফেসিয়াল রিকগনিশন আর পপুলেশন ম্যাপিং প্রোগ্রামে সরাসরি টেক সাপোর্ট দিচ্ছে ইসরায়েল।
25. ইসরায়েলি কোম্পানি NSO Group (যেটা bertho spyware Pegasus বানিয়েছে) ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সরাসরি কাজ করেছে।
26. সীমান্ত চুক্তির আওতায় ভারত এখন মিয়ানমারকে স্যাটেলাইট এবং ড্রোন ডেটা শেয়ার করে। পাহাড়ি অঞ্চল, জঙ্গলে থাকা গ্রাম, রোহিঙ্গা চলাচল ইত্যাদি সবকিছুর অবস্থান আগেই জানিয়ে দেয় ভারত। ভারতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিয়ানমার চালায় “অপারেশন ক্লিনআপ”।
27. রোহিঙ্গা ক্যাম্প আর উত্তর-পূর্ব বিদ্রোহপ্রবণ এলাকাগুলাতে নজরদারির জন্য এখন ইসরায়েলি সাইবার সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে ।
28. মিয়ানমার রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গা দমনের সময় ইসরায়েলি Elbit Systems - modified ড্রোন প্রোটোটাইপ পরীক্ষা করেছে। এই ড্রোন গুলো ছিল টেরেইন ম্যাপিং + মোশন ট্র্যাকিং + রিয়েলটাইম টার্গেট লক প্রযুক্তিসম্পন্ন।
29. রাখাইনের জঙ্গল ছিল এক প্রকার টেস্টিং গ্রাউন্ড, আর রোহিঙ্গারা ছিল প্র্যাকটিক্যাল ডেমো টার্গেট। Elbit Systems এর জন্য এটা ছিল এক্সপোর্ট টেস্ট। পাশাপাশি মিয়ানমারের জন্য ছিল এক্সটারমিনেশন টুল।
30. ভারত এখন Kaladan Multi-Modal Transit Corridor নির্মাণ করছে। রুট: কলকাতা → মিজোরাম → সিত্তে পোর্ট (মিয়ানমার)। সড়ক, নদী, আর সমুদ্রপথ মিলিয়ে এটা হবে এক বিশাল করিডর।এই করিডরের মানে হল: ভারত বাংলাদেশকে বাইপাস করে সরাসরি মিয়ানমারে ঢুকতে পারবে।
এইতো, ৩০ নাম্বার পয়েন্টে হল আসল খেলা।
চলেন আমরা ধাপে ধাপে দেখি কিভাবে প্রথম অংশ ভারতের কালাদান করিডর চট্টগ্রাম–আরাকান এর সাথে কানেক্টেড হয়:
👉 ভারতের লক্ষ্য: পূর্বাঞ্চলে সরাসরি প্রবেশাধিকার। ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে নর্থ-ইস্ট (৭টি রাজ্য) আলাদা, যার একমাত্র সংযোগ “সিলিগুড়ি করিডর” (Chicken's Neck)। এটা অত্যন্ত সেনসিটিভ। এই করিডর যদি ব্লক হয় (যুদ্ধ বা বিদ্রোহে), তাহলে ভারত নর্থ-ইস্টে সেনা পাঠাতে পারবে না।
👉 Kaladan Corridor এই সংকট সমাধান করে, কারণ: কলকাতা → সমুদ্রপথে সিত্তে (মিয়ানমার) → তারপর রাস্তা দিয়ে মিজোরাম। অর্থাৎ ভারত বাংলাদেশকে বাইপাস করে সেনা ও মালামাল ঢুকাতে পারবে।
👉 এর মানে বাংলাদেশ এখন শুধু একটি“মধ্যবর্তী স্ট্র্যাটেজিক শূন্যতা”। ভারত যদি বাংলাদেশকে ছাড়াই মিয়ানমার ঢুকতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের সামরিক-ভূকৌশলিক গুরুত্ব কমে যাবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম–আরাকান বেল্ট। যা আগে “নিয়ন্ত্রণের দরজা” ছিল, এখন “পেছনের ফাঁকা মাঠ” হয়ে যাবে।
👉 এর ফলে ভারতের স্ট্র্যাটেজিক ফোকাস যাবে রাখাইন-চট্টগ্রাম রুটের দিকে। যেহেতু Kaladan already bypassed the center, control zones shift to the flank (side entry routes) অর্থাৎ ভারত ও তার সহযোগীরা এই রুটকে militarize করতে পারবে future “buffer zone” বা “safe zone” বানানোর জন্য।
👉 এরজন্য দরকার রোহিঙ্গা সরানো, মুসলিম presence কমানো, আর এরপর ideological expansion শুরু করা। exactly as done in Kashmir and Assam।
👉 ইসরায়েলের ভূমিকা আসছে এখানেই। Israel supports both Indian military infra and Myanmar defense। Kaladan route এর exact entry/exit points (Sittwe port + Mizoram hills) আগে থেকেই mapped by Israeli-funded surveillance projects। এই রুট দিয়ে “economic corridor” নামে ideological corridor প্রবেশ করানো সহজ। যেমন: interfaith councils, counter-extremism training, LGBTQ rights inclusion, ইত্যাদি।
এই পর্যায়ে চট্রগাম—আরাকান করিডর নিয়ে আমার পূর্বের স্ট্যাটাসটি পড়ার অনুরোধ করছি। পড়া হলে নীচে কন্টিনিউ করেন:
If Kaladan opens the military backdoor, the so-calles humanitarian corridor (Chattrogram—Arakan Corridor) opens the cultural and spiritual front door. Once both are active, Bangladesh’s control over its own eastern border collapses.
31. বিশেষ করে মিয়ানমারের সিত্তে (Sittwe) আর দায়ওই (Dawei) অঞ্চলে ইসরায়েল রাডার প্রযুক্তি এবং পোর্ট সিকিউরিটি সিস্টেম সরবরাহ করছে।
32. এই করিডরগুলো বাংলাদেশের উপর ভারতের নির্ভরতা কমিয়ে দিবে। পাশাপাশি চীনের চোকপয়েন্টগুলো বাইপাস করে, পুরো অঞ্চলে ভারতের প্রবেশাধিকার বহুগুণে বাড়িয়ে তুলবে।
33. কালাদান করিডর ভারতের সাথে মিয়ানমারের মধ্যে একধরনের সরাসরি স্থল-থেকে-সমুদ্র পর্যন্ত সামরিক লজিস্টিক সংযোগ। মানে সেনা চলাচল, অস্ত্র পরিবহন, ড্রোন ও সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম মোতায়েন ইত্যাদি সহজ হবে। চিকেন নেক আর ম্যাটার করবে না।
34. ইসরায়েল নিরবে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলের বন্দরে ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি কনট্রাক্টে বিনিয়োগ করেছে। রাডার, স্ক্যানার, এক্সেস কন্ট্রোল, সার্ভেইল্যান্স নেটওয়ার্ক সবকিছুর প্রযুক্তি আসছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে।
35. মিয়ানমারে কিছু সংখ্যালঘু গোষ্ঠী আছে, যেমন: কাচিন (Ka-Chin) সম্প্রদায়ের কিছু অংশ, এরা নিজেদের “ইহুদি বংশধর” দাবি করে। তারা বলে, তারা Lost Tribe of Israel এর অংশ। এরা বসবাস করে রাখাইন ও চিন পাহাড়ি অঞ্চলে। এদের মধ্যে অনেকেই ইতিমধ্যে ইসরায়েলের “আলিয়া” আইনের আওতায় ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার চেষ্টা করছে।
36. মিয়ানমারের কিছু বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর মধ্যে ইসরায়েলপ্রীতি বা প্রো-ইসরায়েল রেটোরিক এখন খুব সাধারণ একটা বিষয়।
37. ভারতের হিন্দুত্ববাদী দর্শন এবং ইসরায়েলের জায়নিস্ট সম্প্রসারণনীতি একে অপরের প্রতিচ্ছবি কারণ তাদের স্ট্র্যাটেজিক নীতিগুলো অভিন্ন।
38. ভারত, মিয়ানমার, আর ইসরায়েল— তিনটি দেশ স্পষ্ট ইসলামবিরোধী রাজনৈতিক বয়ান চালায়। একদিকে বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদ, একদিকে হিন্দু রাষ্ট্রবাদ, আরেকদিকে জায়নিস্ট ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদ, এই তিনটা মিলে একধরনের civilizational axis তৈরি করছে যার একমাত্র লক্ষ্য: ভবিষ্যত ইসলামী জাগরণকে থামানো। এখানে মিয়ানমার হলো ল্যাবরেটরি। সেখানে মুসলিমদের উপর যুদ্ধ, দমন, টেস্টিং চালানো হয়। ইসরায়েল হলো মস্তিষ্ক। সেখানে থেকে আসে প্রযুক্তি, কৌশল, আর মনস্তাত্ত্বিক আগ্রাসনের ছক। আর ভারত হলো বাস্তবায়নকারী বাহিনী। সে দমনযন্ত্র চালায় মাঠে, পাহাড়ে, ক্যাম্পে, এবং সীমান্তে।
38 point analysis is done.
এই পর্যন্ত পড়েছেন? এবার একটু নাড়াচাড়া দিয়ে বসুন। কারণ এখন শুরু হবে আসল কাহিনি। এই ৩৮টা পয়েন্ট আলাদা আলাদা ঘটনা না, শুধু ওয়ার্ল্ড পলিটিক্স না।
আমি এখন প্রমাণ করব: এইসব ঘটনা, চুক্তি, করিডর, মিলিটারী মহড়া, স্যাটেলাইট, ড্রোন, “মানবিক সহায়তা” এসব কিছু একে অপরের সাথে সূক্ষ্মভাবে কানেক্টেড। এবং এই জোড়া লাগানোর মূল সুতো হচ্ছে: Ghazwatul Hind।
প্রথমত আসেন আমরা জানি Ghazwatul Hind কি, কেন সবাই এই টার্মটাকে ভয় পায়। প্রথমে এই হাদীস দুইটি পড়েন:
Hadith 1: From Thawban (RA)
Thawban (RA) narrated: The Messenger of Allah ﷺ said, “Two groups from my Ummah Allah has saved from the Fire: One group that will wage war against India (Ghazwatul Hind), and one group that will be with ʿĪsā ibn Maryam (AS).”
Source:
→ Sunan an-Nasa’i (Sunan al-Kubra) – Hadith 3175
→ Classified as Sahih (Authentic) by al-Hakim and adh-Dhahabi
Hadith 2: From Abu Huraira (RA)
Abu Huraira (RA) said:“The Messenger of Allah ﷺ promised us the battle of India. If I am able to participate in it, I will spend my life and wealth in it. If I am killed, I will be among the best of martyrs.
And if I return, I will be Abu Huraira the freed one.”
Source:
→ Ahmad ibn Hanbal (Musnad Ahmad) – Hadith 7713
Ghazwatul Hind মানে শুধুমাত্র যুদ্ধ না। Ghazwatul Hind মানে হচ্ছে উম্মাহর পূর্বদিকের পুনরুত্থান। এটা যেমন অস্ত্রের যুদ্ধ, তেমনি চিন্তার যুদ্ধ। এটা শুধুমাত্র ভারত জয়ের গল্প না, এটা হলো পুরো দাজ্জালিক পূর্ব ফ্রন্টকে থামানোর চূড়ান্ত নববী নির্দেশনা।
তাহলে প্রশ্ন আসেঃ এই “হিন্দ” কী?
হিন্দ মানে কেবল আজকের ভারত না। তখন“হিন্দ” ছিল এক বিস্তৃত অঞ্চল যেটার মধ্যে পড়ে:
✓ ভারত
✓ পাকিস্তান
✓ বাংলাদেশ
✓ নেপাল
✓ কাশ্মীর
✓ আরাকান
✓ পূর্ব দিকের পাহাড়ি অঞ্চল (মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা)
এই অঞ্চলটাই হচ্ছে পূর্ব ফ্রন্ট। এখানে দাজ্জালিক সভ্যতা তাদের “পূর্ব সীল” তৈরি করতে চায়। আর এই Ghazwatul Hind থামাতে কেন সবাই একজোট? কারণ:
→ ইসরায়েল জানে, জেরুজালেম পুনরুদ্ধার শুরু হবে পূর্বদিক থেকে।
→ ভারত জানে, যদি মুসলিম উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে দিল্লি আর কাশ্মীর যাবে মুসলিম নেতৃত্বের হাতে।
→ মিয়ানমার জানে, রাখাইন তার জন্য “নিরাপদ বৌদ্ধ অঞ্চল” থাকবে না।
→ আমেরিকা-ইউরোপ জানে, একবার যদি মুসলমানরা কালচার, অর্থনীতি, এবং ধর্মকে কুরআন সুন্নাহ দিয়ে পুনর্জাগরিত করে , তাহলে লিবারাল সিস্টেম ধসে যাবে।
→ চীন জানে, মুসলিম আদর্শিক পুনরুত্থান মানেই তার সীমান্তে “নিয়ন্ত্রণহীন বিশ্বাসের বিস্ফোরণ”.।
তাদের কাছে Ghazwatul Hind মানে “uncontrollable awakening”।
শেষ টানি..
তাহলে এখন কী করণীয়?
1. Understand the architecture। করিডর, চুক্তি, প্রযুক্তি, জোট সবকিছুর পেছনে একটা মূল টার্গেট: Ghazwatul Hind থামানো।
2. Reject the illusion of Pluralism, Interfaith, Development, Climate Aid, Digital Reform। এসব জয়েন্ট প্রোজেক্ট আসলে ঈমানিক চেতনাকে গিলে ফেলার কৌশল।
3. Prepare the inner front। Ghazwatul Hind শুরু হবে অস্ত্র দিয়ে না। শুরু হবে চিন্তা দিয়ে। আপনি সত্য চিনতে শিখলে, এই যুদ্ধে আপনিও একজন মুজাহিদ।
4. Connect the Ummah। চট্টগ্রাম, আরাকান, কাশ্মীর, গাজা, আফগানিস্তান এগুলো আলাদা সমস্যা না। These are connected battlefields of one war।
5. Return to Qur'an। Ghazwatul Hind কেবল তরবারির যুদ্ধ না। এটা হচ্ছে ওহি’র বিরুদ্ধে বানানো সভ্যতার কাঠামোকে ধ্বংস করার যুদ্ধ।
ধন্যবাদ।
Allah knows best।
May Allah help us all।