MD. Mehedi Hasan

MD. Mehedi Hasan ��""""যে আল্লাহর উপর ভরসা করে,,,
তার জন্যে তিনিই যথেষ্ট """"��

শিরোনাম: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন, সাময়িক বন্ধ উড়ান পরিষেবা​ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২৫:​রাজ...
18/10/2025

শিরোনাম:
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুন, সাময়িক বন্ধ উড়ান পরিষেবা
​ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ২০২৫:
​রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ এলাকায় আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুপুর আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দরের ফ্লাইট ওঠানামা সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে বলে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে।
​ঘটনার বিবরণ
​বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটের কাছে অবস্থিত কার্গো ভিলেজের একটি অংশে, যেখানে মূলত আমদানি করা পণ্য মজুদ রাখা হয়, সেখানে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনের লেলিহান শিখা ও কালো ধোঁয়া বহু দূর থেকে দেখা যায়।
​উদ্ধার তৎপরতা ও বর্তমান পরিস্থিতি
​আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অন্তত ২৮ থেকে ৩২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা। বহু এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।
​ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
​বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে নিরাপদ এবং সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

21/01/2025

হৃদয় যেন শতাব্দীর পুরোনো সেই নির্জন বাড়ি, যে বাড়ির দরজায় কেউ কোনদিন কড়া নাড়েনি।

পড়ন্ত বিকেলে চায়ের আড্ডা🌸💙
11/02/2024

পড়ন্ত বিকেলে চায়ের আড্ডা🌸💙

16/11/2023

নামাজে বসে যে আত্তাহিয়াতু দু'আ পড়ি তার পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে এবং নামাজ পড়ায় ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। ঈমানও তাজা হবে।

আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!

আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!

তাহলে কি বলেছিল...?

কারন; আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন; আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!

মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেন:-

▪আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু

অর্থঃ- যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।

উওরে মহান আল্লাহ বলেন:-

▪আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।

অর্থঃ- হে নবী; আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।

এতে মহানবী (সঃ) বলেন:-

▪আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।

অর্থ:- আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।

মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেন:-

▪আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।

অর্থ:- আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।
"সুবহানাল্লাহ"।

এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম।

13/11/2023

শীতকালে অবিবাহিতদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, কম্বল নিয়ে কেউ টানাটানি করে না !🤣

“লেখাটি আমার হৃদয় ছুঁয়েছে৷ “বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা. এর  পিতা আব্দুল্লাহ, একদিন মক্কার বাজারে গিয়েছিলেন কিছু কেনা-কাটা করা...
13/10/2023

“লেখাটি আমার হৃদয় ছুঁয়েছে৷

“বিশ্বনবী মুহাম্মদ সা. এর পিতা আব্দুল্লাহ, একদিন মক্কার বাজারে গিয়েছিলেন কিছু কেনা-কাটা করার জন্য I এক জায়গায় তিনি দেখলেন, এক লোক কিছু দাস- দাসী নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছে I

“আব্দুল্লাহ দেখলেন সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, একটা ছোট নয় বছরের কালো আফ্রিকান আবিসিনিয়ার মেয়ে I মেয়েটাকে দেখে আব্দুল্লাহর অনেক মায়া হলো, একটু রুগ্ন হালকা-পাতলা কিন্তু কেমন মায়াবী ও অসহায় দৃষ্টি দিয়ে তাঁকিয়ে আছে I

তিনি ভাবলেন ঘরে আমেনা একা থাকেন, মেয়েটা পাশে থাকলে তার একজন সঙ্গী হবে I এই ভেবে তিনি মেয়েটাকে কিনে নিলেন I

মেয়েটিকে আব্দুল্লাহ ও আমেনা অনেক ভালোবাসতেন I স্নেহ করতেন I এবং তারা লক্ষ্য করলেন যে, তাদের সংসারে আগের চেয়েও বেশি রাহমাত ও বরকত চলে এসেছে I
এই কারণে আব্দুল্লাহ ও আমেনা মেয়েটিকে আদর করে নাম দিলেন "বারাকাহ"I

“এই গল্প, বারাকার গল্প I

তারপর একদিন আব্দুল্লাহ, ব্যবসার কারণে সিরিয়া রওনা দিলেন I আমেনার সাথে সেটাই ছিল উনার শেষ বিদায় I

উনার যাত্রার দুই এক দিন পর আমেনা একরাতে স্বপ্নে দেখলেন, আকাশের একটা তারা যেন খুব আলো করে তার কোলে এসে পড়লো I

পরদিন ভোরে তিনি বারাকাকে এই স্বপ্নের কথা বললেন I
উত্তরে বারাকা মৃদু হেসে বললেন, "আমার মন বলছে আপনার একটা সুন্দর সন্তানের জন্ম হবে"

আমেনা তখনও জানতেন না তিনি গর্ভ ধারণ করেছেন কিন্তু কিছুদিন পর তিনি বুঝতে পারলেন, বারাকার ধারণাই সত্যি I

আব্দুল্লাহ আর ফিরে আসেন নি, সিরিয়ার পথেই মৃত্যুবরণ করেছেন I

আমেনার সেই বিরহ ও কষ্টের সময়ে, বারাকা ছিলেন একমাত্র সবচেয়ে কাছের সঙ্গী I

একসময় আমেনার অপেক্ষা শেষ হয় এবং তিনি জন্ম দিলেন আমাদের প্রিয় নবীকে I

শেখ ওমর সুলাইমানের বর্ণনা অনুযায়ী, সর্বপ্রথম আমাদের নবীকে দেখার ও স্পর্শ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে মানুষটির, সে হলো এই আফ্রিকান ক্রিতদাসী ছোট কালো মেয়েটি I

আমাদের নবীকে নিজ হাতে আমেনার কোলে তুলে দিয়েছিলেন, আনন্দে ও খুশিতে বলেছিলেন,
"আমি কল্পনায় ভেবেছিলাম সে হবে চাঁদের মত কিন্তু এখন দেখছি, সে যে চাঁদের চেয়েও সুন্দর "

এই সেই বারাকা I নবীজির জন্মের সময় উনার বয়স ছিল তের বছর I ছোটবেলায় শিশু নবীকে আমেনার সাথে যত্ন নিয়েছেন, গোসল দিয়েছেন, খাওয়াতে সাহায্য করেছেন,আদর করে ঘুম পাড়িয়েছেন I

মৃত্যুর সময় আমেনা, বারাকার হাত ধরে অনুরোধ করেছিলেন তিনি যেন তাঁর সন্তানকে দেখে শুনে রাখেন I
বারাকা তাই করেছিলেন Iবাবা-মা দুজনকেই হারিয়ে, ইয়াতিম নবী চলে আসলেন দাদা আবদুল মোত্তালিবের ঘরে I

“উত্তরাধিকার সূত্রে নবী হলেন বারাকার নতুন মনিব I
কিন্তু তিনি একদিন বারাকাকে মুক্ত করে দিলেন, বললেন,
-"আপনি যেখানে ইচ্ছে চলে যেতে পারেন , আপনি স্বাধীন ও মুক্ত I"

সেই শিশুকাল থেকেই নবী এই ক্রীতদাস প্রথাকে দূর করতে চেয়েছিলেন Iবারাকা নবীকে ছেড়ে যেতে রাজি হলেন না I রয়ে গেলেন I মায়ের ছায়া হয়ে পাশে থেকে গেলেন I

এমনকি নবীজির দাদা উনাকে বিয়ে দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তিনি কিছুতেই রাজি হলেন না I উনার একই কথা, -"আমি আমেনাকে কথা দিয়েছি, আমি কোথাও যাবো না"

তারপর একদিন খাদিজা (রাঃ) এর সাথে নবীজির বিয়ে হলো I বিয়ের দিন রাসূল (সাঃ) খাদিজা (রাঃ) এর সাথে বারাকাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন I তিনি বললেন, "উনি হলেন আমার মায়ের পর আরেক মা "

“বিয়ের পর রাসূল (সাঃ) একদিন বারাকাকে ডেকে বললেন,
-"উম্মি ! আমাকে দেখাশুনা করার জন্য এখন খাদিজা আছেন, আপনাকে এখন বিয়ে করতেই হবে I" (নবীজি উনাকে উম্মি ডাকতেন, নাম ধরে ডাকতেন না )

তারপর রাসূল (সাঃ) ও খাদিজা মিলে উনাকে উবাইদ ইবনে জায়েদের সাথে বিয়ে দিয়ে দিলেন I কিছুদিন পর বারাকার নিজের একটা ছেলে হলো, নাম আইমান I এরপর থেকে বারাকার নতুন নাম হয়ে গেলো "উম্মে আইমান"I

একদিন বারাকার স্বামী উবাইদ মৃত্যু বরণ করেন, নবীজি গিয়ে আইমান ও বারাকাকে সাথে করে নিজের বাড়ি নিয়ে আসেন এবং সেখানেই থাকতে দিলেন I

কিছুদিন যাওয়ার পর নবীজি একদিন বেশ কয়েকজন সাহাবীকে ডেকে বললেন,

"আমি একজন নারীকে জানি, যার কোন সম্পদ নেই, বয়স্ক এবং সাথে একটা ইয়াতিম সন্তান আছে কিন্তু তিনি জান্নাতি, তোমাদের মধ্যে কেউ কি একজন জান্নাতি নারীকে বিয়ে করতে চাও?"

এইকথা শুনে জায়েদ ইবনে হারিসা (রাঃ) নবীজির কাছে এসে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন I নবীজি উম্মে আইমানের সাথে কথা বলে বিয়ের আয়োজন করলেন I

বিয়ের দিন রাসূল (সাঃ) জায়েদকে বুকে জড়িয়ে আনন্দে ও ভালোবাসায়, ভেজা চোখে, কান্না জড়িত কণ্ঠে বললেন,
"তুমি কাকে বিয়ে করেছো, জানো জায়েদ ?"
-হাঁ, উম্মে আইমানকে I জায়েদের উত্তর I নবীজি বললেন, -"না, তুমি বিয়ে করেছো, আমার মা কে "

সাহাবীরা বলতেন, রাসূল (সাঃ) কে খাওয়া নিয়ে কখনো জোর করা যেত না I উনি সেটা পছন্দ করতেন না I কিন্তু উম্মে আইমান একমাত্র নারী, যিনি রাসূল (সাঃ) কে খাবার দিয়ে "খাও".." খাও".. বলে তাড়া দিতেন I আর খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পাশে বসে থাকতেন I নবীজি মৃদু হেসে, চুপ চাপ খেয়ে নিতেন I

রাসূল (সাঃ) উনার দুধ মাতা হালিমাকে দেখলে যেমন করে নিজের গায়ের চাদর খুলে বিছিয়ে তার উপর হালিমাকে বসতে দিতেন ঠিক তেমনি মদিনায় হিজরতের পর দীর্ঘ যাত্রা শেষে উম্মে আইমান যখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন নবীজি উনার গায়ের চাদরের একটা অংশ পানিতে ভিজিয়ে, উম্মে আইমানের মুখের ঘাম ও ধুলোবালি নিজ হাতে মুছে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, "উম্মি ! জান্নাতে আপনার এইরকম কোন কষ্ট হবে না"

নবীজি মৃত্যুর আগে সাহাবীদের অনেক কিছুই বলে গিয়েছিলেন I সেই সব কথার মধ্যে একটা ছিল, উম্মে আইমানের কথা Iবলেছেন, "তোমরা উম্মে আইমানের যত্ন নিবে, তিনি আমার মায়ের মত I তিনিই একমাত্র নারী, যিনি আমাকে জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছেন I আমার পরিবারের একমাত্র সদস্য, যিনি সারাজীবন আমার পাশে ছিলেন I"

সাহাবীরা সেই কথা রেখেছিলেন I গায়ের রং নয়, এক সময়ের কোন ক্রিতদাসী নয়, তাঁর পরিচয় তিনি যে নবীর আরেক মা I মায়ের মতোই তাঁরা, এই বৃদ্ধা নারীকে ভালোবেসে আগলে রেখেছিলেন I

“সূত্র: ইবনে হিশাম ও শেখ ওমর সুলাইমান।❞

10/10/2023

নফলে বেড়ে যায় দু'আ কবুলের চান্স
ফরজের পর অধিক নফল আমল করা দুআ কবুলের সহায়ক। হজরত আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত—রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যে আমার কোনো বন্ধুর সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি। বান্দা যে সকল উসিলায় আমার নৈকট্য অর্জন করে, তার মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে ফরজ আমলসমূহ। অন্যদিকে নফল আমলের মাধ্যমে বান্দা আমার এত নিকটবর্তী হয় যে, আমি তাকে ভালোবাসতে থাকি। যখন আমি তাকে ভালোবাসি, তখন আমি হয়ে যাই তার কান, যা দিয়ে সে শোনে; তার চোখ, যা দিয়ে সে দেখে; তার হাত, যা দিয়ে সে ধরে; তার পা, যা দিয়ে সে চলে। সে কিছু চাইলে আমি অবশ্যই দান করি, সাহায্য চাইলে সাহায্য করি। এমন মুমিন বান্দাকে মৃত্যু দিতে আমি সবচেয়ে বেশি দ্বিধাবোধ করি; কারণ সে মৃত্যু অপছন্দ করে আর আমি অপছন্দ করি তাকে অসন্তুষ্ট করতে।"
'মিরাকুলাস প্রেয়ারস' বই থেকে। আমরা যত বেশি ফর‍য আদায়ে যত্নবান হবো, তত বেশি আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করবো। আর ফরযের পর নফলের কম বা বেশির কারণেই এই নৈকট্যের পরিমাণেও হবে বেশি বা কম। ফরয তো আবশ্যিক, সবাই-ই সেটা করেন। কিন্তু যত্নের সাথে ফরয আদায় করি আমরা কজন? আর এরপরে নফলেই বা যত্নবান থাকে কজন? কিন্তু যারা থাকে, তারাই হতে পারেন রবের কাছের মানুষ। যারা দু'আয় হাত তুললে সেই দু'আ দ্রুতই পৌঁছে যায় আরশের দরবারে।

17/07/2023

"Ek tu adore amake rakho.... 💝👩‍❤️‍👨..."

Address

Sherpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD. Mehedi Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category